হাদীস বিএন


সহীহুল বুখারী





সহীহুল বুখারী (7321)


حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَيْسَ مِنْ نَفْسٍ تُقْتَلُ ظُلْمًا إِلاَّ كَانَ عَلَى ابْنِ آدَمَ الأَوَّلِ كِفْلٌ مِنْهَا ـ وَرُبَّمَا قَالَ سُفْيَانُ مِنْ دَمِهَا ـ لأَنَّهُ أَوَّلُ مَنْ سَنَّ الْقَتْلَ أَوَّلاً ‏"‏‏.‏




আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন ব্যক্তিকেই অন্যায়ভাবে কতল করা হয়, তার পাপের ভাগ আদাম (আঃ)-এর প্রথম (হত্যাকারী) পুত্রের উপরও পড়বে। রাবী সুফ্ইয়ান مِنْ دَمِهَا তার রক্তপাত করার অপরাধ তার উপরেও পড়বে উল্লেখ করেছেন। কারণ সেই প্রথমে হত্যার রীতি চালু করে।[১] [৩৩৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২২)









সহীহুল বুখারী (7322)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّلَمِيِّ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا، بَايَعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الإِسْلاَمِ، فَأَصَابَ الأَعْرَابِيَّ وَعْكٌ بِالْمَدِينَةِ، فَجَاءَ الأَعْرَابِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَقِلْنِي بَيْعَتِي‏.‏ فَأَبَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ جَاءَهُ فَقَالَ أَقِلْنِي بَيْعَتِي‏.‏ فَأَبَى ثُمَّ جَاءَهُ فَقَالَ أَقِلْنِي بَيْعَتِي‏.‏ فَأَبَى فَخَرَجَ الأَعْرَابِيُّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّمَا الْمَدِينَةُ كَالْكِيرِ، تَنْفِي خَبَثَهَا، وَيَنْصَعُ طِيبُهَا ‏"‏‏.‏




জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ সালাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট ইসলামের উপর বায়’আত নিল। এরপর সে মদীনায় জ্বরে আক্রান্ত হল। বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অস্বীকৃতি জানালেন। আবার সে এসে বলল, আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অস্বীকৃতি জানালেন। এরপর সে আবার এসে বলল, আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। এবারও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অস্বীকৃতি জানালেন, বেদুঈন বেরিয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মদীনা হাপরের মত। সে তার মধ্যেকার ময়লাকে দূর করে দেয় এবং ভালটুকু ধরে রাখে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৩)









সহীহুল বুখারী (7323)


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ كُنْتُ أُقْرِئُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ، فَلَمَّا كَانَ آخِرَ حَجَّةٍ حَجَّهَا عُمَرُ فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بِمِنًى، لَوْ شَهِدْتَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَتَاهُ رَجُلٌ قَالَ إِنَّ فُلاَنًا يَقُولُ لَوْ مَاتَ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ لَبَايَعْنَا فُلاَنًا‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ لأَقُومَنَّ الْعَشِيَّةَ فَأُحَذِّرَ هَؤُلاَءِ الرَّهْطَ الَّذِينَ يُرِيدُونَ أَنْ يَغْصِبُوهُمْ‏.‏ قُلْتُ لاَ تَفْعَلْ فَإِنَّ الْمَوْسِمَ يَجْمَعُ رَعَاعَ النَّاسِ يَغْلِبُونَ عَلَى مَجْلِسِكَ، فَأَخَافُ أَنْ لاَ يُنْزِلُوهَا عَلَى وَجْهِهَا فَيُطِيرُ بِهَا كُلُّ مُطِيرٍ، فَأَمْهِلْ حَتَّى تَقْدَمَ الْمَدِينَةَ دَارَ الْهِجْرَةِ وَدَارَ السُّنَّةِ، فَتَخْلُصُ بِأَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارِ فَيَحْفَظُوا مَقَالَتَكَ، وَيُنَزِّلُوهَا عَلَى وَجْهِهَا‏.‏ فَقَالَ وَاللَّهِ لأَقُومَنَّ بِهِ فِي أَوَّلِ مَقَامٍ أَقُومُهُ بِالْمَدِينَةِ‏.‏ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَقَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ بَعَثَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم بِالْحَقِّ وَأَنْزَلَ عَلَيْهِ الْكِتَابَ، فَكَانَ فِيمَا أُنْزِلَ آيَةُ الرَّجْمِ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - কে কুরআন পড়াতাম। ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন তার শেষ হজ্জ পালন করতে আসলেন, তখন ‘আবদুর রহমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মিনায় আমাকে বললেন, তুমি আজ আমীরুল মু’মিনীনের কাছে থাকলে দেখতে পেতে যে, তাঁর কাছে এক লোক এসে বলল, এক লোক বলেছে, যদি আমীরুল মু’মিনীন মারা যেতেন, তাহলে আমরা অমুক লোকের হাতে বায়’আত নিতে পারতাম। ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আজ বিকেলে অবশ্য অবশ্যই দাঁড়িয়ে আমি তাদেরকে সতর্ক করব, যারা মুসলিমদের হক ছিনিয়ে নিতে চায়। আমি বললাম, আপনি এমনটি করবেন না। কেননা, এখন হাজ্জের মৌসুম। এখন সাধারণ মানুষের সমবেত হওয়ার সময়। তারা আপনার মাজলিসকে কাবু করে ফেলবে। আমার ভয় হচ্ছে যে, তারা আপনার বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝতে পারবে না। হের-ফের করে চারদিকে রটিয়ে দেবে। বরং আপনি হিজরত ও সুন্নাতের আবাসভূমি মদীনায় পোঁছা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারা আপনার বক্তব্য হেফাজত করবে এবং তার উপযুক্ত মর্যাদা দিবে। ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি মদীনায় পোঁছলে অবশ্য অবশ্যই সবচেয়ে আগে এটি করবো। ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমরা মদীনায় পোঁছলাম। তখন ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ভাষণ দিলেন, আল্লাহ্‌ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সত্য বাণী দিয়ে পাঠিয়েছেন, তাঁর উপর কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে ‘রজম’ – এর আয়াতও রয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৪)









সহীহুল বুখারী (7324)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ كُنَّا عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَلَيْهِ ثَوْبَانِ مُمَشَّقَانِ مِنْ كَتَّانٍ فَتَمَخَّطَ فَقَالَ بَخْ بَخْ أَبُو هُرَيْرَةَ يَتَمَخَّطُ فِي الْكَتَّانِ، لَقَدْ رَأَيْتُنِي وَإِنِّي لأَخِرُّ فِيمَا بَيْنَ مِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى حُجْرَةِ عَائِشَةَ مَغْشِيًّا عَلَىَّ، فَيَجِيءُ الْجَائِي فَيَضَعُ رِجْلَهُ عَلَى عُنُقِي، وَيُرَى أَنِّي مَجْنُونٌ، وَمَا بِي مِنْ جُنُونٍ، مَا بِي إِلاَّ الْجُوعُ‏.‏




মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - এর নিকটে ছিলাম। তিনি লাল রঙের দু’টো কাতান পরে ছিলেন। এরপর তিনি নাক পরিষ্কার করলেন এবং বললেন, বাহঃ! বাহঃ! আবূ হুরায়রা আজ কাতান দিয়ে নাক পরিষ্কার করছে। অথচ আমার অবস্থা এমনও ছিল যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মিম্বর ও ‘আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - এর হুজরার মধ্যবর্তী স্থানে বেহুঁশ হয়ে পড়ে থাকতাম। আগমনকারী আসতো, তার নিজ পা আমার গর্দানে রাখতো, মনে হতো আমি যেন পাগল। অথচ আমার তিলমাত্র পাগলামি ছিল না। আমার ছিল একমাত্র ক্ষুধার যন্ত্রণা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৫)









সহীহুল বুখারী (7325)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ، قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَشَهِدْتَ الْعِيدَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَعَمْ وَلَوْلاَ مَنْزِلَتِي مِنْهُ مَا شَهِدْتُهُ مِنَ الصِّغَرِ، فَأَتَى الْعَلَمَ الَّذِي عِنْدَ دَارِ كَثِيرِ بْنِ الصَّلْتِ فَصَلَّى ثُمَّ خَطَبَ، وَلَمْ يَذْكُرْ أَذَانًا وَلاَ إِقَامَةً، ثُمَّ أَمَرَ بِالصَّدَقَةِ فَجَعَلَ النِّسَاءُ يُشِرْنَ إِلَى آذَانِهِنَّ وَحُلُوقِهِنَّ، فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَتَاهُنَّ، ثُمَّ رَجَعَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏




আবদুর রহমান ইবনু আবিস (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল; আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে কোন ঈদে উপস্থিত ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। যদি তাঁর কাছে আমার বিশেষ একটা মর্যাদা না থাকতো তবে এত অল্প বয়সে তাঁর কাছে যাওয়ার সুযোগ পেতাম না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাসীর ইবনু সালাতের বাড়ির নিকটের পতাকার নিকট আসলেন। এরপর ঈদের সালাত পড়লেন। তারপর খুৎবা দিলেন। রাবী আযান এবং ইকামত-এর উল্লেখ করেননি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদেরকে সদকা প্রদানের নির্দেশ দিলেন। নারীরা তাদের কান ও গলার (অলঙ্কারের) দিকে ইশারা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (তাদের কাছে যাবার) হুকুম করলেন। বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (অলঙ্কারাদি নিয়ে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)‘র কাছে ফিরে আসলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৬)









সহীহুল বুখারী (7326)


حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْتِي قُبَاءً مَاشِيًا وَرَاكِبًا‏.‏




ইবনু ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুবার মসজিদে কখনো পায়ে হেঁটে আবার কখনো, সওয়ার হয়েও আসতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৭)









সহীহুল বুখারী (7327)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ادْفِنِّي مَعَ صَوَاحِبِي وَلاَ تَدْفِنِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْبَيْتِ، فَإِنِّي أَكْرَهُ أَنْ أُزَكَّى‏.‏ وَعَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ، أَرْسَلَ إِلَى عَائِشَةَ ائْذَنِي لِي أَنْ أُدْفَنَ مَعَ صَاحِبَىَّ فَقَالَتْ إِي وَاللَّهِ‏.‏ قَالَ وَكَانَ الرَّجُلُ إِذَا أَرْسَلَ إِلَيْهَا مِنَ الصَّحَابَةِ قَالَتْ لاَ وَاللَّهِ لاَ أُوثِرُهُمْ بِأَحَدٍ أَبَدًا‏.‏




আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে বললেন, আমাকে আমার অন্যান্য সঙ্গিণীদের সঙ্গে দাফন করবে। আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে ঘরে দাফন করবে না। কেননা তাতে আমাকে অধিক দ্বীনদার পরহেজগার মনে করা হবে, আমি তা পছন্দ করি না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৬ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৮ প্রথমাংশ)









সহীহুল বুখারী (7328)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ادْفِنِّي مَعَ صَوَاحِبِي وَلاَ تَدْفِنِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْبَيْتِ، فَإِنِّي أَكْرَهُ أَنْ أُزَكَّى‏.‏ وَعَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ، أَرْسَلَ إِلَى عَائِشَةَ ائْذَنِي لِي أَنْ أُدْفَنَ مَعَ صَاحِبَىَّ فَقَالَتْ إِي وَاللَّهِ‏.‏ قَالَ وَكَانَ الرَّجُلُ إِذَا أَرْسَلَ إِلَيْهَا مِنَ الصَّحَابَةِ قَالَتْ لاَ وَاللَّهِ لاَ أُوثِرُهُمْ بِأَحَدٍ أَبَدًا‏.‏




বর্ণনাকারী হিশাম তাঁর পিতা থেকে হতে বর্ণিত, উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - এর নিকট লোক পাঠালেন, আমাকে আমার দু’ সঙ্গী [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - এর সঙ্গে দাফন হবার অনুমতি দিন। ‘আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হ্যাঁ। আল্লাহ্‌র কসম! বর্ণনাকারী আরো বলেন, ‘আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - এর কাছে সাহাবাদের কেউ যখনই এই অনুমতির জন্য কাউকে পাঠাতেন, তখনি তিনি বলতেন, না। আল্লাহ্‌র কসম! আমি তাঁদের কাউকে কক্ষনো প্রাধান্য দেবো না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৬ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৮ শেষাংশ)









সহীহুল বুখারী (7329)


حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ فَيَأْتِي الْعَوَالِيَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ‏.‏ وَزَادَ اللَّيْثُ عَنْ يُونُسَ، وَبُعْدُ الْعَوَالِي أَرْبَعَةُ أَمْيَالٍ أَوْ ثَلاَثَةٌ‏.‏




আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের সালাত পড়তেন। তারপর আমরা ‘আওয়ালী’ (মদীনার নিকট উঁচু টিলার স্থান) যেতাম। তখনও সূর্য উপরে থাকত। বর্ণনাকারী লায়স (রাহিঃ) ইউনুস (রাহিঃ) হতে আরো বর্ণনা করেছেন যে, ‘আওয়ালী’র দূরত্ব চার অথবা তিন মাইল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮২৯)









সহীহুল বুখারী (7330)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ، عَنِ الْجُعَيْدِ، سَمِعْتُ السَّائِبَ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ كَانَ الصَّاعُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُدًّا وَثُلُثًا بِمُدِّكُمُ الْيَوْمَ، وَقَدْ زِيدَ فِيهِ‏.‏
سَمِعَ الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْجُعَيْدَ




সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যুগের সা’ তোমাদের এ সময়ের এক মুদ ও এক মুদের এক-তৃতীয়াংশ মাপের ছিল। অবশ্য (পরবর্তী সময়ে) তা বৃদ্ধি পেয়েছে। (হাদীসটি) কাসিম ইবনু মালিক (রাহিঃ) যুআয়দ (রাহিঃ) থেকে শুনেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩০)









সহীহুল বুখারী (7331)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِي مِكْيَالِهِمْ، وَبَارِكْ لَهُمْ فِي صَاعِهِمْ وَمُدِّهِمْ ‏"‏ يَعْنِي أَهْلَ الْمَدِينَةِ‏.‏




আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই বলে দু’আ করেছেনঃ হে আল্লাহ্‌! তাঁদের পরিমাপে বরকত দান করুন, তাদের সা’–এ বরকত দিন এবং তাদের মুদে- অর্থাৎ মদীনাবাসীদের। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩১)









সহীহুল বুখারী (7332)


حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ الْيَهُودَ، جَاءُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِرَجُلٍ وَامْرَأَةٍ زَنَيَا، فَأَمَرَ بِهِمَا فَرُجِمَا قَرِيبًا مِنْ حَيْثُ تُوضَعُ الْجَنَائِزُ عِنْدَ الْمَسْجِدِ‏.‏




ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, ইয়াহূদীগণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এক ব্যভিচারী পুরুষ এবং এক ব্যভিচারিণী নারীকে নিয়ে আসলো। তখন তিনি তাঁদের দু’জনকে শাস্তি দেয়ার নির্দেশ দিলে মসজিদে নাবাবীর নিকট জানাজা রাখার স্থানে তাদেরকে পাথর নিক্ষেপে মারা হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩২)









সহীহুল বুখারী (7333)


حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَمْرٍو، مَوْلَى الْمُطَّلِبِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَلَعَ لَهُ أُحُدٌ فَقَالَ ‏ "‏ هَذَا جَبَلٌ يُحِبُّنَا وَنُحِبُّهُ، اللَّهُمَّ إِنَّ إِبْرَاهِيمَ حَرَّمَ مَكَّةَ، وَإِنِّي أُحَرِّمُ مَا بَيْنَ لاَبَتَيْهَا ‏"‏‏.‏ تَابَعَهُ سَهْلٌ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي أُحُدٍ‏.‏




আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, একদা উহুদ পাহাড় নজরে পড়লে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ পর্বত আমাদেরকে ভালোবাসে আর আমরাও একে ভালোবাসি। হে আল্লাহ্‌! ইবরাহীম (‘আঃ) মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন, আর আমি এ মদীনার দু’টি কঙ্করময় প্রান্তের মাঝের স্থানকে হারাম ঘোষণা করছি। উহুদ সংক্রান্ত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীস বর্ণনায় সাহল (রাবী) আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) - এর অনুসরণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩৩)









সহীহুল বুখারী (7334)


حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ، حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ، أَنَّهُ كَانَ بَيْنَ جِدَارِ الْمَسْجِدِ مِمَّا يَلِي الْقِبْلَةَ وَبَيْنَ الْمِنْبَرِ مَمَرُّ الشَّاةِ‏.‏




সাহল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, মসজিদে নববীর কিব্‌লার দিকের দেয়াল ও মিম্বরের মাঝে মাত্র একটা বকরী যাতায়াতের জায়গা ছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩৪)









সহীহুল বুখারী (7335)


حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ، وَمِنْبَرِي عَلَى حَوْضِي ‏"‏‏.‏




আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার ঘর ও আমার মিম্বরের মাঝের জায়গা জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান। আর আমার মিম্বর আমার হাওযের উপর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩৫)









সহীহুল বুখারী (7336)


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَابَقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ الْخَيْلِ، فَأُرْسِلَتِ الَّتِي ضُمِّرَتْ مِنْهَا وَأَمَدُهَا إِلَى الْحَفْيَاءِ إِلَى ثَنِيَّةِ الْوَدَاعِ، وَالَّتِي لَمْ تُضَمَّرْ أَمَدُهَا ثَنِيَّةُ الْوَدَاعِ إِلَى مَسْجِدِ بَنِي زُرَيْقٍ، وَأَنَّ عَبْدَ اللَّهِ كَانَ فِيمَنْ سَابَقَ‏.‏ حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ‏.‏




‘আবদুল্লাহ (রাঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়দৌড়ের প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। ক্ষিপ্র গতির জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়াগুলোর প্রতিযোগিতার স্থান ছিল হাফয়া হতে সানীয়্যাতুল বিদ্যা পর্যন্ত। আর প্রশিক্ষণবিহীনগুলোর স্থান ছিল সানীয়্যাতুল বিদা হতে বনী যুরায়ক-এর মসজিদ পর্যন্ত। ‘আবদুল্লাহও প্রতিযোগীদের মধ্যে ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩৬)









সহীহুল বুখারী (7337)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ‏‏ ح. وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا عِيسَى، وَابْنُ، إِدْرِيسَ وَابْنُ أَبِي غَنِيَّةَ عَنْ أَبِي حَيَّانَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ، عَلَى مِنْبَرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏




ইব্‌নু ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মিম্বরে (খুৎবাহ দিতে) শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- র৩৭)









সহীহুল বুখারী (7338)


حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ، سَمِعَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، خَطَبَنَا عَلَى مِنْبَرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏.‏




সায়িব ইব্‌নু ইয়াযীদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘উসমান ইব্‌নু ‘আফ্‌ফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মিম্বরে (খুত্‌বাহ দিতে) শুনেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩৮)









সহীহুল বুখারী (7339)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، أَنَّ هِشَامَ بْنَ عُرْوَةَ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ يُوضَعُ لِي وَلِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَذَا الْمِرْكَنُ فَنَشْرَعُ فِيهِ جَمِيعًا‏.‏




আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর গোসলের জন্য এ পাত্রটি রাখা হত। আমরা এক সাথে এর থেকে গোসল করতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩৯)









সহীহুল বুখারী (7340)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ حَالَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ الأَنْصَارِ وَقُرَيْشٍ فِي دَارِي الَّتِي بِالْمَدِينَةِ‏.‏ وَقَنَتَ شَهْرًا يَدْعُو عَلَى أَحْيَاءٍ مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ




আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসার ও মুহাজিরদেরকে আমার মদীনার বাড়িতে প্রীতির ডোরে বেঁধেছিলেন। এবং বনী সুলায়মের গোত্রের উপর বদদু’আ করার জন্য মাসব্যাপী তিনি (ফাজ্‌রের সালাতে) কুনূত (নাযিলা) পড়েছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২৮ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৪০ প্রথমাংশ)