সহীহ ইবনু হিব্বান
290 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ بْنِ هَانِئٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَعَرَفْتُ فِي وَجْهِهِ أَنْ قَدْ حَضَرَهُ شَيْءٌ، فَتَوَضَّأَ، وَمَا كَلَّمَ أَحَدًا، ثُمَّ خَرَجَ، فَلَصِقْتُ بِالْحُجْرَةِ أَسْمَعُ مَا يَقُولُ، فَقَعَدَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ لَكُمْ: مُرُوا بِالْمَعْرُوفِ، وَانْهَوْا عَنِ الْمُنْكَرِ، قَبْلَ أَنْ تَدْعُونِي، فَلَا أُجِيبُكُمْ، وَتَسْأَلُونِي فَلَا أُعْطِيكُمْ، وَتَسْتَنْصِرُونِي فَلَا أَنْصُرُكُمْ»، [ص:527] فَمَا زَادَ عَلَيْهِنَّ حَتَّى نَزَلَ. [68: 3]
২৯০. ‘আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার কাছে আসলেন, আমি তাঁর চেহারা দেখে বুঝতে পারলাম যে, নিশ্চয়ই তাঁর কোন কিছু হয়েছে। অতঃপর তিনি ওযূ করলেন এরপর কারো সাথে কথা না বলে আবার বের হয়ে গেলেন। আমি হুজরার পাশে লেগে থাকলাম যাতে তিনি কি বলেন তা শুনতে পারি। তিনি মিম্বারের উপর বসলেন। অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন। তারপর বললেন: “হে লোকসকল, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা‘আলা তোমাদের বলছেন: “তোমরা সৎকাজের আদেশ করবে, অসৎ কাজে নিষেধ করবে- সেই সময় আসার পূর্বেই যখন (সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ না করার কারণে) তোমরা আমার কাছে দু‘আ করবে কিন্তু আমি তোমাদের দু‘আ কবুল করবো না, তোমরা আমার কাছে চাইবে কিন্তু আমি তোমাদের তা প্রদান করবো না, তোমরা আমার কাছে সাহায্য চাইবে কিন্তু আমি তোমাদের সাহায্য করবো না।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরচেয়ে বেশি আর কিছুই বললেন না অতঃপর তিনি মিম্বার থেকে অবতরণ করলেন।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৫৯; ইবনু মাজাহ: ৪০০৪; বাযযার: ৩৩০৫; মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ৭/২৬৬। হাদীসটির সানাদের ব্যাপারে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ য‘ঈফ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে য‘ঈফ বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৩/১৭২।)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف - «التعليق الرغيب» (3/ 172)، «الرد على بليق» (321).
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف؛ لجهالة عاصم بن عمر بن عثمان، كما ذكر الحافظ في «التقريب»، ورواية عنه عمرو بن عثمان: قال الحافظ في «التقريب»: ويقال: عثمان بن عمرو، قلبه بعضهم، مستور.
