সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ حَاضَتْ صَفِيَّةُ فَلَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ النَّفْرِ قَالَتْ أَيْ حَلْقَى أَيْ عَقْرَى بِلُغَةٍ لَهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَسْتِ قَدْ طُفْتِ يَوْمَ النَّحْرِ قَالَتْ بَلَى قَالَ فَارْكَبِي
১৯৫৩. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাফিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর হায়িয আরম্ভ হলো। এরপর যখন প্রস্থানের রাত আগমণ করলো, তখন তিনি আপন ভাষায় বললেন, হায়, আমার ধ্বংস! হায়, আমার নিষ্ফলতা (শারীরিক অক্ষমতা)![1] তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি কি ইয়ামুন নাহার বা কুরবানীর দিন তাওয়াফ (এ-যিয়ারত) কর নি? তিনি জবাব দিলেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ “তা হলে বের হয়ে পড়ো।“[2]
[1] এটি অভিশাপ জাতীয় আহবান নয়। বরং এটি মুলত: তাদের মাঝে প্রচলিত আফসোস প্রকাশের ধরণ।–মুহাক্কিক্বের টীকা হতে –অনুবাদক।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হায়িয ৩২৮, হাজ্জ ১৭৫৭; মুসলিম, হাজ্জ ১২১১;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ২০৩; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫২ তে।
