সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ يَعْنِي ابْنَ أَبِي خَالِدٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ مَسْرُوقٍ أَنَّهُ قَالَ لِعَائِشَةَ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ رِجَالًا يَبْعَثُ أَحَدُهُمْ بِالْهَدْيِ مَعَ الرَّجُلِ فَيَقُولُ إِذَا بَلَغْتَ مَكَانَ كَذَا وَكَذَا فَقَلِّدْهُ فَإِذَا بَلَغَ ذَلِكَ الْمَكَانَ لَمْ يَزَلْ مُحْرِمًا حَتَّى يَحِلَّ النَّاسُ قَالَ فَسَمِعْتُ صَفْقَتَهَا بِيَدِهَا مِنْ وَرَاءِ الْحِجَابِ وَقَالَتْ لَقَدْ كُنْتُ أَفْتِلُ الْقَلَائِدَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَبْعَثُ بِالْهَدْيِ إِلَى الْكَعْبَةِ مَا يَحْرُمُ عَلَيْهِ شَيْءٌ مِمَّا يَحِلُّ لِلرَّجُلِ مِنْ أَهْلِهِ حَتَّى يَرْجِعَ النَّاسُ
১৯৭৩. মাসরুক্ব (রাহি.) হতে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা-কে বলেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! কোনো এক ব্যক্তি তাদের মধ্যকার অপর এক ব্যক্তির মাধ্যমে তার হাদী (কুরবানীর জন্তু পাঠিয়ে দেয়, এবং বলে, তুমি যখন অমুক অমুক স্থানে পৌছবে, তখন একে ‘কিলাদা (কুরবানীর জন্তু হিসেবে পরিচিতিমুলক রশি) গলায় ঝুলিয়ে দেবে। এরপর যখন সে সেই স্থানে পৌছে গেলো, সে তখনও মুহরিম অবস্থা পরিত্যাগ করেনি, এমনকি লোকেরা হালাল (ইহরামমুক্ত) হয়ে গেলো। তিনি বলেন, এরপর পর্দার আড়াল হতে তার হাত দিয়ে (রশি পাকানোর মতো) শব্দ আমি শুনতে পেলাম। আর তিনি বললেন: আমি নিজ হাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি কা’বার উদ্দেশ্যে হাদী পাঠিয়ে দিতেন (অথচ তিনি পরিবারের মাঝে অবস্থান করতেন)। আর কোনো লোকের জন্য তার পরিবারের সাথে যা হালাল হয়ে থাকে, তিনি এমন কোন বিষয় নিজের উপর হারাম করতেন না, যতক্ষণ লোকেরা ফিরে না আসে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৬৯৬; মুসলিম, হাজ্জ ১৩২১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৫৮, ৪৬৫৯, ৪৮৫২, ৪৮৫৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪০০৯, ৪০১০, ৪০১১, ৪০১২, ৪০১৩ তে।
