সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْهُذَلِيُّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: شَهِدْتُ شُرَيْحًا وَجَاءَهُ رَجُلٌ مِنْ مُرَادٍ، فَقَالَ: يَا أَبَا أُمَيَّةَ، مَا دِيَةُ الْأَصَابِعِ؟ قَالَ: «عَشْرٌ عَشْرٌ». قَالَ: يَا سُبْحَانَ اللَّهِ، أَسَوَاءٌ هَاتَانِ؟ جَمَعَ بَيْنَ الْخِنْصِرِ وَالْإِبْهَامِ. فَقَالَ شُرَيْحٌ: يَا سُبْحَانَ اللَّهِ، أَسَوَاءٌ أُذُنُكَ وَيَدُكَ؟ فَإِنَّ الْأُذُنَ يُوَارِيهَا الشَّعْرُ وَالْكُمَّةُ وَالْعِمَامَةُ فِيهَا نِصْفُ الدِّيَةِ، وَفِي الْيَدِ نِصْفُ الدِّيَةِ. وَيْحَكَ: إِنَّ السُّنَّةَ سَبَقَتْ قِيَاسَكُمْ فَاتَّبِعْ وَلَا تَبْتَدِعْ، فَإِنَّكَ لَنْ تَضِلَّ مَا أَخَذْتَ بِالْأَثَرِ. قَالَ أَبُو بَكْرٍ: فَقَالَ لِي الشَّعْبِيُّ: يَا هُذَلِيُّ، لَوْ أَنَّ أَحْنَفَكُمْ قُتِلَ وَهَذَا الصَّبِيُّ فِي مَهْدِهِ، أَكَانَ دِيَتُهُمَا سَوَاءً؟ قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: فَأَيْنَ الْقِيَاسُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده أبو بكر الهذلي وهو متروك
২০৪. শা’বী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শুরাইহ-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন তার নিকট মুরাদ গোত্রের এক ব্যক্তি এসে বললো, হে আবু উমাইয়্যা! আঙুলসমূহের দিয়াত (রক্তপণ) কী? তিনি বলেন, (প্রতিটি আঙুলের জন্য) দশ দশটি (করে উট)। লোকটি বলল, সুবহানাল্লাহ! এ দু’টি আঙ্গুল কি সমান? একথা বলে সে কনিষ্ঠ অঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি একত্রিত করল। তখন শুরাইহ বললেন, সুবহানাল্লাহ! তোমার কান আর তোমার হাত কি সমান? কান তো চুল, টুপি ও পাগড়ী দ্বারা আবৃত থাকে, তার জন্য অর্ধেক দিয়াত (রক্তপণ), আবার হাতের জন্যও অর্ধেক দিয়াত।
তোমার জন্য আফসোস! নিশ্চয় সুন্নাত (হাদীছ) তোমাদের কিয়াস হতে অগ্রবর্তী। সুতরাং সুন্নাতের অনুসরণ কর, বিদ’আত তৈরি করো না। কেননা, তুমি কখনো পথভ্রষ্ট হবে না, যতক্ষণ তুমি হাদীসকে আঁকড়ে ধরে থাকবে।
আবু বাকর বলেন, তারপর শা’বী আমাকে বলেন, হে হুযালী! যদি তোমাদের মধ্যকার একজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে এবং এই দোলনার শিশুকে হত্যা করা হয়, তবে এদের দিয়াত সমান হবে কি? আমি বললাম, হাঁ। তখন তিনি বললেন, তাহলে কিয়াস (তুলনা-অনুমান) কোথায় গেল?[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে আবু বাকর আল হুযালী রয়েছে। তিনি পরিত্যক্ত রাবী।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুছান্নাফ নং ১৭৭০৩ অতি সংক্ষিপ্ত আকারে; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ২০২৪।
