সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْيَمَانِ الْبَرَّاءُ هُوَ مُعَلَّى بْنُ رَاشِدٍ قَالَ حَدَّثَتْنِي جَدَّتِي أُمُّ عَاصِمٍ قَالَتْ دَخَلَ عَلَيْنَا نُبَيْشَةُ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ نَأْكُلُ طَعَامًا فَدَعَوْنَاهُ فَأَكَلَ مَعَنَا ثُمَّ قَالَ حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ مَنْ أَكَلَ فِي قَصْعَةٍ ثُمَّ لَحِسَهَا اسْتَغْفَرَتْ لَهُ الْقَصْعَةُ
২০৬৫. উম্মু আসিম (রাহি.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্ত দাস নুবায়শাহ একদিন আমাদের কাছে এলেন। আমরা এ সময় খাবার খাচ্ছিলাম। ফলে আমরা তাকে আমাদের সাথে খেতে ডাকলে তিনি আমাদের সাথে খেলেন। এরপর তিনি তখন আমাদের বর্ণনা করলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কেউ যদি গামলায় বা পাত্রে কিছু আহার করে এরপর তা চেটে খায় তবে এই গামলা বা পাত্র তার জন্য ‘ইস্তিগফার’ (ক্ষমা প্রার্থনা) করে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদে উম্মু আসিম রয়েছে যার সম্পর্কে কেউ জারাহ ও তা’দীল করেননি (কেউ প্রশংসাও করেননি, কেউ দোষ-ত্রুটিও বর্ণনা করেননি)। ফলে তা ইবনু হিব্বানের শর্তানুযায়ী।
((তিরমিযী বলেন, হাদীসটি গারীব, আলবানী (তাহক্বীক্ব, যঈফুল জামি’ ৫/১৭৭) এবং ড. বাশশার আউয়াদ মা’রুফ (তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ইবনু মাজাহ নং ৩২৭১) যঈফ বলেছেন।– অনুবাদক))
তাখরীজ: আহমাদ ৫/৭৬; ইবনু মাজাহ, আতইমাহ ৩২৭১, ৩২৭২; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/১/৩৪; তিরমিযী, আতইমাহ ১৮০৫; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ, তরজমাহ ১১৪৩; দাওলাবী, আল কুন্নী ২/১৬৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ১১/৩১৬ নং ২৮৭৭।
