হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2103)


أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ الثَّقَفِيِّ عَنْ رَجُلٍ مِنْ ثَقِيفَ أَعْوَرَ قَالَ كَانَ يُقَالُ لَهُ مَعْرُوفٌ أَيْ يُثْنَى عَلَيْهِ خَيْرٌ إِنْ لَمْ يَكُنْ اسْمُهُ زُهَيْرَ بْنَ عُثْمَانَ فَلَا أَدْرِي مَا اسْمُهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْوَلِيمَةُ أَوَّلَ يَوْمٍ حَقٌّ وَالثَّانِيَ مَعْرُوفٌ وَالثَّالِثَ سُمْعَةٌ وَرِيَاءٌ قَالَ قَتَادَةُ وَحَدَّثَنِي رَجُلٌ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ دُعِيَ أَوَّلَ يَوْمٍ فَأَجَابَ وَدُعِيَ الْيَوْمَ الثَّانِيَ فَأَجَابَ وَدُعِيَ الْيَوْمَ الثَّالِثَ فَحَصَبَ الرَّسُولَ وَلَمْ يُجِبْهُ وَقَالَ أَهْلُ سُمْعَةٍ وَرِيَاءٍ




২১০৩. আব্দুল্লাহ ইবনু উছমান ছাকাফী হতে বর্ণিত, বনূ ছাকীফের জনৈক কানা ব্যক্তি, যাকে তার সদাচারের জন্য মা’রুফ বলা হতো, যদি তার নাম যুহায়র ইবন উছমান না হয়, তবে আমি জানি না তার সঠিক নাম কি! তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “বিবাহের প্রথম দিনে ওলীমার ব্যবস্থা করা জরুরী, দ্বিতীয় দিনে উত্তম এবং তৃতীয় দিনে করলে তা নাম প্রচার ও লোক দেখানো (-এর উদ্দেশ্যে করা বলে বিবেচিত হবে)।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদে আব্দুল্লাহ ইবনু উছমান আছ ছাকাফী নামক এক ব্যক্তি রয়েছে, যার সম্পর্কে ইমাম বুখারী তাঁর ‘আল কাবীর ৫/১৪৬ ও আবী হাতিম তার জারাহ ওয়াত তা’দীল গ্রন্থে কোনো প্রশংসা বা সমালোচনা কোনোটিই করেননি। ফলে হাদীসটি ইবনু হিব্বানের শর্তানুযায়ী (সহীহ)।

তাখরীজ: আবূ দাউদ , আতইমাহ ৩৭৪৫; বাইহাকী, সিদাক্ব ৭/২৬০; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৬৫৯৬; ইবনু আবী আছিম, আল আহাদ ওয়াল মাছানী নং ১৫৯৪; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৪/১৪৬; বুখারী, ‘আল কাবীর ৩/৪২৫, ৪/৪২৫; আহমাদ ৫/৪৮; তাবারাণী, আল কাবীর ৫/৩১৪ ; ইবনুল কানি’, মুজামুস সাহাবাহ, তারজমাহ ২৭৪;

ইবনু আদী, কামিল ৩/১০৭৮ এ উদ্ধৃতি দিয়েছেন যে, বুখারী বলেছেন: এর সনদ সহীহ নয়, আর তার-তথা যুহাইর ইবনু উছমান পরিচয়ও জানা যায় না, আর তিনি সাহাবী ছিলেন বলেও জানা যায় না।’ এরপর ইবনু আদী বলেছেন, তার সাহাবী হওয়াটা সহীহ নয়।’ আরও দেখুন, সুনানে বাইহাকী, তালখীসুল হাবীর ৩/১৯৫; ফাতহুল বারী ৯/২৪২-২৪৩; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৬২১৮, ৬২৬২।

এছাড়া এটি মুরসাল হিসেবে হাসান হতে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক নং ১৯৬৬০; ইবনু আবী শাইবা ১৪/১১১ নং ১৭৭৬৩ ও ১৭৮৪৩ এটি মুরসাল হিসেবে সহীহ।