সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بَيَانٍ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: دَخَلَ أَبُو بَكْرٍ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ عَلَى امْرَأَةٍ مِنْ أَحْمَسَ يُقَالُ لَهَا زَيْنَبُ، قَالَ: «فَرَآهَا لَا تَتَكَلَّمُ»، فَقَالَ: مَا لَهَا لَا تَتَكَلَّمُ؟ قَالُوا: نَوَتْ حَجَّةً مُصْمِتَةً. فَقَالَ لَهَا: «تَكَلَّمِي، فَإِنَّ هَذَا لَا يَحِلُّ، هَذَا مِنْ عَمَلِ الْجَاهِلِيَّةِ». قَالَ: فَتَكَلَّمَتْ، فَقَالَتْ: مَنْ أَنْتَ. قَالَ: " أَنَا امْرُؤٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ. قَالَتْ: مِنْ أَيِّ الْمُهَاجِرِينَ؟ قَالَ: «مِنْ قُرَيْشٍ» قَالَتْ: فَمِنْ أَيِّ قُرَيْشٍ أَنْتَ؟ قَالَ: " إِنَّكِ لَسَئُولٌ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ. قَالَتْ: مَا بَقَاؤُنَا عَلَى هَذَا الْأَمْرِ الصَّالِحِ الَّذِي جَاءَ اللَّهُ بِهِ بَعْدَ الْجَاهِلِيَّةِ؟ فَقَالَ: «بَقَاؤُكُمْ عليْهِ مَا اسْتَقَامَتْ بِكُمْ أَئِمَّتُكُمْ». قَالَتْ " وَمَا الْأَئِمَّةُ؟ قَالَ: «أَمَا كَانَ لِقَوْمِكِ رُؤَسَاءُ وَأَشْرَافٌ يَأْمُرُونَهُمْ فَيُطِيعُونَهُمْ؟» قَالَتْ: بَلَى، قَالَ: «فَهُمْ مِثْلُ أُولَئِكَ عَلَى النَّاسِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
২১৮. কায়িস ইবনু আবু হাযিম বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবু বাকর আহমাস গোত্রের এক মহিলার নিকট গেলেন, যাকে যায়নাব বলে ডাকা হত। তিনি বলেন, তিনি মহিলাকে দেখলেন যে, সে কোনো কথা-বার্তা বলছে না। তখন তিনি (লোকদেরকে) জিজ্ঞেস করলেন, তার কী হয়েছে যে সে কথা বলছে না? তারা বলল, সে কথা-বার্তাহীন (নিশ্চুপ) হজ্জ করার নিয়াত করেছে। তিনি তাকে বললেন, তুমি কথা বলো। কারণ, এটি জায়েয নয়। এটি জাহিলী যুগের কাজ। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর সে কথা বলল। তখন সে জিজ্ঞেস করল, আপনি কে? তিনি (আবু বাকর) বললেন, আমি মুহাজিরগণের একজন । সে তখন জিজ্ঞেস করল, কোন্ মুহাজিরগণের? তিনি বললেন, কুরাইশ বংশের। তখন সে আবারও প্রশ্ন করল, আপনি কুরাইশদের কোন্ (গোত্রের)? তিনি বললেন, তুমি তো দেখি খুব বেশি বেশি প্রশ্ন কর! আমি আবু বাকর। তখন ঐ মহিলা বললেন, জাহিলিয়্যাহ যুগের পরে আল্লাহ আমাদের জন্য যে কল্যাণকর অবস্থা সৃষ্টি করেছেন, তার উপর আমরা কতদিন পর্যন্ত স্থির থাকবো? তিনি বললেন, তোমরা এর উপর ততদিন পর্যন্ত স্থির থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তোমাদের ইমামগণ সরল পথে স্থির থাকবে। সে বলল, ইমামগণ আবার কী? তিনি বললেন: ‘তোমাদের গোত্রে কি নেতৃস্থানীয় সর্দার ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গ আছেন না, যারা লোকদেরকে আদেশ করেন এবং তারা তাদের আদেশ মান্য করে? সে বলল, হাঁ, অবশ্যই আছে। তিনি বললেন, ফলে তারাই হলো লোকদের জন্য ঐ ব্যক্তিবর্গের (ইমামগণের) মত।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, সহীহ ৩৮৩৪; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৮/৩৪৫, যঈফ সনদে ।
