সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ رُسْتُمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: تَطَاوَلَ النَّاسُ فِي الْبِنَاءِ فِي زَمَنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ عُمَرُ: «يَا مَعْشَرَ الْعُرَيْبِ، الْأَرْضَ الْأَرْضَ، إِنَّهُ لَا إِسْلَامَ إِلَّا بِجَمَاعَةٍ، وَلَا جَمَاعَةَ إِلَّا بِإِمَارَةٍ، وَلَا إِمَارَةَ إِلَّا بِطَاعَةٍ، فَمَنْ سَوَّدَهُ قَوْمُهُ عَلَى الْفِقْهِ، كَانَ حَيَاةً لَهُ وَلَهُمْ، وَمَنْ سَوَّدَهُ قَوْمُهُ عَلَى غَيْرِ فِقْهٍ، كَانَ هَلَاكًا لَهُ وَلَهُمْ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :في إسناده علتان: الأولى جهالة صفوان بن رستم والثانية الانقطاع. وعبد الرحمن بن ميسرة لم يدرك تميما الداري
২৫৭. তামীম দারী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু’র জামানায় লোকেরা সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু বলেন, হে আরব জাতি! যমীনে, যমীনে (বসবাস কর, উচ্চ দালান নির্মাণ করোনা)। কেননা, নিশ্চয়ই জামা’আত ব্যতীত ইসলাম নেই, আর ইমারত (নেতৃত্ব) ব্যতীত জামা’আত নেই, আর আনুগত্য ব্যতীত ইমারত (নেতৃত্ব) নেই। ফলে প্রজ্ঞা ও গভীর জ্ঞানের ভিত্তিতে জাতি যে ব্যক্তিকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচন করবে, সে হবে তার নিজের জন্য ও তার জাতির জন্য জীবন সমতুল্য। আর , প্রজ্ঞা ও গভীর জ্ঞান ব্যতীত অন্য কিছুর ভিত্তিতে জাতি যে ব্যক্তিকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচন করবে, সে তার নিজের ও জাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হবে।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এ সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। ১. সাফওয়ান ইবনু রুস্তম অজ্ঞাত ২. এতে ইনকিতা বা বিচ্ছিন্নতা বিদ্যমান। আব্দুর রহমান ইবনু মায়সার তামীম দারীর সাক্ষাত লাভ করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন।
তাখরীজ: ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম, নং ৩২৬।
