হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (2751)


أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُقْبَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَمَتَ نَجَا




২৭৫১. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি চুপ থাকলো, সে মুক্তি পেলো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/১৫৯, ১৭৭; তিরমিযী, সিফাতুল কিয়ামাহ ২৫০৩; কুদায়ী, মুসনাদুশ শিহাব নং ৩৩৪; ইবনু আবীদ দুনিয়া, কিতাবুস ছামতু ১০; আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক, যুহদ ৩৮৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ৪১২৯; ইবনু হাজার ফাতহ ১১/৩০৯ এ বলেন, এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন আর এর রাবীগণ বিশ্বস্ত।’

সাখাবী মাকাসিদুল হাসানাহ নং ১১৪১ তে বলেন, ‘এর অনেকগুলি শাহিদ রয়েছে, যার মধ্যে একটি রয়েছে তাবারাণীতে জাইয়্যেদ সনদে।’

ইরাকী বলেন, এটি রয়েছে তাবারাণীতে জাইয়্যেদ সনদে।’

দরবেশ হুত তার আসনাল মাতালিব নং ১৪২৮ তে বলেন, এতে ইবনু লাহিয়াহ রয়েছে সে যঈফ। তবে তাবারাণীতে রয়েছে জাইয়্যেদ সনদে, ফলে এটি হাসান হবে।’

তবে আমাদের বক্তব্য হলো: তাবারাণী, আওসাত নং ১৯৫৪ তে ইবনু লাহিয়াহ সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন । আর ইবনু লাহিয়াহ’র মুতাবিয়াত বা অনুসরণকারী বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল হারিছ, এর সনদ যদি ঠিক থাকে , তবে এটি জাইয়্যেদ হয়। তাবারাণী’কে অভিযুক্ত করেছেন ইবনুল জাওযী; এবং এর সনদের অজ্ঞাত পরিচয় (জাহালাত) এর কথা বলেছেন যাহাবী।

আমরা বলি: এর অনেক শাহিদ রয়েছে যা একে শক্তিশালী করে। দেখুন, ইবনু আবীদ দুনিয়া, কিতাবুস ছামতু; মুনযিরী, তারগীব ৩/৫৩৬; ফাতহুল বারী ৭/১৫১।