সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ سَعْدَانَ الْجُهَنِيِّ عَنْ أَبِي مُجَاهِدٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُدِلَّةَ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ الْجَنَّةُ مَا بِنَاؤُهَا قَالَ لَبِنَةٌ مِنْ ذَهَبٍ وَلَبِنَةٌ مِنْ فِضَّةٍ مِلَاطُهَا الْمِسْكُ الْأَذْفَرُ وَحَصْبَاؤُهَا الْيَاقُوتُ وَاللُّؤْلُؤُ وَتُرَابُهَا الزَّعْفَرَانُ مَنْ يَدْخُلْهَا يَخْلُدْ فِيهَا يَنْعَمُ لَا يَبْؤُسُ لَا يَفْنَى شَبَابُهُمْ وَلَا تَبْلَى ثِيَابُهُمْ
২৮৫৯. আবূ হুরাইরাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমরা বললাম: জান্নাতের নির্মাণ কি দিয়ে? তিনি বললেন: “এর একটি ইট হল সোনার আর একটি হল রূপার। এর গাঁথুনী হল সুগন্ধময় মিশকের। এর নুড়িগুলো হল ইয়াকুতের ও মোতির, মাটি হল যাফরানের। যে ব্যক্তি এতে প্রবেশ করবে, এখানে সে স্থায়ীভাবে থাকবে। সে নিয়ামত ও সুখ ভোগ করবে, কোনো দু:খ-কষ্ট পাবে না। তাদের যৌবনকখনও শেষ হবে না, আর তাদের পরিচ্ছদ কখনও পুরাতন ও জীর্ণ হবেনা।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৩৮৭ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৬২১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৮৪ তে। ((আহমাদ ২/৩০৪-৩০৫, ৩০৫, ৪৪৫; তিরমিযী, সিফাতুল জান্নাত ২৫২৬।- –ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর টীকা হা/২৮২১।- অনুবাদক))
