সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يُونُسَ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ مَيْمُونُ بْنُ مِهْرَانَ " إِيَّاكَ وَالْخُصُومَةَ وَالْجِدَالَ فِي الدِّينِ، وَلَا تُجَادِلَنَّ عَالِمًا، وَلَا جَاهِلًا: أَمَّا الْعَالِمُ، فَإِنَّهُ يَخْزُنُ عَنْكَ عِلْمَهُ وَلَا يُبَالِي مَا صَنَعْتَ، وَأَمَّا الْجَاهِلُ، فَإِنَّهُ يُخَشِّنُ بِصَدْرِكَ وَلَا يُطِيعُكَ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده صحيح
৩১০. ইউনুস রাহি. বলেন, মায়মুন ইবনু মিহরান আমার নিকট লিখে পাঠান: তুমি দীনী বিষয়ে ঝগড়া-বিবাদ ও তর্ক-বিতর্ক করা হতে দূরে থাকবে। আর তুমি কখনোই তর্ক-বিতর্ক করবে না কোনো আলিমের সাথে , আর না কোনো জাহিলের (মুর্খের) সাথে। কেননা, আলিম তো তোমার থেকে তার ইলমকে সংরক্ষণ করবেন, আর তুমি কী আমল করছো, সে ব্যাপারে তিনি পরোয়া করবেন না; আর জাহিল তো তোমার অন্তরকে কঠিন করে ফেলবে[1] অথচ সে তোমার আনুগত্য-অনুসরণও করবে না।[2]
[1] তোমার অন্তরকে ক্রোধান্বিত করবে/ ক্ষেপিয়ে তুলবে। (মুহাক্কিক্বের টীকা)
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া, ৪/৮২ সহীহ সনদে;
এর কোনো অংশের শাহিদ রয়েছে আবী হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসে, যা বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, আয যুহদ (৫০); তার সনদে তিরমিযী ২৪০৬, এর সনদে ইয়াহইয়া ইবনু আব্দুল্লাহ রয়েছে, সে পরিত্যক্ত রাবী।
এর অপর শাহিদ ইবনু উমার হতে যা তিরমিযী (২৪০৭) বর্ণনা করেছেন। এ সনদে রয়েছে হামযাহ ইবনু আবী মুহাম্মদ আর সে যঈফ বা দুর্বল।
এর অপর শাহিদ আবী দারদা হতে ইবনু আব্দুল বার তার জামি’ বায়ানিল ইলম-এ ১১৩৯ নং এর বর্ণনা করেছেন। এর সনদও যঈফ।
