সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: «كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَهْلِ الْمَدِينَةِ أنَّهُ مَنْ تَعَبَّدَ بِغَيْرِ عِلْمٍ، كَانَ مَا يُفْسِدُ أَكْثَرَ مِمَّا يُصْلِحُ، وَمَنْ عَدَّ كَلَامَهُ مِنْ عَمَلِهِ، قَلَّ كَلَامُهُ إِلَّا فِيمَا يَعْنِيهِ، وَمَنْ جَعَلَ دِينَهُ غَرَضًا لِلْخُصُومَاتِ، كَثُرَ تَنَقُّلُهُ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :رجاله ثقات غير أنه منقطع سعيد بن عبد العزيز لم يدرك عمر بن عبد العزيز فيما نعلم
৩১৩. সাঈদ ইবনু আব্দুল আযীয হতে বর্ণিত, উমার ইবনু আব্দুল আযীয মদীনাবাসীকে লিখে পাঠিয়েছিলেন: যে ব্যক্তি ইলম ব্যতীত ইবাদত করবে, সে নেক আমল করার চেয়ে খারাপ কাজই বেশি করবে। আর যে তার আমলের চেয়ে কথা বেশী হিসাব করে বলবে, তার কথা কমে যাবে। তবে তার জন্য উপকারী বিষয়ে সে কথা বলবে। আর যে ব্যক্তি তার দীনকে ঝগড়া-বিবাদের লক্ষ্যবস্তু বানাবে, তার (মতা/অবস্থা) অধিক হারে পরিবর্তিত হবে।“[1].।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে এতে ‘ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। সাঈদ্ বিন আব্দুল আযীয উমার ইবনু আব্দুল আযীযের সাক্ষাৎ লাভ করেননি- আমরা যতটা জানি, আল্লাহই সবচেয়ে অধিক জানেন।
তাখরীজ: ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৩২; মুনকাতি সনদে; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/১৯ অজ্ঞাত সনদে; আহমদ, আয যুহদ পৃ: ৩০২ যঈফ সনদে..
