সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، عَنْ عَوْنٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، " مَنْهُومَانِ لَا يَشْبَعَانِ: صَاحِبُ الْعِلْمِ، وَصَاحِبُ الدُّنْيَا، وَلَا يَسْتَوِيَانِ. أَمَّا صَاحِبُ الْعِلْمِ، فَيَزْدَادُ رِضًا لِلرَّحْمَنِ، وَأَمَّا صَاحِبُ الدُّنْيَا، فَيَتَمَادَى فِي الطُّغْيَانِ، ثُمَّ قَرَأَ عَبْدُ اللَّهِ (كَلَّا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَيَطْغَى أَنْ رَآهُ اسْتَغْنَى) [العلق: 7] قَالَ: وَقَالَ الْآخَرُ: (إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ) [فاطر: 28]
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده منقطع: عون بن عبد الله بن عتبة أرسل عن ابن مسعود وهو مرسل
৩৪৪. আউন বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: দু’ প্রকারের ক্ষুধার্ত (লোভী) ব্যক্তি কখনও পরিতৃপ্ত হয় না। জ্ঞানী ব্যক্তি ও দুনিয়াদার ব্যক্তি। তবে তারা দু’জন সমান নয়। জ্ঞানবান ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টি বাড়িয়ে দেয়। আর দুনিয়াদার ব্যক্তির ব্যাপার হলো, (দুনিয়ার পিছনে পড়ে) সে অবাধ্যতার সীমা ছাড়িয়ে যায়। অতঃপর আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তিলাওয়াত করলেন:
كَلَّا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَيَطْغَى أَنْ رَآهُ اسْتَغْنَى
(অর্থ: কখনও নয়, মানুষ তো সীমালঙ্ঘন করেই থাকে, কারণ সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।“ (সূরা আলাক্ব: ৬-৭)
তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তিনি আরও বলেন,
إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ
অর্থ: আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে আলিমগণই আল্লাহ তায়ালাকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে।- (সূরা ফাতির: ২৮)[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ ’মুনক্বাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। আওন আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে ইরসাল করেছেন। এটি মুরসাল। কিন্তু তাবারানী, আল কাবীর ১০/২২৩ নং ১০৩৮৮ এটিকে (মাওসুল) সংযুক্ত করেছেন। তবে এর সনদও যঈফ।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ সম্পূর্ণ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৫৭৬ এ।
আর এর শাহিদ হাদীস ইবনু আব্বাস হতে তাবারানী, আল কাবীর ১১/৭৬-৭৭ নং ১১০৯৫ যঈফ সনদে বর্ণনা করেছেন।
মারফু’ হিসেবে ইবনু আবী শাইবা, আল zwj;মুছান্নাফ ৮/৭২৯ নং ৬১৬৯; তার সনদে ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৫৮৩; আবু খায়ছামাহ, আল ইলম নং ১৪১; ইবনুল জাওযী, আল ইলালুল মুতানাহিয়্যাহ ১/৯৪-৯৫ নং ১১১।
এ দু’ হাদীসের অপর শাহিদ উল্লেখ করেছি আনাস রা: হতে। .....
সাখাবী ইবনু মাসউদ, ইবনু আব্বাস, আনাস ও অন্যান্যদের হাদীস উল্লেখ করার পর বলেন: এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, আবূ হুরাইরা হতেও বর্ণিত আছে। যদিও সেগুলি একক ভাবে যঈফ, তথাপিও সামগ্রিকভাবে শক্তিশালী....।
