সুনান আদ-দারিমী
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ فَرْوَةَ بْنِ نَوْفَلٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَجِيءٌ مَا جَاءَ بِكَ قَالَ جِئْتُ لِتُعَلِّمَنِي شَيْئًا أَقُولُهُ عِنْدَ مَنَامِي قَالَ فَإِذَا أَخَذْتَ مَضْجَعَكَ فَاقْرَأْ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَثُمَّ نَمْ عَلَى خَاتِمَتِهَا فَإِنَّهَا بَرَاءَةٌ مِنْ الشِّرْكِ
৩৪৬৬. ফুরওয়াহ ইবনু নাওফিল তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোন প্রয়োজন তোমাকে এখানে নিয়ে এসেছে? তিনি বলেন, আমি আপনার নিকট এসেছি এজন্য যে, আপনি আমাকে এমন একটি বিষয় (দু’আ বা যিকির) শিখিয়ে দিবেন, যা আমি ঘুমের সময় পড়তে পারি। তিনি বললেন, “যখন তুমি শয্যা গ্রহণ করবে, তখন “ক্বুল ইয়া আইয়্যূহাল কাফিরূন“ (সূরাহ কাফিরূন) পাঠ করবে, এরপর তুমি তা শেষ করে ঘুমাবে। কেননা, কেননা, এ সূরা শিরক থেকে মুক্তিদানকারী।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মুাউসিলী নং ১৫৯৬; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৩৬৩, ২৩৬৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৮৯, ৭৯০ তে। এছাড়াও, আবী উবাইদ, ফাযাইলুল কুরআন পৃ. ২৬৪; নাসাঈ, কুবরা নং ১০৬৩৭, ১০৬৩৮। দেখুন, সুয়ূতী, দুররে মানসুর ৬/৪০৫। (আবূ দাউদ, আদাব ৫০৫৫; তিরমিযী, দাওয়াত ৩৪০৩)