সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، أَنبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «سَتَكُونُ فِتَنٌ يُصْبِحُ الرَّجُلُ فِيهَا مُؤْمِنًا، وَيُمْسِي كَافِرًا، إِلَّا مَنْ أَحْيَاهُ اللَّهُ بِالْعِلْمِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف علي بن يزيد
৩৫০. আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “অচিরেই এমন ফিতনাসমূহের আবির্ভাব হবে, তখন মানুষ সকালে উঠবে মু’মিন হিসেবে, আর সন্ধ্যায় উপনীত হবে কাফির হিসেবে। কেবল সেই ব্যক্তি ব্যতীত আল্লাহ তা’আলা যাকে ইলম -এর মাধ্যমে জীবিত রেখেছেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। কারণ, আলী ইবনু ইয়াযীদ যঈফ।
তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, ফিতান অধ্যায় নং ৩৯৫৪; তাবারানী, আল কাবীর ৮/২৭৮ নং ৭৯১০; খতীব, তারীখে বাগদাদ ৬/৩৮৫।
এ অধ্যায়ে আবু হুরায়রা, সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস, হুযাইফা, আনাস ইবনু উমার... হতেও অনেক হাদীস বর্ণিত রয়েছে যা একে শক্তিশালী করে। আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
