হাদীস বিএন


সুনান আদ-দারিমী





সুনান আদ-দারিমী (430)


أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: «كَانُوا لَا يَسْأَلُونَ عَنِ الْإِسْنَادِ، ثُمَّ سَأَلُوا بَعْدُ لِيَعْرِفُوا مَنْ كَانَ صَاحِبَ سُنَّةٍ أَخَذُوا عَنْهُ، وَمَنْ لَمْ يَكُنْ صَاحِبَ سُنَّةٍ، لَمْ يَأْخُذُوا عَنْهُ» قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: مَا أَظُنُّهُ سَمِعَهُ مِنْ عَاصِمٍ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف من أجل محمد بن حميد. وفيه شبهة انقطاع بين جرير وبين عاصم




৪৩০. ইবনু সীরীন বলেন: তারা (হাদীসের) সনদ সম্পর্কে প্রশ্ন করতেন না। তারপর থেকে তারা (বর্ণনাকারীর) পরিচয় লাভের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা শুরু করলেন। যদি বর্ণনাকারী আহলুস সুন্নাহ’র অন্তর্ভুক্ত হতো, তবে তার থেকে তারা হাদীস গ্রহণ করতেন। আর যে আহলুস সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত না হতো, তার থেকে তারা হাদীস গ্রহণ করতেন না।

আবু মুহাম্মদ (দারেমী) বলেন: আমার ধারণা তিনি ( পরবর্তী বর্ণনাকারী জারীর) আসিম থেকে হাদীস শ্রবণ করেননি।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, কারণ, মুহাম্মদ্ ইবনু হুমাইদ যঈফ। আর জারীর ও আসেমের মাঝে ‘ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা’র সম্ভাবনা রয়েছে। (তবে তাখরীজে zwj;মুহাক্বিক্বের আলোচনা থেকে বুঝা যায়, খতীব ও আবূ নুয়াইমের সনদটি হাসান পরzwnj;্যায়ের। আল্লাহু আ’লামু।- অনুবাদক)

তাখরীজ: খতীব, কিফায়াহ পৃ: ১২২ দুটি সনদে; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/২৭৮ যার রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।