সুনান আদ-দারিমী
أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ يَزِيدَ الْحِمْصِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: وَفَدْتُ مَعَ أَبِي إِلَى يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ بِحُوَّارَيْنَ حِينَ تُوُفِّيَ مُعَاوِيَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، نُعَزِّيهِ وَنُهَنِّيهِ بِالْخِلَافَةِ، فَإِذَا رَجُلٌ فِي مَسْجِدِهَا يَقُولُ: أَلَا إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يُرْفَعَ الْأَشْرَارُ، وَيُوضَعَ الْأَخْيَارُ. أَلَا إِنَّ «مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ، أَنْ يَظْهَرَ الْقَوْلُ وَيُخْزَنَ الْعَمَلُ، أَلَا إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ، أَنْ تُتْلَى الْمَثْنَاةُ فَلَا يُوجَدُ مَنْ يُغَيِّرُهَا»، قِيلَ لَهُ: وَمَا الْمَثْنَاةُ؟ قَالَ: «مَا اسْتُكْتِبَ مِنْ كِتَابٍ غَيْرِ الْقُرْآنِ، فَعَلَيْكُمْ بِالْقُرْآنِ فَبِهِ هُدِيتُمْ، وَبِهِ تُجْزَوْنَ، وَعَنْهُ تُسْأَلُونَ». فَلَمْ أَدْرِ مَنِ الرَّجُلُ، فَحَدَّثْتُ هَذَا الْحَدِيثِ بَعْدَ ذَلِكَ بِحِمْصَ، فَقَالَ لِي رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ: أَوَ مَا تَعْرِفُهُ؟ قُلْتُ: لَا. قَالَ: ذَلِكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده جيد
৪৯৩. আমর ইবনু কায়িস বলেন: যখন মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মৃত্যু বরণ করলেন, তখন আমি ইয়াযীদ ইবনু মুয়াবিয়াকে সান্ত্বনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এবং শাসনভার লাভের কারণে তাকে অভিনন্দন জানানোর উদ্দেশ্যে হুওয়ারিণ শহরে আমার পিতার সাথে তার নিকট গমন করলাম। তখন সেখানকার মসজিদে এক ব্যক্তি বলছিলেন: জেনে রাখ! কিয়ামতের আলামত সমূহের মধ্যে রয়েছে, নিকৃষ্ট লোকদের উচ্চাসনে বসা এবং উত্তম লোকদের অপদস্থ হওয়া।
জেনে রাখ! কিয়ামতের আলামতের মধ্যে রয়েছে (আপন) মত জাহির করা এবং আমল সঞ্চয় করা।
আরও জেনে রাখো! কিয়ামতের আলামতের মধ্যে রয়েছে ‘আল-মাছনাহ’[1] পঠিত হবে (অনুসরণ করা হবে) কিন্তু তাতে বাধা দেওয়ার মত কাউকে পাওয়া যাবে না।
তাকে বলা হলো: ‘আল মাছনাহ’ আবার কী? তিনি বললেন: কুরআন ব্যতীত অন্য যে কোনো কিতাব লিখিয়ে নেয়া। কেননা, কুরআনকে আঁকড়ে ধরা তোমাদের উপর অপরিহার্য্য। কারণ এর মাধ্যমেই তোমাদেরকে হেদায়েত করা হয়েছে এবং এর জন্যই তোমাদেরকে প্রতিদান দান করা হবে এবং এ সম্পর্কেই তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে।
আমি জানতাম না লোকটি কে। ফলে যখন আমি হাদীসটি হিমসে বর্ণনা করছিলাম, তখন লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি আমাকে বলল: হায়! তুমি কি তাকে (বর্ণনাকারীকে) চিনতে পারনি? আমি বললাম: না। সে বলল: তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা।[2]
[1] মাছনাহ’ বলতে এখানে বনী ইসরাঈলের আহবার (আলিমগণ) মুসা আলাইহিস সালামের পরে তাওরাত ব্যতীত অন্যান্য যে সকল কিতাব রচনা করেছিল- ইবনুল আছীর০ মুহাক্কিক্বেরে টীকা।
[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ: হাকিম, ৪/৫৫৪- ৫৫৫।
