হাদীস বিএন


সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ





সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (99)


99 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا يُشِيرُ أَحَدُكُمْ إِلَى أَخِيهِ بِالسِّلَاحِ، فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي أَحَدُكُمْ لَعَلَّ الشَّيْطَانَ أَنْ يَنْزِعَ فِي يَدِهِ؛ فَيَقَعَ فِي حُفْرَةٍ مِنَ النَّارِ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার অপর কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উত্তোলন করে ইশারা না করে। কেননা সে জানে না হয়ত শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে বসবে, ফলে সে জাহান্নামের গর্তে নিপতিত হবে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ২৬১৭









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (100)


100 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عَلَى قَوْمٍ فَعَلُوا بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ حِينَئِذٍ يُشِيرُ إِلَى رَبَاعِيَتِهِ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “সে সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহর গযব ভয়াবহ হয়, যারা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি এরূপ আচরণ করে"। এ কথা বলতে বলতে তিনি তার সম্মুখের দুটি (ভগ্ন) দাঁতের দিকে ইঙ্গিত করছিলেন।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ৪৫৪০









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (101)


101 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عَلَى رَجُلٍ يَقْتُلُهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মহামহিম আল্লাহর গযব তার উপরও ভয়াবহ হয়, যাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে হত্যা করেন।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ৪৫৪০









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (102)


102 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«عَلَى ابْنِ آدَمَ نَصِيبٌ مِنَ الزِّنَا أَدْرَكَ ذَلِكَ لَا مَحَالَةَ. قَالَ: فَالْعَيْنُ زِنْيَتُهَا النَّظَرُ وَتَصْدِيقُهَا الْإِعْرَاضُ، وَاللِّسَانُ زِنْيَتُهُ الْمَنْطِقُ، وَالْقَلْبُ زِنْيَتُهُ التَّمَنِّي، وَالْفَرْجُ يُصَدِّقُ بِمَا ثَمَّ أَوْ يُكَذِّبُ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আদম সন্তানের জন্য যিনার থেকে তার অংশ লিখিত রয়েছে, যা সে অবধারিতরূপে পাবে। চোখের যিনা তাকানো, দ্বিতীয়বার না তাকালে ঘুচে যায়। মুখের যিনা কথা বলা, অন্তরের যিনা আকাঙ্খা করা, আর লজ্জা স্থান গুনাহটিকে সত্য কিংবা মিথ্যা প্রমাণিত করে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ২৬৫৭









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (103)


103 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا أَحْسَنَ أَحَدُكُمْ إِسْلَامَهُ فَكُلُّ حَسَنَةٍ يَعْمَلُهَا تُكْتَبُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِمِائَةِ ضِعْفٍ، وَكُلُّ سَيِّئَةٍ يَعْمَلُهَا تُكْتَبُ لَهُ بِمِثْلِهَا حَتَّى يَلْقَى اللَّهَ عز وجل»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে তার ইসলামে নিষ্ঠাবান হয় তার কৃত প্রত্যেকটি নেক কাজের বিনিময়ে দশ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লেখা হয়। পক্ষান্তরে তার কৃত প্রত্যেকটি বদ কাজ তার সমান লেখা হয়। আল্লাহর সাথে তার সাক্ষাত না হওয়া পর্যন্ত এভাবে চলতে থাকবে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ১২৯









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (104)


104 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا أَمَّ أَحَدُكُمْ لِلنَّاسِ فَلْيُخَفِّفِ الصَّلَاةَ؛ فَإِنَّ فِيهِمُ الْكَبِيرَ وَفِيهِمُ الضَّعِيفَ وَفِيهِمُ السَّقِيمَ، وَإِنْ قَامَ وَحْدَهُ فَلْيُطِلْ صَلَاتَهُ مَا شَاءَ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ লোকদের নিয়ে নামায আদায় করবে তখন সংক্ষিপ্তভাবে নামায আদায় করবে। কেননা, তাদের মধ্যে বৃদ্ধ ও দুর্বল এবং রুগ্ন থাকে। আর যখন একাকী নামায আদায় করবে তখন যত ইচ্ছা তা আদায় করবে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ৪৬৭









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (105)


105 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «قَالَتِ الْمَلَائِكَةُ: يَا رَبُّ، ذَاكَ عَبْدٌ يُرِيدُ أَنْ يَعْمَلَ سَيِّئَةً، وَهُوَ أَبْصَرُ بِهِ، فَقَالَ: ارْقُبُوهُ‌‌ فَإِنْ عَمِلَهَا فَاكْتُبُوهَا لَهُ بِمِثْلِهَا، وَإِنْ تَرَكَهَا فَاكْتُبُوهَا لَهُ حَسَنَةً، إِنَّمَا تَرَكَهَا مِنْ جَرَّايَ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ফিরিশতাগণ আবেদন জানায়ঃ হে প্রতিপালক! এ তোমার বান্দা, পাপ কর্মের ইচ্ছা করছে। আল্লাহ তাআলা তো তার ব্যাপারে বেশী জানলে ওয়ালা। আল্লাহ তাআলা উত্তর করেন অপেক্ষা করো, যদি সম্পাদন করে ফেলে, তবে সে অনুপাতে লিখবে, আর যদি তা পরিত্যাগ করে তবে সে স্থলে একটি সাওয়াব লিখে দিবে। কারণ আমার জন্যই সে তা পরিত্যাগ করেছে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ২৩২









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (106)


106 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ اللَّهُ عز وجل: ‌‌«كَذَّبَنِي عَبْدِي وَلَمْ يَكُنْ ذَلِكَ لَهُ، وَشَتَمَنِي عَبْدِي وَلَمْ يَكُنْ ذَلِكَ لَهُ، أَمَّا تَكْذِيبُهُ إِيَّايَ أَنْ يَقُولَ: لَنْ يُعِيدَنَا كَمَا بَدَأَنَا، وَأَمَّا شَتْمُهُ إِيَّايَ أَنْ يَقُولَ: اتَّخَذَ اللَّهُ وَلَدًا، وَأَنَا الصَّمَدُ لَمْ أَلِدْ وَلَمْ أُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لِي كُفُؤًا أَحَدٌ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন বলেন, আদম সন্তান আমার প্রতি মিথ্যারোপ করেছেন; অথচ এরূপ করা তার জন্য উচিত হয়নি। সে আমাকে গালি দিয়েছে; অথচ এমন করা তার পক্ষে সমীচীন হয়নি। আমার প্রতি তার মিথ্যারোপ করার মানে হচ্ছে এই যে, সে বলে, আমি পুনর্জীবিত করতে সক্ষম নই যেমনিভাবে আমি তাকে প্রথমে সৃষ্টি করেছি। আমাকে তার গালি দেয়া হচ্ছে এই যে, সে বলে, আল্লাহ্ তাআলা সন্তান গ্রহণ করেছেন; অথচ আমি কারো মুখাপেক্ষী নই। আমি এমন এক সত্তা যে, আমি কাউকে জন্ম দেইনি, আমাকেও কেউ জন্ম দেয়নি এবং আমার সমতুম্য কেউ নেই।

তাখরীজঃ সহীহ বুখারী ৪৯৭৫









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (107)


107 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَبْرِدُوا عَنِ الْحَرِّ فِي الصَّلَاةِ؛ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, গ্রীষ্মের সময় নামায বেলা একটু ঠাণ্ডা করে পড়বে। কেননা, গ্রীষ্মের প্রখরতা জাহান্নামের ষ্ফীত শিখা থেকে উদ্ভূত।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ৬৪৫









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (108)


108 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا تُقْبَلُ صَلَاةُ أَحَدِكُمْ إِذَا أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তির হাদস হয় তাঁর নামায কবুল হবে না, যতক্ষণ না সে উযু করে।

তাখরীজঃ সহীহ বুখারী ১৩৫, সহীহ মুসলিম ২২৫









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (109)


109 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا نُودِيَ بِالصَّلَاةِ فَأْتُوهَا وَأَنْتُمْ تَمْشُونَ وَعَلَيْكُمُ السَّكِينَةُ، فَمَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا، وَمَا سُبِقْتُمْ فَأَتِمُّوا»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন নামাযের আযান দেওয়া হয়, তখন তোমরা তার দিকে ধীরস্থীরভাবে হেটে আস। তারপর যা পাবে পড়বে, আর যা ছুটে যায় তা পূর্ণ করে নিবে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ৬০২









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (110)


110 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«يَضْحَكُ اللَّهُ لِرَجُلَيْنِ يَقْتُلُ أَحَدُهُمَا الْآخَرَ، كِلَاهُمَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ» ، قَالُوا: وَكَيْفَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «يُقْتَلُ هَذَا فَيَلِجُ الْجَنَّةَ، ثُمَّ يَتُوبُ اللَّهُ عَلَى الْآخَرِ فَيَهْدِيهِ إِلَى الْإِسْلَامِ، ثُمَّ يُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُسْتَشْهَدُ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআ’লা এমন দু’ব্যক্তির জন্য হাসবেন যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করবে অথচ তাদের উভয়েই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবীগণ বললেন, তা কেমন করে হবে ইয়া রাসুলাল্লাহ? তিনি বললেনঃ এক জন নিহত (শহীদ) হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারপর আল্লাহ অপরজনের প্রতিও সদয় হবেন এবং তাকেও ইসলামের হেদায়েত দান করবেন। তারপর সেও আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করবে এবং শহীদ হয়ে যাবে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ১৮৯০









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (111)


111 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا يَبِيعُ أَحَدُكُمْ عَلَى بَيْعِ أَخِيهِ، وَلَا يَخْطِبُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের বিক্রির উপর বিক্রি না করে এবং তার বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ১৫১৫









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (112)


112 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ، وَالْمُؤْمِنُ يَأْكُلُ فِي مِعًى وَاحِدٍ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কাফির ব্যক্তি সাত আঁতে খায় আর মুমিন খায় এক আঁতে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ২০৬৩









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (113)


113 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا‌‌ سُمِّيَ خَضِرٌ؛ لِأَنَّهُ جَلَسَ عَلَى فَرْوَةٍ بَيْضَاءَ، فَإِذَا هِيَ تَهْتَزُّ تَحْتَهُ خَضْرَاءَ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, খাযির (আলাইহিস সালাম)– কে খাযির নামে অভিহিত করার কারণ হল এই যে, একদা তিনি ঘাস–পাতা বিহীন শুষ্ক সাদা জায়গায় বসেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর উঠে যাওয়ার পরই হঠাৎ ঐ স্থানটি সবুজ হয়ে গেল।

তাখরীজঃ সূনান আত-তিরমিযী হাদীস নং - ৩১৫০









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (114)


114 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ‌‌ لَا يَنْظُرُ إِلَى الْمُسْبِلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، يَعْنِي إِزَارَهُ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ কিয়ামতের দিন ওই লোকের দিকে তাকাবেন না, যে (টাখনুর নিচে) ইযার ঝুলিয়ে চলে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ২০৮৭









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (115)


115 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «قِيلَ لِبَنِي إِسْرَائِيلَ‌‌ ادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا وَقُولُوا حِطَّةٌ يَغْفِرْ لَكُمْ خَطَايَاكُمْ. فَبَدَّلُوا، فَدَخَلُوا الْبَابَ يَزْحَفُونَ عَلَى أَسْتَاهِهِمْ، وَقَالُوا: حَبَّةٌ فِي شَعَرَةٍ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈলকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, তোমরা দ্বার দিয়ে অবনত মস্তকে প্রবেশ কর আর মুখে বল, ‘হিত্তাতুন’ । কিন্তু তারা এ শব্দটি পরিবর্তন করে ফেলল এবং প্রবেশ দ্বার দিয়ে যেন জানু নত না করতে হয় সে জন্য তারা নিজ নিজ নিতম্বের উপর ভর দিয়ে শহরে প্রবেশ করল আর মুখে বলল, “হাব্বাতুন ফী শা‘আরাতিন” (অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদেরকে যবের দানা দাও।,

তাখরীজঃ সহীহ বুখারী ৩৪০৩, সহীহ মুসলিম ৩০১৫









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (116)


116 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَاسْتَعْجَمَ الْقُرْآنُ عَلَى لِسَانِهِ فَلَمْ يَدْرِ مَا يَقُولُ فَلْيَضْطَجِعْ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে থেকে কেউ যদি রাতে সালাত আদায় করতে ওঠে আর (ঘুমের প্রভাবে) তার কুরআন তিলাওয়াতে আড়ষ্টতা আসে অর্থাৎ সে কি বলছে সে সম্পর্কে তার কোন চেতনা না থাকে তাহলে যেন সে শুয়ে (ঘুমিয়ে) পড়ে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ৭৮৭









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (117)


117 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: ‌‌«لَا يَقُلِ ابْنُ آدَمَ يَا خَيْبَةَ الدَّهْرِ فَإِنِّي أَنَا الدَّهْرُ أُرْسِلُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ فَإِذَا شِئْتُ قَبَضْتُهُمَا»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান সময় ও কালকে গালি-গালাজ করে, অথচ আমি রাত এবং দিন প্রেরণ করি, এবং যদি আমি ইচ্ছা করি, তবে আমি সেগুলোকে সরিয়ে নিই।"

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ৫৭৫৫









সহীফাতু হাম্মাম ইবনু মুনাব্বীহ (118)


118 - وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«نِعِمَّا لِلْمَمْلُوكِ أَنْ يَتَوَفَّاهُ اللَّهُ بِحُسْنِ طَاعَةِ رَبِّهِ وَطَاعَةِ سَيِّدِهِ، نِعِمَّا لَهُ نِعِمَّا لَهُ»




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ঐ গোলামের জন্য কতইনা উত্তম যে উত্তমরূপে আল্লাহর ইবাদত করে এবং আপন মনিবের উত্তম সেবা করে মৃত্যুবরণ করেছে, তার জন্য কতইনা উত্তম প্রতিদান রয়েছে, তার জন্য কতইনা উত্তম প্রতিদান রয়েছে।

তাখরীজঃ সহীহ মুসলিম ১৬৬৫