সহীহ মুসলিম
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ خِرَاشٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنِي حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، أَنَّ يَحْيَى بْنَ يَعْمَرَ، حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا الأَسْوَدِ الدِّيلِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ حَدَّثَهُ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ نَائِمٌ عَلَيْهِ ثَوْبٌ أَبْيَضُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ فَإِذَا هُوَ نَائِمٌ ثُمَّ أَتَيْتُهُ وَقَدِ اسْتَيْقَظَ فَجَلَسْتُ إِلَيْهِ فَقَالَ " مَا مِنْ عَبْدٍ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ثُمَّ مَاتَ عَلَى ذَلِكَ إِلاَّ دَخَلَ الْجَنَّةَ " . قُلْتُ وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ قَالَ " وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ " . قُلْتُ وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ قَالَ " وَإِنْ زَنَى وَإِنْ سَرَقَ " . ثَلاَثًا ثُمَّ قَالَ فِي الرَّابِعَةِ " عَلَى رَغْمِ أَنْفِ أَبِي ذَرٍّ " قَالَ فَخَرَجَ أَبُو ذَرٍّ وَهُوَ يَقُولُ وَإِنْ رَغِمَ أَنْفُ أَبِي ذَرٍّ .
১৭৪-(১৫৪/...) যুহায়র ইবনু হারব ও আহমাদ ইবনু খিরাশ (রহঃ) ... আবূ যার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন যে, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খিদমাতে উপস্থিত হলাম। সে সময় তিনি ঘুমাচ্ছিলেন এবং তার গায়ের উপর একখানা চাঁদর ছিল। আবার এসে তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় পেলাম। পরে আবার এসে দেখি, তিনি ঘুম থেকে উঠেছেন। আমি তার নিকটে বসলাম। তারপর তিনি বললেন, যে কোন বান্দা (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই) বলবে এবং এ বিশ্বাসের উপর মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি আরয করলাম, যদি সে ব্যভিচার করে এবং চুরি করে তবুও? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যদিও সে ব্যভিচার ও চুরি করে। এ কথাটি তিন তিনবার পুনরাবৃত্তি করা হলো। চতুর্থবারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যদিও আবূ যার এর নাক ধূলিমলিন হয়, (অর্থাৎ আবূ যার এর অপছন্দ হলেও) রাবী বলেন, আবূ যার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এ কথা বলতে বলতে বের হলেন, যদিও আবূ যার এর নাক ধূলিমলিন হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৫, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮১)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، - وَاللَّفْظُ مُتَقَارِبٌ - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ فَقَاتَلَنِي فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَىَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا . ثُمَّ لاَذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ . أَفَأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقْتُلْهُ " . قَالَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ قَدْ قَطَعَ يَدِي ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ أَنْ قَطَعَهَا أَفَأَقْتُلُهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَقْتُلْهُ فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ " .
১৭৫-(১৫৫/৯৫) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কি মত? যদি আমি কোন কাফিরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হই, আর সে আমার উপর আক্রমণ করে তরবারি দ্বারা আমার এক হাত কেটে ফেলে, অতঃপর সে এক বৃক্ষের আড়ালে গিয়ে আমার আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা করে এবং এ কথা বলে যে, আমি আল্লাহর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি। হে আল্লাহর রাসূল, সে এ কথা বলে যে, আমি আল্লাহর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি। হে আল্লাহর রাসূল! তার এ কথা বলার পর আমি কি তাকে হত্যা করবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ না তাকে হত্যা করো না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো আমার একটি হাত কেটে ফেলেছে আর এটা কাটার পরই ঐ কথা বলছে? এমতাবস্থায় আমি কি তাকে হত্যা করবো? এবারও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তাকে হত্যা করো না। কেননা যদি তুমি তাকে হত্যা করো তাহলে তাকে হত্যা করার পূর্বে তুমি যে অবস্থায় ছিলে, সে তোমার সে অবস্থায় এসে যাবে। আর ঐ কালিমা বলার পূর্বে সে যে অবস্থায় ছিল, তুমি সে অবস্থায় এসে যাবে*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮২)
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، جَمِيعًا عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَمَّا الأَوْزَاعِيُّ وَابْنُ جُرَيْجٍ فَفِي حَدِيثِهِمَا قَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ . كَمَا قَالَ اللَّيْثُ فِي حَدِيثِهِ . وَأَمَّا مَعْمَرٌ فَفِي حَدِيثِهِ فَلَمَّا أَهْوَيْتُ لأَقْتُلَهُ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ .
১৭৬-(১৫৬/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবদ ইবনু হুমায়দ, ইসহাক ইবনু মূসা আনসার ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে এ সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে আওযাঈ ও ইবনু জুরায়জ তাদের হাদীসে বলেন, সে লোকটি বলেছিল, আমি আল্লাহর উদ্দেশে ইসলাম গ্রহণ করলাম, যেমন পূর্বোক্ত হাদীসে লায়স বর্ণনা করেছেন। আর মা'মার বর্ণিত হাদীসে 'যখন আমি তাকে হত্যা করার জন্য উদ্যত হলাম তখন সে বললো' কথাটির উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮৩)
وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ، ثُمَّ الْجُنْدَعِيُّ أَنَّ عُبَيْدَ، اللَّهِ بْنَ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمِقْدَادَ بْنَ عَمْرِو بْنِ الأَسْوَدِ الْكِنْدِيَّ - وَكَانَ حَلِيفًا لِبَنِي زُهْرَةَ وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - أَنَّهُ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ اللَّيْثِ .
১৭৭-(১৫৭/...) হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবনু 'আমর ইবনু আসওয়াদ আল কিন্দী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। যুহরী গোত্রের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন এবং বদরের যুদ্ধ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমি যুদ্ধের ময়দানে কোন কফিরের সম্মুখীন হই। বাকী অংশ লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮৪)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، كِلاَهُمَا عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي ظِبْيَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، وَهَذَا، حَدِيثُ ابْنِ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَرِيَّةٍ فَصَبَّحْنَا الْحُرَقَاتِ مِنْ جُهَيْنَةَ فَأَدْرَكْتُ رَجُلاً فَقَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . فَطَعَنْتُهُ فَوَقَعَ فِي نَفْسِي مِنْ ذَلِكَ فَذَكَرْتُهُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَقَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَقَتَلْتَهُ " . قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّمَا قَالَهَا خَوْفًا مِنَ السِّلاَحِ . قَالَ " أَفَلاَ شَقَقْتَ عَنْ قَلْبِهِ حَتَّى تَعْلَمَ أَقَالَهَا أَمْ لاَ " . فَمَازَالَ يُكَرِّرُهَا عَلَىَّ حَتَّى تَمَنَّيْتُ أَنِّي أَسْلَمْتُ يَوْمَئِذٍ . قَالَ فَقَالَ سَعْدٌ وَأَنَا وَاللَّهِ لاَ أَقْتُلُ مُسْلِمًا حَتَّى يَقْتُلَهُ ذُو الْبُطَيْنِ . يَعْنِي أُسَامَةَ قَالَ قَالَ رَجُلٌ أَلَمْ يَقُلِ اللَّهُ ( وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّى لاَ تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ كُلُّهُ لِلَّهِ ) فَقَالَ سَعْدٌ قَدْ قَاتَلْنَا حَتَّى لاَ تَكُونَ فِتْنَةٌ وَأَنْتَ وَأَصْحَابُكَ تُرِيدُونَ أَنْ تُقَاتِلُوا حَتَّى تَكُونَ فِتْنَةٌ .
১৭৮-(১৫৮/৯৬) উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এক জিহাদ অভিযানে পাঠালে আমরা প্রত্যুষে জুহাইনার" (একটি শাখা গোত্র) আলহুরাকায় গিয়ে পৌছলাম। এ সময়ে আমি এক ব্যক্তির পশ্চাদ্ধাবন করে তাকে ধরে ফেলি। অবস্থা বেগতিক দেখে সে বললো, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ' কিন্তু আমি তাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করে ফেললাম। কালিমা পড়ার পর আমি তাকে হত্যা করেছি বিধায়, আমার মনে সংশয়ের উদ্রেক হলো। তাই ঘটনাটি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, তুমি কি তাকে "লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ' বলার পর হত্যা করেছো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে অস্ত্রের ভয়ে জান বাঁচানোর জন্যেই এরূপ বলেছে। তিনি রাগাম্বিত হয়ে বললেন, তুমি তার অন্তর চিড়ে দেখেছো, যাতে তুমি জানতে পারলে যে, সে এ কথাটি ভয়ে বলেছিল?
(রাবী বলেন), তিনি এ কথাটি বারবার আবূত্তি করতে থাকলেন। আর আমি মনে মনে অনুশোচনা করতে থাকলাম, হায়! যদি আমি আজই ইসলাম গ্রহণ করতাম। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আল্লাহর কসম! আমি কখনো কোন মুসলিমকে হত্যা করব না, যেভাবে এ ভুড়িওয়ালা (উসামাহ) মুসলিমকে হত্যা করেছে। রাবী বলেন, তখন জনৈক ব্যক্তি বললো, আল্লাহ তা'আলা কি এ কথা বলেননি যে, "তোমরা তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে জিহাদ করো, যে পর্যন্ত ফিৎনা দূরীভূত না হয়, আর আল্লাহর দীন পরিপূর্ণ না হয়ে যায়? এর জবাবে সাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমরা জিহাদ করি, যাতে ফিৎনা না থাকে, কিন্তু তুমি আর তোমার সঙ্গীগণ এ উদ্দেশে যুদ্ধ কর, যেন ফিৎনা সৃষ্টি হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৯, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮৫)
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُصَيْنٌ، حَدَّثَنَا أَبُو ظِبْيَانَ، قَالَ سَمِعْتُ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ، يُحَدِّثُ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْحُرَقَةِ مِنْ جُهَيْنَةَ فَصَبَّحْنَا الْقَوْمَ فَهَزَمْنَاهُمْ وَلَحِقْتُ أَنَا وَرَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ رَجُلاً مِنْهُمْ فَلَمَّا غَشَيْنَاهُ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . فَكَفَّ عَنْهُ الأَنْصَارِيُّ وَطَعَنْتُهُ بِرُمْحِي حَتَّى قَتَلْتُهُ . قَالَ فَلَمَّا قَدِمْنَا بَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِي " يَا أُسَامَةُ أَقَتَلْتَهُ بَعْدَ مَا قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ " . قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّمَا كَانَ مُتَعَوِّذًا . قَالَ فَقَالَ " أَقَتَلْتَهُ بَعْدَ مَا قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ " . قَالَ فَمَازَالَ يُكَرِّرُهَا عَلَىَّ حَتَّى تَمَنَّيْتُ أَنِّي لَمْ أَكُنْ أَسْلَمْتُ قَبْلَ ذَلِكَ الْيَوْمِ .
১৭৯-(১৫৯/...) ইয়াকুব আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... উসামাহ্ ইবনু যায়দ ইবনু হারিসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুহাইনাহ গোত্রের হুরাকাহ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমাদের পাঠালেন। আমরা খুব ভোরে সে সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ করলাম এবং আমরা তাদের পরাজিত করলাম। আমি এবং একজন আনসার এক ব্যক্তির পিছু নিলাম। আমরা যখন তাকে ঘিরে ফেললাম তখন সে বলল, আনসার তার মুখে "লাইলা-হা ইল্লাল্লা-হ" কালিমা শুনে নিবৃত্ত হলেন। কিন্তু আমি তাকে বল্লম দ্বারা এমন আঘাত করলাম যে, তাকে মেরেই ফেললাম। আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরে এলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এ খবরটি পৌছলো। তিনি আমাকে ডেকে বললেন, হে উসামাহ! তুমি কি তাকে "লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ" বলার পরেও হত্যা করে ফেলেছো? আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে ব্যক্তিতো আত্মরক্ষার জন্য এ কথা বলেছিল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবার বললেন, তুমি কি তাকে "লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ" বলার পরে হত্যা করেছো? এভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বার বার আমার প্রতি একথা বলতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত আমার মনে এ আকাঙ্খা উদয় হলো যে, হায়! আজকের এ দিনের আগে আমি ইসলাম গ্রহণ না করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮০, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮৬)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خِرَاشٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ، أَنَّ خَالِدًا الأَثْبَجَ ابْنَ أَخِي، صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ حَدَّثَ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ، أَنَّهُ حَدَّثَ أَنَّ جُنْدَبَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيَّ بَعَثَ إِلَى عَسْعَسِ بْنِ سَلاَمَةَ زَمَنَ فِتْنَةِ ابْنِ الزُّبَيْرِ فَقَالَ اجْمَعْ لِي نَفَرًا مِنْ إِخْوَانِكَ حَتَّى أُحَدِّثَهُمْ . فَبَعَثَ رَسُولاً إِلَيْهِمْ فَلَمَّا اجْتَمَعُوا جَاءَ جُنْدَبٌ وَعَلَيْهِ بُرْنُسٌ أَصْفَرُ فَقَالَ تَحَدَّثُوا بِمَا كُنْتُمْ تَحَدَّثُونَ بِهِ . حَتَّى دَارَ الْحَدِيثُ فَلَمَّا دَارَ الْحَدِيثُ إِلَيْهِ حَسَرَ الْبُرْنُسَ عَنْ رَأْسِهِ فَقَالَ إِنِّي أَتَيْتُكُمْ وَلاَ أُرِيدُ أَنْ أُخْبِرَكُمْ عَنْ نَبِيِّكُمْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ بَعْثًا مِنَ الْمُسْلِمِينَ إِلَى قَوْمٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ وَإِنَّهُمُ الْتَقَوْا فَكَانَ رَجُلٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِذَا شَاءَ أَنْ يَقْصِدَ إِلَى رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ قَصَدَ لَهُ فَقَتَلَهُ وَإِنَّ رَجُلاً مِنَ الْمُسْلِمِينَ قَصَدَ غَفْلَتَهُ قَالَ وَكُنَّا نُحَدَّثُ أَنَّهُ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ فَلَمَّا رَفَعَ عَلَيْهِ السَّيْفَ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . فَقَتَلَهُ فَجَاءَ الْبَشِيرُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ فَأَخْبَرَهُ حَتَّى أَخْبَرَهُ خَبَرَ الرَّجُلِ كَيْفَ صَنَعَ فَدَعَاهُ فَسَأَلَهُ فَقَالَ " لِمَ قَتَلْتَهُ " . قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهَ أَوْجَعَ فِي الْمُسْلِمِينَ وَقَتَلَ فُلاَنًا وَفُلاَنًا - وَسَمَّى لَهُ نَفَرًا - وَإِنِّي حَمَلْتُ عَلَيْهِ فَلَمَّا رَأَى السَّيْفَ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَقَتَلْتَهُ " . قَالَ نَعَمْ . قَالَ " فَكَيْفَ تَصْنَعُ بِلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ إِذَا جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ اسْتَغْفِرْ لِي . قَالَ " وَكَيْفَ تَصْنَعُ بِلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ إِذَا جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . قَالَ فَجَعَلَ لاَ يَزِيدُهُ عَلَى أَنْ يَقُولَ " كَيْفَ تَصْنَعُ بِلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ إِذَا جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
১৮০-(১৬০/৯৭) আহমাদ ইবনু আল হাসান ইবনু খিরাশ (রহঃ) ..... জুনদাব ইবনু 'আবদুল্লাহ আল বাজালী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রের ফিতনার যুগে 'আস্'আস ইবনু সালামাহকে বলে পাঠালেন যে, তুমি তোমার কিছু বন্ধুকে আমার জন্য একত্র করবে, আমি তাদের সাথে কথা বলব। আস'আস তাদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা যখন সমবেত হলো, জুনদাব তখন হলুদ বর্ণের বুরনুল (এক ধরনের টুপি) পরে উপস্থিত হলেন এবং বললেন, তোমরা আগের মত কথাবার্তা বলতে থাক। এক পর্যায়ে যখন জুনদাব বললেন, তখন তিনি তার মাথার বুরনুসটি নামিয়ে ফেললেন। বললেন, আমি তোমাদের নিকট এসেছি। আমি তোমাদের কাছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কিছু হাদীস বর্ণনা করতে চাই।
তা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিমদের একটি বাহিনী মুশরিক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পাঠালেন। উভয় দল পরস্পর সম্মুখীন হলো এবং মুশরিক বাহিনীতে এক ব্যক্তি ছিল। সে যখনই কোন মুসলিমকে হামলা করতে ইচ্ছা করত, সে তাকে লক্ষ্য করে ঝাপিয়ে পড়ত এবং শহীদ করে ফেলত। একজন মুসলিম তার অসতর্ক মুহুর্তের অপেক্ষা করতে লাগলেন। জুনদাব বলেন, আমাদের বলা হলো যে, সে ব্যক্তি ছিল উসামাহ ইবনু যায়দ। তিনি যখন তার উপর তলোয়ার উত্তোলন করলেন তখন সে বলল, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ। তবুও উসামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে হত্যা করলেন। দ্রুত যুদ্ধে জয়লাভের সুসংবাদ নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খিদমাতে উপস্থিত হল। তিনি তার নিকট যুদ্ধের পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। সে সব ঘটনাই বর্ণনা করুন, এমন কি সে ব্যক্তির ঘটনাটিও বললো যে, তিনি কি করেছিলেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসামাহকে ডেকে পাঠালেন এবং প্রশ্ন করলেন, তুমি সে ব্যক্তিকে হত্যা করলে কেন? উসামাহ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে অনেক মুসলিমকে আঘাত করেছে এবং অমুক অমুককে শহীদ করে দিয়েছে। এ বলে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করলেন। আমি যখন তাকে আক্রমণ করলাম এবং সে তলোয়ার দেখল অমনি বলে উঠল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি তাকে মেরে ফেললে? তিনি বললেনঃ জি-হ্যাঁ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, কিয়ামত দিবসে যখন সে (কালিমা) নিয়ে আসবে তখন তুমি কি করবে? তিনি আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার মাগফিরাতের জন্য দু'আ করুন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, কিয়ামত দিবসে যখন সে (কালিমা) নিয়ে আসবে তখন তুমি কি করবে? তারপর তিনি কেবল এ কথাই বলছিলেন, কিয়ামতের দিন যখন (কালিমা) নিয়ে আসবে তখন তুমি কি করবে? তিনি এর অতিরিক্ত কিছু বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮১, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮৭)
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ كُلُّهُمْ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا " .
১৮১-(১৬১/৯৮) যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ এবং ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্ৰধারণ করবে সে আমাদের (মুসলিমদের) দলভুক্ত নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮২, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮৮)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُصْعَبٌ، - وَهُوَ ابْنُ الْمِقْدَامِ - حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ سَلَّ عَلَيْنَا السَّيْفَ فَلَيْسَ مِنَّا " .
১৮২-(১৬২/৯৯) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে তলোয়ার উত্তোলন করবে সে আমাদের (মুসলিমদের) দলভুক্ত নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৩, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮৯)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَرَّادٍ الأَشْعَرِيُّ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا " .
১৮৩-(১৬৪/১০০) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, 'আবদুল্লাহ ইবনু বারুরাদ আল আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র উত্তোলন করবে সে আমাদের (মুসলিমদের) দলভুক্ত নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৪, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯০)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقَارِيُّ ح وَحَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، مُحَمَّدُ بْنُ حَيَّانَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي حَازِمٍ، كِلاَهُمَا عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا وَمَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا " .
১৮৪-(১৬৪/১০১) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ এবং আবূল আহওয়াস মুহাম্মাদ ইবনু হাইয়্যান (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্ৰধারণ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়, আর যে ব্যক্তি আমাদের ধোকা দিবে সেও আমাদের দলভুক্ত নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৫, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯১)
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ جَمِيعًا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، - قَالَ ابْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - قَالَ أَخْبَرَنِي الْعَلاَءُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، . أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّ عَلَى صُبْرَةِ طَعَامٍ فَأَدْخَلَ يَدَهُ فِيهَا فَنَالَتْ أَصَابِعُهُ بَلَلاً فَقَالَ " مَا هَذَا يَا صَاحِبَ الطَّعَامِ " . قَالَ أَصَابَتْهُ السَّمَاءُ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " أَفَلاَ جَعَلْتَهُ فَوْقَ الطَّعَامِ كَىْ يَرَاهُ النَّاسُ مَنْ غَشَّ فَلَيْسَ مِنِّي " .
১৮৫-(../১০২) ইয়াহইয়াহ ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্য শস্যের একটি স্তুপের পাশ দিয়ে পথ অতিক্রম করলেন। তিনি স্তুপের ভেতর হাত ঢুকিয়ে দিলেন ফলে হাতের আঙ্গুলগুলো ভিজে গেলো। তিনি বললেন, হে স্তুপের মালিক! এ কি ব্যাপার? লোকটি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এতে বৃষ্টির পানি লেগেছে। তিনি বললেন, সেগুলো তুমি স্তুপের ওপরে রাখলে না কেন? তাহলে লোকেরা দেখে নিতে পারতো। জেনে রাখো, যে ব্যক্তি ধোকাবাজি করে, আমার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৬, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯২)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَوَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي جَمِيعًا، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَيْسَ مِنَّا مَنْ ضَرَبَ الْخُدُودَ أَوْ شَقَّ الْجُيُوبَ أَوْ دَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ " . هَذَا حَدِيثُ يَحْيَى وَأَمَّا ابْنُ نُمَيْرٍ وَأَبُو بَكْرٍ فَقَالاَ " وَشَقَّ وَدَعَا " بِغَيْرِ أَلِفٍ .
১৮৬-(১৬৫/১০৩) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ এবং ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি গাল থাপড়াবে, জামা কাপড় ছিড়ে ফেলবে অথবা জাহিলী যুগের ন্যায় বিলাপ করবে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। ইবনু নুমায়ব ও আবূ বকর বলেছেন, "আলিফ" ছাড়াই হবে। অর্থাৎ أو شق ودعا পরিবর্তে وَشَقَّ وَدَعَا বলেছেন*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৭, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯৩)
وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، جَمِيعًا عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالاَ " وَشَقَّ وَدَعَا " .
১৮৭-(১৬৬/...) উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম এবং আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) .... আমাশ (রহঃ) এর সূত্রে উপরোক্ত সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তারা وَشَقَّ وَدَعَا বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৮, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯৪)
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى الْقَنْطَرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُخَيْمِرَةَ، حَدَّثَهُ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو بُرْدَةَ بْنُ أَبِي مُوسَى، قَالَ وَجِعَ أَبُو مُوسَى وَجَعًا فَغُشِيَ عَلَيْهِ وَرَأْسُهُ فِي حَجْرِ امْرَأَةٍ مِنْ أَهْلِهِ فَصَاحَتِ امْرَأَةٌ مِنْ أَهْلِهِ فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَرُدَّ عَلَيْهَا شَيْئًا فَلَمَّا أَفَاقَ قَالَ أَنَا بَرِيءٌ مِمَّا بَرِئَ مِنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَرِئَ مِنَ الصَّالِقَةِ وَالْحَالِقَةِ وَالشَّاقَّةِ .
১৮৮-(১৬৭/১০৪) আল হাকাম ইবনু মূসা আল কানতারী (রহঃ) .... আবূ বুরদাহ ইবনু আবূ মূসা (রহঃ) বলেন যে, আবূ মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তার মাথা তার পরিবারের এক মহিলার কোলে ছিল। সে মহিলা চিৎকার করে উঠলো। তিনি তাকে তা থেকে বাধা দিতে পারেননি। যখন তার জ্ঞান ফিরলো তখন বললেন, আমি তার থেকে সম্পর্কহীন, যার থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কচ্ছেদ করেছেন। যে ব্যক্তি (মৃতের শোকে) উচ্চস্বরে কান্নাকাটি করে, মাথার চুল ছিড়ে ফেলে, কাপড় ছিড়ে ফেলে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৯, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯৫)
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا صَخْرَةَ، يَذْكُرُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، وَأَبِي، بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى قَالاَ أُغْمِيَ عَلَى أَبِي مُوسَى وَأَقْبَلَتِ امْرَأَتُهُ أُمُّ عَبْدِ اللَّهِ تَصِيحُ بِرَنَّةٍ . قَالاَ ثُمَّ أَفَاقَ قَالَ أَلَمْ تَعْلَمِي - وَكَانَ يُحَدِّثُهَا - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَنَا بَرِيءٌ مِمَّنْ حَلَقَ وَسَلَقَ وَخَرَقَ " .
১৮৯-(.../...) আবদ ইবনু হুমায়দ ও ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ও আবূ বুরদাহ ইবনু আবূ মূসা (রহঃ) বলেন যে, আবূ মূসা আশ'আর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বেহুশ হয়ে পড়েন। তার স্ত্রী উম্মু 'আবদুল্লাহ চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে তার নিকট আসলেন। তারা বলেন, অতঃপর তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন এবং বললেন, তুমি কি জান না? তারপর তিনি তাকে এ হাদীস শোনান যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি সে ব্যক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন যে ব্যক্তি মাথার কেশ মুণ্ডন করে, চিৎকার করে কান্নাকাটি করে এবং জামা-কাপড় ছিড়ে ফেলে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯০, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯৬)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُطِيعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ عِيَاضٍ الأَشْعَرِيِّ، عَنِ امْرَأَةِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح
وَحَدَّثَنِيهِ حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا دَاوُدُ، - يَعْنِي ابْنَ أَبِي هِنْدٍ - حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح وَحَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ . غَيْرَ أَنَّ فِي حَدِيثِ عِيَاضٍ الأَشْعَرِيِّ قَالَ " لَيْسَ مِنَّا " . وَلَمْ يَقُلْ " بَرِيءٌ " .
১৯০-(.../...) আবদুল্লাহ ইবনু মুতী, হাজ্জাজ ইবনু শাইর, হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) .... আবূ মূসা আশ'আরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে রাবী ইয়ায আল আশ'আরীর হাদীসে لَيْسَ مِنَّا (সে আমার দলভুক্ত নয়) কথাটি রয়েছে। তিনি بَرِيءٌ (বিচ্ছিন্ন) শব্দটি বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯১, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯৭)
وَحَدَّثَنِي شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ الضُّبَعِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَهْدِيٌّ، - وَهُوَ ابْنُ مَيْمُونٍ - حَدَّثَنَا وَاصِلٌ الأَحْدَبُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَجُلاً، يَنِمُّ الْحَدِيثَ فَقَالَ حُذَيْفَةُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ نَمَّامٌ " .
১৯১-(১৬৮/১০৫) শাইবান ইবনু ফাররূখ ও আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসমা আয যুবাঈ (রহঃ) ... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) বলেন যে, হুযাইফাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট খবর পৌছল যে, এক ব্যক্তি চোগলখোর করে বেড়ায়। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, কোন চোগলখোরই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯২, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯৮)
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ كَانَ رَجُلٌ يَنْقُلُ الْحَدِيثَ إِلَى الأَمِيرِ فَكُنَّا جُلُوسًا فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ الْقَوْمُ هَذَا مِمَّنْ يَنْقُلُ الْحَدِيثَ إِلَى الأَمِيرِ . قَالَ فَجَاءَ حَتَّى جَلَسَ إِلَيْنَا . فَقَالَ حُذَيْفَةُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَتَّاتٌ " .
১৯২-(১৬৯/...) 'আলী ইবনু হুজুর আস্ সা'দী ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু আল হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি সাধারণ লোকজনের কথাবার্তা শাসনকর্তার নিকট পৌছাত। একদা আমরা মসজিদে বসা ছিলাম। উপবিষ্ট লোকেরা বললো, এ সে ব্যক্তি যে লোকজনের কথাবার্তা শাসনকর্তার নিকট পৌছায়। রাবী বললেন, এরপর সে উপস্থিত হল এবং আমাদের পাশে বসে পড়ল। তখন হুযাইফাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি,কোন চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৩, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৯৯)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَوَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، ح وَحَدَّثَنَا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ التَّمِيمِيُّ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا ابْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ كُنَّا جُلُوسًا مَعَ حُذَيْفَةَ فِي الْمَسْجِدِ فَجَاءَ رَجُلٌ حَتَّى جَلَسَ إِلَيْنَا فَقِيلَ لِحُذَيْفَةَ إِنَّ هَذَا يَرْفَعُ إِلَى السُّلْطَانِ أَشْيَاءَ . فَقَالَ حُذَيْفَةُ - إِرَادَةَ أَنْ يُسْمِعَهُ - سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَتَّاتٌ " .
১৯৩-(১৭০/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ এবং মিনজাব ইবনু হারিস আত তামীমী (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু হারিস (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আমরা হুযাইফাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এলো ও আমাদের সাথে বসে পড়লো। তখন হুযাইফাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে শোনানোর উদ্দেশে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯৪, ইসলামিক সেন্টারঃ ২০০)
