সহীহ মুসলিম
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ أَنَّهُ قَالَ: شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَجَاءَ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَخَطَبَ النَّاسَ فَقَالَ إِنَّ هَذَيْنِ يَوْمَانِ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صِيَامِهِمَا يَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ وَالْآخَرُ يَوْمٌ تَأْكُلُونَ فِيهِ مِنْ نُسُكِكُمْ
২৫৬১-(১৩৮/১১৩৭) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু আযহারের মুক্ত গোলাম আবূ উবায়দ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ঈদের দিন উমর ইবনু খাত্ত্বাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। তিনি এসে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় সমাপ্ত করে লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। এতে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন, আর দ্বিতীয় হলো যেদিন তোমরা কুরবানীর গোশত খেয়ে থাক।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৮, ইসলামীক সেন্টার ২৫৩৭)*
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ .
২৫৬২-(১৩৯/১১৩৮) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন- কুরবানীর ঈদের দিন আর ঈদুল ফিতরের দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৯, ইসলামীক সেন্টার ২৫৩৮)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، - وَهُوَ ابْنُ عُمَيْرٍ - عَنْ قَزَعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، - رضى الله عنه - قَالَ سَمِعْتُ مِنْهُ، حَدِيثًا فَأَعْجَبَنِي فَقُلْتُ لَهُ آنْتَ سَمِعْتَ هَذَا، مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَأَقُولُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ أَسْمَعْ قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ " لاَ يَصْلُحُ الصِّيَامُ فِي يَوْمَيْنِ يَوْمِ الأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ " .
২৫৬৩-(১৪০/৮২৭) কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... কাযা'আহ থেকে আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমি তার (আবূ সাঈদ) কাছে একটি হাদীস শুনলাম যা আমার অত্যন্ত পছন্দ হলো। আমি তাঁকে বললাম, আপনি এ হাদীস রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছেন। তিনি বললেন, আমি যা শুনিনি এমন কথা তার নামে চালিয়ে দিতে পারি? এবার তিনি বললেন, আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা সমীচীন নয়। কুরবানীর ঈদের দিন এবং রমযানে ঈদুল ফিতরের দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪০, ইসলামীক সেন্টার ২৫৩৯)
وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْمُخْتَارِ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ النَّحْرِ .
২৫৬৪-(১৪১/...)। আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'টি দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেনঃ ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানীর দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪১, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪০)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عُمَرَ - رضى الله عنهما - فَقَالَ إِنِّي نَذَرْتُ أَنْ أَصُومَ يَوْمًا فَوَافَقَ يَوْمَ أَضْحَى أَوْ فِطْرٍ . فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ رضى الله عنهما أَمَرَ اللَّهُ تَعَالَى بِوَفَاءِ النَّذْرِ وَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمِ هَذَا الْيَوْمِ .
২৫৬৫-(১৪২/১১৩৯) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... যিয়াদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে এসে বলল, আমি একদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব বলে মানত করেছি। ঘটনাক্রমে ঐ দিনই ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের দিন পড়েছে। ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আল্লাহ তা'আলা মানত পূর্ণ করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪২, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪১)
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الأَضْحَى .
২৫৬৬-(১৪৩/১১৪০) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'টি দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৩, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪২)
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ " .
২৫৬৭-(১৪৪/১১৪১) সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... নুবায়শাহ আল হুযালী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আইয়্যামে তাশরীক হচ্ছে পানাহার করার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৪, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪৩)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنِي أَبُو قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، قَالَ خَالِدٌ فَلَقِيتُ أَبَا الْمَلِيحِ فَسَأَلْتُهُ فَحَدَّثَنِي بِهِ، فَذَكَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هُشَيْمٍ وَزَادَ فِيهِ " وَذِكْرٍ لِلَّهِ " .
২৫৬৮-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নুবায়শাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খালিদ বলেছেন, আমি আবূল মালীহি এর সাথে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করি, তিনি আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুশায়মের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে অতিরিক্ত রয়েছে যে, "এ দিন আল্লাহকে স্মরণ করার দিন"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৫, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪৪)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَهُ وَأَوْسَ بْنَ الْحَدَثَانِ أَيَّامَ التَّشْرِيقِ فَنَادَى " أَنَّهُ لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلاَّ مُؤْمِنٌ . وَأَيَّامُ مِنًى أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ " .
২৫৬৯-(১৪৫/১১৪২) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু কা'ব ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে। বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এবং আওস ইবনু হাদাসান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে আইয়্যামে তাশরীকে একটি ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেন। অতঃপর তারা রসূলের বাণী ঘোষণা করে শুনিয়ে দিলেনঃ মু'মিন ব্যক্তি ছাড়া কেউই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, আর মিনায় অবস্থানের দিনগুলো হচ্ছে পানাহার করার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৬, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪৫)
وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، بْنُ طَهْمَانَ بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَنَادَيَا .
২৫৭০-(.../...) আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবরাহীম ইবনু ত্বহমান (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে উল্লেখ আছে তারা উভয়ে ঘোষণা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৭, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪৬)
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقَالَ نَعَمْ وَرَبِّ هَذَا الْبَيْتِ .
২৫৭১-(১৪৬/১১৪৩) 'আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ইবনু জাফার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন কা'বাহ ঘর প্রদক্ষিণ করছিলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি জুমুআর দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, কা'বাহ ঘরের প্রভুর শপথ! হ্যাঁ, তিনি নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৮, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪৭)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ، بْنُ جُبَيْرِ بْنِ شَيْبَةَ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَنَّهُ سَأَلَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - بِمِثْلِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
২৫৭২-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এ সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একই হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৯, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪৮)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَصُمْ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلاَّ أَنْ يَصُومَ قَبْلَهُ أَوْ يَصُومَ بَعْدَهُ " .
২৫৭৩-(১৪৭/১১৪৪) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমুআর দিন কেউ যেন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন না করে। কিন্তু যদি কেউ জুমুআর দিনের আগে বা পরে একদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে তাহলে সে জুমুআর দিন সিয়াম পালন করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫০, ইসলামীক সেন্টার ২৫৪৯)
وَحَدَّثَنِي أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، - يَعْنِي الْجُعْفِيَّ - عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَخْتَصُّوا لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ بِقِيَامٍ مِنْ بَيْنِ اللَّيَالِي وَلاَ تَخُصُّوا يَوْمَ الْجُمُعَةِ بِصِيَامٍ مِنْ بَيْنِ الأَيَّامِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ فِي صَوْمٍ يَصُومُهُ أَحَدُكُمْ " .
২৫৭৪-(১৪৮/...) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাতগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র জুমুআর রাতকে জাগরণের (নৈশ ইবাদাতের) জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না, আর দিনগুলোর মধ্যে শুধু জুমুআর দিনকে সিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না। তবে যদি তোমাদের কেউ সর্বদা (নাফল) সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে আর এ সিয়ামের (ধারাবাহিকতার) মধ্যে জুমুআর দিন এসে যায় তাহলে ভিন্ন কথা। অর্থাৎ সে ঐদিন (নাফল) সিয়াম পালন করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫১, ইসলামীক সেন্টার ২৫৫০)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بَكْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُضَرَ - عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، - رضى الله عنه - قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ( وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ ) كَانَ مَنْ أَرَادَ أَنْ يُفْطِرَ وَيَفْتَدِيَ . حَتَّى نَزَلَتِ الآيَةُ الَّتِي بَعْدَهَا فَنَسَخَتْهَا .
২৫৭৫-(১৪৯/১১৪৫) কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, "যারা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে সক্ষম (অথচ সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে চায় না) তারা ফিদইয়াহ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করবে" যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো, কেউ যদি রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে না চাইতো সে সিয়াম (রোজা/রোযা) ভাঙ্গত এবং তার পরিবর্তে ফিদইয়াহ্ আদায় করে দিত। অতঃপর এর পরবর্তী আয়াত অবতীর্ণ হলো এবং তা পূর্ববর্তী আয়াতের হুকুম মানসূখ (রহিত) করে দিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫২, ইসলামীক সেন্টার ২৫৫১)
حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ الْعَامِرِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ، الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، - رضى الله عنه - أَنَّهُ قَالَ كُنَّا فِي رَمَضَانَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ فَافْتَدَى بِطَعَامِ مِسْكِينٍ حَتَّى أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ( فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ )
২৫৭৬-(১৫০/...) আমর ইবনু সাওওয়াদ আল আমিরী (রহঃ) ..... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে রমযান মাসে আমাদের মধ্যে যার ইচ্ছা হত সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করত আর যে চাইত ভঙ্গ করত এবং এর বিনিময়ে সিয়ামের ফিদইয়াহ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হলঃ "কাজেই আজ হতে যে ব্যক্তিই এ মাসের সম্মুখীন হবে তার জন্য এ পূর্ণ মাসের সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা একান্ত কর্তব্য।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৩, ইসলামীক সেন্টার ২৫৫২)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي، سَلَمَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - تَقُولُ كَانَ يَكُونُ عَلَىَّ الصَّوْمُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَسْتَطِيعُ أَنْ أَقْضِيَهُ إِلاَّ فِي شَعْبَانَ الشُّغُلُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
২৫৭৭-(১৫১/১১৪৬) আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি, আমার রমযান মাসের সিয়াম (রোজা/রোযা) অবশিষ্ট থেকে যেত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি শা'বান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে তা আদায় করার সুযোগ পেতাম না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৪ , ইসলামীক সেন্টার ২৫৫৩)
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، بْنُ بِلاَلٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَذَلِكَ لِمَكَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
২৫৭৮-(.../...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় পার্থক্য এতটুকু যে, তিনি বলেছেন, আর রমযানের সিয়ামের কাযা আদায়ের ব্যাপারে শা'বান পর্যন্ত বিলম্ব করার কারণ হলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে নিযুক্ত থাকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৫, ইসলামীক সেন্টার ২৫৫৪)
وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، بْنُ سَعِيدٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَظَنَنْتُ أَنَّ ذَلِكَ لِمَكَانِهَا مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . يَحْيَى يَقُولُهُ .
২৫৭৯-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এ সানাদেও উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি আরো বলেছেন, আমার মনে হয় তার এরূপ দেরী করার কারণ ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে ব্যস্ত থাকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৬, ইসলামীক সেন্টার ২৫৫৫)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، ح وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، كِلاَهُمَا عَنْ يَحْيَى، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرَا فِي الْحَدِيثِ الشُّغْلُ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
২৫৮০-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাতে তার ব্যস্ত থাকার কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৭, ইসলামীক সেন্টার ২৫৫৬)