হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (3161)


وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ جَمِيعًا - عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، قَالَ أَبُو كُرَيْبٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، - عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُسَافِرَ سَفَرًا يَكُونُ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ فَصَاعِدًا إِلاَّ وَمَعَهَا أَبُوهَا أَوِ ابْنُهَا أَوْ زَوْجُهَا أَوْ أَخُوهَا أَوْ ذُو مَحْرَمٍ مِنْهَا " .




৩১৬১-(৪২৩/১৩৪০) আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের উপর ঈমান রাখে- তার পিতা অথবা তার ছেলে অথবা তার স্বামী অথবা তার ভাই অথবা তার অপর কোন মাহরাম আত্মীয় তার সফর সঙ্গী না হলে তার জন্য তিনদিন বা তার অতিরিক্ত সময়ের পথ সফর করা হালাল নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৩৬, ইসলামীক সেন্টার ৩১৩৪)









সহীহ মুসলিম (3162)


وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .




৩১৬২-(.../...) আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৩৭, ইসলামীক সেন্টার ৩১৩৫)









সহীহ মুসলিম (3163)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، كِلاَهُمَا عَنْ سُفْيَانَ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَقُولُ " لاَ يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلاَّ وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ وَلاَ تُسَافِرِ الْمَرْأَةُ إِلاَّ مَعَ ذِي مَحْرَمٍ " . فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ امْرَأَتِي خَرَجَتْ حَاجَّةً وَإِنِّي اكْتُتِبْتُ فِي غَزْوَةِ كَذَا وَكَذَا . قَالَ " انْطَلِقْ فَحُجَّ مَعَ امْرَأَتِكَ " .




৩১৬৩-(৪২৪/১৩৪১) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভাষণ দিতে শুনেছিঃ সাথে মাহরাম পুরুষ না থাকা অবস্থায় কোন পুরুষ লোক যেন কোন মহিলার সাথে একান্তে সাক্ষাৎ না করে। কোন স্ত্রীলোক যেন সাথে কোন মাহরাম পুরুষ ছাড়া একাকী সফর না করে। এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেছে এবং আমাকে অমুক সৈন্য বাহিনীতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে- যা অমুক স্থানে যুদ্ধে যাবে। তিনি বললেন, তুমি চলে যাও এবং তোমার স্ত্রীর সাথে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৩৮, ইসলামীক সেন্টার ৩১৩৬)









সহীহ মুসলিম (3164)


وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَمْرٍو، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .




৩১৬৪-(.../...) আবূ রবী আয যাহরানী (রহঃ) ..... আমর ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৩৯, ইসলামীক সেন্টার ৩১৩৭)









সহীহ মুসলিম (3165)


وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، - يَعْنِي ابْنَ سُلَيْمَانَ - الْمَخْزُومِيُّ عَنِ ابْنِ، جُرَيْجٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ " لاَ يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلاَّ وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ " .




৩১৬৫-(.../...) ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিম্নোক্ত কথার উল্লেখ নেইঃ "কোন পুরুষ লোক যেন কোন মহিলার সাথে একান্তে সাক্ষাৎ না করে, কিন্তু তার সাথে তার কোন মাহরাম পুরুষ থাকলে স্বতন্ত্র কথা।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪০, ইসলামীক সেন্টার ৩১৩৮)









সহীহ মুসলিম (3166)


حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَلِيًّا الأَزْدِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ عَلَّمَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اسْتَوَى عَلَى بَعِيرِهِ خَارِجًا إِلَى سَفَرٍ كَبَّرَ ثَلاَثًا ثُمَّ قَالَ " سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى اللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هَذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الأَهْلِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَآبَةِ الْمَنْظَرِ وَسُوءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالأَهْلِ " . وَإِذَا رَجَعَ قَالَهُنَّ . وَزَادَ فِيهِنَّ " آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ " .




৩১৬৬-(৪২৫/১৩৪২) হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথাও সফরের উদ্দেশে তার উটে আরোহণের সময় তিনবার "আল্ল-হু আকবার" (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) বলতেন, এরপর যে দু'আ পাঠ করতেন তার অর্থ এইঃ

"পবিত্র মহান সে সত্তা- যিনি একে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যদিও আমরা একে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের প্রতিপালকের নিকট ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ। আমাদের এ সফরে আমরা তোমার নিকট কল্যাণ, তাকওয়া এবং তোমার সন্তুষ্টি বিধানকার কাজের তাওফীক চাই। হে আল্লাহ! আমাদের এ সফর আমাদের জন্য সহজ করে দাও এবং এর দূরত্ব কমিয়ে দাও। হে আল্লাহ! তুমিই (আমাদের) সফরসঙ্গী এবং পরিবারের তত্ত্বাবধানকারী। হে আল্লাহ! তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি সফরের কষ্ট, দুঃখজনক দৃশ্য এবং ফিরে এসে সম্পদ ও পরিবারের ক্ষতিকর পরিবর্তন থেকে।"

এরপর তিনি যখন সফর থেকে ফিরে আসতেন তখনও উপরোক্ত দুআ পড়তেন এবং এর সাথে যোগ করতেনঃ (অর্থ) "আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, আমাদের প্রতিপালকের ইবাদতকারী ও প্রশংসাকারী"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪১, ইসলামীক সেন্টার ৩১৩৯)









সহীহ মুসলিম (3167)


حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ سَرْجِسَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَافَرَ يَتَعَوَّذُ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَالْحَوْرِ بَعْدَ الْكَوْرِ وَدَعْوَةِ الْمَظْلُومِ وَسُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الأَهْلِ وَالْمَالِ .




৩১৬৭-(৪২৬/১৩৪৩) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু সারজিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফর করতেন তখন আশ্রয় প্রার্থনা করতেন সফরের কষ্ট থেকে, দুঃখজনক প্রত্যাবর্তন থেকে, সুখময় অবস্থার পর দুঃখময় অবস্থায় পতিত হওয়া থেকে, মাযলুমের বদদুআ থেকে এবং সম্পদ ও পরিবার-পরিজনের ক্ষতিকর দৃশ্য অবলোকন থেকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪২, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪০)









সহীহ মুসলিম (3168)


وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنِي حَامِدُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، كِلاَهُمَا عَنْ عَاصِمٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ غَيْرَ أَنَّ فِي حَدِيثِ عَبْدِ الْوَاحِدِ فِي الْمَالِ وَالأَهْلِ . وَفِي رِوَايَةِ مُحَمَّدِ بْنِ خَازِمٍ قَالَ يَبْدَأُ بِالأَهْلِ إِذَا رَجَعَ . وَفِي رِوَايَتِهِمَا جَمِيعًا " اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ " .




৩১৬৮-(৪২৭/...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আসিম আল-আহওয়াল (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য 'আবদুল ওয়াহিদের বর্ণনায় "ফীল মাল ওয়াল আহল" এবং মুহাম্মাদ ইবনু হাযম এর বর্ণনায় প্রত্যাবর্তনকালে প্রথমে 'আহল' শব্দ রয়েছে। উভয়ের বর্ণনায় রয়েছেঃ "আয় আল্লাহ! "আমি সফরের কষ্ট ক্লান্তি হতে তোমার কাছে পানাহ চাই।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৩৬, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪১)









সহীহ মুসলিম (3169)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، ح . وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَفَلَ مِنَ الْجُيُوشِ أَوِ السَّرَايَا أَوِ الْحَجِّ أَوِ الْعُمْرَةِ إِذَا أَوْفَى عَلَى ثَنِيَّةٍ أَوْ فَدْفَدٍ كَبَّرَ ثَلاَثًا ثُمَّ قَالَ " لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهُ " .




৩১৬৯-(৪২৮/১৩৪৪) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনু উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিহাদ, অভিযান, হাজ্জ (হজ্জ/হজ) অথবা উমরাহ করে ফিরে আসার সময় যখন কোন উচু টিলা বা কংকরময় উচ্চভূমিতে আরোহণ করতেন তখন তিনবার "আল্ল-হু আকবার" (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) ধ্বনি দিতেন, এরপর এ দু'আ পড়তেন। (অর্থ) "আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি একক, তার কোন শারীক নেই। তারই রাজত্ব (বা সার্বভৌমত্ব), তার জন্য সমস্ত প্রশংসা এবং তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। (আমরা) প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকার, আমাদের প্রতিপালককে সিজদাকারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ তার ওয়াদা পুরন করেছেন, তার বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৪, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪২)









সহীহ মুসলিম (3170)


وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، عَنْ مَالِكٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ، كُلُّهُمْ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . بِمِثْلِهِ إِلاَّ حَدِيثَ أَيُّوبَ فَإِنَّ فِيهِ التَّكْبِيرَ مَرَّتَيْنِ .




৩১৭০-(.../...) যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু উমার ও ইবনু রাফি (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। শুধুমাত্র আইয়ুবের বর্ণনায় দু'বার তাকবীরের কথা উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৫, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৩)









সহীহ মুসলিম (3171)


وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ قَالَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ أَقْبَلْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَأَبُو طَلْحَةَ . وَصَفِيَّةُ رَدِيفَتُهُ عَلَى نَاقَتِهِ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِظَهْرِ الْمَدِينَةِ قَالَ " آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ " . فَلَمْ يَزَلْ يَقُولُ ذَلِكَ حَتَّى قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ .




৩১৭১-(৪২৯/১৩৪৫) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও আবূ তলহাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে প্রত্যাবর্তন করলাম এবং সফিয়্যাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার উষ্ট্রীর পিঠে পেছনে সওয়ার ছিলেন। আমরা যখন মাদীনাহ শহরতলীতে পৌছলাম তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু'আ পড়লেনঃ (অর্থ) "আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, আমাদের প্রভুর ইবাদতকারী, প্রশংসাকারী।" আমরা মাদীনায় প্রবেশ করা পর্যন্ত তিনি অবিরত এ দু'আ পড়তে থাকতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৬, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৪)









সহীহ মুসলিম (3172)


وَحَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .




৩১৭২-(.../...) হুমায়দ ইবনু মাস'আদাহ্ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৭, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৪)









সহীহ মুসলিম (3173)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَاخَ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَصَلَّى بِهَا . وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَفْعَلُ ذَلِكَ .




৩১৭৩-(৪৩০/১২৫৭) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফার কংকরময় ভূমি (বাতহা)-তে তার উট বসালেন এবং সেখানে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় রলেন। নাফি' (রহঃ) বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)ও তাই করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৮, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৫)









সহীহ মুসলিম (3174)


وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحِ بْنِ الْمُهَاجِرِ الْمِصْرِيُّ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ يُنِيخُ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ الَّتِي كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُنِيخُ بِهَا وَيُصَلِّي بِهَا .




৩১৭৪-(৪৩১/...) মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ইবনু মুহাজির আল মিসরী ও কুতায়বাহ (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যুল হুলায়ফার বাতহা প্রান্তরে তার উট বসাতেন যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট বসাতেন এবং সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৪৯, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৬)









সহীহ মুসলিম (3175)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمُسَيَّبِيُّ، حَدَّثَنِي أَنَسٌ، - يَعْنِي أَبَا ضَمْرَةَ - عَنْ مُوسَى، بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا صَدَرَ مِنَ الْحَجِّ أَوِ الْعُمْرَةِ أَنَاخَ بِالْبَطْحَاءِ الَّتِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ الَّتِي كَانَ يُنِيخُ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .




৩১৭৫-(৪৩২/...) মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আল মুসাইয়্যাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হাজ্জ (হজ্জ/হজ) অথবা উমরাহ সমাপনান্তে ফেরার পথে যুল হুলায়ফার কংকরময় ভূমিতে নিজের উট বসাতেন যেখানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট বসাতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫০, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৭)









সহীহ মুসলিম (3176)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - وَهُوَ ابْنُ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ مُوسَى، - وَهُوَ ابْنُ عُقْبَةَ - عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ فِي مُعَرَّسِهِ بِذِي الْحُلَيْفَةِ فَقِيلَ لَهُ إِنَّكَ بِبَطْحَاءَ مُبَارَكَةٍ .




৩১৭৬-(৪৩৩/১৩৪৬) মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। যুল হুলায়ফায় রাতের শেষ ভাগে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট (কোন আগন্তুক মালাক) আবির্ভূত হয়। তাকে বলা হল, আপনি বারাকাতপূর্ণ পাথরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫১, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৮)









সহীহ মুসলিম (3177)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارِ بْنِ الرَّيَّانِ، وَسُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، - وَاللَّفْظُ لِسُرَيْجٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ وَهُوَ فِي مُعَرَّسِهِ مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ فِي بَطْنِ الْوَادِي فَقِيلَ إِنَّكَ بِبَطْحَاءَ مُبَارَكَةٍ . قَالَ مُوسَى وَقَدْ أَنَاخَ بِنَا سَالِمٌ بِالْمُنَاخِ مِنَ الْمَسْجِدِ الَّذِي كَانَ عَبْدُ اللَّهِ يُنِيخُ بِهِ يَتَحَرَّى مُعَرَّسَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ أَسْفَلُ مِنَ الْمَسْجِدِ الَّذِي بِبَطْنِ الْوَادِي بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ وَسَطًا مِنْ ذَلِكَ .




৩১৭৭-(৪৩৪/...) মুহাম্মাদ ইবনু বাক্কার (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফার উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থানকালে রাতের বিশেষ প্রহরে তার নিকট (কোন মালাক) আবির্ভূত হয় এবং বলা হয়ঃ আপনি বারাকাতপূর্ণ কংকরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)।

মূসা উকবাহ (রহঃ) বলেন, সালিম (রহঃ) আমাদের সাথে সফরকালে মসজিদের নিকট তার উট বসাতেন যেখানে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের উট বসাতেন এবং এ স্থানকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবতরণ (অবস্থান) স্থল মনে করতেন। স্থানটি উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে নির্মিত মসজিদের নিম্নদেশের সমতলে মাসজিদ ও কিবলার মাঝখানে অবস্থিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫২, ইসলামীক সেন্টার ৩১৪৯)









সহীহ মুসলিম (3178)


حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، ح . وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى التُّجِيبِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ بَعَثَنِي أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ فِي الْحَجَّةِ الَّتِي أَمَّرَهُ عَلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ فِي رَهْطٍ يُؤَذِّنُونَ فِي النَّاسِ يَوْمَ النَّحْرِ لاَ يَحُجُّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ . قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَكَانَ حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ يَوْمُ النَّحْرِ يَوْمُ الْحَجِّ الأَكْبَرِ . مِنْ أَجْلِ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ .




৩১৭৮-(৪৩৫/১৩৪৭) হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের পূর্ববতী (বছরের) যে হাজ্জে (হজ্জে/হজে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর সিদীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে আমীর নিয়োগ করেছিলেন, সে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সময় তিনি (আবূ বাকর) আমাকে সহ একদল লোকদের কুরবানীর দিন জনগণের মধ্যে নিম্নোক্ত ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেনঃ "এ বছরের পর মুশরিকরা আর হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করতে পারবে না এবং উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করবে না।"

ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর এ হাদীস অনুযায়ী হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান বলতেন- "মহান হাজ্জের (হজ্জের/হজের) দিন হচ্ছে এ কুরবানীর দিন"* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫৩, ইসলামীক সেন্টার ৩১৫০)









সহীহ মুসলিম (3179)


حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ يُوسُفَ، يَقُولُ عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا مِنْ يَوْمٍ أَكْثَرَ مِنْ أَنْ يُعْتِقَ اللَّهُ فِيهِ عَبْدًا مِنَ النَّارِ مِنْ يَوْمِ عَرَفَةَ وَإِنَّهُ لَيَدْنُو ثُمَّ يُبَاهِي بِهِمُ الْمَلاَئِكَةَ فَيَقُولُ مَا أَرَادَ هَؤُلاَءِ " .




৩১৭৯-(৪৩৬/১৩৪৮) হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আরাফাহ দিবসের তুলনায় এমন কোন দিন নেই- যেদিন আল্লাহ তা'আলা সর্বাধিক সংখ্যক লোককে দোযখের আগুন থেকে মুক্তি দান করেন। আল্লাহ তা'আলা নিকটবতী হন, অতঃপর বান্দাদের সম্পর্কে মালায়িকার সামনে গৌরব প্রকাশ করেন এবং বলেনঃ তারা কী উদ্দেশে সমবেত হয়েছে (বা তারা কী চায়)? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ৩১৫৪, ইসলামীক সেন্টার ৩১৫১)









সহীহ মুসলিম (3180)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا وَالْحَجُّ الْمَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلاَّ الْجَنَّةُ " .




৩১৮০-(৪৩৭/১৩৪৯) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একটি উমরাহ পরবর্তী উমরাহ পর্যন্ত মাঝখানের গুনাহসমূহের কাফফারাহ স্বরূপ এবং ক্রটিমুক্ত (অথবা আল্লাহর নিকট গৃহীত) হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৫৫, ইসলামীক সেন্টার ৩১৫২)