সহীহ মুসলিম
وَحَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، قَالَ أَخْبَرَنِي مُجَاشِعُ بْنُ مَسْعُودٍ السُّلَمِيُّ، قَالَ جِئْتُ بِأَخِي أَبِي مَعْبَدٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ الْفَتْحِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَايِعْهُ عَلَى الْهِجْرَةِ . قَالَ " قَدْ مَضَتِ الْهِجْرَةُ بِأَهْلِهَا " . قُلْتُ فَبِأَىِّ شَىْءٍ تُبَايِعُهُ قَالَ " عَلَى الإِسْلاَمِ وَالْجِهَادِ وَالْخَيْرِ " . قَالَ أَبُو عُثْمَانَ فَلَقِيتُ أَبَا مَعْبَدٍ فَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ مُجَاشِعٍ فَقَالَ صَدَقَ .
৪৭২১-(৮৪/...) সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... মুজাশি ইবনু মাসউদ সুলামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের পর একদা আমি আমার ভাই আবূ মা'বাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে আসলাম। তখন আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তাকে হিজরাতের বাই'আত করান। তিনি তখন বললেন, হিজরাতের দিন অতিক্রান্ত, তার যোগ্য পাত্ররা সে সুযোগ নিয়ে নিয়েছে। আমি বললাম, তাহলে এখন কিসের উপর বাই'আত নিবেন? তিনি বললেন, ইসলাম, জিহাদ ও সৎকাজের বাই'আত হতে পারে। আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমি আবূ ম'বাদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে মুজাশি (রহঃ) এর কথা জানালাম। তিনি বললেন, সে যথার্থই বলেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৪, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৭৬)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَاصِمٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَ فَلَقِيتُ أَخَاهُ فَقَالَ صَدَقَ مُجَاشِعٌ . وَلَمْ يَذْكُرْ أَبَا مَعْبَدٍ .
৪৭২২-(.../...) আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) এ সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেছেন, আমি তার ভাইয়ের সাথে দেখা করলাম, তখন তিনি বললেন, মুজাশি যথার্থ বলেছে, তবে তিনি আবূ মা'বাদের নাম রিওয়ায়াতে উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৫, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৭৭)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالاَ أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْفَتْحِ فَتْحِ مَكَّةَ " لاَ هِجْرَةَ وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فَانْفِرُوا " .
৪৭২৩-(৮৫/১৩৫৩) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিজয় দিবসে তথা মাক্কাহ বিজয়ের দিন বলেছেন, আর হিজরাত নেই (হিজরাতের অবকাশ বাকী নেই) বরং এখন আছে জিহাদ আর নেক-নিয়্যাত। আর যখন তোমাদেরকে জিহাদে বের হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা (জিহাদের উদ্দেশে) বের হয়ে যাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৬, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৭৮)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَابْنُ، رَافِعٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ آدَمَ، حَدَّثَنَا مُفَضَّلٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُهَلْهِلٍ - ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، كُلُّهُمْ عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ .
৪৭২৪-(..../...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব, ইসহাক ইবনু মানসূর, ইবনু রাফি', 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৭, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৭৯)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَبِيبِ بْنِ أَبِي، ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْهِجْرَةِ فَقَالَ " لاَ هِجْرَةَ بَعْدَ الْفَتْحِ وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فَانْفِرُوا " .
৪৭২৫-(৮৬/১৮৬৪) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হিজরাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেন, (মাক্কাহ্) বিজয়ের পর আর হিজরাত নেই, তবে জিহাদ ও নিয়্যাত রয়েছে। যখন তোমাদেরকে জিহাদে বের হওয়ার জন্য ডাক দেয়া হয়, তখন তোমরা বের হয়ে যাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৮, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮০)
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، بْنُ عَمْرٍو الأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ، أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْهِجْرَةِ فَقَالَ " وَيْحَكَ إِنَّ شَأْنَ الْهِجْرَةِ لَشَدِيدٌ فَهَلْ لَكَ مِنْ إِبِلٍ " . قَالَ نَعَمْ . قَالَ " فَهَلْ تُؤْتِي صَدَقَتَهَا " . قَالَ نَعَمْ . قَالَ " فَاعْمَلْ مِنْ وَرَاءِ الْبِحَارِ فَإِنَّ اللَّهَ لَنْ يَتِرَكَ مِنْ عَمَلِكَ شَيْئًا " .
৪৭২৬-(৮৭/১৮৬৫) আবূ বকর ইবনু খাল্লাদ বাহিলী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে একদা জনৈক বেদুঈন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হিজরাত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ওহে! তোমার জন্য আফসোস! হিজরাতের অবস্থা তো কঠিন ব্যাপার। তোমার কাছে কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ! তিনি বললেন, তুমি কি তার যাকাত দিয়ে থাকো? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি দরিয়ার ওপার থেকেই 'আমল করে যাও, কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমার কোন আমলই বিফল করে দিবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৯, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮১)
وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ " إِنَّ اللَّهَ لَنْ يَتِرَكَ مِنْ عَمَلِكَ شَيْئًا " . وَزَادَ فِي الْحَدِيثِ قَالَ " فَهَلْ تَحْلُبُهَا يَوْمَ وِرْدِهَا " . قَالَ نَعَمْ .
৪৭২৭-(.../...) আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) ..... আওযাঈ (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তোমার কোন আমলই নিস্ফল হতে দিবেন না। তিনি এ হাদীসে আরও অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি পানি পান করানোর দিন ওগুলোকে (উটনীগুলোকে) দোহন করে থাকো? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮০, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮২)
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، بْنُ يَزِيدَ قَالَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ كَانَتِ الْمُؤْمِنَاتُ إِذَا هَاجَرْنَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُمْتَحَنَّ بِقَوْلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ( يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ عَلَى أَنْ لاَ يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا وَلاَ يَسْرِقْنَ وَلاَ يَزْنِينَ ) إِلَى آخِرِ الآيَةِ . قَالَتْ عَائِشَةُ فَمَنْ أَقَرَّ بِهَذَا مِنَ الْمُؤْمِنَاتِ فَقَدْ أَقَرَّ بِالْمِحْنَةِ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَقْرَرْنَ بِذَلِكَ مِنْ قَوْلِهِنَّ قَالَ لَهُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " انْطَلِقْنَ فَقَدْ بَايَعْتُكُنَّ " . وَلاَ وَاللَّهِ مَا مَسَّتْ يَدُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدَ امْرَأَةٍ قَطُّ . غَيْرَ أَنَّهُ يُبَايِعُهُنَّ بِالْكَلاَمِ - قَالَتْ عَائِشَةُ - وَاللَّهِ مَا أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النِّسَاءِ قَطُّ إِلاَّ بِمَا أَمَرَهُ اللَّهُ تَعَالَى وَمَا مَسَّتْ كَفُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَفَّ امْرَأَةٍ قَطُّ وَكَانَ يَقُولُ لَهُنَّ إِذَا أَخَذَ عَلَيْهِنَّ " قَدْ بَايَعْتُكُنَّ " . كَلاَمًا .
৪৭২৮-(৮৮/১৮৬৬) আবূ তাহির আহমাদ ইবনু 'আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ..... নবী সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুমিন মহিলাগণ যখন হিজরাত করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে (মাদীনায়) আসতেন তখন আল্লাহ তা'আলার বাণী অনুযায়ী পরীক্ষা করা হতো। (সে বাণী হচ্ছে) "হে নবী। যখন মুমিন মহিলাগণ আপনার কাছে এ মর্মে বাই'আত হতে আসে যে তারা আল্লাহর সাথে অপর কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না ..." (সূরাহ মুমতাহিনাহ্ ৬০ঃ ১২) আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, মু'মিন মহিলাদের যে কেউ এসব অঙ্গীকারাবদ্ধ হতো এতেই তারা বাই'আতের অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছে বলে গণ্য হতো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে যখন তারা মৌখিকভাবে এসব অঙ্গীকার করতো তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বলতেন, তোমরা চলে যাও, তোমাদের বাই'আত গ্রহণ করা হয়েছে। আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাত কোন দিন কোন (অপরিচিত) মহিলার হাতকে স্পর্শ করেনি। তবে তিনি মৌখিকভাবে বাই'আত গ্রহণ করতেন।
আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আল্লাহর কসম আল্লাহর নির্দেশিত পথ ছাড়া রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দিন মহিলাদের ওয়াদা গ্রহণ করেননি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাত কোন দিন কোন (অপরিচিত) মহিলার হাত স্পর্শ করেনি। তাদের ওয়াদাবদ্ধ হওয়ার পরই তিনি মৌখিকভাবে বলে দিতেন, তোমাদের বাই'আত গ্রহণ করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮১, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮৩)
وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَبُو الطَّاهِرِ، قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ أَخْبَرَنَا وَقَالَ، هَارُونُ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، أَخْبَرَتْهُ عَنْ بَيْعَةِ النِّسَاءِ، قَالَتْ مَا مَسَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ امْرَأَةً قَطُّ إِلاَّ أَنْ يَأْخُذَ عَلَيْهَا فَإِذَا أَخَذَ عَلَيْهَا فَأَعْطَتْهُ قَالَ " اذْهَبِي فَقَدْ بَايَعْتُكِ " .
৪৭২৯-(৮৯/...) হারূন ইবনু সাঈদ আইলী ও আবূ তাহির (রহঃ) ..... উরওয়াহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে মহিলাদের বাই'আত সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দিন তার হাত দিয়ে কোন (বেগানা) মহিলাকে স্পর্শ করেননি, তবে তিনি মৌখিকভাবে তাদের বাই'আত গ্রহণ করতেন। আর যখন তিনি তাদের মৌখিক অঙ্গীকার নিয়ে নিতেন তখন (মুখেই) বলে দিতেন, এবার চলে যেতে পার, আমি তোমাদের বাই'আত নিয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮২, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮৪)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ أَيُّوبَ - قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، يَقُولُ كُنَّا نُبَايِعُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ يَقُولُ لَنَا " فِيمَا اسْتَطَعْتَ " .
৪৭৩০-(৯০/১৮৬৭) ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শ্রবণ করার ও অনুকরণের (আনুগত্যের) বাই'আত গ্রহণ করতাম। তিনি আমাদেরকে বলে দিতেন, যতদূর তোমাদের সাধ্যে কুলাবে (তা পালন করবে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮৩, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮৫)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ عَرَضَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ أُحُدٍ فِي الْقِتَالِ وَأَنَا ابْنُ أَرْبَعَ عَشْرَةَ سَنَةً فَلَمْ يُجِزْنِي وَعَرَضَنِي يَوْمَ الْخَنْدَقِ وَأَنَا ابْنُ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً فَأَجَازَنِي . قَالَ نَافِعٌ فَقَدِمْتُ عَلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَهُوَ يَوْمَئِذٍ خَلِيفَةٌ فَحَدَّثْتُهُ هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ إِنَّ هَذَا لَحَدٌّ بَيْنَ الصَّغِيرِ وَالْكَبِيرِ . فَكَتَبَ إِلَى عُمَّالِهِ أَنْ يَفْرِضُوا لِمَنْ كَانَ ابْنَ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً وَمَنْ كَانَ دُونَ ذَلِكَ فَاجْعَلُوهُ فِي الْعِيَالِ .
৪৭৩১-(৯১/১৮৬৮) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ দিবসে (যুদ্ধে) আমাকে পর্যবেক্ষণ করলেন তখন আমার বয়স চৌদ্দ বছর। তিনি আমাকে (যুদ্ধের জন্য) অনুমতি দিলেন না। খন্দকের দিন তিনি আমাকে পর্যবেক্ষণ করলেন। তখন আমার বয়স পনের বছর। তিনি আমাকে (যুদ্ধে গমনের) অনুমতি দিলেন। নাফি' বলেন, আমি 'উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) এর খিদমাতে উপস্থিত হয়ে এ হাদীস তার নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি তখন খলীফা ছিলেন। তিনি বললেন, এটাই হচ্ছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও প্রাপ্ত বয়স্কদের সীমারেখা। তিনি তার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে এ মর্মে ঘোষণা দিলেন, তারা যেন পনের বছর বয়সের লোকদেরকে ভাতা প্রদান করেন এবং তার কম বয়সের যারা তাদেরকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক বলে নির্ধারণ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮৪, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮৬)
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، وَعَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ، سُلَيْمَانَ ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، - يَعْنِي الثَّقَفِيَّ - جَمِيعًا عَنْ عُبَيْدِ، اللَّهِ بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّ فِي حَدِيثِهِمْ وَأَنَا ابْنُ أَرْبَعَ عَشْرَةَ سَنَةً فَاسْتَصْغَرَنِي .
৪৭৩২-(.../...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ থেকে উক্ত সূত্রে এ হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের বর্ণিত হাদীসে আছে, আমি তখন চৌদ্দ বছরের। তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ছোট বলে গণ্য করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮৫, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮৭)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ .
৪৭৩৩-(৯২/১৮৬৯) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, শত্রু এলাকায় কুরআন মাজীদ নিয়ে ভ্রমণ করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮৬, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮৮)
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ، اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَنْهَى أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ .
৪৭৩৪-(৯৩/...) কুতাইবাহ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শক্র দেশে কুরআন নিয়ে সফর করতে বারণ করতেন এই ভয়ে যে, তা শক্ররা পেয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮৭, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৮৯)
وَحَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الْعَتَكِيُّ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تُسَافِرُوا بِالْقُرْآنِ فَإِنِّي لاَ آمَنُ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ " . قَالَ أَيُّوبُ فَقَدْ نَالَهُ الْعَدُوُّ وَخَاصَمُوكُمْ بِهِ .
৪৭৩৫-(৯৪/...) আবূ রাবী' আতাকী ও আবূ কামিল (রহ) ..... ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কুরআন মজীদ নিয়ে সফর করবে না, কেননা শক্র থেকে আমি তা নিরাপদ মনে করি না। রাবী আইয়্যুব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, শক্ররা হস্তগত করে তোমাদের সাথে তা নিয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮৮, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৯০)
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، وَالثَّقَفِيُّ، كُلُّهُمْ عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ، - يَعْنِي ابْنَ عُثْمَانَ - جَمِيعًا عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . فِي حَدِيثِ ابْنِ عُلَيَّةَ وَالثَّقَفِيِّ " فَإِنِّي أَخَافُ " . وَفِي حَدِيثِ سُفْيَانَ وَحَدِيثِ الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ " مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ " .
৪৭৩৬-(..../...) যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু আবূ উমর ও ইবনু রফি (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হাদীসের মধ্যবর্তী রাবী ইবনু উলাইয়াহ ও সাকাফীর বর্ণনায় فَإِنِّي أَخَافُ এবং আমি আশংকা করি রয়েছে। আর সানদের জন্য সূত্রের মধ্যবর্তী রাবী সুফইয়ান ও যাহহাক ইবনু উসমানের বর্ণনায় مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ দুশমন পেয়ে যাবে এ আশংকায়' কথাটি রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮৯, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৯০/ক)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، . أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَابَقَ بِالْخَيْلِ الَّتِي قَدْ أُضْمِرَتْ مِنَ الْحَفْيَاءِ وَكَانَ أَمَدُهَا ثَنِيَّةَ الْوَدَاعِ وَسَابَقَ بَيْنَ الْخَيْلِ الَّتِي لَمْ تُضْمَرْ مِنَ الثَّنِيَّةِ إِلَى مَسْجِدِ بَنِي زُرَيْقٍ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ فِيمَنْ سَابَقَ بِهَا .
৪৭৩৭-(৯৫/১৮৭০) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়াসমূহের দৌড়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন হাফইয়া থেকে সানিয়াতুল বিদা পর্যন্ত। আর যে ঘোড়াগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়নি সেগুলোর দৌড়ের প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করান সানিয়া থেকে মসজিদে বানু যুৱায়ক পর্যন্ত। ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-ও ছিলেন সে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৯০, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৯১)
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالُوا حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - وَهُوَ ابْنُ زَيْدٍ - عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، ح
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - جَمِيعًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، ح وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، بِمَعْنَى حَدِيثِ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، . وَزَادَ فِي حَدِيثِ أَيُّوبَ مِنْ رِوَايَةِ حَمَّادٍ وَابْنِ عُلَيَّةَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَجِئْتُ سَابِقًا فَطَفَّفَ بِي الْفَرَسُ الْمَسْجِدَ .
৪৭৩৮-(.../...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, খালাফ ইবনু হিশাম, আবূ রাবী', আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ, আলী ইবনু হুজুর, আহমাদ ইবনু আবদাল্লাহ, ইবনু আবূ উমার, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, হারূন ইবনু সাঈদ আইলী (রহঃ) সকলেই নাফি' (রহঃ) সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে পূর্ববর্তী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদ ও ইবনু উলাইয়্যাহ সূত্রে আইয়্যুব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এতটুকু বেশী বর্ণিত হয়েছে যে, আবদুল্লাহ (ইবনু উমার) বলেন, আমি সে প্রতিযোগিতায় প্রথম হই এবং আমার ঘোড়াটি আমাকে নিয়ে লাফিয়ে মসজিদে উঠে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৯১, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৯২)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْخَيْلُ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ " .
৪৭৩৯-(৯৬/১৮৭১) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ কিয়ামত পর্যন্ত নিহিত থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৯২, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৯৩)
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَابْنُ، رُمْحٍ عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ، اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى، كُلُّهُمْ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي أُسَامَةُ، كُلُّهُمْ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ .
৪৭৪০-(.../...) কুতাইবাহ, ইবনু রুমূহ, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ ও হারূন ইবনু সাঈদ আইলী (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে মালিক (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৯৩, ইসলামিক সেন্টার ৪৬৯৪)