সহীহ মুসলিম
وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، حَدَّثَنِي صَيْفِيٌّ، عَنْ أَبِي السَّائِبِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ سَمِعْتُهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ بِالْمَدِينَةِ نَفَرًا مِنَ الْجِنِّ قَدْ أَسْلَمُوا فَمَنْ رَأَى شَيْئًا مِنْ هَذِهِ الْعَوَامِرِ فَلْيُؤْذِنْهُ ثَلاَثًا فَإِنْ بَدَا لَهُ بَعْدُ فَلْيَقْتُلْهُ فَإِنَّهُ شَيْطَانٌ " .
৫৭৩৪-(১৪১/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাদীনায় জিনদের এমন একটি দল রয়েছে, যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে। তাই যে লোক এসব গৃহের অধিবাসী (সাপ ইত্যাদির রূপধারী) এ ধরনের কোন কিছু দেখতে পায়, সে যেন তাকে তিনবার সাবধানী সংকেত দেয়; তারপরও যদি তার সম্মুখে তা প্রকাশ পায় তবে সে যেন তা হত্যা করে ফেলে, কারণ একটা (অবাধ্য) শাইতান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৪৬, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৭৬)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرُونَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرِ، بْنِ شَيْبَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أُمِّ شَرِيكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهَا بِقَتْلِ الأَوْزَاغِ . وَفِي حَدِيثِ ابْنِ أَبِي شَيْبَةَ أَمَرَ .
৫৭৩৫-(১৪২/২২৩৭) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, 'আমর আন নাকিদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ...... উম্মু শারীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কাকলাস মেরে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে (শুধু) নির্দেশ করেছেন রয়েছে, (অর্থাৎ, তাকে শব্দটি নেই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৪৭, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৭৭)
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ، بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جُبَيْرِ بْنِ شَيْبَةَ، أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أُمَّ شَرِيكٍ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا، اسْتَأْمَرَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي قَتْلِ الْوِزْغَانِ فَأَمَرَ بِقَتْلِهَا . وَأُمُّ شَرِيكٍ إِحْدَى نِسَاءِ بَنِي عَامِرِ بْنِ لُؤَىٍّ . اتَّفَقَ لَفْظُ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي خَلَفٍ وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ وَحَدِيثُ ابْنِ وَهْبٍ قَرِيبٌ مِنْهُ .
৫৭৩৬-(১৪৩/...) আবূ তাহির, মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... উম্মু শারীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কাকলাস হত্যা করার বিষয়ে বিধান জানতে চাইলেন, তখন তিনি তাকে তা মেরে ফেলার নির্দেশ দিলেন। উম্মু শারীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হলেন বানু আমির ইবনু লুওয়াই সম্প্রদায়ের জনৈক স্ত্রীলোক। এ হাদীসের রিওয়ায়াতে ইবনু আবূ খালাফ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) এর শব্দ অভিন্ন। আর ইবনু ওয়াহব (রহঃ) (প্রথম সূত্রে) এর বর্ণিত হাদীস (এর শব্দ) এর পাশাপাশি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৪৮, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৭৮)
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِقَتْلِ الْوَزَغِ وَسَمَّاهُ فُوَيْسِقًا .
৫৭৩৭-(১৪৪/২২৩৮) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আমির ইবনু সাদ (রহঃ) এর পিতা সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাকলাস হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাকে ছোট্ট ফাসিক ক্ষুদে দুষ্কৃতিকারী নাম দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৪৯, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৭৯)
وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِلْوَزَغِ " الْفُوَيْسِقُ " . زَادَ حَرْمَلَةُ قَالَتْ وَلَمْ أَسْمَعْهُ أَمَرَ بِقَتْلِهِ .
৫৭৩৮-(১৪৫/২২৩৯) আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাকলাসকে 'ছোট্ট ফাসিক' বলেছেন। হারামালাহ্ (রহঃ) বর্ধিতাকারে বর্ণনা করেন যে, তিনি [আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] বলেছেন যে, (তবে) আমি তাকে তা হত্যা করার আদেশ দিতে শুনিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫০, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮০)
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ قَتَلَ وَزَغَةً فِي أَوَّلِ ضَرْبَةٍ فَلَهُ كَذَا وَكَذَا حَسَنَةً وَمَنْ قَتَلَهَا فِي الضَّرْبَةِ الثَّانِيَةِ فَلَهُ كَذَا وَكَذَا حَسَنَةً لِدُونِ الأُولَى وَإِنْ قَتَلَهَا فِي الضَّرْبَةِ الثَّالِثَةِ فَلَهُ كَذَا وَكَذَا حَسَنَةً لِدُونِ الثَّانِيَةِ " .
৫৭৩৯-(১৪৬/২২৪০) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রথম আঘাতে যে লোক কাকলাস মারবে, তার জন্য রয়েছে এত এত পরিমাণ সাওয়াব। আর যে লোক দ্বিতীয় আঘাতে তাকে হত্যা করবে, তার জন্য এত এত পরিমাণ সাওয়াব, প্রথমবারের চাইতে কম। আর যদি তৃতীয় আঘাতে হত্যা করে ফেলে, তাহলে তার জন্য এত এত পরিমাণ সাওয়াব, তবে দ্বিতীয়বারের থেকে কম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫১, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮১)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ يَعْنِي ابْنَ زَكَرِيَّاءَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، كُلُّهُمْ عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . بِمَعْنَى حَدِيثِ خَالِدٍ عَنْ سُهَيْلٍ إِلاَّ جَرِيرًا وَحْدَهُ فَإِنَّ فِي حَدِيثِهِ " مَنْ قَتَلَ وَزَغًا فِي أَوَّلِ ضَرْبَةٍ كُتِبَتْ لَهُ مِائَةُ حَسَنَةٍ وَفِي الثَّانِيَةِ دُونَ ذَلِكَ وَفِي الثَّالِثَةِ دُونَ ذَلِكَ " .
৫৭৪০-(১৪৭/...) কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ, যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু সাব্বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সুহায়ল (রহঃ) হতে সংকলিত খালিদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মার্থ সম্পন্ন হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু শুধুমাত্র (অনুরূপ সানাদের) বর্ণনাকারী জাবীর (রহঃ) (এর বর্ণনায় ভিন্নতা রয়েছে), তার বর্ণিত হাদীসে আছে, যে লোক প্রথম আঘাতে কাকলাস হত্যা করবে, তার জন্য একশ' সাওয়াব লেখা হয়, আর দ্বিতীয় আঘাতে এর চেয়ে কম আর তৃতীয় আঘাতে তার থেকে কম (সাওয়াব লেখা হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫২, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮২)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ يَعْنِي ابْنَ زَكَرِيَّاءَ، عَنْ سُهَيْلٍ، حَدَّثَتْنِي أُخْتِي، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " فِي أَوَّلِ ضَرْبَةٍ سَبْعِينَ حَسَنَةً " .
৫৭৪১-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু সাব্বাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম আঘাতে (হত্যা করতে পারলে) সত্তরটি সাওয়াব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫৩, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮৩)
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَنَّ نَمْلَةً قَرَصَتْ نَبِيًّا مِنَ الأَنْبِيَاءِ فَأَمَرَ بِقَرْيَةِ النَّمْلِ فَأُحْرِقَتْ فَأَوْحَى اللَّهُ إِلَيْهِ أَفِي أَنْ قَرَصَتْكَ نَمْلَةٌ أَهْلَكْتَ أُمَّةً مِنَ الأُمَمِ تُسَبِّحُ " .
৫৭৪২-(১৪৮/২২৪১) আবূ তাহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, একটি পিপড়া নবীদের কোন নবীকে কামড় দিলে তিনি পিপড়ার বসতি সম্বন্ধে আদেশ দিলেন, ফলে তা জ্বলিয়ে দেয় হলো। সে সময় আল্লাহ তা'আলা তার নিকট এ প্রেক্ষিতে ওয়াহী নাযিল করলেন যে, একটি (মাত্র) পিপড়া তোমাকে কামড় দিল, তাতেই কিনা সমস্ত উম্মাত ও সৃষ্টিকূলের এমন একটি সৃষ্টি জাতিকে জ্বলিয়ে দিলে যারা আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করছিল? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫৪, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮৪)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِزَامِيَّ - عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " نَزَلَ نَبِيٌّ مِنَ الأَنْبِيَاءِ تَحْتَ شَجَرَةٍ فَلَدَغَتْهُ نَمْلَةٌ فَأَمَرَ بِجِهَازِهِ فَأُخْرِجَ مِنْ تَحْتِهَا ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَأُحْرِقَتْ فَأَوْحَى اللَّهُ إِلَيْهِ فَهَلاَّ نَمْلَةً وَاحِدَةً " .
৫৭৪৩-(১৪৯/...) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নবীদের মধ্যে কোন একজন নবী একটি বৃক্ষের নিচে অবস্থান নিলেন, সে সময় একটি পিপড়া তাকে কামড় দিল। তিনি এ ব্যাপারে নির্দেশ করলে তার আসবাবপত্র গাছতলা হতে সরিয়ে ফেলা হলো। তারপর তাদের পিপড়া সম্বন্ধে নির্দেশ দিলে তাদের বাসা জ্বলিয়ে দেয়া হলো। তখন আল্লাহ তা'আলা তার নিকট ওয়াহী প্রেরণ করলেন, এমতাবস্থায় একটি মাত্র (অপরাধী) পিপড়াকে (শাস্তি) দিলেন না কেন? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫৫, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮৫)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " نَزَلَ نَبِيٌّ مِنَ الأَنْبِيَاءِ تَحْتَ شَجَرَةٍ فَلَدَغَتْهُ نَمْلَةٌ فَأَمَرَ بِجِهَازِهِ فَأُخْرِجَ مِنْ تَحْتِهَا وَأَمَرَ بِهَا فَأُحْرِقَتْ فِي النَّارِ - قَالَ - فَأَوْحَى اللَّهُ إِلَيْهِ فَهَلاَّ نَمْلَةً وَاحِدَةً " .
৫৭৪৪-(১৫০/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হলো সেসব হাদীস যা আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এ বলে তিনি কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন, (সেগুলোর একটি হলো) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নবীকূলের একজন নবী একটি বৃক্ষের নিচে অবস্থান করলেন, তখন একটি পিপড়া তাকে কামড় দিল, সে সময় তিনি তার আসবাবপত্র (বের করার) বিষয়ে আদেশ দিলে তা বৃক্ষের নিচ থেকে বের করা হলো এবং তিনি নির্দেশ দিলে পিপড়াগুলো আগুনে জ্বালিয়ে দেয়া হলো। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ তা'আলা তার নিকট ওয়াহী প্রেরণ করলেন, এহেন অবস্থায় একটি মাত্র পিপড়াকে (শাস্তি) দিলেন না কেন? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫৬, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮৬)
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ الضُّبَعِيُّ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " عُذِّبَتِ امْرَأَةٌ فِي هِرَّةٍ سَجَنَتْهَا حَتَّى مَاتَتْ فَدَخَلَتْ فِيهَا النَّارَ لاَ هِيَ أَطْعَمَتْهَا وَسَقَتْهَا إِذْ حَبَسَتْهَا وَلاَ هِيَ تَرَكَتْهَا تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الأَرْضِ " .
৫৭৪৫-(১৫১/২২৪২) আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসমা যুবাঈ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক স্ত্রী লোককে একটি বিড়ালের জন্য আযাব দেয়া হয় এজন্য যে, সে বিড়ালটিকে আটকে রেখেছিল, পরিশেষে সে-টি মারা গেল। যার জন্য সে জাহান্নামে গেল। যে মেয়ে লোকটি বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছে, নিজেও পানাহার করায়নি আর সেটিকে সে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে জমিনের পোকামাকড় খেয়ে বাঁচতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫৭, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮৭)
وَحَدَّثَنِي نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَعَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ مَعْنَاهُ .
৫৭৪৬-(..../...) নাসর ইবনু আলী জাহযামী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোক্ত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫৮, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮৮)
وَحَدَّثَنَاهُ هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ مَعْنِ بْنِ عِيسَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ .
৫৭৪৭-(..../....) হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও আবদুল্লাহ ইবনু জাফার (রহঃ) ... ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ রকম বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৫৯, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৮৯)
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " عُذِّبَتِ امْرَأَةٌ فِي هِرَّةٍ لَمْ تُطْعِمْهَا وَلَمْ تَسْقِهَا وَلَمْ تَتْرُكْهَا تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الأَرْضِ " .
৫৭৪৮-(১৫২/২২৪৩) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একটি মেয়ে লোককে একটি বিড়ালের কারণে শাস্তি দেয়া হয়। সে নিজেও বিড়ালটিকে পানাহার করায়নি এবং তাকে ছেড়েও দেয়নি যাতে করে সে (নিজে) জমিনের পোকা-মাকড় খেতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬০, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৯০)
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا خَالِدُ، بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي حَدِيثِهِمَا " رَبَطَتْهَا " . وَفِي حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ " حَشَرَاتِ الأَرْضِ " .
৫৭৪৯-(..../...) আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে আছে, সে তাকে আটকে রাখল। (এছাড়া প্রথম সানদের) বর্ণনাকারী আবূ মু'আবিয়াহ্ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে আছে, জমিনের কীটপতঙ্গ। (অর্থাৎ-خَشَاشِ শব্দের স্থানেحَشَرَاتِ (অর্থ একই) শব্দ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬১, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৯১)
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ عَبْدٌ أَخْبَرَنَا وَقَالَ ابْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، قَالَ قَالَ الزُّهْرِيُّ وَحَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَى حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ .
৫৭৫০-(..../...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে (পূর্বোল্লিখিত সানাদের) বর্ণনাকারী হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬২, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৯২)
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِهِمْ .
৫৭৫১-(..../...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পূর্ব বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৩, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৯৩)
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، فِيمَا قُرِئَ عَلَيْهِ عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشِي بِطَرِيقٍ اشْتَدَّ عَلَيْهِ الْعَطَشُ فَوَجَدَ بِئْرًا فَنَزَلَ فِيهَا فَشَرِبَ ثُمَّ خَرَجَ فَإِذَا كَلْبٌ يَلْهَثُ يَأْكُلُ الثَّرَى مِنَ الْعَطَشِ فَقَالَ الرَّجُلُ لَقَدْ بَلَغَ هَذَا الْكَلْبَ مِنَ الْعَطَشِ مِثْلُ الَّذِي كَانَ بَلَغَ مِنِّي . فَنَزَلَ الْبِئْرَ فَمَلأَ خُفَّهُ مَاءً ثُمَّ أَمْسَكَهُ بِفِيهِ حَتَّى رَقِيَ فَسَقَى الْكَلْبَ فَشَكَرَ اللَّهُ لَهُ فَغَفَرَ لَهُ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَإِنَّ لَنَا فِي هَذِهِ الْبَهَائِمِ لأَجْرًا فَقَالَ " فِي كُلِّ كَبِدٍ رَطْبَةٍ أَجْرٌ " .
৫৭৫২-(১৫৩/২২৪৪) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জনৈক লোক কোন রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল, এমতাবস্থায় সে খুব তৃষ্ণার্ত হলো। সে একটি কূপ দেখতে পেয়ে তাতে নেমে পড়ল এবং পানি পান করল। তারপর সে বেরিয়ে এলো। সে সময় দেখতে পেল যে, (তৃষ্ণায় কাতর) একটি কুকুর জিভ বের করে হাপাচ্ছে আর মাটি চাটছে। লোকটি (মনে মনে) বলল, কুকুরটিকে আমার মতো তীব্র তৃষ্ণায় পেয়েছে। তখন সে কুয়ায় নামল এবং তার (চামড়ার) মোজায় পানি ভরল। তারপরে সে তার মুখে বন্ধ করে উপরে উঠল এবং কুকুরটিকে পান করাল। মহান আল্লাহ তার (এ আমলের) কদর করলেন এবং তাকে মাফ করে দিলেন। (সাহাবীগণ) প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রসূল! তাহলে কি আমাদের জন্য এসব প্রাণীর ব্যাপারেও (সদাচরণে) সাওয়াব রয়েছে? তিনি বললেন, প্রতিটি তাজা কলিজায় সাওয়াব রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৪, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৯৪)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " أَنَّ امْرَأَةً بَغِيًّا رَأَتْ كَلْبًا فِي يَوْمٍ حَارٍّ يُطِيفُ بِبِئْرٍ قَدْ أَدْلَعَ لِسَانَهُ مِنَ الْعَطَشِ فَنَزَعَتْ لَهُ بِمُوقِهَا فَغُفِرَ لَهَا " .
৫৭৫৩-(১৫৪/২২৪৫) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, এক বেশ্যা নারী কোন এক গরমের দিনে একটি কুকুরকে একটি কুয়ার পাশে ঘুরতে দেখতে পেল। সেটি তৃষ্ণায় তার জিভ বের করে হাপাচ্ছিল। তখন সে তার (চামড়ার) মোজা দ্বারা তার জন্য পানি তুলে আনল এবং পান করাল। অবশেষে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৬৬৫, ইসলামিক সেন্টার ৫৬৯৫)