হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (5901)


وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ بِالْمَدِينَةِ فَزَعٌ فَاسْتَعَارَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَرَسًا لأَبِي طَلْحَةَ يُقَالُ لَهُ مَنْدُوبٌ فَرَكِبَهُ فَقَالَ " مَا رَأَيْنَا مِنْ فَزَعٍ وَإِنْ وَجَدْنَاهُ لَبَحْرًا " .




৫৯০১-(৪৯/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সময় মদীনায় ভয়ের কারণ সৃষ্টি হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ তালহাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর একটি ঘোড়া চেয়ে নিলেন। এটিকে 'মানদূব' বলা হত। তিনি তার উপর সওয়ার হলেন। অতঃপর বললেন, আমি ঘাবড়ানোর কোন কারণ দেখতে পাইনি। আর এ ঘোড়াটিকে সমুদ্রের মতো পেয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০২, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৩৬)









সহীহ মুসলিম (5902)


وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنِيهِ يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي حَدِيثِ ابْنِ جَعْفَرٍ قَالَ فَرَسًا لَنَا . وَلَمْ يَقُلْ لأَبِي طَلْحَةَ . وَفِي حَدِيثِ خَالِدٍ عَنْ قَتَادَةَ سَمِعْتُ أَنَسًا .




৫৯০২-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে উপরোক্ত সূত্রে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেন। ইবনু জাফারের হাদীসে আমাদের ঘোড়ার কথা বলা হয়েছে, আবূ তালহাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কথা বলা হয়নি। কাতাদাহ্ (রহঃ) এর সূত্রে খালিদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, আমি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৩, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৩৭)









সহীহ মুসলিম (5903)


حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ أَبِي مُزَاحِمٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، - يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو عِمْرَانَ، مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ زِيَادٍ - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ النَّاسِ بِالْخَيْرِ وَكَانَ أَجْوَدَ مَا يَكُونُ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ إِنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ كَانَ يَلْقَاهُ فِي كُلِّ سَنَةٍ فِي رَمَضَانَ حَتَّى يَنْسَلِخَ فَيَعْرِضُ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْقُرْآنَ فَإِذَا لَقِيَهُ جِبْرِيلُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنَ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ .




৫৯০৩-(৫০/২৩০৮) মানসূর ইবনু আবূ মুযাহিম ও আবূ ইমরান মুহাম্মাদ ইবনু জাফার ইবনু যিয়াদ (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মাঝে দানশীলতায় সবচেয়ে বেশী অগ্রগামী ছিলেন। তবে রমযান মাসে তিনি আরো অধিক দানশীল হতেন। কারণ জিবরীল (আঃ) প্রতি বছর রমযান মাসে তার সাথে দেখা করতেন। রমযান শেষ হওয়া পর্যন্ত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্মুখে কুরআন পাঠ করে শোনাতেন। যখন জিবরীল (আঃ) তার সাথে দেখা করতেন তখন তিনি বিক্ষিপ্ত বাতাসের চাইতেও বেশি দানশীল হতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৪, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৩৮)









সহীহ মুসলিম (5904)


وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَارَكٍ، عَنْ يُونُسَ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، كِلاَهُمَا عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .




৫৯০৪-(.../...) আবূ কুরায়ব ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৪, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৩৯)









সহীহ মুসলিম (5905)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَبُو الرَّبِيعِ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَشْرَ سِنِينَ وَاللَّهِ مَا قَالَ لِي أُفًّا . قَطُّ وَلاَ قَالَ لِي لِشَىْءٍ لِمَ فَعَلْتَ كَذَا وَهَلاَّ فَعَلْتَ كَذَا زَادَ أَبُو الرَّبِيعِ لَيْسَ مِمَّا يَصْنَعُهُ الْخَادِمُ . وَلَمْ يَذْكُرْ قَوْلَهُ وَاللَّهِ .




৫৯০৫-(৫১/২৩০৯) সাঈদ ইবনু মানসূর ও আবূ রাবী' (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দশ বছর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমত করেছি। আল্লাহর শপথ তিনি কখনো আমাকে 'উহ' শব্দও বলেননি এবং কোন সময় আমাকে 'এটা কেন করলে', 'ওটা কেন করনি তাও বলেননি। আবূ রাবী' (রহঃ) বর্ধিত বলেছেন, 'কোন বিষয় সম্পর্কে যা খাদিমের করা ঠিক নয়' এবং তার রিওয়ায়াতে আল্লাহর শপথের বর্ণনা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৫, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪০)









সহীহ মুসলিম (5906)


وَحَدَّثَنَاهُ شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا سَلاَّمُ بْنُ مِسْكِينٍ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، عَنْ أَنَسٍ، بِمِثْلِهِ .




৫৯০৬-(.../...) শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৬, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪১)









সহীহ মুসলিম (5907)


وَحَدَّثَنَاهُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، جَمِيعًا عَنْ إِسْمَاعِيلَ، - وَاللَّفْظُ لأَحْمَدَ - قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ أَخَذَ أَبُو طَلْحَةَ بِيَدِي فَانْطَلَقَ بِي إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَنَسًا غُلاَمٌ كَيِّسٌ فَلْيَخْدُمْكَ . قَالَ فَخَدَمْتُهُ فِي السَّفَرِ وَالْحَضَرِ وَاللَّهِ مَا قَالَ لِي لِشَىْءٍ صَنَعْتُهُ لِمَ صَنَعْتَ هَذَا هَكَذَا وَلاَ لِشَىْءٍ لَمْ أَصْنَعْهُ لِمَ لَمْ تَصْنَعْ هَذَا هَكَذَا




৫৯০৭-(৫২/...) আহমাদ ইবনু হাম্বাল ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মাদীনায় আসেন তখন আবূ তালহাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হাতে ধরে আমাকে নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত হলেন। অতঃপর বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আনাস অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছেলে, সে আপনার সেবা করবে। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি তার খিদমাত করেছি সফর ও ইকামাত অবস্থায়। আল্লাহর শপথ! আমি যে কোন কাজই করেছি, তিনি আমাকে বলেননি যে, কেন এমনটি করলে? আর যে কোন কাজই আমি করিনি, কেন তুমি এটি করনি, এ রকমও বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৭, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪২)









সহীহ মুসলিম (5908)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، حَدَّثَنِي سَعِيدٌ، - وَهُوَ ابْنُ أَبِي بُرْدَةَ - عَنْ أَنَسٍ، قَالَ خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تِسْعَ سِنِينَ فَمَا أَعْلَمُهُ قَالَ لِي قَطُّ لِمَ فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا وَلاَ عَابَ عَلَىَّ شَيْئًا قَطُّ .




৫৯০৮-(৫৩/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নয় বছর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সেবা করেছি। আমার জানা নেই, তিনি কখনো আমায় বলেছেন, কেন তুমি এ কাজ করলে? এবং কোন ব্যাপারে আমাকে কক্ষনো দোষারোপও করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৮, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪৩)









সহীহ মুসলিম (5909)


حَدَّثَنِي أَبُو مَعْنٍ الرَّقَاشِيُّ، زَيْدُ بْنُ يَزِيدَ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ، - وَهُوَ ابْنُ عَمَّارٍ - قَالَ قَالَ إِسْحَاقُ قَالَ أَنَسٌ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ أَحْسَنِ النَّاسِ خُلُقًا فَأَرْسَلَنِي يَوْمًا لِحَاجَةٍ فَقُلْتُ وَاللَّهِ لاَ أَذْهَبُ . وَفِي نَفْسِي أَنْ أَذْهَبَ لِمَا أَمَرَنِي بِهِ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَخَرَجْتُ حَتَّى أَمُرَّ عَلَى صِبْيَانٍ وَهُمْ يَلْعَبُونَ فِي السُّوقِ فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ قَبَضَ بِقَفَاىَ مِنْ وَرَائِي - قَالَ - فَنَظَرْتُ إِلَيْهِ وَهُوَ يَضْحَكُ فَقَالَ " يَا أُنَيْسُ أَذَهَبْتَ حَيْثُ أَمَرْتُكَ " . قَالَ قُلْتُ نَعَمْ أَنَا أَذْهَبُ يَا رَسُولَ اللَّهِ .




৫৯০৯-(৫৪/২৩১০) আবূ মা'ন রাক্কাশী (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবচেয়ে উত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। একদা তিনি আমাকে একটি কাজে যাওয়ার আদেশ করলেন, তখন আমি বললাম, আল্লাহর শপথ আমি যাব না; কিন্তু আমার মনে এ বিশ্বাস ছিল, যে কাজে আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন আমি সে কাজে যাব। অতঃপর আমি বের হয়ে ছেলেদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তারা বাজারে খেলাধূলায় লিপ্ত ছিল। হঠাৎ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশ্চাৎদকে এসে আমার ঘাড় ধরলেন। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি তার প্রতি দৃষ্টি দিলাম তখন তিনি হাসছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, হে উনায়স! তুমি কি সেখানে গিয়েছিলে যেখানে তোমাকে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলাম? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ! হে আল্লাহর রসূল! অবশ্যই আমি যাচ্ছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৯, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪৪)









সহীহ মুসলিম (5910)


قَالَ أَنَسٌ وَاللَّهِ لَقَدْ خَدَمْتُهُ تِسْعَ سِنِينَ مَا عَلِمْتُهُ قَالَ لِشَىْءٍ صَنَعْتُهُ لِمَ فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا أَوْ لِشَىْءٍ تَرَكْتُهُ هَلاَّ فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا .




৫৯১০-(..../২৩০৯) আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আল্লাহর শপথ আমি নয় বছর তার সেবায় ছিলাম, কিন্তু আমার জানা নেই, কোন কাজ আমি করেছি সে ব্যাপারে বলেননি এরূপ কেন করলে কিংবা কোন কাজ করিনি, সে ব্যাপারে বলেননি, কেন অমুক অমুক কাজ করলে না? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৯, ইসলামিক সেন্টার, নেই)









সহীহ মুসলিম (5911)


وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، وَأَبُو الرَّبِيعِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحْسَنَ النَّاسِ خُلُقًا .




৫৯১১-(৫৫/২৩১০) শাইবান ইবনু ফাররূখ ও আবূ রাবী' (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমস্ত লোকের মাঝে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১০, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪৫)









সহীহ মুসলিম (5912)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ مَا سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا قَطُّ فَقَالَ لاَ .




৫৯১২-(৫৬/২৩১১) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কেউ কিছু কামনা করলে কোন দিন তিনি 'না' বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১১, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪৬)









সহীহ মুসলিম (5913)


وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا الأَشْجَعِيُّ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، - يَعْنِي ابْنَ مَهْدِيٍّ - كِلاَهُمَا عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ، اللَّهِ يَقُولُ مِثْلَهُ سَوَاءً .




৫৯১৩-(.../...) আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদিরের সানাদে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১২, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪৭)









সহীহ মুসলিম (5914)


وَحَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ مَا سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الإِسْلاَمِ شَيْئًا إِلاَّ أَعْطَاهُ - قَالَ - فَجَاءَهُ رَجُلٌ فَأَعْطَاهُ غَنَمًا بَيْنَ جَبَلَيْنِ فَرَجَعَ إِلَى قَوْمِهِ فَقَالَ يَا قَوْمِ أَسْلِمُوا فَإِنَّ مُحَمَّدًا يُعْطِي عَطَاءً لاَ يَخْشَى الْفَاقَةَ .




৫৯১৪-(৫৭/২৩১২) আসিম ইবনু নাযর তাইমী (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ইসলাম গ্রহণ করার পর কেউ কিছু চাইলে তিনি অবশ্যই তা দিয়ে দিতেন। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, জনৈক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলো। তিনি তাকে এত বেশী ছাগল দিলেন যাতে দু' উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। এরপর সে লোক তার গোত্রের নিকট গিয়ে তাদের বলল, হে আমার জাতি ভাইয়েরা! তোমরা ইসলাম কবুল কর। কারণ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভাবের আশঙ্কা না করে দান করতেই থাকেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৩, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪৮)









সহীহ মুসলিম (5915)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم غَنَمًا بَيْنَ جَبَلَيْنِ فَأَعْطَاهُ إِيَّاهُ فَأَتَى قَوْمَهُ فَقَالَ أَىْ قَوْمِ أَسْلِمُوا فَوَاللَّهِ إِنَّ مُحَمَّدًا لَيُعْطِي عَطَاءً مَا يَخَافُ الْفَقْرَ . فَقَالَ أَنَسٌ إِنْ كَانَ الرَّجُلُ لَيُسْلِمُ مَا يُرِيدُ إِلاَّ الدُّنْيَا فَمَا يُسْلِمُ حَتَّى يَكُونَ الإِسْلاَمُ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا عَلَيْهَا .




৫৯১৫-(৫৮/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে দু' পাহাড়ের মাঝামাঝি ছাগলগুলো চাইলে তিনি তাকে তা দিয়ে দিলেন। অতঃপর সে লোক তার গোত্রের নিকট প্রত্যাবর্তন শেষে বলল, হে আমার জাতি ভাইয়েরা! তোমরা ইসলাম কবুল কর। আল্লাহর শপথ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভাবের আশঙ্কা না করে দান করেন। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যদিও মানুষ শুধু ইহকালের উদ্দেশেই ইসলাম গ্রহণ করে তবুও ইসলাম গ্রহণ করতে না করতেই ইসলাম তার কাছে পৃথিবী এবং পৃথিবীর সকল প্রাচুর্যের চাইতে অধিকতর প্রিয় হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৪, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৪৯)









সহীহ মুসলিম (5916)


وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ غَزَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَزْوَةَ الْفَتْحِ فَتْحِ مَكَّةَ ثُمَّ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَنْ مَعَهُ مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَاقْتَتَلُوا بِحُنَيْنٍ فَنَصَرَ اللَّهُ دِينَهُ وَالْمُسْلِمِينَ وَأَعْطَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَئِذٍ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ مِائَةً مِنَ النَّعَمِ ثُمَّ مِائَةً ثُمَّ مِائَةً . قَالَ ابْنُ شِهَابٍ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَنَّ صَفْوَانَ قَالَ وَاللَّهِ لَقَدْ أَعْطَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا أَعْطَانِي وَإِنَّهُ لأَبْغَضُ النَّاسِ إِلَىَّ فَمَا بَرِحَ يُعْطِينِي حَتَّى إِنَّهُ لأَحَبُّ النَّاسِ إِلَىَّ .




৫৯১৬-(৫৯/২৩১৩) আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ্ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ্ বিজয়ের যুদ্ধ করেন। এরপর তার সাথে যে সব মুসলিম ছিলেন তাদের নিয়ে তিনি বের হন। আর তারা সবাই হুনায়নের যুদ্ধ করেন। এ যুদ্ধে মহান আল্লাহ তা'আলা তার দীনের এবং মুসলিমদের সাহায্য করেন। সেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফওয়ান ইবনু উমাইয়াহকে একশ' উট দান করেন। এরপর একশ' উট, পুনরায় আরও একশ' উট প্রদান করেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, সাফওয়ান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আল্লাহর শপথ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দান করলেন এবং এমন পরিমাণে আমাকে দান করলেন যে, তিনি আমার কাছে সবচেয়ে নিম্নপ্রকৃতির লোক ছিলেন। অতঃপর তিনি আমাকে অবিরাম দান করতে থাকলেন এমনকি আমার নিকটে সবচেয়ে পছন্দের লোক হয়ে গেলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৫, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৫০)









সহীহ মুসলিম (5917)


حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ، بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، وَعَنْ عَمْرٍو، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ عَلِيٍّ عَنْ جَابِرٍ، أَحَدُهُمَا يَزِيدُ عَلَى الآخَرِ ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ قَالَ سُفْيَانُ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْمُنْكَدِرِ، يَقُولُ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سُفْيَانُ وَسَمِعْتُ أَيْضًا، عَمْرَو بْنَ دِينَارٍ يُحَدِّثُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَزَادَ، أَحَدُهُمَا عَلَى الآخَرِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ قَدْ جَاءَنَا مَالُ الْبَحْرَيْنِ لَقَدْ أَعْطَيْتُكَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا " . وَقَالَ بِيَدَيْهِ جَمِيعًا فَقُبِضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَبْلَ أَنْ يَجِيءَ مَالُ الْبَحْرَيْنِ فَقَدِمَ عَلَى أَبِي بَكْرٍ بَعْدَهُ فَأَمَرَ مُنَادِيًا فَنَادَى مَنْ كَانَتْ لَهُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عِدَةٌ أَوْ دَيْنٌ فَلْيَأْتِ . فَقُمْتُ فَقُلْتُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْ قَدْ جَاءَنَا مَالُ الْبَحْرَيْنِ أَعْطَيْتُكَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا " . فَحَثَى أَبُو بَكْرٍ مَرَّةً ثُمَّ قَالَ لِي عُدَّهَا . فَعَدَدْتُهَا فَإِذَا هِيَ خَمْسُمِائَةٍ فَقَالَ خُذْ مِثْلَيْهَا .




৫৯১৭-(৬০/২৩১৪) আমর আন নাকিদ, ইসহাক ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমাদের নিকট যদি বাহরাইন হতে মাল আসে তাহলে তোমাকে এই, এই, এই পরিমাণ দিব এবং তিনি উভয় হাত একত্র করলেন। এরপর বাহরাইন থেকে মাল আসার আগেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরলোক গমন করেন। তারপর আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে বাহরাইন হতে মাল আসে। তিনি একজন ঘোষককে এ মর্মে ঘোষণা দেয়ার আদেশ দিলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর যার কিছু ওয়াদা অথবা ঋণ রয়েছে সে যেন (আমার) নিকট আসে। তখন আমি দাঁড়িয়ে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছিলেন যে, বাহরাইন থেকে যদি আমাদের কাছে মাল আসে তবে তোমাকে এই, এই, এই পরিমাণ দিব। এ কথা শুনে আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এক অঞ্জলি উঠালেন এবং বললেন, গুনে দেখো। আমি তা গুনে দেখলাম তাতে পাঁচশ' আছে। অতঃপর তিনি বললেন, এর চেয়ে আরো দ্বিগুণ তুমি নিয়ে নাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৬, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৫১)









সহীহ মুসলিম (5918)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ لَمَّا مَاتَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم جَاءَ أَبَا بَكْرٍ مَالٌ مِنْ قِبَلِ الْعَلاَءِ بْنِ الْحَضْرَمِيِّ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ مَنْ كَانَ لَهُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم دَيْنٌ أَوْ كَانَتْ لَهُ قِبَلَهُ عِدَةٌ فَلْيَأْتِنَا . بِنَحْوِ حَدِيثِ ابْنِ عُيَيْنَةَ .




৫৯১৮-(৬১/...) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমুন (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন এবং আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট আলা ইবনু হাযরামীর তরফ হতে মাল আসলো। তখন আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ঘোষণা দিলেন, যার জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ঋণ রয়েছে কিংবা তার তরফ হতে কোন ওয়া'দা রয়েছে, সে যেন আমার কাছে চলে আসে। অবশিষ্টাংশ হাদীস ইবনু উয়াইনার অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৭, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৫২)









সহীহ মুসলিম (5919)


حَدَّثَنَا هَدَّابُ بْنُ خَالِدٍ، وَشَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، كِلاَهُمَا عَنْ سُلَيْمَانَ، - وَاللَّفْظُ لِشَيْبَانَ - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وُلِدَ لِيَ اللَّيْلَةَ غُلاَمٌ فَسَمَّيْتُهُ بِاسْمِ أَبِي إِبْرَاهِيمَ " . ثُمَّ دَفَعَهُ إِلَى أُمِّ سَيْفٍ امْرَأَةِ قَيْنٍ يُقَالُ لَهُ أَبُو سَيْفٍ فَانْطَلَقَ يَأْتِيهِ وَاتَّبَعْتُهُ فَانْتَهَيْنَا إِلَى أَبِي سَيْفٍ وَهُوَ يَنْفُخُ بِكِيرِهِ قَدِ امْتَلأَ الْبَيْتُ دُخَانًا فَأَسْرَعْتُ الْمَشْىَ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا أَبَا سَيْفٍ أَمْسِكْ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَأَمْسَكَ فَدَعَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِالصَّبِيِّ فَضَمَّهُ إِلَيْهِ وَقَالَ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ . فَقَالَ أَنَسٌ لَقَدْ رَأَيْتُهُ وَهُوَ يَكِيدُ بِنَفْسِهِ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَدَمَعَتْ عَيْنَا رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " تَدْمَعُ الْعَيْنُ وَيَحْزَنُ الْقَلْبُ وَلاَ نَقُولُ إِلاَّ مَا يَرْضَى رَبُّنَا وَاللَّهِ يَا إِبْرَاهِيمُ إِنَّا بِكَ لَمَحْزُونُونَ " .




৫৯১৯-(৬২/২৩১৫) হাদ্দাব ইবনু খালিদ ও শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাত্রে আমার একটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়, আমি তার নাম আমার পিতা ইব্রাহীম (আঃ) এর নামে রাখি। এরপর তিনি উম্মু সায়ফ নামক একজন মহিলাকে ঐ সন্তানটি দিলেন। তিনি একজন কর্মকারের সহধর্মিণী। কর্মকারের নাম আবূ সায়ফ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আবূ সায়ফ এর নিকট যাচ্ছিলেন আর আমিও তার সঙ্গে যাচ্ছিলাম। যখন আমরা আবূ সায়ফের গৃহে উপস্থিত হই তখন সে তার হাপর বা ফুকনীতে ফুঁক দিচ্ছিল, সারা গৃহ ধুয়ায় ভরপুর ছিল। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগে দৌড়ে গিয়ে আবূ সায়ফকে বললাম, তুমি একটু থামো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসছেন। সে থামলো। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছেলেকে ডাকলেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করলেন এবং যা আল্লাহর ইচ্ছা রয়েছে তা বললেন।

আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি এ ছেলেকে দেখলাম, সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে বড় বড় শ্বাস ফেলছিল। তা দেখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু' নয়ন অশ্রু ভিজে গেল। আর তিনি বললেনঃ চোখ কাঁদছে, মন কাতর হচ্ছে, মুখে আমরা তাই বলব রব্বুল আলামীন যা পছন্দ করেন। হে ইবরাহীম! আল্লাহর শপথ! আমরা তোমার জন্য খুবই ব্যথিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৮, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৫৩)









সহীহ মুসলিম (5920)


حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ عُلَيَّةَ - عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ مَا رَأَيْتُ أَحَدًا كَانَ أَرْحَمَ بِالْعِيَالِ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - كَانَ إِبْرَاهِيمُ مُسْتَرْضِعًا لَهُ فِي عَوَالِي الْمَدِينَةِ فَكَانَ يَنْطَلِقُ وَنَحْنُ مَعَهُ فَيَدْخُلُ الْبَيْتَ وَإِنَّهُ لَيُدَّخَنُ وَكَانَ ظِئْرُهُ قَيْنًا فَيَأْخُذُهُ فَيُقَبِّلُهُ ثُمَّ يَرْجِعُ . قَالَ عَمْرٌو فَلَمَّا تُوُفِّيَ إِبْرَاهِيمُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ إِبْرَاهِيمَ ابْنِي وَإِنَّهُ مَاتَ فِي الثَّدْىِ وَإِنَّ لَهُ لَظِئْرَيْنِ تُكَمِّلاَنِ رَضَاعَهُ فِي الْجَنَّةِ " .




৫৯২০-(৬৩/২৩১৬) যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাইতে শিশুদের প্রতি বেশী দয়াশীল আর কাউকে আমি দেখিনি। তিনি বলেন, (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ছেলে) ইবরাহীম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মদীনার গ্রামাঞ্চলে দুধ পান করতেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখার জন্য সেখানে যেতেন আর আমরাও তার সাথে যেতাম। তিনি দাইয়ের গৃহে ঢুকতেন, আর সেখানে ধুয়ায় আচ্ছন্ন থাকত। কেননা, তার দুধপিতা কর্মকার (কামার) ছিল। তিনি ছেলেকে কোলে তুলে চুমু খেতেন। পরে তিনি প্রত্যাবর্তন করতেন। আমর ইবনু সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যখন ইবরাহীম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মৃত্যুবরণ করেন তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ইবরাহীম আমার পুত্র, দুধ পান করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। তার জন্য দুধপিতা ও দুধমাতা রয়েছে, যারা জান্নাতে তাকে দুধ পান করার সময়-সীমা পর্যন্ত দুধ পান করাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৯, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৫৪)

আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি এ ছেলেকে দেখলাম, সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে বড় বড় শ্বাস ফেলছিল। তা দেখে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু' নয়ন অশ্রু ভিজে গেল। আর তিনি বললেনঃ চোখ কাঁদছে, মন কাতর হচ্ছে, মুখে আমরা তাই বলব রববুল আলামীন যা পছন্দ করেন। হে ইবরাহীম! আল্লাহর শপথ! আমরা তোমার জন্য খুবই ব্যথিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮১৮, ইসলামিক সেন্টার ৫৮৫৩)