হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (721)


وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - وَهُوَ ابْنُ الْحَارِثِ - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ كَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنَامُونَ ثُمَّ يُصَلُّونَ وَلاَ يَتَوَضَّئُونَ قَالَ قُلْتُ سَمِعْتَهُ مِنْ أَنَسٍ قَالَ إِي وَاللَّهِ .




৭২১-(১২৫/...) ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবাগণ ঘুমিয়ে যেতেন তারপর সালাত আদায় করতেন কিন্তু ওযু করতেন না। বর্ণনাকারী শুবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি কাতাদাহকে বললাম "আপনি কি নিজে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছ থেকে শুনেছেন"? তিনি বললেন, "হ্যাঁ, আল্লাহর কসম!" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭১৯, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৩৪)









সহীহ মুসলিম (722)


حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ صَخْرٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا حَبَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّهُ قَالَ أُقِيمَتْ صَلاَةُ الْعِشَاءِ فَقَالَ رَجُلٌ لِي حَاجَةٌ . فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُنَاجِيهِ حَتَّى نَامَ الْقَوْمُ - أَوْ بَعْضُ الْقَوْمِ - ثُمَّ صَلَّوْا .




৭২২-(১২৬/...) আহমাদ ইবনু সাঈদ ইবনু সাখর আদ দারিমী (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদা) ইশার জামা'আত দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। তখন এক লোক বলল, আমার কিছু প্রয়োজন আছে। পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে তার সাথে আলাপ করতে লাগলেন। তিনি এতক্ষণ ধরে আলাপ করলেন যে, উপস্থিত সকলেই অথবা কিছু লোক ঘুমিয়ে পড়ল (বসে বসে)। তারপর তারা সালাত আদায় করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২০, ইসলামিক সেন্টার, ৭৩৫)









সহীহ মুসলিম (723)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ الْمُسْلِمُونَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ يَجْتَمِعُونَ فَيَتَحَيَّنُونَ الصَّلَوَاتِ وَلَيْسَ يُنَادِي بِهَا أَحَدٌ فَتَكَلَّمُوا يَوْمًا فِي ذَلِكَ فَقَالَ بَعْضُهُمُ اتَّخِذُوا نَاقُوسًا مِثْلَ نَاقُوسِ النَّصَارَى وَقَالَ بَعْضُهُمْ قَرْنًا مِثْلَ قَرْنِ الْيَهُودِ فَقَالَ عُمَرُ أَوَلاَ تَبْعَثُونَ رَجُلاً يُنَادِي بِالصَّلاَةِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا بِلاَلُ قُمْ فَنَادِ بِالصَّلاَةِ " .




৭২৩-(১/৩৭৭) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসলিমরা মদীনায় আসার পর একত্রিত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করতেন। এজন্যে কেউ আযান দিত না। একদিন ব্যাপারটি নিয়ে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করল। তাদের একজন বলল, নাসারাদের নাকুসের অনুরূপ একটি নাকুস (ঘন্টা) ব্যবহার কর। তাদের অপরজন বলল, ইয়াহুদীদের শিঙ্গার অনুরূপ একটি শিঙ্গা ব্যবহার কর। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমরা সালাতের জন্যে ডাকতে একটি লোক পাঠাও না কেন? রাসূলুল্লাহ বললেন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হে বিলাল! উঠো এবং সালাতের জন্যে ডাক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২১, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৩৬)









সহীহ মুসলিম (724)


حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، جَمِيعًا عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ أُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ، الأَذَانَ وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ . زَادَ يَحْيَى فِي حَدِيثِهِ عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ فَحَدَّثْتُ بِهِ أَيُّوبَ فَقَالَ إِلاَّ الإِقَامَةَ .




৭২৪-(২/৩৭৮) খালাফ ইবনু হিশাম ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে আযানের শব্দ জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাতের শব্দ বেজোড় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইয়াহইয়া তার বর্ণনায় ইবনু উলাইয়্যাহ এর সূত্রে বলেছেন, তিনি আইয়ূব এর কাছে এ হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেন, কিন্তু 'কাদকা- মাতিস্ সলা-হ' শব্দটি ব্যতীত (এটি দু'বার বলবে) বাকী শব্দগুলো একবার করে বলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২২, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৩৭)









সহীহ মুসলিম (725)


وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ ذَكَرُوا أَنْ يُعْلِمُوا، وَقْتَ الصَّلاَةِ بِشَىْءٍ يَعْرِفُونَهُ فَذَكَرُوا أَنْ يُنَوِّرُوا نَارًا أَوْ يَضْرِبُوا نَاقُوسًا فَأُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ الأَذَانَ وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ .




৭২৫-(৩/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (লোকেদের) সালাতের সময় জানানোর উদ্দেশে একটা কিছু নির্দিষ্ট করার জন্যে সাহাবাগণ পরস্পর আলোচনা করলেন। তারা বললেন, আগুন জ্বালানো হোক অথবা নাকুস (ঘণ্টা) বাজানো হোক। বিলালকে আযানের শব্দগুলো দু'বার এবং ইকামাতের শব্দগুলো একবার করে উচ্চারণ করার নির্দেশ দেয়া হল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৩, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৩৮)









সহীহ মুসলিম (726)


وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ لَمَّا كَثُرَ النَّاسُ ذَكَرُوا أَنْ يُعْلِمُوا . بِمِثْلِ حَدِيثِ الثَّقَفِيِّ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ أَنْ يُورُوا نَارًا .




৭২৬-(৪/...) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... খালিদ আল হাযযা হতে উল্লেখিত সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, যখন লোকসংখ্যা বেড়ে গেল, সাহাবাগণ সালাতের সময় জানানোর একটি উপায় খুঁজে বের করার জন্যে পরস্পর আলোচনা করলেন ..... অতঃপর সাকাকী-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। এ বর্ণনায় أَنْ يُنَوِّرُوا نَارًا শব্দের পরিবর্তেأَنْ يُورُوا نَارًا শব্দের উল্লেখ করা হয়েছে। (অর্থাৎ "আগুন জ্বালানো হোক" উভয় শব্দের অর্থ একই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৩৯)









সহীহ মুসলিম (727)


وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ أُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ، الأَذَانَ وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ .




৭২৭-(৫/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে আযান জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাত বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪০)









সহীহ মুসলিম (728)


حَدَّثَنِي أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، مَالِكُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَبُو غَسَّانَ حَدَّثَنَا مُعَاذٌ، وَقَالَ، إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، صَاحِبِ الدَّسْتَوَائِيِّ وَحَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَامِرٍ الأَحْوَلِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَّمَهُ هَذَا الأَذَانَ " اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ - ثُمَّ يَعُودُ فَيَقُولُ - أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ - مَرَّتَيْنِ - حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ - مَرَّتَيْنِ " . زَادَ إِسْحَاقُ " اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ " .




৭২৮-(৬/৩৭৯) আবূ গাসসান আল মিসমাঈ, মালিক ইবনু আবদুল ওয়াহিদ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ মাহযুরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে এ আযান শিক্ষা দিয়েছেনঃ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান)। পাঠে (চারবার)। "আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই), "আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই)। "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল), "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল)। আবার তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ "আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ", "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ-" দু'বার। "হাইয়্যা আলাস সলা-হ" (সালাতের জন্যে এসো) দু'বার। "হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ" (কল্যাণের জন্যে এসো) দু'বার। ইসহাক তার বর্ণনায় আরো দুটি বাক্য উল্লেখ করেছেন, "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" এবং "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪১)









সহীহ মুসলিম (729)


حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُؤَذِّنَانِ بِلاَلٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ الأَعْمَى .




৭২৯-(৭/৩৮০) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দু'জন মুওয়াযযিন ছিলঃ বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং অন্ধ আবদুল্লাহ ইবনু উম্মু মাকতুম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৭, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪২)









সহীহ মুসলিম (730)


وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ، عَنْ عَائِشَةَ، مِثْلَهُ .




৭৩০-(.../...) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ... আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকেও (উপরের হাদীসের) অবিকল বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৮, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৩)









সহীহ মুসলিম (731)


حَدَّثَنِي أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ مَخْلَدٍ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ يُؤَذِّنُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ أَعْمَى .




৭৩১-(৮/৩৮১) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু মাকতুম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মতিতে আযান দিতেন। তখন তিনি ছিলেন অন্ধ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭২৯, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৪)।









সহীহ মুসলিম (732)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَسَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ هِشَامٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .




৭৩২-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ আল মুরাদী (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) এর উল্লিখিত সনদ পরম্পরায় হিশাম থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩০, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৫)









সহীহ মুসলিম (733)


وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُغِيرُ إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ وَكَانَ يَسْتَمِعُ الأَذَانَ فَإِنْ سَمِعَ أَذَانًا أَمْسَكَ وَإِلاَّ أَغَارَ فَسَمِعَ رَجُلاً يَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " عَلَى الْفِطْرَةِ " . ثُمَّ قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خَرَجْتَ مِنَ النَّارِ " . فَنَظَرُوا فَإِذَا هُوَ رَاعِي مِعْزًى .




৭৩৩-(৯/৩৮২) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রভাতে শক্রর উপর আক্রমণ করতেন। তিনি আযানের শব্দ শুনার জন্যে কান পেতে অপেক্ষায় থাকতেন। তিনি আযান শুনতে পেলে আক্রমণ থেকে বিরত থাকতেন, অন্যথায় আক্রমণ করতেন। তিনি এক ব্যক্তিকে "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার" বলতে শুনেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ এ ব্যক্তি মুসলিম। সে পুনরায় বলল, "আশহাদু আল লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তুমি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেলে। অতঃপর লোকটির দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে দেখলেন, সে মেষপালের রাখাল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩১, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৬)









সহীহ মুসলিম (734)


حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ " .




৭৩৪-(১০/৩৮৩) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুওয়াযযিন যা বলে তোমরা তাই-ই বল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩২, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৭)









সহীহ মুসলিম (735)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ حَيْوَةَ، وَسَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، وَغَيْرِهِمَا، عَنْ كَعْبِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِذَا سَمِعْتُمُ الْمُؤَذِّنَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ ثُمَّ صَلُّوا عَلَىَّ فَإِنَّهُ مَنْ صَلَّى عَلَىَّ صَلاَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا ثُمَّ سَلُوا اللَّهَ لِيَ الْوَسِيلَةَ فَإِنَّهَا مَنْزِلَةٌ فِي الْجَنَّةِ لاَ تَنْبَغِي إِلاَّ لِعَبْدٍ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ وَأَرْجُو أَنْ أَكُونَ أَنَا هُوَ فَمَنْ سَأَلَ لِيَ الْوَسِيلَةَ حَلَّتْ لَهُ الشَّفَاعَةُ " .




৭৩৫-(১১/৩৮৪) মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ্ আল মুরাদী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর ইবনুল আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ তোমরা যখন মুওয়াযযিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। কেননা, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা'আলা এর বিনিময়ে তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন। অতঃপর আমার জন্যে আল্লাহর কাছে ওয়াসীলাহ প্রার্থনা কর। কেননা, ওয়াসীলাহ জান্নাতের একটি সম্মানজনক স্থান। এটা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজনকেই দেয়া হবে। আমি আশা করি, আমিই হব সে বান্দা। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আমার জন্যে ওয়াসীলাহ প্রার্থনা করবে তার জন্যে (আমার) শাফাআত ওয়াজিব হয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৩, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৮)









সহীহ মুসলিম (736)


حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ جَهْضَمٍ الثَّقَفِيُّ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسَافٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ . فَقَالَ أَحَدُكُمُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ . ثُمَّ قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ثُمَّ قَالَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ . قَالَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ . ثُمَّ قَالَ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ . قَالَ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ . ثُمَّ قَالَ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ . قَالَ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ . ثُمَّ قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ . قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ . ثُمَّ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ . مِنْ قَلْبِهِ دَخَلَ الْجَنَّةَ " .




৭৩৬-(১২/৩৮৫) ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুওয়াযযিন যখন "আল্লাহু আকবার, আল্লা-হু আকবার" বলে তখন তোমাদের কোন ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে তার জবাবে বলেঃ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার"। যখন মুওয়াযযিন বলে "আশহাদু আল লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" এর জবাবে সেও বলেঃ "আশহাদু আল লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। অতঃপর মুওয়াযযিন বলেঃ "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রসূলুল্ল-হ" এর জবাবে সে বলেঃ "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রসূলুল্ল-হ"। অতঃপর মুওয়াযযিন বলেঃ "হাইয়্যা আলাস সলা-হ" এর জবাবে সে বলেঃ "লা-হাওলা ওয়ালা- কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ"। অতঃপর মুওয়াযযিন বলেঃ "হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ" এর জবাবে সে বলেঃ "লা- হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ"। অতঃপর মুওয়াৰ্যযিন বলেঃ "আল্লা-হু আকবার, আল্লাহু আকবার" এর জবাবে সে বলেঃ "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার"। অতঃপর মুওয়াযযিন বলেঃ "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ" এর জবাবে সে বলেঃ "লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ"। আযানের এ জবাব দেয়ার কারণে সে বেহেশতে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৪, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৪৯)









সহীহ মুসলিম (737)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ الْحُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ الْقُرَشِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ الْحُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ الْمُؤَذِّنَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا . غُفِرَ لَهُ ذَنْبُهُ " . قَالَ ابْنُ رُمْحٍ فِي رِوَايَتِهِ " مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ الْمُؤَذِّنَ وَأَنَا أَشْهَدُ " . وَلَمْ يَذْكُرْ قُتَيْبَةُ قَوْلَهُ وَأَنَا .




৭৩৭-(১৩/৩৮৬) মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ মুওয়াযযিনের আযান শুনে যে ব্যক্তি বলে, "আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু, লা- শারীকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু, ওয়া রাসূলুহু, রাযীতু বিল্লা-হি রব্বান ওয়াবি মুহাম্মাদিন রসূলান ওয়াবিল ইসলামী দীনন" তার গুনাহ মাফ করা হবে। কুতাইবাহ তার হাদীসে وَأَنَا শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৫, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৫০)









সহীহ মুসলিম (738)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ فَجَاءَهُ الْمُؤَذِّنُ يَدْعُوهُ إِلَى الصَّلاَةِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الْمُؤَذِّنُونَ أَطْوَلُ النَّاسِ أَعْنَاقًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ "




৭৩৮-(১৪/৩৮৭) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... তালহাহ ইবনু ইয়াহইয়া তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফইয়ান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় মুওয়াযযিন তাকে সালাতের জন্য ডাকতে আসল। মু'আবিয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন মুওয়াযযিনদের গর্দান সবচেয়ে বেশি উচু হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৬, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৫১)









সহীহ মুসলিম (739)


وَحَدَّثَنِيهِ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، قَالَ سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ




৭৩৯-(.../...) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... ঈসা ইবনু তালহাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুআবিয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোক্ত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৭, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৫১)









সহীহ মুসলিম (740)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ الشَّيْطَانَ إِذَا سَمِعَ النِّدَاءَ بِالصَّلاَةِ ذَهَبَ حَتَّى يَكُونَ مَكَانَ الرَّوْحَاءِ " . قَالَ سُلَيْمَانُ فَسَأَلْتُهُ عَنِ الرَّوْحَاءِ . فَقَالَ هِيَ مِنَ الْمَدِينَةِ سِتَّةٌ وَثَلاَثُونَ مِيلاً .




৭৪০-(১৫/৩৮৮) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ শয়তান সালাতের আযানের শব্দ শুনে পালাতে পালাতে রাওহা পর্যন্ত চলে যায়।

সুলাইমান (আমাশ) বলেন, আমি তাকে (আবূ সুফইয়ানকে) রাওহা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এ স্থানটি মদীনা থেকে ছত্রিশ মাইল দূরে অবস্থিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৩৮, ইসলামিক সেন্টারঃ ৭৫২)