আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান
133 - حديث أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَقُولُ اللهُ: يَا آدَمُ فَيَقُولُ: لَبَّيْكَ وَسَعْدَيكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ قَالَ: يَقُولُ: أَخْرِجْ بَعْثَ النَّارِ، قَالَ: وَمَا بَعثُ النَّارِ قَالَ: مِنْ كُ
كتاب الطهارة
وجوب الطهارة للصلاة
133. আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা ডেকে বলবেন, হে আদম! তিনি বলবেন, আমি তোমার খিদমতে হাযির। সমগ্র কল্যাণ তোমারই হাতে। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বলবেন, জাহান্নামীদের (জাহান্নামে দেয়ার জন্য) বের কর। আদম (‘আঃ) আরয করবেন, কী পরিমাণ জাহান্নামী বের করব? আল্লাহ্ তা‘আলা বলবেন, প্রতি এক হাজারে নয়শ’ নিরানব্বই জন। বস্তুত এটা হবে ঐ সময়, যখন (কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থা দর্শনে) বাচ্চা বৃদ্ধ হয়ে যাবে। (আয়াতঃ) আর গর্ভবতীরা গর্ভপাত করে ফেলবে; মানুষকে দেখবে মাতাল সদৃশ যদিও তারা নেশাগ্রস্ত নয়। বস্তুত আল্লাহর শাস্তি কঠিন- (সূরাহ হাজ্জ 22/2)।
এটা সহাবাগণের কাছে বড় কঠিন মনে হল। তখন তাঁরা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্য থেকে সেই লোকটি কে হবেন? তিনি বললেনঃ তোমরা এই মর্মে সুসংবাদ গ্রহণ কর যে ইয়ায়ুয ও মাযূয থেকে এক হাজার আর তোমাদের মাঝ থেকে হবে একজন। এরপর তিনি বললেনঃ শপথ ঐ মহান সত্তার, যাঁর হাতের মুঠোয় আমার জান। আমি আকাঙ্ক্ষা রাখি যে তোমরা জান্নাতীদের এক-তৃতীয়াংশ হয়ে যাও। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা ‘আল হামদুলিল্লাহ্’ ও ‘আল্লাহু আকবার’ বললাম। তিনি আবার বললেনঃ শপথ ঐ মহান সত্তার, যাঁর হাতে আমার জান। আমি অবশ্যই আশা করি যে তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হয়ে যাও। অন্য সব উম্মাতের মাঝে তোমাদের তুলনা হচ্ছে কাল ষাঁড়ের চামড়ার মাঝে সাদা চুল বিশেষ। অথবা সাদা চিহ্ন, যা গাধার সামনের পায়ে হয়ে থাকে।