مشكاة المصابيح
Mishkatul Masabih
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: خَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ حَتَّى جَلَسَ عَلَى الْمِنْبَرَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: «أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ النَّاسَ يَكْثُرُونَ وَيَقِلُّ الْأَنْصَارُ حَتَّى يَكُونُوا فِي النَّاسِ بِمَنْزِلَةِ الْمِلْحِ فِي الطَّعَامِ فَمَنْ وَلِيَ مِنْكُمْ شَيْئًا يَضُرُّ فِيهِ قَوْمًا وَيَنْفَعُ فِيهِ آخَرين فليقبل عَن محسنهم وليتجاوز عَن مسيئهم» رَوَاهُ البُخَارِيّ
অনুবাদঃ ৬২২২-[২৭] ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে অসুস্থতায় নবী (সা.) মৃত্যুবরণ করেছেন, সে পীড়ার সময় তিনি একদিন ঘর হতে বের হয়ে এসে (মসজিদের) মিম্বারে বসলেন। অতঃপর আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা ও তার গুণাবলি বর্ণনা করলেন। তারপর বললেন, আম্মা বা’দ (হে লোকসকল! শোন! মুমিন) লোকেদের সংখ্যা বাড়তে থাকবে আর আনসারদের সংখ্যা কমতে থাকবে। পরিশেষে তাঁরা খাদ্যের মধ্যকার লবণতুল্য হয়ে দাঁড়াবে। অতএব, তোমাদের কেউ যদি কোন ক্ষমতার অধিকারী হয়, যার ফলে সে (ইচ্ছা করলে) কোন গোত্রের ক্ষতিও করতে পারে কিংবা উপকারও করতে পারে, তার উচিত হবে যেন সে আনসারদের ভালো লোকেদের (সৎকর্মকে) সাদরে গ্রহণ করে এবং তাদের মন্দ লোকেদের (অন্যায় আচরণকে) ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3628)