হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (2861)


عَنْ جَابِرٍ قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنِ الثُّنْيَا إِلَّا أنْ يُعلمَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




২৮৬১-[২৮] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি, বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন বিক্রি হওয়া দ্রব্য হতে অনির্দিষ্ট পরিমাণ কিয়দংশ বাদ রেখে ক্রয়-বিক্রয় করতে। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ বাদ রেখে বিক্রি করলে তা জায়িয। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (1290 وقال: حسن صحیح غریب)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2862)


وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعِ الْعِنَبِ حَتَّى يَسْوَدَّ وَعَنْ بَيْعِ الْحَبِّ حَتَّى يَشْتَدَّ هَكَذَا. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ عَنْ أَنَسٍ. وَالزِّيَادَة الَّتِي فِي المصابيح وَهُوَ قولُه: نهى عَن بيْعِ التَمْرِ حَتَّى تزهوَ إِنَّما ثبتَ فِي رِوَايَتِهِمَا: عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: نَهَى عَنْ بَيْعِ النَّخْلِ حَتَّى تَزْهُوَ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيث حسن غَرِيب




২৮৬২-[২৯] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কালো না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত আঙ্গুর ও হৃষ্টপুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত শস্যজাত দ্রব্য বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ; আর তারা উভয়ে এক বর্ণনায় আনাস হতে বর্ণনা করেছেন)
মাসাবীহ সংকলক অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন যে, ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লাল বা হলুদ আকার ধারণ না করা পর্যন্ত খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, হাদীসটি হাসান গরীব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (1228) و أبو داود (3371) [و ابن ماجہ:، 2217] ٭ حمید الطویل مدلس و عنعن .و ذکرہ البغوي في مصابیح السنۃ (الزیادۃ، الأولی 330/2 ح 2095) [و رواہ البخاري (2195) ومسلم (1555/15) الروایۃ الثانیۃ، عن ابن عمر] و رواہ البخاري (2247، 2248) و مسلم (1535/50) تعدیلات * : سندہ، صحیح، رواہ الترمذي (1228) و أبو داود (3371) [و ابن ماجہ: 2217] ٭ و ذکرہ، البغوي في مصابیح السنۃ (الزیادۃ الأولی 330/2 ح 2095) [و رواہ البخاري (2195)، ومسلم (1555/15) الروایۃ الثانیۃ عن ابن عمر] و رواہ البخاري (2247، 2248) و مسلم، (1535/50)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2863)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم نهى عَن بيع الكالئ بالكالئ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيّ




২৮৬৩-[৩০] ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋণের বিনিময়ে ঋণ ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (দারাকুত্বনী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الدارقطني (71/3۔ 72) [والبیھقي 290/5] ٭ فیہ، موسی بن عقبۃ (!) وھو خطأ و الصواب أبو عبد العزیز موسی بن عبیدۃ الربذي (وھو، ضعیف .)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2864)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعِ الْعُرْبَانِ. رَوَاهُ مَالِكٌ وَأَبُو دَاوُد وَابْن مَاجَه




২৮৬৪-[৩১] ’আমর ইবনু শু’আয়ব হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়না জাতীয় ক্রয়-বিক্রয় হতে নিষেধ করেছেন। (মালিক, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ مالک (609/2 ح 1331) و أبو داود (3502) و ابن، ماجہ (2192۔ 2193)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2865)


وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَن بيْعِ المضطرِّ وعنْ بيْعِ الغَرَرِ وَعَنْ بَيْعِ الثَّمَرَةِ قَبْلَ أَنْ تُدْرِكَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




২৮৬৫-[৩২] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জোর-জবরদস্তিমূলক ক্রয়-বিক্রয় ও প্রতারণামূলক দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় এবং পুষ্ট হওয়ার আগে ফল ক্রয়-বিক্রয় করা হতে নিষেধ করেছেন। (আবূ দাঊদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (3382) ٭ شیخ من بني تمیم: مجھول، کما قال الخطابي وغیرہ والحدیث ضعفہ البغوي .









মিশকাতুল মাসাবিহ (2866)


وَعَنْ أَنَسٍ: أَنَّ رَجُلًا مِنْ كِلَابٍ سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ عَسْبِ الْفَحْلِ فَنَهَاهُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نُطْرِقُ الْفَحْلَ فَنُكْرَمُ فَرَخَّصَ لَهُ فِي الْكَرَامَةِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




২৮৬৬-[৩৩] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’কিলাব’ বংশের কতিপয় লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ষাড়ের পাল বা প্রজননের মজুরির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তা করতে নিষেধ করলেন। সেই লোকটি তখন বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমরা ষাড়ের পাল দেয়ার বিনিময়ে সৌজন্যমূলক কিছু পেয়ে থাকি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে সৌজন্য গ্রহণের অনুমতি দিলেন। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (1274 وقال: حسن غریب)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2867)


وَعَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ قَالَ: نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَبِيعَ مَا ليسَ عندِي. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ فِي رِوَايَةٍ لَهُ وَلِأَبِي دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ: قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ يَأْتِينِي الرَّجُلُ فَيُرِيدُ مِنِّي الْبَيْعَ وَلَيْسَ عِنْدِي فَأَبْتَاعُ لَهُ مِنَ السُّوقِ قَالَ: "لَا تبِعْ مَا ليسَ عندَكَ"




২৮৬৭-[৩৪] হাকীম বিন হিযাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন ঐ জাতীয় দ্রব্য বিক্রি করতে যা আমার দখলে নেই। (তিরমিযী)
তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও নাসায়ী-এর আর এক বর্ণনায় আছে, রাবী বলেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কোনো ব্যক্তি এমন কোনো বস্তু আমার কাছে ক্রয় করতে চাইলো যা আমার কাছে নেই, আমি কি বাজার হতে তার জন্য তা কিনে আনবো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যা তোমার আয়ত্তে নেই, তা বিক্রি করো না।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1232۔ 1233 وقال: حسن) و أبو داود، (3503) والنسائي (289/7 ح4717) والروایۃ الثانیۃ في مصابیح السنۃ (2101)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2868)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعَتَيْنِ فِي بيعةٍ. رَوَاهُ مَالك وَالتِّرْمِذِيّ وَالنَّسَائِيّ




২৮৬৮-[৩৫] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই দ্রব্যের ক্রয়ের মধ্যে দু’ রকমে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (মালিক, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ مالک (663/2 ح 1404) والترمذي (1231 وقال: حسن، صحیح) و أبو داود (3461) والنسائي (296/7۔ 297 ح 4636)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2869)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعَتَيْنِ فِي صَفْقَةٍ وَاحِدَةٍ. رَوَاهُ فِي شرح السّنة




২৮৬৯-[৩৬] ’আমর ইবনু শু’আয়ব হতে বর্ণিত। তিনি তার পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এক বিক্রয়ের মধ্যে দু’ বিক্রয়ের ব্যবস্থা রাখতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। (শারহুস্ সুন্নাহ্)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ البغوي في شرح السنۃ (144/8 ح 2112) [والبیھقي، 343/5] و انظر الحدیث الآتي:2870









মিশকাতুল মাসাবিহ (2870)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا يَحِلُّ سَلَفٌ وَبَيْعٌ وَلَا شَرْطَانِ فِي بَيْعٍ وَلَا رِبْحُ مَا لَمْ يضمن وَلَا بيع مَا لَيْسَ عِنْدَكَ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا صَحِيح




২৮৭০-[৩৭] উক্ত রাবী (’আমর ইবনু শু’আয়ব) হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঋণ ও ক্রয়-বিক্রয় একসাথে জায়িয নয়। বিক্রয়ের সাথে দু’টি শর্তারোপ করাও জায়িয নয়। যে দ্রব্যে ঝুঁকির সম্ভাবনা (জিম্মাদারী) নেই সেই দ্রব্য হতে লভ্যাংশের অধিকার হাসিল হবে না। আর যে দ্রব্য তোমার আয়ত্তে নেই, তা বিক্রি করাও জায়িয নয়। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী; ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, হাদীসটি সহীহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ الترمذي (1234) و أبو داود (3504) و النسائي، (288/7 ح 4615)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2871)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: كُنْتُ أَبِيعُ الْإِبِلَ بالنقيع بِالدَّنَانِيرِ فآخذ مَكَانهَا الدارهم وأبيع بِالدَّرَاهِمِ فَآخُذُ مَكَانَهَا الدَّنَانِيرَ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ: "لَا بَأْسَ أَنْ تَأْخُذَهَا بِسِعْرِ يَوْمِهَا مَا لَمْ تَفْتَرِقَا وَبَيْنَكُمَا شَيْءٌ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ والدارمي




২৮৭১-[৩৮] ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাক্বী’ নামক স্থানে উট বিক্রি করতাম দীনারের (স্বর্ণমুদ্রার) বিনিময়ে এবং ক্রয়ের সময় দিরহামের (রৌপ্যমুদ্রার) বিনিময়ে গ্রহণ করতাম। আবার কোনো সময় ’দিরহাম’ বিক্রি করে তার স্থলে ’দীনার’ গ্রহণ করতাম। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এ জাতীয় বিনিময় গ্রহণে কোনো দোষ নেই। তবে স্বর্ণ-রৌপ্য মুদ্রার উপস্থিত মূল্য হারে উক্ত স্থানে বিনিময় করতে হবে, কিছু অংশ বাকী রেখে ক্রেতা-বিক্রেতা পরস্পর পৃথক হতে পারবে না। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী, দারিমী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1242) و أبو داود (3354) والنسائي، (281/7۔ 282 ح 4586) والدارمي (259/2 ح 2584)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2872)


وَعَنِ الْعَدَّاءِ بْنِ خَالِدِ بْنِ هَوْذَةَ أَخْرَجَ كِتَابًا: هَذَا مَا اشْتَرَى الْعَدَّاءُ بْنُ خَالِدِ بْنِ هَوْذَةَ مِنْ مُحَمَّدٍ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اشْترى مِنْهُ عبدا أَو أمة لَا دَاءَ وَلَا غَائِلَةَ وَلَا خِبْثَةَ بَيْعَ الْمُسْلِمِ الْمُسْلِمَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ




২৮৭২-[৩৯] ’আদ্দা ইবনু খালিদ ইবনু হাওযাহ্ হতে বর্ণিত। তিনি একটি লিখিত চুক্তিপত্র করলেন, তাতে লেখা ছিল ’আদ্দা ইবনু খালিদ ইবনু হাওযাহ্ ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মধ্যে (ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত)। তিনি তাঁর নিকট হতে একটি দাস বা দাসী ক্রয় করেছেন যাতে কোনো প্রকার রোগ-ব্যাধি ছিল না, কোনো ত্রুটি ছিল না এবং দুই মুসলিমের মধ্যে পরস্পরের সম্মতিতে ক্রয়-বিক্রয়ে কোনো অনিচ্ছা ছিল না। (তিরমিযী; তিনি বলেছেন, হাদীসটি গরীব)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (1216)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2873)


وَعَنْ أَنَسٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَاعَ حِلْسًا وَقَدَحًا فَقَالَ: "مَنْ يَشْتَرِي هَذَا الحلس والقدح؟" فَقَالَ رجل: آخذهما بِدِرْهَمٍ. فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ يَزِيدُ عَلَى دِرْهَمٍ؟" فَأَعْطَاهُ رَجُلٌ دِرْهَمَيْنِ فَبَاعَهُمَا مِنْهُ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ




২৮৭৩-[৪০] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একখন্ড কম্বল ও একটি পেয়ালা বিক্রি করতে ইচ্ছা পোষণ করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ক্রেতার আহবানে বলতে লাগলেন, এই কম্বলখন্ড ও পেয়ালা কে ক্রয় করবে? জনৈক ব্যক্তি বলল, আমি উভয়টিকে এক দিরহামের [রৌপ্য-মুদ্রার] বিনিময়ে কিনতে পারি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এক দিরহামের চেয়ে বেশি কে দেবে? এক ব্যক্তি তাঁকে দুই দিরহামের বিনিময় দিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উক্ত ব্যক্তির কাছে তা বিক্রি করে দিলেন। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1218 وقال: حسن) و أبو داود (1641)، وابن ماجہ (2198)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2874)


عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم يَقُول: "من بَاعَ عَيْبا لَمْ يُنَبِّهْ لَمْ يَزَلْ فِي مَقْتِ اللَّهِ أَوْ لَمْ تَزَلِ الْمَلَائِكَةُ تَلْعَنُهُ" . رَوَاهُ ابْنُ مَاجَه




২৮৭৪-[৪১] ওয়াসিলাহ্ ইবনু আসক্বা’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোনো ত্রুটিযুক্ত দ্রব্যের দোষ প্রকাশ না করে (না জানিয়ে) বিক্রি করবে, সে সবসময় আল্লাহর অসন্তুষ্টিতে নিমজ্জিত থাকবে। অথবা বলেছেন, সবসময় তার ওপর মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ) লা’নাত করবেন। (ইবনু মাজাহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (2247) ٭ بقیۃ مدلس و عنعن و لہ علۃ، أخری .









মিশকাতুল মাসাবিহ (2875)


عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنِ ابْتَاعَ نَخْلًا بَعْدَ أَنْ تُؤَبَّرَ فَثَمَرَتُهَا لِلْبَائِعِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ وَمَنِ ابْتَاعَ عَبْدًا وَلَهُ مَالٌ فَمَالُهُ لِلْبَائِعِ إِلَّا أَنْ يَشْتَرِطَ الْمُبْتَاعُ" . رَوَاهُ مُسلم وروى البُخَارِيّ الْمَعْنى الأول وَحده




২৮৭৫- ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক তা’বীর করার পর কোনো খেজুর বাগান ক্রয় করবে, সেক্ষেত্রে ঐ বাগানের বিক্রেতারা মালিকানা পাবে। তবে যদি ক্রেতা শর্তারোপ করে, তখন ক্রেতাই পাবে। যদি কেউ কোনো ক্রীতদাস ক্রয় করে এবং ঐ ক্রীতদাসের কিছু মাল রয়েছে, সেই মাল বিক্রেতার হবে। অবশ্য যদি ক্রেতা শর্তারোপ করে নেয়। (মুসলিম; আর বুখারী শুধু প্রথম অংশ বর্ণনা করেছেন)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1543/80) و البخاري (2379)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2876)


وَعَنْ جَابِرٍ: أَنَّهُ كَانَ يَسِيرُ عَلَى جَمَلٍ لَهُ قد أعيي فَمَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهِ فَضَرَبَهُ فَسَارَ سَيْرًا لَيْسَ يَسِيرُ مِثْلَهُ ثُمَّ قَالَ: "بِعْنِيهِ بِوُقِيَّةٍ" قَالَ: فَبِعْتُهُ فَاسْتَثْنَيْتُ حُمْلَانَهُ إِلَى أَهْلِي فَلَمَّا قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ أَتَيْتُهُ بِالْجَمَلِ وَنَقَدَنِي ثَمَنَهُ وَفِي رِوَايَةٍ فَأَعْطَانِي ثَمَنَهُ وَرَدَّهُ عَلَيَّ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ لِلْبُخَارِيِّ أَنَّهُ قَالَ لِبِلَالٍ: "اقْضِهِ وَزِدْهُ" فَأَعْطَاهُ وَزَادَهُ قِيرَاطًا




২৮৭৬-[২] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন তিনি তাঁর একটি উটে চড়ে যাচ্ছিলেন, উটটি নিতান্তই ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটটির কাছে গেলেন এবং তাকে আঘাত করলেন। এতে করে উটটি এমন দ্রুত গতিতে চলতে লাগলো যে, যেরূপ চলতে (পূর্বে) সে সক্ষম ছিল না। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, উটটি আমার কাছে (চল্লিশ দিরহাম বা রৌপ্য-মুদ্রায়) বিক্রি করে ফেল। তিনি বলেন, উক্ত দরে আমি বিক্রি করলাম, কিন্তু এ শর্ত দিলাম যে, আমি বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে এর উপর চড়ব। মদীনায় পৌঁছে আমি উটটি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলাম; তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এর মূল্য আদায় করে দিলেন। অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে এর মূল্য আদায় করে দিলেন এবং উটটিও ফেরত দিয়ে দিলেন। (বুখারী ও মুসলিম)
বুখারীর এক বর্ণনায় আছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিলাল -কে বললেন তাঁকে এর মূল্য দিয়ে দাও এবং কিছু অতিরিক্তও দিয়ে দাও। উক্ত দরে বিলাল জাবির -কে তাঁর প্রাপ্য প্রদান করলেন এবং অতিরিক্ত এক ক্বীরাত্ব দিলেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2718، 2967) و مسلم (109۔ 715/111)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2877)


وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: جَاءَتْ بَرِيرَةُ فَقَالَتْ: إِنِّي كَاتَبْتُ عَلَى تِسْعِ أَوَاقٍ فِي كُلِّ عَامٍ وُقِيَّةٌ فَأَعِينِينِي فَقَالَتْ عَائِشَةُ: إِنْ أَحَبَّ أَهْلُكِ أَنْ أَعُدَّهَا لَهُمْ عُدَّةً وَاحِدَةً وَأُعْتِقَكِ فَعَلْتُ وَيَكُونُ وَلَاؤُكِ لِي فَذَهَبَتْ إِلَى أَهْلِهَا فَأَبَوْا إِلَّا أَنْ يَكُونَ الْوَلَاءُ لَهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "خُذِيهَا وَأَعْتِقِيهَا" ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّاسَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: "أَمَّا أبعد فَمَا بَالُ رِجَالٍ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا لَيْسَتَ فِي كِتَابِ اللَّهِ مَا كَانَ مِنْ شَرْطٍ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَهُوَ بَاطِلٌ وَإِنْ كَانَ مِائَةَ شَرْطٍ فَقَضَاءُ اللَّهِ أَحَقُّ وَشَرْطُ اللَّهِ أَوْثَقُ وَإِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ"




২৮৭৭-[৩] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন বারীরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমার নিকট এসে বলল, আমি আমার মালিকের সাথে প্রতি বছর এক উক্বিয়্যাহ্ [৪০ দিরহাম] হিসাবে নয় বছরে নয় উক্বিয়্যাহ্ [৩৩৬ দিরহাম] দেয়ার শর্তে লিখিত চুক্তিনামা সম্পাদনা করেছি, এজন্য আপনি আমাকে সাহায্য করুন। ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমার মালিক যদি ইচ্ছাপোষণ করে (আর তোমার যদি সম্মতি থাকে) যে, উল্লেখিত দিরহাম একসাথে আদায় করে আমি তোমাকে মুক্ত করে দিব এবং মুক্তিদান সূত্রে আমি তোমার উত্তরাধিকার তথা স্বত্বের অধিকারিণী বলে গণ্য হবো।
বারীরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার মালিকের কাছে গিয়ে এ কথা ব্যক্ত করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করল এবং বলল, উক্ত উত্তরাধিকার-স্বত্ব আমাদের থাকবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে] বললেন, তুমি তাকে কিনে নাও এবং মুক্ত করে দাও। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদেরকে খুৎবা দিতে গিয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন। অতঃপর বললেন, একশ্রেণীর লোকের এই স্বভাব কেন যে, তারা এরূপ শর্তারোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই? আর আল্লাহর কিতাবে নেই, এমন সকল প্রকার শর্তই বাতিল বলে সাব্যস্ত হবে। এভাবে যদি একশ’ শর্তও করে, তবুও আল্লাহ তা’আলার শারী’আতই (বিধানই) অগ্রগণ্য এবং আল্লাহ তা’আলার দেয়া শর্তই সর্বাধিক সুদৃঢ়। তাই উত্তরাধিকার-স্বত্ব একমাত্র মুক্তকারীর বলে গণ্য হবে। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2168) و مسلم (1504/6)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2878)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَن بيع الْوَلَاء وَعَن هِبته




২৮৭৮-[৪] ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরাধিকার স্বত্বকে (মুক্তকরণ সূত্রে) বিক্রি করা এবং তা দান করা হতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী, মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2535) و مسلم (1506/16)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2879)


عَنْ مَخْلَدِ بْنِ خُفَافٍ قَالَ: ابْتَعْتُ غُلَامًا فَاسْتَغْلَلْتُهُ ثُمَّ ظَهَرْتُ مِنْهُ عَلَى عَيْبٍ فَخَاصَمْتُ فِيهِ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فَقَضَى لِي بِرَدِّهِ وَقَضَى عَلَيَّ بِرَدِّ غَلَّتِهِ فَأَتَيْتُ عُرْوَةَ فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ: أَرُوحُ إِلَيْهِ الْعَشِيَّةَ فَأُخْبِرُهُ أَنَّ عَائِشَةَ أَخْبَرَتْنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى فِي مِثْلِ هَذَا: أَنَّ الْخَرَاجَ بِالضَّمَانِ فَرَاحَ إِلَيْهِ عُرْوَةُ فَقَضَى لِي أَنْ آخُذَ الْخَرَاجَ مِنَ الَّذِي قَضَى بِهِ عَلَيِّ لَهُ. رَوَاهُ فِي شَرْحِ السُّنَّةِ




২৮৭৯-[৫] মাখলাদ ইবনু খুফাফ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একটি দাস কিনেছিলাম এবং তার মাধ্যমে কিছু উপার্জনও করিয়েছিলাম। অতঃপর আমি তার মধ্যে একটি দোষ সম্পর্কে অবগত হলাম এবং শাসনকর্তা ’উমার ইবনু ’আবদুল ’আযীয (রাহিমাহুল্লাহ)-এর কাছে আমি তার বিষয়ে অভিযোগ করলাম। তিনি বিচার করলেন যে, আমি তাকে ফেরত দিতে পারবো, তবে অবশ্যই তার দ্বারা উপার্জিত সব কিছুই আমাকে ফেরত দিতে হবে। আমি ’উরওয়াহ্ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট এ রায় জানালাম। তিনি বললেন, আমি সন্ধ্যাকালেই শাসনকর্তার নিকট যাবো এবং তাঁকে অবহিত করবো। ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জাতীয় ঘটনায় রায় দিয়েছেন যে, উপার্জিত আয় তার তত্ত্বাবধান ব্যয় বলে সাব্যস্ত হবে। ’উরওয়াহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) সন্ধ্যাকালেই ’উমার ইবনু ’আবদুল ’আযীয (রাহিমাহুল্লাহ)-এর কাছে গেলেন। এমতাবস্থায় তিনি বিচার করলেন যে, উক্ত উপার্জিত আয় তিনি পূর্বে (প্রথমে) যাকে দেয়ার জন্য আদেশ করেছিলেন তার কাছ থেকে আমি যেন তা ফেরত নেই। (শারহুস্ সুন্নাহ্)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ البغوي في شرح السنۃ (164/8 بعد ح 2119) [و أبو داود، (3508) والترمذي (1285۔ 1286) و ابن ماجہ (2242)]









মিশকাতুল মাসাবিহ (2880)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِذَا اخْتَلَفَ الْبَيِّعَانِ فَالْقَوْلُ قَوْلُ الْبَائِعِ وَالْمُبْتَاعُ بِالْخِيَارِ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيِّ قَالَ: "الْبَيِّعَانِ إِذَا اخْتَلَفَا وَالْمَبِيعُ قَائِمٌ بِعَيْنِهِ وَلَيْسَ بَيْنَهُمَا بَيِّنَةٌ فَالْقَوْلُ مَا قَالَ الْبَائِعُ أَو يترادان البيع"




২৮৮০-[৬] ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যদি কোনো মতবিরোধ দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে বিক্রেতার কথা অগ্রাধিকার হবে এবং ক্রেতার জন্য অবকাশ থাকবে। (তিরমিযী)
ইবনু মাজাহ ও দারিমী-এর বর্ণনায় রয়েছে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যদি মতবিরোধ দেখা দেয় এবং বিক্রিত দ্রব্য হুবহু সমুপস্থিত থাকে, আর কোনো পক্ষে সাক্ষী না থাকে, সেক্ষেত্রে বিক্রেতার কথা অগ্রাধিকার পাবে। অথবা উভয়ে ক্রয়-বিক্রয়কে বাতিল করে পরস্পর দ্রব্য ও মূল্য ফেরত দিয়ে দিবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (1270) و ابن ماجہ (2186) و الدارمي (250/2 ح، 2552)