হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (2961)


عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالشُّفْعَةِ فِي كُلِّ مَا لَمْ يُقْسَمْ فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِفَتِ الطُّرُقُ فَلَا شُفْعَة. رَوَاهُ البُخَارِيّ




২৯৬১- জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুফ্’আহ্-এর বিষয়ে ফায়সালা করেছেন সেসব (স্থাবর) সম্পত্তিতে, যা ভাগ-বণ্টন করা হয়নি। যখন সীমানা নির্ধারিত হয় ও পথ পৃথক করা হয়, তখন শুফ্’আহ্ নেই। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2213)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2962)


وَعَنْهُ قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالشُّفْعَةِ فِي كُلِّ شَرِكَةٍ لَمْ تُقْسَمْ رَبْعَةٍ أَوْ حَائِطٍ: "لَا يَحِلُّ لَهُ أَن يَبِيع حَتَّى يُؤذن شَرِيكه فَإِن شَاءَ أَخَذَ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ فَإِذَا بَاعَ وَلَمْ يُؤْذِنْهُ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ




২৯৬২-[২] উক্ত রাবী [জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক এমন অংশীদারী সম্পত্তিতে শুফ্’আহ্’র অধিকার দিয়েছেন, যা ভাগ-বণ্টন করা হয়নি। যদি তা ঘর-বাড়ি বা বাগান হয়। তার পক্ষে তা বিক্রি করা জায়িয নয়, যতক্ষণ পর্যন্ত না তার অংশীদারকে অবহিত করে। অংশীদার স্বীয় ইচ্ছায় গ্রহণ করবে, আর ইচ্ছা না করলে ছেড়ে দেবে। যখন এ সংবাদ না দিয়ে বিক্রি করবে, শুফ্’আহ্-ই তার হকদার হবে। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1608/134)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2963)


وَعَنْ أَبِي رَافِعٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "الْجَارُ أَحَقُّ بِسَقَبِهِ" . رَوَاهُ البُخَارِيّ




২৯৬৩-[৩] আবূ রাফি’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শুফ্’আহ্’র সর্বাধিক হকদার হলো তার নিকটতম প্রতিবেশী। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2258)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2964)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا يَمْنَعْ جَارٌ جَارَهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَةً فِي جِدَاره"




২৯৬৪-[৪] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো প্রতিবেশী যেন তার কোনো প্রতিবেশীকে দেয়ালে কড়িকাঠ গাড়তে বারণ না করে। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2463) و مسلم (1609/136)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2965)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِذَا اخْتَلَفْتُمْ فِي الطَّرِيقِ جُعِلَ عرضه سَبْعَة أَذْرع" . رَوَاهُ مُسلم




২৯৬৫-[৫] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা কোনো রাস্তার (প্রস্থের) ব্যাপারে মতভেদ করবে, তখন তার প্রস্থ ধরবে সাত হাত। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1613/143)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2966)


عَن سعيد بن حُرَيْث قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنْ بَاعَ مِنْكُمْ دَارًا أَوْ عَقَارًا قَمِنٌ أَنْ لَا يُبَارَكُ لَهُ إِلَّا أَنْ يَجْعَلَهُ فِي مِثْلِهِ" . رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ والدارمي




২৯৬৬-[৬] সা’ঈদ ইবনু হুরায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের মধ্যে যখন কোনো ব্যক্তি বাড়ি অথবা জমিন বিক্রি করবে, তার কাজে বরকত না হওয়ারই সে উপযুক্ত। তবে সে যদি তা অনুরূপ কাজে লাগায়। (ইবনু মাজাহ ও দারিমী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ ابن ماجہ (3490) و الدارمي (273/2 ح 2628)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2967)


وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "الْجَارُ أَحَقُّ بِشُفْعَتِهِ يُنْتَظَرُ لَهَا وَإِنْ كَانَ غَائِبًا إِذَا كَانَ طَرِيقُهُمَا وَاحِدًا" . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ. والدارمي




২৯৬৭-[৭] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিবেশী তার শুফ্’আর সর্বাধিক হকদার। প্রতিবেশী অনুপস্থিত থাকলে তার জন্য এ ব্যাপারে অপেক্ষা করা হবে, যদি উভয়ের পথ এক হয়। (আহমাদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أحمد (303/3 ح 14303) و الترمذي (1369 وقال:، حسن غریب) و أبو داود (3518) و ابن ماجہ (2494) و الدارمي (273/2 ح 2630)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2968)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "الشَّرِيكُ شَفِيعٌ وَالشُّفْعَةُ فِي كل شَيْء" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ قَالَ:




২৯৬৮-[৮] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরীক হলো শাফী’, আর প্রত্যেক [স্থাবর] জিনিসেই শুফ্’আহ্ রয়েছে। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1371)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2969)


وَقَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْسَلًا وَهُوَ أصح




২৯৬৯-[৯] তিনি [ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ)] বলেন, হাদীসটি ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে মুরসালরূপে বর্ণিত হয়েছে, আর এটাই অধিক বিশুদ্ধ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، انظر الحدیث السابق (2968)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2970)


وَعَن عبد الله بن جحش قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ قَطَعَ سِدْرَةً صَوَّبَ اللَّهُ رَأْسَهُ فِي النَّارِ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَقَالَ: هَذَا الْحَدِيثُ مُخْتَصَرٌ يَعْنِي: مَنْ قَطَعَ سِدْرَةً فِي فَلَاةٍ يَسْتَظِلُّ بِهَا ابْنُ السَّبِيلِ وَالْبَهَائِمُ غَشْمًا وَظُلْمًا بِغَيْرِ حَقٍّ يَكُونُ لَهُ فِيهَا صَوَّبَ الله رَأسه فِي النَّار




২৯৭০-[১০] ’আব্দুল্লাহ ইবনু হুবায়শ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে বরই গাছ কেটেছে, তাকে আল্লাহ মাথা নিচু করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। (আবূ দাঊদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ أبو داود (5239)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2971)


عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: إِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ فِي الْأَرْضِ فَلَا شُفْعَةَ فِيهَا. وَلَا شُفْعَةَ فِي بِئْرٍ وَلَا فَحل النّخل. رَوَاهُ مَالك




২৯৭১-[১১] ’উসমান ইবনু ’আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন কোনো জমিনে সীমানা নির্ধারিত হয়, তখন তাতে শুফ্’আহ্ নেই। কূপ ও নর খেজুর গাছেও শুফ্’আহ্ নেই। (মালিক)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ مالک (717/2 ح 1459) ٭ أبو بکر بن محمد بن عمرو، بن حزم ولد بعد شھادۃ سیدنا عثمان رضي اللہ عنہ فالسند منقطع و فی الباب عن عمر، رضي اللہ عنہ (انظر السنن الکبری للبیھقي 105/6)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2972)


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَفَعَ إِلَى يَهُودِ خَيْبَرَ نَخْلَ خَيْبَرَ وَأَرْضَهَا عَلَى أَنْ يَعْتَمِلُوهَا مِنْ أَمْوَالِهِمْ وَلِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَطْرُ ثَمَرِهَا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَفِي رِوَايَةِ الْبُخَارِيِّ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَى خَيْبَرَ الْيَهُودَ أَنْ يَعْمَلُوهَا ويزرعوها وَلَهُم شطر مَا يخرج مِنْهَا




২৯৭২- ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের খেজুর বাগান ও জমিন খায়বারের ইয়াহূদীদেরকে দিয়েছিলেন। তারা নিজেদের অর্থায়নে তাতে চাষাবাদ করবে; আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ফল ও ফসলের অর্ধেক পাবেন। (মুসলিম)
বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারকে ইয়াহূদীদের দিয়েছিলেন, তারা তাতে পরিশ্রম করবে ও শস্য ফলাবে, আর তারা উৎপাদনের অর্ধেকের অধিকারী হবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1551/5) و البخاري (2285)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2973)


وَعنهُ قَالَ: كُنَّا نخبر وَلَا نَرَى بِذَلِكَ بَأْسًا حَتَّى زَعَمَ رَافِعُ ابْن خَدِيجٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْهَا فَتَرَكْنَاهَا مِنْ أَجْلِ ذَلِكَ. رَوَاهُ مُسلم




২৯৭৩-[২] উক্ত [ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বর্গার লেনদেন করতাম, আর তাতে কোনো প্রকার আপত্তি আছে বলে জানতাম না, যতক্ষণ পর্যন্ত না রাফি’ ইবনু খদীজ বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিষেধ করেছেন। অতঃপর তার কারণে আমরা তা পরিত্যাগ করলাম। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1547/106)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2974)


وَعَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ قَيْسٍ عَنْ رَافِعِ بْنِ خديج قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمَّايَ أَنَّهُمْ كَانُوا يُكْرُونَ الْأَرْضَ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَا يَنْبُتُ عَلَى الْأَرْبَعَاءِ أَوْ شَيْءٍ يَسْتَثْنِيهِ صَاحِبُ الْأَرْضِ فَنَهَانَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ فَقُلْتُ لِرَافِعٍ: فَكَيْفَ هِيَ بِالدَّرَاهِمِ وَالدَّنَانِيرِ؟ فَقَالَ: لَيْسَ بِهَا بَأْسٌ وَكَأَنَّ الَّذِي نُهِيَ عَنْ ذَلِكَ مَا لَوْ نَظَرَ فِيهِ ذَوُو الْفَهْمِ بِالْحَلَالِ وَالْحَرَامِ لَمْ يُجِيزُوهُ لِمَا فِيهِ مِنَ الْمُخَاطَرَةِ




২৯৭৪-[৩] হানযালাহ্ ইবনু কায়স (রাহিমাহুল্লাহ) রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার দুই চাচা আমাকে বলেছেন, তাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে জমিন বর্গা দিতেন এরূপে- খালের নিকটের জমিনে যা উৎপাদিত হবে, তা তাদের প্রাপ্য অথবা জমির মালিক অপর কোনো অংশ বাদ রাখতো। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন। হান্যালাহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমি রাফি’-কে জিজ্ঞেস করলাম, দিরহাম ও দীনারের বিনিময়ে ভাড়া দেয়া কেমন হয়? তিনি বললেন, এতে কোনো আপত্তি নেই। (রাফি’ অথবা কোনো রাবী অথবা ইমাম বুখারী বলেন) যা হতে নিষেধ করা হয়েছে, তা এরূপই। হালাল-হারামের বিষয়ে অভিজ্ঞ বিজ্ঞ ব্যক্তিরা যদি এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করেন, তবুও তার অনুমতি দেবেন না। যেহেতু তাতে বিপদসমূহের আশঙ্কা রয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2346) و مسلم (1547/115)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2975)


وَعَن رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ قَالَ: كُنَّا أَكْثَرَ أَهْلِ الْمَدِينَةِ حَقْلًا وَكَانَ أَحَدُنَا يُكْرِي أَرْضَهُ فَيَقُولُ: هَذِهِ الْقِطْعَةُ لِي وَهَذِهِ لَكَ فَرُبَّمَا أَخْرَجَتْ ذِهِ وَلَمْ تُخْرِجْ ذِهِ فَنَهَاهُمُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ




২৯৭৫-[৪] রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মদীনায় সর্বাধিক জমিনের মালিক ছিলাম। আমাদের মধ্যে কেউ তার জমিন এভাবে বর্গা দিতো আর বলতো যে, জমিনের এ অংশ আমার আর ঐ অংশ তোমার অথচ কখনও কখনও এ স্থানে ফসল উৎপাদিত হতো, আর ঐ স্থানে হতো না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে এটা নিষেধ করলেন। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2332) و مسلم (1547/117)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2976)


وَعَن عَمْرو قَالَ: قلت لطاووس: لَوْ تُرِكَتِ الْمُخَابَرَةُ فَإِنَّهُمْ يَزْعُمُونَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْهُ قَالَ: أَيْ عَمْرٌو إِنِّي أُعْطِيهِمْ وَأُعِينُهُمْ وَإِنَّ أَعْلَمَهُمْ أَخْبَرَنِي يَعْنِي ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ ينْه عَنهُ وَلَكِن قَالَ: "أَلا يَمْنَحْ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَأْخُذَ عَلَيْهِ خَرْجًا مَعْلُومًا"




২৯৭৬-[৫] ’আমর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ত্বাঊসকে বললাম, আপনি যদি জমিন বর্গা দেয়া ছেড়ে দিতেন! কেননা, ’উলামাগণ মনে করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা বারণ করেছেন। তিনি বললেন, হে ’আমর! আমি কৃষকদের দান করি এবং সাহায্যও করি। আমাদের ’উলামাগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী ব্যক্তি ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিষেধ করেননি। তবে নিশ্চয় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথা বলেছেন, তোমাদের কারো পক্ষে মুসলিম ভাইকে (বিনিময় ব্যতীত ধাররূপে) জমিন দেয়া, তার ওপর নির্দিষ্ট কর গ্রহণ করার চেয়ে উত্তম। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2230) و مسلم (120۔ 1550/121)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2977)


وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَزْرَعْهَا أَوْ لِيَمْنَحْهَا أَخَاهُ فَإِنْ أَبَى فَلْيُمْسِكْ أرضه"




২৯৭৭-[৬] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তির কোনো জমিন আছে সে যেন তা চাষ করে অথবা তার ভাইকে চাষ করতে দেয়। যদি সে তা না করে, তবে যেন সে তার জমিন ধরে রাখে। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2340) و مسلم (1536/96)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2978)


وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ وَرَأَى سِكَّةً وَشَيْئًا مِنْ آلَةِ الْحَرْثِ فَقَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "لَا يَدْخُلُ هَذَا بَيْتَ قوم إِلَّا أدخلهُ الذل" . رَوَاهُ البُخَارِيّ




২৯৭৮-[৭] আবূ উমামাহ্ আল বাহিলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি একটি লাঙ্গল ও চাষযোগ্য কিছু যন্ত্রপাতি দেখে বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে জাতির ঘরেই এগুলো ঢুকবে, সে জাতিতেই আল্লাহ লাঞ্ছনা প্রবেশ করাবেন। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2321)









মিশকাতুল মাসাবিহ (2979)


عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَنْ زَرَعَ فِي أَرْضِ قَوْمٍ بِغَيْرِ إِذْنِهِمْ فَلَيْسَ لَهُ مِنَ الزَّرْعِ شَيْءٌ وَلَهُ نَفَقَتُهُ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ




২৯৭৯-[৮] রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অনুমতি ছাড়া কোনো সম্প্রদায়ের জমিনে কৃষিকাজ করে, তার জন্য কৃষির কোনো অংশ নেই। সে তার খরচ পাবে মাত্র। (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ; ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি গরীব)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (1366) و أبو داود (3403) [و ابن ماجہ:، 2466] ٭ أبو إسحاق عنعن و عطاء لم یسمع من رافع بن خدیج رضي اللہ عنہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (2980)


عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ قَالَ: مَا بِالْمَدِينَةِ أَهْلُ بَيْتِ هِجْرَةٍ إِلَّا يَزْرَعُونَ عَلَى الثُّلُثِ وَالرُّبُعِ وَزَارَعَ عَلِيٌّ وَسَعْدُ بْنُ مَالِكٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ وَعُمَرُ ابْن عبد الْعَزِيز وَالقَاسِم وَعُرْوَة وَآل أبي بَكْرٍ وَآلُ عُمَرَ وَآلُ عَلِيٍّ وَابْنُ سِيرِينَ وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْأَسْوَدِ: كُنْتُ أُشَارِكُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ فِي الزَّرْعِ وَعَامَلَ عُمَرُ النَّاسَ عَلَى: إِنْ جَاءَ عُمَرُ بِالْبَذْرِ من عِنْده فَلهُ الشّطْر. وَإِن جاؤوا بالبذر فَلهم كَذَا. رَوَاهُ البُخَارِيّ




২৯৮০-[৯] কায়স ইবনু মুসলিম (রাহিমাহুল্লাহ) ইমাম আবূ জা’ফার হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, মদীনায় এমন কোনো মুহাজির পরিবার ছিল না যাঁরা জমিনে উৎপাদিত ফসলের এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশের বিনিময়ে বর্গার লেনদেন করেননি। এমনিভাবে বর্গার লেনদেন করেছেন ’আলী, সা’দ ইবনু মালিক, ’আব্দুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ, ’উমার ইবনু ’আব্দুুল আযীয, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, ’উরওয়াহ্ ইবনুয্ যুবায়র এবং আবূ বকর-এর পরিবার, ’উমার-এর পরিবার, ’আলী-এর পরিবার ও ইবনু সীরীন। ’আব্দুর রহমান ইবনু আস্ওয়াদ বলেন, আমি বর্গাচাষে ’আব্দুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ এর অংশীদার ছিলাম। ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) লোকেদের সাথে বর্গার লেনদেন করেছেন এরূপে- যদি ’উমার নিজ হতে বীজ দিতেন, তবে তিনি অর্ধেক অংশ পেতেন। আর যদি তারা (কৃষকেরা) বীজ দেয়, তারা এমন এমন অংশ পাবে। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (کتاب الحرث و المزارعۃ باب: 8 قبل ح 2328 تعلیقًا)، [و عبد الرزاق فی المصنف (100/8 ح 14476) و ابن حجر في تغلیق التعلیق (300/3)]