হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (3055)


وَعَنْ عَائِشَةَ: أَنَّ مَوْلًى لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَاتَ وَتَرَكَ شَيْئًا وَلَمْ يَدَعْ حَمِيمًا وَلَا وَلَدًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "أَعْطُوا مِيرَاثَهُ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ قَرْيَتِهِ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِيُّ




৩০৫৫-[১৫] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক মুক্ত দাস মারা গেল এবং কিছু মীরাস (উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি) রেখে গেল, কিন্তু সে কোনো আত্মীয়-স্বজন বা সন্তান-সন্ততি রেখে গেল না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার মীরাস তার গ্রামবাসীদের কাউকে দিয়ে দাও। (আবূ দাঊদ ও তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2902) و الترمذي (2106 وقال: حسن)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3056)


وَعَنْ بُرَيْدَةَ قَالَ: مَاتَ رَجُلٌ مِنْ خُزَاعَةَ فَأُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِيرَاثِهِ فَقَالَ: "الْتَمِسُوا لَهُ وَارِثًا أَوْ ذَا رَحِمٍ" فَلَمْ يَجِدُوا لَهُ وَارِثًا وَلَا ذَا رَحِمٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "أعْطوا الْكُبْرَ مِنْ خُزَاعَةَ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: قَالَ: "انْظُرُوا أَكْبَرَ رَجُلٍ مِنْ خُزَاعَة"




৩০৫৬-[১৬] বুরায়দাহ্ আল আসলামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খুযা’আহ্ গোত্রের এক (লা-ওয়ারিস) ব্যক্তি মারা গেল এবং তার মীরাস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আনা হলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তার কোনো ওয়ারিস অথবা দূর-আত্মীয় আছে কিনা খোঁজ কর, কিন্তু তারা তার কোনো ওয়ারিস কিংবা আত্মীয়-স্বজন পেল না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, খুযা’আহ্ গোত্রের প্রবীণ কোনো ব্যক্তিকে দিয়ে দাও। (আবূ দাঊদ)
অপর এক বর্ণনায় রয়েছে, খুযা’আর প্রবীণ কোনো ব্যক্তিকে সন্ধান করে দেখ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * ضعیف، رواہ أبو داود (2904) ٭ شریک القاضي مدلس و عنعن فالسند، ضعیف و تابعہ المدلس: المحاربي (أبو داود: 2903) و عنعن . تعدیلات * : حسن، رواہ، أبو داود (2904) [النسائي فی الکبری (6395) وسندہ حسن] ٭ شریک القاضي مدلس و، عنعن ولکن تابعہ عباد بن العوام فی السنن الکبری للنسائي فالحدیث حسن۔









মিশকাতুল মাসাবিহ (3057)


وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: إِنَّكُمْ تقرؤون هَذِهِ الْآيَةَ: (مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصُونَ بِهَا أَو دين) وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِالدّينِ قبل الْوَصِيَّةِ وَأَنَّ أَعْيَانَ بَنِي الْأُمِّ يَتَوَارَثُونَ دُونَ بَنِي الْعَلَّاتِ الرَّجُلُ يَرِثُ أَخَاهُ لِأَبِيهِ وَأُمِّهِ دُونَ أَخِيهِ لِأَبِيهِ . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَفِي رِوَايَةِ الدَّارِمِيِّ: قَالَ: "الْإِخْوَةُ مِنَ الْأُمِّ يَتَوَارَثُونَ دُونَ بَنِي الْعَلَّاتِ. . ." إِلَى آخِره




৩০৫৭-[১৭] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (মৃতের সম্পত্তি বণ্টনের বিষয়ে) তোমরা কি এ আয়াত পড়ে থাক- ’তোমরা যে ওয়াসিয়্যাত কর, সে ওয়াসিয়্যাতও ঋণ আদায়ের পর’- (সূরা আন্ নিসা ৪ : ১২)। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋণ আদায়ের হুকুম দিয়েছেন ওয়াসিয়্যাতের পূর্বে (যদিও অত্র আয়াতে ঋণের উল্লেখ পরে হয়েছে)। তিনি আরও হুকুম দিয়েছেন, সহোদর ভাই-বোন ওয়ারিস হবে, সৎ ভাই-বোন নয়। সুতরাং ভাই ওয়ারিস হয় একই পিতা-মাতার ঘরের, কেবল এক পিতার সন্তান (ও ভিন্ন মায়ের) ভাইয়ের নয়। (তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ)
কিন্তু দারিমীর বর্ণনায় রয়েছে, সহোদর ভাই ওয়ারিস হবে, সৎ ভাই নয়।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * ضعیف، رواہ الترمذي (2094) و ابن ماجہ (2739) و الدارمي (368/2 ح، 2988) ٭ الحارث الأعور ضعیف و لمفھوم الحدیث شاھد حسن عند ابن ماجہ (2433) و ھو، یغني عنہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3058)


وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: جَاءَتِ امْرَأَةُ سَعْدِ بْنِ الرَّبِيعِ بِابْنَتَيْهَا مِنْ سَعْدِ بْنِ الرَّبِيعِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَاتَانِ ابْنَتَا سَعْدِ بْنِ الرَّبِيعِ قُتِلَ أَبُوهُمَا مَعَكَ يَوْمَ أُحُدٍ شَهِيدًا وَإِنَّ عَمَّهُمَا أَخَذَ مَالَهُمَا وَلَمْ يَدَعْ لَهُمَا مَالًا وَلَا تُنْكَحَانِ إِلَّا وَلَهُمَا مَالٌ قَالَ: "يَقْضِي اللَّهُ فِي ذَلِكَ" فَنَزَلَتْ آيَةُ الْمِيرَاثِ فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى عَمِّهِمَا فَقَالَ: "أَعْطِ لِابْنَتَيْ سَعْدٍ الثُّلُثَيْنِ وَأَعْطِ أُمَّهُمَا الثُّمُنَ وَمَا بَقِيَ فَهُوَ لَكَ" . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غريبٌ




৩০৫৮-[১৮] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন সা’দ ইবনু রবী’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ঔরসজাত দুই কন্যাসহ তাঁর স্ত্রী রসূলূলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এ কন্যা দু’টি সা’দ ইবনু রবী’-এর। তাদের পিতা আপনার সাথে উহুদের যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। তাদের চাচা তাদের সকল ধন-সম্পদ নিয়ে গিয়েছে এবং তাদের জন্য কিছুই রাখেননি। অথচ তাদের (ধন-সম্পদ আত্মসাতের কারণে) বিয়ে দেয়া যাবে না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহ এ ব্যাপারে কোনো হুকুম জারি করবে। তখন উত্তরাধিকারের আয়াত নাযিল হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের চাচার কাছে লোক পাঠিয়ে বললেন, সা’দ-এর দুই কন্যাকে দুই-তৃতীয়াংশ এবং তাদের মা-কে অষ্টমাংস দাও; অতঃপর যা অবশিষ্ট থাকবে তা তোমার (হক)। (আহমাদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ; ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান গরীব)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد (352/3 ح 14858) و الترمذي (2092) و أبو، داود (2891۔ 2892) و ابن ماجہ (2720) ٭ عبد اللہ بن محمد بن عقیل: ضعیف مشھور، ضعفہ الجمھور .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3059)


وَعَنْ هُزَيْلِ بْنِ شُرَحْبِيلَ قَالَ: سُئِلَ أَبُو مُوسَى عَنِ ابْنَةٍ وَبِنْتِ ابْنٍ وَأُخْتٍ فَقَالَ: للْبِنْت النّصْف وَللْأُخْت النّصْف وائت ابْنَ مَسْعُودٍ فَسَيُتَابِعُنِي فَسُئِلَ ابْنُ مَسْعُودٍ وَأُخْبِرَ بقول أبي مُوسَى فَقَالَ: لقد ضللت إِذن وَمَا أَنَا مِنَ الْمُهْتَدِينَ أَقْضِي فِيهَا بِمَا قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لِلْبِنْتِ النِّصْفُ وَلِابْنَةِ الِابْنِ السُّدُسُ تَكْمِلَةَ الثُّلُثَيْنِ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأُخْتِ" فَأَتَيْنَا أَبَا مُوسَى فَأَخْبَرْنَاهُ بِقَوْلِ ابْنِ مَسْعُودٍ فَقَالَ: لَا تَسْأَلُونِي مَا دَامَ هَذَا الحبر فِيكُم. رَوَاهُ البُخَارِيّ




৩০৫৯-[১৯] হুযায়ল ইবনু শুরাহ্বীল (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ মূসা আল আশ্’আরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে কন্যা, পুত্রের কন্যা ও ভগ্নি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, কন্যার অর্ধেক ও ভগ্নির অর্ধেক। তবে একবার ইবনু মাস্’ঊদ -কে জিজ্ঞেস কর, আশা করা যায় তিনিও আমার অনুরূপ বলবেন। ইবনু মাস্’ঊদ -কে জিজ্ঞেস করা হলো এবং তাকে আবূ মূসার উত্তরও জানানো হলো। তিনি বললেন, তবে তো আমি পথভ্রষ্ট হবো এবং সুপথপ্রাপ্তদের অন্তর্গত হব না। আমি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেব, যে সিদ্ধান্ত স্বয়ং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়েছিলেন, তা হলো- কন্যার অর্ধেক এবং পুত্রের কন্যার এক-ষষ্ঠাংশ, দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ করার উদ্দেশে। আর অবশিষ্ট যা থাকবে, তা (এক-তৃতীয়াংশ) ভগ্নির। রাবী বলেন, অতঃপর আমরা আবূ মূসা -এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে ইবনু মাস্’ঊদ-এর উত্তর জানালাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করো না তোমাদের মধ্যে যতক্ষণ এ মহাপণ্ডিত বিদ্যমান আছেন। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (6736)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3060)


وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: إِن ابْنِي مَاتَ فَمَا لِي مِنْ مِيرَاثِهِ؟ قَالَ: "لَكَ السُّدُسُ" فَلَمَّا وَلَّى دَعَاهُ قَالَ: "لَكَ سُدُسٌ آخَرُ" فَلَمَّا وَلَّى دَعَاهُ قَالَ: "إِنَّ السُّدُسَ الْآخَرَ طُعْمَةٌ" . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ




৩০৬০-[২০] ’ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! আমার পুত্রের পুত্র মারা গেছে, আমার জন্য তার উত্তরাধিকারের কি (কিছু) রয়েছে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ রয়েছে। সে যখন রওনা দিল, তখন তাকে ডেকে বললেন, তোমার জন্য আরেক ষষ্ঠাংশ রয়েছে। সে যখন যেতে লাগল, আবার ডেকে বললেন, দ্বিতীয়-ষষ্ঠাংশ তুমি নি’আমাতরূপে পেলে। (আহমাদ, তিরমিযী ও আবূ দাঊদ; ইমাম তিরমিযী [রহঃ] বলেন, এটা হাসান সহীহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد (428/4، 429 ح 20088) و الترمذي (2099) و، أبو داود (2896) ٭ قتادۃ مدلس و عنعن و فیہ علۃ أخری و ھي عنعنۃ الحسن بصري رحمہ، اللہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3061)


وَعَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ قَالَ: جَاءَتِ الْجَدَّةُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ تَسْأَلُهُ مِيرَاثَهَا فَقَالَ لَهَا: مَا لَكِ فِي كِتَابِ اللَّهِ شَيْءٌ وَمَا لَكِ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْءٌ فَارْجِعِي حَتَّى أَسْأَلَ النَّاسَ فَسَأَلَ فَقَالَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ: حَضَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَاهَا السُّدُسَ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ الله عَنهُ هَل مَعَك غَيره؟ فَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ مِثْلَ مَا قَالَ الْمُغيرَة فأنفذه لَهَا أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ثُمَّ جَاءَتِ الْجدّة الْأُخْرَى إِلَى عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ تَسْأَلُهُ مِيرَاثَهَا فَقَالَ: هُوَ ذَلِك السُّدس فَإِن اجْتمعَا فَهُوَ بَيْنَكُمَا وَأَيَّتُكُمَا خَلَتْ بِهِ فَهُوَ لَهَا. رَوَاهُ مَالِكٌ وَأَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالدَّارِمِيُّ وَابْن مَاجَه




৩০৬১-[২১] কবীসাহ্ ইবনু যুআয়ব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট এক নানী এসে তার (কন্যার সন্তানের) উত্তরাধিকারের ব্যাপারে জানতে চাইলেন। তিনি তাকে বললেন, আল্লাহর কিতাবে তোমার কোনো অংশ নেই এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতেও তোমার কোনো অংশ নেই। এখন যাও! আমি সাহাবীদের জিজ্ঞেস করে দেখি। তারপর তিনি জিজ্ঞেস করলে মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তিনি নানীকে ছয় ভাগের এক ভাগ দিয়েছেন। তখন আবূ বকর(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আপনার সাথে আপনি ছাড়া অপর কেউ ছিল কি? তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্ মুগীরাহ্-এর কথার অনুরূপ বললেন।
অতএব আবূ বকর(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ দেয়ার হুকুম দিলেন। (কবীসাহ্ বলেন,) অতঃপর একদিন অন্য দাদী এসে ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে তার উত্তরাধিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেন, সে ছয় ভাগের এক ভাগই। তোমরা যদি উভয়ে থাক তবে তা তোমাদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন হবে। তবে উভয়ের মধ্যে একজন হলে তা তারই (হক) হবে। (মালিক, আহমাদ, তিরমিযী, আবূ দাঊদ, দারিমী ও ইবনু মাজাহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ مالک (513/2 ح 1119) و أحمد (225/4 ح 18143) والترمذي، (2101 وقال: حسن صحیح) و أبو داود (2894) و ابن ماجہ (2724) [والدارمي (359/2 ح، 2949) عن الزھري منقطعًا] ٭ قبیصۃ صحابي صغیر رضي اللہ عنہ و ھذا من مراسیل، الصحابۃ و مراسیل الصحابۃ مقبولۃ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3062)


وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ فِي الْجَدَّةِ مَعَ ابْنِهَا: أَنَّهَا أَوَّلُ جَدَّةٍ أَطْعَمَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُدُسًا مَعَ ابْنِهَا وَابْنُهَا حَيٌّ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَالدَّارِمِيُّ وَالتِّرْمِذِيُّ ضَعَّفَهُ




৩০৬২-[২২] ’আব্দুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দাদী তার নিজ ছেলের সাথে থাকলে (নাতির) উত্তরাধিকার পাবে কিনা সে ব্যাপারে বলেন যে, সে হলো প্রথম দাদী যাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ ছেলের সাথে এক-ষষ্ঠাংশ দিয়েছেন, অথচ তার ছেলে জীবিত। (তিরমিযী ও দারিমী; কিন্তু ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে য’ঈফ বলেছেন)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2102) ٭ محمد بن سالم: ضعیف و روی، الدارمي (358/2 ح 2935) من قول ابن مسعود: ’’إن أول جدۃ أطعمت فی الإسلام سھمًا، أم أب و ابنھا حي‘‘ و سندہ ضعیف، محمد بن سیرین: لم یدرک ابن مسعود رضي اللہ عنہ، و أشعث بن سوار: ضعیف و للأثر شواھد ضعیفۃ عند البیھقي (226/6) وغیرہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3063)


وَعَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ سُفْيَانَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَيْهِ: "أَنْ ورث امْرَأَة أَشْيَم الضبابِي مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيح




৩০৬৩-[২৩] যহহাক ইবনু সুফ্ইয়ান হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে লিখেছেন, আশ্ইয়াম আয্ যিবাবী-এর স্ত্রীকে তার স্বামীর রক্তপণের অংশ দাও! (তিরমিযী ও আবূ দাঊদ; ইমাম তিরমিযী [রহঃ] বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (2110) و أبو داود (2927)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3064)


وَعَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ قَالَ: سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا السُّنَةُ فِي الرَّجُلِ مِنْ أَهْلِ الشِّرْكِ يُسْلِمُ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ؟ فَقَالَ: "هُوَ أَوْلَى النَّاسِ بِمَحْيَاهُ وَمَمَاتِهِ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيُّ




৩০৬৪-[২৪] তামীম আদ্ দারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম, শারী’আতে একজন মুশরিক কোনো মুসলিমের হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছে, তার (উত্তরাধিকারের) হুকুম কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, সে মুসলিম তার নিকটতম ব্যক্তি তার জীবনে ও মরণে। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (2112) و ابن ماجہ (2752) والدارمي (377/2 ح، 3037)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3065)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ رَجُلًا مَاتَ وَلَمْ يَدَعْ وَارِثًا إِلَّا غُلَامًا كَانَ أَعْتَقَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "هَلْ لَهُ أَحَدٌ؟" قَالُوا: لَا إِلَّا غُلَامٌ لَهُ كَانَ أَعْتَقَهُ فَجَعَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِيرَاثَهُ لَهُ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَه




৩০৬৫-[২৫] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক মারা গেল এবং তার মুক্ত করা একটি ক্রীতদাস ছাড়া কাউকেও উত্তরাধিকারী রেখে গেল না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তার কি কেউ (আত্মীয়-স্বজন) আছে? লোকেরা বলল, তার মুক্ত করা একটি ক্রীতদাস ছাড়া আর কেউই নেই। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উত্তরাধিকার তাকে (ক্রীতদাসকে) দিয়ে দিলেন। (আবূ দাঊদ, তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2905) والترمذي (2106 وقال: حسن) و، ابن ماجہ (2741) ٭ عوسجۃ: حسن الحدیث .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3066)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "يَرِثُ الْوَلَاءَ مَنْ يَرِثُ الْمَالَ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ إِسْنَادُهُ لَيْسَ بِالْقَوِيِّ




৩০৬৬-[২৬] ’আমর ইবনু শু’আয়ব তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ধন-সম্পদের ওয়ারিস হয় সে মুক্ত করা ক্রীতদাসেরও ওয়ারিস হয়। (তিরমিযী; আর তিনি বলেছেন, এর সানাদ মজবুত নয়)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (2114) ٭ عبد اللہ بن لھیعۃ ضعیف، لاختلاطہ و لہ شاھد عند أحمد (22/1ح 147) و سندہ معلل بالإنقطاع .









মিশকাতুল মাসাবিহ (3067)


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَا كَانَ مِنْ مِيرَاثٍ قُسِّمَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَهُوَ عَلَى قِسْمَةِ الْجَاهِلِيَّةِ وَمَا كَانَ مِنْ مِيرَاثٍ أَدْرَكَهُ الْإِسْلَامُ فَهُوَ عَلَى قِسْمَةِ الْإِسْلَامِ" . رَوَاهُ ابْن مَاجَه




৩০৬৭-[২৭] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে উত্তরাধিকার জাহিলিয়্যাত যুগে বণ্টিত হয়েছে, তা জাহিলিয়্যাতের বণ্টন অনুসারেই থাকবে। আর ইসলামের যুগে যে উত্তরাধিকার পেয়েছে, তা ইসলামী শারী’আহ্ অনুসারেই বণ্টিত হবে। (ইবনু মাজাহ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ ابن ماجہ (2749) ٭ و للحدیث شاھد حسن عند ابن ماجہ، (2485)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3068)


وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ كَثِيرًا يَقُولُ: كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَقُولُ: عَجَبًا لِلْعَمَّةِ تُورَثُ وَلَا تَرث. رَوَاهُ مَالك




৩০৬৮-[২৮] মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর ইবনু হাযম (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি তাঁর পিতা (আবূ বকর ইবনু হাযম)-কে অনেকবার বলতে শুনেছেন, ’উমার ইবনুল খত্ত্বাব বলতেন, কি আশ্চর্য! ফুফু (ভাইয়ের পুত্র বা মেয়ের) মাওরূস হয় অথচ সে (তাদের) ওয়ারিস হয় না। (মালিক)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ مالک (517/2 ح 1124) ٭ أبو بکر بن أبي حزم عن، عمر رضي اللہ عنہ منقطع، انظر جامع التحصیل للعلائي (ص 288) و الجوھر النقي، (213/6)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3069)


وَعَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَزَادَ ابْنُ مَسْعُودٍ: وَالطَّلَاقَ وَالْحَجَّ قَالَا: فَإِنَّهُ من دينكُمْ. رَوَاهُ الدَّارمِيّ




৩০৬৯-[২৯] ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’ফারায়িয’ শিক্ষা লাভ কর। ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অতিরিক্ত বলেছেন, তালাক ও হজে/হজ্জের মাসায়িলও। অতঃপর উভয়ে বলেছেন, কেননা তা তোমাদের দীনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। (দারিমী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الدارمي (2/ 341 ح 2853۔ 2854، نسخۃ محققۃ:، 2892۔ 2893، 2853 عن عمر، السند منقطع، فیہ مورق العجلي عن عمر و لم یدرکہ، 2854، عن عمر، السند منقطع، إبراہیم عن عمر و لم یدرکہ، و السند إلی إبراہیم ضعیف، الثوري و الأعمش مدلسان و عنھا و حدیث ابن مسعود: ضعیف: 2859، السند منقطع، قاسم، بن الولید الھمداني لم یدرک من روی عنہ۔) انظر الحدیث 111 ص 6









মিশকাতুল মাসাবিহ (3070)


عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا حَقُّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ لَهُ شَيْءٌ يُوصَى فِيهِ يَبِيتُ لَيْلَتَيْنِ إِلَّا وَوَصِيَّة مَكْتُوبَة عِنْده"




৩০৭০- ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে মুসলিমের এমন ধন-সম্পদ আছে যা ওয়াসিয়্যাত করা যায়; তার নিজের কাছে ওয়াসিয়্যাতনামা লেখে না রেখে দু’ রাত অতিবাহিত করারও তার অধিকার (সুযোগ) নেই। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2738) و مسلم (1637/1)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3071)


وَعَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: مَرِضْتُ عَامَ الْفَتْحِ مَرَضًا أَشْفَيْتُ عَلَى الْمَوْتِ فَأَتَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُنِي فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ: إِنَّ لِي مَالًا كَثِيرًا وَلَيْسَ يَرِثُنِي إِلَّا ابْنَتِي أَفَأُوصِي بِمَالِي كُلِّهِ؟ قَالَ: "لَا" قُلْتُ: فَثُلُثَيْ مَالِي؟ قَالَ: "لَا" قُلْتُ: فَالشَّطْرِ؟ قَالَ: "لَا" قُلْتُ: فَالثُّلُثِ؟ قَالَ: "الثُّلُثُ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ إِنَّكَ إِنْ تَذَرْ وَرَثَتَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تَذَرَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ وَإِنَّكَ لَنْ تُنْفِقَ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللَّهِ إِلَّا أُجِرْتَ بِهَا حَتَّى اللُّقْمَةَ تَرْفَعُهَا إِلَى فِي امْرَأَتِكَ"




৩০৭১-[২] সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বৎসর আমি এমন এক রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হলাম, যা আমি মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছলাম। এমনি সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার প্রচুর ধন-সম্পদ আছে, আর আমার একমাত্র কন্যা ছাড়া (ঔরসজাত) কোনো ওয়ারিস নেই। আমি কি আমার সমস্ত ধন-সম্পদ (অপর কারো জন্য) ওয়াসিয়্যাত করে যেতে পারব? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে কি দুই-তৃতীয়াংশ? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি অর্ধেক? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি এক-তৃতীয়াংশ? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, এক-তৃতীয়াংশ; আর এক-তৃতীয়াংশও অতিরিক্ত।
তুমি তোমার ওয়ারিসদেরকে দরিদ্র রেখে যাওয়া অপেক্ষা সচ্ছল রেখে যাওয়া তোমার জন্য উত্তম, যাতে তারা অন্যের নিকট যাচ্ঞা না করে (হাত না পাতে)। তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে তোমার পরিবারের প্রতি যে খরচ করবে, নিশ্চয় এতেও তোমাকে সাওয়াব দেয়া হবে- এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে (খাদ্য) লোকমা উঠিয়ে দাও তাতেও। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2742) و مسلم (1628/5)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3072)


عَن سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: عَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا مَرِيضٌ فَقَالَ: "أَوْصَيْتَ؟" قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: "بِكَمْ؟" قُلْتُ: بِمَالِي كُلِّهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ. قَالَ: "فَمَا تَرَكْتَ لِوَلَدِكَ؟" قُلْتُ: هُمْ أَغْنِيَاءُ بِخَيْرٍ. فَقَالَ: "أوص بالعشر" فَمَا زَالَت أُنَاقِصُهُ حَتَّى قَالَ: "أَوْصِ بِالثُّلُثِ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৩০৭২-[৩] সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রোগাগ্রস্ত হয়ে পড়লে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে এসে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ওয়াসিয়্যাত করার ইচ্ছা করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কি পরিমাণ? আমি বললাম, আমার সমস্ত ধন-সম্পদ আল্লাহর পথে দিতে ইচ্ছা পোষণ করেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার সন্তানের জন্য কি রাখতে চাও? আমি বললাম, তারা বহু সম্পদের অধিকারী। তিনি বললেন, তারপরও তুমি এক-দশমাংশ ওয়াসিয়্যাত কর! তিনি (সা’দ) বলেন, আমি সর্বদা তাঁকে ’এটা কম হয়, এটা কম হয়’ বলতে থাকলাম। পরিশেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে এক-তৃতীয়াংশ ওয়াসিয়্যাত করতে পার, আর এক-তৃতীয়াংশও অধিক। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (975 و قال: حسن صحیح)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3073)


وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي خُطْبَتِهِ عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ: "إِنِ اللَّهَ قَدْ أَعْطَى كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّهُ فَلَا وَصِيَّةَ لِوَارِثٍ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ وَزَادَ التِّرْمِذِيُّ: "الْوَلَدُ لِلْفَرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ"




৩০৭৩-[৪] আবূ উমামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিদায় হজে/হজ্জের খুৎবায় বলতে শুনেছি, আল্লাহ প্রত্যেক হকদারকে তার হক দিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং কোনো ওয়ারিসের জন্যই কোনো ওয়াসিয়্যাত নেই। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)
ইমাম তিরমিযী অতিরিক্ত বলেছেন, [তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটাও বলেছেনঃ] সন্তান বিছানার মালিকের; আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। আর পরকালে তাদের হিসাব আল্লাহর হাতে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (2870) و ابن ماجہ (2713) و الترمذي (2120، وقال: حسن)









মিশকাতুল মাসাবিহ (3074)


وَيُرْوَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَا وَصِيَّةَ لِوَارِثٍ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ الْوَرَثَةُ" مُنْقَطِعٌ هَذَا لَفْظُ الْمَصَابِيحِ. وَفِي رِوَايَةِ الدَّارَقُطْنِيِّ: قَالَ: "لَا تَجُوزُ وَصِيَّةٌ لِوَارِثٍ إِلَّا أَنْ يَشَاء الْوَرَثَة"




৩০৭৪-[৫] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়্যাত নেই, তবে যদি ওয়ারিসরা অনুমতি দেয়। মাসাবীহ-এর এ শব্দ কর্তিত হয়েছে; আর দারাকুত্বনীর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়্যাত জায়িয নেই, তবে ওয়ারিসরা অনুমতি দিলে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الدارقطني (98/4 ح 4109) [والطبراني في مسند، الشامیین (325/3۔ 326 ح 2410) ٭ فیہ عطاء الخراساني صدوق حسن الحدیث و ثقہ، الجمھور و لکنہ مدلس و عنعن و باقی السند حسن لذاتہ فالسند ضعیف من أجل عنعنتہ و، قال الذہبي: ’’جید الإسناد‘‘ (میزان الاعتدال 481/4)‘‘!!