মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْ بُرَيْدَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْقُضَاةُ ثَلَاثَةٌ: وَاحِدٌ فِي الْجَنَّةِ وَاثْنَانِ فِي النَّارِ فَأَمَّا الَّذِي فِي الْجَنَّةِ فَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ فَقَضَى بِهِ وَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ فَجَارَ فِي الْحُكْمِ فَهُوَ فِي النَّارِ وَرَجُلٌ قَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ فَهُوَ فِي النَّارِ . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ
৩৭৩৫-[৫] আবূ বুরায়দাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিচারক তিন শ্রেণীর হয়। তন্মধ্যে এক প্রকারের (বিচারকদের) জন্য জান্নাত আর দু’ প্রকারের জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সে বিচারক জান্নাতে যাবেন, যিনি হক চিনলেন এবং তদানুযায়ী ফায়সালা করেন। আর যে বিচারক হক উপলব্ধি করেও বিচার-ফায়সালার মধ্যে অন্যায়-অবিচার করে, সে বিচারক জাহান্নামী এবং যে বিচারক অজ্ঞতার সাথে বিচার-ফায়সালা করে, সেও জাহান্নামী। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ্)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أبو داود (3573) و ابن ماجہ (2315) [و الترمذي، (1322 من طریق آخر و سندہ ضعیف) ٭ خلف بن خلیفۃ صدوق اختلط في آخرہ فالسند ضعیف، و للحدیث شواھد ضعیفۃ .
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ طَلَبَ قَضَاءَ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى يَنَالَهُ ثُمَّ غَلَبَ عَدْلُهُ جَوْرَهُ فَلَهُ الْجَنَّةُ وَمَنْ غَلَبَ جَوْرُهُ عَدْلَهُ فَلَهُ النَّار" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৩৭৩৬-[৬] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মুসলিমদের বিচারক হওয়ার মনোষ্কামনা করবে, এমনকি সে তা পেয়েও যাবে। এমতাবস্থায় তার ইনসাফ যদি জুলুম ও অন্যায়ের উপর প্রাধান্য লাভ করে, তাহলে তার জন্য জান্নাত সুনির্ধারিত। আর যার জুলুম ও অন্যায় তার ইনসাফের উপর প্রাধান্য লাভ করে, তবে তার জন্য জাহান্নাম। (আবূ দাঊদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (3575) ٭ فیہ موسی بن نجدۃ: مجھول .
وَعَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا بَعَثَهُ إِلَى الْيَمين قَالَ: "كَيْفَ تَقْضِي إِذَا عَرَضَ لَكَ قَضَاءٌ؟" قَالَ: أَقْضِي بِكِتَابِ اللَّهِ قَالَ: "فَإِنْ لَمْ تَجِدْ فِي كِتَابِ اللَّهِ؟" قَالَ: فَبِسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "فَإِنْ لَمْ تَجِدْ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ؟" قَالَ: أَجْتَهِدُ رَأْيِي وَلَا آلُو قَالَ: فَضَرَبَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى صَدْرِهِ وَقَالَ: "الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي وَفَّقَ رَسُولَ رَسُولِ اللَّهِ لِمَا يَرْضَى بِهِ رَسُولُ اللَّهِ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَأَبُو دَاوُد والدارمي
৩৭৩৭-[৭] মু’আয ইবনু জাবাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাকে (শাসক নিযুক্ত করে) ইয়ামানে পাঠালেন, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার নিকট যদি কোনো মুকদ্দামা পেশ করা হয়, তখন তুমি কিভাবে বিচার-ফায়সালা পরিচালনা করবে? তিনি (মু’আয) বললেনঃ আমি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিচার-ফায়সালা করব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় জিজ্ঞেস করলেনঃ আল্লাহর কিতাবের মধ্যে যদি (তার সুষ্ঠু সমাধান বুঝতে) না পাও, তখন কিভাবে করবে? তিনি (মু’আয) বলেনঃ তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাত (হাদীস) অনুযায়ী সমাধান করব। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের মাঝেও যদি (তার সুষ্ঠু সমাধান বুঝতে) না পাও, তখন কি করবে? এর জবাবে তিনি (মু’আয) বললেনঃ তখন আমি আমার ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে ইজতিহাদ করব এবং সামান্য পরিমাণও ত্রুটি করব না। তিনি (মু’আয ) বলেন : আমার এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বুকে হাত মেরে বললেন, সমস্ত প্রশংসা একমাত্র সে আল্লাহর জন্য যিনি আল্লাহর রসূল-এর প্রতিনিধিরূপে সে কাজটি করার তাওফীক দিয়েছেন, যে সকল কাজে আল্লাহর রসূল সন্তুষ্ট আছেন। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও দারিমী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (1337 وقال: ولیس إسنادہ عندي بمتصل)، و أبو داود (3593) و الدارمي (60/1 ح 170) ٭ فیہ ناس من أصحاب معاذ: مجاھیل کلھم، و لوکان فیھم ثقۃ لسماہ الحارث: المجھول، و لہ شاھد موضوع و الحدیث ضعفہ البخاري، و الدارقطني و الترمذي وغیرہم و أخطأ من صححہ.
عَن عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَمَنِ قَاضِيًا فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ تُرْسِلُنِي وَأَنَا حَدِيثُ السِّنِّ وَلَا عِلْمَ لِي بِالْقَضَاءِ؟ فَقَالَ: "إِنَّ اللَّهَ سَيَهْدِي قَلْبَكَ وَيُثَبِّتُ لِسَانَكَ إِذَا تَقَاضَى إِلَيْكَ رَجُلَانِ فَلَا تَقْضِ لِلْأَوَّلِ حَتَّى تَسْمَعَ كَلَامَ الْآخَرِ فَإِنَّهُ أَحْرَى أَنْ يَتَبَيَّنَ لَكَ الْقَضَاءُ" . قَالَ: فَمَا شَكَكْتُ فِي قَضَاءٍ بَعْدُ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ وَسَنَذْكُرُ حَدِيثَ أُمِّ سَلَمَةَ: "إِنَّمَا أَقْضِي بَيْنَكُمْ برأيي" فِي بَابِ "الْأَقْضِيَةِ وَالشَّهَادَاتِ" إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى
৩৭৩৮-[৮] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে শাসক নিযুক্ত করে যখন ইয়ামানে পাঠালেন, তখন আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে পাঠাচ্ছেন অথচ আমি একজন যুবক, আর বিচারকার্য বা শাসনভার পরিচালনায় আমি অনভিজ্ঞ। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমার অন্তরকে শীঘ্রই সৎপথ দেখাবেন এবং তোমার জবানকেও হিফাযাত করবেন। যদি দু’ ব্যক্তি তাদের মুকদ্দামা নিয়ে তোমার নিকট উপস্থিত হয়, তখন অপর পক্ষের কথা না শুনা পর্যন্ত প্রথম ব্যক্তির পক্ষে কোনো ফায়সালা দিও না। কেননা প্রতিপক্ষের বর্ণনা থেকে মুকদ্দামার ফায়সালা দিতে তোমার সহজসাধ্য হবে। তিনি [’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] বলেনঃ অতঃপর আমি আর কোনো মুকদ্দামায় দ্বিধাগ্রস্ত হইনি। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ্)
গ্রন্থকার বলেনঃ ’’আকযিয়াহ্ ও শাহাদাত’’ (সাক্ষী ও ফায়সালা প্রদান) অধ্যায়ে আমরা উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত اِنَّمَا اَقْضِىْ بَيْنَكُمْ رَائِىْ হাদীসটি বর্ণনা করব ইনশা-আল্লা-হু তা’আলা।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (1331 و قال: حسن) و أبو داود (3582) و، ابن ماجہ (2310) ٭ شریک القاضی مدلس و عنعن و حنش بن المعتمر ضعیف ضعفہ الجمھور، و للحدیث شواھد ضعیفۃ عند ابن ماجہ (2310) وغیرہ . حدیث أم سلمۃ یأتي (3770)
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا مِنْ حَاكِمٍ يَحْكُمُ بَيْنَ النَّاسِ إِلَّا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَلَكٌ آخِذٌ بِقَفَاهُ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ فَإِنْ قَالَ: أَلْقِهْ أَلْقَاهُ فِي مَهْوَاةٍ أَرْبَعِينَ خَرِيفًا . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَابْنُ مَاجَهْ والْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَان
৩৭৩৯-[৯] ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শাসক হয়ে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রকার্য পরিচালনা করে, সে কিয়ামতের দিন এরূপ অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, একজন মালাক (ফেরেশতা) তার গর্দান ধরে রাখবেন। অতঃপর মালাক তার মাথা আকাশের দিকে তুলবেন। অতএব আল্লাহ তা’আলা যখন নির্দেশ দেন তাকে নিক্ষেপ করো, তখন মালাক তাকে জাহান্নামের নিম্নদেশে ছুঁড়ে ফেলবেন। যার গভীরতা চল্লিশ বছরের পথ। (আহমাদ ও ইবনু মাজাহ্, আর বায়হাক্বী-এর ’’শু’আবুল ঈমান’’)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أحمد 430/1 ح 4097) و ابن ماجہ (2311) و، البیھقي في شعب الإیمان (7533) ٭ مجالد: ضعیف، و السند ضعفہ البوصیري .
وَعَنْ عَائِشَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "لَيَأْتِيَنَّ عَلَى الْقَاضِي الْعَدْلِ يومُ القيامةِ يَتَمَنَّى أَنَّهُ لَمْ يَقْضِ بَيْنَ اثْنَيْنِ فِي تَمْرَة قطّ" . رَوَاهُ أَحْمد
৩৭৪০-[১০] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত দিবসে ন্যায়পরায়ণ শাসক এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে; তখন সে আকাঙ্ক্ষা করবে যে, একটি খেজুরের ব্যাপারেও যদি সে দুই ব্যক্তির মধ্যে পরস্পর বিবাদের ফায়সালা না করত (কতই না উত্তম হতো)। (আহমাদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أحمد (75/6 ح 24968) [و صححہ ابن حبان (1563) و، حسنہ الھیثمي (مجمع الزوائد 192/4) و أشار المنذري إلی أنہ حسن (الترغیب و، الترہیب 157/3)] ٭ فیہ صالح بن سرج و ابن العلاء و ثقھما ابن حبان وحدہ من أئمۃ، الجرح و التعدیل فھما مستوران . انظر بلوغ المرام بتحقیقي (1196)
وَعَنْ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّ اللَّهَ مَعَ الْقَاضِي مَا لَمْ يَجُرْ فَإِذَا جَارَ تَخَلَّى عَنْهُ وَلَزِمَهُ الشَّيْطَانُ" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَفِي رِوَايَةٍ: "فَإِذَا جارَ وَكله إِلَى نَفسه"
৩৭৪১-[১১] ’আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শাসক যে পর্যন্ত না জুলুম ও অবিচার করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা তার সাথে থাকেন। কিন্তু যখন সে জুলুম ও অবিচার করতে থাকে, তখন আল্লাহর সাহায্য তার ওপর থেকে সরে যায় এবং শায়ত্বন তার সহচর হয়। (তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ্)
আর ইবনু মাজাহ্-এর অপর বর্ণনাতে আছে, যখন সে জুলুম ও অবিচার করে তখন আল্লাহ তা’আলা তাকে তার নাফসের প্রতি অর্পণ করেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1330 و قال: غریب) و ابن ماجہ (2312)
وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ: أَنَّ مُسْلِمًا وَيَهُودِيًّا اخْتَصَمَا إِلَى عُمَرَ فَرَأَى الْحَقَّ لِلْيَهُودِيِّ فَقَضَى لَهُ عُمَرُ بِهِ فَقَالَ لَهُ الْيَهُودِيُّ: وَاللَّهِ لَقَدْ قَضَيْتَ بِالْحَقِّ فَضَرَبَهُ عُمَرُ بِالدِّرَّةِ وَقَالَ: وَمَا يُدْريكَ؟ فَقَالَ الْيَهُودِيُّ: وَاللَّهِ إِنَّا نَجِدُ فِي التَّوْرَاةِ أَنَّهُ لَيْسَ قَاضٍ يَقْضِي بِالْحَقِّ إِلَّا كَانَ عَنْ يَمِينِهِ مَلَكٌ وَعَنْ شِمَالِهِ مَلَكٌ يُسَدِّدَانِهِ وَيُوَفِّقَانِهِ لِلْحَقِّ مَا دَامَ مَعَ الْحَقِّ فَإِذَا تركَ الحقَّ عرَجا وترَكاهُ. رَوَاهُ مَالك
৩৭৪২-[১২] সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন এক মুসলিম ও এক ইয়াহূদীর মধ্যে পরস্পর বিবাদ নিয়ে ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট আসলো। এমতাবস্থায় ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তা সত্যায়িত করে ইয়াহূদীর পক্ষে রায় দিয়ে দিলেন। তখন ইয়াহূদী ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে লক্ষ্য করে বললঃ আল্লাহর কসম! আপনি হক বিচার করেছেন। অতঃপর ’উমার তাকে চাবুক দিয়ে আঘাত করে বললেনঃ তুমি কিভাবে জানলে (হক বিচার হয়েছে)? উত্তরে ইয়াহূদী বললঃ আল্লাহর কসম! আমরা তাওরাত কিতাবে পেয়েছি, যে শাসক ন্যায়বিচার করে তার ডানপাশে একজন মালাক (ফেরেশতা) থাকেন এবং বামপাশে একজন মালাক থাকেন। তারা তার কাজটিকে সহজসাধ্য করে দেন এবং ন্যায় ও সঠিক কাজ করার মধ্যে সাহায্য করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি ন্যায়ের সাথে থাকেন। কিন্তু যখন তিনি ন্যায় ও হক পন্থা পরিহার করেন, তখন মালায়িকাহ্ (ফেরেশতারা) উপরে চলে যান এবং তার সঙ্গ পরিত্যাগ করেন। (মালিক)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ مالک (الموطأ 719/2 ح 1461 و سندہ صحیح)
وَعَنِ ابْنِ مَوْهَبٍ: أَنَّ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ لِابْنِ عُمَرَ: اقْضِ بَين النَّاس قَالَ: أَو تعاقبني يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَ: وَمَا تَكْرَهُ مِنْ ذَلِك وَقد كَانَ أَبوك قَاضِيا؟ قَالَ: لِأَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنْ كَانَ قَاضِيًا فَقَضَى بِالْعَدْلِ فَبِالْحَرِيِّ أَنْ يَنْقَلِبَ مِنْهُ كَفَافًا" . فَمَا راجعَه بعدَ ذَلِك. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
৩৭৪৩-[১৩] ইবনু মাওহাব হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’উসমান ইবনু ’আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বললেনঃ আপনি মানুষের মাঝে ইনসাফ কায়িম (বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণ) করুন। ইবনু ’উমার(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন না? ’উসমান(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আপনি এই দায়িত্বকে অপছন্দ করছেন, অথচ আপনার পিতা তো (খলীফাহ্ নিযুক্ত হওয়ার পূর্বেও) বিচার-ফায়সালা করেছেন। ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিচারক নিযুক্ত হয়ে ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচারকার্য পরিচালনা করে তার জন্য এটাই উত্তম যে, সে তা থেকে ন্যায্যভাবে অব্যাহতি লাভ করতে পারে। অতঃপর ’উসমান(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে এ সম্পর্কে আর কিছুই বলেননি। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (1322 ا وقال: غریب، لیس إسنادہ عندي، بمتصل) ٭ فیہ عبد الملک بن أبي جمیلۃ: مجھول و السند منقطع .
وَفِي رِوَايَةِ رَزِينٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ قَالَ لِعُثْمَانَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ لَا أَقْضِي بَيْنَ رَجُلَيْنِ: قَالَ: فَإِنَّ أَبَاكَ كَانَ يَقْضِي فَقَالَ: إِنَّ أَبِي لَوْ أُشْكِلَ عَلَيْهِ شَيْءٌ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَوْ أُشْكِلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْءٌ سَأَلَ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَإِنِّي لَا أَجِدُ مَنْ أَسْأَلُهُ وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنْ عَاذَ بِاللَّهِ فَقَدْ عَاذَ بِعَظِيمٍ" . وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: "مَنْ عَاذَ بِاللَّهِ فَأَعِيذُوهُ" . وَإِنِّي أَعُوذُ باللَّهِ أنْ تجعلَني قاضِياً فأعْفاهُ وَقَالَ: لَا تُخبرْ أحدا
৩৭৪৪-[১৪] আর রযীন-এর এক বর্ণনাতে নাফি’ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বললেনঃ হে আমীরুল মু’মিনীন! আমি পরস্পর দু’ ব্যক্তির মধ্যেও বিচার-ফায়সালা করব না। তখন ’উসমান(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ আপনার পিতা তো বিচারকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তখন ইবনু ’উমার(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ হ্যাঁ, তবে আমার পিতা যদি কোনো সমস্যায় পড়তেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করে নিতেন। আর যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো বিষয়ে সমস্যা অনুভব করতেন, তখন জিবরীল (আঃ)-কে জিজ্ঞেস করতেন। তাই এখন আমি এমন কাউকে পাব না যার স্মরণাপন্ন হব।
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, সে মহান সত্তার আশ্রিত হলো। আর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর ওয়াস্তে আশ্রয় চায়, তোমরা তাকে আশ্রয় দাও। সুতরাং আমাকে বিচারক নিযুক্ত করা থেকে আমি আল্লাহর ওয়াস্তে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। অতঃপর ’উসমান ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে অব্যাহতি দিয়ে বললেনঃ আপনি এ কথাগুলো কারো নিকট বহিঃপ্রকাশ করবেন না (কেননা, বিচারকের দায়িত্ব নিতে সবাই অনীহা প্রকাশ করবে)।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * ضعیف، رواہ رزین (لم أجدہ) ٭ ولہ شاھد عند أحمد (66/1 ح 475) و، سندہ ضعیف، فیہ أبو سنان عیسی بن سنان القسملي ضعیف و شاھد آخر عند الترمذي، (1322 ا، انظر الحدیث السابق) وسندہ ضعیف .
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا أُعْطِيكُمْ وَلَا أَمْنَعُكُمْ أَنَا قَاسِمٌ أَضَعُ حَيْثُ أُمِرْتُ" . رَوَاهُ البُخَارِيّ
৩৭৪৫- আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি স্বেচ্ছায় তোমাদেরকে কিছু প্রদান করি না এবং বঞ্চিতও করি না, আমি শুধু বণ্টনকারী। অতএব আমি যে স্থানে দেয়ার সেখানে প্রদান করি। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3117)
وَعَن خَوْلةَ الْأَنْصَارِيَّةِ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّ رِجَالًا يَتَخَوَّضُونَ فِي مَالِ اللَّهِ بِغَيْرِ حَقٍّ فَلَهُمُ النَّارُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ" . رَوَاهُ البُخَارِيّ
৩৭৪৬-[২] খাওলাতাল আনসারিয়্যাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিছু সংখ্যক মানুষ আল্লাহ তা’আলার (যাকাত, বায়তুল মাল বা গনীমাতের) সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে থাকে। কিয়ামত দিবসে তাদের জন্য জাহান্নামের আগুন নির্ধারিত। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3118)
وَعَن عائشةَ قَالَتْ: لِمَّا اسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: لَقَدْ عَلِمَ قَوْمِي أَنَّ حِرْفَتِي لم تكنْ تعجِزُ عَن مَؤونةِ أَهْلِي وَشُغِلْتُ بِأَمْرِ الْمُسْلِمِينَ فَسَيَأْكُلُ آلُ أَبِي بَكْرٍ مِنْ هَذَا الْمَالِ وَيَحْتَرِفُ لِلْمُسْلِمِينَ فِيهِ. رَوَاهُ البُخَارِيّ
৩৭৪৭-[৩] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে খলীফাহ্ নিযুক্ত করা হলে তিনি বললেনঃ আমার গোত্রের লোকেরা ভালোভাবে জানে যে, আমার ব্যবসা-বাণিজ্য আমার পরিবার-পরিজনের ভরণ-পোষণের ব্যয়ভার বহনে অক্ষম ছিল না। কিন্তু এখন আমি মুসলিমদের কাজে নিযুক্ত হয়েছি। সুতরাং আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর পরিবার-পরিজন এখন থেকে এ মাল (বায়তুল মাল বা সরকারী কোষাগার) থেকে খরচ মিটাবে। আর সে মুসলিমদের জন্য কাজ করে যাবে। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2070)
عَن بُرَيْدَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَنِ اسْتَعْمَلْنَاهُ عَلَى عَمَلٍ فَرَزَقْنَاهُ رِزْقًا فَمَا أَخَذَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ غُلُولٌ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৩৭৪৮-[৪] বুরায়দাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো লোককে যদি আমরা কোনো কাজে নিযুক্ত করি এবং তাকে সে কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক দেই। অতঃপর যদি সে অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করে, তবে তা হলো খিয়ানাত। (আবূ দাঊদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2943) [و صححہ ابن خزیمۃ (2369) و، الحاکم علی شرط الشیخین (406/1) ووافقہ الذہبي]
وَعَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: عَمِلْتُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فعملني. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৩৭৪৯-[৫] ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে (রাষ্ট্রীয়) কাজে নিযুক্ত হয়েছিলাম। আর আমাকে তার পারিশ্রমিক দেয়া হয়েছে। (আবূ দাঊদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (2944) [و مسلم (1045)]
وَعَن مُعَاذٍ قَالَ: بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَمَنِ فَلَمَّا سِرْتُ أَرْسَلَ فِي أَثَرِي فَرُدِدْتُ فَقَالَ: "أَتَدْرِي لِمَ بَعَثْتُ إِلَيْكَ؟ لَا تُصِيبَنَّ شَيْئًا بِغَيْرِ إِذْنِي فَإِنَّهُ غُلُولٌ وَمَنْ يَغْلُلْ يَأْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لهَذَا دعوتك فَامْضِ لعملك" . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
৩৭৫০-[৫] মু’আয (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে (গভর্নর নিয়োগ করে) ইয়ামানে পাঠালেন। যখন আমি রওয়ানা হলাম, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পিছনে একজন লোক পাঠালেন। অতঃপর যখন আমি ফিরে আসলাম, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি কি জানো, কেন আমি তোমার কাছে লোক পাঠালাম? আমার অনুমতি ব্যতীত তুমি কোনো মাল গ্রহণ করবে না। কেননা এভাবে গ্রহণ করা খিয়ানাত বা আত্মসাৎ। আর যে ব্যক্তি খিয়ানাত করবে, কিয়ামতের দিন সে তা বহন করেই (হাশরের ময়দানে উত্থিত হবে) আসবে। আমি তোমাকে এ কথাগুলো বলার জন্যই ডেকে পাঠিয়েছি। এখন তুমি তোমার কাজে রওয়ানা হয়ে যাও। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (1335 وقال: حسن غریب) ٭ داود الأودي:، ضعیف .
وَعَن المستَوْرِدِ بنِ شدَّادٍ قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: "مَنْ كَانَ لَنَا عَامِلًا فَلْيَكْتَسِبْ زَوْجَةً فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ خَادِمٌ فَلْيَكْتَسِبْ خَادِمًا فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَسْكَنٌ فَلْيَكْتَسِبْ مَسْكَنًا" . وَفِي رِوَايَةٍ: "مَنِ اتَّخَذَ غَيْرَ ذَلِكَ فَهُوَ غالٌّ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৩৭৫১-[৭] মুসতাওরিদ ইবনু শাদ্দাদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের শাসনকার্যে নিযুক্ত হবে, তার যদি স্ত্রী না থাকে তবে সে একজন স্ত্রীর ব্যবস্থা করতে পারে। আর যদি তার খাদিম না থাকে, তাহলে একজন খাদিম রাখতে পারে। আর যদি তার কোনো ঘর না থাকে, তাহলে একটি ঘরেরও ব্যবস্থা করতে পারে। অপর এক বর্ণনাতে আছে, সে যদি তা ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করে, তবে তা খিয়ানাত হবে। (আবূ দাঊদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (2945)
وَعَن عَدِيِّ بنِ عَمِيرةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "يَا أَيُّهَا النَّاسُ مَنْ عُمِّلَ مِنْكُمْ لَنَا عَلَى عَمَلٍ فَكَتَمَنَا مِنْهُ مِخْيَطًا فَمَا فَوْقَهُ فَهُوَ غَالٌّ يَأْتِي بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ" . فَقَامَ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ اقْبَلْ عَنِّي عَمَلَكَ. قَالَ: "وَمَا ذَاكَ؟" قَالَ: سَمِعْتُكَ تَقُولُ: كَذَا وَكَذَا قَالَ: "وَأَنَا أَقُولُ ذَلِكَ مَنِ اسْتَعْمَلْنَاهُ عَلَى عَمَلٍ فَلْيَأْتِ بِقَلِيلِهِ وَكَثِيرِهِ فَمَا أُوتِيَ مِنْهُ أَخَذَهُ وَمَا نُهِيَ عَنْهُ انْتَهَى" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ وَأَبُو دَاوُد وَاللَّفْظ لَهُ
৩৭৫২-[৮] ’আদী ইবনু ’উমায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে মানব সকল! তোমাদের কাউকে যদি আমাদের কোনো কাজে নিযুক্ত করা হয়। অতঃপর সে যদি তা থেকে একটি সুঁই পরিমাণ অথবা তার চেয়ে অধিক কিছু লুক্কায়িত রাখে, তাহলে সে খিয়ানাতকারী বলে সাব্যস্ত হবে। কিয়ামতের দিনে সে তা বহন করে উত্থিত হবে। তখন জনৈক আনসারী দাঁড়িয়ে বলে উঠলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমার ওপর যে কাজ অর্পণ করেছেন, তা অনুগ্রহপূর্বক প্রত্যাহার করে নিন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ কেন এটা বলছ? লোকটি বলল, আমি শুনেছি যে, আপনি এরূপ এরূপ (ভীতিকর) কথা বলেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, আমি আবারও বলছি, যাকে আমরা কোনো কাজে নিযুক্ত করি, তখন সে যেন তার কম ও বেশি যাই হোক (সবকিছু) আমাদের কাছে বুঝিয়ে দেয়। অতঃপর তাকে যা কিছু দেয়া হবে, শুধু তাই গ্রহণ করবে। আর যা থেকে নিষেধ করা হবে, তা থেকে সর্বদা বিরত থাকে। (মুসলিম ও আবূ দাঊদ; তবে শব্দবিন্যাস আবূ দাঊদ-এর)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1833/30) و أبو داود (3581)
وَعَن عبد الله بن عَمْرو قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِيَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ
৩৭৫৩-[৯] ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারী উভয়ের ওপর অভিসম্পাত করেছেন। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ্)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (3580) و ابن ماجہ (2313)
وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيّ عَنهُ وَعَن أبي هُرَيْرَة
৩৭৫৪-[১০] আর তিরমিযী ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (1337 و قال: حسن صحیح)