মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَنْ يَبْرَحَ هَذَا الدِّينُ قَائِمًا يُقَاتِلُ عَلَيْهِ عِصَابَةٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى تقوم السَّاعَة" . رَوَاهُ مُسلم
৩৮০১-[১৫] জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় এ দীন (ইসলামী জীবন বিধান) সর্বদা সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং একদল মুসলিম কিয়ামত দিবস পর্যন্ত এই দীনের জন্য সংগ্রাম করতে থাকবে। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1922/172)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا يُكَلَّمُ أَحَدٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَنْ يُكَلَّمُ فِي سَبِيلِهِ إِلَّا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَجُرْحُهُ يَثْعَبُ دَمًا اللَّوْنُ لَوْنُ الدَّمِ والريحُ ريحُ المسكِ"
৩৮০২-[১৬] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি যদি আল্লাহর পথে আহত হয়, তবে আল্লাহই প্রকৃতপক্ষে জানেন যে, কে তার পথে হতাহত হয়েছে। কিয়ামতের দিনে সে এরূপ অবস্থায় আগমন করবে যে, তার ক্ষতস্থান হতে রক্ত প্রবাহিত হয়ে বের হতে থাকবে এবং তার বর্ণ রক্তের মতো হবে আর তার সুগন্ধি হবে মিশকের সুঘ্রাণের ন্যায়। (বুখারী, মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2803) و مسلم (105/ 1876)
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا مِنْ أَحَدٍ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ يُحِبُّ أَنْ يُرْجَعَ إِلَى الدُّنْيَا وَلَهُ مَا فِي الْأَرْضِ مِنْ شَيْءٍ إِلَّا الشَّهِيدُ يَتَمَنَّى أَنْ يُرْجَعَ إِلَى الدُّنْيَا فَيُقْتَلَ عَشْرَ مَرَّاتٍ لِمَا يَرَى مِنَ الْكَرَامَةِ"
৩৮০৩-[১৭] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশের পরে পুনরায় দুনিয়ায় ফিরে আসতে চাইবে না যদিও সে পার্থিব যাবতীয় সম্পদ প্রাপ্তির সুযোগ পায়। অবশ্য শহীদ ব্যক্তি দুনিয়ায় ফিরে আসতে চাইবে এ উদ্দেশে যে, দুনিয়ায় এসে সে পুনরায় দশবার শাহাদাত লাভের প্রত্যাশা করে এ সদিচ্ছার কারণে, সে জান্নাতে শাহীদের যে মর্যাদা তা প্রত্যক্ষ করবে। (বুখারী, মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2817) و مسلم (109 / 1877)
وَعَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ: سَأَلْنَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مسعودٍ عَنْ هَذِهِ الْآيَةِ: (وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِنْدَ ربِّهم يُرزقون) الْآيَةَ قَالَ: إِنَّا قَدْ سَأَلْنَا عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ: أَرْوَاحُهُمْ فِي أَجْوَافِ طَيْرٍ خُضْرٍ لَهَا قَنَادِيلُ مُعَلَّقَةٌ بِالْعَرْشِ تَسْرَحُ مِنَ الْجَنَّةِ حَيْثُ شَاءَتْ ثُمَّ تَأْوِي إِلَى تِلْكَ الْقَنَادِيلِ فَاطَّلَعَ إِلَيْهِمْ رَبُّهُمُ اطِّلَاعَةً فَقَالَ: هَلْ تَشْتَهُونَ شَيْئًا؟ قَالُوا: أَيَّ شَيْءٍ نَشْتَهِي وَنَحْنُ نَسْرَحُ مِنَ الْجنَّة حيثُ شِئْنَا ففعلَ ذلكَ بهِمْ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ فَلَمَّا رَأَوْا أَنَّهُمْ لَنْ يُتْرَكُوا مِنْ أَنْ يَسْأَلُوا قَالُوا: يَا رَبُّ نُرِيدُ أَنْ تُرَدَّ أَرْوَاحُنَا فِي أَجْسَادِنَا حَتَّى نُقْتَلَ فِي سبيلِكَ مرَّةً أُخرى فَلَمَّا رَأَى أَنْ لَيْسَ لَهُمْ حَاجَةٌ تُرِكُوا . رَوَاهُ مُسلم
৩৮০৪-[১৮] মাসরূক (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’আব্দুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে এ আয়াতের মর্মার্থ জিজ্ঞেস করলাম, ’’যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়েছে, তাদেরকে তোমরা মৃত মনে করো না; বরং তারা জীবিত এবং তারা তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে রিযকপ্রাপ্ত’’- (সূরা আ-লি ’ইমরান ৩ : ১৬৯)। জবাবে তিনি বলেন, আমরা এ আয়াত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন যে, শহীদগণের রূহ সবুজ পাখির পেটে অবস্থান করে এবং তোমাদের সাথে ’আর্শে ফানুস ঝুলিয়ে দেয়া হয়। অতঃপর তারা জান্নাতে মনের ইচ্ছানুসারে উড়ে বেড়াবে, অতঃপর আবার ঐ ফানুসে ফিরে আসবে।
এমতাবস্থায় তাদের প্রতিপালক তাদের সম্মুখে বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলবেন, তোমাদের কোনো কিছুর আকাঙ্ক্ষা আছে কি? তারা বলবে, আর কিসের আকাঙ্ক্ষা করব? (আমরা পরিপূর্ণ নি’আমাতে আছি) কেননা আমরা জান্নাতের যথেচ্ছাভাবে ভ্রমণ করছি। এভাবে তিনি তাদেরকে তিনবার জিজ্ঞেস করেন, তারাও একই উত্তর পুনরাবৃত্তি করলেন। যখন তারা বুঝতে পারবে যে, তাদের উদ্দেশে একই কথা বার বার জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, তখন তারা বলবে, হে আমার রব্! আমাদের রূহকে পুনরায় আমাদের পার্থিব দেহে ফিরিয়ে দাও, যাতে পুনরায় আমরা তোমার পথে লড়াই করে শাহাদাত লাভ করতে পারি। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা যখন তাদের অন্তরের ইচ্ছা বুঝতে পারেন, এদের আর কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই, তখন ঐ অবস্থায় তাদের চিরস্থায়ীভাবে রেখে দেন। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (121/ 1887)
عَن أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِيهِمْ فَذَكَرَ لَهُمْ أَنَّ الْجِهَادَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَالْإِيمَانَ بِاللَّهِ أَفْضَلُ الْأَعْمَالِ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ قُتِلْتُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ يُكَفَّرُ عَنَى خَطَايَايَ؟ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "نِعْمَ إِنْ قُتِلْتَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَأَنْتَ صَابِرٌ مُحْتَسِبٌ مُقْبِلٌّ غَيْرُ مُدْبِرٍ" . ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "كَيْفَ قُلْتَ؟" فَقَالَ: أَرَأَيْتَ إِنْ قُتِلْتُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَيُكَفَّرُ عَنِّي خَطَايَايَ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "نَعَمْ وَأَنْتَ صَابِرٌ مُحْتَسِبٌ مُقْبِلٌ غَيْرُ مُدْبِرٍ إِلَّا الدَّيْنَ فَإِنَّ جِبْرِيلَ قَالَ لِي ذَلِكَ" . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
৩৮০৫-[১৯] আবূ কাতাদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কিরামের মাঝে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিলেন, সর্বোত্তম ’আমল হলো আল্লাহর পথে জিহাদ করা ও আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা। তখন জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার কি অভিমত, আমি যদি আল্লাহর পথে লড়াই করে মৃত্যুবরণ করি, তবে কি আমার যাবতীয় অপরাধ ক্ষমা করা হবে? উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হ্যাঁ, তুমি যদি দৃঢ়ভাবে সাওয়াবের প্রত্যাশায় যুদ্ধের মাঠ থেকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন না করে আক্রমণে অগ্রসর হয়ে নিহত হও। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপর ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি যেন কি প্রশ্ন করেছ? সে বলল, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আমি যদি আল্লাহর পথে শহীদ হই তবে কি আমার সমস্ত পাপ-মার্জনা মাফ করে দেয়া হবে? উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই ঋণগ্রস্ত হওয়া ব্যতীত তুমি যদি সাহসিকতার সাথে সাওয়াবের আশায় শত্রুর আক্রমণে অগ্রগামী অবস্থায় শহীদ হও। জিবরীল (আঃ) আমাকে এরূপেই বললেন। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (117/ 1885)
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "الْقَتْلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ يُكَفِّرُ كُلَّ شَيْءٍ إِلَّا الدّين" . رَوَاهُ مُسلم
৩৮০৬-[২০] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর ইবনুল ’আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর পথে শহীদ হলে শুধুমাত্র ঋণ ব্যতীত সকল কিছু ক্ষমা করে দেয়া হয়। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (120/ 1886)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَضْحَكُ اللَّهُ تَعَالَى إِلَى رَجُلَيْنِ يَقْتُلُ أَحَدُهُمَا الْآخَرَ يَدْخُلَانِ الْجَنَّةَ: يُقَاتِلُ هَذَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيُقْتَلُ ثُمَّ يَتُوبُ اللَّهُ على الْقَاتِل فيستشهد
৩৮০৭-[২১] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ঐ দু’ ব্যক্তির প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশে হেসে থাকেন। যারা একজন অপরজনকে হত্যা করে, অথচ তারা জান্নাতী। তন্মধ্যে এক ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করে শহীদ হয়, আর হত্যাকারীকে (ঈমান আনার জন্য) আল্লাহ তা’আলা সুযোগ দান করেন, অতঃপর (সে ঈমান এনে) শাহাদাত লাভ করেন (অর্থাৎ- উভয়েই জান্নাতপ্রাপ্ত হয়)। (বুখারী, মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2826) و مسلم (1890/128)
وَعَن سهل بن حنيف قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ سَأَلَ اللَّهَ الشَّهَادَةَ بِصِدْقٍ بَلَّغَهُ اللَّهُ مَنَازِلَ الشُّهَدَاءِ وَإِنْ مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ. رَوَاهُ مُسلم
৩৮০৮-[২২] সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে শাহাদাতের মনোষ্কামনা করে; আল্লাহ তা’আলা তাকে শাহীদের মর্যাদায় উন্নীত করেন, যদিও সে স্বীয় বিছানায় মৃত্যুবরণ করে। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1909/157)
وَعَن أنسٍ أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ الْبَرَاءِ وَهِيَ أَمُّ حَارِثَةَ بْنِ سُرَاقَةَ أَتَتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا تُحَدِّثُنِي عنْ حَارِثَةَ وَكَانَ قُتِلَ يَوْمَ بَدْرٍ أَصَابَهُ سَهْمٌ غَرْبٌ فَإِنْ كَانَ فِي الْجَنَّةِ صَبَرْتُ وَإِنْ كَانَ غَيْرُ ذَلِكَ اجْتَهَدْتُ عَلَيْهِ فِي الْبُكَاءِ فَقَالَ: "يَا أَمَّ حَارِثَةَ إِنَّهَا جِنَانٌ فِي الْجَنَّةِ وَإِنَّ ابْنَكِ أَصَابَ الْفِرْدَوْسَ الْأَعْلَى" . رَوَاهُ البخاريُّ
৩৮০৯-[২৩] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রুবাইয়্যা’ বিনুত বারা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কন্যা হারিসাহ্ ইবনু সুরাকাহ্-এর মা। একদিন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর নবী! তার পুত্র হারিসাহ্ যে বাদ্রের যুদ্ধে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির তীর নিক্ষেপে নিহত হয়, সে ব্যাপারে জানতে চাইলেন যে, হারিসাহ্ জান্নাতী হবে কিনা? যদি সে জান্নাতে প্রবেশ করে, তবে আমি ধৈর্যধারণ করব, অন্যথায় তার জন্য আমার আত্মার কান্না রোধ করতে পারব না। এটা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, হে হারিসার মা! জান্নাতে অসংখ্য বাগান রয়েছে, আর তোমার ছেলে তো জান্নাতুল ফিরদাওসের উচ্চাসনে স্থান পেয়েছে। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (2809)
وَعَنْهُ قَالَ: انْطَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ حَتَّى سَبَقُوا الْمُشْرِكِينَ إِلَى بَدْرٍ وَجَاءَ الْمُشْرِكُونَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "قُومُوا إِلَى جَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ" . قَالَ عُمَيْرُ بْنُ الْحُمَامِ: بَخْ بَخْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا يَحْمِلُكَ عَلَى قَوْلِكَ: بَخْ بَخْ؟ قَالَ: لَا وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِلَّا رَجَاءَ أَنْ أَكُونَ مِنْ أَهْلِهَا قَالَ: "فَإِنَّكَ مِنْ أَهْلِهَا" قَالَ: فَأَخْرَجَ تَمَرَاتٍ مِنْ قَرْنِهِ فَجَعَلَ يَأْكُلُ مِنْهُنَّ ثُمَّ قَالَ: لَئِنْ أَنَا حَيِيتُ حَتَّى آكل تمراتي إِنَّهَا الْحَيَاة طَوِيلَةٌ قَالَ: فَرَمَى بِمَا كَانَ مَعَهُ مِنَ التَّمْرِ ثُمَّ قَاتَلَهُمْ حَتَّى قُتِلَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
৩৮১০-[২৪] উক্ত রাবী [আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণসহ রওয়ানা হয়ে মুশরিকদের পূর্বেই বদর প্রান্তরে পৌঁছে গেলেন। অতঃপর মুশরিকরাও সেখানে এসে গেল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাহাবীগণের উদ্দেশে) ঘোষণা করলেন, তোমরা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সমবিস্তৃত এমন এক জান্নাতের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও। এটা শুনে ’উমায়র ইবনুল হুমাম বলে উঠল, বাহ! বাহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি এরূপ বললে? সে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহর কসম! আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নয়; শুধুমাত্র জান্নাতে প্রবেশের আকাঙ্ক্ষায় এরূপ বলেছি যেন আমি তার অধিবাসী হই। তদুত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তুমি নিশ্চয় জান্নাতের অধিবাসী হবে। রাবী বলেন যে, এরপরে ঐ সাহাবী তার তীরের থলি হতে কয়েকটি খেজুর বের করে খেতে লাগলেন এবং পরক্ষনেই বলে উঠলেন, এ খেজুরগুলো খেয়ে শেষ করা পর্যন্ত বেঁচে থাকাও অনেক দীর্ঘ জীবন! এটা বলে সে সব খেজুর ছুঁড়ে দিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় যুদ্ধ করতে করতে শাহাদাত বরণ করল। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (145/ 1901)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا تَعُدُّونَ الشَّهِيدَ فِيكُمْ؟" قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ قَالَ: إِنَّ شُهَدَاءَ أُمَّتِي إِذًا لِقَلِيلٌ: مَنْ قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِي الطَّاعُونِ فَهُوَ شَهِيدٌ وَمَنْ مَاتَ فِي الْبَطْنِ فهوَ شهيدٌ . رَوَاهُ مُسلم
৩৮১১-[২৫] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যকার কাকে তোমরা শহীদ বলে মনে কর? সাহাবীগণ সমস্বরে বলে উঠল, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে নিহত হয়, সেই শহীদ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তাহলে তো আমার উম্মাতের মধ্যে শাহীদের সংখ্যা খুবই নগণ্য হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করে, সে শহীদ; যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে নিয়োজিত থেকে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করে সেও শহীদ এবং যে ব্যক্তি পেস্নগরোগে মৃত্যুবরণ করে, সেও শহীদ। আর যে ব্যক্তি পেটের পীড়ায় মৃত্যুবরণ করে, সেও শহীদ। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1915/165)
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَا مِنْ غَازِيَة أَو سَرِيَّة تغزو فتغتنم وَتَسْلَمُ إِلَّا كَانُوا قَدْ تَعَجَّلُوا ثُلُثَيْ أُجُورِهِمْ وَمَا مِنْ غَازِيَةٍ أَوْ سَرِيَّةٍ تَخْفُقُ وَتُصَابُ إِلَّا تمّ أُجُورهم" . رَوَاهُ مُسلم
৩৮১২-[২৬] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর পথে মুজাহিদগণ সংখ্যায় বেশি হোক বা কম হোক যদি জিহাদে জয়ী হয়ে গনীমাতের মালসহ নিরাপদে বাড়ী ফিরে আসে, তবে তারা জিহাদের সাওয়াবের দুই-তৃতীয়াংশ দুনিয়াতেই লাভ করল। আর যে কোনো ক্ষুদ্র দল বা বৃহৎ দল যদি তারা গনীমাত লাভে বঞ্চিত হয় এবং জান-মালের ক্ষতিসাধন হয় অথবা শহীদ হয় বা আহত হয়, তবে তারা পরিপূর্ণ সাওয়াবের অধিকারী হবে। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1906/154)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ مَاتَ وَلَمْ يَغْزُو وَلَمْ يُحَدِّثْ بِهِ نَفْسَهُ مَاتَ عَلَى شُعْبَةٍ نفاق" . رَوَاهُ مُسلم
৩৮১৩-[২৭] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জিহাদে অংশগ্রহণ করেনি এবং জিহাদের নিয়্যাত না করে মৃত্যুবরণ করে, সে প্রকৃতপক্ষে মুনাফিক হয়েই মৃত্যুবরণ করল। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1910/158)
وَعَن أبي مُوسَى قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: الرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِلْمَغْنَمِ وَالرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِلذِّكْرِ وَالرَّجُلُ يُقَاتِلُ لِيُرَى مَكَانُهُ فَمَنْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: "مَنْ قَاتَلَ لِتَكُونَ كَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا فَهُوَ فِي سَبِيلِ الله"
৩৮১৪-[২৮] আবূ মূসা আল আশ্’আরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, এমন কেউ যদি গনীমাতের ধন-মালের লাভের প্রত্যাশায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে, কেউ সুনাম সুখ্যাতি (তথা মুজাহিদ নাম) অর্জনের প্রত্যাশায় যুদ্ধ করে, আর কেউ আছে বীরত্ব প্রদর্শনের (তথা যোদ্ধা হওয়ার) অহমিকায় যুদ্ধ করে- এদের মধ্যে কোন্ ব্যক্তি সর্বোত্তম? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি শুধুমাত্র আল্লাহর বাণী-বিধান (ইসলাম) প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ করে, সে-ই শুধু আল্লাহর পথে জিহাদ করে। (বুখারী, মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2810) و مسلم (1904/149)
وَعَنْ أَنَسٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجَعَ مِنْ غَزْوَةِ تَبُوكَ فَدَنَا مِنَ الْمَدِينَةِ فَقَالَ: "إِنَّ بِالْمَدِينَةِ أَقْوَامًا مَا سِرْتُمْ مَسِيرًا وَلَا قَطَعْتُمْ وَادِيًا إِلَّا كَانُوا مَعَكُمْ" . وَفِي رِوَايَةٍ: "إِلَّا شَرِكُوكُمْ فِي الْأَجْرِ" . قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَهُمْ بِالْمَدِينَةِ؟ قَالَ: "وهُم بالمدينةِ حَبسهم الْعذر" . رَوَاهُ البُخَارِيّ
৩৮১৫-[২৯] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবূক যুদ্ধ হতে ফিরে যখন মদীনার সন্নিকটবর্তী হলেন তখন বললেন, এমন কিছু সংখ্যক লোক মদীনায় রয়ে গেছে। তোমরা সফরে যে সকল ভূমি বা উপত্যকায় যেখানে যেখানে গমন করেছ, তারা সর্বাবস্থায় তোমাদের সঙ্গে ছিল।
অপর বর্ণনায় রয়েছে, তারা তোমাদের সাথে সাওয়াব লাভে শরীক ছিল। উপস্থিত সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! তারা মদীনায় অবস্থান করে আমাদের সাথে কিভাবে শরীক হয়েছে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, তারা মদীনাতেই অবস্থানরত; তাদের (শারীরিক ও আর্থিক) অসামর্থ্যই (অপারগতা) তোমাদের সাথে যেতে বিরত রেখেছে। (বুখারী, মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (4423)
وَرَوَاهُ مُسلم عَن جَابر
৩৮১৬-[৩০] আর ইমাম মুসলিম-এর হাদীসটি জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (1911/159)
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَأْذَنَهُ فِي الْجِهَادِ فَقَالَ: "أَحَي والدك؟" قَالَ: نَعَمْ قَالَ: "فَفِيهِمَا فَجَاهِدْ" . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ: "فَارْجِعْ إِلَى وَالِدَيْكَ فَأَحْسِنْ صُحْبَتَهُمَا"
৩৮১৭-[৩১] ’আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিহাদে অংশগ্রহণের অনুমতি চাইল। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মাতা-পিতা কি জীবিত আছে? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যাও তাদের (খিদমাতের) মধ্যে জিহাদ কর। (বুখারী, মুসলিম)
অন্য বর্ণনায় আছে, তুমি তোমার মাতা-পিতার নিকট ফিরে যাও এবং সর্বদা তাদের সাথে সদাচরণ কর।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (3004) و مسلم (2549/5)
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْم الْفَتْح: ( "اهجرة بَعْدَ الْفَتْحِ وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فانفروا"
৩৮১৮-[৩২] ইবনু ’আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন বললেনঃ মক্কা বিজয়ের পরে আর হিজরত নেই (ফরয নয়), শুধু জিহাদ ও নিয়্যাত ব্যতীত। অতঃপর যখনই তোমাদেরকে জিহাদের জন্য আহবান করা হবে, তখনই তোমরা যুদ্ধ করার জন্য বের হয়ে যাবে। (বুখারী, মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2783) و مسلم (445/ 1353)
عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "لَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي يُقَاتِلُونَ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ عَلَى مَنْ نَاوَأَهُمْ حَتَّى يُقَاتِلَ آخِرُهُمُ الْمَسِيحَ الدَّجَّالَ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৩৮১৯-[৩৩] ’ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে সর্বদা একটি দল সত্যের উপর অটল-অবিচল থেকে শত্রুর মুকাবিলায় সংগ্রাম করতে থাকবে এবং তাদের বিরুদ্ধবাদীদের ওপর বিজয়ী হবে। এমনিভাবে উম্মাতের শেষ দল মাসীহ দাজ্জালের (সত্য-মিথ্যার আন্দোলনে) সাথেও লড়াই-সংগ্রাম করতে থাকবে। (আবূ দাঊদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ أبو داود (2484)
وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: "مَنْ لَمْ يَغْزُ وَلَمْ يُجَهِّزْ غَازِيًا أَوْ يَخْلُفْ غَازِيًا فِي أَهْلِهِ بِخَيْرٍ أَصَابَهُ اللَّهُ بِقَارِعَةٍ قَبْلَ يَوْمِ الْقِيَامَةِ" . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৩৮২০-[৩৪] আবূ উমামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজে জিহাদে অংশগ্রহণ করল না, মুজাহিদদের যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবস্থাও করল না এবং কোনো মুজাহিদের অবর্তমানে তার পরিবার-পরিজনের তত্ত্বাবধান (দেখাশোনা) করল না, আল্লাহ তা’আলা তাকে কিয়ামতের পূর্বে (দুনিয়াতেই) কঠিন বিপদাপদে নিপতিত করবেন। (আবূ দাঊদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2503)