হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (5415)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَخْرُجَ رَجُلٌ مِنْ قَحْطَانَ يَسُوقُ النَّاسَ بعصاه» . مُتَّفق عَلَيْهِ




৫৪১৫-[৬] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: কিয়ামত কায়িম হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না ’কাহতান’ গোত্র হতে এক ব্যক্তির আগমন ঘটবে, সে লোকেদেরকে লাঠি দ্বারা হাঁকিয়ে নিয়ে যাবে। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (3517) و مسلم (60/ 2910)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5416)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " لَا تَذْهَبُ الْأَيَّامُ وَاللَّيَالِي حَتَّى يَمْلِكَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: الْجَهْجَاهُ ". وَفِي رِوَايَةٍ: " حَتَّى يَمْلِكَ رَجُلٌ مِنَ الْمَوَالِي يُقَالُ لَهُ: الجَهجاه ". رَوَاهُ مُسلم




৫৪১৬-[৭] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: জাহজাহ নামক এক লোক মানুষের শাসক না হওয়া পর্যন্ত রাত্র-দিনের আবর্তন শেষ হবে না (কিয়ামত হবে)। অপর এক বর্ণনায় আছে, যে যাবৎ গোলাম বংশ হতে ’জাহজাহ’ নামক এক ব্যক্তি শাসক না হবে। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (61/ 2911)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5417)


وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَتَفْتَحَنَّ عِصَابَةٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ كَنْزَ آلِ كِسْرَى الَّذِي فِي الْأَبْيَض» . رَوَاهُ مُسلم




৫৪১৭-[৮] জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি। [রাসূল (সা.) বলেছেন] নিশ্চয় মুসলিমদের এক দল ’কিসরার’ (পারস্যের) সম্রাট বংশের গোপন সম্পদ জয় করবে যা একটি শ্বেত প্রাসাদে রক্ষিত রয়েছে। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (78/ 2919)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5418)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «هَلَكَ كِسْرَى فَلَا يَكُونُ كِسْرَى بَعْدَهُ وَقَيْصَرُ لِيَهْلِكَنَّ ثُمَّ لَا يَكُونُ قَيْصَرُ بَعْدَهُ وَلَتُقْسَمَنَّ كُنُوزُهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ» وَسَمَّى «الْحَرْبُ خُدْعَةٌ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ




৫৪১৮-[৯] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: (পারস্য সম্রাট) কিসরা নিশ্চিতভাবে ধ্বংস হবে, অতঃপর আর কেউই কিসরা হবে না। আর শীঘ্রই (রোম সম্রাট) কায়সার ধ্বংস হবে, অতঃপর আর কেউই কায়সার হবে না। এটাও অবশ্যম্ভাবী যে, তাদের রক্ষিত ধন-সম্পদ বিজিত হয়ে আল্লাহর রাস্তায় বণ্টিত হবে। আর তিনি (সা.) যুদ্ধকে প্রতারণা বলে অভিহিত করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (3027۔ 3028) و مسلم (76 / 2918)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5419)


وَعَنْ نَافِعِ بْنِ عُتْبَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَغْزُونَ جَزِيرَةَ الْعَرَبِ فَيَفْتَحُهَا اللَّهُ ثُمَّ فَارِسَ فَيَفْتَحُهَا اللَّهُ ثُمَّ تَغْزُونَ الرُّومَ فَيَفْتَحُهَا اللَّهُ ثُمَّ تَغْزُونَ الدَّجَّال فيفتحه الله» . رَوَاهُ مُسلم




৫৪১৯-[১০] নাফি’ ইবনু ’উতবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমরা ’আরব উপদ্বীপে যুদ্ধ অভিযান চালাবে এবং আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে তাতে বিজয়ী করবেন। অতঃপর পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, তাতেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে জয়যুক্ত করবেন। তারপর রূমকদের (রোমানদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, এটাতেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে জয়যুক্ত করবেন। অবশেষে তোমরা দাজ্জালের বিরুদ্ধে লড়াই করবে, তাতেও আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে বিজয়ী করবেন। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (38/ 2900)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5420)


وَعَن عَوْف بن مَالك قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةٍ تَبُوكَ وَهُوَ فِي قُبَّةٍ مِنْ أَدَمٍ فَقَالَ: " اعْدُدْ سِتًّا بَيْنَ يَدَيِ السَّاعَةِ: مَوْتِي ثُمَّ فَتْحُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ مُوتَانٌ يَأْخُذُ فِيكُمْ كَقُعَاصِ الْغَنَمِ ثُمَّ اسْتِفَاضَةُ الْمَالِ حَتَّى يُعْطَى الرَّجُلُ مِائَةَ دِينَارٍ فَيَظَلُّ سَاخِطًا ثُمَّ فِتْنَةٌ لَا يَبْقَى بَيْتٌ مِنَ الْعَرَبِ إِلَّا دَخَلَتْهُ ثُمَّ هُدْنَةٌ تَكُونُ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ بَنِي الْأَصْفَرِ فَيَغْدِرُونَ فَيَأْتُونَكُمْ تَحْتَ ثَمَانِينَ غَايَةً تَحْتَ كُلِّ غَايَةٍ اثْنَا عَشَرَ أَلْفًا ". رَوَاهُ البُخَارِيّ




৫৪২০-[১১] ’আওফ ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধের সময় আমি নবী (সা.) -এর খিদমতে আসলাম। এ সময় তিনি (সা.) একটি চামড়ার তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। তখন তিনি (সা.) বললেন কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শনকে তুমি গণনা করে রাখ।
১. আমার মৃত্যু।
২. অতঃপর বায়তুল মাক্বদিস বিজয়।
৩. ব্যাপক মহামারি যা তোমাদেরকে বকরির মড়কের মতো আক্রমণ করবে।
৪. ৫. ধনসম্পদের এত প্রাচুর্য হবে যে, কোন ব্যক্তিকে একশত দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) প্রদান করলেও সে (নগণ্য মনে করে) অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে।
৬. অতঃপর রূমকদের (রোমানদের) সাথে তোমাদের একটি সন্ধিচুক্তি হবে, পরে তারা উক্ত চুক্তি ভঙ্গ করে তোমাদের বিরুদ্ধে আশিটি পতাকার নীচে অবস্থান নিয়ে বারো হাজার করে সৈন্য থাকবে। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3176)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5421)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَنْزِلَ الرُّومُ بِالْأَعْمَاقِ أَوْ بِدَابِقَ فَيَخْرُجُ إِلَيْهِمْ جَيْشٌ مِنَ الْمَدِينَةِ مِنْ خِيَارِ أَهْلِ الْأَرْضِ يَوْمَئِذٍ فَإِذَا تَصَافُّوا قَالَتِ الرُّومُ: خَلُّوا بَيْنَنَا وَبَيْنَ الَّذِينَ سَبَوْا مِنَّا نُقَاتِلْهُمْ فَيَقُولُ الْمُسْلِمُونَ: لَا وَاللَّهِ لَا نُخَلِّي بَيْنَكُمْ وَبَيْنَ إِخْوَانِنَا فَيُقَاتِلُونَهُمْ فَيَنْهَزِمُ ثُلُثٌ لَا يَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ أَبَدًا وَيُقْتَلُ ثُلُثُهُمْ أَفْضَلُ الشُّهَدَاءِ عِنْدَ اللَّهِ وَيَفْتَتِحُ الثُّلُثُ لَا يُفْتَنُونَ أَبَدًا فَيَفْتَتِحُونَ قسطنطينية فَبينا هُمْ يَقْتَسِمُونَ الْغَنَائِمَ قَدْ عَلَّقُوا سُيُوفَهُمْ بِالزَّيْتُونِ إِذْ صَاحَ فِيهِمُ الشَّيْطَانُ: إِنَّ الْمَسِيحَ قَدْ خَلَفَكُمْ فِي أَهْلِيكُمْ فَيَخْرُجُونَ وَذَلِكَ بَاطِلٌ فَإِذَا جاؤوا الشامَ خرجَ فَبينا هُمْ يُعِدُّونَ لِلْقِتَالِ يُسَوُّونَ الصُّفُوفَ إِذْ أُقِيمَتِ الصَّلَاة فَينزل عِيسَى بن مَرْيَمَ فَأَمَّهُمْ فَإِذَا رَآهُ عَدُوُّ اللَّهِ ذَابَ كَمَا يَذُوبُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ فَلَوْ تَرَكَهُ لَانْذَابَ حَتَّى يَهْلِكَ وَلَكِنْ يَقْتُلُهُ اللَّهُ بِيَدِهِ فيريهم دَمه فِي حربته ". رَوَاهُ مُسلم




৫৪২১-[১২] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না রূমকগণ (রোমানগন) (মুসলিমদের বিরুদ্ধে) আ’মাক অথবা দাবিক নামক স্থানে অবতরণ করবে এবং মদীনার তৎকালীন উত্তম লোকদের একটি সেনাদল তাদের মোকাবিলায় বের হবে। যুদ্ধের জন্য যখন মুসলিমগণ সারিবদ্ধ হবে, তখন রূমকগণ বলবে, তোমাদের যারা আমাদের সাথে যুদ্ধ করে আমাদের কিছু সংখ্যক লোকজনকে বন্দি করে নিয়ে এসেছ। তাদের সাথে আমরা যুদ্ধ করব। মুসলিমগণ বলবেন, আল্লাহর শপথ! এটা কখনো হতে পারে না। আমরা আমাদের সেই সকল মুসলিম ভাইদেরকে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য ছেড়ে দিতে পারি না। এরপর মুসলিমগণ রূমক কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, কিন্তু মুসলিমদের এক-তৃতীয়াংশ রূমকদের মোকাবিলা থেকে পলায়ন করবে। আল্লাহ তা’আলা এই পলায়নকারীদের তাওবাহ্ কখনো গ্রহণ করবেন না। আর এক তৃতীয়াংশ নিহত হবে, তারা আল্লাহ তা’আলার নিকট উত্তম শহীদ হিসেবে গণ্য হবে। আর এক-তৃতীয়াংশ রূমকদের ওপর বিজয়ী হবে, আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে কখনো ফিতনায় ফেলবেন না। অবশেষে তারাই কনস্টান্টিনোপল জয় করবে। অতঃপর যখন তারা গনীমতের মাল-সম্পদ ভাগ করণে ব্যস্ত হবে এবং তাদের তরবারিসমূহ যায়তুন গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখবে, ঠিক এ সময় হঠাৎ শয়তান এ ঘোষণা দেবে যে, তোমাদের অনুপস্থিতিতে মাসীহে দাজ্জাল তোমাদের বাড়িঘরে ঢুকে পড়েছে। এতদশ্রবণে মদীনার সেই সেনাদল সেদিকে বের হয়ে পড়বে। অথচ সেই ঘোষণাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। যখন মুসলিমগণ কনস্টান্টিনোপল ছেড়ে সিরিয়ায় প্রবেশ করবে তখনই দাজ্জালের আগমন ঘটবে। এ সময় মুসলিমগণ দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে প্রস্তুতি নিতে থাকবে এবং সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যাবে, তৎক্ষণাৎ সালাতের উদ্দেশে (মুয়াযযিন কর্তৃক) ইকামত দেয়া হবে এবং এ মূহুর্তে ’ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) আকাশ থেকে (দামিশকের জামে মসজিদের মিনারায়) অবতরণ করবেন এবং মুসলিমদের ইমামতি করে সলাত আদায় করাবেন। অতঃপর যখন আল্লাহর শত্রু (দাজ্জাল) তাঁকে দেখতে পাবে, তখন সে এমনিভাবে গলে যেতে থাকবে যেমনিভাবে লবণ পানিতে গলে যায়। আর যদি ঈসা (আঃ) তাকে এমনিতেই ছেড়ে দিতেন, তবুও সে এমনিতেই গলে ধ্বংস হয়ে যেত, কিন্তু আল্লাহ তা’আলা তাকে ’ঈসা (আঃ) যে বর্শা দিয়ে তাকে হত্যা করবেন, রক্তমাখা সে বর্শাটি তিনি লোকেদের সকলকেই দেখাবেন। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (34/ 2897)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5422)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: إِنَّ الساعةَ لَا تقومُ حَتَّى لَا يُقْسَمَ ميراثٌ وَلَا يُفْرَحَ بِغَنِيمَةٍ. ثُمَّ قَالَ: عَدُوٌّ يَجْمَعُونَ لِأَهْلِ الشَّامِ وَيَجْمَعُ لَهُمْ أَهْلُ الْإِسْلَامِ (يَعْنِي الرّوم) فيتشرَّطُ الْمُسْلِمُونَ شُرْطَةً لِلْمَوْتِ لَا تَرْجِعُ إِلَّا غَالِبَةً فَيَقْتَتِلُونَ حَتَّى يَحْجِزَ بَيْنَهُمُ اللَّيْلُ فَيَفِيءُ هَؤُلَاءِ وَهَؤُلَاء كل غير غَالب وتفنى الشرطة ثمَّ يَتَشَرَّطُ الْمُسْلِمُونَ شُرْطَةً لِلْمَوْتِ لَا تَرْجِعُ إِلَّا غالبة فيقتتلون حت يَحْجِزَ بَيْنَهُمُ اللَّيْلُ فَيَفِيءُ هَؤُلَاءِ وَهَؤُلَاءِ كُلٌّ غير غَالب وتفنى الشرطة ثمَّ يشْتَرط الْمُسْلِمُونَ شُرْطَةً لِلْمَوْتِ لَا تَرْجِعُ إِلَّا غَالِبَةً فيقتتلون حَتَّى يُمْسُوا فَيَفِيءُ هَؤُلَاءِ وَهَؤُلَاءِ كُلٌّ غَيْرُ غَالِبٍ وَتَفْنَى الشُّرْطَةُ فَإِذَا كَانَ يَوْمُ الرَّابِعِ نَهَد إِليهم بقيةُ أهلِ الإِسلام فيجعلُ الله الدَبَرةَ عَلَيْهِم فيقتلون مَقْتَلَةً لَمْ يُرَ مِثْلُهَا حَتَّى إِنَّ الطَّائِرَ ليمر يجنابتهم فَلَا يُخَلِّفُهُمْ حَتَّى يَخِرَّ مَيِّتًا فَيَتَعَادَّ بَنُو الْأَبِ كَانُوا مِائَةً فَلَا يَجِدُونَهُ بَقِيَ مِنْهُمْ إِلَّا الرَّجُلُ الْوَاحِدُ فَبِأَيِّ غَنِيمَةٍ يُفْرَحُ أَوْ أيّ مِيرَاث يقسم؟ فَبينا هُمْ كَذَلِكَ إِذْ سَمِعُوا بِبَأْسٍ هُوَ أَكْبَرُ مِنْ ذَلِكَ فَجَاءَهُمُ الصَّرِيخُ: أَنَّ الدَّجَّالَ قَدْ خَلَفَهُمْ فِي ذَرَارِيِّهِمْ فَيَرْفُضُونَ مَا فِي أَيْدِيهِمْ وَيُقْبِلُونَ فَيَبْعَثُونَ عَشْرَ فَوَارِسَ طَلِيعَةً ". قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنِّي لَأَعْرِفُ أَسْمَاءَهُمْ وَأَسْمَاءَ آبَائِهِمْ وَأَلْوَانَ خُيُولِهِمْ هُمْ خَيْرُ فَوَارِسَ أَوْ مِنْ خَيْرِ فَوَارِسَ عَلَى ظَهْرِ الأَرْض يَوْمئِذٍ» . رَوَاهُ مُسلم




৫৪২২-[১৩] ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিয়ামত ততক্ষণ সংঘটিত হবে না, যে পর্যন্ত মীরাস ভাগ করা হবে না এবং গনীমতের মালেও লোকেরা খুশি হবে না। অতঃপর ইবনু মাস’উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (এটার ব্যাখ্যায়) বলেছেন, শত্রু অর্থাৎ রূমক (রোমান) নাসারাগণ সিরিয়ার মুসলিমদের বিরুদ্ধে এক বিরাট সেনাদলের সমাবেশ করবে। আর মুসলিমগণও রূমকদের মোকাবিলায় এক বিরাট বাহিনী একত্রিত করবে। অতঃপর মুসলিমগণ নিজেদের একটি দলকে নির্বাচন করে শত্রুর মোকাবিলায় মৃত্যু অবধি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠিয়ে দেবে, পূর্ণ বিজয় লাভ না করে যারা প্রত্যাবর্তন করবে না। তারপর উভয়পক্ষ যুদ্ধ করতে থাকবে রাত্রের আঁধার নেমে বাধা সৃষ্টি না করা পর্যন্ত। অতঃপর উভয়পক্ষের প্রত্যেকেই আপন আপন শিবিরে ফিরে আসবে। কেউই কারো ওপর বিজয়ী হবে না। অবশ্য উভয় সেনাদলের অগ্রবর্তী সৈন্যরা সকলেই নিহত হয়ে যাবে। অতঃপর (দ্বিতীয় দিন) মুসলিমগণ নিজেদের একটি দলকে নির্বাচন করে মৃত্যু অবধি যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য পাঠাবে, যারা বিজয়ী হওয়া ছাড়া ফিরে আসবে না বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবে, তারপর উভয়পক্ষ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। অবশেষে রাত্র তাদের মধ্যে আড়াল হয়ে যাবে এবং উভয় দলই বিজয় ছাড়া ফিরে আসবে। এদের অগ্রবর্তী দলও নিহত হয়ে যাবে। এরপর তৃতীয় দিনও মুসলিমগণ একদল সৈন্য পাঠাবে এবং বিজয়ী হওয়া ব্যতীত ফিরে আসবে না বলে প্রতিজ্ঞা করবে। অতঃপর সন্ধ্যা পর্যন্ত উভয়পক্ষ যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। পরিশেষে উভয়পক্ষই বিজয়ী হওয়া ছাড়া ফিরে আসবে। এদের অগ্রবর্তী দলটিও বিলীন হয়ে যাবে। অতঃপর চতুর্থ দিন মুসলিমদের অবশিষ্ট সকলেই একত্রে মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে, তখন আল্লাহ তা’আলা কাফিরদেরকে পরাজিত করে মুসলিমদেরকে তাদের ওপর বিজয় দান করবেন।
এ যুদ্ধে মুসলিমগণ এমন লড়াই করবে যে, ইতোপূর্বে এরূপ ঘোরতম যুদ্ধ আর কখনো দেখা যায়নি। এমনকি যদি কোন উড়ন্ত পাখি লড়াইয়ের ময়দানের কাছ দিয়ে অতিক্রম করে, তাহলে তা সেনাদলকে পিছনে ফেলতে সক্ষম হবে না, বরং তা মরে পড়ে যাবে (পঁচা লাশের দুর্গন্ধের কারণে অথবা যুদ্ধেক্ষেত্র অতিক্রম করতে অক্ষম হওয়ার কারণে) কোন পিতা বা পরিবারের একশত সন্তান থাকলে যুদ্ধ শেষে গুণে দেখবে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি লোক বেঁচে আছে। এমতাবস্থায় কিভাবে গনীমাতের সম্পদ দ্বারা কোন ব্যক্তি আনন্দিত হতে পারে? আর কারই বা মীরাস বণ্টিত হবে? মুসলিমগণ এ অবস্থায় থাকতেই সহসা এটা অপেক্ষা আরো একটি বিরাট যুদ্ধের সংবাদ শুনতে পাবে। তারা এ ঘোষণা শুনতে পাবে যে, তাদের অনুপস্থিতিতে দাজ্জাল (সদলবলে) তাদের পরিবার-পরিজনদের মাঝে পৌছে গেছে। এ সংবাদ শ্রবণমাত্রই তাদের হাতে যা কিছু ছিল তা সেখানে ফেলে দিয়েই দাজ্জালের উদ্দেশে ছুটে চলবে এবং শত্রুর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার জন্য দশজন অশ্বারোহীকে অগ্রগামী হিসেবে পাঠাবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) ও বলেছেন, যে দশজন অশ্বারোহীকে অগ্রগামী হিসেবে পাঠানো হবে নিশ্চিতভাবে আমি তাদের ও তাদের বাপ-দাদাদের নাম-ধাম এবং তাদের অশ্বগুলোর বর্ণ কিরূপ হবে তা অবগত আছি। তারা হবে সর্বাপেক্ষা উত্তম অশ্বারোহী। অথবা বলেছেন, তৎকালীন ভূপৃষ্ঠের উত্তম আরোহীদের অন্যতম। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (37/ 2899)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5423)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «هَلْ سَمِعْتُمْ بِمَدِينَةٍ جَانِبٌ مِنْهَا فِي الْبَرِّ وَجَانِبٌ مِنْهَا فِي الْبَحْرِ؟» قَالُوا: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: " لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَغْزُوَهَا سَبْعُونَ أَلْفًا مِنْ بني إِسحاق فَإِذا جاؤوها نَزَلُوا فَلَمْ يُقَاتِلُوا بِسِلَاحٍ وَلَمْ يَرْمُوا بِسَهْمٍ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ فَيَسْقُطُ أحدُ جانبيها.قالَ ثورُ بنُ يزِيد الرَّاوِي: لَا أَعْلَمُهُ إِلَّا قَالَ -: " الَّذِي فِي الْبَحْر يَقُولُونَ الثَّانِيَةَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ فَيَسْقُطُ جَانِبُهَا الْآخَرُ ثُمَّ يَقُولُونَ الثَّالِثَةَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ فَيُفَرَّجُ لَهُم فيدخلونها فيغنمون فَبينا هُمْ يَقْتَسِمُونَ الْمَغَانِمَ إِذْ جَاءَهُمُ الصَّرِيخُ فَقَالَ: إِنَّ الدَّجَّالَ قَدْ خَرَجَ فَيَتْرُكُونَ كُلَّ شَيْءٍ ويرجعون ". رَوَاهُ مُسلم




৫৪২৩-[১৪] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) বলেছেন: তোমরা কি এমন একটি শহরের নাম শুনেছ, যার একদিকে খোলা ময়দান এবং অপরদিকে সাগর রয়েছে? তারা বললেন, হ্যা শুনেছি, হে আল্লাহর রাসূল (সা.)! তিনি (সা.) বললেন, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না ইসহাক (আঃ)-এর বংশধরের সত্তর হাজার লোক উক্ত শহরে যুদ্ধ করবে। তারা যখন তথায় আসবে তখন তারা এর আশেপাশে অবস্থান করবে, কিন্তু অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করবে না এবং কোন বর্শা তীরও নিক্ষেপ করবে না। বরং তার শুধুমাত্র ’লা- ইলা-হা ইল্লা-হু ওয়াল্লহু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করবে। শহরের এক পার্শ্বের প্রাচীর এতেই ভেঙ্গে পড়বে। বর্ণনাকারী সাওর ইবনু ইয়াযীদ বলেন, আমার ধারণা, রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] বলেছেন। (প্রথম ধ্বনিতে) সাগর পার্শ্বের দেয়ালটি ভেঙ্গে পড়বে। অতঃপর তারা দ্বিতীয়বার ’লা- ইলা-হা ইল্লাল্লহু ওয়াল্লা-হু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করবে। এবার অপর দিকের প্রাচীরটি (যা ময়দানের দিকে ছিল) ভেঙ্গে পড়বে। তারপর যখন তৃতীয়বার তারা লা- ইলা-হা ইল্লাল্লহু ওয়াল্লহু আকবার’ বলে তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করবে, তখন শহরের প্রবেশ দ্বারটি বিস্তৃত হয়ে যাবে এবং তারা এতে প্রবেশ করবে, আর গনীমাত সংগ্রহ করতে থাকবে। তারা যখন এ গনীমাতের সম্পদ বণ্টনে ব্যস্ত হবে, তখন হঠাৎ ঘোষণা শুনতে পাবে। যে, দাজ্জালের আবির্ভাব হয়েছে। তখন তারা সেই সমস্ত ধন-সম্পদ ফেলে দাজ্জালের মোকাবিলায় ফিরে আসবে। (মুসলিম)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (78/ 2920)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5424)


عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عُمْرَانُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ خَرَابُ يَثْرِبَ وَخَرَابُ يَثْرِبَ خُرُوجُ الْمَلْحَمَةِ وَخُرُوجُ الْمَلْحَمَةِ فَتْحُ قُسْطَنْطِينِيَّةَ وَفَتْحُ قُسْطَنْطِينِيَّةَ خُرُوجُ الدَّجَّال» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৫৪২৪-[১৫] মু’আয ইবনু জাবাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: বায়তুল মাকদিসের পার্থিব উন্নতি মদীনাহ্ ধ্বংস হওয়ার কারণ হবে। আর মদীনার ধ্বংস বিভিন্ন ফিতনাহ্ ও মহাযুদ্ধের সূচনা করবে এবং মহাযুদ্ধ কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পূর্ব সংকেত হবে, আর কনস্টান্টিনোপলের বিজয় হবে দাজ্জালের আবির্ভাবের পূর্ব সংকেত। (আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ أبو داود (4294)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5425)


وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «الملحمة الْعُظْمَى وَفتح القسطنطينة وَخُرُوجُ الدَّجَّالِ فِي سَبْعَةِ أَشْهُرٍ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُد




৫৪২৫-[১৬] উক্ত রাবী [মু’আয ইবনু জাবাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: মহাযুদ্ধ, কনস্টান্টিনোপল বিজয় এবং দাজ্জালের আবির্ভাব সাত মাসের মধ্যে সংঘটিত হবে। (তিরমিযী ও আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2238 وقال: حسن) و أبو داود (4295)، [و ابن ماجہ (4092)] ٭ أبو بکر بن أبي مریم: ضعیف و کان قدسرق بیتہ فاختلط و، شیخہ مجھول و یزید بن قتیب مجھول الحال .









মিশকাতুল মাসাবিহ (5426)


وَعَن عبد الله بن بُسر أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «بَيْنَ الْمَلْحَمَةِ وَفَتْحِ الْمَدِينَةِ سِتُّ سِنِينَ وَيَخْرُجُ الدَّجَّالُ فِي السَّابِعَةِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَقَالَ: هَذَا أصح




৫৪২৬-[১৭] ’আবদুল্লাহ ইবনু বুসর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: বিশ্বযুদ্ধ ও মদীনার (শহরটির) বিজয়ের মধ্যে ছয় বছরের ব্যবধান হবে এবং সপ্তম বছরে দাজ্জালের আগমন ঘটবে। [ইমাম আবূ দাউদ (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, এ হাদীসটি অধিক সহীহ]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (4296) [و ابن ماجہ (4093)] ٭ ابن، أبي بلال لم یوثقہ غیر ابن حبان .









মিশকাতুল মাসাবিহ (5427)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: يُوشِكُ الْمُسْلِمُونَ أَنْ يُحَاصَرُوا إِلَى الْمَدِينَةِ حَتَّى يَكُونَ أَبْعَدَ مَسَالِحِهِمْ سَلَاحٌ وَسَلَاحٌ: قَرِيبٌ مِنْ خَيْبَرَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৫৪২৭-[১৮] ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, অদূর ভবিষ্যতে মুসলিমগণ মদীনায় ঘেরাও হবে এবং তাদের দূর প্রান্তসীমা হবে সালাহ পর্যন্ত। আর ’সালাহ’ হলো খায়বারের নিকটবর্তী একটি জায়গার নাম। (আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ أبو داود (4250) [و الحاکم (4/ 511 ح 8560) و صححہ علی، شرط مسلم ووافقہ الذہبي و سندہ حسن]









মিশকাতুল মাসাবিহ (5428)


وَعَن ذِي مِخبَرٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " سَتُصَالِحُونَ الرُّومَ صُلْحًا آمِنًا فَتَغْزُونَ أَنْتُمْ وَهُمْ عَدُوًّا مِنْ وَرَائِكُمْ فَتُنْصَرُونَ وَتَغْنَمُونَ وَتَسْلَمُونَ ثُمَّ تَرْجِعُونَ حَتَّى تَنْزِلُوا بِمَرْجٍ ذِي تُلُولٍ فَيَرْفَعُ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ النَّصْرَانِيَّةِ الصَّلِيبَ فَيَقُولُ: غَلَبَ الصَّلِيبُ فَيَغْضَبُ رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَيَدُقُّهُ فَعِنْدَ ذَلِكَ تَغْدِرُ الرُّومُ وَتَجْمَعُ لِلْمَلْحَمَةِ " وَزَادَ بَعْضُهُمْ: «فَيَثُورُ الْمُسْلِمُونَ إِلَى أَسْلِحَتِهِمْ فَيَقْتَتِلُونَ فيكرم الله تِلْكَ الْعِصَابَة بِالشَّهَادَةِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৫৪২৮-[১৯] যূ-মিখবার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি, অদর ভবিষ্যতে তোমরা রূমকদের (রোমানদের) সাথে একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদন করবে। অতঃপর তোমরা ও তারা একসঙ্গে অপর একটি শত্রুদলের মোকাবিলা করবে। তাতে (আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে) তোমাদেরকে সাহায্য করা হবে, তোমরা গনীমতও লাভ করবে এবং নিরাপদে থাকবে। তারপর তোমরা (উভয় দল) ফিরে আসবে, অবশেষে তোমরা টিলাযুক্ত একটি প্রশস্ত ও সুজলা-সুফলা স্থানে অবতরণ করবে। সেখানে খ্রিষ্টানদের এক ব্যক্তি একটি ক্রুশ উঁচু করে বলবে, ক্রুশের বরকতে আমরা বিজয় লাভ করছি। এটা শুনে মুসলিমদের এক ব্যক্তি ক্ষুদ্ধ হয়ে ক্রুশটি ভেঙ্গে ফেলবে। ফলে রূমক খ্রিষ্টানরা চুক্তি ভঙ্গ করে ফেলবে এবং ভীষণ যুদ্ধের জন্য বিরাট সেনাবাহিনী একত্রিত করবে। কোন কোন বর্ণনাকারী অতিরিক্ত বলেছেন, তখন মুসলিমগণ সাথে সাথে আপন অস্ত্রসমূহ ধারণ করবে এবং যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। অবশেষে আল্লাহ তা’আলা এ দলকে শাহাদাতের দ্বারা সম্মানিত করবেন। (আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ أبو داود (4292۔ 4293)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5429)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «اتْرُكُوا الْحَبَشَةَ مَا تَرَكُوكُمْ فَإِنَّهُ لَا يَسْتَخْرِجُ كَنْزَ الْكَعْبَةِ إِلَّا ذُو السُّوَيْقَتَيْنِ مِنَ الْحَبَشَةِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৫৪২৯-[২০] ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সা.) বলেছেন: তোমরা হাবশীদের এড়িয়ে চল যে পর্যন্ত তারা তোমাদের ওপর আক্রমণ না করে। কেননা (এমন এক সময় আসবে) ক্ষুদ্র পা-বিশিষ্ট এক হাবশী ব্যক্তিই কা’বার নিচের লুক্কায়িত সম্পদ বের করবে। (আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (4309)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5430)


وَعَنْ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «دَعُوا الْحَبَشَةَ مَا وَدَعُوكُمْ وَاتْرُكُوا التُّرْكَ مَا تَرَكُوكُمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيّ




৫৪৩০-[২১] নবী (সা.)-এর জনৈক সাহাবী হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাবশীদেরকে ততক্ষণ পর্যন্ত ছেড়ে রাখ, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের ওপর আক্রমণ না করে। আর (অনুরূপভাবে) তুর্কীদেরকেও ছেড়ে রাখ, যে পর্যন্ত না তারা তোমাদের ওপর আক্রমণ করে। (আবূ দাউদ ও নাসায়ী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ أبو داود (4302) و النسائي (6/ 44 ح 3178 مطولاً)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5431)


وَعَنْ بُرَيْدَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَدِيثٍ: «يُقَاتِلُكُمْ قَوْمٌ صِغَارُ الْأَعْيُنِ» يَعْنِي التّرْك. قَالَ: «تسوقونهم ثَلَاث مَرَّات حَتَّى تلحقوهم بِجَزِيرَة الْعَرَب فَأَما السِّيَاقَةِ الْأُولَى فَيَنْجُو مَنْ هَرَبَ مِنْهُمْ وَأَمَّا الثَّانِيَة فينجو بعض وَيهْلك بعض وَأما الثَّالِثَةِ فَيُصْطَلَمُونَ» أَوْ كَمَا قَالَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৫৪৩১-[২২] বুরয়দাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী (সা.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (সা.) এক হাদীসে বলেছেন, ছোট চক্ষুবিশিষ্ট একদল তুর্কী তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (তারা তিনবার আক্রমণ করবে) তোমরা তিনবারই তাদেরকে ধাওয়া করবে। পরিশেষে তোমরা তাদেরকে আরব উপদ্বীপে নিয়ে পৌছিয়ে দেবে। অতএব প্রথম ধাওয়ায় যারা পলায়ন করবে, শুধু তারাই রক্ষা পাবে। আর দ্বিতীয়বারে কিছু সংখ্যক রক্ষা পাবে এবং কিছু সংখ্যক ধ্বংস হবে। আর তৃতীয়বারে (কেউই রক্ষা পাবে না, বরং) তারা সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবে। অথবা রাসূল (সা.) যে রকম বলেছেন। (আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (4305) ٭ بشیر بن المھاجر و ثقہ، الجمھور .









মিশকাতুল মাসাবিহ (5432)


وَعَن أبي بكرَة أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " يَنْزِلُ أُنَاسٌ مِنْ أُمَّتِي بِغَائِطٍ يُسَمُّونَهُ الْبَصْرَةَ عِنْدَ نَهْرٍ يُقَالُ لَهُ: دِجْلَةُ يَكُونُ عَلَيْهِ جِسْرٌ يَكْثُرُ أَهْلُهَا وَيَكُونُ مِنْ أَمْصَارِ الْمُسْلِمِينَ وَإِذَا كَانَ فِي آخِرِ الزَّمَانِ جَاءَ بَنُو قَنْطُورَاءَ عِرَاضُ الْوُجُوهِ صِغَارُ الْأَعْيُنِ حَتَّى يَنْزِلُوا عَلَى شَطِّ النَّهْرِ فَيَتَفَرَّقُ أَهْلُهَا ثَلَاثَ فِرَقٍ فِرْقَةٌ يَأْخُذُونَ فِي أَذْنَابِ الْبَقَرِ وَالْبَرِّيَّةِ وَهَلَكُوا وَفِرْقَةٌ يَأْخُذُونَ لِأَنْفُسِهِمْ وَهَلَكُوا وَفِرْقَةٌ يَجْعَلُونَ ذَرَارِيَّهُمْ خَلْفَ ظُهُورِهِمْ وَيُقَاتِلُونَهُمْ وَهُمُ الشُّهَدَاءُ ". رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৫৪৩২-[২৩] আবূ বকরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: এক সময় আমার উম্মতের কতিপয় লোক একটি নিম্নভূমিতে অবতরণ করবে, উক্ত স্থানটিকে তারা বাসরাহ্’ নামে অভিহিত করবে এবং স্থানটি হবে ’দাজলাহ্’ নামক একটি নদীর কাছে। নদীর উপরে একটি সেতু হবে। উক্ত স্থানটিতে অধিবাসীদের সংখ্যা হবে অত্যধিক। অবশেষে তা মুসলিমদের শহরসমূহের মাঝে অন্যতম একটি শহরে পরিগণিত হবে। অতঃপর শেষ যামানায় চওড়া মুখমণ্ডল ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চক্ষুবিশিষ্ট ’কনতূরার বংশধরগণ উক্ত শহরবাসীদের বিরুদ্ধে (লড়াই করার জন্য) আসবে এবং তারা উক্ত নদীর পাড়ে এসে আস্তানা গাড়বে। (তাদেরকে দেখে) শহরবাসী তিনভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে। একভাগ গবাদি পশুর পিছনে মাঠে-ময়দানে আশ্রয় নেবে (অর্থাৎ শত্রুর মোকাবিলা এড়িয়ে পশুপালন ও ক্ষেত-খামারের কাজে আত্মনিয়োগ করবে)। ফলে তারা সকলেই ধ্বংস হবে। আর একভাগ ’কনতূরার আওলাদের নিকট (আত্মসমর্পণ করে) নিরাপত্তা চাইবে, তারাও ধ্বংস হবে। আর অবশিষ্ট একভাগ নিজেদের সন্তান-সন্ততি ও পরিবার-পরিজনকে পশ্চাতে রেখে তাদের সাথে যুদ্ধ করবে। তারা প্রত্যেকেই শহীদ হিসেবে গণ্য হবে। (আবু দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: إسناده جيد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (4306)









মিশকাতুল মাসাবিহ (5433)


وَعَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " يَا أَنَسُ إِنَّ النَّاسَ يمصِّرون أمصاراً فَإِن مِصْرًا مِنْهَا يُقَالُ لَهُ: الْبَصْرَةُ فَإِنْ أَنْتَ مَرَرْتَ بِهَا أَوْ دَخَلْتَهَا فَإِيَّاكَ وَسِبَاخَهَا وَكَلَأَهَا ونخيلها وَسُوقَهَا وَبَابَ أُمَرَائِهَا وَعَلَيْكَ بِضَوَاحِيهَا فَإِنَّهُ يَكُونُ بهَا خَسْفٌ وقذفٌ ورجْفٌ وقومٌ يبيتُونَ ويصبحون قردة وَخَنَازِير " رَوَاهُ أَبُو دَاوُد




৫৪৩৩-[২৩] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আনাস! লোকেরা ক্রমান্বয়ে শহর-নগড় গড়ে তুলবে। তন্মধ্যে বাসরাহ্’ নামেও একটি শহর গড়ে তুলবে। যদি তুমি কখনো উক্ত শহরের কাছ দিয়ে অতিক্রম কর কিংবা শহরে প্রবেশ কর, তবে তার লবণাক্ত জমি, ঘাস বা তৃণলতা ও তার খেজুর বৃক্ষের এবং তার বাজার ও আমিরদের দ্বার থেকে দূরে থাকবে এবং সেই শহরের ভিতরে অবস্থান না করে বাইরে কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করবে। কেননা সে স্থান এমন সময় ধসে যাবে, তথায় পাথর বর্ষিত হবে এবং ভীষণ ভূকম্পন সংঘটিত হবে। সেখানে এমন এক সম্প্রদায় বসবাস করবে, যারা সহীহ সালামতে মানুষরূপে রাত্রি যাপন করবে, আর সকাল করবে বানর ও শূকরের আকৃতিতে। (আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (4307) ٭ الرواي شک فی اتصالہ فالسند، معلل .









মিশকাতুল মাসাবিহ (5434)


وَعَن صَالح بن دِرْهَم يَقُولُ: انْطَلَقْنَا حَاجِّينَ فَإِذَا رَجُلٌ فَقَالَ لَنَا: إِلَى جَنْبِكُمْ قَرْيَةٌ يُقَالُ لَهَا: الْأُبُلَّةُ؟ قُلْنَا: نَعَمْ. قَالَ: مَنْ يَضْمَنُ لِي مِنْكُمْ أَنْ يُصَلِّيَ لِي فِي مَسْجِدِ الْعَشَّارِ رَكْعَتَيْنِ أَوْ أَرْبَعًا وَيَقُولُ هَذِهِ لِأَبِي هُرَيْرَةَ؟ سَمِعْتُ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْعَثُ مِنْ مَسْجِدِ الْعَشَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شُهَدَاءَ لَا يَقُومُ مَعَ شُهَدَاءِ بَدْرٍ غَيْرُهُمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ. وَقَالَ: هَذَا الْمَسْجِدُ مِمَّا يَلِي النَّهْرَ وَسَنَذْكُرُ حَدِيثَ أَبِي الدَّرْدَاءِ: «إِنَّ فُسْطَاطَ الْمُسْلِمِينَ» فِي بَابِ: «ذِكْرِ الْيَمَنِ وَالشَّامِ» . إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى




৫৪৩৪-[২৪] সালিহ ইবনু দিরহাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা কিছু লোক (বাসরাহ্ হতে) হজ্জের জন্য রওয়ানা হলাম। হঠাৎ এক লোকের [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] সাথে আমাদের সাক্ষাৎ হলো। তিনি আমাদের প্রশ্ন করলেন, তোমাদের পার্শ্বে ’উবুল্লাহ্’ নামে কোন একটি জনপদ আছে কি? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে আমার জন্য কে এই দায়িত্বটি গ্রহণ করবে যে, উক্ত শহরের ’আশশার’ নামক মসজিদে আমার পক্ষ থেকে দুই অথবা চার রাক্আত নফল সালাত আদায় করবে এবং (সালাতের নিয়্যাতে অথবা শেষে) বলবে, এটার প্রতিদান আবূ হুরায়রাহর জন্য!’ আমি আমার বন্ধু আবুল কাসিম (সা.) -কে বলতে শুনেছি! আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন ’আশশার মসজিদ’ থেকে কতিপয় শহীদকে উঠাবেন। বদরের শহীদদের সাথে তারা ব্যতীত আর কেউই উত্থিত হবে না। (আবু দাউদ)
বর্ণনাকারী বলেন, ’উবুল্লাহ’র উক্ত মসজিদখানি ইউফ্রেটিস (ফুরাত) নদীর নিকটবর্তী কোন এক স্থানে অবস্থিত। অচিরেই আমরা ইনশা-আল্লা-হ ইয়ামান ও সিরিয়ার বর্ণনাস্থলে আবু দারদা মারফত বর্ণিত হাদীস (إِنَّ فُسْطَاطَ الْمُسْلِمِينَ) "নিশ্চয় মুসলিমদের শিবির....." বর্ণনা করব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (4308) ٭ فیہ إبراہیم بن صالح ضعفہ، الدارقطني و الجمھور . حدیث أبي الدرداء تقدم (6272)