মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَكُونُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ خَلِيفَةٌ يُقَسِّمُ الْمَالَ وَلَا يَعُدُّهُ» . وَفِي رِوَايَةٍ: قَالَ: «يَكُونُ فِي آخِرِ أُمَّتِي خَلِيفَةٌ يَحْثِي الْمَالَ حَثْيًا وَلَا يَعُدُّهُ عَدًّا» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
৫৪৪১-[৫] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: শেষ যুগে এমন এক খলীফাহ (ইমাম) হবেন যিনি ধন-সম্পদ বণ্টন করবেন আর তা গণনাও করবেন না।
অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেছেন, আমার উম্মতের শেষ যুগে এমন এক খলীফাহ হবেন যিনি মুষ্টি ভরে ধন-সম্পদ বিতরণ করবেন এবং গুণে গুণে দান করবেন না। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (69/ 2914 والروایۃ الثانیۃ 61/ 2913)
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُوشِكُ الْفُرَاتُ أَنْ يَحْسِرَ عَنْ كَنْزٍ مِنْ ذَهَبٍ فَمَنْ حَضَرَ فَلَا يَأْخُذْ مِنْهُ شَيْئًا» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
৫৪৪২-[৬] আবু হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: অদূর ভবিষ্যতে ফুরাত (ইউফ্রেটিস) নদী উন্মুক্ত হয়ে যাবে (শুকিয়ে যাবে এবং তার তলদেশ হতে স্বর্ণের খনি বের হবে। তখন সেখানে যে কেউ উপস্থিত হয়, সে যেন তা হতে গ্রহণ না করে। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (7119) و مسلم (30/ 2894)
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَحْسِرَ الْفُرَاتُ عَنْ جَبَلٍ مِنْ ذَهَبٍ يَقْتَتِلُ النَّاسُ عَلَيْهِ فَيُقْتَلُ مَنْ كُلِّ مِائَةٍ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ وَيَقُولُ كُلُّ رَجُلٍ مِنْهُمْ: لَعَلِّي أَكُونُ أَنَا الَّذِي أنجُو ". رَوَاهُ مُسلم
৫৪৪৩-[৭] উক্ত রাবী [আবু হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ফুরাত নদী তার তলদেশে রক্ষিত স্বর্ণের পাহাড় উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। উক্ত সম্পদ নিয়ে মানুষের মধ্যে মারাত্মক খুনাখুনি হবে। সে ফিতনায় শতকরা নিরানব্বই জন লোক নিহত হবে এবং তাদের প্রত্যেকেই বলবে, হয়তো আমি বেঁচে যাব (একাই সম্পদ ভোগ করব)। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (29/ 2894)
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " تَقِيءُ الْأَرْضُ أَفْلَاذَ كَبِدِهَا أَمْثَالَ الْأُسْطُوَانَةِ مِنَ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ فَيَجِيءُ الْقَاتِلُ فَيَقُولُ: فِي هَذَا قَتَلْتُ وَيَجِيءُ الْقَاطِعُ فَيَقُولُ: فِي هَذَا قَطَعْتُ رَحِمِي. وَيَجِيءُ السَّارِقُ فَيَقُولُ: فِي هَذَا قُطِعت يَدي ثمَّ يَد عونه فَلَا يَأْخُذُونَ من شَيْئا ". رَوَاهُ مُسلم
৫৪৪৪-[৮] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: (এমন এক সময় আসবে যে,) জমিন তার কলিজার টুকরা বের করবে যা স্বর্ণ ও রৌপ্যের থামের মতো হবে। উক্ত সম্পদের নিকট কোন হত্যাকারী এসে (ঘৃণার সাথে) বলবে, হায়রে! ধন-সম্পদের জন্যই আমি (অন্যায়ভাবে) হত্যা করেছিলাম? অতঃপর আত্মীয়তা ছিন্নকারী এসে বলবে, এই সম্পদের জন্যই কি আমি আপন আত্মীয়স্বজনদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলাম? তারপর চোর এসে বলবে, এই সম্পদের জন্যই কি আমার হাত কাটা হয়েছে? অতঃপর তারা সকলেই উক্ত ধন-সম্পদ ছেড়ে চলে যাবে, কেউই তা হতে কিছুই গ্রহণ করবে না। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (62/ 1013)
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا تَذْهَبُ الدُّنْيَا حَتَّى يَمُرَّ الرَّجُلُ عَلَى الْقَبْرِ فَيَتَمَرَّغُ عَلَيْهِ ويقولُ: يَا لَيْتَني مَكَانَ صَاحِبِ هَذَا الْقَبْرِ وَلَيْسَ بِهِ الدِّينُ إِلَّا الْبلَاء ". رَوَاهُ مُسلم
৫৪৪৫-[৯] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: সেই সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ! দুনিয়া সে সময় পর্যন্ত শেষ হবে না যে পর্যন্ত না কোন লোক কবরের পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করার সময় উক্ত কবরের উপরে গড়াগড়ি দিতে থাকবে এবং আকাঙ্ক্ষা ও অনুতাপের সাথে বলবে, হায়রে, কতই না ভালো হত, এ কবরবাসীর স্থানে যদি আমিই এ কবরের অধিবাসী হতাম? তার এ আকাঙ্ক্ষা দীনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশার্থে হবে না; বরং দুনিয়ার বিপদ ও মুসীবতের তাড়নায় অধৈর্য হয়ে প্রকাশ করবে। (মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (157/54)
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَخْرُجَ نَارٌ مِنْ أَرْضِ الْحِجَازِ تُضِيءُ أعناقَ الإِبلِ ببُصْرى» . مُتَّفق عَلَيْهِ
৫৪৪৬-[১০] উক্ত রাবী আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত হিজায ভূমি থেকে একটি অগ্নি প্রকাশিত না হবে, (যার দরুন) বাসরায় অবস্থানরত উটের গলা পর্যন্ত আলোকিত হয়ে যাবে। (বুখারী ও মুসলিম)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (7118) و مسلم (42/ 2902)
وَعَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ نَارٌ تَحْشُرُ النَّاسَ مِنَ الْمَشْرِقِ إِلَى الْمَغْرِبِ» . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
৫৪৪৭-[১১] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: কিয়ামত আসার প্রথম নিদর্শন হলো, এমন এক আগুন বের হবে, তা মানুষদেরকে পূর্বদিক থেকে তাড়িয়ে পশ্চিমদিকে নিয়ে একত্রিত করবে। (বুখারী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3329)
عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يتقاربَ الزَّمانُ فتكونُ السَّنةُ كالشهرِ والشَّهرُ كالجمعةِ وتكونُ الجمعةُ كاليومِ وَيَكُونُ الْيَوْمُ كَالسَّاعَةِ وَتَكُونُ السَّاعَةُ كَالضَّرْمَةِ بِالنَّارِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
৫৪৪৮-[১২] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যামানা সংকুচিত না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। অর্থাৎ একটি বছর হবে একটি মাসের সমান। একটি মাস হবে একটি সপ্তাহের সমান, আর একদিন হবে এক ঘণ্টার পরিমাণ, আর একটি ঘণ্টা হবে অগ্নিশিখা উঠার সময় পরিমাণ। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (2332 وقال: غریب)
وَعَن عبدِ الله بنِ حوالةَ قَالَ: بعثَنا رَسُول الله صلى اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِنَغْنَمَ عَلَى أَقْدَامِنَا فَرَجَعْنَا فَلَمْ نَغْنَمْ شَيْئًا وَعَرَفَ الْجَهْدَ فِي وجوهِنا فقامَ فِينَا فَقَالَ: «اللَّهُمَّ لَا تَكِلْهُمْ إِلَيَّ فَأَضْعُفَ عَنْهُمْ وَلَا تَكِلْهُمْ إِلَى أَنْفُسِهِمْ فَيَعْجِزُوا عَنْهَا وَلَا تَكِلْهُمْ إِلَى النَّاسِ فَيَسْتَأْثِرُوا عَلَيْهِمْ» ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى رَأْسِي ثُمَّ قَالَ: «يَا ابْنَ حَوَالَةَ إِذَا رَأَيْتَ الْخِلَافَةَ قَدْ نَزَلَتِ الْأَرْضَ الْمُقَدَّسَةَ فَقَدْ دَنَتِ الزَّلَازِلُ وَالْبَلَابِلُ وَالْأُمُورُ الْعِظَامُ وَالسَّاعَةُ يَوْمَئِذٍ أَقْرَبُ مِنَ النَّاسِ مِنْ يَدِي هَذِه إِلَى رَأسك» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৫৪৪৯-[১৩] ’আবদুল্লাহ ইবনু হাওয়ালাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) এ গনীমতের সম্পদ লাভ করার জন্য আমাদেরকে পদাতিক বাহিনী হিসেবে এক অভিযানে পাঠালেন। আমরা এমন অবস্থায় ফিরে আসলাম যে, আমরা গনীমতের কিছুই লাভ করতে পারিনি। তিনি আমাদের চেহারায় ক্লান্তি ও দুর্বলতার ছাপ দেখতে পেয়ে আমাদের মাঝে (বক্তৃতার উদ্দেশে) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহ! তাদের দায়িত্ব এভাবে আমার ওপর অর্পণ করো না যে, আমি তাদের পক্ষ হতে তা বহন করতে দুর্বল হয়ে পড়ি। (হে আল্লাহ!) তাদের ওপর এমন কাজের দায়িত্ব অর্পণ করো না যা সমাধা করতে তারা অক্ষম হয়ে পড়ে। (হে আল্লাহ!) তাদেরকে অন্য লোকের ওপরও অর্পণ করো না। কেননা তারা নিজেদের প্রয়োজনকে তাদের প্রয়োজনের উপর গুরুত্ব দেবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি (সা.) আমার মাথার উপর স্বীয় হাত রেখে বললেন, হে ইবনু হাওয়ালাহ্! যখন তুমি দেখবে খিলাফাত (মদীনাহ্ হতে স্থানান্তরিত হয়ে) পবিত্র ভূমিতে (সিরিয়ায়) পৌছে গেছে, তখন তুমি বুঝে নিবে যে, ভূমিকম্প, দুঃখ-দুর্দশা, বড় বড় নিদর্শনসমূহ ও ফিতনা-ফাসাদ খুবই কাছে এসে গেছে এবং আমার এই হাত তোমার মাথা থেকে যত নিকটে, কিয়ামত সেদিন এটা অপেক্ষাও অতি কাছাকাছি হবে। (আবু দাউদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (2535) [و صححہ الحاکم (4/ 425)، ووافقہ الذہبي]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا اتُّخِذَ الْفَيْءُ دِوَلًا وَالْأَمَانَةُ مَغْنَمًا وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ وَعَقَّ أُمَّهُ وَأَدْنَى صَدِيقَهُ وَأَقْصَى أَبَاهُ وَظَهَرَتِ الْأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ وشُربتِ الخمورُ وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ أَوَّلَهَا فَارْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
৫৪৫০-[১৪] আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যখন গনীমতের সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পদরূপে ব্যবহার করা হবে, আমানতকে গনীমতের সম্পদ মনে করা হবে যাকাতকে জরিমানা ধারণ করা হবে, দীন ছাড়া অন্য উদ্দেশ্য বিদ্যা হাসিল করা হবে, পুরুষ তার স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং মায়ের নাফরমানী করবে আর বন্ধুকে খুব কাছে স্থান দেবে এবং আপন পিতাকে দুরে সরিয়ে রাখবে, মসজিদসমূহে উচ্চ আওয়াজ করা হবে, ফাসিক লোকই গোত্রের সরদার হবে, জাতির নিকৃষ্টতম লোক তাদের নেতা হবে, ক্ষতির আশঙ্কায় মানুষের সম্মান করা হবে, গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রাদি ব্যাপকভাবে প্রকাশ লাভ করবে, মদ্যপান বেড়ে যাবে এবং এ উম্মাতের পরবর্তীকালের লোকেরা পূর্ববর্তী লোকেদের প্রতি অভিসম্পাত করতে থাকবে। সেই সময় তোমরা অপেক্ষা কর, রক্তবর্ণের ঝড়ের, ভূকম্পনের ভূমি ধসের, রূপ বিকৃতির, পাথর বর্ষণের এবং সুতা ছেড়ে পুঁতির দানা যেভাবে পড়তে থাকে অনুরূপ একটির পর একটি নিদর্শনসমূহের। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2211 وقال: غریب) ٭ فیہ رمیح: مجھول، کما فی التقریب و الکاشف (1/ 243) وغیرہما .
وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا فَعَلَتْ أُمَّتِي خَمْسَ عَشْرَةَ خَصْلَةً حَلَّ بِهَا الْبَلَاءُ» وَعَدَّ هَذِهِ الْخِصَالَ وَلَمْ يَذْكُرْ «تُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ» قَالَ: «وَبَرَّ صَدِيقَهُ وَجَفَا أَبَاهُ» وَقَالَ: «وَشُرِبَ الْخَمْرُ وَلُبِسَ الْحَرِيرُ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ
৫৪৫১-[১৫] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আমার উম্মাত যখন পনেরোটি কাজে লিপ্ত হবে (যা পূর্বের হাদীসে বর্ণিত হয়েছে), তখন তাদের ওপর বিভিন্ন প্রকারের বিপদবিপর্যয় অবতীর্ণ হবে। তিনি (সা.) উক্ত পনেরোটি কাজ কী কী তা গণনা করে বলেছেন, তন্মধ্যে ’দীন ব্যতীত অন্য উদ্দেশে বিদ্যার্জন করা হবে, এ বাক্যটির উল্লেখ নেই এবং তাতে বলেছেন বন্ধুর সাথে ভালো আচরণ করবে এবং পিতার সাথে কষ্টদায়ক আচরণ করবে, মদ পান করা হবে এবং রেশমি পোশাক পরিধান করা হবে। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2210) ٭ فیہ فرج بن فضالۃ: ضعیف .
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَذْهَبُ الدُّنْيَا حَتَّى يَمْلِكَ الْعَرَبَ رَجُلٌ مِنْ أهلِ بَيْتِي يُواطِىءُ اسمُه اسْمِي» رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: «لَوْ لَمْ يَبْقَ مِنَ الدُّنْيَا إِلَّا يَوْمٌ لَطَوَّلَ اللَّهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ حَتَّى يَبْعَثَ اللَّهُ فِيهِ رَجُلًا مِنِّيأَوْ مِنْ أَهْلِ بَيْتِييُوَاطِئُ اسْمُهُ اسْمِيَ وَاسْمُ أَبِيهِ اسْمَ أَبِي يَمْلَأُ الْأَرْضَ قِسْطًا وَعَدْلًا كَمَا مُلِئَتْ ظُلْمًا وجورا»
৫৪৫২-[১৬] ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্’উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: দুনিয়া নিঃশেষ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত আমার বংশের এক ব্যক্তি সারা আরব ভূখণ্ডের মালিক না হবে। তার নাম হবে আমার নামে। (তিরমিযী ও আবু দাউদ)
আবু দাউদ-এর অপর এক বর্ণনায় আছে- তিনি (সা.) বলেছেন: যদি দুনিয়া শেষ হতে মাত্র একদিন বাকি থাকে, আল্লাহ তা’আলা ঐ দিনকে খুবই দীর্ঘায়িত করবেন এবং পরিশেষে সে দিনের মধ্যে আমার বংশের অথবা বলেছেন, আমার আহলে বায়তের এক ব্যক্তিকে প্রেরণ করবেন। তার নাম হবে আমার নামে এবং তার পিতার নাম হবে আমার পিতার নামে। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ দ্বারা জমিনকে তেমনিভাবে পরিপূর্ণ করে দেবেন যেমনিভাবে তৎপূর্বে যুলম ও অত্যাচারে তা ভরপুর ছিল।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (2230) و أبو داود (4282)
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «الْمَهْدِيُّ مِنْ عِتْرَتِي مِنْ أَوْلَادِ فَاطِمَة» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৫৪৫৩-[১৭] উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি। [রসূল (সা.) বলেছেন] মাহদী আমার বংশের তথা ফাতিমার বংশ হতে জন্মলাভ করবেন। (আবু দাউদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أبو داود (4284)
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْمَهْدِيُّ مِنِّي أجلى الْجَبْهَة وأقنى الْأَنْفِ يَمْلَأُ الْأَرْضَ قِسْطًا وَعَدْلًا كَمَا مُلِئَتْ ظُلْمًا وَجَوْرًا يَمْلِكُ سَبْعَ سِنِينَ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৫৪৫৪-[১৮] আবু সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: মাহদী হবেন আমার বংশের উজ্জ্বল চেহারা, উঁচু নাকবিশিষ্ট। ন্যায় ও ইনসাফ দ্বারা তিনি জমিনকে এমনভাবে পরিপূর্ণ করে দেবেন যেমনিভাবে তার আগে তা যুলম ও অবিচারে পরিপূর্ণ ছিল। আর তিনি সাত বছর ক্ষমতার মালিক থাকবেন। (আবু দাউদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (4285) ٭ قتادۃ مدلس، عنعن و للحدیث، شواھد ضعیفۃ .
وَعَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي قِصَّةِ الْمَهْدِيِّ قَالَ: " فَيَجِيءُ إِلَيْهِ الرَّجُلُ فَيَقُولُ: يَا مَهْدِيُّ أَعْطِنِي أَعْطِنِي. قَالَ: فَيَحْثِي لَهُ فِي ثَوْبِهِ مَا اسْتَطَاعَ أَنْ يَحْمِلَهُ ". رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
৫৪৫৫-[১৯] উক্ত রাবী [আবু সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)] নবী (সা.) হতে বর্ণনা করেন। ইমাম মাহদীর ঘটনা প্রসঙ্গে (রসূল সা.) বলেছেন, জনৈক ব্যক্তি তার কাছে এসে বলবে, হে মাহদী! আমাকে কিছু দান করুন! আমাকে কিছু দান করুন। তিনি (সা.) বলেছেন: তখন তিনি তাকে নিজের হাতের অঞ্জলি ভরে তার কাপড়ের মধ্যে এই পরিমাণ সম্পদ প্রদান করবেন, যতটুকু সে বহন করে নিয়ে যেতে পারে। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2232 وقال: حسن) [و ابن ماجہ (4083)]، ٭ فیہ زید العمي: ضعیف .
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَكُونُ اخْتِلَافٌ عِنْدَ مَوْتِ خَلِيفَةٍ فَيَخْرُجُ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ هَارِبًا إِلى مكةَ فيأتيه الناسُ من أهل مَكَّة فيخرجوه وَهُوَ كَارِه فيبايعونه بَين الرُّكْن وَالْمقَام يبْعَث إِلَيْهِ بَعْثٌ مِنَ الشَّامِ فَيُخْسَفُ بِهِمْ بِالْبَيْدَاءِ بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ فَإِذَا رَأَى النَّاسُ ذَلِكَ أَتَاهُ أَبْدَالُ الشَّامِ وَعَصَائِبُ أَهْلِ الْعِرَاقِ فَيُبَايِعُونَهُ ثُمَّ يَنْشَأُ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ أَخْوَالُهُ كَلْبٌ فَيَبْعَثُ إِلَيْهِمْ بَعْثًا فَيَظْهَرُونَ عَلَيْهِمْ وَذَلِكَ بَعَثُ كلب وَيعْمل النَّاسِ بِسُنَّةِ نَبِيِّهِمْ وَيُلْقِي الْإِسْلَامُ بِجِرَانِهِ فِي الْأَرْضِ فَيَلْبَثُ سَبْعَ سِنِينَ ثُمَّ يُتَوَفَّى وَيُصَلِّي عَلَيْهِ الْمُسلمُونَ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৫৪৫৬-[২০] উম্মু সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী (সা.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (সা.) বলেছেন: (শেষ যামানায়) একজন খলীফার মৃত্যুর সময় লোকেদের মধ্যে দ্বিতীয় খলীফাহ নিয়োগের ব্যাপারে মতবিরোধ দেখা দেবে। তখন মদীনাহ্ থেকে এক ব্যক্তি বের হয়ে মক্কার দিকে ছুটে পলায়ন করবে। এ সময় মক্কাবাসীরা তার নিকট এসে তাকে বলপূর্বক ঘর হতে বের করে আনবে। কিন্তু সে তা পছন্দ করবে না। অতঃপর হাজারে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীমের মধ্যবর্তী স্থানে লোকেরা তার কাছে বায়’আত গ্রহণ করবে। এরপর সিরিয়া থেকে একটি সৈন্যবাহিনী তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য পাঠানো হবে। কিন্তু মক্কাহ্ ও মদীনার মাঝামাঝি ’বায়দা’ নামক স্থানে তাদেরকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হবে। অতঃপর যখন চতুর্দিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়বে এবং লোকেরা বাস্তবে এ অবস্থা দেখতে পাবে, তখন সিরিয়ার ’আবদালগণ এবং ’ইরাকের এক বিরাট দল তার নিকট আসবে এবং তার হাতে বায়’আত করবে। অতঃপর কুরায়শের এক লোক যার একদল সৈন্য পাঠাবে, ইমামের সেনাবাহিনী তাদের ওপর জয় লাভ করবে। এটাই ’ফিতনায়ে কালব’। ইমাম মানুষের মধ্যে তাদের পয়গাম্বর (মুহাম্মাদ সা.)-এর সুন্নাত মোতাবেক কাজকর্ম পরিচালনা করবেন এবং পৃথিবীতে ইসলাম পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি সাত বছর এ অবস্থায় অবস্থান করবেন। অতঃপর ইন্তিকালের পর মুসলিমগণ তার জানাযাহ্ আদায় করবেন। (আবু দাউদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (4286) ٭ قتادۃ مدلس و عنعن .
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «بَلَاءً يُصِيبُ هَذِهِ الْأُمَّةَ حَتَّى لَا يَجِدَ الرَّجُلُ مَلْجَأً يَلْجَأُ إِلَيْهِ مِنَ الظُّلْمِ فَيَبْعَثُ اللَّهُ رَجُلًا مِنْ عِتْرَتِي وَأَهْلِ بَيْتِي فَيَمْلَأُ بِهِ الْأَرْضَ قِسْطًا وَعَدْلًا كَمَا مُلِئَتْ ظُلْمًا وَجَوْرًا يَرْضَى عَنْهُ سَاكِنُ السَّمَاءِ وَسَاكِنُ الْأَرْضِ لَا تَدَعُ السَّمَاءُ مِنْ قَطْرِهَا شَيْئًا إِلَّا صَبَّتْهُ مِدْرَارًا وَلَا تَدَعُ الْأَرْضُ مِنْ نَبَاتِهَا شَيْئًا إِلَّا أَخْرَجَتْهُ حَتَّى يَتَمَنَّى الْأَحْيَاءُ الْأَمْوَاتَ يَعِيشُ فِي ذَلِكَ سبعَ سِنِين أَو ثمانَ سِنِين أَو تسع سِنِين» . رَوَاهُ
৫৪৫৭-[২১] আবু সা’ঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) - একদিন বিপদ-আপদের কথা আলোচনা করলেন, যা এ উম্মাতের শেষ সময় এসে পৌছবে। এমনকি কোন ব্যক্তি তা হতে আশ্রয়স্থল খুঁজে পাবে না। এ সময় আল্লাহ তা’আলা আমার বংশ ও আমার পরিবার হতে এক ব্যক্তিকে দুনিয়াতে পাঠাবেন। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ দ্বারা জমিনকে এমনিভাবে পরিপূর্ণ করে দেবেন। যেমনিভাবে তা ইতোপূর্বে যুলম-অবিচারে পরিপূর্ণ ছিল। তার কার্যকলাপে আসমান ও জমিনের অধিবাসী সকলেই সন্তুষ্ট হয়ে যাবে। আকাশ তার এক ফোঁটা পানিও অবশিষ্ট রাখবে না; বরং সম্পূর্ণই বের করে দেবে। (প্রাচুর্য ও সচ্ছলতা দেখে) জীবিত লোকেরা মৃত ব্যক্তিদের সম্পর্কে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করবে। লোকেরা এই অবস্থায় সাত অথবা নয় বছর জীবনযাপন করবে। (হাকিম তাঁর ’মুসতাদরাক’-এ বলেন, হাদীসটি সহীহ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الحاکم (4/ 465 و صححہ فقال الذھبي: سندہ، مظلم) ٭ عمر بن عبید اللہ العدوي: لم أجد من وثقہ غیر الحاکم و فی السند علۃ، أخری .
وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " يَخْرُجُ رَجُلٌ مِنْ وَرَاءِ النَّهْرِ يُقَالُ لَهُ: الْحَارِثُ حَرَّاثٌ عَلَى مُقَدِّمَتِهِ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: مَنْصُورٌ يُوَطِّنُ أَوْ يُمَكِّنُ لِآلِ مُحَمَّدٍ كَمَا مَكَّنَتْ قُرَيْشٌ لِرَسُولِ اللَّهِ وَجَبَ عَلَى كُلِّ مُؤْمِنٍ نَصْرُهُأَوْ قَالَ: إِجَابَتُهُ". رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
৫৪৫৮-[২২] ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: (শেষ যামানায়) নহরের ঐ প্রান্ত (তথা বুখারা ও সমরকন্দ প্রভৃতি স্থান) থেকে এক ব্যক্তির আগমন ঘটবে, যিনি ’হারিসে হাররাস’ নামে পরিচিত হবেন (হাররাস অর্থ কৃষক বা চাষি)। তার সেনাবহিনীর সম্মুখভাগে ’মানসূর’ নামে এক ব্যক্তি থাকবেন। তিনি মুহাম্মাদ (সা.) -এর পরিবার-পরিজনকে (ইমাম মাহদীকে) এমনভাবে আশ্রয় দান করবেন যেমনভাবে কুরায়শগণ আশ্রয় দিয়েছিল রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে। তখন সমস্ত ঈমানদারের ওপর তাকে (হারিস অথবা মানসূরকে) সাহায্য করা কিংবা তিনি (সা.) বলেছেন, তার ডাকে সাড়া দেয়া ওয়াজিব হয়ে যাবে। (আবু দাউদ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ أبو داود (4290/2) ٭ فیہ أبو الحسن الکوفي، وھلال بن عمرو: مجھولان .
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تُكَلِّمَ السِّبَاعُ الْإِنْسَ وَحَتَّى تُكَلِّمَ الرَّجُلَ عَذَبَةُ سَوْطِهِ وَشِرَاكُ نَعْلِهِ وَيُخْبِرَهُ فَخِذُهُ بِمَا أَحْدَثَ أَهْلُهُ بَعْدَهُ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
৫৪৫৯-[২৩] আবু সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: সেই মহান সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ। সেই সময় পর্যন্ত কিয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবে না যে পর্যন্ত না পশু মানুষের সাথে কথা বলবে এবং যে পর্যন্ত না কারো চাবুক তার সাথে কথা বলবে এবং তার জুতার ফিতা তার সাথে কথা বলবে। আর তাকে তার উরু (রান) জানিয়ে দেবে যে, তার স্ত্রী তার অনুপস্থিতিতে কি (কুকর্ম) করেছে। (তিরমিযী)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (2281 و قال: حسن صحیح غریب)
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْآيَاتُ بَعْدَ الْمِائَتَيْنِ ". رَوَاهُ ابْن مَاجَه
৫৪৬০-[২৪] আবু কতাদাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) নিদর্শনসমূহ দুইশত বছর পর হতে প্রকাশ পেতে থাকবে। (ইবনু মাজাহ)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ ابن ماجہ (4057) ٭ عون: ضعیف وقال الذھبي:، ’’أحسبہ موضوعًا و عون ضعفوہ‘‘ .