হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (6061)


وَعَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنِّي لَا أَدْرِي مَا بَقَائِي فِيكُمْ؟ فَاقْتَدُوا بِاللَّذَيْنِ مِنْ بَعْدِي: أَبِي بكر وَعمر ". رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৬০৬১-[৬] হুযায়ফাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) - বলেছেন: আমি জানি না কতদিন আমি তোমাদের মাঝে থাকব। অতএব আমার পরে তোমরা আবূ বকর এবং ’উমার-এর অনুকরণ কর। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (3663)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6062)


وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ لَمْ يَرْفَعْ أَحَدٌ رَأْسَهُ غَيْرُ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ كَانَا يَتَبَسَّمَانِ إِلَيْهِ وَيَتَبَسَّمُ إِلَيْهِمَا رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ. وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ




৬০৬২-[৭] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন মসজিদে প্রবেশ করতেন, তখন আবূ বকর এবং ’উমার ছাড়া আর কেউই মাথা উঠাতেন না। তাঁরা উভয়ে তাঁর দিকে চেয়ে হালকা হাসতেন এবং তিনিও তাঁদের প্রতি চেয়ে হালকা হাসতেন। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি গরীব]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (3668) ٭ فیہ الحکم بن عطیۃ ضعیف ضعفہ، الجمھور و روی عنہ أبو داود (الطیالسي) أحادیث منکرۃ (راجع تھذیب التہذیب وغیرہ)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6063)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ ذَاتَ يَوْمٍ وَدَخَلَ الْمَسْجِدَ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ أَحَدُهُمَا عَنْ يَمِينِهِ وَالْآخَرُ عَنْ شِمَالِهِ وَهُوَ آخِذٌ بِأَيْدِيهِمَا. فَقَالَ: «هَكَذَا نُبْعَثُ يَوْمِ الْقِيَامَةِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيب




৬০৬৩-[৮] ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) হুজরা হতে বের হয়ে এমন অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করলেন যে, আবূ বকর এবং ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তারা দুজনের একজন তার ডানে এবং অপরজন তাঁর বামে ছিলেন। আর তিনি তাদের উভয়ের হাত ধরে রেখেছিলেন। অতঃপর তিনি (সা.) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আমাদের এ অবস্থায় উঠানো হবে। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং আর তিনি বলেছেন, এ হাদীসটি গরীব]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (3669) [و ابن ماجہ (99)] ٭ فیہ سعید، بن مسلمۃ: ضعیف .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6064)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ فَقَالَ: «هَذَانِ السَّمْعُ وَالْبَصَرُ» رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ مُرْسلا




৬০৬৪-[৯] ’আবদুল্লাহ ইবনু হানত্বাব (রহ.) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) আবূ বকর এবং ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দেখে বললেন, এ দু’জন হলো কান ও চোখসম। (তিরমিযী, মুরসাল হিসেবে)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (3671) ٭ المطلب بن عبد اللہ بن حنطب، مدلس و عنعن و للحدیث شواھد ضعیفۃ عند الحاکم (3/ 369 ح 4432) و الخطیب (460/8، فیہ ابن عقیل ضعیف) وغیرہما .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6065)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا مِنْ نَبِيٍّ إِلَّا وَلَهُ وَزِيرَانِ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ وَوَزِيرَانِ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ فَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ فَجِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ وَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ فَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ




৬০৬৫-[১০] আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: প্রত্যেক নবীর জন্য আকাশবাসী হতে দু’জন পরামর্শদাতা ছিলেন এবং জমিনবাসী হতে দু’জন পরামর্শদাতা ছিলেন। আকাশবাসী হতে আমার দু’জন পরামর্শদাতা হলেন, জিবরীল ও মীকাঈল আর জমিনবাসী হতে পরামর্শদাতা দুজন হলেন আবূ বকর এবং ’উমার । (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (3680 وقال: حسن غریب) ٭ فیہ تلید:، رافضي ضعیف و عطیۃ العوفي شیعي ضعیف مدلس .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6066)


وَعَن أبي بكرَة أَنَّ رَجُلًا قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: رَأَيْتُ كَأَنَّ مِيزَانًا نَزَلَ مِنَ السَّمَاءِ فَوُزِنْتَ أَنْتَ وَأَبُو بَكْرٍ فَرَجَحْتَ أَنْتَ وَوُزِنَ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فَرَجَحَ أَبُو بَكْرٍ وَوُزِنَ عُمَرُ وَعُثْمَانُ فَرَجَحَ عُمَرُ ثُمَّ رُفِعَ الْمِيزَانُ " فَاسْتَاءَ لَهَا رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْنِي فَسَاءَهُ ذَلِكَ. فَقَالَ: «خِلَافَةُ نُبُوَّةٍ ثُمَّ يُؤْتِي اللَّهُ الْمُلْكَ مَنْ يَشَاءُ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَأَبُو دَاوُد




৬০৬৬-[১১] আবূ বকরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলল, আমি স্বপ্নে দেখেছি, আকাশ হতে যেন একটি পাল্লা অবতীর্ণ হলো। তাতে আপনাকে ও আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) -কে ওযন করা হলো, এতে আপনার দিক ভারী হলো। এরপর আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ওযন করা হলো, এতে আবূ বকর-এর দিক ভারী হলো। এরপর ’উমার এবং উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ওযন করা হলো, এতে ’উমার -এর পাল্লা ভারী হলো। অতঃপর পাল্লাটি উঠিয়ে নেয়া হলো। (বর্ণনাকারী বলেন) এ কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ (সা.) চিন্তিত হয়ে পড়লেন। অর্থাৎ এ স্বপ্নের ঘটনা রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিল। অতঃপর তিনি (সা.) বললেন, এটা খিলাফতে নুবুওয়্যাত, তারপর আল্লাহ তা’আলা যাকে চাবেন, রাজত্ব দান করবেন। (তিরমিযী ও আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (2287 وقال: حسن صحیح) و أبو داود، (4634) ٭ الحسن البصري مدلس و عنعن .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6067)


عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَطَّلِعُ عَلَيْكُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ» . فَاطَّلَعَ أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ قَالَ: «يَطَّلِعُ عَلَيْكُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ» فَاطَّلَعَ عُمَرُ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيث غَرِيب




৬০৬৭-[১২] ইবনু মাস্’উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) বললেন, এমন এক লোক তোমাদের সামনে আগমন করবে, যে জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। এরপরেই আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আগমন করলেন। অতঃপর তিনি (সা.) বললেন, তোমাদের সামনে আরেক লোক আগমন করবে, যে জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। এবার ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এসে প্রবেশ করলেন। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি গরীব]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (3694) ٭ عبد اللہ بن عبد القدوس:، ضعیف، ضعفہ الجمھور و لہ متابعۃ ضعیفۃ مردودۃ عند الطبراني فی الکبیر (10/ 206 ح، 10344) و الأعمش مدلس و عنعن۔ إن صح السند إلیہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6068)


وَعَن عَائِشَة قَالَتْ: بَيْنَا رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حجري لَيْلَةٍ ضَاحِيَةٍ إِذْ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ يَكُونُ لِأَحَدٍ مِنَ الْحَسَنَاتِ عَدَدُ نُجُومِ السَّمَاءِ؟ قَالَ: «نَعَمْ عُمَرُ» . قُلْتُ: فَأَيْنَ حَسَنَاتُ أَبِي بَكْرٍ؟ قَالَ: «إِنَّمَا جَمِيعُ حَسَنَاتِ عُمَرَ كَحَسَنَةٍ وَاحِدَةٍ مِنْ حَسَنَاتِ أَبِي بَكْرٍ» رَوَاهُ رزين




৬০৬৮-[১৩] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক জোৎস্না রাত্রে রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর মাথা আমার কোলে ছিল। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আকাশে যতগুলো তারকা আছে এ পরিমাণ কারো পুণ্য হবে কি? তিনি (সা.) বললেন, হ্যাঁ, হবে। "উমার -এর পুণ্য এ পরিমাণ হবে। আমি বললাম, তবে আবূ বকর-এর পুণ্য কোথায়? তখন তিনি (সা.) বললেন, ’উমার -এর সমস্ত পুণ্য, আবূ বকর -এর পুণ্যসমূহের মধ্য হতে মাত্র একটি পুণ্যের সমান। (রযীন)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: موضوع




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ موضوع، رواہ رزین (لم أجدہ) [و رواہ الخطیب في تاریخ، بغداد (7/ 135) و فیہ بریہ بن محمد: کذاب، حدّث عن إسماعیل الصنعاني أحادیث، باطلۃ موضوعۃ، و قال الخطیب: ’’حدیث موضوع‘‘]









মিশকাতুল মাসাবিহ (6069)


عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُضْطَجِعًا فِي بَيْتِهِ كَاشِفًا عَنْ فَخِذَيْهِأَوْ سَاقَيْهِفَاسْتَأْذَنَ أَبُو بَكْرٍ فَأَذِنَ لَهُ وَهُوَ عَلَى تِلْكَ الْحَالِ فَتَحَدَّثَ ثُمَّ اسْتَأْذَنَ عُمَرُ فَأَذِنَ لَهُ وَهُوَ كَذَلِكَ فَتَحَدَّثَ ثُمَّ اسْتَأْذَنَ عُثْمَانُ فَجَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَوَّى ثِيَابَهُ فَلَمَّا خَرَجَ قَالَتْ عَائِشَةُ: دَخَلَ أَبُو بَكْرٍ فَلَمْ تَهْتَشَّ لَهُ وَلَمْ تُبَالِهِ ثُمَّ دَخَلَ عُمَرُ فَلَمْ تَهْتَشَّ لَهُ وَلَمْ تُبَالِهِ ثُمَّ دَخَلَ عُثْمَان فَجَلَست وسوَّيت ثِيَابك فَقَالَ: «أَلا أستحي من رجل تَسْتَحي مِنْهُ الْمَلَائِكَةُ؟» وَفِي رِوَايَةٍ قَالَ: «إِنَّ عُثْمَانَ رَجُلٌ حَيِيٌّ وَإِنِّي خَشِيتُ إِنْ أَذِنْتُ لَهُ عَلَى تِلْكَ الْحَالَةِ أَنْ لَا يَبْلُغَ إِلَيَّ فِي حَاجته» . رَوَاهُ مُسلم




৬০৬৯- ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) উরু অথবা গোড়ালি হতে কাপড় খোলা অবস্থায় নিজ গৃহে শুয়ে ছিলেন। এমন সময় আবূ বা সিদ্দীক্ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) গৃহে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। তাঁকে প্রবেশের সম্মতি দিলেন এবং সেই অবস্থায় তাঁর সাথে কথাবার্তা বললেন। অতঃপর "উমার ফারূক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এসে সম্মতি চাইলেন। তাঁকেও সম্মতি দিলেন। তখন তিনি ঐ অবস্থায়ই তার সাথে কথাবার্তা বললেন। এরপর ’উসমান গনী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এসে সম্মতি চাইলেন। এবার রাসূলুল্লাহ (সা.) বসে পড়লেন। এবং কাপড় ঠিক করে নিলেন। এরপর যখন ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) চলে গেলেন, তখন ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে প্রশ্ন করলেন, আবূ বকর আসলেন, তখনো আপনি তার জন্য একটু নড়েননি এবং তাঁর প্রতি ভ্রুক্ষেপও করেননি। তারপর ’উমার আসলেন, তখনো আপনি তার জন্য নড়েননি এবং ভ্রুক্ষেপও করেননি তাঁর প্রতি। অতঃপর ’উসমান আসলেন, তখন আপনি বসে পড়লেন এবং নিজ কাপড়চোপড় ঠিক করলেন? উত্তরে তিনি (সা.) বললেন, আমি কি সেই লোক হতে লজ্জাবোধ করব না, যাকে দেখলে মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ)-ও লজ্জাবোধ করেন?
অপর এক বর্ণনাতে আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: উসমান হলেন একজন অত্যধিক লজ্জাশীল লোক। অতএব আমি আশঙ্কা করলাম, যদি আমি তাঁকে এ অবস্থায় প্রবেশের অনুমতি প্রদান করি, তাহলে তিনি লজ্জায় আগমনের উদ্দেশ্য আমার কাছে উল্লেখ করতে পারবে না। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (26/ 2401) والروایۃ الثانیۃ، رواہا مسلم (27/ 2402)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6070)


عَن طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لِكُلِّ نَبِيٍّ رَفِيقٌ وَرَفِيقِييَعْنِي فِي الْجنَّةعُثْمَان» رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৬০৭০-[২] ত্বলহাহ্ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: প্রত্যেক নবীরই এক একজন রফীক (সাথি) রয়েছেন, আর জান্নাতে আমার রফীক উসমান। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (3698 وقال: غریب، لیس إسنادہ، بالقوی‘‘ إلخ) وانظر الحدیث الآتي (6062) ٭ فیہ شیخ من بني زھرۃ: لم أعرفہ، و، شیخہ حارث بن عبد الرحمٰن بن أبي ذباب لم یدرک طلحۃ رضي اللہ عنہ (انظر تحفۃ، الأشراف 212/4)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6071)


وَرَاه ابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ بِالْقَوِيِّ وَهُوَ مُنْقَطع




৬০৭১-[৩] আর ইবনু মাজাহ হাদীসটি আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, হাদীসটি গরীব। এর সূত্র সুদৃঢ় নয় এবং তা মুনকাত্বি বা বিচ্ছিন্ন।]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * ضعیف، رواہ ابن ماجہ (109) وسندہ ضعیف جدًا، فیہ عثمان بن خالد:، متروک الحدیث . وانظر الحدیث السابق (6061)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6072)


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خَبَّابٍ قَالَ: شَهِدْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَحُثُّ عَلَى جَيْشِ الْعُسْرَةِ فَقَامَ عُثْمَانُ فَقَالَ: يَا رَسُول الله عَلَيَّ مِائَتَا بَعِيرٍ بِأَحْلَاسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ حَضَّ عَلَى الْجَيْشِ فَقَامَ عُثْمَانُ فَقَالَ: عَلَيَّ مِائَتَا بَعِيرٍ بِأَحْلَاسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ حَضَّ فَقَامَ عُثْمَانُ فَقَالَ: عَلَيَّ ثَلَاثُمِائَةِ بَعِيرٍ بِأَحْلَاسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَأَنَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْزِلُ عَنِ الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ: «مَا عَلَى عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ هَذِهِ مَا عَلَى عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ هَذِهِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৬০৭২-[৪] ’আবদুর রহমান ইবনু খব্বাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সা.)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। সে সময় তিনি (সা.) জায়শুল ’উসরাহ (তাবুক) যুদ্ধের সাহায্য-সহযোগিতা করার জন্য মানুষদেরকে উৎসাহ প্রদান করছিলেন। (তার উৎসাহবাণী শুনে) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর রাস্তায় গদি ও পালানসহ একশত উট আমার দায়িত্বে। এরপরও নবী (সা.) উৎসাহ প্রদান করতে লাগলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আবার উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আল্লাহর রাস্তায় গদি ও পালানযুক্ত দুইশত উট আমার দায়িত্বে। এরপরও নবী (সা.) সাহায্যের জন্য উৎসাহ প্রদান করলেন। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আবারও উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আল্লাহর পথে গদি ও পালানযুক্ত তিনশত উট আমার দায়িত্ব। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ (সা.) এ কথা বলতে বলতে মিম্বার হতে অবতরণ করলেন এই ’আমলের পর ’উসমান যে ’আমলই করেন, তার জন্য তা ক্ষতিকর হবে না। এই ’আমলের পর ’উসমান যে ’আমলই করেন, তা তাঁর জন্য ক্ষতিকর হবে না। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (3700 وقال: غریب) ٭ فرقد أبو طلحۃ، مجھول و حدیث الترمذي (3701) یغني عنہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6073)


وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: جَاءَ عُثْمَانُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَلْفِ دِينَارٍ فِي كُمِّهِ حِينَ جَهَّزَ جَيْشَ الْعُسْرَةِ فَنَثَرَهَا فِي حِجْرِهِ فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقَلِّبُهَا فِي حِجْرِهِ وَيَقُولُ: «مَا ضَرَّ عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ الْيَوْمِ» مرَّتَيْنِ. رَوَاهُ أَحْمد




৬০৭৩-[৫] ’আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সা.) যখন তাবুক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজ জামার আস্তিনে ভরে এক হাজার দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) নিয়ে নবী (সা.) -এর কাছে আসলেন এবং দীনারগুলো রাসূল (সা.) -এর কোলে ঢেলে দিলেন। আমি দেখলাম, নবী (সা.) নিজ কোলের মুদ্রাগুলো উলট-পালট করে বলতে লাগলেন, আজকের পরে ’উসমান-কে কোন ক্ষতি করবে না। তিনি যে আমলই করেন না কেন- এ কথাটি তিনি (সা.) দু’বার বলেছেন। (আহমাদ)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ أحمد (5/ 63 ح 20906) [و الترمذي (3701 و قال:، حسن غریب) و صححہ الحاکم (3/ 102) ووافقہ الذہبي]









মিশকাতুল মাসাবিহ (6074)


وَعَن أنسٍ قَالَ: لَمَّا أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِبَيْعَةِ الرِّضْوَانِ كَانَ عُثْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ رَسُولُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى مَكَّةَ فَبَايَعَ النَّاسُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِن عُثْمَانَ فِي حَاجَةِ اللَّهِ وَحَاجَةِ رَسُولِهِ» فَضَرَبَ بِإِحْدَى يَدَيْهِ عَلَى الْأُخْرَى فَكَانَتْ يَدُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعُثْمَانَ خَيْرًا من أَيْديهم لأَنْفُسِهِمْ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৬০৭৪-[৬] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন (লোকেদেরকে) "বায়’আতে রিযওয়ান"-এর আদেশ দিলেন, সে সময় ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর দূত হিসেবে মক্কায় গিয়েছিলেন। লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর হাতে বায়’আত করল, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, ’উসমান, আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের কাজে (মক্কায়) গিয়েছেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (সা.) ’উসমান-এর বায়’আতস্বরূপ নিজেরই এক হাত অন্য হাতে রাখলেন। অতএব রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর হাত উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাতস্বরূপ হয়ে যাওয়াটা সাহাবীগণের নিজেদের হাতের চেয়ে অতি উত্তম। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (3702 وقال: حسن صحیح غریب) ٭ الحکم بن، عبد الملک ضعیف و حدیث أبي داود (2726) یغني عنہ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6075)


وَعَن ثُمامة بن حَزْنٍ الْقشيرِي قَالَ: شَهِدْتُ الدَّارَ حِينَ أَشْرَفَ عَلَيْهِمْ عُثْمَانُ فَقَالَ: أنْشدكُمْ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدِمَ الْمَدِينَةَ وَلَيْسَ بِهَا مَاءٌ يُسْتَعْذَبُ غَيْرُ بِئْرِ رُومَةَ؟ فَقَالَ: «مَنْ يَشْتَرِي بِئْرَ رُومَةَ يَجْعَلُ دَلْوَهُ مَعَ دِلَاءِ الْمُسْلِمِينَ بِخَيْرٍ لَهُ مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ؟» فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ صُلْبِ مَالِي وَأَنْتُمُ الْيَوْمَ تَمْنَعُونَنِي أَنْ أَشْرَبَ مِنْهَا حَتَّى أَشْرَبَ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ؟ قَالُوا: اللَّهُمَّ نعم. فَقَالَ: أنْشدكُمْ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ الْمَسْجِدَ ضَاقَ بِأَهْلِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ يَشْتَرِي بُقْعَةَ آلِ فُلَانٍ فَيَزِيدُهَا فِي الْمَسْجِد بِخَير مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ؟» . فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ صُلْبِ مَالِي فَأَنْتُمُ الْيَوْمَ تَمْنَعُونَنِي أَنْ أُصَلِّيَ فِيهَا رَكْعَتَيْنِ؟ فَقَالُوا: اللَّهُمَّ نعم. قَالَ: أنْشدكُمْ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنِّي جَهَّزْتُ جَيْشَ الْعُسْرَةِ مِنْ مَالِي؟ قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ. قَالَ: أَنْشُدُكُمُ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ عَلَى ثَبِيرِ مَكَّةَ وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَأَنَا فَتَحَرَّكَ الْجَبَلُ حَتَّى تَسَاقَطَتْ حِجَارَتُهُ بِالْحَضِيضِ فَرَكَضَهُ بِرِجْلِهِ قَالَ: «اسْكُنْ ثَبِيرُ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ نَبِيُّ وَصِدِّيقٌ وَشَهِيدَانِ» . قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ. قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ شَهِدُوا وَرَبِّ الْكَعْبَةِ أَنِّي شَهِيدٌ ثَلَاثًا. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيّ وَالدَّارَقُطْنِيّ




৬০৭৫-[৭] সুমামাহ্ ইবনু হাযন আল কুশায়রী (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন তাঁর গৃহের কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) গৃহের উপর হতে লোকেদের প্রতি তাকিয়ে বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলা এবং ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা কি এ ব্যাপারে অবহিত আছ যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজরত করে যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন ’রূমার কূপ’ ছাড়া অন্য কোথাও লবণমুক্ত পানি পাওয়া যেত না?
তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, যে রূমার কূপটি ক্রয় করে মুসলিমদের অবাধে ব্যবহারের জন্য ওয়াকফ করে দেবে, বিনিময়ে সে জান্নাত তদপেক্ষা উত্তম কূপ অর্জন করবে। তখন আমি উক্ত কূপটি আমার একান্ত ব্যক্তিগত অর্থে ক্রয় করি। অথচ আজ তোমরা আমাকে উক্ত কূপের পানি পান করা হতে বাধা দিচ্ছ। এমনকি আমি সমুদ্রের লোনা পানি পান করছি। লোকেরা বলল, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আমরা জানি।
এরপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ও ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা কি জান যে, যখন মসজিদে নাবাবী মুসল্লীদের তুলনায় সংকীর্ণ হয়ে পড়ল, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছিলেন, যে লোক অমুকের বংশধর হতে এ জমিনটি ক্রয় করে মসজিদখানি বৃদ্ধি করে দেবে, তার বিনিময়ে আল্লাহ তা’আলা তাকে তা হতে উত্তম ঘর জান্নাতে দান করবেন। তখন আমিই তা আমার ব্যক্তিগত অর্থ হতে ক্রয় করি, অথচ আজ তোমরা আমাকে সেই মসজিদে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করা হতেও বাধা দিচ্ছ। উত্তরে লোকেরা বলল, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আমরা জানি।
অতঃপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ও ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা কি অবগত আছ যে, ভীষণ কষ্টের অভিযানে (তাবুক যুদ্ধে) সৈন্যদেরকে আমি আমার নিজস্ব সম্পদ হতে যুদ্ধের সামান দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছিলাম? লোকেরা বলল, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আমরা জানি। তারপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ও ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা এ কথাটিও অবগত আছ কি, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কার অনতিদূরে ’সাবীর’ পাহাড়ের উপর দণ্ডায়মান ছিলেন, তাঁর সঙ্গে সেখানে আবূ বকর, ’উমার এবং আমিও ছিলাম। হঠাৎ পাহাড়টি নড়াচড়া করতে লাগল। এমনকি তা হতে কিছু পাথর নিচের দিকে পড়তে লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাতে স্বীয় পা ঠুকে বললেন, স্থির হয়ে যাও, হে সাবার!
তোমার ওপর একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দুজন শহীদ রয়েছে। উত্তরে লোকেরা বলল, হ্যাঁ, হে আল্লাহ! আমরা জানি। অতঃপর তিনি তিনবার বললেন, কাবার প্রভুর শপথ! নিশ্চয় আমি একজন শহীদ লোক। (তিরমিযী, নাসায়ী ও দারাকুত্বনী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن دون قولہ ’’ثبیر‘‘، رواہ الترمذي (3703 وقال: حسن) و النسائي، (6/ 235۔ 236 ح 3638) و الدارقطني (4/ 196)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6076)


وَعَن مرّة بن كَعْب قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَذكر الْفِتَن فقر بهَا فَمَرَّ رَجُلٌ مُقَنَّعٌ فِي ثَوْبٍ فَقَالَ: «هَذَا يَوْمئِذٍ على هدى» فَقُمْتُ إِلَيْهِ فَإِذَا هُوَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ. قَالَ: فَأَقْبَلْتُ عَلَيْهِ بِوَجْهِهِ. فَقُلْتُ: هَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيث حسن صَحِيح




৬০৭৬-[৮] মুররাহ্ ইবনু কা’ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে একদিন ফিতনাহ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। আর তা যে অতি কাছাকাছি তিনি তাও বর্ণনা করেছেন। এমন সময় এক লোক মাথার উপর কাপড় দিয়ে সে পথে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি সে লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ঐ যে লোকটি যাচ্ছে, সে ঐ ফিতনার দিনের সঠিক পথের উপর থাকবে। (বর্ণনাকারী মুরারাহ্ বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কথা শুনে আমি লোকটির দিকে গিয়ে দেখলাম, তিনি উসমান ইবনু আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)।
অতঃপর ’উসমান-এর চেহারাখানি আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর দিকে ফিরিয়ে বললাম, ইনিই কি তিনি? তিনি (সা.) বললেন, হ্যাঁ।
[তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ এবং ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, হাদীসটি হাসান ও সহীহ]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (3704) و ابن ماجہ (11)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6077)


وَعَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَا عُثْمَانُ إِنَّهُ لَعَلَّ اللَّهَ يُقَمِّصُكَ قَمِيصًا فَإِنْ أَرَادُوكَ عَلَى خَلْعِهِ فَلَا تَخْلَعْهُ لَهُمْ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ فِي الحَدِيث قصَّة طَوِيلَة




৬০৭৭-[৯] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে লক্ষ্য করে বললেন, হে ’উসমান। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তোমাকে একটি জামা পরিধান করাবেন। পরে লোকেরা তোমার জামাটি খুলে ফেলতে চাইবে, তখন তুমি তাদের দিক জামাটি খুলবে না। [তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ এবং ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, এ হাদীস প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ ঘটনা আছে]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (3705 وقال: حسن غریب) و ابن ماجہ (112)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6078)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِتْنَةً فَقَالَ: «يُقْتَلُ هَذَا فِيهَا مَظْلُومًا» لِعُثْمَانَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ إِسْنَادًا




৬০৭৮-[১০] ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) এ ফিতনাহ্ সম্পর্কে আলোচনাকালে ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, এ লোকটি ফিতনায় নির্যাতিত অবস্থায় নিহত হবে। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, এ হাদীসটির সনদ হাসান ও গরীব]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (3708) ٭ سنان بن ھارون البرجمي ضعیف، ضعفہ الجمھور .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6079)


وَعَنْ أَبِي سَهْلَةَ قَالَ: قَالَ لِي عُثْمَانُ يَوْمَ الدَّارِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ عَهِدَ إِلَيَّ عَهْدًا وَأَنَا صَابِرٌ عَلَيْهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ




৬০৭৯-[১১] আবূ সাহলাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যে সময় গৃহবন্দি অবস্থায় ছিলেন, তখন তিনি আমাকে বলেছেন, আমার প্রতি রাসূলুল্লাহ (সা.) একটি বিশেষ ওয়াসিয়্যাত করেছেন, অতএব আমি উক্ত ওয়াসিয়্যাতের উপর ধৈর্যধারণ করব। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান, সহীহ]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (3711)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6080)


عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ مِصْرَ يُرِيدُ حَجَّ الْبَيْتِ فَرَأَى قَوْمًا جُلُوسًا فَقَالَ: مَنْ هَؤُلَاءِ الْقَوْمُ؟ قَالُوا: هَؤُلَاءِ قُرَيْشٌ. قَالَ فَمَنِ الشَّيْخُ فِيهِمْ؟ قَالُوا: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ. قَالَ: يَا ابْنَ عُمَرَ إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ شَيْءٍ فَحَدِّثْنِي: هَلْ تَعْلَمُ أَنَّ عُثْمَانَ فَرَّ يَوْمَ أُحُدٍ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: هَلْ تَعْلَمُ أَنَّهُ تَغَيَّبَ عَنْ بَدْرٍ وَلَمْ يَشْهَدْهَا؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: هَلْ تَعْلَمُ أَنَّهُ تَغَيَّبَ عَنْ بَيْعَةِ الرِّضْوَانِ فَلَمْ يَشْهَدْهَا؟ قَالَ: نَعَمْ؟ قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ قَالَ ابْنُ عُمَرَ: تَعَالَ أُبَيِّنْ لَك أما فِراره يَوْم أُحد فأشهدُ أَن اللَّهَ عَفَا عَنْهُ وَأَمَّا تَغَيُّبُهُ عَنْ بَدْرٍ فَإِنَّهُ كَانَتْ تَحْتَهُ رُقَيَّةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ مَرِيضَةً فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لَكَ أَجْرَ رَجُلٍ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا وَسَهْمَهُ» . وَأَمَّا تَغَيُّبُهُ عَنْ بَيْعَةِ الرِّضْوَانِ فَلَوْ كَانَ أَحَدٌ أَعَزَّ بِبَطْنِ مَكَّةَ مِنْ عُثْمَانَ لَبَعَثَهُ فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُثْمَان وَكَانَت بَيْعةُ الرضْوَان بعدَ مَا ذَهَبَ عُثْمَانُ إِلَى مَكَّةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ الْيُمْنَى: «هَذِهِ يَدُ عُثْمَانَ» فَضَرَبَ بِهَا عَلَى يَدِهِ وَقَالَ: «هَذِه لعُثْمَان» . فَقَالَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ: اذْهَبْ بِهَا الْآنَ مَعَكَ. رَوَاهُ البُخَارِيّ




৬০৮০-[১২] ’উসমান ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মাওহাব (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন মিসরের এক লোক হজ্জে বায়তুল্লাহর উদ্দেশে (মক্কায়) আসলো। তখন সে সেখানে একদল লোককে উপবিষ্ট দেখে প্রশ্ন করল, এরা কে? লোকেরা বলল, এরা কুরায়শ। সে আবার প্রশ্ন করল, এদের মাঝে এ প্রবীণ বয়স্ক লোক কে? লোকেরা বলল, ’আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)।
তখন সে বলল, হে ইবনু ’উমার! আমি আপনাকে কিছু কথা জিজ্ঞেস করতে চাই। আপনি আমাকে বলুন আপনি কি জানেন যে, উহুদ যুদ্ধের দিন ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (যুদ্ধক্ষেত্র হতে) পলায়ন করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি আবার প্রশ্ন করল, আপনি কি এটাও জানেন যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত হননি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি পুনরায় প্রশ্ন করল, আপনি কি জানেন যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বায়’আতে রিযওয়ান (হুদায়বিয়াতে অনুষ্ঠিত বায়’আত) হতে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তাতে যোগদান করেননি। তিনি বললেন, হ্যাঁ। [’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি বিদ্বেষীস্বরূপ আনন্দে] সে বলে উঠল, ’আল্ল-হু আকবার’। তখন ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এবার আসো। প্রকৃত বিষয়টি তোমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছি। উহুদের দিন তাঁর পলায়নের ব্যাপারটি- সে সম্পর্কে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তাঁর সে ত্রুটিটি আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিয়েছেন। আর বদর যুদ্ধ হতে তার অনুপস্থিতির ব্যাপার হলো, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কন্যা রুকাইয়্যাহ্ ছিলেন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর স্ত্রী। আর তিনি ছিলেন ঐ সময় রোগশয্যায়। তাই রাসূলুল্লাহ (সা.) ’উসমান-কে বলেছিলেন, এ যুদ্ধে যারা যোগদান করবে, তুমি তাদের সমপরিমাণ পুণ্য লাভ করবে এবং (অনুরূপভাবে) গনীমাতের অংশ হতেও তাদের সমপরিমাণ অংশ তুমি লাভ করবে। আর "বায়’আতে রিযওয়ান" হতে অনুপস্থিতির ব্যাপার হলো মাক্কার অধিবাসীদের কাছে উসমান অপেক্ষা অধিকতর সম্মানিত ব্যক্তি যদি অপর কেউ থাকত, তাহলে রাসূলুল্লাহ (সা.) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর স্থলে নিশ্চয় তাকেই পাঠাতেন। তাই রাসূলুল্লাহ (সা.) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) -কেই পাঠিয়েছিলেন। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) -এর মাক্কায় চলে যাওয়ার পর বায়’আতুর রিযওয়ান সংঘটিত হয়। তখন রাসূলল্লাহ (সা.) আপন ডান হাতের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, এটা ’উসমান-এর হাত। তারপর তিনি সে হাতটি নিজের অপর হাতের উপর রেখে বললেন, ’এটা ’উসমান-এর বায়’আত’।
অতঃপর ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) লোকটিকে বললেন, ’এখন তুমি এ বর্ণনা সঙ্গে নিয়ে যাও। কেননা তাতে যাদের ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে, তাদের বিভ্রান্তি দূর হয়ে যাবে। আর ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্পর্কে তোমার ভ্রান্ত বিশ্বাস হতে তোমার কোন উপকারে আসবে না, বরং তা বাতিল বলে গণ্য হবে। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3698)