হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (6075)


وَعَن ثُمامة بن حَزْنٍ الْقشيرِي قَالَ: شَهِدْتُ الدَّارَ حِينَ أَشْرَفَ عَلَيْهِمْ عُثْمَانُ فَقَالَ: أنْشدكُمْ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدِمَ الْمَدِينَةَ وَلَيْسَ بِهَا مَاءٌ يُسْتَعْذَبُ غَيْرُ بِئْرِ رُومَةَ؟ فَقَالَ: «مَنْ يَشْتَرِي بِئْرَ رُومَةَ يَجْعَلُ دَلْوَهُ مَعَ دِلَاءِ الْمُسْلِمِينَ بِخَيْرٍ لَهُ مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ؟» فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ صُلْبِ مَالِي وَأَنْتُمُ الْيَوْمَ تَمْنَعُونَنِي أَنْ أَشْرَبَ مِنْهَا حَتَّى أَشْرَبَ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ؟ قَالُوا: اللَّهُمَّ نعم. فَقَالَ: أنْشدكُمْ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ الْمَسْجِدَ ضَاقَ بِأَهْلِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ يَشْتَرِي بُقْعَةَ آلِ فُلَانٍ فَيَزِيدُهَا فِي الْمَسْجِد بِخَير مِنْهَا فِي الْجَنَّةِ؟» . فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ صُلْبِ مَالِي فَأَنْتُمُ الْيَوْمَ تَمْنَعُونَنِي أَنْ أُصَلِّيَ فِيهَا رَكْعَتَيْنِ؟ فَقَالُوا: اللَّهُمَّ نعم. قَالَ: أنْشدكُمْ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنِّي جَهَّزْتُ جَيْشَ الْعُسْرَةِ مِنْ مَالِي؟ قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ. قَالَ: أَنْشُدُكُمُ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ عَلَى ثَبِيرِ مَكَّةَ وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَأَنَا فَتَحَرَّكَ الْجَبَلُ حَتَّى تَسَاقَطَتْ حِجَارَتُهُ بِالْحَضِيضِ فَرَكَضَهُ بِرِجْلِهِ قَالَ: «اسْكُنْ ثَبِيرُ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ نَبِيُّ وَصِدِّيقٌ وَشَهِيدَانِ» . قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ. قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ شَهِدُوا وَرَبِّ الْكَعْبَةِ أَنِّي شَهِيدٌ ثَلَاثًا. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيّ وَالدَّارَقُطْنِيّ




৬০৭৫-[৭] সুমামাহ্ ইবনু হাযন আল কুশায়রী (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যখন তাঁর গৃহের কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) গৃহের উপর হতে লোকেদের প্রতি তাকিয়ে বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলা এবং ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা কি এ ব্যাপারে অবহিত আছ যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজরত করে যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন ’রূমার কূপ’ ছাড়া অন্য কোথাও লবণমুক্ত পানি পাওয়া যেত না?
তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, যে রূমার কূপটি ক্রয় করে মুসলিমদের অবাধে ব্যবহারের জন্য ওয়াকফ করে দেবে, বিনিময়ে সে জান্নাত তদপেক্ষা উত্তম কূপ অর্জন করবে। তখন আমি উক্ত কূপটি আমার একান্ত ব্যক্তিগত অর্থে ক্রয় করি। অথচ আজ তোমরা আমাকে উক্ত কূপের পানি পান করা হতে বাধা দিচ্ছ। এমনকি আমি সমুদ্রের লোনা পানি পান করছি। লোকেরা বলল, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আমরা জানি।
এরপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ও ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা কি জান যে, যখন মসজিদে নাবাবী মুসল্লীদের তুলনায় সংকীর্ণ হয়ে পড়ল, তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছিলেন, যে লোক অমুকের বংশধর হতে এ জমিনটি ক্রয় করে মসজিদখানি বৃদ্ধি করে দেবে, তার বিনিময়ে আল্লাহ তা’আলা তাকে তা হতে উত্তম ঘর জান্নাতে দান করবেন। তখন আমিই তা আমার ব্যক্তিগত অর্থ হতে ক্রয় করি, অথচ আজ তোমরা আমাকে সেই মসজিদে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করা হতেও বাধা দিচ্ছ। উত্তরে লোকেরা বলল, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আমরা জানি।
অতঃপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ও ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা কি অবগত আছ যে, ভীষণ কষ্টের অভিযানে (তাবুক যুদ্ধে) সৈন্যদেরকে আমি আমার নিজস্ব সম্পদ হতে যুদ্ধের সামান দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছিলাম? লোকেরা বলল, হে আল্লাহ! হ্যাঁ, আমরা জানি। তারপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে আল্লাহ ও ইসলামের হক স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করছি- তোমরা এ কথাটিও অবগত আছ কি, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কার অনতিদূরে ’সাবীর’ পাহাড়ের উপর দণ্ডায়মান ছিলেন, তাঁর সঙ্গে সেখানে আবূ বকর, ’উমার এবং আমিও ছিলাম। হঠাৎ পাহাড়টি নড়াচড়া করতে লাগল। এমনকি তা হতে কিছু পাথর নিচের দিকে পড়তে লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাতে স্বীয় পা ঠুকে বললেন, স্থির হয়ে যাও, হে সাবার!
তোমার ওপর একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দুজন শহীদ রয়েছে। উত্তরে লোকেরা বলল, হ্যাঁ, হে আল্লাহ! আমরা জানি। অতঃপর তিনি তিনবার বললেন, কাবার প্রভুর শপথ! নিশ্চয় আমি একজন শহীদ লোক। (তিরমিযী, নাসায়ী ও দারাকুত্বনী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن دون قولہ ’’ثبیر‘‘، رواہ الترمذي (3703 وقال: حسن) و النسائي، (6/ 235۔ 236 ح 3638) و الدارقطني (4/ 196)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6076)


وَعَن مرّة بن كَعْب قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَذكر الْفِتَن فقر بهَا فَمَرَّ رَجُلٌ مُقَنَّعٌ فِي ثَوْبٍ فَقَالَ: «هَذَا يَوْمئِذٍ على هدى» فَقُمْتُ إِلَيْهِ فَإِذَا هُوَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ. قَالَ: فَأَقْبَلْتُ عَلَيْهِ بِوَجْهِهِ. فَقُلْتُ: هَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيث حسن صَحِيح




৬০৭৬-[৮] মুররাহ্ ইবনু কা’ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে একদিন ফিতনাহ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। আর তা যে অতি কাছাকাছি তিনি তাও বর্ণনা করেছেন। এমন সময় এক লোক মাথার উপর কাপড় দিয়ে সে পথে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি সে লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ঐ যে লোকটি যাচ্ছে, সে ঐ ফিতনার দিনের সঠিক পথের উপর থাকবে। (বর্ণনাকারী মুরারাহ্ বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কথা শুনে আমি লোকটির দিকে গিয়ে দেখলাম, তিনি উসমান ইবনু আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)।
অতঃপর ’উসমান-এর চেহারাখানি আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর দিকে ফিরিয়ে বললাম, ইনিই কি তিনি? তিনি (সা.) বললেন, হ্যাঁ।
[তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ এবং ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, হাদীসটি হাসান ও সহীহ]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (3704) و ابن ماجہ (11)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6077)


وَعَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَا عُثْمَانُ إِنَّهُ لَعَلَّ اللَّهَ يُقَمِّصُكَ قَمِيصًا فَإِنْ أَرَادُوكَ عَلَى خَلْعِهِ فَلَا تَخْلَعْهُ لَهُمْ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ فِي الحَدِيث قصَّة طَوِيلَة




৬০৭৭-[৯] ’আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে লক্ষ্য করে বললেন, হে ’উসমান। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তোমাকে একটি জামা পরিধান করাবেন। পরে লোকেরা তোমার জামাটি খুলে ফেলতে চাইবে, তখন তুমি তাদের দিক জামাটি খুলবে না। [তিরমিযী ও ইবনু মাজাহ এবং ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, এ হাদীস প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ ঘটনা আছে]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (3705 وقال: حسن غریب) و ابن ماجہ (112)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6078)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِتْنَةً فَقَالَ: «يُقْتَلُ هَذَا فِيهَا مَظْلُومًا» لِعُثْمَانَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ إِسْنَادًا




৬০৭৮-[১০] ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) এ ফিতনাহ্ সম্পর্কে আলোচনাকালে ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, এ লোকটি ফিতনায় নির্যাতিত অবস্থায় নিহত হবে। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, এ হাদীসটির সনদ হাসান ও গরীব]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ الترمذي (3708) ٭ سنان بن ھارون البرجمي ضعیف، ضعفہ الجمھور .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6079)


وَعَنْ أَبِي سَهْلَةَ قَالَ: قَالَ لِي عُثْمَانُ يَوْمَ الدَّارِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ عَهِدَ إِلَيَّ عَهْدًا وَأَنَا صَابِرٌ عَلَيْهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ




৬০৭৯-[১১] আবূ সাহলাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যে সময় গৃহবন্দি অবস্থায় ছিলেন, তখন তিনি আমাকে বলেছেন, আমার প্রতি রাসূলুল্লাহ (সা.) একটি বিশেষ ওয়াসিয়্যাত করেছেন, অতএব আমি উক্ত ওয়াসিয়্যাতের উপর ধৈর্যধারণ করব। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান, সহীহ]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (3711)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6080)


عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ مِصْرَ يُرِيدُ حَجَّ الْبَيْتِ فَرَأَى قَوْمًا جُلُوسًا فَقَالَ: مَنْ هَؤُلَاءِ الْقَوْمُ؟ قَالُوا: هَؤُلَاءِ قُرَيْشٌ. قَالَ فَمَنِ الشَّيْخُ فِيهِمْ؟ قَالُوا: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ. قَالَ: يَا ابْنَ عُمَرَ إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ شَيْءٍ فَحَدِّثْنِي: هَلْ تَعْلَمُ أَنَّ عُثْمَانَ فَرَّ يَوْمَ أُحُدٍ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: هَلْ تَعْلَمُ أَنَّهُ تَغَيَّبَ عَنْ بَدْرٍ وَلَمْ يَشْهَدْهَا؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: هَلْ تَعْلَمُ أَنَّهُ تَغَيَّبَ عَنْ بَيْعَةِ الرِّضْوَانِ فَلَمْ يَشْهَدْهَا؟ قَالَ: نَعَمْ؟ قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ قَالَ ابْنُ عُمَرَ: تَعَالَ أُبَيِّنْ لَك أما فِراره يَوْم أُحد فأشهدُ أَن اللَّهَ عَفَا عَنْهُ وَأَمَّا تَغَيُّبُهُ عَنْ بَدْرٍ فَإِنَّهُ كَانَتْ تَحْتَهُ رُقَيَّةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ مَرِيضَةً فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لَكَ أَجْرَ رَجُلٍ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا وَسَهْمَهُ» . وَأَمَّا تَغَيُّبُهُ عَنْ بَيْعَةِ الرِّضْوَانِ فَلَوْ كَانَ أَحَدٌ أَعَزَّ بِبَطْنِ مَكَّةَ مِنْ عُثْمَانَ لَبَعَثَهُ فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُثْمَان وَكَانَت بَيْعةُ الرضْوَان بعدَ مَا ذَهَبَ عُثْمَانُ إِلَى مَكَّةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ الْيُمْنَى: «هَذِهِ يَدُ عُثْمَانَ» فَضَرَبَ بِهَا عَلَى يَدِهِ وَقَالَ: «هَذِه لعُثْمَان» . فَقَالَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ: اذْهَبْ بِهَا الْآنَ مَعَكَ. رَوَاهُ البُخَارِيّ




৬০৮০-[১২] ’উসমান ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মাওহাব (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন মিসরের এক লোক হজ্জে বায়তুল্লাহর উদ্দেশে (মক্কায়) আসলো। তখন সে সেখানে একদল লোককে উপবিষ্ট দেখে প্রশ্ন করল, এরা কে? লোকেরা বলল, এরা কুরায়শ। সে আবার প্রশ্ন করল, এদের মাঝে এ প্রবীণ বয়স্ক লোক কে? লোকেরা বলল, ’আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)।
তখন সে বলল, হে ইবনু ’উমার! আমি আপনাকে কিছু কথা জিজ্ঞেস করতে চাই। আপনি আমাকে বলুন আপনি কি জানেন যে, উহুদ যুদ্ধের দিন ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) (যুদ্ধক্ষেত্র হতে) পলায়ন করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি আবার প্রশ্ন করল, আপনি কি এটাও জানেন যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত হননি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। লোকটি পুনরায় প্রশ্ন করল, আপনি কি জানেন যে, উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বায়’আতে রিযওয়ান (হুদায়বিয়াতে অনুষ্ঠিত বায়’আত) হতে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তাতে যোগদান করেননি। তিনি বললেন, হ্যাঁ। [’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি বিদ্বেষীস্বরূপ আনন্দে] সে বলে উঠল, ’আল্ল-হু আকবার’। তখন ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এবার আসো। প্রকৃত বিষয়টি তোমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছি। উহুদের দিন তাঁর পলায়নের ব্যাপারটি- সে সম্পর্কে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তাঁর সে ত্রুটিটি আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিয়েছেন। আর বদর যুদ্ধ হতে তার অনুপস্থিতির ব্যাপার হলো, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কন্যা রুকাইয়্যাহ্ ছিলেন উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর স্ত্রী। আর তিনি ছিলেন ঐ সময় রোগশয্যায়। তাই রাসূলুল্লাহ (সা.) ’উসমান-কে বলেছিলেন, এ যুদ্ধে যারা যোগদান করবে, তুমি তাদের সমপরিমাণ পুণ্য লাভ করবে এবং (অনুরূপভাবে) গনীমাতের অংশ হতেও তাদের সমপরিমাণ অংশ তুমি লাভ করবে। আর "বায়’আতে রিযওয়ান" হতে অনুপস্থিতির ব্যাপার হলো মাক্কার অধিবাসীদের কাছে উসমান অপেক্ষা অধিকতর সম্মানিত ব্যক্তি যদি অপর কেউ থাকত, তাহলে রাসূলুল্লাহ (সা.) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর স্থলে নিশ্চয় তাকেই পাঠাতেন। তাই রাসূলুল্লাহ (সা.) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) -কেই পাঠিয়েছিলেন। উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) -এর মাক্কায় চলে যাওয়ার পর বায়’আতুর রিযওয়ান সংঘটিত হয়। তখন রাসূলল্লাহ (সা.) আপন ডান হাতের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, এটা ’উসমান-এর হাত। তারপর তিনি সে হাতটি নিজের অপর হাতের উপর রেখে বললেন, ’এটা ’উসমান-এর বায়’আত’।
অতঃপর ইবনু ’উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) লোকটিকে বললেন, ’এখন তুমি এ বর্ণনা সঙ্গে নিয়ে যাও। কেননা তাতে যাদের ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা আছে, তাদের বিভ্রান্তি দূর হয়ে যাবে। আর ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্পর্কে তোমার ভ্রান্ত বিশ্বাস হতে তোমার কোন উপকারে আসবে না, বরং তা বাতিল বলে গণ্য হবে। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3698)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6081)


وَعَن أبي سلهة مولى عُثْمَان رَضِي الله عَنْهُمَا قَالَ: جَعَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسِرُّ إِلَى عُثْمَانَ وَلَوْنُ عُثْمَانَ يَتَغَيَّرُ فَلَمَّا كَانَ يَوْم الدَّار قُلْنَا: أَلا نُقَاتِل؟ قَالَ: لَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَهِدَ إِلَيَّ أَمْرًا فَأَنَا صَابِرٌ نَفسِي عَلَيْهِ




৬০৮১-[১৩] ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুক্ত দাস আবূ সাহলাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী (সা.) ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে চুপে চুপে কিছু কথা বলছিলেন, আর ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর চেহারার রং পরিবর্তন হতে লাগল। অতঃপর যখন গৃহের (অবরোধের ঘটনার দিন আসলো, তখন আমরা বললাম, আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব না? উত্তরে তিনি বললেন, না। কেননা রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে একটি ওয়াসিয়্যাত করেছেন। অতএব আমি তদনুযায়ী ধৈর্যধারণ করে অবিচল থাকব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ البیھقي في دلائل النبوۃ (6/ 391 بزیادۃ: ’’عن، عائشۃ‘‘) [و ابن ماجہ (113) بدون ذکر عائشۃ رضي اللہ عنھا] و للحدیث شواھد .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6082)


وَعَن أبي حبيبةَ أَنَّهُ دَخَلَ الدَّارَ وَعُثْمَانُ مَحْصُورٌ فِيهَا وَأَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَسْتَأْذِنُ عُثْمَانَ فِي الْكَلَامِ فَأَذِنَ لَهُ فَقَامَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " إِنَّكُمْ سَتَلْقَوْنَ بَعْدِي فِتْنَةً وَاخْتِلَافًاأَوْ قَالَ: اخْتِلَافًا وَفِتْنَةًفَقَالَ لَهُ قَائِلٌ مِنَ النَّاسِ: فَمَنْ لَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ أَوْ مَا تَأْمُرُنَا بِهِ؟ قَالَ: «عَلَيْكُمْ بِالْأَمِيرِ وَأَصْحَابِهِ» وَهُوَ يُشِيرُ إِلَى عُثْمَانَ بِذَلِكَ. رَوَاهُمَا الْبَيْهَقِيّ فِي «دَلَائِل النبوَّة»




৬০৮২-[১৪] আবূ হাবীবাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত আছে যে, একদিন তিনি ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর গৃহে প্রবেশ করলেন। এ সময় উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তথায় গৃহবন্দি ছিলেন। তখন তিনি (আবূ হাবীবাহ্) শুনতে পেলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কিছু কথা বলার জন্য ’উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কাছে আসার সম্মতি চাইছেন। অতএব তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। তখন আবূ হুরায়রাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উঠে দাঁড়ালেন এবং প্রথমে আল্লাহর হামদ ও সানা পাঠ করলেন। অতঃপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, নিশ্চয় তোমরা শীঘ্রই আমার মৃত্যুর পরে বিরাট ফিতনাহ্ ও মতানৈক্যে পতিত হবে। অথবা বলেছেন, ভয়ানক মতানৈক্য ও বিপর্যয়ে লিপ্ত হয়ে পড়বে। তখন উপস্থিত লোকেদের মধ্য হতে জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তখন আমরা কি করব? অথবা বলল, তখন আমাদেরকে কি করতে আদেশ করেন? উত্তরে তিনি (সা.) বললেন, তখন তোমরা আমীর ও তাঁর সাথিদের আনুগত্য দৃঢ়ভাবে করতে থাকবে। ’আমীর’ শব্দটি বলবার সময় তিনি (সা.) উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি ইঙ্গিত করলেন। উপরিউক্ত হাদীস দু’টি ইমাম বায়হাক্বী (রহিমাহুল্লাহ) দালায়িলুন নুবুওয়্যাহ্ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ البیھقي في دلائل النبوۃ (6/ 393) [و أحمد (2/، 344۔ 345 ح 8522)]









মিশকাতুল মাসাবিহ (6083)


عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَعِدَ أُحُدًا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ فَرَجَفَ بِهِمْ فَضَرَبَهُ بِرِجْلِهِ فَقَالَ: «اثْبُتْ أُحُدُ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ نَبِيٌّ وَصِدِّيقٌ وَشَهِيدَانِ» . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ




৬০৮৩- আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। একদিন নবী (সা.) ও আবূ বকর, ’উমার এবং উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-সহ উহুদ পাহাড়ের উপর আরোহণ করলেন, (খুশিতে) পাহাড় তাদেরকে নিয়ে দুলতে লাগল। তখন নবী (সা.) পা দ্বারা আঘাত করে বললেন, উহুদ স্থির থাক। কেননা একমাত্র তোমার ওপর একজন নবী, একজন সিদ্দীক ও দু’জন শহীদ রয়েছেন। (বুখারী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ البخاري (3686)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6084)


وَعَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ قَالَ: كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَائِطٍ مِنْ حِيطَانِ الْمَدِينَةِ فَجَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَفْتَحَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «افْتَحْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ» فَفَتَحْتُ لَهُ فَإِذَا أَبُو بَكْرٍ فَبَشَّرْتُهُ بِمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَمِدَ اللَّهَ ثُمَّ جَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَفْتَحَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «افْتَحْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ» . فَفَتَحْتُ لَهُ فَإِذا هُوَ عُمَرُ فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَمِدَ اللَّهَ ثُمَّ اسْتَفْتَحَ رَجُلٌ فَقَالَ لِي: «افْتَحْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ عَلَى بَلْوَى تُصِيبُهُ» فَإِذَا عُثْمَانُ فَأَخْبَرْتُهُ بِمَا قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَمِدَ اللَّهَ ثمَّ قَالَ: الله الْمُسْتَعَان. مُتَّفق عَلَيْهِ




৬০৮৪-[২] আবূ মূসা আল আশ’আরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি নবী (সা.) -এর সাথে মদীনার কোন একটি বাগানে ছিলাম। তখন এক লোক এসে (বাগানের) দরজা খুলে দিতে অনুরোধ করল। নবী (সা.) বললেন, তার জন্য দরজা খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। অতঃপর আমি দরজা খুলে দিতেই দেখলাম, তিনি আবূ বকর সিদ্দীক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। তখন আমি তাঁকে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কথানুযায়ী (জান্নাতের) সুসংবাদ দিলাম। তিনি আলহামদুলিল্লাহ’ বলে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করলেন।
অতঃপর আরেক লোক এসে দরজা খুলে দিতে অনুরোধ করল। নবী (সা.) বললেন, আগন্তুক ব্যক্তির জন্য দরজা খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান কর। আমি গিয়ে দরজা খুলতেই দেখলাম, আগন্তুক "উমার ফারূক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। তখন আমি তাঁকে নবী (সা.) -এর দেয়া সুসংবাদটি জানালাম। তিনিও আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করলেন। অতঃপর আরেক ব্যক্তি এসে দরজা খুলতে অনুরোধ করল। তখন নবী (সা.) আমাকে বললেন, তার জন্য দরজা খুলে দাও এবং তার ওপর মারাত্মক বিপদের আগমনসহ তাকে জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান কর। আমি দরজা খুলে দিতেই দেখলাম, তিনি হলেন উসমান গনী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)।
আমি তাঁকে নবী (সা.) যা বলেছেন তা জানিয়ে দিলাম। তখন তিনি আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, আল্লাহই (আমার) সাহায্যকারী। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (3693) و مسلم (28/ 2403)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6085)


عَن ابْن عمر قَالَ: كُنَّا نَقُولُ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَيٌّ: أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ رَضِي الله عَنْهُم. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৬০৮৫-[৩] ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর জীবদ্দশায় আমরা বলতাম, আবূ বকর, ’উমার এবং উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা), ’আল্লাহ তা’আলা তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকুন। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * صحیح، رواہ الترمذي (3707 وقال: حسن صحیح غریب) [و أصلہ في صحیح، البخاري (3698)]









মিশকাতুল মাসাবিহ (6086)


عَن جابرن أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أُرِيَ اللَّيْلَةَ رَجُلٌ صَالِحٌ كَأَنَّ أَبَا بَكْرٍ نِيطَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنِيطَ عُمَرُ بِأَبِي بَكْرٍ وَنِيطَ عُثْمَانُ بِعُمَرَ» قَالَ جَابِرٌ: فَلَمَّا قُمْنَا مِنْ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْنَا: أَمَّا الرَّجُلُ الصَّالِحُ فَرَسُولُ اللَّهِ وَأَمَّا نَوْطُ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ فَهُمْ وُلَاةُ الْأَمْرِ الَّذِي بَعَثَ اللَّهُ بِهِ نَبِيَّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ




৬০৮৬-[৮] জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আজ রাতে পুণ্যবান একজন ভালো লোককে স্বপ্নে দেখানো হয়েছে, যেন আবূ বকর রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর সাথে সংযুক্ত, ’উমার আবূ বকর-এর সাথে সংযুক্ত এবং উসমান ’উমার-এর সাথে সংযুক্ত।
জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কাছ হতে উঠে আসলাম, তখন আমরা নিজেদের ধারণানুযায়ী এ মন্তব্য করলাম যে, সেই পুণ্যবান লোক হলেন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা.) আর যাদের পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে, তাঁরা হলেন ঐ দীন-ইসলামের শাসনকর্তা, যে দীনসহ আল্লাহ তা’আলা তাঁর নবী (সা.)-কে পাঠিয়েছেন। (আবূ দাউদ)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * سندہ ضعیف، رواہ أبو داود (4636) [و صححہ الحاکم (3/ 71۔ 72)، ووافقہ الذہبي] ٭ الزھري مدلس و عنعن و لہ شاھد ضعیف تقدم (6057)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6087)


عَن سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَلِيٍّ: «أَنْتَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلَّا أَنَّهُ لَا نَبِيَّ بَعْدِي» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ




৬০৮৭- সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে কেন্দ্র করে বলেছেন, মূসা আলায়হিস সালাম-এর কাছে হারূন আলায়হিস সালাম-এর যে মর্যাদা ছিল, তুমিও আমার কাছে সে পর্যায়ে রয়েছ। তবে তারতম্য এটা যে, আমার পরে আর কোন নবী নেই। (বুখারী ও মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (3706) و مسلم (30/ 2404)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6088)


وَعَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: وَالَّذِي فَلَقَ الْحَبَّةَ وَبَرَأَ النَّسَمَةَ إِنَّهُ لَعَهْدُ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيَّ: أَنْ لَا يُحِبَّنِي إِلَّا مؤمنٌ وَلَا بيغضني إِلَّا مُنَافِق. رَوَاهُ مُسلم




৬০৮৮-[২] যির ইবনু হুবায়শ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, সেই মহান পবিত্র সত্তার শপথ। যিনি বীজ ফাটিয়ে অঙ্কুর বের করেন এবং বীর্য হতে প্রাণী সৃষ্টি করেন, নবীয়ে উম্মী - আমাকে এ অসিয়ত করেছেন যে, মু’মিনই আমাকে ভালোবাসবে এবং মুনাফিকই আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (131/ 78)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6089)


وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ خَيْبَرَ: «لَأُعْطِيَنَّ هَذِهِ الرَّايَةَ غَدًا رَجُلًا يَفْتَحُ اللَّهُ عَلَى يَدَيْهِ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهَ وَيُحِبُّهُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ» . فَلَمَّا أَصْبَحَ النَّاسُ غَدَوْا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كلهم يَرْجُو أَنْ يُعْطَاهَا فَقَالَ: «أَيْنَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ؟» فَقَالُوا: هُوَ يَا رَسُولَ اللَّهِ يَشْتَكِي عَيْنَيْهِ. قَالَ: «فَأَرْسِلُوا إِلَيْهِ» . فَأُتِيَ بِهِ فَبَصَقَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي عَيْنَيْهِ فَبَرَأَ حَتَّى كَأَنْ لَمْ يَكُنْ بِهِ وَجَعٌ فَأَعْطَاهُ الرَّايَةَ فَقَالَ عَلِيٌّ: يَا رَسُولَ الله أقاتلهم حَتَّى يَكُونُوا مثلنَا؟ فَقَالَ: «انْفُذْ عَلَى رِسْلِكَ حَتَّى تَنْزِلَ بِسَاحَتِهِمْ ثُمَّ ادْعُهُمْ إِلَى الْإِسْلَامِ وَأَخْبِرْهُمْ بِمَا يَجِبُ عَلَيْهِمْ مِنْ حَقِّ اللَّهِ فِيهِ فَوَاللَّهِ لَأَنْ يَهْدِي اللَّهُ بِكَ رَجُلًا وَاحِدًا خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ يَكُونَ لَكَ حُمْرُ النَّعَمِ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَذكر حَدِيث الْبَراء قَالَ لعَلي: «أَنْت مني وَأَنا مِنْك» فِي بَاب «بُلُوغ الصَّغِير»




৬০৮৯-[৩] সাহল ইবনু সা’দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) খায়বার যুদ্ধের সময় বললেন, আগামীকাল আমি এ পতাকা এমন এক লোকের হাতে প্রদান করব, যার হাতে আল্লাহ তা’আলা (খায়বার দূর্গ) জয় করাবেন, যিনি আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসেন। অতঃপর ভোর হতেই লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কাছে এসে উপস্থিত হলো। তারা প্রত্যেকেই (মনে মনে) এ আশা পোষণ করছিল যে, পতাকা তাকেই প্রদান করা হবে। কিন্তু নবী (সা.)- প্রশ্ন করলেন, ’আলী ইবনু আবূ ত্বালিব কোথায়? লোকজন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তাঁর চোখে অসুস্থতা দেখা দিয়েছে। তিনি (সা.) বললেন, তাঁকে ডেকে আনার জন্য কাউকে পাঠাও। অতঃপর আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে আনা হলো। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তার দু’চোখে থুথু লাগিয়ে দিলেন। তাতে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলেন, যেন তার চোখে কোনরূপ রোগ-ব্যথাই ছিল না।
অতঃপর তিনি (সা.) পতাকা তাঁর হাতেই প্রদান করলেন। পতাকা হাতে নিয়ে ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের (শত্রুদের) বিরুদ্ধে আমি সেই অবধি লড়ে যাব যে পর্যন্ত তারা আমাদের মতো (মুসলিম) না হবে। নবী (সা.) বললেন, তুমি ধীরে-সুস্থে চল, এমনকি যখন তুমি তাদের অঞ্চলে পৌছবে, তখন সর্বপ্রথম তাদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করবে এবং ইসলামের মধ্যে আল্লাহর সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করবে। আল্লাহর শপথ! তোমার দ্বারা যদি একটি লোককেও আল্লাহ তা’আলা হিদায়াত দান করেন, তবে তা তোমার জন্য লাল রঙের উট অপেক্ষাও অধিকতর উত্তম হবে। (বুখারী ও মুসলিম)
আর ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা.) যে ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে কেন্দ্র করে বলেছিলেন- (أَنْت مني وَأَنا مِنْك) "তুমি ’আমর এবং আমি তোমার" بَاب "بُلُوغ الصَّغِير" ’শিশুর বয়ঃপ্রাপ্তি অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: متفق عليه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * متفق علیہ، رواہ البخاري (2942) و مسلم (34/ 2406) حدیث البراء، تقدم (3377)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6090)


عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ عَلِيًّا مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ وَهُوَ وَلِيُّ كُلِّ مُؤْمِنٍ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ




৬০৯০-[৪] ’ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। নবী (সা.) বলেছেন: ’আলী আমার হতে আর আমি ’আলী হতে। আর সে প্রত্যেক মুমিনের বন্ধু। (তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ حسن، رواہ الترمذي (3712 وقال: غریب)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6091)


وَعَن زيد بن أَرقم أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كُنْتُ مَوْلَاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلَاهُ» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيّ




৬০৯১-[৫] যায়দ ইবনু আরকাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। নবী (সা.)-বলেছেন: আমি যার বন্ধু, ’আলীও তার বন্ধু। (আহমাদ ও তিরমিযী)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ صحیح، رواہ أحمد (4/ 368 ح 19494) والترمذي (3713 وقال:، حسن غریب) ٭ و للحدیث طریق کثیرۃ جدًا فھو من الأحادیث المتواترۃ .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6092)


وَعَن حبشِي بن جُنَادَة قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَلِيٌّ مِنِّي وَأَنَا مِنْ عَلِيٍّ وَلَا يُؤَدِّي عني إِلَّا أَنا وَعلي» رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَرَوَاهُ أَحْمد عَن أبي جُنَادَة




৬০৯২-[৬] হুবশী ইবনু জুনাদাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ’আলী আমা হতে, আর আমি ’আলী হতে। আর আমার তরফ হতে কেউ দায়িত্ব পালন করতে পারবে না, আমি অথবা ’আলী ছাড়া। [তিরমিযী, আর ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি জুনাদাহ হতে বর্ণনা করেছেন।]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: لم تتم دراسته




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (3719 وقال: حسن غریب صحیح) و أحمد (4/ 164 ح، 17645)









মিশকাতুল মাসাবিহ (6093)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: آخَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ أَصْحَابِهِ فَجَاءَ عَلِيٌّ تَدْمَعُ عَيْنَاهُ فَقَالَ: آخَيْتَ بَيْنَ أَصْحَابِكَ وَلم تُؤاخِ بَيْنِي وَبَيْنَ أُحُدٍ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنْتَ أَخِي فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ




৬০৯৩-[৭] ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) মুহাজির ও আনসার সাহাবীদের মধ্যে ভ্রাতত্ব স্থাপন করেন। এ সময় ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) অশ্রুসজল চোখে এসে বললেন, (হে আল্লাহর রাসূল!) আপনি আপনার সাহাবীদের পরস্পরে মাঝে ভ্রাতত্ব বন্ধন স্থাপন করলেন, অথচ আমাকে কারো সাথে ভ্রাতত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করলেন না। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে বললেন, ইহকাল ও পরকালে উভয় স্থানেই তুমি আমার ভাই। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান ও গরীব]।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (3720) ٭ حکیم بن جبیر: ضعیف رمي، بالتشیع، و جمیع بن عمیر: ضعیف ضعفہ الجمھور .









মিশকাতুল মাসাবিহ (6094)


وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَيْرٌ فَقَالَ: «اللَّهُمَّ ائْتِنِي بِأَحَبِّ خَلْقِكَ إِلَيْكَ يَأْكُلُ مَعِي هَذَا الطَّيْرَ» فجَاء عَلِيٌّ فَأَكَلَ مَعَهُ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ




৬০৯৪-[৮] আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী (সা.) -এর সামনে (খাওয়ার জন্য) একটি (ভুনা) পাখি রাখা ছিল। তখন তিনি (সা.) (দু’আয়) বললেন, হে আল্লাহ! তোমার সৃষ্টিজীবের মাঝে যে লোকটি তোমার কাছে অধিকতর প্রিয়, তাকে তুমি পাঠিয়ে দাও, যেন সে আমার সাথে এ পাখিটি (’র মাংস) খেতে পারে। এর পরক্ষণেই ’আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আসলেন এবং তাঁর সাথে খেলেন। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি গরীব]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * حسن، رواہ الترمذي (3721)