হাদীস বিএন


মিশকাতুল মাসাবিহ





মিশকাতুল মাসাবিহ (5936)


وَعَن عَمْرو بن أخطَب الْأنْصَارِيّ قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا الْفجْر وَصعد الْمِنْبَرِ فَخَطَبَنَا حَتَّى حَضَرَتِ الظُّهْرُ فَنَزَلَ فَصَلَّى ثمَّ صعِد الْمِنْبَر فَخَطَبَنَا حَتَّى حَضَرَتِ الْعَصْرُ ثُمَّ نَزَلَ فَصَلَّى ثُمَّ صَعِدَ الْمِنْبَرَ حَتَّى غَرَبَتِ الشَّمْسُ فَأَخْبَرَنَا بِمَا هُوَ كَائِنٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ فَأَعْلَمُنَا أحفظنا. رَوَاهُ مُسلم




৫৯৩৬-[৬৯] ’আমর ইবনু আখত্বাব আল আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে ফজরের সালাত আদায় করিয়ে মিম্বারে উঠে আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন, এমনকি ভাষণে সিলসিলা একটানা যুহরের সময় অবধি চলতে থাকল। অতঃপর মিম্বার হতে তিনি নেমে যুহরের সালাত আদায় করালেন। সালাত শেষ করে আবার মিম্বারে উঠে ভাষণ দিলেন, এমনকি ’আসরের সময় হয়ে গেল। তখন মিম্বার হতে নেমে আসরের সালাত আদায় করালেন। আসরের সালাত শেষ করে আবার মিম্বারে উঠে সূর্যাস্ত অবধি ভাষণ দিলেন। ভাষণে তিনি সেই সমস্ত বিষয়গুলো আমাদেরকে জানালেন, কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু সংঘটিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমাদের মধ্যে সেই লোকই সর্বাপেক্ষা জ্ঞানী যে সেদিন কথাগুলো বেশি বেশি স্মরণ রেখেছে। (মুসলিম)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * رواہ مسلم (25/ 2892)