মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَن بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ لِلشَّيْطَانَ لَمَّةً بِابْنِ آدَمَ وَلِلْمَلَكِ لَمَّةً فَأَمَّا لَمَّةُ الشَّيْطَانَ فَإِيعَادٌ بِالشَّرِّ وَتَكْذِيبٌ بِالْحَقِّ وَأَمَّا لَمَّةُ الْمَلَكِ فَإِيعَادٌ بِالْخَيْرِ وَتَصْدِيقٌ بِالْحَقِّ فَمَنْ وَجَدَ ذَلِكَ فَلْيَعْلَمْ أَنَّهُ من الله فليحمد اللَّهَ وَمَنْ وَجَدَ الْأُخْرَى فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ ثُمَّ قَرَأَ (الشَّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ ويأمركم بالفحشاء) الْآيَة) أخرجه التِّرْمِذِيّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيث حسن غَرِيب
৭৪-[১২] ইবনু মাস্’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সকল মানুষের ওপরই শায়ত্বনের (শয়তানের) একটি ছোঁয়া রয়েছে এবং একইভাবে মালায়িকাহ্’রও (ফেরেশতাগণেরও) একটি ছোঁয়া আছে। শায়ত্বনের (শয়তানের) ছোঁয়া হলো, সে মানুষকে মন্দ কাজের দিকে উস্কে দেয়, আর সত্যকে মিথ্যায় প্রতিপন্ন করে। অপরদিকে মালায়িকার ছোঁয়া হলো, তারা মানুষকে কল্যাণের দিকে উৎসাহিত করে, আর সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে। সুতরাং যে লোক মালায়িকার উৎসাহ-উদ্দীপনার অবস্থা নিজের মধ্যে দেখতে পায়, তখন তার মনে করতে হবে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হচ্ছে, আর এ কারণে সে যেন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি নিজের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থা, অর্থাৎ- শায়ত্বনের (শয়তানের) ওয়াস্ওয়াসাহ্ পায় সে যেন অভিশপ্ত শায়ত্বন (শয়তান) থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সমর্থনে (কুরআনের আয়াতটি) পাঠ করলেন (অনুবাদঃ) ’’শায়ত্বন (শয়তান) তোমাদেরকে অভাব-অনটনের ভয় দেখিয়ে থাকে এবং অশ্লীলতার আদেশ করে থাকে’’- (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২: ২৬৮)। (তিরমিযী; ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি গরীব)
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعیف، رواہ الترمذي (2988) [والنسائي فی الکبری (11051 /، التفسیر: 71) و ابن حبان (الموارد: 40)] ٭ عطاء بن السائب اختلط و الراوي عنہ، بعد اختلاطہ (انظر الکواکب النیرات وغیرہ) والحدیث: أخرجہ الطبري في تفسیرہ (3/، 59) بسند حسن عن عبد اللہ (بن مسعود) رضي اللہ عنہ من قولہ وھو الصواب و للموقوف، شواھد ولہ حکم الرفع .