রিয়াদুস সালিহীন
وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: نهَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الجَلاَّلَةِ فِي الإبِلِ أَنْ يُرْكَبَ عَلَيْهَا. رواه أبو داود بإسناد صحيح
যে হালাল পশু [উট, গরু ইত্যাদি] সাধারণত: মানুষের পায়খানা খায়, তার উপর সওয়ার হওয়া মকরুহ। এরূপ নোংরা-ভোজী উট যদি ঘাস খেতে লাগে [এবং নোংরা ভক্ষণ করা ত্যাগ করে] তাহলে তার মাংস পবিত্র হবে বিধায় মকরুহ থাকবে না।
১/১৭০১। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নোংরা-ভোজী উঁটনীর উপর চড়তে বারণ করেছেন।’ [আবূ দাঊদ-বিশুদ্ধ সূত্রে][1]
[প্রকাশ থাকে যে, এরূপ পশুর দুধ ও গোশত খাওয়ার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
[1] আবূ দাউদ ২৫৫৭, ২৫৫৮, ১৭০২, সহীহুল বুখারী ৪১৫, মুসলিম ৫৫২, তিরমিযী ৫৭২, নাসায়ী ৭২৩, আবূ দাউদ ২৭৪, ৪৭৪, ৪৭৫, আহমাদ ১১৬৫১, ১২৩৬৪, ১২৪৭৯, ১২৭৭০, ১২৮০৪, ১৩০২১, ১৩০৩৮, ১৩০৮৮, ১৩২৩৫, ১৩৪৯৪, ১৩৫৩৬, ১৩৬৬১, দারেমী ১৩৯৫
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «البُصَاقُ فِي المَسْجِدِ خَطِيئَةٌ، وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا». متفق عليه
১/১৭০২। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মসজিদের ভিতর থুথু ফেলা পাপ। আর তার কাফফারা [প্রায়শ্চিত্ত] হল তা মাটিতে পুঁতে দেওয়া।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
অর্থাৎ মসজিদের মেঝে কাঁচা মাটি বা বালির হলে তা মাটি বা বালি ঢাকা দিতে হবে। আমাদের [শাফেয়ী] মাযহাবের আলেম আবুল মাহাসিন রুওয়ানী তাঁর ‘আল-বাহর’ গ্রন্থে বলেন, বলা হয়েছে যে, দাফন করার অর্থ হল, তা মসজিদ থেকে দূর করে দেওয়া। কিন্তু মসজিদের মেঝে যদি মোজাইক করা বা পাকা হয়, তাহলে তা জুতা বা অন্য কিছু দিয়ে রগড়ে দেওয়া---যেমন বহু জাহেল করে থাকে---দাফন করা নয়। বরং তাতে পাপ বৃদ্ধি করা এবং মসজিদকে বেশি নোংরা করা হয়। যে কেউ এমন করে থাকে, তার উচিত হল, তা কাপড়, হাত অথবা অন্য কিছু দিয়ে মুছে দেওয়া অথবা পানি দিয়ে ধুয়ে দেওয়া।
[1] সহীহুল বুখারী ৪১৫, মুসলিম ৫৫২, তিরমিযী ৫৭২, নাসায়ী ৭২৩, আবূ দাউদ ২৭৪, ৪৭৪, ৪৭৫, আহমাদ ১১৬৫১, ১২৩৬৪, ১২৪৭৯, ১২৭৭০, ১২৮০৪, ১৩০২১, ১৩০৩৮, ১৩০৮৮, ১৩২৩৫, ১৩৪৯৪, ১৩৫৩৫, ১৩৪৯৪, ১৩৫৩৬, ১৩৬৬১, দারেমী ১৩৯৫
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي جِدَارِ القِبْلَةِ مُخَاطاً، أَوْ بُزَاقاً، أَوْ نُخَامَةً، فَحَكَّهُ . متفق عَلَيْهِ
২/১৭০৩। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকের দেওয়ালে পোঁটা, থুথু কিম্বা শ্লেষ্মা দেখতে পেলেন। সুতরাং তিনি রগড়ে পরিষ্কার করে দিলেন। (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ৪০৭, মুসলিম ৫৪৯, ইবনু মাজাহ ৭৬৪, আহমাদ ২৪৬৩০, ২৫৪০৬, মুওয়াত্তা মালিক ৪৫৭
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهَ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ هَذِهِ المَسَاجِدَ لاَ تَصْلُحُ لِشَيءٍ مِنْ هَذَا البَوْلِ وَلاَ القَذَرِ، إنَّمَا هي لِذِكْرِ اللهِ تَعَالَى، وَقِراءةِ القُرْآنِ» أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم . رواه مسلم
৩/১৭০৪। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় এ মসজিদসমূহ পেশাব ও নোংরা-আবর্জনার উপযুক্ত স্থান নয়। এসব তো মহান আল্লাহর জিকির এবং কুরআন তেলাওয়াত করার জন্য।’’ অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপ কিছু বলেছেন। (মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ২১৯, ২২১, ৬০২৫, মুসলিম ২৮৪, ২৮৫, তিরমিযী ১৪৭, নাসায়ী ৫৩, ৫৫, ৩২৯, ইবনু মাজাহ ৫২৮, আহমাদ ১১৬৭২, ১১৭২২, ১২২৯৮, ১২৫৭২, ১২৯৫৫, মুওয়াত্তা মালিক ১৪৪, দারেমী ৭৪০
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «مَنْ سَمِعَ رَجُلاً يَنْشُدُ ضَالَّةً فِي المَسْجِدِ فَلْيَقُلْ : لاَ رَدَّها اللهُ عَلَيْكَ، فَإِنَّ المَسَاجِدَ لَمْ تُبْنَ لِهَذَا» . رواه مسلم
১/১৭০৫। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি কাউকে হারানো জিনিস সন্ধান [ঘোষণা] করতে শোনে, সে যেন বলে, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।’ কারণ, মসজিদ এর জন্য বানানো হয়নি।’’ (মুসলিম)[1]
[1] মুসলিম ৫৬৮, তিরমিযী ১৩২১, আবূ দাউদ ৪৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৬৭, আহমাদ ৮৩৮২, ৯১৬১, দারেমী ১৪০১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِذَا رَأيْتُمْ مَنْ يَبِيعُ أَوْ يَبْتَاعُ فِي المَسْجِدِ، فَقُولُوا : لاَ أَرْبَحَ اللهُ تِجَارَتَكَ، وَإِذَا رَأَيْتُمْ مَنْ يَنْشُدُ ضَالَّةً فَقُولُوا : لاَ رَدَّهَا الله عَلَيْكَ» . رواه الترمذي، وقال :[ حديث حسن ]
২/১৭০৬। উক্ত রাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যখন তোমরা কাউকে মসজিদের মধ্যে কেনা-বেচা করতে দেখবে, তখন বলবে, ‘আল্লাহ তোমার ব্যবসায়ে যেন লাভ না দেন।’ আর যখন কাউকে হারানো জিনিস খুঁজতে দেখবে, তখন বলবে, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।’’ (তিরমিযী] [1]
[1] মুসলিম ৫৬৮, তিরমিযী ১৩২১, আবূ দাউদ ৪৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৬৭, আহমাদ ৮৩৮২, ৯১৬১, দারেমী ১৪০১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ بُرَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّ رَجُلاً نَشَدَ فِي المَسْجِدِ فَقَالَ: مَنْ دَعَا إِلَى الجَمَلِ الأَحْمَرِ ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ وَجَدْتَ ؛ إِنَّمَا بُنِيَتِ المَسَاجِدُ لِمَا بُنِيَتْ لَهُ» . رواه مسلم
৩/১৭০৭। বুরাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, একটি লোক মসজিদের মধ্যে [হারানো বস্তু সম্পর্কে] ঘোষণা পূর্বক বলল, ‘আমাকে আমার লাল উটের সন্ধান কে দিতে পারবে?’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তুমি যেন তা না পাও। মসজিদ সেই কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে, যে কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে।’’ (মুসলিম) [1] [অর্থাৎ ইবাদতের জন্য, হারানো জিনিস খোঁজার জন্য নয়।]
[1] মুসলিম ৫৬৯, ইবনু মাজাহ ৭৬৫, আহমাদ ২২৫৩৫
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ عَمرِو بنِ شُعَيبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَن الشِّرَاءِ وَالبَيْعِ فِي المَسْجِدِ، وَأَنْ تُنْشَدَ فِيهِ ضَالَّةٌ؛ أَوْ يُنْشَدَ فِيهِ شِعْرٌ. رواه أَبُو داود والترمذي، وقال:[حديث حسن]
৪/১৭০৮। আমর ইবনে শুআইব রাদিয়াল্লাহু আনহু স্বীয় পিতা থেকে, তিনি তাঁর [আমরের] দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মসজিদের মধ্যে কেনা-বেচা করতে, হারানো বস্তু সন্ধান করতে অথবা তাতে [অবৈধ] কবিতা আবৃত্তি করতে। [আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান] [1]
[1] তিরমিযী ৩২২, আবূ দাউদ ১০৭৯, নাসায়ী ৭১৪, ৭১৫, ইবনু মাজাহ ৭৪৯
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ হাসান
وَعَنْ السَّائِبِ بنِ يَزِيدَ الصَّحَابِي رضي الله عنه قَالَ: كُنْتُ فِي المَسْجِدِ فَحَصَبَنِي رَجُلٌ، فَنَظَرْتُ فَإِذَا عُمَرُ بْنُ الخَطَّابِ رضي الله عنه فَقَالَ: اِذْهَبْ فَأْتِنِي بِهَذَينِ، فَجِئْتُهُ بِهِمَا، فَقَالَ: مِنْ أَيْنَ أَنْتُمَا ؟ فَقَالاَ: مِنْ أَهْلِ الطَّائِفِ، فَقَالَ: لَوْ كُنْتُمَا مِنْ أَهْلِ البَلَدِ، لأَوْجَعْتُكُمَا، تَرْفَعَانِ أَصْوَاتَكُمَا فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ! رواه البخاري
৫/১৭০৯। সাহাবী সায়েব ইবনে ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মসজিদে নববীতে ছিলাম। এমন সময় একটি লোক আমাকে কাঁকর ছুঁড়ে মারল। আমি তার দিকে তাকাতেই দেখি, তিনি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি বললেন, ‘যাও, ঐ দু’জনকে আমার নিকট নিয়ে এস।’ আমি তাদেরকে নিয়ে তাঁর কাছে এলাম। তিনি বললেন, ‘তোমরা কোথাকার?’ তারা বলল, ‘আমরা তায়েফের অধিবাসী।’ তিনি বললেন, ‘তোমরা যদি এই শহর [মদিনার] লোক হতে, তাহলে আমি তোমাদেরকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মসজিদে উচ্চস্বরে কথা বলছ!’ (বুখারী) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ৪৭০
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ - يَعنِي : الثُّومَ - فَلاَ يَقْرَبَنَّ مَسْجِدَنَا» . متفق عَلَيْهِ . وفي روايةٍ لمسلم : «مَسَاجِدَنَا» .
১/১৭১০। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি এই গাছ---অর্থাৎ রসুন ---থেকে কিছু খায়, সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদের নিকটবর্তী না হয়।’’ (বুখারী-মুসলিম) [1]
মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, ‘‘সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদসমূহের নিকটবর্তী না হয়।’’
[1] সহীহুল বুখারী ৮৫৩, ৪২১৫, ৪২১৭, ৪২১৮, ৫৫২২, মুসলিম ৫৬১, আবূ দাউদ ৩৮২৫, ইবনু মাজাহ ১০১৬, আহমাদ ৪৭০১, ৪৭০৬, ৫৭৫২, ৬২৫৫, ৬২৭৪, ২৭৮৩৬, দারেমী ২০৫৩
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الشَّجَرَةِ فَلاَ يَقْرَبَنَّا، وَلاَ يُصَلِّيَنَّ مَعَنَا» . متفق عَلَيْهِ
২/১৭১১। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি এই [রসুন] গাছ থেকে কিছু ভক্ষণ করল, সে যেন অবশ্যই আমাদের নিকটবর্তী না হয়, আর না আমাদের সাথে নামায পড়ে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ৮৫৬, ৫৪৫১, মুসলিম ৫৬২, আহমাদ ২৭৮৩৩
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَكَلَ ثُوماً أَوْ بَصَلاً فَلْيَعْتَزِلنَا، أَو فَلْيَعْتَزِلْ مَسْجِدَنَا». متفق عَلَيْهِ، وَفِي رِوَايةٍ لِمُسْلِمٍ : «مَنْ أَكَلَ البَصَلَ، وَالثُّومَ، وَالكُرَّاثَ، فَلاَ يَقْرَبَنَّ مَسْجِدَنَا، فَإِنَّ المَلاَئِكَةَ تَتَأَذَّى مِمَّا يَتَأَذَّى مِنْهُ بَنُو آدَمَ» .
৩/১৭১২। জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি [কাঁচা] রসূন অথবা পিঁয়াজ খায়, সে যেন আমাদের নিকট হতে দূরে অবস্থান করে অথবা আমাদের মসজিদ থেকে দূরে থাকে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে যে, ‘‘যে ব্যক্তি [কাঁচা] পিঁয়াজ, রসূন এবং লিক পাতা খায়, সে যেন অবশ্যই আমাদের মসজিদের নিকটবর্তী না হয়। কেননা, ফিরিশতাগণ সেই জিনিসে কষ্ট পান, যাতে আদম-সন্তান কষ্ট পায়।’’
[1] সহীহুল বুখারী ৮৫৪, ৮৫৫, ৫৪৫২, ৭৩৫৯, মুসলিম ৫৬৪, তিরমিযী ১৮০৬, নাসায়ী ৭০৭, আবূ দাউদ ৩৮২২, আহমাদ ১৪৫৯৬, ১৪৬৫১, ১৪৭৩৯, ১৪৮৫০, ১৪৮৭৫
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ عُمَرَ بنِ الخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّهُ خَطَبَ يَومَ الجُمُعَةِ فَقَالَ فِي خُطْبَتِهِ : ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ تَأكُلُونَ شَجَرتَيْنِ مَا أَرَاهُمَا إِلاَّ خَبِيثَتَيْن: البَصَلَ وَالثُّومَ. لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، إِذَا وَجدَ ريحَهُمَا مِنَ الرَّجُلِ فِي المَسْجِدِ أَمَرَ بِهِ، فَأُخْرِجَ إِلَى البَقِيعِ، فَمَنْ أَكَلَهُمَا، فَلْيُمِتْهُمَا طَبْخاً. رواه مسلم
৪/১৭১৩। উমার ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি এক জুমার দিন খুতবা দিলেন, সে খুতবায় তিনি বললেন, ‘‘....অতঃপর তোমরা হে লোক সকল! দুই শ্রেণীর এমন গাছ [সবজী] খেয়ে থাক; যা [কাঁচা অবস্থায়] খাওয়ার অনুপযুক্ত মনে করি; পিঁয়াজ আর রসুন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, যখন তিনি মসজিদের মধ্যে কোন ব্যক্তির কাছ থেকে ঐ দুই [সবজি]র দুর্গন্ধ পেতেন, তখন তাকে [মসজিদ থেকে বহিষ্কার করতে] আদেশ দিতেন। ফলে তাকে বাকী’ [নামক জায়গা] পর্যন্ত বের করে দেওয়া হত। সুতরাং যে ঐ দুই সবজী খেতে চায়, সে যেন ঐগুলি রান্না করে তার গন্ধ মেরে খায়।’’ (মুসলিম) [1]
[1] মুসলিম ৫৬৭, ইবনু মাজাহ ৩৩৬৩, ১০১৪, নাসায়ী ৭০৩, আহমাদ ৯০, ৩৪৩
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
عَنْ مُعاذِ بنِ أَنَسٍ الجُهَنِيِّ رضي الله عنه : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الحِبْوَةِ يَومَ الجُمُعَةِ وَالإمَامُ يَخْطُبُ . رواه أَبُو داود والترمذي، وقالا :[ حديث حسن»
কেননা, তাতে ঘুম চলে আসে, যার ফলে খুৎবা শোনা থেকে বঞ্চিত হতে হয় এবং ওজু নষ্ট হওয়ার [অনুরূপ পড়ে যাওয়ার] আশংকা থাকে। [যেমন নিচে থেকে লুঙ্গি সরে গিয়ে লজ্জা-স্থান প্রকাশ হওয়ারও আশঙ্কা থাকে।]
১/১৭১৪। মুআয ইবনে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিনে ইমামের খুৎবা চলা অবস্থায় দুই হাঁটুকে পেটে লাগিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন। [আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান] [1]
[1] আবূ দাউদ ১১১০, তিরমিযী ৫১৪, আহমাদ ১৫২০৩
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ হাসান
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ لَهُ ذِبْحٌ يَذْبَحُهُ، فَإِذَا أَهَلَّ هِلاَلُ ذِي الحِجَّةِ، فَلاَ يَأخُذَنَّ مِنْ شَعْرِهِ وَلاَ مِنْ أَظْفَارِهِ شَيْئاً حَتَّى يُضَحِّيَ» . رواه مسلم
১/১৭১৫। উম্মে সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যার কাছে এমন কুরবানীর পশু আছে যাকে যবেহ করার ইচ্ছা রাখে, সে যেন যুলহিজ্জার চন্দ্রোদয়ের পর থেকে কুরবানী যবেহ না করা পর্যন্ত নিজ চুল, নখ কিছু অবশ্যই না কাটে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[1] মুসলিম ১৯৭৭, তিরমিযী ১৫২৩, আবূ দাউদ ২৭৯১, নাসায়ী ৪৩৬১, ৪৩৬২, ৪৩৬৪, ইবনু মাজাহ ৩১৪৯, ৩১৫০, আহমাদ ২৫৯৩৫, দারেমী ১৯৪৭, ১৯৪৮
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّ الله تَعَالَى يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ، فَمَنْ كَانَ حَالِفاً، فَلْيَحْلِفْ بِاللهِ، أَوْ لِيَصْمُتْ . متفق عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ فِي الصَّحِيحِ : فَمَنْ كَانَ حَالِفاً فَلاَ يَحْلِفْ إِلاَّ بِاللهِ، أَوْ لِيَسْكُتْ
আল্লাহ ছাড়া কোন সৃষ্টি; যেমন পয়গম্বর, কা’বা, ফিরিশ্তা, আসমান, বাপ-দাদা, জীবন, আত্মা, মাথা, রাজার জীবন, রাজার অনুগ্রহ, অমুকের কবর, আমানত প্রভৃতির কসম খাওয়া নিষেধ। আমানতের কসম অধিকতর কঠিন-ভাবে নিষিদ্ধ।
১/১৭১৬। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে তোমাদের বাপ-দাদার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে শপথ করতে চায়, সে যেন আল্লাহর নামে শপথ করে; নচেৎ চুপ থাকে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
সহীহতে অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘‘সুতরাং যে কসম করতে চায়, সে যেন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে কসম না করে অথবা চুপ থাকে।’’
[1] সহীহুল বুখারী ২৬৭৯, ৩৮৩৬, ৬১০৮, ৬৬৪৬, ৬৬৪৭, ৬৬৪৮, ৭৪০১, মুসলিম ১৬৪৬, তিরমিযী ১৫৩৩, ১৫৩৪, ১৫৩৫, নাসায়ী ৩৭৬৬-৩৭৬৮, আবূ দাউদ ৩২৪৯, ইবনু মাজাহ ২০৯৪, আহমাদ ৪৫০৯, ৪৫৩৪, ৪৫৭৯, ৪৬৫৩, ৪৬৮৯, ১৮৮৬, ৫৩৫২, ৫৪৩৯, ৫৫৬৮, ৫৭০২, ৬০৩৬, ৬২৫২, মুওয়াত্তা মালিক ১০৩৭, দারেমী ২৩৪১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ عَبْدِ الرَّحمنِ بنِ سَمُرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَحْلِفُوا بِالطَّوَاغِي، وَلاَ بِآبَائِكُمْ» . رواه مسلم
২/১৭১৭। আব্দুর রহমান ইবনে সামুরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমরা তাগূত [শয়তান ও মূর্তি]র নামে শপথ করো না এবং তোমাদের বাপ-দাদার নামেও না।’’ (মুসলিম) [1]
[1] মুসলিম ১৬৪৮, নাসায়ী ৩৭৭৪, ইবনু মাজাহ ২০৯৫, আহমাদ ২০১০১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْ بُريدَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُ : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: مَنْ حَلَفَ بِالأَمَانَةِ فَلَيْسَ مِنَّا. حديث صحيح، رواه أَبُو داود بإسناد صحيح
৩/১৭১৮। বুরাইদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমানতের কসম খাবে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।’’ [আবূ দাঊদ বিশুদ্ধ-সূত্রে] [1]
[1] আবূ দাউদ ৩২৫৩, আহমাদ ২২৪৭১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنْه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَلَفَ فَقَالَ: إِنِّي بَرِيءٌ مِنَ الإِسْلاَمِ، فَإِنْ كَانَ كَاذِباً، فَهُوَ كَمَا قَالَ، وَإِنْ كَانَ صَادِقاً، فَلَنْ يَرْجِعَ إِلَى الإِسْلاَمِ سَالِماً». رواه أَبُو داود
৪/১৭১৯। উক্ত রাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি কসম খেয়ে বলল যে, ‘আমি ইসলাম হতে [দায়] মুক্ত।’ অতঃপর যদি [তাতে] সে মিথ্যাবাদী হয়, তাহলে তেমনি হবে, যেমন সে বলেছে। আর যদি সে [তাতে] সত্যবাদী হয়, তাহলে নিখুঁতভাবে ইসলামে কখনোই ফিরতে পারবে না।’’ [আবূ দাঊদ][1]
[কেউ যদি কসম খেয়ে বলে যে, ‘এই কাজ করলে, আমি মুসলিম নই।’ অতঃপর সে তাতে মিথ্যাবাদী হয়, অর্থাৎ সেই কাজ করে ফেলে, তাহলে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে; যদি মনে সত্যই সেই নিয়ত করে থাকে। নচেৎ কেবল তাকীদ উদ্দেশ্য হলে মহাপাপ গণ্য হবে। পক্ষান্তরে কেউ যদি তার কসমে সত্যবাদী হয়, অর্থাৎ সেই কাজ সে না করে, তাহলেও সে নিখুঁতভাবে ইসলামে কখনোই ফিরতে পারবে না। কারণ ইসলাম নিয়ে এরূপ কসমের খেলা বৈধ নয়।]
[1] আবূ দাউদ ৩২৫৮, নাসায়ী ৩৭৭২, ইবনু মাজাহ ২১০০, আহমাদ ২২৪৯৭
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ সহীহ
وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أَنَّهُ سَمِعَ رَجُلاً يَقُولُ: لاَ وَالكَعْبَةِ، فَقَالَ ابنُ عُمَرَ : لاَ تَحْلِفْ بَغَيْرِ اللهِ، فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ : «مَنْ حَلَفَ بِغَيرِ اللهِ، فَقَدْ كَفَرَ أَوْ أَشْرَكَ». رواه الترمذي، وقال :[ حديث حسن ]
وَفَسَّرَ بَعْض الْعُلَمَاء قوله : «كَفَرَ أو أَشْرَكَ» عَلَى التَّغْلِيْظ كَمَا رُوِيَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ قَالَ: " اَلرِّيَاءُ شِرْكٌ "
৫/১৭২০। ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি একটি লোককে বলতে শুনলেন ‘না, কা’বার কসম!’ ইবনে উমার বললেন, ‘আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কসম খেয়ো না। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘‘যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহর নামে কসম করে, সে কুফরী অথবা শির্ক করে।’’ (তিরমিযী-হাসান] [1]
কোন কোন আলেমের ব্যাখ্যানুসারে শেষোক্ত বাক্যটি কঠোরতা ও কঠিন তাকীদ প্রদর্শনার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন বর্ণনা করা হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘রিয়া শির্ক।’’ [যার অর্থ ছোট শির্ক।]
[1] হাদীসটি সহীহ্। আমি [আলবানী) বলছিঃ মুসান্নিফ [রাহি) ‘‘রুবিয়া’’ শব্দ দ্বারা ইঙ্গিত করেছেন যে, হাদীসটির সনদ দুর্বল। আসলে তিনি যেরূপ বলেছেন সেরূপই। আমি ‘‘য‘ঈফা’’ গ্রন্থে [১৮৫০) এটির তাখরীজ করেছি এবং এর সমস্যা বর্ণনা করেছি [এ সব কথাগুলো পূর্বের)। কিন্তু তিনি পরবর্তীতে হাদীসটিকে সহীহ্ আখ্যা দিয়েছেন। দেখুন ‘‘সহীহ্ তারগীব অত্তারহীব’’ [২৯৫২), ‘‘সিলসিলাহ্ সহীহাহ্’’ [২০৪২), ‘‘সহীহ্ জামে‘উস সাগীর’’ [১৫৩৫), ‘‘ইরওয়াউল গালীল’’ [২৫৬১)]। সহীহুল বুখারী ২৬৭৯, ৩৮৩৬, ৬১০৮, ৬৬৪৬, ৬৬৪৭, ৬৬৪৮, ৭৪০১, মুসলিম ১৬৪৬, তিরমিযী ১৫৩৩, ১৫৩৪, ১৫৩৫, নাসায়ী ৩৭৬৬-৩৭৬৮, আবূ দাউদ ৩২৪৯, ইবনু মাজাহ ২০৯৪, আহমাদ ৪৫০৯, ৪৫৩৪, ৪৫৭৯, ৪৬৫৩, ৪৬৮৯, ১৮৮৬, ৫৩৫২, ৫৪৩৯, ৫৫৬৮, ৫৭০২, ৬০৩৬, ৬২৫২, মুওয়াত্তা মালিক ১০৩৭, দারেমী ২৩৪১
তাহক্বীক শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানীঃ হাসান