হাদীস বিএন


সুনান আত-তিরমিযী





সুনান আত-তিরমিযী (1141)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا كَانَ عِنْدَ الرَّجُلِ امْرَأَتَانِ فَلَمْ يَعْدِلْ بَيْنَهُمَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّهُ سَاقِطٌ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَإِنَّمَا أَسْنَدَ هَذَا الْحَدِيثَ هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى عَنْ قَتَادَةَ ‏.‏ وَرَوَاهُ هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ كَانَ يُقَالُ ‏.‏ وَلاَ نَعْرِفُ هَذَا الْحَدِيثَ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ هَمَّامٍ ‏وَهَمَّامٌ ثِقَةٌ حَافِظٌ.




আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নাবী সাল্লাল্লাহু ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোকের নিকট দু'জন স্ত্রী আছে সে লোক যদি তাদের মধ্যে সমতা না রাখে তবে কিয়ামাতের দিন সে লোক তার দেহের এক পার্শ্ব ভাঙ্গা অবস্থায় উপস্থিত হবে।

সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৯৬৯)

এই হাদীসটি মুসনাদ হিসাবে কাতাদার সূত্রে হাম্মাম ইবনু ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন। কাতাদার সূত্রে হিশাম আদ-দাসতাওয়াঈও এটিকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, কথিত আছে যে, এটা মারফূ হিসাবে শুধু হাম্মামের সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। আর হাম্মাম একজন বিশ্বস্ত ও স্মরণশক্তি সম্পন্ন বর্ণনাকারী।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، سنن أبي داود (2133) نسائي (3394) ابن، ماجہ (1969)، (انوار الصحیفہ ص 219)









সুনান আত-তিরমিযী (1142)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، وَهَنَّادٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَدَّ ابْنَتَهُ زَيْنَبَ عَلَى أَبِي الْعَاصِي بْنِ الرَّبِيعِ بِمَهْرٍ جَدِيدٍ وَنِكَاحٍ جَدِيدٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ فِي إِسْنَادِهِ مَقَالٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ الْمَرْأَةَ إِذَا أَسْلَمَتْ قَبْلَ زَوْجِهَا ثُمَّ أَسْلَمَ زَوْجُهَا وَهِيَ فِي الْعِدَّةِ أَنَّ زَوْجَهَا أَحَقُّ بِهَا مَا كَانَتْ فِي الْعِدَّةِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ وَالأَوْزَاعِيِّ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏




আমর ইবনু শুআইব (রাহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় কন্যা যাইনাবকে পুনরায় মোহর নির্ধারণ করে এবং নতুন বিয়ের মাধ্যমে আবূল আস ইবনুর রাবীর নিকটে ফিরিয়ে দেন।

যঈফ, ইবনু মাজাহ (২০১০)



আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ সম্পর্কে সমালোচনা রয়েছে। বিদ্বানগণ এই হাদীসের মর্মানুযায়ী আমল করেছেন। কোন মহিলা যদি প্রথমে ইসলাম গ্রহণ করে এবং তার ইদ্দত পালনের সময়ই তার স্বামী ইসলাম গ্রহণ করে তবে তার পূর্ব স্বামীর অধিকার অগ্রগণ্য। মালিক ইবনু আনাস, আল-আওযায়ী, শাফিঈ, আহ্‌মাদ ও ইসহাক প্রমুখ ইমামগণের ইহাই অভিমত।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابن ماجہ (2010)، حجاج بن أرطاۃ ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 219)









সুনান আত-তিরমিযী (1143)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ حَدَّثَنِي دَاوُدُ بْنُ الْحُصَيْنِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ رَدَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ابْنَتَهُ زَيْنَبَ عَلَى أَبِي الْعَاصِي بْنِ الرَّبِيعِ بَعْدَ سِتِّ سِنِينَ بِالنِّكَاحِ الأَوَّلِ وَلَمْ يُحْدِثْ نِكَاحًا ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لَيْسَ بِإِسْنَادِهِ بَأْسٌ وَلَكِنْ لاَ نَعْرِفُ وَجْهَ هَذَا الْحَدِيثِ وَلَعَلَّهُ قَدْ جَاءَ هَذَا مِنْ قِبَلِ دَاوُدَ بْنِ حُصَيْنٍ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মেয়ে যাইনবকে প্রথম বিয়ে বহাল রেখেই আবুল আস ইবনুর রাবীকে ছয় বছর পর ফিরিয়ে দিয়েছেন, নতুন করে বিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেননি।

সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২০০৯)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসের সনদে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু এর কারণ প্রসঙ্গে আমরা কিছু জানি না। সম্ভবতঃ এই বিষয়টি দাউদ ইবনু হুসাইনের স্মরণশক্তির দুর্বলতার জন্যেই উৎপত্তি হয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، سنن أبي داود (2240) ابن ماجہ (2009)، (انوار الصحیفہ ص 219)









সুনান আত-তিরমিযী (1144)


حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، قَالَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَجُلاً، جَاءَ مُسْلِمًا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ جَاءَتِ امْرَأَتُهُ مُسْلِمَةً فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا كَانَتْ أَسْلَمَتْ مَعِي فَرُدَّهَا عَلَىَّ ‏.‏ فَرَدَّهَا عَلَيْهِ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏
سَمِعْتُ عَبْدَ بْنَ حُمَيْدٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنَ هَارُونَ، يَذْكُرُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، هَذَا الْحَدِيثَ وَحَدِيثَ الْحَجَّاجِ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَدَّ ابْنَتَهُ زَيْنَبَ عَلَى أَبِي الْعَاصِي بِمَهْرٍ جَدِيدٍ وَنِكَاحٍ جَدِيدٍ ‏.‏ قَالَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ أَجْوَدُ إِسْنَادًا ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى حَدِيثِ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ ‏.‏




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে এক লোক মুসলমান হয়ে আসার পর তার স্ত্রীও মুসলমান হয়ে আসে। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সে আমার সাথে মুসলমান হয়েছে। অতএব আমার স্ত্রী আমাকে ফিরিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার স্ত্রী তাকে ফেরত দিলেন।

এ হাদীসটি সহীহ।

ইয়াযীদ ইবনু হারূন মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাকের সূত্রে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। হাজ্জাজের সূত্রে আমর ইবনু শুয়াইব হতে তিনি তার পিতা হতে তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কন্যা যাইনাবকে নতুনভাবে মহরানা ধার্য্য করে নতুন বিয়ের মাধ্যমে আবূল আসের নিকট ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। ইয়াযীদ ইবনু হারুন বলেছেনঃ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণিত হাদীস সনদের দিক হতে খুবই উত্তম, কিন্তু আমর ইবনু শুআইবের হাদীস অনুসারে আমল প্রচলিত আছে।
আমর ইবনু শুআইব এর হাদীসটি যঈফ; ইরওয়া (১৯১৮) । যঈফ আবূ দাউদ (৩৮৭)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، سنن أبي داود (2238) ابن ماجہ (2008)، (انوار الصحیفہ ص 219)









সুনান আত-তিরমিযী (1145)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ، تَزَوَّجَ امْرَأَةً وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا حَتَّى مَاتَ ‏.‏ فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ لَهَا مِثْلُ صَدَاقِ نِسَائِهَا لاَ وَكْسَ وَلاَ شَطَطَ وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ وَلَهَا الْمِيرَاثُ ‏.‏ فَقَامَ مَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ الأَشْجَعِيُّ فَقَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ امْرَأَةٍ مِنَّا مِثْلَ الَّذِي قَضَيْتَ ‏.‏ فَفَرِحَ بِهَا ابْنُ مَسْعُودٍ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ الْجَرَّاحِ ‏.‏
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ، كِلاَهُمَا عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، نَحْوَهُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ مَسْعُودٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ، مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَبِهِ يَقُولُ الثَّوْرِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَابْنُ عُمَرَ إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا حَتَّى مَاتَ قَالُوا لَهَا الْمِيرَاثُ وَلاَ صَدَاقَ لَهَا وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ قَالَ لَوْ ثَبَتَ حَدِيثُ بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ لَكَانَتِ الْحُجَّةُ فِيمَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرُوِيَ عَنِ الشَّافِعِيِّ أَنَّهُ رَجَعَ بِمِصْرَ بَعْدُ عَنْ هَذَا الْقَوْلِ وَقَالَ بِحَدِيثِ بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ ‏.‏




ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তাকে প্রশ্ন করা হলঃ এক লোক এক মহিলাকে বিয়ের পর তার মোহর না ঠিক করে এবং তার সাথে সহবাস না করেই মৃত্যুবরণ করল, তার জন্য কি হুকুম আছে? ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, মহিলাটি তার পরিবারের অন্যান্য মেয়েদের সম-পরিমাণ মোহর পাবে, তার কমও পাবে না বেশিও পাবে না। তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য সে মহিলাটি ইদ্দাত পালন করবে এবং সে (তার) ওয়ারিসের অধিকারীও হবে। তখন মাকিল ইবনু সিনান আল-আশজাঈ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দাঁড়িয়ে বললেন, আপনি যে ধরণের ফায়সালা করেছেন, আমাদের বংশের মেয়ে ওয়াশিকের কন্যা বিরওয়াআ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও একই ফায়সালা করেছেন। ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এটা শুনে খুবই আনন্দিত হন।

সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৮৯১)

আল-জাররাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উপরোক্ত হাদীসের মত ইয়াযীদ ইবনু হারূন ও আবদুর রাযযাক-সুফিয়ান হতে, তিনি মানসূর হতে এর সূত্রেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীসটি তার নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিম আমল করেছেন। এই মত দিয়েছেন সুফিয়ান সাওরী, আহমাদ ও ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ)-ও। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অন্য একদল সাহাবী, যেমন আলী ইবনু আবূ তালিব, যাইদ ইবনু সাবিত, ইবনু আব্বাস ও ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, কোন স্ত্রীলোককে কোন লোক বিয়ে করে মোহর নির্ধারণ ও সহবাসের আগে মৃত্যুবরণ করলে সে মীরাস পাবে কিন্তু মোহর পাবে না এবং সেই মহিলাকে ইদ্দাত পালন করতে হবে। একথাটি ইমাম শাফিঈও ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, ওয়াশিকের কন্যা বিরওয়াআর হাদীস (সহীহ্) হিসেবে প্রমাণিত হলে তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসায়াম হতে প্রাপ্ত সর্বশেষ ফায়সালা হবে এটাই। মিসর গিয়ে শাফিঙ্গ (রাহিমাহুল্লাহ) নিজের প্রথম অভিমতটি বাতিল করেন এবং এ হাদীস অনুযায়ী মত গ্রহণ করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (3207)









সুনান আত-তিরমিযী (1146)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ مِنَ الرَّضَاعِ مَا حَرَّمَ مِنَ النَّسَبِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَأُمِّ حَبِيبَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَلِيٍّ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏




আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সকল লোককে আল্লাহ তা'আলা বংশগত সম্পর্কের কারণে (বিয়ের সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে) হারাম করেছেন, একইভাবে সে সকল লোককে দুধপানের কারণেও (বিয়ের সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে) হারাম করেছেন।

সহীহ্, ইরওয়া (৬/২৮৪)

আইশা, ইবনু আব্বাস ও উম্মু হাবীব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসায়ামের বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও আলিমগণ আমল করতে সন্মতি দিয়েছেন। তাদের মধ্যে এ ব্যাপারে কোন রকম মতভেদ আছে বলে আমাদের জানা নেই।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আত-তিরমিযী (1147)


حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا مَعْنٌ، قَالَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا حَرَّمَ مِنَ الْوِلاَدَةِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ لاَ نَعْلَمُ بَيْنَهُمْ فِي ذَلِكَ اخْتِلاَفًا ‏.‏




আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সকল লোককে আল্লাহ তা'আলা জন্মসূত্রে (বিয়ের সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে) হারাম করেছেন, সে সকল লোককে দুধপানের কারণেও হারাম করেছেন।

সহীহ্ ইবনু মাজাহ (১৯৩৭), বুখারী, মুসলিম

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। নাৰী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও অন্যান্য বিদ্বানগণ এই হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। এ বিষয়ে তাদের মাঝে কোন মতভেদ আছে বলে আমাদের জানা নেই।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আত-তিরমিযী (1148)


حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ يَسْتَأْذِنُ عَلَىَّ فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ حَتَّى أَسْتَأْمِرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ فَإِنَّهُ عَمُّكِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ وَلَمْ يُرْضِعْنِي الرَّجُلُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّهُ عَمُّكِ فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ كَرِهُوا لَبَنَ الْفَحْلِ وَالأَصْلُ فِي هَذَا حَدِيثُ عَائِشَةَ وَقَدْ رَخَّصَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي لَبَنِ الْفَحْلِ وَالْقَوْلُ الأَوَّلُ أَصَحُّ ‏.‏




আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার দুধ সম্পর্কের চাচা এসে ভিতরে প্রবেশের জন্য আমার নিকট অনুমতি চাইলেন। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত তাকে ভিতরে আসতে অনুমতি প্রদানে সম্মত হইনি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তিনি তোমার চাচা, তিনি তোমার নিকট আসতে পারেন। আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমাকে তো স্ত্রীলোক দুধপান করিয়েছেন, পুরুষ লোক তো আমাকে দুধ পান করাননি। তিনি বললেনঃ তিনি তোমার চাচা, তিনি তোমার নিকট আসতে পারেন।

সহীহ্, ইবনু মাজাহ (১৯৪৮), বুখারী, মুসলিম

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও বিশেষজ্ঞ আলিম আমল করতে বলেছেন। পুরুষ আত্মীয়কেও তারা দুধপান প্রসঙ্গে মাহরাম বলেছেন। আইশ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসই এই ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি। এই বিষয়ে একদল আলিম সুযোগ রেখেছেন (দুধ-মা ও দুধ-বোন ছাড়া অন্য কেউ মাহরাম নয়)। কিন্তু প্রথম মতটিই অনেক বেশি সহীহ্।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আত-তিরমিযী (1149)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، ح وَحَدَّثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، قَالَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ، لَهُ جَارِيَتَانِ أَرْضَعَتْ إِحْدَاهُمَا جَارِيَةً وَالأُخْرَى غُلاَمًا أَيَحِلُّ لِلْغُلاَمِ أَنْ يَتَزَوَّجَ بِالْجَارِيَةِ فَقَالَ لاَ اللِّقَاحُ وَاحِدٌ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا تَفْسِيرُ لَبَنِ الْفَحْلِ وَهَذَا الأَصْلُ فِي هَذَا الْبَابِ وَهُوَ قَوْلُ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তাকে প্রশ্ন করা হল, এক ব্যক্তির কাছে দুইজন দাসী আছে। তাদের মধ্যে একজন একটি কন্যা সন্তানকে দুধ পান করিয়েছে এবং অন্যজন একটি ছেলে সন্তানকে দুধ পান করিয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে এই ছেলেটি কি ঐ মেয়েকে বিয়ে করতে পারবে। তিনি বলেন, না। কেননা, তারা দুইজন তো একজন পুরুষের দ্বারাই দুগ্ধবতী হয়েছে।

সনদ সহীহ্

লাবনুল ফাহল (পুরুষের মাধ্যমে দুধ) কথার তাৎপর্য এই (অর্থাৎ বীর্য পতনের মাধ্যমে নারীর স্তনে দুধের সঞ্চার হয়)। আর ইহাই হচ্ছে এ অনুচ্ছেদের মূল ভিত্তি। এই মত দিয়েছেন ইমাম আহমাদ ও ইসহাক।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح الإسناد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابن شھاب الزھري مدلس وعنعن، ، (انوار الصحیفہ ص 219، 220)









সুনান আত-তিরমিযী (1150)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّنْعَانِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ أَيُّوبَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ وَلاَ الْمَصَّتَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَالزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ وَابْنِ الزُّبَيْرِ ‏.‏ وَرَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ وَلاَ الْمَصَّتَانِ ‏"‏ ‏.‏ وَرَوَى مُحَمَّدُ بْنُ دِينَارٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنِ الزُّبَيْرِ عَنِ النَّبِيِّ عَلَيْهِ الصَّلاَةُ وَالسَّلاَمُ ‏.‏ وَزَادَ فِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ دِينَارٍ الْبَصْرِيُّ عَنِ الزُّبَيْرِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ غَيْرُ مَحْفُوظٍ ‏.‏ وَالصَّحِيحُ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ حَدِيثُ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا فَقَالَ الصَّحِيحُ عَنِ ابْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ وَحَدِيثُ مُحَمَّدِ بْنِ دِينَارٍ خَطَأٌ أَخْطَأَ فِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ دِينَارٍ وَزَادَ فِيهِ عَنِ الزُّبَيْرِ وَإِنَّمَا هُوَ هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الزُّبَيْرِ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ ‏.‏
وَقَالَتْ عَائِشَةُ أُنْزِلَ فِي الْقُرْآنِ عَشْرُ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ ‏.‏ فَنُسِخَ مِنْ ذَلِكَ خَمْسٌ وَصَارَ إِلَى خَمْسِ رَضَعَاتٍ مَعْلُومَاتٍ ‏.‏ فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ ‏.‏
حَدَّثَنَا بِذَلِكَ إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنَا مَعْنٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ بِهَذَا ‏.‏ وَبِهَذَا كَانَتْ عَائِشَةُ تُفْتِي وَبَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ بِحَدِيثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تُحَرِّمُ الْمَصَّةُ وَلاَ الْمَصَّتَانِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ إِنْ ذَهَبَ ذَاهِبٌ إِلَى قَوْلِ عَائِشَةَ فِي خَمْسِ رَضَعَاتٍ فَهُوَ مَذْهَبٌ قَوِيٌّ ‏.‏ وَجَبُنَ عَنْهُ أَنْ يَقُولَ فِيهِ شَيْئًا ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ يُحَرِّمُ قَلِيلُ الرَّضَاعِ وَكَثِيرُهُ إِذَا وَصَلَ إِلَى الْجَوْفِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ وَالأَوْزَاعِيِّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ وَوَكِيعٍ وَأَهْلِ الْكُوفَةِ ‏.‏ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ وَيُكْنَى أَبَا مُحَمَّدٍ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ قَدِ اسْتَقْضَاهُ عَلَى الطَّائِفِ وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ أَدْرَكْتُ ثَلاَثِينَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏




আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক-দুই চুমুক দুধ পান (বিয়ের বৈধতাকে) হারাম করে না।

সহীহ্, ইবনু মাজাহ (১৯৪১), মুসলিম

উন্মুল ফাদল, আবূ হুরাইরা, যুবাইর ইবনুল আউয়াম ও ইবনু যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। একাধিক সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। সূত্রগুলো এই- ১। হিশাম ইবনু উরওয়া তার পিতা হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুয্ যুবাইর হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে। ২। মুহাম্মাদ ইবনু দীনার হিশাম ইবনু উরওয়া হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবাইর হতে, তিনি যুবাইর হতে, তিনি নাৰী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সূত্রটি অরক্ষিত। হাদীস বিশারদদের মতানুসারে আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবাইরের মারফতে আইশ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে ইবনু আবী মুলাইকা কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি সহীহ্। আবূ ঈসা বলেন, আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ্। তিনি আরও বলেন, আমি মুহাম্মাদ বুখারীকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, যুবাইরের সূত্রে আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটিই সহীহ্। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসারামের একদল সাহাবী ও বিশেষজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কুরআনে "সুনির্দিষ্টভাবে দশ চুমুক" মর্মে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছিল, পরে ‘পাঁচবার’ রহিত হয়েছে এবং পাঁচবার -এর বিধান কার্যকর থাকে। এটাই কার্যকর থাকল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যু পর্যন্ত ।

আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে আরো একটি সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে। এ ফাতাওয়াই প্রদান করতেন আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যান্য স্ত্রী।

— সহীহ্, ইবনু মাজাহ (১৯৪২)

এই কথা বলেন ইমাম শাফিঈ ও ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ)-ও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, হুরমাত সাধারণতঃ এক-দুইবার দুধ পান করাতে প্রতিষ্ঠিত হবে না। তিনি আরো বলেন, যদি আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস অনুযায়ী কোন লোক পাঁচ চুমুক দুধ পানের মত গ্রহণ করে তবে এটা সবচেয়ে শক্তিশালী মত হবে। এ প্রসঙ্গে কোন মন্তব্য করা তার দুর্বলতা বলে বিবেচিত হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অপর একদল সাহাৰী ও তাবিদ বলেছেন, দুধের পরিমাণ কম অথবা বেশি যেটাই হোকনা কেন তা শিশুর পেটে যাওয়া মাত্রই বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন হারাম হয়ে যাবে। এই মত দিয়েছেন সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস, আওযাঈ, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, ওয়াকী (রাহিমাহুল্লাহ) এবং কূফাবাসীগণ। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলাইকার উপনাম আবূ মুহাম্মাদ, পিতার নাম উবাইদুল্লাহ এবং দাদার নাম আবূ মুলাইকা। তাকে তাইফের বিচারপতি হিসেবে ইবনু যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিয়োগ করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ত্রিশজন সাহাবীকে পেয়েছি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আত-তিরমিযী (1151)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ وَسَمِعْتُهُ مِنْ، عُقْبَةَ وَلَكِنِّي لِحَدِيثِ عُبَيْدٍ أَحْفَظُ قَالَ تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً فَجَاءَتْنَا امْرَأَةٌ سَوْدَاءُ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ أَرْضَعْتُكُمَا ‏.‏ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ تَزَوَّجْتُ فُلاَنَةَ بِنْتَ فُلاَنٍ فَجَاءَتْنَا امْرَأَةٌ سَوْدَاءُ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ أَرْضَعْتُكُمَا وَهِيَ كَاذِبَةٌ ‏.‏ قَالَ فَأَعْرَضَ عَنِّي ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْتُهُ مِنْ قِبَلِ وَجْهِهِ فَأَعْرَضَ عَنِّي بِوَجْهِهِ فَقُلْتُ إِنَّهَا كَاذِبَةٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَكَيْفَ بِهَا وَقَدْ زَعَمَتْ أَنَّهَا قَدْ أَرْضَعَتْكُمَا دَعْهَا عَنْكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ وَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ وَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ ‏"‏ دَعْهَا عَنْكَ ‏"‏ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَجَازُوا شَهَادَةَ الْمَرْأَةِ الْوَاحِدَةِ فِي الرَّضَاعِ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَجُوزُ شَهَادَةُ امْرَأَةٍ وَاحِدَةٍ فِي الرَّضَاعِ وَيُؤْخَذُ يَمِينُهَا ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَدْ قَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ الْمَرْأَةِ الْوَاحِدَةِ حَتَّى يَكُونَ أَكْثَرَ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ ‏.‏ سَمِعْتُ الْجَارُودَ يَقُولُ سَمِعْتُ وَكِيعًا يَقُولُ لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ امْرَأَةٍ وَاحِدَةٍ فِي الْحُكْمِ وَيُفَارِقُهَا فِي الْوَرَعِ ‏.‏




উকবা ইবনুল হারিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক মহিলাকে বিয়ে করলাম। তারপর আমাদের নিকট একজন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা এসে বলল, তোমাদের দুজনকেই আমি দুধ পান করিয়েছি। আমি (উকবা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, অমুকের কন্যা অমুককে আমি বিয়ে করেছি। আমাদের নিকট এক কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা এসে বলল, “তোমাদের দুজনকেই আমি দুধ পান করিয়েছি”। সে মিথ্যাবাদিনী। বর্ণনাকারী বলেন, (এ কথায়) তিনি আমার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আমি ঘুরে গিয়ে তাঁর সামনে এলাম, তিনি আমার কাছ থেকে তার মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আমি বললাম, সেতো মিথ্যাবাদিনী। তিনি বললেনঃ “তুমি কিভাবে এর সাথে বিয়ে বহাল রাখতে পার ! অথচ সে বলেছে, সে দুধ পান করিয়েছে তোমাদের দুজনকেই। সুতরাং তুমি তাকে ছেড়ে দাও (তালাক দাও)।

সহীহ্, ইরওয়া (২১৪৬), বুখারী

এই অনুচ্ছেদে ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, উকবা ইবনুল হারিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ্। এই হাদীসটি উকবা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে আরো কয়েকটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু উবাইদা ইবনু আবূ মারইয়ামের নাম সেখানে উল্লেখ নেই এবং "তুমি তাকে ছেড়ে দাও" এ কথাটিরও উল্লেখ নেই। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাবিঈ মত প্রকাশ করেছেন। তারা একজন মহিলাকে দুধপানের সম্পর্ক প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য অনুমোদন করেছেন। ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, একজন স্ত্রীলোকের সাক্ষ্য দুধপান প্রমাণের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা যায়, তবে সেই মহিলাকে শপথও করাতে হবে। এই মত গ্রহণ করেছেন ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ)। আর একদল বিশেষজ্ঞ আলিম বলেছেন, একজন মহিলার সাক্ষ্য এ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়, যতক্ষণ একজনের বেশি সাক্ষী না পাওয়া যায়। এই অভিমত ইমাম শাফিঈর। ওয়াকী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, একজন মহিলার সাক্ষ্য দুধপানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত নয়। তবে দুজনকেই সতর্কতার জন্য আলাদা করে দিতে হবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আত-তিরমিযী (1152)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يُحَرِّمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ إِلاَّ مَا فَتَقَ الأَمْعَاءَ فِي الثَّدْىِ وَكَانَ قَبْلَ الْفِطَامِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَنَّ الرَّضَاعَةَ لاَ تُحَرِّمُ إِلاَّ مَا كَانَ دُونَ الْحَوْلَيْنِ وَمَا كَانَ بَعْدَ الْحَوْلَيْنِ الْكَامِلَيْنِ فَإِنَّهُ لاَ يُحَرِّمُ شَيْئًا ‏.‏ وَفَاطِمَةُ بِنْتُ الْمُنْذِرِ بْنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ هِيَ امْرَأَةُ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ‏.‏




উম্মু সালাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুধ ছাড়ানোর বয়সের পূর্বে স্তনের বোঁটা হতে শিশুর পাকস্থলীতে দুধ না গেলে দুধপানের নিষিদ্ধতা কার্যকর হয় না (অর্থাৎ দুধপান জনিত কারণে বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন নিষিদ্ধ হয় না)।

সহীহ্, ইবনু মাজাহ (১৯৪৬)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অন্যান্যরা আমল করার কথা বলেছেন। তাদের মতে, কোন শিশু দুই বছরের কম বয়সে দুধ পান করলেই বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন হারাম হবে। কিন্তু দুই বছরের পর দুধ পান করলে বিয়ের সম্পর্ক স্থাপন হারাম হবে না।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (3173)









সুনান আত-তিরমিযী (1153)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ الأَسْلَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرَّضَاعِ فَقَالَ ‏ "‏ غُرَّةٌ عَبْدٌ أَوْ أَمَةٌ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَمَعْنَى قَوْلِهِ مَا يُذْهِبُ عَنِّي مَذَمَّةَ الرَّضَاعِ ‏.‏ يَقُولُ إِنَّمَا يَعْنِي بِهِ ذِمَامَ الرَّضَاعَةِ وَحَقَّهَا يَقُولُ إِذَا أَعْطَيْتَ الْمُرْضِعَةَ عَبْدًا أَوْ أَمَةً فَقَدْ قَضَيْتَ ذِمَامَهَا ‏.‏ وَيُرْوَى عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ أَقْبَلَتِ امْرَأَةٌ فَبَسَطَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رِدَاءَهُ حَتَّى قَعَدَتْ عَلَيْهِ فَلَمَّا ذَهَبَتْ قِيلَ هِيَ كَانَتْ أَرْضَعَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ هَكَذَا رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ وَحَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرَوَى سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ حَجَّاجِ بْنِ أَبِي حَجَّاجٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَحَدِيثُ ابْنِ عُيَيْنَةَ غَيْرُ مَحْفُوظٍ وَالصَّحِيحُ مَا رَوَى هَؤُلاَءِ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ ‏.‏ وَهِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ يُكْنَى أَبَا الْمُنْذِرِ وَقَدْ أَدْرَكَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ وَابْنَ عُمَرَ ‏.‏




হাজ্জাজ আসলামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি যে দুধপান করেছি তার হাক্ব কিভাবে মিটাতে পারি? তিনি বলেনঃ (দুধমাকে) একটি ক্রীতদাস অথবা একটি দাসী দান করে (এ দাবি মিটাতে পার)।

যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (৩৫১)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ, হাতিম ইবনু ইসমাঈল, এবং আরও অনেকে হিশাম ইবনু উরওয়া হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজ হতে, তিনি তার পিতা হতে তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। আর সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনু উরওয়া হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি হাজ্জাজ ইবনু আবূ হাজ্জাজ হতে, তিনি তার পিতা হতে তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে ইবনু উয়াইনার সূত্রটি অরক্ষিত এবং হিশামের সূত্রটি সহীহ। হিশাম (রাহঃ) জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর দেখা পেয়েছেন। “আমি যে দুধপান করেছি তার হাক্ব কিভাবে চোকাতে পারি” এ কথার তাৎপর্য হল, আমার (দুধ) মা দুধ পান করানোর মাধ্যমে আমার যে সেবা করলেন এর বদলা আমি কিভাবে দিতে পারি? এর উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার দুধমাকে একটি ক্রীতদাস অথবা একটি দাসী দান করলে এর বিনিময় আদায় হবে। বর্ণিত আছে যে, আবূত তুফাইল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এক সময় আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) সাথে বসে ছিলাম। এক মহিলা এসে হাযির হলে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য নিজের চাদর পেতে দিলেন এবং তিনি তার উপর বসলেন। এই মহিলা চলে গেলে বলা হল, এই মহিলাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুধপান করিয়েছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (3174)









সুনান আত-তিরমিযী (1154)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ زَوْجُ بَرِيرَةَ عَبْدًا فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا وَلَوْ كَانَ حُرًّا لَمْ يُخَيِّرْهَا ‏.‏




আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বারীরার স্বামী একজন ক্রীতদাস ছিল। বারীরাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বাধীনতা দান করলেন (দাসত্ব হতে মুক্তির পর বিয়ের বন্ধন অক্ষুন্ন রাখার বা ছিন্ন করার)। বারীরা নিজের স্বাধীনতা প্রয়োগ করেন (বিয়ের বন্ধন ছিন্ন করেন)। যদি সে লোকটি (স্বামী) স্বাধীন হতো তাহলে তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) কখনও তাকে (বারীরাকে) এ স্বাধীনতা প্রদান করতেন না।

সহীহ্, ইরওয়া (১৮৭৩), সহীহ্, আবূ দাউদ (১৯৩৫), স্বামী যদি স্বাধীন হতো ব্যাক্যাংশটি উরওয়ার নিজস্ব । হাদীসের প্রথম অংশটি বুখারীতেও আছে।

-




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح م لكن قوله ولو كان مدرج من قول عروة ولـ خ منه الجملة الأولى




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আত-তিরমিযী (1155)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ زَوْجُ بَرِيرَةَ حُرًّا فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ هَكَذَا رَوَى هِشَامٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ زَوْجُ بَرِيرَةَ عَبْدًا ‏.‏ وَرَوَى عِكْرِمَةُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ رَأَيْتُ زَوْجَ بَرِيرَةَ وَكَانَ عَبْدًا يُقَالُ لَهُ مُغِيثٌ ‏.‏ وَهَكَذَا رُوِيَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ وَقَالُوا إِذَا كَانَتِ الأَمَةُ تَحْتَ الْحُرِّ فَأُعْتِقَتْ فَلاَ خِيَارَ لَهَا وَإِنَّمَا يَكُونُ لَهَا الْخِيَارُ إِذَا أُعْتِقَتْ وَكَانَتْ تَحْتَ عَبْدٍ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَرَوَى الأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنِ الأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ زَوْجُ بَرِيرَةَ حُرًّا فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرَوَى أَبُو عَوَانَةَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنِ الأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ فِي قِصَّةِ بَرِيرَةَ قَالَ الأَسْوَدُ وَكَانَ زَوْجُهَا حُرًّا ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنَ التَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمْ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَأَهْلِ الْكُوفَةِ ‏.‏




আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বারীরার স্বামী ছিল স্বাধীন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (বারীরাকে) ইখতিয়ার প্রদান করলেন।

"বারীরার স্বামী স্বাধীন ছিল" এই শব্দে হাদীসটি শাজ। দাস ছিল এই বর্ণনাটি সংরক্ষিত। ইবনু মাজাহ (২০৭৪)

আবূ ঈসা বলেন, আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ্। হিশাম ইবনু উরওয়া তার পিতার সূত্রে আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন বারীরার স্বামী দাস ছিল। ইকরিমা বর্ণনা করেছেন, ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, আমি বারীরার স্বামীকে দেখেছি, সে ছিল গোলাম, তাকে মুগীস নামে ডাকা হত। ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও একইরকম বর্ণিত হয়েছে। একদল আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। তারা বলেন, কোন বাঁদী কোন আযাদ ব্যক্তির বিবাহধীন থাকলে এই অবস্থায় তাকে দাসত্বমুক্ত করে দিলে সে (স্ত্রী) বিয়ে ঠিক রাখা বা না রাখার ইখতিয়ার পাবে না। হ্যাঁ তার স্বামী যদি গোলাম হয় এবং সে (স্ত্রী) দাসত্বমুক্ত হয় তবে সে ইখতিয়ার পাৰে। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকের মত এটাই।

একাধিক রাবী আমাশ হতে, তিনি ইবরাহীম হতে, তিনি আসওয়াদ হতে বর্ণনা করেছেন, আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, “বারীরার স্বামী স্বাধীন ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ অবস্থায় বারীরাকে (বিয়ে ঠিক রাখা বা না রাখার) ইখতিয়ার দেন।" আসওয়াদও বলেছেন, বারীরার স্বামী আযাদ ছিল। একদল বিশেষজ্ঞ তাবিঈ ও তাদের পরবর্তীগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেন। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের মত এটাই ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: شاذ بلفظ حرا والمحفوظ عبدا




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، سنن أبي داود (2235) ابن ماجہ (2074)، (انوار الصحیفہ ص 220)









সুনান আত-তিরমিযী (1156)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، وَقَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ زَوْجَ، بَرِيرَةَ كَانَ عَبْدًا أَسْوَدَ لِبَنِي الْمُغِيرَةِ يَوْمَ أُعْتِقَتْ بَرِيرَةُ وَاللَّهِ لَكَأَنِّي بِهِ فِي طُرُقِ الْمَدِينَةِ وَنَوَاحِيهَا وَإِنَّ دُمُوعَهُ لَتَسِيلُ عَلَى لِحْيَتِهِ يَتَرَضَّاهَا لِتَخْتَارَهُ فَلَمْ تَفْعَلْ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَسَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ هُوَ سَعِيدُ بْنُ مِهْرَانَ وَيُكْنَى أَبَا النَّضْرِ ‏.‏




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, বারীরাকে গোলাম হতে মুক্তি দেয়ার সময় তার কৃষ্ণাঙ্গ স্বামী মুগীরা গোত্রের গোলাম ছিল। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি যেন মাদীনার রাস্তায় ও অলিতে-গলিতে তাকে (মুগসিকে) বেড়াতে দেখছি আর তার চোখের পানি তার দাঁড়ি বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিল। সে যেন তাকে ফিরিয়ে না দেয় সেই উদ্দেশ্যে বারীরাকে সম্মত করাতে চেষ্টা করছিল। কিন্তু বারীরা তা করেনি।

সহীহ্ বুখারী, মুসলিম

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। সাঈদের পিতার নাম মাহ্রান এবং তার উপনাম আবুন নাযর।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আত-তিরমিযী (1157)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ وَعُثْمَانَ وَعَائِشَةَ وَأَبِي أُمَامَةَ وَعَمْرِو بْنِ خَارِجَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَالْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ وَزَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏ وَقَدْ رَوَاهُ الزُّهْرِيُّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏




আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিছানার মালিকই বাচ্চার মালিক এবং ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।

সহীহ্ বুখারী, মুসলিম

উমার, উসমান, আইশা, আবূ উমামা, আমর ইবনু খারিজা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, বারাআ ইবনু আযিব এবং যাইদ ইবনু আরকাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ্। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবীগণ আমল করেছেন। উপরোক্ত হাদীসটি যুহরী-সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব ও আবূ সালামা হতে আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: بخاری ومسلم









সুনান আত-তিরমিযী (1158)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، وَهُوَ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى امْرَأَةً فَدَخَلَ عَلَى زَيْنَبَ فَقَضَى حَاجَتَهُ وَخَرَجَ وَقَالَ ‏ "‏ إِنَّ الْمَرْأَةَ إِذَا أَقْبَلَتْ أَقْبَلَتْ فِي صُورَةِ شَيْطَانٍ فَإِذَا رَأَى أَحَدُكُمُ امْرَأَةً فَأَعْجَبَتْهُ فَلْيَأْتِ أَهْلَهُ فَإِنَّ مَعَهَا مِثْلَ الَّذِي مَعَهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ حَدِيثٌ صَحِيحٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَهِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ هُوَ هِشَامُ بْنُ سَنْبَرٍ ‏.‏




জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, একটি মহিলাকে দেখার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাইনাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) –এর ঘরে যান এবং নিজের চাহিদা পূর্ণ করেন (সহবাস করেন)। তারপর বাইরে এসে বলেনঃ কোন মহিলা যখন আগমন করে সে শাইতানের বেশে আগমন করে। অতএব, কোন মহিলাকে দেখার পর তোমাদের কোন লোকের যদি তাকে ভাল লাগে তবে সে যেন নিজ স্ত্রীর নিকট যায়। কেননা, ঐ মহিলার যা আছে তার (স্ত্রীর)-ও তা আছে।

সহীহ্, সহীহা (২৩৫)

ইবনু মাসউদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ্ গারীব। হিশাম আদ-দাসতাওয়াঈর পিতার নাম সানবার।




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আত-তিরমিযী (1159)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لأَحَدٍ لأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ وَسُرَاقَةَ بْنِ مَالِكِ بْنِ جُعْشُمٍ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى وَطَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَأَنَسٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏




আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি যদি কাউকে অন্য কোন লোকের প্রতি সিজদা করার নির্দেশ দিতাম তাহলে অবশ্যই স্ত্রীকে তার স্বামীর প্রতি সিজদা করার নির্দেশ দিতাম।

হাসান সহীহ্, ইবনু মাজাহ (১৮৫৩)

মুআয ইবনু জাবাল, সুরাকা ইবনু মালিক ইবনু জু’শুম, আইশা, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা, তাল্ক ইবনু আলী, উন্মু সালামা, আনাস ও ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটি উল্লেখিত সনদ সূত্রে হাসান গারীব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (3255)









সুনান আত-তিরমিযী (1160)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا مُلاَزِمُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ أَبِيهِ، طَلْقِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا الرَّجُلُ دَعَا زَوْجَتَهُ لِحَاجَتِهِ فَلْتَأْتِهِ وَإِنْ كَانَتْ عَلَى التَّنُّورِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏




তলক ইবনু আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক তার স্ত্রীকে নিজ প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে ডাকলে সে যেন সাথে সাথে তার নিকট আসে, এমনকি সে চুলার উপর রান্না-বান্নার কাজে ব্যস্ত থাকলেও।

সহীহ্, মিশকাত (৩২৫৭), সহীহা (১২০২)

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح، مشکوۃ المصابیح (3257)