সুনান আত-তিরমিযী
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي سَلاَّمٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُنَفِّلُ فِي الْبَدْأَةِ الرُّبُعَ وَفِي الْقُفُولِ الثُّلُثَ . وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعْدٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَحَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ وَمَعْنِ بْنِ يَزِيدَ وَابْنِ عُمَرَ وَسَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ . وَحَدِيثُ عُبَادَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي سَلاَّمٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ أَبِي سَلاَّمٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُنَفِّلُ فِي الْبَدْأَةِ الرُّبُعَ وَفِي الْقُفُولِ الثُّلُثَ . وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعْدٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَحَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ وَمَعْنِ بْنِ يَزِيدَ وَابْنِ عُمَرَ وَسَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ . وَحَدِيثُ عُبَادَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي سَلاَّمٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.
উবাদা ইবনুস সামিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আক্রমনের প্রথম ভাগে এক-চতুর্থাংশ এবং ফিরতি আক্রমনের ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশ নফল (অতিরিক্ত) দান করতেন।
সহীহ্, হাদীসটির সনদ দুর্বল, কিন্তু সহীহ্ আবূ দাঊদে এর শাহিদ আছে। হাদীস নং (২৪৫৫ )
এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, হাবীব ইবনু মাসলামা, মাআন ইবনু ইয়াযীদ, ইবনু উমার ও সালামা ইবনুল আকওয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, উবাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান। উল্লেখিত হাদীসটি আবূ সাল্লাম হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক সাহাবীর বরাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণিত আছে।
ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত আছে, বদর যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাফল (নির্দিষ্ট অংশ হতে অতিরিক্ত) হিসাবে তাঁর ‘যুল-ফাকার’ নামক তলোয়ারখানা তাকে দিয়েছিলেন। তিনি উহুদের যুদ্ধের দিন এ বিষয়ে একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন। সনদ হাসান
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। এ হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই ইবনু আবিয যিনাদের হাদীস হিসাবে জেনেছি। অভিজ্ঞ আলিমগনের মধ্যে গনিমতের এক-পঞ্চমাংশ থেকে পুরস্কার হিসাবে অতিরিক্ত দেওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত রয়েছে। মালিক ইবনু আনাস (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, কোন বর্ণনা আমার নিকট পৌছেনি যে, সকল যুদ্ধেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুরস্কার দিয়েছেন। আমি এ ধরণের বর্ণনাই পেয়েছি যে, তিনি যোদ্ধাদের কোন কোন যুদ্ধে পুরস্কৃত করেছেন। ইমামের বিশেষ বিবেচনার উপর বিষয়টি নির্ভরশীল। তিনি চাইলে প্রাথমিকভাবে অথবা শেষ গনিমত হিসাবে তা দিতে পারেন। ইসহাক ইবনু মানসূর বলেন, আমি ইমাম আহ্মাদকে বললাম সন্দেহহীনভাবে বলা যায় যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক-পঞ্চমাংশের পর এক-চতুর্থাংশ যুদ্ধের প্রারম্ভভাগে এবং এক-পঞ্চমাংশের পর এক-তৃতীয়াংশ প্রত্যাবর্তনের সময় দান করেছেন। ইমাম আহ্মাদ বলেন, হ্যাঁ, প্রথমে গনিমত হতে খুমুস (এক-পঞ্চমাংশ) আলাদা করতে হবে। তারপর বাকি সম্পদ হতে পুরস্কার (নাফল) দেওয়া যায় এবং তা যেন এই পরিমানকে ছাড়িয়ে না যায়। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসে ইবনুল মুসাইয়্যিবের উক্তির উপর এই কথা বলা যায় যে, খুমুস হতে পুরস্কার প্রদান করা হবে। ইসহাকও একই কথা বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف الإسناد
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (4018)
حَدَّثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ كَثِيرِ بْنِ أَفْلَحَ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ، مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ قَتَلَ قَتِيلاً لَهُ عَلَيْهِ بَيِّنَةٌ فَلَهُ سَلَبُهُ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْحَدِيثِ قِصَّةٌ .
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ . وَفِي الْبَابِ عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ، وَخَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ، وَأَنَسٍ، وَسَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَأَبُو مُحَمَّدٍ هُوَ نَافِعٌ مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَهُوَ قَوْلُ الأَوْزَاعِيِّ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ . وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لِلإِمَامِ أَنْ يُخْرِجَ مِنَ السَّلَبِ الْخُمُسَ . وَقَالَ الثَّوْرِيُّ النَّفَلُ أَنْ يَقُولَ الإِمَامُ مَنْ أَصَابَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ وَمَنْ قَتَلَ قَتِيلاً فَلَهُ سَلَبُهُ فَهُوَ جَائِزٌ وَلَيْسَ فِيهِ الْخُمُسُ . وَقَالَ إِسْحَاقُ السَّلَبُ لِلْقَاتِلِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ شَيْئًا كَثِيرًا فَرَأَى الإِمَامُ أَنْ يُخْرِجَ مِنْهُ الْخُمُسَ كَمَا فَعَلَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ .
আবূ কাতাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শত্রু পক্ষের কোন সৈনিককে কোন লোক হত্যা করলে এবং এর প্রমাণ তার নিকট থাকলে সে নিহতের অস্ত্রশস্ত্র ও জিনিসপত্র পাবে।
সহীহ্, ইরওয়া (৫/৫২-৫৩), সহীহ্ আবূ দাঊদ (২৪৩), নাসা-ঈ
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসের সাথে আরও ঘটনা আছে।
ইবনু আবী উমার হতে সুফিয়ানের বরাতে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদের সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আওফ ইবনু মালিক, খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ, আনাস ও সামুরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ মুহাম্মাদের নাম নাফি, তিনি আবূ কাতাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর আযাদকৃত গোলাম। এ হাদীস মোতাবিক একদল সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ আমল করেছেন। এই অভিমত (হত্যাকারী নিহতের মালপত্র পাবে) দিয়েছেন ইমাম আওযাঈ, শাফিঈ এবং আহ্মাদও। আরেকদল অভিজ্ঞ আলিম বলেন, দলনেতার এই মালপত্র হতে খুমুস বের করে নেওয়ার অধিকার আছে। সুফিয়ান সাওরী বলেন, যে লোক যা পেয়েছে তা তারই হবে এবং শত্রুপক্ষের কোন লোককে যে ব্যক্তি খুন করল সে তার মালপত্রের অধিকারী হবে। দলনেতার এরূপ ঘোষনাই হল নাফল (পুরস্কার) এবং তাতে কোন খুমুস নেই। ইসহাক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, হত্যাকারী নিহতের মালপত্রের অধিকারী হবে। তবে যদি মালপত্রের পরিমাণ অধিক হয় তবে দলনেতা চাইলে সেটা হতে খুমুস বের করতে পারেন, যেভাবে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বের করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ جَهْضَمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ شِرَاءِ الْمَغَانِمِ حَتَّى تُقْسَمَ . وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, গনিমতের মাল ভাগ করার আগে তা বিক্রয় করতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন।
সহীহ্, মিশকাত তাহকীক ছানী (৪০১৫-৪০১৬)
আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা গারীব বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابن ماجہ (2196)، محمد بن إبراہیم الباھلي مجہول، (تقریب: 5703) و في شیخہ نظر ، و لبعض الحدیث شواھد ، (انوار الصحیفہ ص 229)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى النَّيْسَابُورِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، عَنْ وَهْبٍ أَبِي خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَتْنِي أُمُّ حَبِيبَةَ بِنْتُ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ، أَنَّ أَبَاهَا، أَخْبَرَهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ تُوطَأَ السَّبَايَا حَتَّى يَضَعْنَ مَا فِي بُطُونِهِنَّ .
قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ . وَحَدِيثُ عِرْبَاضٍ حَدِيثٌ غَرِيبٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ وَقَالَ الأَوْزَاعِيُّ إِذَا اشْتَرَى الرَّجُلُ الْجَارِيَةَ مِنَ السَّبْىِ وَهِيَ حَامِلٌ فَقَدْ رُوِيَ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّهُ قَالَ لاَ تُوطَأُ حَامِلٌ حَتَّى تَضَعَ . قَالَ الأَوْزَاعِيُّ وَأَمَّا الْحَرَائِرُ فَقَدْ مَضَتِ السُّنَّةُ فِيهِنَّ بِأَنْ أُمِرْنَ بِالْعِدَّةِ . قَالَ حَدَّثَنِي بِذَلِكَ عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ قَالَ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ عَنِ الأَوْزَاعِيِّ .
উম্মু হাবীবা বিনতু ইরবায ইবনু সারিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তাকে তার বাবা (ইরবায) জানিয়েছেন যে, গর্ভবতী যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে সন্তান প্রসব হওয়ার আগ পর্যন্ত সহবাস করতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন।
সহীহ্, দেখুন হাদীস নং (১৪৭৪)
আবূ ঈসা বলেন, রুয়াইফি ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আর ইরবাযের হাদীসটি গারীব। এ হাদীস অনুসারে আলিমগণ আমল করেছেন। ইমাম আওযাঈ বলেন, গর্ভবতী বন্দিনী দাসী কোন লোক কিনলে সেই ব্যাপারে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, সন্তান প্রসব হওয়ার আগ পর্যন্ত তার সাথে সহবাস করা যাবে না। আওযাঈ আরো বলেন, মুক্ত যুদ্ধবন্দিনীর বিষয়ে বিধান হল, তাদের সাথে ইদ্দাত শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সহবাস করা যাবে না। আলী ইবনু খাশরাম ঈসা ইবনু ইউনুসের সূত্রে আওযাঈ হতে এই উক্তিটি বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، أَخْبَرَنِي سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ سَمِعْتُ قَبِيصَةَ بْنَ هُلْبٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ طَعَامِ النَّصَارَى فَقَالَ " لاَ يَتَخَلَّجَنَّ فِي صَدْرِكَ طَعَامٌ ضَارَعْتَ فِيهِ النَّصْرَانِيَّةَ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ .
قَالَ أَبُو عِيسَى سَمِعْتُ مَحْمُودًا، وَقَالَ، عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ هُلْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
قَالَ مَحْمُودٌ وَقَالَ وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ مُرِّيِّ بْنِ قَطَرِيٍّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنَ الرُّخْصَةِ فِي طَعَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ .
কাবীসা ইবনু হুল্ব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে তার বাবার সূত্রে হতে বর্ণিত, তিনি (পিতা) বলেন, নাসারাদের বানানো খাবারের প্রসঙ্গে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ তোমার মনে কোন খাবারের ব্যাপারে (অযথা) সন্দেহ ও দ্বিধা-সংকোচ সৃষ্টি হওয়া ঠিক নয়। তুমি এরকম অমূলক সংশয়ে পড়ে গেলে নাসারাদের অনুরূপ হয়ে গেলে।
হাসান, ইবনু মা-জাহ (২৮৩০)
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। আমি মাহমূদকে বলতে শুনেছি উবাইদুল্লাহ ইবনু মূসা বলেছেন, ইসরাঈল সিমাক হতে, তিনি কাবীসা হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ওয়াহাব ইবনু জারীর বলেন, শুবা সিমাক হতে, তিনি মুরাই ইবনু ক্বাত্বারী হতে, তিনি আদী ইবনু হাতিম হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা কারেছেন। এ হাদীস মোতাবিক আলিমগণ আমল করেছেন। ইয়াহূদী-নাসারাদের খাদ্য খাওয়ার অনুমতি আছে বলে তারা মনে করেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (4087)
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ الشَّيْبَانِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي حُيَىٌّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ وَالِدَةٍ وَوَلَدِهَا فَرَّقَ اللَّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَحِبَّتِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ كَرِهُوا التَّفْرِيقَ بَيْنَ السَّبْىِ بَيْنَ الْوَالِدَةِ وَوَلَدِهَا وَبَيْنَ الْوَلَدِ وَالْوَالِدِ وَبَيْنَ الإِخْوَةِ .
قَالَ أَبُو عِيسَى وَسَمِعْتُ الْبُخَارِيَّ يَقُولُ سَمِعَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيُّ مِنْ أَبِي أَيُّوبَ .
আবূ আইয়্যূব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ (বন্দিনী) মা ও তার সন্তানকে একে অপর হতে যে লোক আলাদা করল, আল্লাহ তা’আলা কিয়ামত দিবসে তার এবং তার প্রিয়জনদের পরস্পর হতে আলাদা করবেন।
হাসান, মিশকাত (৩৩৬১)
আবূ ঈসা বলেন, আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আর এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তৎপরবর্তীগণ আমল করেছেন। বন্দিনী মা-সন্তান, পিতা-পুত্র এবং ভাইদেরকে পরস্পর হতে আলাদা করাকে তারা নিষিদ্ধ বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ أَبِي السَّفَرِ، - وَاسْمُهُ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَمْدَانِيُّ وَمَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ جِبْرَائِيلَ هَبَطَ عَلَيْهِ فَقَالَ لَهُ خَيِّرْهُمْ يَعْنِي أَصْحَابَكَ فِي أُسَارَى بَدْرٍ الْقَتْلَ أَوِ الْفِدَاءَ عَلَى أَنْ يُقْتَلَ مِنْهُمْ قَابِلاً مِثْلُهُمْ . قَالُوا الْفِدَاءَ وَيُقْتَلَ مِنَّا " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَأَنَسٍ وَأَبِي بَرْزَةَ وَجُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ الثَّوْرِيِّ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي زَائِدَةَ . وَرَوَى أَبُو أُسَامَةَ عَنْ هِشَامٍ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ . وَرَوَى ابْنُ عَوْنٍ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبِيدَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً . وَأَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ اسْمُهُ عُمَرُ بْنُ سَعْدٍ .
আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন যে, জিবরাঈল (আঃ) তাঁর নিকট এসে বলেন, বদরের বন্দীদের ব্যাপারে তাদেরকে অর্থাৎ আপনার সাহাবীদেরকে ইখতিয়ার (স্বাধীনতা) দিন। হয় তাদেরকে তারা মেরে ফেলুক অথবা তাদের (সাহাবীদের) সমান সংখ্যক লোক আগামী বছর নিহত হওয়ার শর্তে মুক্তিপণ গ্রহণ করে তাদেরকে মুক্ত করে দিক। তারা (সাহাবীগণ) বললেন, আমাদের মধ্য হতে সম-সংখ্যক লোক মারা গেলেও আমরা তাদেরকে মুক্তিপণ গ্রহণ করে ছেড়ে দিব।
সহীহ্, মিশকাত তাহকীক ছানী (৩৯৭৩), ইরওয়া (৫/৪৮-৪৯)
ইবনু মাসঊদ, আনাস, আবূ বারযা ও জুবাইর ইবনু মুতঈম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা সাওরীর সূত্রে হাসান গারীব বলেছেন। আমারা এ হাদীসটি শুধুমাত্র ইবনু আবী যাইদা বর্ণিত হাদীস হিসাবেই জেনেছি। আবূ উসামা-হিশাম হতে, তিনি ইবনু সীরীন হতে, তিনি উবাইদা হতে, তিনি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সূত্রে একইরকম বর্ণিত হয়েছে। এটি মুরসাল হাদীসরূপে ইবনু আওন-ইবনু সীরীন হতে, তিনি উবাইদা হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। আবূ দাঊদ আল-হাফারীর নাম উমার, পিতা সা’দ।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ھشام بن حسان عنعن سفیان، الثوري عنعن ، (انوار الصحیفہ ص 229)
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ عَمِّهِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَدَى رَجُلَيْنِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ بِرَجُلٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَعَمُّ أَبِي قِلاَبَةَ هُوَ أَبُو الْمُهَلَّبِ وَاسْمُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو وَيُقَالُ مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو وَأَبُو قِلاَبَةَ اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ الْجَرْمِيُّ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَنَّ لِلإِمَامِ أَنْ يَمُنَّ عَلَى مَنْ شَاءَ مِنَ الأُسَارَى وَيَقْتُلَ مَنْ شَاءَ مِنْهُمْ وَيَفْدِيَ مَنْ شَاءَ . وَاخْتَارَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ الْقَتْلَ عَلَى الْفِدَاءِ . وَقَالَ الأَوْزَاعِيُّ بَلَغَنِي أَنَّ هَذِهِ الآيَةَ مَنْسُوخَةٌ قَوْلُهُ تَعَالَى: (فَإِِمَّا مَنًّا بَعْدُ وَإِمَّا فِدَاءً) نَسَخَتْهَا: (وَاقْتُلُوهُمْ حَيْثُ ثَقِفْتُمُوهُمْ ) حَدَّثَنَا بِذَلِكَ هَنَّادٌ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنِ الأَوْزَاعِيِّ . قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ قُلْتُ لأَحْمَدَ إِذَا أُسِرَ الأَسِيرُ يُقْتَلُ أَوْ يُفَادَى أَحَبُّ إِلَيْكَ قَالَ إِنْ قَدَرُوا أَنْ يُفَادُوا فَلَيْسَ بِهِ بَأْسٌ وَإِنْ قُتِلَ فَمَا أَعْلَمُ بِهِ بَأْسًا . قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الإِثْخَانُ أَحَبُّ إِلَىَّ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ مَعْرُوفًا فَأَطْمَعُ بِهِ الْكَثِيرَ .
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, দু’জন মুসলমান বন্দীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজন মুশ্রিক বন্দীর সাথে বিনিময় করেছেন।
সহীহ্, মুসলিম (৫/৭৮)
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। আবূ কিলাবার চাচার নাম আবুল মুহাল্লাব আবদুর রাহমান ইবনু আমর, মতান্তরে তার নাম মুআবিয়া ইবনু উমার। আর আবূ কিলাবার নাম আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ আল-জারমী। এ হাদীস মোতাবিক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তাবিঈগন আমল করেছেন। তাদের মতে নেতা চাইলে কোন বন্দীকে অনুগ্রহ প্রদর্শনপূর্বক মুক্তি দিতে পারেন, মেরে ফেলতে পারেন অথবা বিনিময় গ্রহণ করে ছেড়েও দিতে পারেন। বিনিময় নিয়ে মুক্তি দেওয়ার পরিবর্তে মেরে ফেলাকেই কিছু অভিজ্ঞ আলিম উত্তম মনে করেন। আওযাঈ বলেন, আমি জানতে পেরেছি, নিম্নলিখিত আয়াত মানসূখ (বাতিল) হয়ে গেছেঃ “তারপর হয় অনুগ্রহ করবে অথবা বিনিময় গ্রহণ করে মুক্ত করে দিবে” (সূরাঃ মুহাম্মাদ- ৪)। নাসিখ (বাতিলকারী) আয়াত হলঃ “তাদেরকে যে জায়গাতেই পাও সেখানেই মেরে ফেল’’ (সূরাঃ বাকারা- ১৯১, সূরাঃ নিসা- ৯১)। ইবনুল মুবারাক আওযাঈ হতে এই উক্তি বর্ণনা করেছেন।
ইসহাক ইবনু মানসুর বলেন, আহ্মাদকে আমি প্রশ্ন করলাম, কাফির যোদ্ধা বন্দী অবস্থায় এলে আপনি তাকে মেরে ফেলা পছন্দ করেন না বিনিময় নিয়ে মুক্তি দেওয়া পছন্দ করেন ? তিনি উত্তরে বললেন, বিনিময় দিতে রাযি হলে তা নিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়াতেও কোন সমস্যা নেই অথবা মেরে ফেলতেও কোন আপত্তি নেই। ইসহাক বলেন, তাকে মেরে ফেলাটাই আমি উত্তম বলে মনে করি। তবে সে প্রসিদ্ধি লাভ করলে এবং তার ব্যাপারে নানাবিধ আশা করার সুযোগ থাকলে (তাকে মুক্তি দেওয়াই উচিত)।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ امْرَأَةً وُجِدَتْ فِي بَعْضِ مَغَازِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَقْتُولَةً فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَلِكَ وَنَهَى عَنْ قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ . وَفِي الْبَابِ عَنْ بُرَيْدَةَ وَرَبَاحٍ وَيُقَالُ رِيَاحُ بْنُ الرَّبِيعِ وَالأَسْوَدِ بْنِ سَرِيعٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَالصَّعْبِ بْنِ جَثَّامَةَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ كَرِهُوا قَتْلَ النِّسَاءِ وَالْوِلْدَانِ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَالشَّافِعِيِّ . وَرَخَّصَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي الْبَيَاتِ وَقَتْلِ النِّسَاءِ فِيهِمْ وَالْوِلْدَانِ وَهُوَ قَوْلُ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ وَرَخَّصَا فِي الْبَيَاتِ .
ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, একজন মহিলাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন এক যুদ্ধে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এতে খুবই অসুন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং নারী ও শিশুদের মেরে ফেলতে বারণ করেন।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৮৪১), নাসা-ঈ
বুরাইদা, রাবাহ তাকে রিয়াহ ইবনুর রাবীও বলা হয়। আসওয়াদ ইবনু সারী’ , ইবনু আব্বাস ও সা’ব ইবনু জাস্সামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অন্যান্য অভিজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। নারী ও শিশুদের মেরে ফেলাকে তারা জঘন্য কাজ বলেছেন। এই মতটি দিয়েছেন সুফিয়ান সাওরী ও শাফিঈও। রাতের বেলা আক্রমণ এবং এমতাবস্থায় নারী ও শিশুদের মেরে ফেলার পক্ষে অন্য একদল অভিজ্ঞ আলিম সম্মতি প্রদান করেছেন। এই অভিমত দিয়েছেন আহ্মাদ ও ইসহাক। রাতের বেলা অতর্কিত আক্রমণের সুযোগ তারা দু’জনেই রেখেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي الصَّعْبُ بْنُ جَثَّامَةَ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ خَيْلَنَا أَوْطَأَتْ مِنْ نِسَاءِ الْمُشْرِكِينَ وَأَوْلاَدِهِمْ . قَالَ " هُمْ مِنْ آبَائِهِمْ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, সা’ব ইবনু জাসসামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! মুশ্রিকদের নারী ও শিশুদেরকে আমাদের অশ্বারোহী বাহিনী পদদলিত করেছে। তিনি বললেনঃ তারা তাদের বাপ-দাদার সাথেই সম্পৃক্ত।
হাসান, ইবনু মা-জাহ (২৮৩৯), নাসা-ঈ
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْثٍ فَقَالَ " إِنْ وَجَدْتُمْ فُلاَنًا وَفُلاَنًا لِرَجُلَيْنِ مِنْ قُرَيْشٍ فَأَحْرِقُوهُمَا بِالنَّارِ " . ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ أَرَدْنَا الْخُرُوجَ " إِنِّي كُنْتُ أَمَرْتُكُمْ أَنْ تَحْرِقُوا فُلاَنًا وَفُلاَنًا بِالنَّارِ وَإِنَّ النَّارَ لاَ يُعَذِّبُ بِهَا إِلاَّ اللَّهُ فَإِنْ وَجَدْتُمُوهُمَا فَاقْتُلُوهُمَا " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَحَمْزَةَ بْنِ عَمْرٍو الأَسْلَمِيِّ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ . وَقَدْ ذَكَرَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بَيْنَ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ وَبَيْنَ أَبِي هُرَيْرَةَ رَجُلاً فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَرَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ مِثْلَ رِوَايَةِ اللَّيْثِ وَحَدِيثُ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ أَشْبَهُ وَأَصَحُّ . قَالَ الْبُخَارِيُّ وَسُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ قَدْ سَمِعَ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ . قَالَ مُحَمَّدٌ وَحَدِيثُ حَمْزَةَ بْنِ عَمْرٍو فِي هَذَا الْبَابِ صَحِيحٌ .
আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি যুদ্ধে প্রেরণ করেন। তিনি বলে দেন, তোমরা কুরাইশ বংশের অমুক অমুক লোকের নাগাল পেলে তাদের দু’জনকেই আগুনে পুড়িয়ে ফেলবে। যখন আমরা যাত্রা শুরু করলাম তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেনঃ আমি তোমাদের নির্দেশ দিয়েছিলাম, অমুক অমুক লোককে তোমরা আগুনে পুড়িয়ে ফেলবে। আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়ার অধিকারী আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত অন্য কেউ নয়। অতএব তোমরা অমুক ও অমুকের নাগাল পেলে তবে তাদের দু’জনকেই মেরে ফেলবে।
সহীহ্ বুখারী
ইবনু আব্বাস ও হামযা ইবনু আমর আল-আসলামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক অভিজ্ঞ আলিমগণ আমল করেছেন। এই হাদীসের সনদে সুলাইমান ইবনু ইয়াসার ও আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মাঝখানে মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আরও একজন বর্ণনাকারীর উল্লেখ করেছেন। এই হাদীসটি একাধিক বর্ণনাকারী লাইসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। লাইস ইবনু সা’দের হাদীস অনেক বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সহীহ্।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری
حَدَّثَنِي أَبُو رَجَاءٍ، قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ " مَنْ مَاتَ وَهُوَ بَرِيءٌ مِنْ ثَلاَثٍ الْكِبْرِ وَالْغُلُولِ وَالدَّيْنِ دَخَلَ الْجَنَّةَ " . وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ .
সাওবান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক তিনটি বিষয়ে অর্থাৎ অহংকার, গনিমতের সম্পদ আত্মসাৎ ও ঋণ হতে মুক্ত অবস্থায় মারা গেল সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৪১২)
আবূ হুরাইরা ও যাইদ ইবনু খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (2921) وللحدیث شواھد
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ فَارَقَ الرُّوحُ الْجَسَدَ وَهُوَ بَرِيءٌ مِنْ ثَلاَثٍ الْكَنْزِ وَالْغُلُولِ وَالدَّيْنِ دَخَلَ الْجَنَّةَ " . هَكَذَا قَالَ سَعِيدٌ الْكَنْزَ وَقَالَ أَبُو عَوَانَةَ فِي حَدِيثِهِ الْكِبْرَ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ مَعْدَانَ وَرِوَايَةُ سَعِيدٍ أَصَحُّ .
সাওবান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তিনটি বিষয় হতে মুক্ত থাকা অবস্থায় তার রুহ তার দেহ হতে আলাদা হলে সে জান্নাতে যাবেঃ সম্পদ পুঞ্জীভূত করা, গানীমতের মাল আত্মসাৎ করা ও ঋণ।
হাদীসে বর্ণিত শব্দ শাজ, সহীহা (২৭৮৫)।
সাঈদ তাঁর বর্ণনায় আল–কানয এবং আবূ আওয়ানা তাঁর বর্ণনায় আল-কিবর (অহংকার) শব্দের উল্লেখ করেছেন। আবূ আওয়ানার বর্ণনায় “মা’দান” রাবীর উল্লেখ করেননি। সাঈদের বর্ণনাটি অনেক বেশী সহীহ।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: شاذ بهذه اللفظة
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، قتادۃ عنعن في ھٰذا اللفظ: ’’، الکنز ‘‘ ، و روی الإمام أحمد (5/ 282) عن ثوبان، رضي اللّٰہ عنہ أن رسول اللّٰہ ﷺ قال: ((من فارق الروح الجسد وھو برئ من ثلاث، دخل الجنۃ: الغلال والدین قال بھز: والکبر)) وسندہ صحیح وھو یغني عنہ، (انوار الصحیفہ ص 229)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سِمَاكٌ أَبُو زُمَيْلٍ الْحَنَفِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، قَالَ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ فُلاَنًا قَدِ اسْتُشْهِدَ . قَالَ " كَلاَّ قَدْ رَأَيْتُهُ فِي النَّارِ بِعَبَاءَةٍ قَدْ غَلَّهَا قَالَ قُمْ يَا عَلِيُّ فَنَادِ إِنَّهُ لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلاَّ الْمُؤْمِنُونَ ثَلاَثًا " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ .
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, বলা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! অমুক লোক শহীদ হয়েছে। তিনি বললেনঃ কোন অবস্থাতেই নয়, গনিমতের একটি আলখাল্লা (লম্বা ঢিলা জামা) আত্মসাৎ করায় আমি তাকে জাহান্নামে দেখতে পাচ্ছি। তিনি বললেনঃ হে উমার! উঠ এবং তিনবার ঘোষণা দাও- ঈমানদার লোক ব্যতীত অন্য কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না।
সহীহ্, মুসলিম
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ গারীব বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ الصَّوَّافُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ الضُّبَعِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْزُو بِأُمِّ سُلَيْمٍ وَنِسْوَةٍ مَعَهَا مِنَ الأَنْصَارِ يَسْقِينَ الْمَاءَ وَيُدَاوِينَ الْجَرْحَى .
قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذٍ . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মু সুলাইম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও তার সাথের আনসার মহিলাদের নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন। যুদ্ধক্ষেত্রে তারা পানি পান করাতেন এবং আহতদের জখমে ঔষধ লাগিয়ে দিতেন।
সহীহ্, সহীহ্ আবূ দাঊদ (২২৮৪), মুসলিম
আবূ ঈসা বলেছেন, রুবাই বিনতি মুআওয়্যিয (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আর এ হাদীসটি হাসান সহীহ্।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: بخاری ومسلم
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ الْكِنْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ ثُوَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ كِسْرَى أَهْدَى إِلَيْهِ فَقَبِلَ مِنْهُ وَأَنَّ الْمُلُوكَ أَهْدَوْا إِلَيْهِ فَقَبِلَ مِنْهُمْ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . وَثُوَيْرٌ هُوَ ابْنُ أَبِي فَاخِتَةَ وَأَبُو فَاخِتَةَ اسْمُهُ سَعِيدُ بْنُ عِلاَقَةَ وَثُوَيْرٌ يُكْنَى أَبَا جَهْمٍ .
আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য কিসরা (পারস্য সম্রাট) উপহার পাঠালে তিনি তা নেন। বিভিন্ন দেশের রাজা–বাদশাগণ তাঁর জন্য উপহার পাঠালে তিনি তা গ্রহণ করেছেন।
খুবই দুর্বল, তা’লীক আলার রাওযাতুন নাদিয়্যাহ (২/১৬৩)।
এ অনুচ্ছেদে জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেছেন , এ হাদীসটি হাসান গারীব। সুওয়াইর ইবনু আবূ ফাখিতার নাম সাঈদ, পিতার নাম ইলাকা। সুওয়াইব–এর উপনাম আবূ জাহম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف جدا
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ثویر: ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 229)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ عِمْرَانَ الْقَطَّانِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، هُوَ ابْنُ الشِّخِّيرِ عَنْ عِيَاضِ بْنِ حِمَارٍ، أَنَّهُ أَهْدَى لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَدِيَّةً لَهُ أَوْ نَاقَةً فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَسْلَمْتَ " . قَالَ لاَ . قَالَ " فَإِنِّي نُهِيتُ عَنْ زَبْدِ الْمُشْرِكِينَ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَمَعْنَى قَوْلِهِ " إِنِّي نُهِيتُ عَنْ زَبْدِ الْمُشْرِكِينَ " . يَعْنِي هَدَايَاهُمْ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَقْبَلُ مِنَ الْمُشْرِكِينَ هَدَايَاهُمْ وَذُكِرَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ الْكَرَاهِيَةُ وَاحْتُمِلَ أَنْ يَكُونَ هَذَا بَعْدَ مَا كَانَ يَقْبَلُ مِنْهُمْ ثُمَّ نَهَى عَنْ هَدَايَاهُمْ .
ইয়ায ইবনু হিমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি তার একটি উষ্ট্রী বা অন্য কিছু উপহার হিসাবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে উপস্থাপন করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করেছ? তিনি বলেন, না (পরে তিনি ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করেন)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুশরিকদের উপহার নিতে আমাকে বারণ করা হয়েছে।
হাসান সহীহ্, প্রাগুক্ত (২/১৬৪)
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। ‘যাব্দুল মুশ্রিকীন’ অর্থ ‘মুশরিকদের দেওয়া উপহার’। অবশ্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এও বর্ণিত আছে যে, মুশ্রিকদের উপহার তিনি নিতেন। এ হাদীসে মাকরূহ্ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটাও হতে পারে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগে উপহার নিতেন। তারপর তা নিতে তাঁকে বারণ করে দেওয়া হয়েছে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا بَكَّارُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَتَاهُ أَمْرٌ فَسُرَّ بِهِ فَخَرَّ لِلَّهِ سَاجِدًا .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ بَكَّارِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ رَأَوْا سَجْدَةَ الشُّكْرِ . وَبَكَّارُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ مُقَارِبُ الْحَدِيثِ .
আবূ বাক্রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এমন একটি সুখবর আসে যে, তিনি তাতে খুবই আনন্দিত হন এবং সিজদায় লুটিয়ে পড়েন।
হাসান, ইবনু মা-জাহ (১৩৯৪)
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আমরা শুধুমাত্র উল্লেখিত সনদ সূত্রেই বাক্কার ইবনু আবদুল আযীযের বর্ণিত হাদীসে তা জেনেছি। এ হাদীস মোতাবিক বেশির ভাগ আলিম আমল করেছেন। কৃতজ্ঞতার সিজদা বৈধ হওয়ার পক্ষে তারা অভিমত দিয়েছেন। বাক্কার ইবনু আব্দুল আজীজ ইবনু আবী বাকরাহ হাদীসের (বর্ণনার) উপযোগী।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (1494)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَكْثَمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ الْمَرْأَةَ لَتَأْخُذُ لِلْقَوْمِ " . يَعْنِي تُجِيرُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ . وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ هَانِئٍ . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا فَقَالَ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ . وَكَثِيرُ بْنُ زَيْدٍ قَدْ سَمِعَ مِنَ الْوَلِيدِ بْنِ رَبَاحٍ وَالْوَلِيدُ بْنُ رَبَاحٍ سَمِعَ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَهُوَ مُقَارِبُ الْحَدِيثِ .
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي مُرَّةَ، مَوْلَى عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَنْ أُمِّ هَانِئٍ، أَنَّهَا قَالَتْ أَجَرْتُ رَجُلَيْنِ مِنْ أَحْمَائِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قَدْ أَمَّنَّا مَنْ أَمَّنْتِ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَجَازُوا أَمَانَ الْمَرْأَةِ وَهُوَ قَوْلُ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ أَجَازَا أَمَانَ الْمَرْأَةِ وَالْعَبْدِ . وَأَبُو مُرَّةَ مَوْلَى عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ وَيُقَالُ لَهُ أَيْضًا مَوْلَى أُمِّ هَانِئٍ وَاسْمُهُ يَزِيدُ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّهُ أَجَازَ أَمَانَ الْعَبْدِ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى وَمَعْنَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ مَنْ أَعْطَى الأَمَانَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَهُوَ جِائِزٌ عَلَى كُلِّهِمْ .
আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহিলারাও তাদের সম্প্রদায়ের পক্ষে (কাউকে) আশ্রয় দিতে পারে।
হাসান, মিশকাত তাহকীক ছানী (৩৯৭৮)
উম্মু হানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান গারীব। ইমাম বুখারীর নিকট আমি প্রশ্ন করলে তিনি এটিকে সহীহ হাদীস বলেন।
কাছীর ইবনু যাইদ আল-ওয়ালীদ ইবনু রাবাহ-এর নিকট হাদীস শুনেছেন। আর আল-ওয়ালীদ ইবনু রাবাহ আবূ হুরাইরার নিকট হাদীস শুনেছেন। তিনি হাদীস বর্ণনা করার উপযোগী।
আবূ তালিবের কন্যা উম্মু হানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার শ্বশুর পক্ষের আত্মীয়দের মধ্যে দুইজন লোককে আমি নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে লোককে তুমি নিরাপত্তা প্রদান করেছ আমরাও তাকে নিরাপত্তা দিলাম।
সহীহ্, সহীহ্ আবূ দাঊদ (২৪৬৮), সহীহা (২০৪৯), নাসা-ঈ সংক্ষিপ্তভাবে।
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীস মোতাবিক অভিজ্ঞ আলিমগণ আমল করেছেন। নারীরাও কোন লোককে নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে বলে তারা মনে করেন। এই মত দিয়েছেন ইমাম আহ্মাদ ও ইসহাকও। নারী ও গোলামদের দ্বারা কোন লোকের নিরাপত্তা দানকে তারা দু’জনেই বৈধ বলেছেন। অন্যান্য সূত্রেও উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আবূ মুররা (রাহিমাহুল্লাহ) আকীল ইবনু আবূ তালিবের মুক্ত দাস, তাকে উম্মু হানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মুক্তদাসও বলা হয়। তার নাম ইয়াযীদ। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ব্যাপারে বর্ণিত আছে যে, গোলাম কর্তৃক নিরাপত্তা দান করাকে তিনি অনুমোদন করেছেন। আলী ইবনু আবূ তালিব ও আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “মুসলমানদের যিম্মা এক সমান, তাদের সাধারণ লোকও (কাউকে) নিজ দায়িত্বে নিরাপত্তা দেওয়ার অধিকারী”।
আবূ ঈসা বলেনঃ অভিজ্ঞ আলিমগণের মতে এ হাদীসের অর্থ হচ্ছে কোন মুসলমান লোক যদি (শত্রু পক্ষের) কোন লোককে মুসলমানদের পক্ষে নিরাপত্তার ওয়াদা দেয় তবে তা সমগ্র মুসলিম সমাজের পক্ষে গণ্য হবে।
-
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (3978) وانظر مشکوۃ المصابیح (3977)
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو الْفَيْضِ، قَالَ سَمِعْتُ سُلَيْمَ بْنَ عَامِرٍ، يَقُولُ كَانَ بَيْنَ مُعَاوِيَةَ وَبَيْنَ أَهْلِ الرُّومِ عَهْدٌ وَكَانَ يَسِيرُ فِي بِلاَدِهِمْ حَتَّى إِذَا انْقَضَى الْعَهْدُ أَغَارَ عَلَيْهِمْ فَإِذَا رَجُلٌ عَلَى دَابَّةٍ أَوْ عَلَى فَرَسٍ وَهُوَ يَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَفَاءٌ لاَ غَدْرٌ . وَإِذَا هُوَ عَمْرُو بْنُ عَبَسَةَ فَسَأَلَهُ مُعَاوِيَةُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ كَانَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ قَوْمٍ عَهْدٌ فَلاَ يَحُلَّنَّ عَهْدًا وَلاَ يَشُدَّنَّهُ حَتَّى يَمْضِيَ أَمَدُهُ أَوْ يَنْبِذَ إِلَيْهِمْ عَلَى سَوَاءٍ " . قَالَ فَرَجَعَ مُعَاوِيَةُ بِالنَّاسِ .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
সুলাইম ইবনু আমির (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, একটি সন্ধিচুক্তি মুআবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও রুমবাসীদের মধ্যে কার্যকর ছিল। তিনি (মুআবিয়া) তাদের জনপদে (সৈন্যসহ) চলাফেরা করতেন। এমতাবস্থায় চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে অতর্কিতে তাদেরকে আক্রমণ করেন। এমন সময় শোনা গেল, পশুর পিঠে অথবা ঘোড়ায় সাওয়ার হয়ে একজন লোক বলছে, ‘আল্লাহু আকবার’। চুক্তির সময় পূর্ণ কর, বিশ্বাসঘাতকতা কর না। আমর ইবনু আবাসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন এই আরোহী ব্যক্তি। এ বিষয়ে মুআবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কোন জাতির সাথে যে লোকের চুক্তি আছে সে যেন এই চুক্তি ভঙ্গ না করে এবং তার বিপরীত কিছু না করে। চুক্তির সময় শেষ না হওয়ার আগ পর্যন্ত অথবা প্রতিপক্ষকে পরিষ্কারভাবে জানানোর আগ পর্যন্ত এটা ভঙ্গ করা যাবে না। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর মুআবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের লোকদের নিয়ে ফিরে আসেন।
সহীহ্, সহীহ্ আবূ দাঊদ (২৪৬৪)
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح، مشکوۃ المصابیح (3980)