হাদীস বিএন


সুনান আত-তিরমিযী





সুনান আত-তিরমিযী (181)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، وَأَبُو النَّضْرِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ زُبَيْدٍ، عَنْ مُرَّةَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صَلاَةُ الْوُسْطَى صَلاَةُ الْعَصْرِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏




আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মধ্যবর্তী নামায হচ্ছে আসরের নামায।

সহীহ্‌। মিশকাত-(৬৩৪), মুসলিম।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم، مشکوۃ المصابیح (634)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه مسلم (٦٢٨)، وابن ماجه (٦٨٦)، وهو في "المسند" (٣٧١٦) و (٣٨٢٩)، و"صحيح ابن حبان" (١٧٤٦). ورواياتهم جميعًا مطولة غير ابن حبان. وسيأتي الحديث مكررًا سندًا ومتنًا عند المصنف برقم (٣٢٢٧).









সুনান আত-তিরমিযী (182)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ صَلاَةُ الْوُسْطَى صَلاَةُ الْعَصْرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَعَائِشَةَ وَحَفْصَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي هَاشِمِ بْنِ عُتْبَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى قَالَ مُحَمَّدٌ قَالَ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدِيثُ الْحَسَنِ عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ حَدِيثٌ صَحِيحٌ وَقَدْ سَمِعَ مِنْهُ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَمُرَةَ فِي صَلاَةِ الْوُسْطَى حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ الْعُلَمَاءِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ ‏.‏ وَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ وَعَائِشَةُ صَلاَةُ الْوُسْطَى صَلاَةُ الظُّهْرِ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَابْنُ عُمَرَ صَلاَةُ الْوُسْطَى صَلاَةُ الصُّبْحِ ‏.‏ حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا قُرَيْشُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ قَالَ قَالَ لِي مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ سَلِ الْحَسَنَ مِمَّنْ سَمِعَ حَدِيثَ الْعَقِيقَةِ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ سَمِعْتُهُ مِنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمَدِينِيِّ عَنْ قُرَيْشِ بْنِ أَنَسٍ بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ قَالَ عَلِيٌّ وَسَمَاعُ الْحَسَنِ مِنْ سَمُرَةَ صَحِيحٌ ‏.‏ وَاحْتَجَّ بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏




সামুরা ইবনু জুনদুব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মধ্যবর্তী নামায হল আসরের নামায।

সহীহ্‌। মিশকাত-(৬৩৪), মুসলিম।

আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না কুরাইশ ইবনু আনাস হতে, তিনি হাবীব ইবনু আনাস হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি (হাবীব) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন আমাকে বললেনঃ তুমি হাসানকে জিজ্ঞেস কর তিনি ‘আক্বীক্বাহ্‌ সংক্রান্ত হাদীসটি কার নিকট হতে শুনেছেন? ফলে আমি তাকে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, আমি তা সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদাবের নিকট শুনেছি।


আবূ ‘ঈসা বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল ‘আলী ইবনু আবদুল্লাহ ইবনুল মাদানী হতে তিনি কুরাইশ ইবনু আনাস এই সানাদে এই হাদীসটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেনঃ ‘আলী (ইবনুল মাদীনী) বলেছেন, সামুরাহ্‌র নিকট হতে হাসানের হাদীস শ্রবনের বিষয়টি সঠিক। উপরে বর্ণিত হাদীস দ্বারা তিনি এর প্রমান পেশ করেছেন।
এ অনুচ্ছেদে ‘আলী, ইবনু মাসঊদ, যাইদ ইবনু সাবিত, আইশা, হাফসা, আবূ হুরায়রা ও আবূ হাশিম ইবনু উতবা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ মুহাম্মাদ (বুখারী) বলেছেন, আলী ইবনু আবদুল্লাহ বলেছেন, সামুরার সূত্রে আল-হাসান হতে বর্ণিত হাদীসটি সহীহ। তিনি (হাসান) তাঁর নিকটে এই হাদীসটি শুনেছেন। আবূ ‘ঈসা বলেন- সামুরার হাদীসটি হাসান।
নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাবেঈ ‘আসরের নামাযকেই মধ্যবর্তী নামায বলেছেন। যাইদ ইবনু সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যুহরের নামাযকে, মধ্যবর্তী নামায বলেছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ফযরের নামাযকে মধ্যবর্তী নামায বলেছেন।
সহীহ্‌। বুখারী, দেখুন-(১৪৭৮)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (634) وانظر مشکوۃ المصابیح (636، 639)، ولہ شواھد، عند ابن أبي شیبۃ (2/ 504 ح 8602) وغیرہ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح لغيره، وهذا إسناد رجاله ثقات رجال الصحيح، لكن لم يصرح الحسن البصري بسماعه من سمرة. وأخرجه أحمد (٢٠٠٨٢)، وانظر تمام تخريجه فيه. وسيأتي الحديث مكررًا سندًا ومتنًا عند المصنف برقم (٣٢٢٥). ويشهد له حديث ابن مسعود الآتي بعده.









সুনান আত-তিরমিযী (183)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ، وَهُوَ ابْنُ زَاذَانَ عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَالِيَةِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سَمِعْتُ غَيْرَ، وَاحِدٍ، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَكَانَ مِنْ أَحَبِّهِمْ إِلَىَّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَعَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَأَبِي سَعِيدٍ وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَابْنِ عُمَرَ وَسَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَمُعَاذِ بْنِ عَفْرَاءَ وَالصُّنَابِحِيِّ وَلَمْ يَسْمَعْ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَسَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ وَعَائِشَةَ وَكَعْبِ بْنِ مُرَّةَ وَأَبِي أُمَامَةَ وَعَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ وَيَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ وَمُعَاوِيَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ الْفُقَهَاءِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ أَنَّهُمْ كَرِهُوا الصَّلاَةَ بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ صَلاَةِ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَأَمَّا الصَّلَوَاتُ الْفَوَائِتُ فَلاَ بَأْسَ أَنْ تُقْضَى بَعْدَ الْعَصْرِ وَبَعْدَ الصُّبْحِ ‏.‏ قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ قَالَ شُعْبَةُ لَمْ يَسْمَعْ قَتَادَةُ مِنْ أَبِي الْعَالِيَةِ إِلاَّ ثَلاَثَةَ أَشْيَاءَ حَدِيثَ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَحَدِيثَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لا يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ أَنَا خَيْرٌ مِنْ يُونُسَ بْنِ مَتَّى ‏"‏ ‏.‏ وَحَدِيثَ عَلِيٍّ ‏"‏ الْقُضَاةُ ثَلاَثَةٌ ‏"‏ ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একাধিক সাহাবীর নিকট হতে এ হাদীস শুনেছি যাদের মধ্যে ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-ও ছিলেন। সাহাবাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন আমার নিকট বেশি প্রিয়। (তাঁরা বলেছেন) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফযরের নামাযের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত এবং ‘আসরের নামাযের পর সূর্যাস্ত না যাওয়া পর্যন্ত অন্য কোন নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন।

সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(১২৫০), বুখারী ও মুসলিম।

এ অনুচ্ছেদে ‘আলী, ইবনু মাসঊদ, ‘উকবা ইবনু ‘আমির, আবূ হুরায়রা, ইবনু ‘উমার, সামুরা ইবনু জুনদুব, সালামা ইবনুল আকওয়া, যাইদ ইবনু সাবিত, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর, মু’আয ইবনু আফরাআ, সুনাবিহী, ‘আয়িশাহ্‌, কা’ব ইবনু মুররা, আবূ উমামা, ‘আমর ইবনু ‘আবাসা, ইয়া’লা ইবনু উমাইয়া এবং মু’আবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান সহীহ। সুনাবিহী নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে সরাসরি কোন হাদীস শুনেনি।
নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেশীরভাগ ফকীহ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীগণ ফযরের নামাযের পর হতে সূর্য উঠা পর্যন্ত এবং আসরের পর হতে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোন নামায আদায় করা মাকরূহ বলেছেন, কিন্তু ছুটে যাওয়া (ফওত হওয়া ফরয) নামায ফযর ও আসরের পর আদায় করা যাবে। ‘আলী ইবনুল মাদীনী- ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদের সূত্রে, তিনি শু’বার সুত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (শু’বা) বলেছেন, কাতাদা আবুল ‘আলীয়ার নিকট হতে তিনটি কথা ছাড়া আর কিছুই শুনেননি।
এক. ‘‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস-“রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের নামাযের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত ফযরের নামাযের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন।”
দুই. ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “কারো পক্ষে এটা শোভা পায় না যে, সে দাবি করবে, আমি ইউনুস (আঃ) ইবনু মাত্তার চেয়ে উত্তম” ।
তিন. আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীস- ‘বিচারক তিন রকমের হয়ে থাকে’।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (٥٨١)، ومسلم (٨٢٦)، وأبو داود (١٢٧٦)، وابن ماجه (١٢٥٠)، والنسائي ١/ ٢٧٦ - ٢٧٧، وهو في "مسند أحمد" (٢٦٦).









সুনান আত-তিরমিযী (184)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ إِنَّمَا صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ لأَنَّهُ أَتَاهُ مَالٌ فَشَغَلَهُ عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ فَصَلاَّهُمَا بَعْدَ الْعَصْرِ ثُمَّ لَمْ يَعُدْ لَهُمَا ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَمَيْمُونَةَ وَأَبِي مُوسَى ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ صَلَّى بَعْدَ الْعَصْرِ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ وَهَذَا خِلاَفُ مَا رُوِيَ عَنْهُ أَنَّهُ نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ ‏"‏ ‏.‏ وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ أَصَحُّ حَيْثُ قَالَ لَمْ يَعُدْ لَهُمَا ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ نَحْوُ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ فِي هَذَا الْبَابِ رِوَايَاتٌ رُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَا دَخَلَ عَلَيْهَا بَعْدَ الْعَصْرِ إِلاَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَرُوِيَ عَنْهَا عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ ‏.‏ وَالَّذِي اجْتَمَعَ عَلَيْهِ أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ عَلَى كَرَاهِيَةِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ إِلاَّ مَا اسْتُثْنِيَ مِنْ ذَلِكَ مِثْلُ الصَّلاَةِ بِمَكَّةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ بَعْدَ الطَّوَافِ فَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رُخْصَةٌ فِي ذَلِكَ ‏.‏ وَقَدْ قَالَ بِهِ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَدْ كَرِهَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمُ الصَّلاَةَ بِمَكَّةَ أَيْضًا بَعْدَ الْعَصْرِ وَبَعْدَ الصُّبْحِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَبَعْضُ أَهْلِ الْكُوفَةِ ‏.‏




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের নামাযের পর দুই রাক‘আত নামায আদায় করলেন। কেননা তাঁর নিকট কিছু সম্পদ এসেছিল, তিনি তা বিলি করতে ব্যস্ত ছিলেন এবং যুহরের (ফরযের) পরের দুই রাক‘আত আদায়ের সুযোগ পাননি। এই দুই রাক‘আতই তিনি আসরের নামাযের পর আদায় করলেন। তারপর তিনি কখনো তার পুণসঙ্ঘটন করেননি।

সনদ দুর্বল। তারপর তিনি কখনও পুণসঙ্ঘটন করেননি, অংশটুকু মুনকার।

এ অনুচ্ছেদে আইশা, উম্মু সালামা, মাইমূনা ও আবূ মূসা (রা:) হতে বর্ণিত হাদীসও আছে। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু আব্বাস (রা:) বর্ণিত হাদীসটি হাসান। একাধিক ব্যক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আসরের পর দুই রাক‘আত নামায আদায় করেছিলেন। এই হাদীসটি আসরের পর নামায সম্পর্কিত নেতিবাচক হাদীস পরিপন্থী। ইবনু আব্বাস (রা:)-এর হাদীসটি বেশী সহীহ, যাতে তিনি বলেছেন : তারপর তিনি তার পুণসঙ্ঘটন করেন নি। ইবনু আব্বাসের হাদীসের অনুরূপ হাদীস যাইদ ইবনু সাবিত (রা:) হতেও বর্ণিত আছে। এ অনুচ্ছেদে আইশা (রা:)-এর বেশ কয়েকটি বর্ণনা আছে। একটি বর্ণনা হচ্ছে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের নামাযের পর তাঁর ঘরে গেলেই তিনি দুই রাক‘আত নামায আদায় করতেন।

আইশা (রা:)-এর দ্বিতীয় হাদীসটি উম্মু সালামা (রা:)-এর সূত্রে বর্ণিত, এতে আছে, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফযরের পর সূর্য উঠা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
এ বিষয়ে বিদ্বানগণের অধিকাংশই ঐকমত্য পোষণ করেন যে, মক্কা মুআযযমায় বাইতুল্লাহ তাওয়াফের পর আসরের পর হতে সূর্য ডোবা পর্যন্ত এবং ফযরের পর হতে সূর্য উঠা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নামায আদায় করা এই নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত রাখা হয়েছে। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফের পর উল্লেখিত সময়ে নামায আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাদের পরবর্তীগণ (মাক্কাতে) উল্লেখিত সময়ে নামায আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও এ অভিমত দিয়েছেন। সাহাবাদের অপর দল ও তাদের পরবর্তীগণ ফজরের পর এবং ‘আসরের পর মক্কাতেও নামায আদায় করা মাকরূহ বলেছেন। সুফইয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস এবং কিছু কুফাবাসী এ মত সমর্থন করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف الإسناد وقوله ثم لم يعد لهما منكر




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، عطاء بن السائب اختلط ولم یحدث، بہ قبل اختلاطہ فیما أعلم، (انوار الصحیفہ ص 194)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث حسن لغيره دون قوله: "ثم لم يعدْ لهما"، عطاء بن السائب قد اختلط، والراوي عنه هنا - وهو جرير بن عبد الحميد - سمع منه بعد الاختلاط، وأخرجه ابن حبان (١٥٧٥) دون هذه الزيادة، وانظر كلامنا عليها هناك. وله شاهد صحيح من حديث عائشة في "المسند" (٢٤٩٤٥) دون هذه الزيادة.









সুনান আত-তিরমিযী (185)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسِ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلاَةٌ لِمَنْ شَاءَ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدِ اخْتَلَفَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الصَّلاَةِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ فَلَمْ يَرَ بَعْضُهُمُ الصَّلاَةَ قَبْلَ الْمَغْرِبِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ كَانُوا يُصَلُّونَ قَبْلَ صَلاَةِ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ إِنْ صَلاَّهُمَا فَحَسَنٌ ‏.‏ وَهَذَا عِنْدَهُمَا عَلَى الاِسْتِحْبَابِ ‏.‏




আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মাঝখানে নামায আছে, যে চায় তা আদায় করতে পারে।

সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(১১৬২), বুখারী ও মুসলিম।

এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবূ ‘ঈসা বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। মাগরিবের নামাযের পূর্বে (অতিরিক্ত) নামায আদায় সম্পর্কে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবাদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। তাদের কতেকের মত হল, মাগরিবের (আযানের পর এবং ইক্বামতের) পূর্বে কোন নামায না আদায় করাই শ্রেয়। অপরদিকে একাধিক সাহাবা মাগরিবের আযান এবং ইক্বামাতের মাঝখানে দুই রাকা’আত নামায আদায় করতেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক বলেন, কেউ যদি এই দুই রাক’আত নামায আদায় করে তবে সে ভালোই করে এ দু’রাক’আত আদায় করে নেয়াটা মুস্তাহাব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (٦٢٤)، ومسلم (٨٣٨)، وأبو داود (١٢٨٣)، وابن ماجه (١١٦٢)، والنسائي ٢/ ٢٨، وهو في "المسند" (١٦٧٩٠) و"صحيح ابن حبان" (١٥٥٩ - ١٥٦١).









সুনান আত-তিরমিযী (186)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، وَعَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، وَعَنِ الأَعْرَجِ، يُحَدِّثُونَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَدْرَكَ مِنَ الصُّبْحِ رَكْعَةً قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ وَمَنْ أَدْرَكَ مِنَ الْعَصْرِ رَكْعَةً قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْعَصْرَ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ أَصْحَابُنَا وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَمَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَهُمْ لِصَاحِبِ الْعُذْرِ مِثْلُ الرَّجُلِ يَنَامُ عَنِ الصَّلاَةِ أَوْ يَنْسَاهَا فَيَسْتَيْقِظُ وَيَذْكُرُ عِنْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَعِنْدَ غُرُوبِهَا ‏.‏




আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সূর্য উঠার পূর্বে ফজরের এক রাক’আত (ফরয নামায) পেল সে ফযরের নামায পেল। আর যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের এক রাক’আত পেল সেও আসরের নামায পেল।

সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(৬৭০, ৬৯৯), বুখারী ও মুসলিম।

এ অনুচ্ছেদে ‘আয়িশাহ্‌ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ, ইসহাক ও আমাদের সাথীরা এ হাদীসকে তাদের দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন। তাদের মতে হাদীসে অর্পিত এ সুবিধা শুধু তারাই পাবে যাদের অজুহাত রয়েছে। যেমন কেউ ঘুমিয়ে ছিল এবং এমন সময় জেগেছে যখন সূর্য উঠা বা ডুবার উপক্রম হয়েছে, অথবা নামাযের কথা ভুলে গেছে এবং ঐ সময়ে মনে পড়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وأخرجه البخاري (٥٥٦)، ومسلم (٦٠٨) وأبو داود (٤١٢)، وابن ماجه (٦٩٩) وبإثر الحديث (٧٠٠)، والنسائي ١/ ٢٥٧ و ٢٥٨، وهو في "المسند" (٧٢٨٤) و (٧٤٥٨)، و"صحيح ابن حبان" (١٥٥٧) و (١٥٨٣).









সুনান আত-তিরমিযী (187)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَمَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَبَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِالْمَدِينَةِ مِنْ غَيْرِ خَوْفٍ وَلاَ مَطَرٍ ‏.‏ قَالَ فَقِيلَ لاِبْنِ عَبَّاسٍ مَا أَرَادَ بِذَلِكَ قَالَ أَرَادَ أَنْ لاَ يُحْرِجَ أُمَّتَهُ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ قَدْ رُوِيَ عَنْهُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ رَوَاهُ جَابِرُ بْنُ زَيْدٍ وَسَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَقِيقٍ الْعُقَيْلِيُّ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم غَيْرُ هَذَا ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভয় অথবা বৃষ্টিজনিত কারণ ছাড়াই মাদীনাতে যুহর ও আসরের নামায একত্রে এবং মাগরিব ও ‘ইশার নামায একত্রে আদায় করেছেন। সা’ঈদ ইবনু যুবাইর বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হল, এরূপ করার পেছনে তাঁর (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) কি উদ্দেশ্য ছিল? তিনি বললেন, উম্মাতের অসুবিধা হ্রাস করাই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল।

সহীহ্‌। ইরওয়া-(১/৫৭৯), সহীহ্‌ আবূ দাঊদ-(১০৯৬), মুসলিম।

এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ইবনু ‘আব্বাসের হাদীসটি তাঁর নিকট হতে বিভিন্ন সনদে বর্ণিত হয়েছে। জাবির ইবনু যাইদ, সা’ঈদ ইবনু যুবাইর এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাকীকও এ হাদীসটি তাঁর নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। ইবনু ‘আব্বাসের সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ভিন্নরূপও বর্ণিত হয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وأخرجه أحمد (١٩٥٣) و (٣٣٢٣)، ومسلم (٧٠٥) (٥٤)، والنسائي ١/ ٢٩٠، وأبو داود (١٢١١). وأخرجه أحمد (٢٥٥٧)، ومسلم (٧٠٥) (٤٩) و (٥٠)، وأبو داود (١٢١٠)، والنسائي ١/ ٢٩٠. وقالوا في حديثهم جميعًا: "من غير خوفولا سفر" مكان: "من غير خوف ولا مطر". وقوله: "من غير خوف ولا مطر" قد بسطنا القول في هذا الحرف في تعليقنا على "المسند" عند الرواية رقم (١٩٥٣)، فانظره لزامًا.









সুনান আত-তিরমিযী (188)


حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ جَمَعَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ فَقَدْ أَتَى بَابًا مِنْ أَبْوَابِ الْكَبَائِرِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَنَشٌ هَذَا هُوَ أَبُو عَلِيٍّ الرَّحَبِيُّ وَهُوَ حُسَيْنُ بْنُ قَيْسٍ وَهُوَ ضَعِيفٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ أَحْمَدُ وَغَيْرُهُ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ لاَ يَجْمَعَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ إِلاَّ فِي السَّفَرِ أَوْ بِعَرَفَةَ ‏.‏ وَرَخَّصَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنَ التَّابِعِينَ فِي الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ لِلْمَرِيضِ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ يَجْمَعُ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ فِي الْمَطَرِ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَلَمْ يَرَ الشَّافِعِيُّ لِلْمَرِيضِ أَنْ يَجْمَعَ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন অজুহাত ছাড়াই যে ব্যক্তি দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় করে সে কাবীরা গুনাহের স্তরসমূহের মধ্যে একটি স্তরে পৌঁছে যায়।

খুবই দুর্বল। তা’লীকুর রাগীব (১/১৯৮), যঈফাহ্ (৪৫৮১)।

আবূ ‘ঈসা বলেন: হাদীস বিশারদদের বিচারে হানাশ, উপনাম আবূ ‘আলী আল-রাহবী, নাম হুসাইন ইবনু কাইস একজন দুর্বল রাবী। ইমাম আহমাদ ও অন্যরা তাঁকে দুর্বল মনে করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে সফর ও ‘আরাফাতের ময়দান ছাড়া দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় করা যাবে না। কিছু তাবিঈ রুগ্ন ব্যক্তিকে দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করার অনুমতি দিয়েছেন। আহমাদ ও ইসহাক এ মত গ্রহণ করেছেন। কিছু বিশেষজ্ঞ বৃষ্টির কারণে দুই নামায একত্রে আদায় করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছেন। শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাক ও অনুরূপ কথা বলেছেন। কিন্তু শাফিঈ রুগ্ন ব্যক্তিকে দুই নামায একত্রে আদায়ের অনুমতি দেননি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف جدا




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف جدًا، حنش ھو حسین بن قیس الواسطي وھو متروک، (تقریب: 1342)، (انوار الصحیفہ ص 194)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف جدًا من أجل حنش - وهو حسين بن قيس، أبو عليالرحبي - فهو متروك الحديث، وقد اتفقوا على تضعيفه. وأخرجه البزار (١٣٥٦ - كشف الأستار)، وأبو يعلى (٢٧٥١)، والطبراني في "الكبير" (١١٥٤٠)، وابن حبان في "المجروحين" ١/ ٢٤٣، والدارقطني ١/ ٣٩٥، والحاكم ١/ ٢٧٥، والبيهقي ٣/ ١٦٩ من طرق عن معتمر بن سليمان، بهذا الإسناد. وفي رواية البزار وأبي يعلى زيادة.









সুনান আত-তিরমিযী (189)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأُمَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ لَمَّا أَصْبَحْنَا أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ بِالرُّؤْيَا فَقَالَ ‏"‏ إِنَّ هَذِهِ لَرُؤْيَا حَقٍّ فَقُمْ مَعَ بِلاَلٍ فَإِنَّهُ أَنْدَى وَأَمَدُّ صَوْتًا مِنْكَ فَأَلْقِ عَلَيْهِ مَا قِيلَ لَكَ وَلْيُنَادِ بِذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَلَمَّا سَمِعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ نِدَاءَ بِلاَلٍ بِالصَّلاَةِ خَرَجَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَجُرُّ إِزَارَهُ وَهُوَ يَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَقَدْ رَأَيْتُ مِثْلَ الَّذِي قَالَ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَلِلَّهِ الْحَمْدُ فَذَلِكَ أَثْبَتُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ أَتَمَّ مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ وَأَطْوَلَ وَذَكَرَ فِيهِ قِصَّةَ الأَذَانِ مَثْنَى مَثْنَى وَالإِقَامَةِ مَرَّةً مَرَّةً ‏.‏ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ هُوَ ابْنُ عَبْدِ رَبِّهِ وَيُقَالُ ابْنُ عَبْدِ رَبٍّ وَلاَ نَعْرِفُ لَهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا يَصِحُّ إِلاَّ هَذَا الْحَدِيثَ الْوَاحِدَ فِي الأَذَانِ ‏.‏ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَاصِمٍ الْمَازِنِيُّ لَهُ أَحَادِيثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَمُّ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ ‏.‏




মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে তাঁর পিতার সূত্রে হতে বর্ণিত, তিনি (যাইদ) বলেন, যখন সকাল হল, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলাম। তাঁকে (আমার) স্বপ্নের কথা বললাম। তিনি বললেনঃ “এটা নিশ্চয়ই বাস্তব (সত্য) স্বপ্ন। তুমি বিলালের সাথে যাও, কেননা তার কণ্ঠস্বর তোমার চেয়ে উঁচু এবং লম্বা। তাঁকে বলে দাও যা তোমাকে বলা হয়েছে এবং এগুলো দিয়ে সে আযান দেবে।” যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন নামাযের জন্য বিলালের আযান শুনতে পেলেন, তখন তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি নিজের চাদর টানতে টানতে এবং এই বলতে বলতে আসলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য সহযোগে পাঠিয়েছেন! বিলাল যেমন বলেছে আমি তেমনই স্বপ্নে দেখেছি।’ রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এটা আরো প্রবল হল।

হাসান। ইবনু মাজাহ-(৭০৬)।

এ অনুচ্ছেদে ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। অপর এক সূত্রে এ হাদীসটি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা হয়েছে এবং তাতে আযানের শব্দ দুই দুই বার এবং ইকামাতের শব্দ এক একবার উল্লেখ রয়েছে। এই হাদীসটি ছাড়া আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু ‘আবদি রাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে আর কোন সহীহ হাদীস বর্ণনা হয়েছে বলে আমার জানা নেই।
আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু আসিম হতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (650)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن، فقد صرح محمد بن إسحاق بالتحديث عند ابن حبان وابن خزيمة. وأخرجه مطولًا ومختصرًا أحمد (١٦٤٧٨)، وأبو داود (٤٩٩)، وابن ماجه (٧٠٦)، وصححه ابن خزيمة (٣٧١) وابن حبان (١٦٧٩)، وغيرهما من الأئمة كالبخاري والنووي والذهبي. وقوله: "فإنه أندى صوتًا" أي: أرفع وأعلى، وقيل: أحسن وأعذب، وقيل: أبعد. "النهاية" ٥/ ٣٧.









সুনান আত-তিরমিযী (190)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ النَّضْرِ بْنِ أَبِي النَّضْرِ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ الْمُسْلِمُونَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ يَجْتَمِعُونَ فَيَتَحَيَّنُونَ الصَّلَوَاتِ وَلَيْسَ يُنَادِي بِهَا أَحَدٌ فَتَكَلَّمُوا يَوْمًا فِي ذَلِكَ فَقَالَ بَعْضُهُمُ اتَّخِذُوا نَاقُوسًا مِثْلَ نَاقُوسِ النَّصَارَى ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُهُمُ اتَّخِذُوا قَرْنًا مِثْلَ قَرْنِ الْيَهُودِ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَوَلاَ تَبْعَثُونَ رَجُلاً يُنَادِي بِالصَّلاَةِ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَا بِلاَلُ قُمْ فَنَادِ بِالصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏




ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুসলমানরা যখন হিজরাত করে মাদীনায় আসলেন, তখন তারা আন্দাজ করে নামাজের জন্য একটা সময় ঠিক করে নিতেন এবং সে অনুসারে সমবেত হতেন। নামাযের জন্য কেউ আহ্বান করত না। একদিন তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেন। কেউ কেউ প্রস্তাব করলেন, খৃষ্টানদের মত একটি ঘন্টা বাজানো হোক। আবার কতেকে বললেন, ইয়াহূদীদের মত শিংগা বাজানো হোক। রাবী বলেন, ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, নামাযের জন্য ডাকতে তোমরা কি একজন লোক পাঠাতে পার না?
রাবী বলেন, অতএব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বিলাল! ওঠো এবং নামাযের জন্য আহ্বান কর।

সহীহ্‌-বুখারী ও মুসলিম।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইবনু ‘উমার হতে গারীব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (٦٠٤)، ومسلم (٣٧٧)، وابن ماجه (٧٠٧)، والنسائي ٢/ ٢ - ٣، وهو في "المسند" (٦٣٥٧). وحديث ابن ماجه بنحوه، وفيه زيادة.









সুনান আত-তিরমিযী (191)


حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي وَجَدِّي، جَمِيعًا عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْعَدَهُ وَأَلْقَى عَلَيْهِ الأَذَانَ حَرْفًا حَرْفًا ‏.‏ قَالَ إِبْرَاهِيمُ مِثْلَ أَذَانِنَا ‏.‏ قَالَ بِشْرٌ فَقُلْتُ لَهُ أَعِدْ عَلَىَّ ‏.‏ فَوَصَفَ الأَذَانَ بِالتَّرْجِيعِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي مَحْذُورَةَ فِي الأَذَانِ حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏ وَعَلَيْهِ الْعَمَلُ بِمَكَّةَ وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ ‏.‏




আবূ মাহযুরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে নিজের নিকট বসিয়ে আযানের প্রতিটি হরফ এক এক করে শিখিয়েছেন। (অধস্তন রাবী) ইবরাহীম বলেন, আমাদের আযানের মত। বিশর বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আমার সামনে পুনঃপাঠ করুন। তিনি তারজী সহকারে তা বললেন।

সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(৭০৮)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবূ মাহযুরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর আযান সম্পর্কিত হাদীসটি সহীহ। এ হাদীসটি তাঁর নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। মক্কার পবিত্র ভূমিতে এ নিয়মেই আযান দেওয়া হয়। ইমাম শাফিঈ এ মতের সমর্থক।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، إسنادہ حسن وھو محفوظ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وقد أخرجه أحمد (١٥٣٧٩)، وأبو داود (٥٠٠) و (٥٠٤)، والنسائي ٢/ ٣. وانظر ما بعده. وقوله: "فوصف الأذان بالترجيع"، الترجيع: هو العود إلى الشهادتين مرتين برفع الصوت بعد قولهما مرتين بخفض الصوت، "شرح مسلم" للنووي ٤/ ٨١.









সুনান আত-তিরমিযী (192)


حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الأَحْوَلِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَّمَهُ الأَذَانَ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً وَالإِقَامَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو مَحْذُورَةَ اسْمُهُ سَمُرَةُ بْنُ مِعْيَرٍ ‏.‏ وَقَدْ ذَهَبَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِلَى هَذَا فِي الأَذَانِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ أَنَّهُ كَانَ يُفْرِدُ الإِقَامَةَ ‏.‏




আবূ মাহযুরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাঁকে ঊনিশ বাক্যে আযান এবং সতের বাক্যে ইক্বামাত শিক্ষা দিয়েছেন।

হাসান সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(৭০৯)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ মাহযুরা এর নাম সামুরা ইবনু মি’য়ার। কিছু মনীষী আযানের ব্যাপারে এ মত গ্রহণ করেছেন। অপর এক বর্ণনায়, আবূ মাহযুরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইক্বামাতের শব্দগুলো একবার করে বলতেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم، مشکوۃ المصابیح (644)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه مختصرًا ومطولًا أحمد (١٥٣٧٦ - ١٥٣٧٨) و (١٥٣٨٠) و (١٥٣٨١)، ومسلم (٣٧٩)، وأبو داود (٥٠١ - ٥٠٣) و (٥٠٥)، وابن ماجه (٧٠٨) و (٨٠٩)، والنسائي ٢/ ٤ - ٧ و ١٣ - ١٤ و ١٤، وابن حبان (١٦٨٠) و (١٦٨١). وانظر ما قبله.









সুনান আত-তিরমিযী (193)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، وَيَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ أُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ، الأَذَانَ وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكٌ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏




আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে আযানের শব্দগুলো দুইবার এবং ইক্বামাতের শব্দগুলো এক একবার বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(৭২৯-৭৩০)।

এ অনুচ্ছেদে ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কতক সাহাবা, তাবিঈন, ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মতের সমর্থক (ইক্বামাতের শব্দগুলো একবার করে বলতে হবে)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (٦٠٣)، ومسلم (٣٧٨)، وأبو داود (٥٠٨) و (٥٠٩)، وابن ماجه (٧٢٩) و (٧٣٠)، والنسائي ٢/ ٣، وهو في "المسند" (١٢٠٠١)، و"صحيح ابن حبان" (١٦٧٥) و (١٦٧٦) و (١٦٧٨).









সুনান আত-তিরমিযী (194)


حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ كَانَ أَذَانُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَفْعًا شَفْعًا فِي الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ رَوَاهُ وَكِيعٌ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ حَدَّثَنَا أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ رَأَى الأَذَانَ فِي الْمَنَامِ ‏.‏ وَقَالَ شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ رَأَى الأَذَانَ فِي الْمَنَامِ ‏.‏ وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى ‏.‏ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي لَيْلَى لَمْ يَسْمَعْ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ الأَذَانُ مَثْنَى مَثْنَى وَالإِقَامَةُ مَثْنَى مَثْنَى ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى ابْنُ أَبِي لَيْلَى هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى كَانَ قَاضِيَ الْكُوفَةِ وَلَمْ يَسْمَعْ مِنْ أَبِيهِ شَيْئًا إِلاَّ أَنَّهُ يَرْوِي عَنْ رَجُلٍ عَنْ أَبِيهِ ‏.‏




আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আযান ও ইকামাতের বাক্যগুলো জোড়ায় জোড়ায় ছিল (দুই দুইবার বলা হত)।

সনদ দুর্বল

আবূ ঈসা বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদের হাদীসটি ওয়াকী বর্ণনা করেছেন আ‘মাশ হতে তিনি আমর ইবনু মুররাহ হতে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা হতে, তিনি বলেছেন : মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাহাবাগণ বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রা:) আযান স্বপ্নে দেখেছেন। আর শুবা বর্ণনা করেছেন আমর ইবনু মুররাহ হতে তিনি আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা আব্দুল্লাহ ইবনু যায়িদ হতে যে, তিনি আযান স্বপ্নে দেখেছেন। প্রথম বর্ণনাটির চেয়ে পরবর্তী বর্ণনাগুলো বেশী সহীহ। আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ হতে হাদীস শুনেন নাই। কতক বিদ্বান বলেছেন, আযান ও ইকামাতের শব্দগুলো দুই দুইবার বলতে হবে। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও কুফাবাসীগণ এইমতেরই সমর্থক। আবূ ঈসা বলেন: ইবনু আবী লাইলা হলেন মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান ইবনু আবী লাইলা। তিনি কুফার কাজী ছিলেন। তিনি তার পিতার নিকট কোন হাদীস শুনেন নাই। তিনি এক লোকের বরাতে তার পিতা থেকে হাদীস বর্ণনা করেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف الإسناد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، محمد بن أبي لیلی ضعیف، وللحدیث شواہد کلھا ضعیفۃ ذکرت، بعضھا في نیل المقصود (508)، (انوار الصحیفہ ص 194، 195)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات غير محمد بن عبد الرحمن بن أبي ليلى، فهو سيئ الحفظ، لكنه قد توبع، وقد اختلف فيه على عبد الرحمن بن أبي ليلى اختلافًا كثيرًا كما بيناه في "مسند أحمد" عند حديث معاذ بن جبل رقم (٢٢٠٢٧) و (٢٢١٢٤)، وأشار المصنف إلى بعض هذا الاختلاف بإثر الحديث، وعبد الرحمن بن أبي ليلى لم يسمع عن عبد الله بن زيد كما قال المصنف وغيره. وأخرجه ابن أبي شيبة ١/ ٢٠٦، وابن خزيمة (٣٨٠)، والدارقطني ١/ ٢٤١ من طريق محمد بن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن عمرو بن مرة، بهذا الإسناد. وله طرق أخرى انظرها في "المسند" (٢٢٠٢٧) و (٢٢١٢٤)، وانظر الطريقين التاليين. وأخرجه أحمد مطولًا (١٦٤٧٨) من طريق محمد بن إسحاق، عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي، عن محمد بن عبد الله بن زيد بن عبد ربه، عن عبد الله بن زيد. لكن فيه إفراد الإقامة، وإسناده حسن، وقد سلف عند المصنف مختصرًا برقم (١٨٧).









সুনান আত-তিরমিযী (195)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمُنْعِمِ، هُوَ صَاحِبُ السِّقَاءِ قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ، وَعَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِبِلاَلٍ ‏ "‏ يَا بِلاَلُ إِذَا أَذَّنْتَ فَتَرَسَّلْ فِي أَذَانِكَ وَإِذَا أَقَمْتَ فَاحْدُرْ وَاجْعَلْ بَيْنَ أَذَانِكَ وَإِقَامَتِكَ قَدْرَ مَا يَفْرُغُ الآكِلُ مِنْ أَكْلِهِ وَالشَّارِبُ مِنْ شُرْبِهِ وَالْمُعْتَصِرُ إِذَا دَخَلَ لِقَضَاءِ حَاجَتِهِ وَلاَ تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي ‏"‏ ‏.‏




জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)–কে বললেনঃ হে বিলাল! যখন তুমি আযান দিবে, ধীরস্থিরভাবে ও দীর্ঘ স্বরে আযান দিবে এবং যখন ইকামাত দিবে তাড়াতাড়ি ও অনুচ্চস্বরে ইকামাত দিবে। তোমার আযান ও ইকামাতের মাঝখানে এতটুকু সময় ফুরসত দিবে যেন খাবার গ্রহণকারী তার খাবার হতে, পানকারী তার পান হতে এবং পেশাব-পায়খানারত ব্যক্তি তার পায়খানা-পেশাব হতে অবসর হতে পারে। তোমরা আমাকে না দেখা পর্যন্ত নামাযে দাঁড়াবে না।

খুবই দুর্বল। ইরওয়া (২২৮), হাদীসের বর্ণিত, তোমরা দাঁড়িওনা অংশটুকু সহীহ। যাহা ৫১২ নং হাদীসেরও অংশ।

-




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف جدا لكن قوله ولا تقوموا صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف جدًا، عبد المنعم صاحب السقاء: متروک، (تقریب: 4234)، وشیخہ یحیی بن مسلم البکاء : ضعیف، (تقریب: 7645)، وللحدیث شواہد ضعیفۃ عند، الحاکم (204/1) وغیرہ، (انوار الصحیفہ ص 195)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف جدًا، عبد المنعم بن نعيم البصري صاحب السقاء متروك الحديث، وشيخه يحيى بن مسلم البصري مجهول كما أشار إلى ذلك المصنف عقب الحديث. وأخرجه عبد بن حميد (١٠٠٨) من طريق يونس بن محمد، وابن عدي في "الكامل" ٧/ ٢٦٤٩، والبيهقي ١/ ٤٢٨ من طريق معلى بن مهدي، كلاهما عن عبد المنعم بن نعيم، عن يحيى بن مسلم، بهذا الإسناد. وأخرجه الحاكم ١/ ٢٠٤ من طريق علي بن حماد بن أبي طالب، عن عبد المنعم بن نعيم الرياحي، عن عمرو بن فائد الأسواري، عن يحيى بن مسلم، به. فأدخل بين عبد المنعم وبين يحيى عمرو بن فائد، وهو متفق على ضعفه أيضًا. وأخرجه البيهقي ١/ ٤٢٨ من طريق صبيح بن عمر السيرافي، عن الحسن بن عبيد الله، عن الحسن وعطاء، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله ﷺ لبلال، فذكر مثله إلى قوله: "لقضاء حاجته". قال البيهقي: إسناده ليس بالمعروف، والإسناد الأول أشهر من هذا. قلنا: وصبيح بن عمر هذا لا يعرف. وأخرج الدارقطني ١/ ٢٣٨ من طريق عمرو بن شمر، عن عمران بن مسلم، عن سويد بن غفلة، قال: سمعت علي بن أبي طالب يقول: كان رسول الله ﷺ يأمرنا أن نرتل الأذان ونحذف الإقامة. وعمرو بن شمر الجعفي متروك الحديث. وأخرج الطبراني في "الأوسط" (٥٠٢٦)، وأبو نعيم في "أخبار أصبهان" ٢/ ٢٧٠ من طريق وضاح بن يحيى، عن أبي معاوية، عن عمر بن بشير، عن عمران بن مسلم، عن سعيد بن علقمة، عن علي قال: كان رسول الله ﷺ يأمر بلالًا أن يرتل في الأذان، ويحدر في الإقامة. وهذا إسناد ضعيف جدًا، وضاح بن يحيى - وهو النهشلي الكوفي - ضعيف، وعمر بن بشير - وهو أبو هانئ الهمداني - ضعيف أيضًا، وسعيد بن علقمة، يغلب على الظن أنه حرف عن: سويد بن غفلة، ويؤيده إخراج الدارقطني له من هذا الوجه كما سلف آنفًا، وإن لم يكن كذلك، فلم نقف له على ترجمة. وقوله: "لا تقوموا حتى تروني" له شاهد من حديث أبي قتادة، سيأتي عند المصنف برقم (٥٩٨)، وهو في "الصحيحين". وقوله: "فترسل" أي: تأن، ولا تعجل. وقوله: "فاحدر" أي: أسرع وعجل في التلفظ بكلمات الإقامة. وقوله: "والمعتصر": هو من يؤذيه بول أو غائط، أي: يفرغ الذي يحتاج إلى الغائط، ويعصر بطنه وفرجه. انظر "تحفة الأحوذي" ١/ ٥٠٠ - ٥٠١.









সুনান আত-তিরমিযী (196)


حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمُنْعِمِ، نَحْوَهُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ وَهُوَ إِسْنَادٌ مَجْهُولٌ وَعَبْدُ الْمُنْعِمِ شَيْخٌ بَصْرِيٌّ ‏.‏




আবদ ইবনু হুমাইদ হতে বর্ণিত, আবদ ইবনু হুমাইদ বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইউনুস ইবনু মুহাম্মাদ হতে তিনি আব্দুল মুনয়িম হতে ...... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।

-দেখুন পূর্বের হাদীস



আবূ ঈসা বলেনঃ জাবিরের এই হাদীসটি এই সূত্র ব্যতীত অন্য কোন সূত্রে আমরা জানতে পারিনি। যা আব্দুল মুনয়িম কর্তৃক বর্ণিত। আর এই সনদ সূত্র অপরিচিত। আব্দুল মুনয়িম বাসরার অধিবাসী একজন রাবী।




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف جدًا، عبد المنعم صاحب السقاء: متروک، (تقریب: 4234)، وشیخہ یحیی بن مسلم البکاء : ضعیف، (تقریب: 7645)، وللحدیث شواہد ضعیفۃ عند، الحاکم (204/1) وغیرہ، (انوار الصحیفہ ص 195)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: ضعيف كسابقه.









সুনান আত-তিরমিযী (197)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ وَيَدُورُ وَيُتْبِعُ فَاهُ هَا هُنَا وَهَا هُنَا وَإِصْبَعَاهُ فِي أُذُنَيْهِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي قُبَّةٍ لَهُ حَمْرَاءَ أُرَاهُ قَالَ مِنْ أَدَمٍ فَخَرَجَ بِلاَلٌ بَيْنَ يَدَيْهِ بِالْعَنَزَةِ فَرَكَزَهَا بِالْبَطْحَاءِ فَصَلَّى إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ الْكَلْبُ وَالْحِمَارُ وَعَلَيْهِ حُلَّةٌ حَمْرَاءُ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى بَرِيقِ سَاقَيْهِ ‏.‏ قَالَ سُفْيَانُ نُرَاهُ حِبَرَةً ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي جُحَيْفَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَعَلَيْهِ الْعَمَلُ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَسْتَحِبُّونَ أَنْ يُدْخِلَ الْمُؤَذِّنُ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ فِي الأَذَانِ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ وَفِي الإِقَامَةِ أَيْضًا يُدْخِلُ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ الأَوْزَاعِيِّ ‏.‏ وَأَبُو جُحَيْفَةَ اسْمُهُ وَهْبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السُّوَائِيُّ ‏.‏




আওন ইবনু জুহাইফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে তাঁর পিতার সূত্রে হতে বর্ণিত, তিনি (আবূ জুহাইফা) বলেন, আমি বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে আযান দিতে দেখলাম এবং তাঁকে এদিক সেদিক ঘুরতে ও মুখ ঘুরাতে দেখলাম। তাঁর (দুই হাতের) দুই আঙ্গুল উভয় কানের মধ্যে ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রঙ্গীন তাঁবুর মধ্যে ছিলেন। (রাবী বলেন) আমার ধারণা, তিনি (আবূ জুহাইফা) বলেছেন, এটা চামড়ার তাঁবু ছিল। বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ছোট একটা বর্শা নিয়ে সামনে আসলেন এবং তা বাতহার শিলাময় যমিনে গেড়ে দিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটা সামনে রেখে নামায আদায় করলেন। তাঁর সামনে দিয়ে কুকুর এবং গাধা চলে যেত। তাঁর গায়ে লাল চাদর ছিল। আমি যেন তাঁর পায়ের গোছার উজ্জ্বলতা দেখতে পাচ্ছি। সুফিয়ান বলেন, আমার মনে হয় এটা ইয়ামানের তৈরী চাদর ছিল।

সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(৭১১)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ জুহাইফার হাদীসটি হাসান সহীহ। মণীষীগণ আযানের সময় মুয়াযযিনের কানে আঙ্গুল দেওয়া মুস্তাহাব বলেছেন। ইমাম আওযাঈ ইক্বামাতের সময়ও কানে আঙ্গুল দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। আবূ জুহাইফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নাম ওয়াহব ইবনু আব্দুল্লাহ আস্‌-সুয়াঈ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، المعجم الکبیر للطبرانی (22/ 101 ح 247، وسندہ حسن)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، إلا أن في قوله: "ويدور" اختلافًا بسطنا الكلام عليه في "المسند". وأخرجه أحمد (١٨٧٥٩)، والبخاري (٦٣٤)، ومسلم (٥٠٣)، وأبو داود (٥٢٠) و (٦٨٨)، وابن ماجه (٧١١)، والنسائي ١/ ٨٧ و ٢٣٥ و ٢/ ١٢ و ٧٣ و ٨/ ٢٢٠، وبعضهم يزيد فيه على بعض. وقوله: ورسول الله ﷺ في قبة، القبة من الخيام: بيت صغير مستدير، وهو من بيوت العرب. وقوله: من أدم، بفتحتين: جمع أديم، أي: جلد. وقوله: بالعنزة، بفتح العين والنون والزاي: عصًا أقصر من الرمح لها سنان، وقيل: هي الحربة القصيرة. وقوله: بالبطحاء: يعني بطحاء مكة، وهو موضع خارج مكة، وهو الذي يقال له: الأبطح. وقوله: الحلة: واحدة الحلل، وهي برود اليمن، ولا تسمى حلةإلا أن تكون ثوبين من جنس واحد. وقوله: نراه حبرة، بكسر المهملة وفتح الموحدة، أي: نظن أن الحلة الحمراء التي كانت عليه ﷺ لم تكن حمراء بحتًا، بل كانت حبرة، يعني كانت فيها خطوط، فإن الحبرة: هي ضرب من برود اليمن موشي مخطط، "شرح المباركفوري" ١/ ٥٠٣.









সুনান আত-তিরমিযী (198)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْرَائِيلَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ بِلاَلٍ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تُثَوِّبَنَّ فِي شَيْءٍ مِنَ الصَّلَوَاتِ إِلاَّ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ بِلاَلٍ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي إِسْرَائِيلَ الْمُلاَئِيِّ ‏.‏ وَأَبُو إِسْرَائِيلَ لَمْ يَسْمَعْ هَذَا الْحَدِيثَ مِنَ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ قَالَ إِنَّمَا رَوَاهُ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُمَارَةَ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ ‏.‏ وَأَبُو إِسْرَائِيلَ اسْمُهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ وَلَيْسَ هُوَ بِذَاكَ الْقَوِيِّ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ‏.‏ وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي تَفْسِيرِ التَّثْوِيبِ فَقَالَ بَعْضُهُمُ التَّثْوِيبُ أَنْ يَقُولَ فِي أَذَانِ الْفَجْرِ الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ وَهُوَ قَوْلُ ابْنِ الْمُبَارَكِ وَأَحْمَدَ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ فِي التَّثْوِيبِ غَيْرَ هَذَا قَالَ التَّثْوِيبُ الْمَكْرُوهُ هُوَ شَيْءٌ أَحْدَثَهُ النَّاسُ بَعْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ فَاسْتَبْطَأَ الْقَوْمَ قَالَ بَيْنَ الأَذَانِ وَالإِقَامَةِ قَدْ قَامَتِ الصَّلاَةُ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ ‏.‏ قَالَ وَهَذَا الَّذِي قَالَ إِسْحَاقُ هُوَ التَّثْوِيبُ الَّذِي قَدْ كَرِهَهُ أَهْلُ الْعِلْمِ وَالَّذِي أَحْدَثُوهُ بَعْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَالَّذِي فَسَّرَ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَأَحْمَدُ أَنَّ التَّثْوِيبَ أَنْ يَقُولَ الْمُؤَذِّنُ فِي أَذَانِ الْفَجْرِ الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ وَهُوَ قَوْلٌ صَحِيحٌ وَيُقَالُ لَهُ التَّثْوِيبُ أَيْضًا وَهُوَ الَّذِي اخْتَارَهُ أَهْلُ الْعِلْمِ وَرَأَوْهُ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ دَخَلْتُ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ مَسْجِدًا وَقَدْ أُذِّنَ فِيهِ وَنَحْنُ نُرِيدُ أَنْ نُصَلِّيَ فِيهِ فَثَوَّبَ الْمُؤَذِّنُ فَخَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ مِنَ الْمَسْجِدِ وَقَالَ اخْرُجْ بِنَا مِنْ عِنْدِ هَذَا الْمُبْتَدِعِ ‏.‏ وَلَمْ يُصَلِّ فِيهِ ‏.‏ قَالَ وَإِنَّمَا كَرِهَ عَبْدُ اللَّهِ التَّثْوِيبَ الَّذِي أَحْدَثَهُ النَّاسُ بَعْدُ ‏.‏




বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ ফযরের নামায ছাড়া অন্য কোন নামাযে ‘তাসবীব’ করো না।

যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭১৫)।

এ অনুচ্ছেদ আবূ মাহযুরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও আছে। আবূ ঈসা বলেন, আমরা শুধু আবূ ইসরাঈলের সূত্রে বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসটি জানতে পেরেছি। অথচ আবূ ইসরাঈল হাকামের নিকট এ হাদীসটি কখনও শুনেননি। বরং তিনি হাসান ইবনু উমারার মাধ্যমে হাকামের নিকট হতে এ হাদীসটি সংগ্রহ করেছেন। আবূ ইসরাঈলের নাম ইসমাঈল ইবনু আবূ ইসহাক। তিনি হাদীস বিশারদদের মতে নির্ভরযোগ্য রাবী নন।
তাসবীব শব্দের ব্যাখ্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মাঝে মত পার্থক্য আছে। ইবনুল মুবারাক ও আহমাদের মতে, ফযরের আযানের ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান্‌ নাওম’ বাক্যটিকে তাসবীব বলা হয়। ইসহাকের মতে, আযানের পর যদি লোকেরা আসতে দেরি করে তবে আযান ও ইকামাতের মাঝখানে ‘ক্বাদ কামাতিস্‌ সালাহ, হাইয়া ‘আলাস সালাহ ও হাইয়া ‘আলাল ফালাহ’ বলে লোকদের ডাকার নাম হল তাসবীব। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যুর পর লোকেরা এটা নতুনভাবে চালু করেছে বিধায় ইসহাকের উল্লেখিত এ তাসবীবকে ‘আলিমগণ মাকরূহ বলেছেন।
ইবনুল মুবারাক ও আহমাদ তাসবীবের (উপরের উল্লেখিত) যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেটাই নির্ভুল এবং সহীহ। ফজরের আযানে এ তাসবীব করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে একেই তাসবীব বলা হয়। আর ‘আলিমগণ এ তাসবীবকেই পছন্দ করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত আছে, তিনি ভোরের নামাযের সময় ‘আস্‌-সালাতু খাইরুম মিনান্‌ নাওম’ বলে (লোকদের) ডাকতেন। মুজাহিদ হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে কোন এক মাসজিদে গেলাম। সেখানে আগেই আযান হয়ে গেছে। আমরা নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিলাম, এমন সময় মুয়াযযিন তাসবীব শুরু করে দিল। তা শুনা মাত্রই ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এ বলতে বলতে মাসজিদ হতে বের হয়ে আসলেনঃ “এ বিদ‘আতীর কাছ থেকে চলে আস।” তিনি সেখানে নামায আদায় করলেন না। পরবর্তী সময়ে লোকেরা যে তাসবীব আবিস্কার করেছে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এটাকে খুবই মন্দ জানতেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابن ماجہ (715)، أبو إسرائیل الملائي: إسماعیل بن، خلیفۃ ضعیف ضعفہ الجمہور من جھۃ حفظہ (تحفۃ الأقویاء في تحقیق، کتاب الضعفاء للبخاري: 16)، (انوار الصحیفہ ص 195)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح بطرقه وشواهده، أبو إسرائيل - وهو إسماعيل بن خليفة - فيه ضعف، لكن يعتبر به في المتابعات والشواهد، وأخرجه أحمد (٢٣٩١٢)، وابن ماجه (٧١٥). ويشهد له حديث أبي محذورة الذي سيشير إليه المصنف في أحاديث الباب.









সুনান আত-তিরমিযী (199)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، وَيَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادِ بْنِ أَنْعُمٍ الإِفْرِيقِيِّ، عَنْ زِيَادِ بْنِ نُعَيْمٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ زِيَادِ بْنِ الْحَارِثِ الصُّدَائِيِّ، قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أُؤَذِّنَ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ فَأَذَّنْتُ فَأَرَادَ بِلاَلٌ أَنْ يُقِيمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ أَخَا صُدَاءٍ قَدْ أَذَّنَ وَمَنْ أَذَّنَ فَهُوَ يُقِيمُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ زِيَادٍ إِنَّمَا نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ الإِفْرِيقِيِّ وَالإِفْرِيقِيُّ هُوَ ضَعِيفٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ وَغَيْرُهُ قَالَ أَحْمَدُ لاَ أَكْتُبُ حَدِيثَ الإِفْرِيقِيِّ ‏.‏ قَالَ وَرَأَيْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ يُقَوِّي أَمْرَهُ وَيَقُولُ هُوَ مُقَارِبُ الْحَدِيثِ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ مَنْ أَذَّنَ فَهُوَ يُقِيمُ ‏.‏




যিয়াদ ইবনু হারিস আস-সুদাঈ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ফজরের নামাযের আযান দিতে বললেন। আমি আযান দিলাম। বিলাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইকামাত দিতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “সুদাঈ আযান দিয়েছে, আর যে আযান দিবে ইকামাতও সে-ই দিবে”।

যঈফ, ইবনু মাজাহ (৭১৭)।

এ অনুচ্ছেদে ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে,

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ যিয়াদের হাদীসটি আমরা ইফরিকীর হাদীসের মাধ্যমেই জানতে পারি। অথচ ইফরিকী হাদীস বিশারদদের মতে দুর্বল রাবী। ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু সাঈদ ও অন্যরা তাঁকে দুর্বল মনে করেছেন। আহমাদ বলেছেন, আমি ইফরিকীর হাদীস লিখি না।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমা‘ঈলকে দেখেছি তিনি তাঁকে মজবুত রাবী বলে সমর্থন করেছেন এবং তিনি বলেছেন, ইফরিকী একজন প্রিয়ভাজন রাবী। বেশিরভাগ ‘আলিমদের মত হল, যে আযান দিবে সে-ই ইকামাত দিবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابو داود (514) ابن ماجہ (717)، الإ فریقي ضعیف، (انوار الصحیفہ ص 195)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن زياد بن أنعم الإفريقي، وأخرجه أحمد (١٧٥٣٧)، وأبو داود (٥١٤)، وابن ماجه (٧١٧). وله شواهد ضعيفة انظرها في "المسند".









সুনান আত-তিরমিযী (200)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى الصَّدَفِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يُؤَذِّنُ إِلاَّ مُتَوَضِّئٌ ‏"‏ ‏.‏




আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিনা ওযূতে কেউ যেন আযান না দেয়।

যঈফ, ইরওয়া (২২২)

-




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، قال البیہقي فی السنن الکبری (397/1):، ’’ھکذا رواہ معاویۃ بن یحیی الصدفي وھو ضعیف‘‘ وقال الھیثمي: وأحادیثہ عن، الزھري مستقیمۃ کما قال البخاري و ھذا منھا وضعفہ الجمھور (مجمع الزوائد، 2/ 84)، قلت: انظر الکامل لابن عدي، (2395/6،والنسخۃ الأخری 138/8) فیہ الجنیدي وھو محمد بن عبد اللّٰہ بن الجنید:، ذکرہ ابن حبان فی الثقات (155/9۔156) یعني فیما روی عنہ ھقل بن زیاد،انظر، التاریخ الکبیر للبخاري (336/7) و الضعفاء الکبیر للعقیلي (182/4۔183) و، في قول البخاري نظر۔، (انوار الصحیفہ ص 195)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لضعف معاوية بن يحى الصدفي، ولانقطاعه، فإن الزهري لم يسمع من أبي هريرة كما ذكر المصنف عقب الحديث، ثم إن معاوية على ضعفه قد خولف في رفعه كما نبه على ذلك المصنف بعد، فرواه غيره من الثقات عن الزهري، عن أبي هريرة موقوفًا، وهو أصح. وأخرجه البيهقي ١/ ٣٩٧ من طريق هشام بن عمار، عن الوليد بن مسلم، عن معاوية بن يحيى، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة. فأدخل سعيد بن المسيب بين الزهري وبين أبي هريرة، ومعاوية ضعيف كما ذكرنا، وهذا خطأ آخر منه. وأخرجه البيهقي ١/ ٣٩٧ من طريق عبد الجبار بن وائل بن حجر، عن أبيه قال: حق وسنة مسنونة أن لا يؤذن إلا وهو طاهر، ولا يؤذن إلا وهو قائم. قلنا: وهذا منقطع، عبد الجبار بن وائل لم يسمع من أبيه فيما قاله غير واحد من أهل العلم. وانظر ما بعده.