হাদীস বিএন


সুনান আত-তিরমিযী





সুনান আত-তিরমিযী (21)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، مَرْدَوَيْهِ قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَبُولَ الرَّجُلُ فِي مُسْتَحَمِّهِ ‏.‏ وَقَالَ ‏ "‏ إِنَّ عَامَّةَ الْوَسْوَاسِ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَيُقَالُ لَهُ أَشْعَثُ الأَعْمَى ‏.‏ وَقَدْ كَرِهَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ الْبَوْلَ فِي الْمُغْتَسَلِ وَقَالُوا عَامَّةُ الْوَسْوَاسِ مِنْهُ ‏.‏ وَرَخَّصَ فِيهِ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْهُمُ ابْنُ سِيرِينَ وَقِيلَ لَهُ إِنَّهُ يُقَالُ إِنَّ عَامَّةَ الْوَسْوَاسِ مِنْهُ فَقَالَ رَبُّنَا اللَّهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ قَدْ وُسِّعَ فِي الْبَوْلِ فِي الْمُغْتَسَلِ إِذَا جَرَى فِيهِ الْمَاءُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدَّثَنَا بِذَلِكَ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الآمُلِيُّ عَنْ حِبَّانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ ‏.‏




‘আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিকে নিজের গোসলখানায় পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ (মানুষের মনে) বেশিরভাগ ওয়াসওয়াসা তা হতেই সৃষ্টি হয়।

প্রথম অংশ সহীহ, দ্বিতীয় অংশ যঈফ। ইবনু মাজাহ- (৩০৪)।

এ অনুচ্ছেদে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবূ ‘ঈসা বলেন, এটা গারীব হাদীস। শুধু আশ‘আস ইবনু আবদিল্লাহ এটাকে সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস বলে বর্ণনা করেছেন এবং তাকে অন্ধ আশ‘আস বলা হয়। এক দল মনীষী গোসলখানায় পেশাব করা মাকরূহ বলেছেন। তাদের মতে, এর দ্বারা মানুষের সন্দেহপ্রবণতা সৃষ্টি হয়। অপর দলের মতে, তার অনুমতি আছে। এদরে মধ্যে ইবুন সীরীন অন্যতম। কেউ তাঁকে প্রশ্ন করল, লোকেরা বলাবলি করছে, ‘বেশিভাগ সন্দেহপ্রবণতা এখান হতেই সৃষ্টি হয়’ এটা কেমন করে? তিনি উত্তরে বলেছেনঃ আল্লাহ আমাদের প্রভু, তাঁর কোন শারীক নেই। ইবনুল মুবারাকের মতে, যদি গোসলখানার পানি গড়িয়ে যায় তাহলে সেখানে পেশাব করার অনুমতি আছে।


আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আহমাদ ইবনু ‘আবদাহ আল-আমুলী হিব্বান হতে, তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح إلا الشطر الثاني منه




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابو داود (27) نسائي (36) ابن ماجہ، (304)، الحسن البصري مدلس وعنعن، (انوار الصحیفہ ص 189)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات، إلا أن الحسن - وهو البصري - مدلَّس، ولم يصرَّح بسماعه من عبد الله بن مغفَّل، وشطر حديثه الأول، وهو النهي عن بول الرجل في مستحمِّه، صحيح مرفوعًا من غير هذا الطريق، وأما الشطر الثاني فهو صحيح موقوفًا. وأما حديث معمر عن أشعث، فقد أخرجه أبو داود (٢٧)، وابن ماجه (٣٠٤)، والنسائي ١/ ٣٤. وهو في "المسند" (٢٠٥٦٣)، و"صحيح ابن حبان" (١٢٥٥).









সুনান আত-তিরমিযী (22)


حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَحَدِيثُ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كِلاَهُمَا عِنْدِي صَحِيحٌ لأَنَّهُ قَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا الْحَدِيثُ ‏.‏ وَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ إِنَّمَا صَحَّ لأَنَّهُ قَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏ وَأَمَّا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ فَزَعَمَ أَنَّ حَدِيثَ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ أَصَحُّ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ وَعَلِيٍّ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَحُذَيْفَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ وَأَنَسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَابْنِ عُمَرَ وَأُمِّ حَبِيبَةَ وَأَبِي أُمَامَةَ وَأَبِي أَيُّوبَ وَتَمَّامِ بْنِ عَبَّاسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْظَلَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَوَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ وَأَبِي مُوسَى ‏.‏




আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টদায়ক হবে মনে না করলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।

সহীহ। ইবনু মাজাহ- (২৮৭), বুখারী ও মুসলিম।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক, তিনি মুহাম্মদ ইবনু ইবরাহীম হতে তিনি আবূ সালামহ, হতে তিনি যাইদ ইবনু খালিদ হতে তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন।


আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবূ হুরাইরা ও যাইদ ইবনু খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট হতে আবূ সালাম হতে বর্ণিত উভয় হাদীসই সহীহ। কেননা এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। মতে যাইদ ইবনু খালিদের নিকট হতে আবূ সালাম হতে বর্ণিত হাদীসটি বেশি সহীহ। এ অনুচ্ছেদে আবূ বাকার সিদ্দীক, ‘আলী, ‘আয়িশাহ্‌, ইবনু ‘আব্বাস, হুযাইফা, যায়িদ ইবনু খালিদ, আনাস, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর, উম্মি হাবীবা, ইবনু উমার, আবূ উমামা, আবূ আইয়ূব, তাম্মাম ইবনু ‘আব্বাস, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা, উম্মি সালামা, ওয়াসিলা ও আবূ মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح، وأخرجه البخاري (٨٨٧)، ومسلم (٢٥٢)، وأبو داود (٤٦) و (٤٧)، وابن ماجه (٢٨٧)، والنسائي ١/ ١٢ و ٢٦٦ - ٢٦٧. وهو في "المسند" (٧٨٥٣)، و"صحيح ابن حبان" (١٠٦٨).









সুনান আত-তিরমিযী (23)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ وَلأَخَّرْتُ صَلاَةَ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَكَانَ زَيْدُ بْنُ خَالِدٍ يَشْهَدُ الصَّلَوَاتِ فِي الْمَسْجِدِ وَسِوَاكُهُ عَلَى أُذُنِهِ مَوْضِعَ الْقَلَمِ مِنْ أُذُنِ الْكَاتِبِ لاَ يَقُومُ إِلَى الصَّلاَةِ إِلاَّ اسْتَنَّ ثُمَّ رَدَّهُ إِلَى مَوْضِعِهِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏




যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টদায়ক হবে মনে না করলে তাদেরকে সকল নামাযের সময় দাঁত মাজার নির্দেশ দিতাম এবং এশার নামাযের জামা’আত এক-তৃতীয়াংশ রাত পর্যন্ত দেরি করতাম।
অধঃস্তন রাবী আবূ সালামা বলেন, যাইদ ইবনু খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নামাযে আসতেন আর তাঁর কানের গোড়ার ঠিক সেখানে মিসওয়াক থাকত যেখানে লেখকের কলম থাকে। যখনই তিনি নামাযে দাঁড়াতেন মিসওয়াক করতেন, অতঃপর তা আবার সেখানে রাখতেন।

সহীহ। সহীহ্‌ আবু দাঊদ- (৩৭)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابو داود (47)، محمد بن إسحاق مدلس وعنعن، (انوار الصحیفہ ص 189)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح، وهذا إسناد ضعيف، فيه عنعنة محمد بن إسحاق وهو مدلس، وأخرجه أبو داود (٤٧)، والنسائي في "الكبرى" (٣٠٤١). وهو في "المسند" (١٧٠٣٢). وأخرجه أحمد (١٧٠٤٨) من طريق آخر صحيح، وله شاهد بإسناد صحيح من حديث أبي هريرة عند أحمد برقم (٧٣٣٩).









সুনান আত-তিরমিযী (24)


حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، أَحْمَدُ بْنُ بَكَّارٍ الدِّمَشْقِيُّ - يُقَالُ هُوَ مِنْ وَلَدِ بُسْرِ بْنِ أَرْطَاةَ صَاحِبِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ الأَوْزَاعِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَلاَ يُدْخِلْ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ حَتَّى يُفْرِغَ عَلَيْهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا فَإِنَّهُ لاَ يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَجَابِرٍ وَعَائِشَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ الشَّافِعِيُّ وَأُحِبُّ لِكُلِّ مَنِ اسْتَيْقَظَ مِنَ النَّوْمِ قَائِلَةً كَانَتْ أَوْ غَيْرَهَا أَنْ لاَ يُدْخِلَ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ حَتَّى يَغْسِلَهَا فَإِنْ أَدْخَلَ يَدَهُ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا كَرِهْتُ ذَلِكَ لَهُ وَلَمْ يُفْسِدْ ذَلِكَ الْمَاءَ إِذَا لَمْ يَكُنْ عَلَى يَدِهِ نَجَاسَةٌ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ إِذَا اسْتَيْقَظَ مِنَ النَّوْمِ مِنَ اللَّيْلِ فَأَدْخَلَ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا فَأَعْجَبُ إِلَىَّ أَنْ يُهَرِيقَ الْمَاءَ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ إِذَا اسْتَيْقَظَ مِنَ النَّوْمِ بِاللَّيْلِ أَوْ بِالنَّهَارِ فَلاَ يُدْخِلْ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ‏.‏




আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ রাতের ঘুম হতে জেগে তার হাত দুই অথবা তিনবার না ধোয়া পর্যন্ত যেন তা পানির পাত্রে প্রবেশ না করায়। কেননা তার জানা নেই, রাতে তার হাত কোথায় ছিলো (ঘুমে থাকাবস্থায় লজ্জাস্থানে যেতে পারে)।

সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৩৯৩), বুখারী ও মুসলিম, বুখারীতে সংখ্যার উল্লেখ নেই।

এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, জাবির ও ‘আয়িশাহ্‌ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসও রয়েছে। আবূ ‘ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম শাফিঈ বলেন, দিনে অথবা রাতে ঘুম থেকে জেগে হাত না ধুয়ে তা ওযূর পানিতে ঢুকানোটা আমি মাকরূহ মনে করি। অবশ্য হাতে নাপাক না থাকা অবস্থায় যদি পাত্রে হাত ঢুকায় তবে পানি নাপাক হবে না। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেন, যদি কেউ রাতের ঘুম থেকে জেগে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে ঢুকায় তাহলে এ পানি ফেলে দিতে হবে। ইমাম ইসহাক বলেন, কেউ যে রাতে অথবা দিনে ঘুম থেকে জেগে হাত ধোয়ার পূর্বে তা পানির পাত্রে না ঢুকায়।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح، وأخرجه البخاري (١٦٢)، ومسلم (٢٧٨)، وأبو داود (١٠٣ - ١٠٥) والنسائي ١/ ٦ - ٧ و ٩٩ و ٢١٥. وهو في "المسند" (٧٢٨٢)، و"صحيح ابن حبان" (١٠٦٢).









সুনান আত-তিরমিযী (25)


حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَبِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَقَدِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ، عَنْ أَبِي ثِفَالٍ الْمُرِّيِّ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ حُوَيْطِبٍ، عَنْ جَدَّتِهِ، عَنْ أَبِيهَا، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَأَبِي سَعِيدٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَأَنَسٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ لاَ أَعْلَمُ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثًا لَهُ إِسْنَادٌ جَيِّدٌ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ إِنْ تَرَكَ التَّسْمِيَةَ عَامِدًا أَعَادَ الْوُضُوءَ وَإِنْ كَانَ نَاسِيًا أَوْ مُتَأَوِّلاً أَجْزَأَهُ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَحْسَنُ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثُ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَبَاحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ جَدَّتِهِ عَنْ أَبِيهَا ‏.‏ وَأَبُوهَا سَعِيدُ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ ‏.‏ وَأَبُو ثِفَالٍ الْمُرِّيُّ اسْمُهُ ثُمَامَةُ بْنُ حُصَيْنٍ ‏.‏ وَرَبَاحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ هُوَ أَبُو بَكْرِ بْنُ حُوَيْطِبٍ ‏.‏ مِنْهُمْ مَنْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حُوَيْطِبٍ فَنَسَبَهُ إِلَى جَدِّهِ ‏.‏




রাবাহ ইবনু ‘আবদির রহমান ইবনি আবী সুফিয়ান ইবনি হুআইত্বিব হতে তাঁর দাদী হতে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতার (সাঈদ ইবনু যায়িদ) সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (সাঈদ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি ওযূর শুরুতে বিলমিল্লাহ বলেনি তার ওযূ হয়নি।

হাসান। ইবনু মাজাহ- (৩৯৯)।

এ অনুচ্ছেদে ‘আয়িশাহ্‌, আবূ হুরাইরা, আবূ সা‘ঈদ খুদরী, সাহল ইবনু সাদ ও আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেছেন, এ অনুচ্ছেদে এমন কোন হাদীস আমার জানা নেই যার সনদ শক্তিশালী। ইসহাক বলেন, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বিসমিল্লাহ না বলে তবে আবার ওযূ করতে হবে। আর যদি ভুলে অথবা হাদীসের ভিন্ন ব্যাখ্যা করে বিসমিল্লাহ না বলে তাহলে প্রথম ওযূই যথেষ্ট। মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেন, এ অনুচ্ছেদে রাবাহ ইবনু ‘আবদির রহমানের বর্ণিত হাদীস সবচেয়ে উত্তম।


আবূ ‘ঈসা বলেনঃ রাবাহ ইবনু আব্দির রহমান তার দাদী হতে, তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, তার পিতার নাম সা‘ঈদ ইবনু যাইদ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফাইল। আবূ সিফাল মুররী এর নাম সুমামাহ ইবনু হুসাইন। আর রাহবাহ বিনু আব্দির রহমান হলেন আবূ বাকার ইবনু হুআইত্বিব। কেউ কেউ এই হাদীস বর্ণনা করতে যেয়ে বলেছেন, আবূ বাকার ইবুন হুআইত্বিব হতে অর্থাৎ হাদীসটির সম্পর্ক তার দাদার সাথে জুড়ে দিয়েছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (402) ولہ شاھد حسن عند ابن ماجہ (397)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف، أبو ثِفال - واسمه ثمامة بن وائل بن حصين، ونسبه الترمذي إلى جده - روى عنه جمع، وذكره ابنُ حبان في "الثقات" ٨/ ١٥٧ - ١٥٨، وقال البخاري: في حديثه نظر، قال الحافظ: وهذه عادته فيمن يُضعِّفه، ورباح مجهول، وجدته - واسمها أسماء بنت سعيد - ذُكرت في الصّحابة، ولم يثبت لها صحبة. وأخرجه ابن ماجه (٣٩٨)، وهو في "المسند" (١٦٦٥١) و (١٦٦٥٢).









সুনান আত-তিরমিযী (26)


حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عِيَاضٍ، عَنْ أَبِي ثِفَالٍ الْمُرِّيِّ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ حُوَيْطِبٍ، عَنْ جَدَّتِهِ بِنْتِ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِيهَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏




বর্ণনাকারী হতে বর্ণিত, পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।

-




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: هذا الحديث أثبتناه من هامش (أ)، وهو ثابت كذلك في بعض الأصول الخطبة التي اعتمدها الشيخ أحمد شاكر في طبعته، ولم يرد في سائر أصولنا الخطية، ولا في النسخة التي اعتمدها المباركفوري في شرحه، ولم يذكره المزي في "تحفة الأشراف" ٤/ ١٤.









সুনান আত-তিরমিযী (27)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، وَجَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا تَوَضَّأْتَ فَانْتَثِرْ وَإِذَا اسْتَجْمَرْتَ فَأَوْتِرْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُثْمَانَ وَلَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَالْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِيكَرِبَ وَوَائِلِ بْنِ حُجْرٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَلَمَةَ بْنِ قَيْسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِيمَنْ تَرَكَ الْمَضْمَضَةَ وَالاِسْتِنْشَاقَ فَقَالَتْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ إِذَا تَرَكَهُمَا فِي الْوُضُوءِ حَتَّى صَلَّى أَعَادَ الصَّلاَةَ وَرَأَوْا ذَلِكَ فِي الْوُضُوءِ وَالْجَنَابَةِ سَوَاءً ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ ابْنُ أَبِي لَيْلَى وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ الاِسْتِنْشَاقُ أَوْكَدُ مِنَ الْمَضْمَضَةِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَالَتْ طَائِفَةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ يُعِيدُ فِي الْجَنَابَةِ وَلاَ يُعِيدُ فِي الْوُضُوءِ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَبَعْضِ أَهْلِ الْكُوفَةِ ‏.‏ وَقَالَتْ طَائِفَةٌ لاَ يُعِيدُ فِي الْوُضُوءِ وَلاَ فِي الْجَنَابَةِ لأَنَّهُمَا سُنَّةٌ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلاَ تَجِبُ الإِعَادَةُ عَلَى مَنْ تَرَكَهُمَا فِي الْوُضُوءِ وَلاَ فِي الْجَنَابَةِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ مَالِكٍ وَالشَّافِعِيِّ فِي آخِرَةٍ ‏.‏




সালামা ইবনু ক্বাইস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি ওযূ কর নাকে পানি দিয়ে ঝেড়ে ফেল এবং যখন (পায়খানায়) ঢিলা ব্যবহার কর বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার কর।

সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৪০৬)।

এ অনুচ্ছেদে উসমান, লাকীত ইবনু সাবিরাহ, ইবনু ‘আব্বাস, মিকদাম ইবনু মাদিকারিব, ওয়াইল ইবনু হুজর ও আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ সালামা ইবুন কাইসের হাদীস হাসান সহীহ।
যে ব্যক্তি কুলি করেনি ও নাকে পানি দেয়নি তার ওযূর পূর্ণতা সম্পর্কে মনীষীদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাদের মধ্যে এক দলের বক্তব্য হল, যে ব্যক্তি ওযূর সময় কুলি করেনি ও নাকে পানি দেয়নি এ অবস্থায় সে নামায আদায় করলে তাকে দ্বিতীয়বার তা আদায় করতে হবে। তাঁরা ওযূ এবং (ওয়াযিব) গোসলের সময় কুলি করা ও নাকে পানি দেয়া অত্যাবশ্যকীয় মনে করেছেন। এ দলে রয়েছেন ইবনু আবী লাইলা, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল ও ইসহাক। ইমাম আহমাদ আরো বলেছেন, নাক পরিষ্কার করা কুলি করার চেয়ে বেশি জরুরী।


আবূ ‘ঈসা বলেনঃ অন্য এক দল বলেছেন, যদি নাপাকির গোসলে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া না হয় তবে আবার নামায আদায় করতে হবে; আর যদি ওযূর সময় এটা ছাড়া হয় তাহলে নতুন করে নামায আদায় করতে হবে না। এটা সুফিয়ান সাওরী ও কুফার কিছু লোকের (ইমাম আবূ হানীফা ও তাঁর মতানুসারী) বক্তব্য। অপর এক দলের মতে, গোসল অথবা ওযূর সময় এ দুটি কাজ বাদ দিলে নামায নতুন করে আদায় করতে হবে না। কেননা এটা নাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত। অতএব কেউ যদি ফরয গোসরে বা ওযূর সময় কুলি না করে এবং নাকে পানি না দেয় আর এই ওযূ দিয়ে নামায আদায় করে নেয় তাহলে পুনরায় নামায আদায় করতে হবে না। ইমাম মালিক ও শাফিঈ সর্বশেষ এই অভিমত প্রকাশ করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح، وأخرجه ابن ماجه (٤٠٦)، والنسائي ١/ ٤١ و ٦٧. وهو في "المسند" (١٨٨١٧)، و"صحيح ابن حبان" (١٤٣٦).









সুনান আত-তিরমিযী (28)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ مِنْ كَفٍّ وَاحِدٍ فَعَلَ ذَلِكَ ثَلاَثًا ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى مَالِكٌ وَابْنُ عُيَيْنَةَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى وَلَمْ يَذْكُرُوا هَذَا الْحَرْفَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ مِنْ كَفٍّ وَاحِدٍ ‏.‏ وَإِنَّمَا ذَكَرَهُ خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَخَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ثِقَةٌ حَافِظٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ الْمَضْمَضَةُ وَالاِسْتِنْشَاقُ مِنْ كَفٍّ وَاحِدٍ يُجْزِئُ وَقَالَ بَعْضُهُمْ تَفْرِيقُهُمَا أَحَبُّ إِلَيْنَا ‏.‏ وَقَالَ الشَّافِعِيُّ إِنْ جَمَعَهُمَا فِي كَفٍّ وَاحِدٍ فَهُوَ جَائِزٌ وَإِنْ فَرَّقَهُمَا فَهُوَ أَحَبُّ إِلَيْنَا ‏.‏




‘আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হত হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে এক আঁজলা পানি দিয়ে কুলি করতে ও নাক পরিষ্কার করতে দেখেছি। তিনি তিনবার এরকম করেছেন।

সহীহ। সহীহ্‌ আবূ দাঊদ-(১১০), বুখারী ও মুসলিম।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদ আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু যাইদের সূত্রে বর্ণিত হাদীস হাসান এবং গারীব। মালিক, ইবনু উআইনা ও অন্যরাও ‘আমর ইবনু ইয়াহইয়ার সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আঁজলা পনি দিয়ে কুলি করেছেন ও নাকে দিয়েছেন এ কথা উল্লেখ করেননি। খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহই একথা বর্ণনা করেছেন। হাদীস রিজালশাস্ত্র বিচারে তিনি সিকাহ রাবী এবং হাফিয।
কিছু বিদ্বান বলেছেন, এক আঁজলা পানির কিছুটা দিয়ে কুলি করলে ও কিছুটা নাকে দিলে তাতে যথেষ্ট হবে। কেউ কেউ বলেছেন, মুখে এবং নাকে দেওয়ার জন্য পৃথকভাবে পানি নেয়াই উত্তম। ইমাম শাফিঊ বলেছেন, যদিও এক আঁজলা পানি দিয়ে উভয় কাজ করা জায়িয তবুও আমার মতে মুখ ও নাকের জন্য পৃথকভাবে পানি লওয়াই উত্তম।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ، مشکوۃ المصابیح (412)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: (1) صحيح، وأخرجه البخاري (١٩١)، ومسلم (٢٣٥)، وأبو داود (١١٩)، وابن ماجه (٤٠٥). وهو في "المسند" (١٦٤٤٥) و (١٦٤٧٢)، و"صحيح ابن حبان" (١٠٧٧).









সুনান আত-তিরমিযী (29)


حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي الْمُخَارِقِ أَبِي أُمَيَّةَ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ بِلاَلٍ، قَالَ رَأَيْتُ عَمَّارَ بْنَ يَاسِرٍ تَوَضَّأَ فَخَلَّلَ لِحْيَتَهُ فَقِيلَ لَهُ أَوْ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ أَتُخَلِّلُ لِحْيَتَكَ قَالَ وَمَا يَمْنَعُنِي وَلَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُخَلِّلُ لِحْيَتَهُ ‏.‏




আবদুল কারীম ইবনু আবুল মুখারিক আবূ উমাইয়া হতে হাসসান ইবনু বিলালের হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে ওযূ করার সময় দাড়ি খিলাল করতে দেখলাম। তাঁকে বলা হল, অথবা তিনি (হাসসান) বলেছেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি দাড়ি খিলাল করছেন? তিনি (আম্মার) বললেনঃ (এ কাজে) কে আমাকে বাঁধা দিবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর দাড়ি খিলাল করতে দেখেছি।

সহীহ। ইবনু মাজাহ-(৪২৯)।

-




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، عبد الکریم بن أبی المخارق ضعیف، والحدیث الآتي (الأصل: 31) یغني، عنہ، (انوار الصحیفہ ص 189، 190)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حسن بشواهده، وهذا إسناد ضعيف لضعف عبد الكريم بن أبي المخارق، ثم هو لم يسمعه مِن حسان بن بلال، فهو منقطع. ابن أبي عمر: هو محمد بن يحيى بن أبي عمر العَدَني. وأخرجه ابن ماجه (٤٢٩)، والحاكم ١/ ١٤٩ وصححه! عن ابن أبي عمر، بهذا الإسناد. وأخرجه الطيالسي (٦٤٥)، وابن أبي شيبة ١/ ١٢، والحميدي (١٤٦) عن سفيان بن عيينة، به. وأخرجه أبو يعلى (١٦٠٤) عن هارون بن معروف وأبي خيثمة زهير بن حرب، عن سفيان بن عيينة، به. وانظر ما بعده.









সুনান আত-তিরমিযী (30)


حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ بِلاَلٍ، عَنْ عَمَّارٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عُثْمَانَ وَعَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَأَنَسٍ وَابْنِ أَبِي أَوْفَى وَأَبِي أَيُّوبَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَسَمِعْتُ إِسْحَاقَ بْنَ مَنْصُورٍ يَقُولُ قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ قَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ لَمْ يَسْمَعْ عَبْدُ الْكَرِيمِ مِنْ حَسَّانَ بْنِ بِلاَلٍ حَدِيثَ التَّخْلِيلِ ‏.‏ وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثُ عَامِرِ بْنِ شَقِيقٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عُثْمَانَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَالَ بِهَذَا أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ رَأَوْا تَخْلِيلَ اللِّحْيَةِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ إِنْ سَهَا عَنْ تَخْلِيلِ اللِّحْيَةِ فَهُوَ جَائِزٌ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ إِنْ تَرَكَهُ نَاسِيًا أَوْ مُتَأَوِّلاً أَجْزَأَهُ وَإِنْ تَرَكَهُ عَامِدًا أَعَادَ ‏.‏




‘আম্মার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, ‘আম্মার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন........... এ সূত্রেও উপরের হাদীসের মতই বর্ণিত হয়েছে।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে ‘আয়িশাহ্‌, উম্মি সালাম, আনাস, ইবনু আবী আওফা ও আবূ আইয়ূব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবূ ‘ঈসা বলেন, আমি ইসহাক ইবনু মানসূরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি আহমাদ ইবনু হাম্বলকে বলতে শুনেছিঃ ইবনু উআইনা বলেছেন, আবদুল কারীম ‘দাড়ি খিলাল করা’ সম্পর্কিত হাদীস হাসসান ইবনু বিলালের নিকট হতে শুনেননি।

মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেছেন, এ অনুচ্ছেদ ‘আমির ইবনু শাকীক হতে তিনি আবূ ওয়াইল হতে তিনি উসমান হতে বর্ণিত হাদীসটি সবচাইতে সহীহ। সাহাবাই কিরাম ও পরবর্তী পর্যায়ের বেশিভাগ মনীষীর মতে দাড়ি খিলাল করা উচিৎ। ইমামা শাখিঈরও এই মত। ইমাম আহমাদ বলেন, যে ব্যক্তি দাড়ি খিলাল করতে ভুলে গেছে তাতে তার ওযূর কোন লোকসান হয়নি। ইসহাক বলেন, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে দাড়ি খিলাল না করা হয় এবং এই ওযূ দিযে নামায আদায় করে থাকে তাহলে আবার নামায আদায় করতে হবে। আর যদি ভুলবশত অথবা হাদীসের ভিন্ন ব্যাখ্যা করে দাড়ি খিলাল করা ছেড়ে দেয় তবে নামায নতুন করে আদায় করতে হবে না।




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، قتادۃ وسعید بن أبي عروبۃ مدلسان، وعنعنا، (انوار الصحیفہ ص 190)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حسن بشواهده، رجاله ثقات رجال الصحيح غير حسان بن بلال، فقد روي له أصحاب السنن ما عدا أبا داود، وسماع سفيان - وهو ابن عيينة - من سعيد بن أبي عروبة لم ينصَّ أحد عليه متى كان، قبل الاختلاط أم بعده. وأخرجه ابن ماجه (٤٢٩) عن ابن أبي عمر، بهذا الإسناد. وأخرجه الحميدي (١٤٧)، والحاكم ١/ ١٤٩ عن سفيان، به. وقال ابن أبي حاتم في "العلل" ١/ ٣٢ وذكر هذا الحديث من طريق سفيان، عن سعيد: قال أبي: لم بحدث بهذا أحد سوى ابن عيينة عن ابن أبي عروبة. قلت: صحيح؟ قال: لو كان صحيحًا، لكان في مصنفات ابن أبي عروبة، ولم يذكر ابن عيينة في هذا الحديث [سماعًا] وهذا أيضًا مما يوهنُه. وقال البخاري في "التاريخ الكبير" ٣/ ٣١: لا يصح حديث سعيد (أي: ابن أبي عروبة). وقال الحافظ ابن حجر في "التلخيص" ١/ ٨٦: لم يسمعه ابن عيينة من سعيد، ولا قتادة من حسان. قلنا: قد صرح سفيان بالسماع من سعيد عند الحاكم. وقال ابن سيد الناس ورقة ٨/ ١: طريق سعيد يمكن أن يكونَ من باب الحسن.









সুনান আত-তিরমিযী (31)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ عَامِرِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُخَلِّلُ لِحْيَتَهُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏




উসমান ইবনু আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাড়ি খিলাল করতেন।

সহীহ। ইবনু মাজাহ-(৪৩০)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (409)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حسن بشواهده، وأخرجه ابن ماجه (٤٣٠)، وصححه ابن خزيمة (١٥١)، وابن حبان (١٠٨١)، ونقل المصنف في "علله الكبير" ١/ ١١٥ عن البخاري أنه قال. أصح شيءٍ عندي في التخليل حديث عثمان. قلت (القائل الترمذي): إنهم يتكلمون في هذا الحديث، فقال: هو حسن.









সুনান আত-তিরমিযী (32)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِيسَى الْقَزَّازُ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ رَأْسَهُ بِيَدَيْهِ فَأَقْبَلَ بِهِمَا وَأَدْبَرَ بَدَأَ بِمُقَدَّمِ رَأْسِهِ ثُمَّ ذَهَبَ بِهِمَا إِلَى قَفَاهُ ثُمَّ رَدَّهُمَا حَتَّى رَجَعَ إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي بَدَأَ مِنْهُ ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ مُعَاوِيَةَ وَالْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِيكَرِبَ وَعَائِشَةَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ وَأَحْسَنُ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏




‘আবুদল্লাহ ইবনু যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’হাতে মাথা মাসিহ করতেন। তিনি হাত দুটি সামনে আনতে এবং পিছনে নিতেন। তিনি মাথার সামনের দিক হতে শুরু করে উভয় হাত ঘাড়ের দিকে নিতেন; অতঃপর পেছন দিক হতে আবার সামনের দিকে এনে শুরু করার জায়গায় পৌঁছাতেন। অতঃপর তিনি উভয় পা ধুতেন।

সহীহ। ইবনু মাজাহ-(৪৩৪), বুখারী ও মুসলিম।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে মুআবিয়া, মিকদাম ইবনু মাদিকারিব ও ‘আয়িশাহ্‌ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদ ‘আবুদলত্মাহ ইবনু যাইদের হাদীস সবচাইতে সহীহ এবং সর্বাধিক উত্তম। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এভাবেই মাথা মাসিহ করার পক্ষে মত ব্যক্ত করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح، وأخرجه البخاري (١٨٥)، ومسلم (٢٣٥)، وأبو داود (١١٨)، وابن ماجه (٤٣٤)، والنسائي ١/ ٧١، ومالك في "الموطأ" ١/ ١٨، وهو في "المسند" (١٦٤٣١)، و"صحيح ابن حبان" (١٠٨٤).









সুনান আত-তিরমিযী (33)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنِ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ بْنِ عَفْرَاءَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ بِرَأْسِهِ مَرَّتَيْنِ بَدَأَ بِمُؤَخَّرِ رَأْسِهِ ثُمَّ بِمُقَدَّمِهِ وَبِأُذُنَيْهِ كِلْتَيْهِمَا ظُهُورِهِمَا وَبُطُونِهِمَا ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ وَحَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ أَصَحُّ مِنْ هَذَا وَأَجْوَدُ إِسْنَادًا ‏.‏ وَقَدْ ذَهَبَ بَعْضُ أَهْلِ الْكُوفَةِ إِلَى هَذَا الْحَدِيثِ مِنْهُمْ وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ ‏.‏




রুবাই‘ বিনতু মুআব্বিয ইবনি ‘আফরাআ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নাবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের মাথা দু’বার মাসিহ করলেন। তিনি প্রথমবার ঘাড়ের দিক হতে মাসেহ শুরু করলেন এবং দ্বিতীয়বার মাথার সামনের দিক হতে শুরু করলেন। তিনি উভয় কানের ভেতর ও বাহিরও মাসিহ করলেন।

হাসান ইবনু মাজাহ-(৩৯০)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। তবে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাইদের হাদীস এ হাদীসের তুলনায় অধিকতর সহীহ ও নির্ভরযোগ্য। কুফার বিভিন্ন আলিম এ হাদীসের উপর আমল করেছেন্‌ তাদের মধ্যে ওয়াকী‘ ইবনুল জাররাহ অন্যতম।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابو داود (126) ابن ماجہ (438)، ابن عقیل ضعیف، (انوار الصحیفہ ص 190)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف بهذا السياق، عبد الله بن محمد بن عقيل ليس بالقوي عندهم، وهو إنما يقبل حديثه في المتابعات والشواهد، وقد اضطرب في متنه، وهو هنا قد خالف حديث الثقات في موضعين من حديثه: الأول: قوله: "بدأ بمؤخَّر رأسه" وفي حديث عبد الله بن زيد في الباب السابق، "بدأ بمقدَّم رأسه"، وهو في "الصحيحين". والثاني: قوله: "مسح برأسه مرتين"، وسيأتي من حديثه هو في الباب التالي أنه مسح مرة، وهو أصحُّ. وأخرجه أبو داود (١٢٦)، وابن ماجه (٤٣٨) و (٤٤٠)، وهو في "المسند" (٢٧٠١٥) و (٢٧٠١٦).









সুনান আত-তিরমিযী (34)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنِ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ بْنِ عَفْرَاءَ، أَنَّهَا رَأَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ قَالَتْ مَسَحَ رَأْسَهُ وَمَسَحَ مَا أَقْبَلَ مِنْهُ وَمَا أَدْبَرَ وَصُدْغَيْهِ وَأُذُنَيْهِ مَرَّةً وَاحِدَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَجَدِّ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفِ بْنِ عَمْرٍو ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ الرُّبَيِّعِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ مَسَحَ بِرَأْسِهِ مَرَّةً ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ رَأَوْا مَسْحَ الرَّأْسِ مَرَّةً وَاحِدَةً ‏.‏ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ الْمَكِّيُّ قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ سَأَلْتُ جَعْفَرَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ مَسْحِ الرَّأْسِ أَيُجْزِئُ مَرَّةً فَقَالَ إِي وَاللَّهِ ‏.‏




রুবাই‘ বিনতু মু‘আব্বিয ইবনি ‘আফরাআ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে ওযূ করতে দেখলেন। তিনি বলেন, তিনি (নাবী) মাথার সামনের দিক, পেছনের দিক (সমুদয় মাথা) এবং দুই কানের ভেতর ও বাহির একবার করে মাসিহ করলেন।

এ অনুচ্ছেদে ‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও তালহা ইবনু মুসাররিফ ইবনি আমরের দাদার সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ রুবাই হতে বর্ণিত হাদীস হাসান সহীহ । একাধিক বর্ণনায় আছে, নাবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার মাথা মাসিহ করেছেন।
বেশিরভাগ সাহাবা ও তাবিঈন একবারই মাথা মাসিহ করার পক্ষে মত দিয়েছেন। বেশিরভাগ ইমামের ও এই মত। যেমন জা‘ফর ইবনু মুহাম্মদ, সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ইবনু হাম্বল ও ইসহাক একবার মাথা মাসিহ করার কথা বলেছেন।
মুহাম্মদ ইবনু মানসূর মাক্কী বলেন, আমি সুফিয়ান ইবনু উআইনাকে বলতে শুনেছিঃ আমি জা‘ফর ইবনু মুহাম্মদকে প্রশ্ন করলাম, একবার মাথা মাসিহ করা যথেষ্ট কিনা? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আল্লাহ তা‘আলার শপথ! একবারই যথেষ্ট।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن الإسناد




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: سندہ ضعیف، ابو داود (129) ابن ماجہ (441)، ابن عقیل ضعیف، قول جعفر بن محمد الصادق یعنی ’’سفيان، بن عيينة يقول: سألت جعفر بن محمد عن مسح الرأس أيجزئ مرة؟ فقال: إي والله‘‘ (سندہ، صحیح)، (انوار الصحیفہ ص 190)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف كسابقه، وأخرجه أبو داود (١٢٨) و (١٢٩). وهو في "المسند" (٢٧٠٢٢).









সুনান আত-তিরমিযী (35)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ حَبَّانَ بْنِ وَاسِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ وَأَنَّهُ مَسَحَ رَأْسَهُ بِمَاءٍ غَيْرِ فَضْلِ يَدَيْهِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَرَوَى ابْنُ لَهِيعَةَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ حَبَّانَ بْنِ وَاسِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ وَأَنَّهُ مَسَحَ رَأْسَهُ بِمَاءٍ غَبَرَ مِنْ فَضْلِ يَدَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ وَرِوَايَةُ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنْ حَبَّانَ أَصَحُّ لأَنَّهُ قَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ وَغَيْرِهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ لِرَأْسِهِ مَاءً جَدِيدًا ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ رَأَوْا أَنْ يَأْخُذَ لِرَأْسِهِ مَاءً جَدِيدًا ‏.‏




‘আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে ওযূ করতে দেখলেন। তিনি হাতে লেগে থাকা অতিরিক্ত পানি বাদে নতুন পানি নিয়ে মাথা মাসিহ করলেন।

সহীহ। সহীহ্‌ আবূ দাঊদ-(১১১), মুসলিম।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি ইবনু লাহীআ হাব্‌বানের সূত্রে, তিনি ওয়াসের সূত্রে, তিনি ‘আবুদল্লাহ ইবনু যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, “ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘হাতের পানি ছাড়া নতুন পানি নিয়ে মাথা মাসিহ করেছেন’। ”
হাব্বানের সূত্রে বর্ণিত ‘আমর ইবনু হারিসের হাদীসটি অধিকতর সহীহ। কেননা তিনি বিভিন্ন সূত্রে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও অন্য সাহাবীদের নিকট হতে বর্ণনা করেছেনঃ “ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা মাসিহ করার জন্য নতুন করে পানি নিয়েছেন। ” বেশিরভাগ বিদ্বানের মতে, নতুনকরে পানি নিয়ে মাথা মাসিহ করবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم، مشکوۃ المصابیح (415)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح، وأخرجه مسلم (٢٣٦)، وأبو داود (١٢٠). وهو في "المسند" (١٦٤٦٧)، و"صحيح ابن حبان" (١٠٨٥).









সুনান আত-তিরমিযী (36)


حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ بِرَأْسِهِ وَأُذُنَيْهِ ظَاهِرِهِمَا وَبَاطِنِهِمَا ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ الرُّبَيِّعِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ يَرَوْنَ مَسْحَ الأُذُنَيْنِ ظُهُورِهِمَا وَبُطُونِهِمَا ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নাবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা মাসিহ করলেন এবং দুই কানের ভেতরে ও বাহিরে মাসিহ করলেন।

হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ-(৪৩৯)

এ অনুচ্ছেদে রুবাই’র সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।

আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)- এর হাদীস হাসান সহীহ। বেশিভাগ বিদ্বান কানের ভেতর ও বাহিরে মাসিহ করার পক্ষে মত দিয়েছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح، مشکوۃ المصابیح (413)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حسن، وأخرجه ابن ماجه (٤٣٩)، والنسائي ١/ ٧٤، وهو في "صحيح ابن حبان" (١٠٧٨) و (١٠٨٦). وحديث الرُّبيِّع الذي سيشير إليه المصنف سلف عنده برقم (٣٣) و (٣٤).









সুনান আত-তিরমিযী (37)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ سِنَانِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ تَوَضَّأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاَثًا وَيَدَيْهِ ثَلاَثًا وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ وَقَالَ ‏ "‏ الأُذُنَانِ مِنَ الرَّأْسِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى قَالَ قُتَيْبَةُ قَالَ حَمَّادٌ لاَ أَدْرِي هَذَا مِنْ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَوْ مِنْ قَوْلِ أَبِي أُمَامَةَ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ لَيْسَ إِسْنَادُهُ بِذَاكَ الْقَائِمِ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ أَنَّ الأُذُنَيْنِ مِنَ الرَّأْسِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مَا أَقْبَلَ مِنَ الأُذُنَيْنِ فَمِنَ الْوَجْهِ وَمَا أَدْبَرَ فَمِنَ الرَّأْسِ ‏.‏ قَالَ إِسْحَاقُ وَأَخْتَارُ أَنْ يَمْسَحَ مُقَدَّمَهُمَا مَعَ الْوَجْهِ وَمُؤَخَّرَهُمَا مَعَ رَأْسِهِ ‏.‏ وَقَالَ الشَّافِعِيُّ هُمَا سُنَّةٌ عَلَى حِيَالِهِمَا يَمْسَحُهُمَا بِمَاءٍ جَدِيدٍ ‏.‏




আবূ উমামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওযূ করলেন। তিনি মুখমন্ডল ও উভয় হাত তিনবার করে ধুলেন এবং মাথা মাসিহ করলেন আর বললেনঃ উভয় কান মাথারই অংশ।

সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৪৪৪)



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ কুতাইবা বলেন, হাম্মদ বলেছেন, ‘কানদুটো মাথারই অংশ’ কথাটা কি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের না আবূ উসামার- তা আমি জানি না। এ অনুচ্ছেদে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।


আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ খুব একটা মজবুত নয়। বেশিরভাগ সাহাবা ও মনীষীর মতে, কান মাথারই অংশ। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিয়ী আহমাদ ও ইসহাকের এটাই মত। কিছু মনীষী বলেছেন, কানের অগ্রভাগ মুখমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত এবং গোড়ার দিক মাথার অন্তর্ভুক্ত। ইসহাক বলেন, আমি কানের অগ্রভাগ মুখমন্ডলের সাথে এবং গোড়ার ভাগ মাথার সাথে মাসিহ করা পছন্দ করি। ইমাম শাফিঈ বলেন, কানের অবস্থান অনুসারে এটা আলাদা সুন্নাত। নতুন করে পানি নিয়ে দুই কান মাসিহ করবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (416) وللحدیث شواھد و ھو بھا حسن




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح دون قوله: "الأذنان من الرأس"، وهذا إسناد ضعيف لِكَلامٍ في سنان بنِ ربيعة، وشهرِ بن حوشب، وكذا اختُلِفَ في رفعه ووقفه، وجملة: "الأذنان من الرأس" لها شواهد: إما ضعيفة أو معلة بالانقطاع أو بالوقف، وقد بسطنا الكلام عليها في المسند" (٢٢٢٢٣). وأخرجه أبو داود (١٣٤)، وابن ماجه (٤٤٤). وأخرجه الدارقطني ١/ ١٠٣ من طريق معلَّى بن منصور، عن حماد بن زيد، به، إلا أنه شك فيه، فقال: عن النبي ﷺ أو عن أبي أمامة. وأخرجه أبو داود (١٣٤)، والدارقطني ١/ ١٠٤، والبيهقي ١/ ٦٦ من طريق سليمان بن حرب، عن حماد بن زيد، به. قال سليمان بن حرب: "الأذنان من الرأس" إنما هو من قول أبي أمامة، فمن قال غير هذا، فقد بدَّل، أو كلمة قالها سليمان، أي: أخطأ. تنبيه: أخرج الطبراني في "الكبير" (١٠٧٨٤) عن عبد الله بن أحمد، عن أبيه، عن وكيع، عن ابن أبي ذئب، عن قارظ بن شيبة، عن أبي غطفان، عن ابن عباس، أن النبي ﷺ قال: "استنشقوا مرتين، والأذنان من الرأس" وهذا وإن كان إسناده صحيحًا، لكن قوله: "والأذنان من الرأس" زيادة أقحمها بعض النساخ في رواية الطبراني هذه، والدليل على عدم وجودها أن الطبراني ﵀ روى الحديث من طريق الإمام أحمد، وهو في "المسند" في ثلاثة مواضع (٢٠١٢) و (٢٨٨٧) و (٣٢٩٦) وليست فيه هذه الزيادة، وهو أيضًا عن غير أحمد كما بسطناه في تعليقنا على "المسند" (٢٢٢٢٣) دون هذه الزيادة، ولم يتفطن الشيخ الألباني ﵀ إلى ذلك، فصحح الحديث مع هذه الزيادة مخالفًا بذلك من تقدم من الأئمة الحفاظ، انظر "صحيحته" ١/ ٨٧ - ٨٨ رقم (٣٦).









সুনান আত-তিরমিযী (38)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَهَنَّادٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي هَاشِمٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ لَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا تَوَضَّأْتَ فَخَلِّلِ الأَصَابِعَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَالْمُسْتَوْرِدِ وَهُوَ ابْنُ شَدَّادٍ الْفِهْرِيُّ وَأَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّهُ يُخَلِّلُ أَصَابِعَ رِجْلَيْهِ فِي الْوُضُوءِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ يُخَلِّلُ أَصَابِعَ يَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ فِي الْوُضُوءِ ‏.‏ وَأَبُو هَاشِمٍ اسْمُهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ كَثِيرٍ الْمَكِّيُّ ‏.‏




আসিম ইবনু লাকীত ইবনু সাবিরা হতে তাঁর পিতার সূত্রে হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি ওযূ করবে, আঙ্গুলও খিলাল করবে।

সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৪৪৮)।

এ অনুচ্ছেদে ইবনু ‘আব্বাস, মুসতাওরিদ ও আবূ আইয়ুব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হাদীসও রয়েছে।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। মনীষীদের মতে ওযূর সময় পায়ের আঙ্গুল খিলাল করতে হবে। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাক এ মতের পক্ষপাতি। ইসহাক বলেন, হাত এবং পায়ের আঙ্গুল খিলাল করা উচিৎ। আবূ হাশিমের নাম ইসমাঈল ইবনু কাসীর আল-মাক্কী।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح، وأخرجه أبو داود (١٤٢)، وابن ماجه (٤٤٨)، والنسائي ١/ ٧٩. وهو في "المسند" (١٦٣٨١)، و"صحيح ابن حبان" (١٠٥٤). وسيأتي عند المصنف بأطول مما هنا برقم (٧٩٨).









সুনান আত-তিরমিযী (39)


حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، هُوَ الْجَوْهَرِيُّ حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ صَالِحٍ، مَوْلَى التَّوْأَمَةِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا تَوَضَّأْتَ فَخَلِّلْ بَيْنَ أَصَابِعِ يَدَيْكَ وَرِجْلَيْكَ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন তুমি ওযূ করবে তখন দুই হাত ও দুই পায়ের আঙ্গুল খিলাল করবে।

হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৪৪৭)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান গারীব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (406)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح لغيره، وهذا إسناد حسن، سعد بن عبد الحميد وصالح مولى التوأمة صدوقان. وأخرجه ابن ماجه (٤٤٧). وهو في "المسند" (٢٦٠٤). وانظر ما بعده.









সুনান আত-তিরমিযী (40)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ شَدَّادٍ الْفِهْرِيِّ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم إِذَا تَوَضَّأَ دَلَكَ أَصَابِعَ رِجْلَيْهِ بِخِنْصَرِهِ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ لَهِيعَةَ ‏.‏




মুসতাওরিদ ইবনু শাদ্দাদ আল-ফিহরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি দেখেছি, নবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ওযূ করতেন, (বাঁ হাতের) ছোট আঙ্গুল দিয়ে দু’পায়ের আঙ্গুলগুলো মলতেন।

সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৪৪৬)।



আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমি ইবনু লাহীআ ছাড়া আর কোন রাবীর নিকট এ হাদীসটি শুনিনি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (407)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح لغيره، وهذا سند حسن، فإن رواية قتيبة - وهو ابن سعيد - عن ابن لهيعة - وهو عبد الله - قوية عند أهل العلم، وقد تابعه عبدُ الله بن وهب عند الطحاوي ١/ ٣٦، وعبد الرحمن بن يزيد المقرئ عند الطبراني في "الكبير" ٢٠/ (٧٢٨)، وهما كقتيبة سماعُهما من ابن لهيعة صحيح، وأخرجه أبو داود (١٤٨)، وابن ماجه (٤٤٦)، وهو في "المسند" (١٨٠١٠).