হাদীস বিএন


সুনান আত-তিরমিযী





সুনান আত-তিরমিযী (2897)


حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ ابْنِ حُنَيْنٍ، مَوْلًى لآلِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ أَوْ مَوْلَى زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَقْبَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَمِعَ رَجُلاً يَقْرَأُْ ‏(‏قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ * اللَّهُ الصَّمَدُ ‏)‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَجَبَتْ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ وَمَا وَجَبَتْ قَالَ ‏"‏ الْجَنَّةُ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ وَابْنُ حُنَيْنٍ هُوَ عُبَيْدُ بْنُ حُنَيْنٍ ‏.




আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আসছিলাম। তখন তিনি এক ব্যক্তিকে “কুল হুওয়াল্লাহু আদাদ, আল্লাহুস সামাদ” পাঠ করতে শুনলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়াজিব (অবধারিত) হয়ে গেছে। আমি প্রশ্ন করলাম, কি ওয়াজিব হয়ে গেছে? তিনি বললেনঃ জান্নাত।

সহীহঃ আত্তা’লীক (২/২২৪)।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এ হাদীস শুধুমাত্র মালিক ইবনু আনাস (রাহিমাহুল্লাহ)-এর সূত্রে জেনেছি। ইবনু হুনাইন হলেন ‘উবাইদ ইবনু হুনাইন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (2160)









সুনান আত-তিরমিযী (2898)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْزُوقٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ مَيْمُونٍ أَبُو سَهْلٍ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَنْ قَرَأَ كُلَّ يَوْمٍ مِائَتَىْ مَرَّةٍ ‏(‏قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ‏)‏ مُحِيَ عَنْهُ ذُنُوبُ خَمْسِينَ سَنَةً إِلاَّ أَنْ يَكُونَ عَلَيْهِ دَيْنٌ ‏"‏ ‏.‏




আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন দুইশত বার সূরা ক্কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ পাঠ করবে তার পঞ্চাশ বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে, কিন্তু তার কর্জের বোঝা থাকলে তা ছাড়া।

যঈফ, যঈফা (৩০০), মিশকাত (২১৫৮)

একই সনদে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি ঘুমানোর উদ্দেশ্যে বিছানায় গিয়ে ডান কাতে শুয়ে এক শত বার কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা’আলা তাকে বলবেনঃ হে আমার বান্দা! তোমার ডান দিক দিয়ে জান্নাতে যাও। যঈফ, মিশকাত (২১৫৯),

আবূ ঈসা বলেনঃ সাবিত হতে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীসটি গারীব। এ হাদীসটি সাবিতের সূত্রে ভিন্নভাবেও বর্ণিত আছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، حاتم بن میمون: ضعیف (تقریب:، 999) ، (انوار الصحیفہ ص 273)









সুনান আত-তিরমিযী (2899)


حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، حَدَّثَنَا سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏(‏قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ‏)‏ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏




আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সূরা ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৩৭৮৩), মুসলিম, বুখারী।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আত-তিরমিযী (2900)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ كَيْسَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احْشِدُوا فَإِنِّي سَأَقْرَأُ عَلَيْكُمْ ثُلُثَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَحَشَدَ مَنْ حَشَدَ ثُمَّ خَرَجَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَرَأَْ ‏(‏قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ‏)‏ ثُمَّ دَخَلَ فَقَالَ بَعْضُنَا لِبَعْضٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَإِنِّي سَأَقْرَأُ عَلَيْكُمْ ثُلُثَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏ إِنِّي لأُرَى هَذَا خَبَرًا جَاءَهُ مِنَ السَّمَاءِ ثُمَّ خَرَجَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ إِنِّي قُلْتُ سَأَقْرَأُ عَلَيْكُمْ ثُلُثَ الْقُرْآنِ أَلاَ وَإِنَّهَا تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَأَبُو حَازِمٍ الأَشْجَعِيُّ اسْمُهُ سَلْمَانُ ‏.‏




আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা একত্র হও, আমি তোমাদেরকে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করে শুনাব। তিনি (বর্ণনাকরী) বলেন, অতএব যাদের একত্র হওয়ার সুযোগ হয়েছে তারা একত্র হল। আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ঘর হতে) বেরিয়ে এসে কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ (সূরাঃ আল-ইখলাস) তিলাওয়াত করলেন, তারপর ভেতরে চলে গেলেন। আমরা পরস্পর বলাবলি করতে লাগলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আমি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ তোমাদের সামনে তিলাওয়াত করব। মনে হয় এ বিষয়ে এখন তাঁর নিকট আসমান হতে খবর এসেছে। তারপর আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এসে বললেনঃ আমি বলেছিলাম তোমাদেরকে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করে শুনাব। জেনে রাখ! এ সূরাইটিই কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।

সহীহঃ তা’লীকুর রাগীব (২/২২৪), সিফাতুস সালাত (৮৫), বুখারী।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং এ সূত্রে গারীব। আবূ হাযিম আল-আশজাঈর নাম সালমান।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আত-তিরমিযী (2901)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ يَؤُمُّهُمْ فِي مَسْجِدِ قُبَاءَ فَكَانَ كُلَّمَا افْتَتَحَ سُورَةً يَقْرَأُ لَهُمْ فِي الصَّلاَةِ فَقَرَأَ بِهَا افْتَتَحَ بِـ ‏(‏قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ‏)‏ حَتَّى يَفْرُغَ مِنْهَا ثُمَّ يَقْرَأُ بِسُورَةٍ أُخْرَى مَعَهَا وَكَانَ يَصْنَعُ ذَلِكَ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ فَكَلَّمَهُ أَصْحَابُهُ فَقَالُوا إِنَّكَ تَقْرَأُ بِهَذِهِ السُّورَةِ ثُمَّ لاَ تَرَى أَنَّهَا تُجْزِيكَ حَتَّى تَقْرَأَ بِسُورَةٍ أُخْرَى فَإِمَّا أَنْ تَقْرَأَ بِهَا وَإِمَّا أَنْ تَدَعَهَا وَتَقْرَأَ بِسُورَةٍ أُخْرَى ‏.‏ قَالَ مَا أَنَا بِتَارِكِهَا إِنْ أَحْبَبْتُمْ أَنْ أَؤُمَّكُمْ بِهَا فَعَلْتُ وَإِنْ كَرِهْتُمْ تَرَكْتُكُمْ ‏.‏ وَكَانُوا يَرَوْنَهُ أَفْضَلَهُمْ وَكَرِهُوا أَنْ يَؤُمَّهُمْ غَيْرُهُ فَلَمَّا أَتَاهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرُوهُ الْخَبَرَ فَقَالَ ‏"‏ يَا فُلاَنُ مَا يَمْنَعُكَ مِمَّا يَأْمُرُ بِهِ أَصْحَابُكَ وَمَا يَحْمِلُكَ أَنْ تَقْرَأَ هَذِهِ السُّورَةَ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُحِبُّهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ حُبَّهَا أَدْخَلَكَ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ صَحِيحٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ ثَابِتٍ ‏.‏




আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুবা মসজিদে আনসার সম্প্রদায়ের এক লোক তাদের ইমামতি করতেন। তিনি নামাযে সূরা আল-ফাতিহার পর কোন সূরা পাঠ করা্র ইচ্ছা করলে প্রথমে সূরা ‘কুল হওয়াল্লাহু আহাদ’ পাঠ করতেন এবং এ সূরা শেষ করার পর এর সাথে অন্য সূরা পাঠ করতেন। তিনি প্রতি রাক‘আতেই এরূপ করতেন। তার সাথীরা তার সাথে এ ব্যাপারে আলোচনা করে বললেন, আপনি এ সূরাটি পাঠ করার পর মনে করেন যে, এটা বুঝি যথেষ্ট হয়নি, তাই এর সাথে অন্য আরেকটি সূরাও পাঠ করেন। আপনি হয় এ সূরাটিই পাঠ করবেন, না হয় এটা বাদ দিয়ে অন্য কোন সূরা পাঠ করবেন। তিনি বললেন, আমি এ সূরা বাদ দিতে পারব না। যদি তোমাদের পছন্দ হয় তবে আমি এ সূরাসহ ইমামতি করি, আর পছন্দ না হলে ইমামতি ছেড়ে দেই। কিন্তু তাদের দৃষ্টিতে তিনি ছিলেন তাদের মধ্যে সবচাইতে উত্তম ব্যক্তি। তাই তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে ইমাম বানাতে তারা সম্মত হলেন না। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকট এলে তারা বিষয়টি তাঁকে জানালেন। তিনি বললেনঃ হে অমুক! তোমার সাথীরা তোমাকে যে নির্দেশ দিচ্ছে তা পালন করতে তোমাকে কিসে বাধা দিচ্ছে? আর তোমাকে প্রতি রাক্আতে এ সূরা পাঠ করতে কিসে উদ্বুদ্ধ করছে? তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি এটি খুব ভালোবাসি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এর প্রতি তোমার ভালোবাসাই তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে।

হাসান সহীহঃ তা’লীকুর রাগীব (২/২৪৪), সিফাতুস সালাত (৮৫), বুখারী, মু‘আল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার-সাবিত আল-বুনানী সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসেবে গারীব। মুবারক ইবনু ফাযালা-সাবিত আল-বুনানী হতে আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বরাতে বর্ণনা করেছেন যে, “একজন লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ সূরাটিকে ভালোবাসি। তিনি বললেনঃ তোমার এই ভালোবাসাই তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে”। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری، مشکوۃ المصابیح (2130)









সুনান আত-তিরমিযী (2902)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، أَخْبَرَنِي قَيْسُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ قَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَىَّ آيَاتٍ لَمْ يُرَ مِثْلُهُنَّ ‏(‏قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ‏)‏ إِلَى آخِرِ السُّورَةِ وَ ‏(‏قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ‏)‏ إِلَى آخِرِ السُّورَةِ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو حَازِمٍ أَبُو قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ يُسَمَّى عَبْدُ عَوْفٍ وَقَدْ رَأَى النَّبِيَّ وَرَوَى عَنْهُ ‏.




উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আমার উপর এমন কতগুলো আয়াত অবতীর্ণ করেছেন যার কোন তুনলা হয় নাঃ “কুল আ‘ঊযু বিরব্বিন নাস......” শেষ পর্যন্ত এবং “কুল আ‘ঊযু বিরব্বিল ফালাক্ব” হতে সূরার শেষ পর্যন্ত।

সহীহঃ মুসলিম (২/২০০)।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ হাযিমকে আবূ কাইস বলা হয়। তার নাম ‘আবদ ‘আওফ। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছেন এবং তার নিকট হতে হাদীসও বর্ণনা করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم









সুনান আত-তিরমিযী (2903)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عُلَىِّ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ بِالْمُعَوِّذَتَيْنِ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاَةٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏




উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে প্রতি ওয়াক্ত নামাযের পর সূরা আন্-নাস ও সূরা আল-ফালাক্ব পাঠের আদেশ করেছেন।

সহীহঃ সহীহাহ্ (১৫১৪), সহীহ আবূ দাঊদ (১৩৬৩), তা’লীক আলা ইবনে খুযাইমাহ্ (৭৫৫)।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (969)









সুনান আত-তিরমিযী (2904)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، وَهِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَهُوَ مَاهِرٌ بِهِ مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ وَالَّذِي يَقْرَؤُهُ قَالَ هِشَامٌ وَهُوَ شَدِيدٌ عَلَيْهِ قَالَ شُعْبَةُ وَهُوَ عَلَيْهِ شَاقٌّ فَلَهُ أَجْرَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.




আয়িশাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরআন পাঠে দক্ষ ব্যক্তি (আখিরাতে) সম্মানিত নেককার লিপিকর ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। আর যে ব্যক্তি উহা পাঠ করে এবং এটা তার পক্ষে (হিশামের বর্ণনায়) খুবই কঠিন ও (শু‘বাহ্র বর্ণনায়) কষ্টকর, সে দু’টি পুরস্কার পাবে।

সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (১৩০৭), বুখারী ও মুসলিম।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ









সুনান আত-তিরমিযী (2905)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ زَاذَانَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ وَاسْتَظْهَرَهُ فَأَحَلَّ حَلاَلَهُ وَحَرَّمَ حَرَامَهُ أَدْخَلَهُ اللَّهُ بِهِ الْجَنَّةَ وَشَفَّعَهُ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ كُلُّهُمْ وَجَبَتْ لَهُ النَّارُ ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ بِصَحِيحٍ ‏.‏ وَحَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ ‏.‏




আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করেছে এবং তা হেফয রেখেছে, এর হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম মেনেছে, তাকে আল্লাহ্ তা’আলা জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন দশজন ব্যক্তি সর্ম্পকে তার শাফায়াত ক্ববূল করবেন যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম অনিবার্য ছিল।

অত্যন্ত দুর্বল, ইবনু মাজাহ (২১৬)



আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। এর সনদসূত্র সহীহ নয়। হাফ্‌স ইবনু সুলাইমান হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف جدا




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف جدًا ، ابن ماجہ (216)، حفص بن سلیمان: متروک الحدیث، مع إمامتہ فی القراء ۃ وشیخہ کثیر بن زاذان مجہول (تقریب: 1405،5609) ، وقال الھیثمي في حفص بن سلیمان: وضعفہ، الجمھور (مجمع الزوائد 163/10)، (انوار الصحیفہ ص 273)









সুনান আত-তিরমিযী (2906)


حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ حَمْزَةَ الزَّيَّاتَ، عَنْ أَبِي الْمُخْتَارِ الطَّائِيِّ، عَنِ ابْنِ أَخِي الْحَارِثِ الأَعْوَرِ، عَنِ الْحَارِثِ، قَالَ مَرَرْتُ فِي الْمَسْجِدِ فَإِذَا النَّاسُ يَخُوضُونَ فِي الأَحَادِيثِ فَدَخَلْتُ عَلَى عَلِيٍّ فَقُلْتُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَلاَ تَرَى أَنَّ النَّاسَ قَدْ خَاضُوا فِي الأَحَادِيثِ ‏.‏ قَالَ وَقَدْ فَعَلُوهَا قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ أَمَا إِنِّي قَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ أَلاَ إِنَّهَا سَتَكُونُ فِتْنَةٌ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ مَا الْمَخْرَجُ مِنْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ كِتَابُ اللَّهِ فِيهِ نَبَأُ مَا كَانَ قَبْلَكُمْ وَخَبَرُ مَا بَعْدَكُمْ وَحُكْمُ مَا بَيْنَكُمْ هُوَ الْفَصْلُ لَيْسَ بِالْهَزْلِ مَنْ تَرَكَهُ مِنْ جَبَّارٍ قَصَمَهُ اللَّهُ وَمَنِ ابْتَغَى الْهُدَى فِي غَيْرِهِ أَضَلَّهُ اللَّهُ وَهُوَ حَبْلُ اللَّهِ الْمَتِينُ وَهُوَ الذِّكْرُ الْحَكِيمُ وَهُوَ الصِّرَاطُ الْمُسْتَقِيمُ هُوَ الَّذِي لاَ تَزِيغُ بِهِ الأَهْوَاءُ وَلاَ تَلْتَبِسُ بِهِ الأَلْسِنَةُ وَلاَ يَشْبَعُ مِنْهُ الْعُلَمَاءُ وَلاَ يَخْلَقُ عَلَى كَثْرَةِ الرَّدِّ وَلاَ تَنْقَضِي عَجَائِبُهُ هُوَ الَّذِي لَمْ تَنْتَهِ الْجِنُّ إِذْ سَمِعَتْهُ حَتَّى قَالُوا ‏(‏إِنَّا سَمِعْنَا قُرْآنًا عَجَبًا * يَهْدِي إِلَى الرُّشْدِ ‏)‏ مَنْ قَالَ بِهِ صَدَقَ وَمَنْ عَمِلَ بِهِ أُجِرَ وَمَنْ حَكَمَ بِهِ عَدَلَ وَمَنْ دَعَا إِلَيْهِ هُدِيَ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ‏"‏ ‏.‏ خُذْهَا إِلَيْكَ يَا أَعْوَرُ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَإِسْنَادُهُ مَجْهُولٌ ‏.‏ وَفِي الْحَارِثِ مَقَالٌ ‏.




আল-হারিস আল-আওয়ার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক সময় আমি মাসজিদে গিয়ে দেখি যে, কিছু লোক নানারকম আলাপ করছে। আমি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকটে গিয়ে বললাম, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন না যে, লোকেরা নানারকম আলাপ করছে? তিনি প্রশ্ন করলেন, তারা কি তাই করছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, শোন! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ হুঁশিয়ার! শীঘ্রই ফিতনা-ফাসাদ দেখা দিবে। আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! এ ফিত্‌না হতে আত্নরক্ষার পন্থা কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার কিতাব (কুরআন)। এতে আছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের সংবাদ ও পরবর্তীদের সংবাদ এবং তোমাদের মাঝে ফায়সালার বিধান। এটা (সত্য-মিথ্যার মধ্যে) সুস্পষ্ট বিভাজনকারী, কোন অর্থহীন ব্যাপার নয়। যে ব্যক্তি গর্ববশে এটা ছেড়ে দেবে, আল্লাহ্ তা’আলা তার গর্ব চূর্ণ করবেন। এটাকে বাদ দিয়ে যে হিদায়াত খোঁজ করবে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে পথভ্রষ্ট করবেন। এটা হল আল্লাহ্ তা’আলার মযবুত রশি, হিকমাত ও প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ এবং সহজ-সরল পথ। তা অনুসরণ করলে মানুষের চিন্তাধারা বিপথগামী হয় না এবং এতে যবানও আড়ষ্ট হয় না। আলিমগণ এ থেকে তৃপ্ত হয় না (যতই পড়ে ততই ভালো লাগে), বারবার পড়লেও এটা পুরানো হয় না এবং এর রহস্য ও নিগূঢ় তত্ত্বের শেষ নেই। এটা সেই গ্রস্থ যা শোনা মাত্রই জিনেরা বলে উঠলো, “আমরা এক আশ্চর্যজনক কুরআন শুনলাম যা সঠিক পথের সন্ধান দেয়। সুতরাং আমরা এতে ঈমান এনেছি” (সূরাঃ জ্বিন-১, ২)। যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী কথা বলে সে সত্য বলে এবং যে সে অনুসারে আমল করে সে প্রতিদান পায়। যে এর সাহায্যে ফায়সালা করে সে ইনসাফ করে এবং যে এর দিকে আহ্বান করে সে সঠিক পথ দেখায়। হে আওয়ার! তুমি এটা শক্তভাবে আকড়ে ধর।

যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (২১৩৮)



আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। এর সনদসূত্র অজানা। আল-হারিসের রিওয়ায়াত প্রসঙ্গে বিরূপ সমালোচনা আছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، الحارث الأعور: ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 273)









সুনান আত-তিরমিযী (2907)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي عَلْقَمَةُ بْنُ مَرْثَدٍ، قَالَ سَمِعْتُ سَعْدَ بْنَ عُبَيْدَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَذَاكَ الَّذِي أَقْعَدَنِي مَقْعَدِي هَذَا ‏.‏ وَعَلَّمَ الْقُرْآنَ فِي زَمَنِ عُثْمَانَ حَتَّى بَلَغَ الْحَجَّاجَ بْنَ يُوسُفَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏




উসমান ইবনু ‘আফফান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে লোকই তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে তা শিক্ষা দেয়।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২১১), বুখারী।

‘আবদুর রাহমান বলেন, এ হাদীসই আমাকে এ স্থানে বসিয়ে রেখেছে। তিনি ‘উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর যুগ হতে হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফের যুগ পর্যন্ত কু্রআন শিক্ষা দিয়েছেন।
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আত-তিরমিযী (2908)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خَيْرُكُمْ - أَوْ أَفْضَلُكُمْ - مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهَكَذَا رَوَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عُثْمَانَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَسُفْيَانُ لاَ يَذْكُرُ فِيهِ عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ ‏.‏




উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে লোকই তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বা উত্তম যে নিজে কুরআন শিখে এবং তা অন্যকে শিখায়।

সহীহঃ দেখুন পূর্বে হাদীস।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ‘আবদুর রাহমান ইবনু মাহ্দী প্রমুখ সুফ্ইয়ান সাওরী হতে, তিনি ‘আলক্বামাহ্ ইবনু মারসাদ হতে, তিনি আবূ ‘আবদুর রাহমান হতে, তিনি ‘উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সূত্রে এক রকমই বর্ণনা করেছেন। সুফ্ইয়ান উক্ত হাদীসের সনদে সা‘দ ইবনু ‘উবাইদার উল্লেখ করেননি। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ আল-কাত্তান এ হাদীস সুফ্ইয়ান ও শু‘বাহ্ হতে, তিনি ‘আলকামাহ্ হতে, তিনি ইবনু মারসাদ হতে, তিনি সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্ হতে, তিনি আবূ আবদুর রাহমান হতে, তিনি ‘উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ-সুফ্ইয়ান ও শু‘বাহ্র সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার উক্ত হাদীস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ উক্ত হাদীস সুফ্ইয়ান ও শু‘বাহ্-একাধিকবার ‘আলক্বামাহ্ ইবনু মারসাদের সূত্রে-সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্ হতে, তিনি আবূ ‘আবদুর রাহমান হতে, তিনি ‘উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার বলেন, সুফ্ইয়ানের শাগরিদগণ এর সনদে “সুফ্ইয়ান-সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্ হতে” এভাবে উল্লেখ করেননি এবং এটাই সহীহ। আবূ ‘ঈসা বলেন, শু‘বাহ্ এ হাদীসের সনদে সা‘দ ইবনু ‘উবাইদার নাম অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। সুফ্ইয়ানের রিওয়ায়াতই যেন অধিক সহীহ। ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ বলেছেন, আমার মতে শু‘বাহ্র সমতুল্য কেউ নেই। কোন রিওয়ায়াতের বেলায় সুফ্ইয়ানের সাথে তার মতের অমিল হলে সেই ক্ষেত্রে আমি সুফ্ইয়ানের বক্তব্য গ্রহণ করি। আবূ ‘ঈসা বলেন, আমি আবূ ‘আম্মারকে ওয়াকীর সূত্রে উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বলেন, শু‘বাহ্ বলেছেন, সুফ্ইয়ান আমার চাইতে অনেক বেশী স্মৃতিশক্তির অধিকারী। সুফ্ইয়ান কারো বরাতে আমার নিকট কিছু বর্ণনা করলে আমি সেই প্রসঙ্গে উক্ত ব্যক্তিকে প্রশ্ন করলে তিনি হুবহু তাই বলেন যা সুফ্ইয়ান আমাকে বলেছেন। এ অনুচ্ছেদে ‘আলী ও সা‘দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری









সুনান আত-তিরমিযী (2909)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ ‏"‏ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ عَلِيٍّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ ‏.




আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে লোকই তোমাদের মধ্যে উত্তম যে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অন্যকে শিখায়।

পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

আবূ ‘ঈসা বলেন, আমরা এ হাদীস শুধু ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইসহাকের রিওয়ায়াত হিসেবে ‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে জেনেছি।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح









সুনান আত-তিরমিযী (2910)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ كَعْبٍ الْقُرَظِيَّ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا لاَ أَقُولُ الم حَرْفٌ وَلَكِنْ أَلِفٌ حَرْفٌ وَلاَمٌ حَرْفٌ وَمِيمٌ حَرْفٌ ‏"‏ ‏.‏ وَيُرْوَى هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَرَوَاهُ أَبُو الأَحْوَصِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رَفَعَهُ بَعْضُهُمْ وَوَقَفَهُ بَعْضُهُمْ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ سَمِعْتُ قُتَيْبَةَ بْنَ سَعِيدٍ يَقُولُ بَلَغَنِي أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ كَعْبٍ الْقُرَظِيَّ وُلِدَ فِي حَيَاةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمُحَمَّدُ بْنُ كَعْبٍ الْقُرَظِيُّ يُكْنَى أَبَا حَمْزَةَ ‏.‏




আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার কিতাবের একটি হরফ যে ব্যক্তি পাঠ করবে তার জন্য এর সাওয়াব আছে। আর সাওয়াব হয় তার দশ গুণ হিসেবে। আমি বলি না যে, ‘আলিফ-লাম-মীম’ একটি হরফ, বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ।

সহীহঃ তাখরীজুত্ তাহাবীয়াহ (১৩৯), মিশকাত (২১৩৭)।

ইবনু মাস’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে উপরোক্ত সনদ সূত্র ব্যতীত অন্য সূত্রেও এই হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীস আবুল আহ্ওয়াস (রাহিমাহুল্লাহ) ইবনু মাস’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। তাদের কিছু বর্ণনাকারী এটিকে মারুফূ’ হাদীস হিসেবে এবং কিছু বর্ণনাকারী মাওকূফ হাদীস হিসেবে অর্থাৎ ইবনু মাস’ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বক্তব্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং উক্ত সনদে গারীব। আমি কুতাইবা ইবনু সা’ঈদকে বলতে শুনেছি, আমি অবগত হয়েছি যে, মুহাম্মাদ ইবনু কা’ব আল-কুরাযী (রাহিমাহুল্লাহ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় জন্মগ্রহণ করেন। মুহাম্মাদ ইবনু কা’ব আল-কুরাযী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর উপনাম আবূ হামযা।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (2137)









সুনান আত-তিরমিযী (2911)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خُنَيْسٍ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا أَذِنَ اللَّهُ لِعَبْدٍ فِي شَيْءٍ أَفْضَلَ مِنْ رَكْعَتَيْنِ يُصَلِّيهِمَا وَإِنَّ الْبِرَّ لَيُذَرُّ عَلَى رَأْسِ الْعَبْدِ مَا دَامَ فِي صَلاَتِهِ وَمَا تَقَرَّبَ الْعِبَادُ إِلَى اللَّهِ بِمِثْلِ مَا خَرَجَ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو النَّضْرِ يَعْنِي الْقُرْآنَ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَبَكْرُ بْنُ خُنَيْسٍ قَدْ تَكَلَّمَ فِيهِ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَتَرَكَهُ فِي آخِرِ أَمْرِهِ ‏.‏




আবূ উমামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার দুই রাক্আত নামাযে যেভাবে মনঃসংযোগ করেন এর চেয়ে কোন কিছুতেই এই প্রকার করেন না। বান্দা যতক্ষণ নামাযে নিয়োজিত থাকে ততক্ষণ তার মাথার উপর সাওয়াব বর্ষিত হতে থাকে। বান্দা কুরআন পাঠের মাধ্যমে আল্লাহ্ তা’আলার যতটুকু নৈকট্য অর্জন করতে পারে অন্য কিছু দ্বারা তাঁর এত নৈকট্য অর্জন করতে পারে না।

যঈফ, মিশকাত (১৩৩২), যঈফা (১৯৫৭)



আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। ইবনুল মুবারাক (রাহিমাহুল্লাহ) বাক্‌র ইবনু খুনাইসের সমালোচনা করেছেন এবং পরিশেষে তাকে পরিহার করেছেন। যাইদ ইবনু আরতাত হতে জুবাইর ইবনু নুফাইর বরাতে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে এটি মুরসালরূপে বর্ণিত আছে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، لیث: ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 273)









সুনান আত-তিরমিযী (2912)


وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلٌ ‏.‏ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ، إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّكُمْ لَنْ تَرْجِعُوا إِلَى اللَّهِ بِأَفْضَلَ مِمَّا خَرَجَ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي الْقُرْآنَ ‏.‏




জুবাইর ইবনু নুফাইর (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা হতে নিঃসৃত জিনিস অর্থাৎ কুরআন মাজীদের তুলনায় শ্রেষ্ঠতর কোন কিছু নিয়ে তোমরা আল্লাহ্ তা’আলার কাছে ফিরে যেতে পারবে না।

যঈফ, যঈফা।

-




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، السند مرسل،وذکرہ أبو داود فی، المراسیل (538) ، (انوار الصحیفہ ص 273)









সুনান আত-তিরমিযী (2913)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ قَابُوسِ بْنِ أَبِي ظَبْيَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ الَّذِي لَيْسَ فِي جَوْفِهِ شَيْءٌ مِنَ الْقُرْآنِ كَالْبَيْتِ الْخَرِبِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏




ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যার হৃদয়ে কুরআনের কিছুই নেই সে বর্জিত ঘরের মত।

যঈফ, মিশকাত (২১৩৫)।



আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف ، قابوس ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 274)









সুনান আত-তিরমিযী (2914)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ، وَأَبُو نُعَيْمٍ عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يُقَالُ لِصَاحِبِ الْقُرْآنِ اقْرَأْ وَارْتَقِ وَرَتِّلْ كَمَا كُنْتَ تُرَتِّلُ فِي الدُّنْيَا فَإِنَّ مَنْزِلَتَكَ عِنْدَ آخِرِ آيَةٍ تَقْرَأُ بِهَا ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.




আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (ক্বিয়ামাতের দিন) কুরআনের বাহককে বলা হবে, পাঠ করতে থাক ও উপরে আরোহণ করতে থাক এবং দুনিয়াতে যেভাবে ধীরে সুস্থে পাঠ করতে ঠিক সেরূপে ধীরে সুস্থে পাঠ করতে থাক। যে আয়াতে তোমার পাঠ সমাপ্ত হবে সেখানেই তোমার স্থান।

হাসান সহীহঃ মিশকাত (২১৩৪), তা’লীকুর রাগীব (২/২০৮), সহীহ আবূ দাঊদ (১৩১৭), সহীহাহ্ (২২৪০)।

-




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن، مشکوۃ المصابیح (2134)









সুনান আত-তিরমিযী (2915)


حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَجِيءُ الْقُرْآنُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَقُولُ يَا رَبِّ حَلِّهِ فَيُلْبَسُ تَاجَ الْكَرَامَةِ ثُمَّ يَقُولُ يَا رَبِّ زِدْهُ فَيُلْبَسُ حُلَّةَ الْكَرَامَةِ ثُمَّ يَقُولُ يَا رَبِّ ارْضَ عَنْهُ فَيَرْضَى عَنْهُ فَيُقَالُ لَهُ اقْرَأْ وَارْقَ وَتُزَادُ بِكُلِّ آيَةٍ حَسَنَةً ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.




আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরআন ক্বিয়ামাত দিবসে হাযির হয়ে বলবে, হে আমার প্রভু! একে (কুরআনের বাহককে) অলংকার পরিয়ে দিন। তারপর তাকে সম্মান ও মর্যাদার মুকুট পরানো হবে। সে আবার বলবে, হে আমার প্রভু! তাকে আরো পোশাক দিন। সুতরাং তাকে মর্যাদার পোশাক পরানো হবে। সে আবার বলবে, হে আমার প্রভু! তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন। কাজেই তিনি তার উপর সন্তুষ্ট হবেন। তারপর তাকে বলা হবে, তুমি এক এক আয়াত পাঠ করতে থাক এবং উপরের দিকে উঠতে থাক। এমনিভাবে প্রতি আয়াতের বিনিময়ে তার একটি করে সাওয়াব (মর্যাদা) বাড়ানো হবে।

হাসানঃ তা’লীকুর রাগীব (২/২০৭)।

আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার-মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফার হতে, তিনি শু‘বাহ্ হতে, তিনি আসিম ইবনু বাহদালা হতে, তিনি আবূ সালিহ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে উপরোক্ত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি এ সূত্রে মারফূরূপে বর্ণনা করেননি। আবূ ‘ঈসা বলেন, ‘আবদুস সামাদ হতে শু‘বাহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের তুলনায় এটিই আমাদের মতে অনেক বেশী সহীহ। বুনদার ‘আবদুর রাহমান ইবনু মাহ্দী হতে, তিনি সুফ্ইয়ান হতে, তিনি আসিমের সূত্রে উপরে বর্ণিত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছন।




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن









সুনান আত-তিরমিযী (2916)


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الْحَكَمِ الْوَرَّاقُ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عُرِضَتْ عَلَىَّ أُجُورُ أُمَّتِي حَتَّى الْقَذَاةِ يُخْرِجُهَا الرَّجُلُ مِنَ الْمَسْجِدِ وَعُرِضَتْ عَلَىَّ ذُنُوبُ أَمَّتِي فَلَمْ أَرَ ذَنْبًا أَعْظَمَ مِنْ سُورَةٍ مِنَ الْقُرْآنِ أَوْ آيَةٍ أُوتِيهَا رَجُلٌ ثُمَّ نَسِيَهَا ‏"‏ ‏.

‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ قَالَ وَذَاكَرْتُ بِهِ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ فَلَمْ يَعْرِفْهُ وَاسْتَغْرَبَهُ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ وَلاَ أَعْرِفُ لِلْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ سَمَاعًا مِنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ قَوْلَهُ حَدَّثَنِي مَنْ شَهِدَ خُطْبَةَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ لاَ نَعْرِفُ لِلْمُطَّلِبِ سَمَاعًا مِنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَأَنْكَرَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ أَنْ يَكُونَ الْمُطَّلِبُ سَمِعَ مِنْ أَنَسٍ ‏.




আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সকল সাওয়াব আমার সামনে উপস্থাপন করা হয়, এমনকি মাসজিদ হতে জঞ্জাল দূর করার সাওয়াবও। আমার উম্মাতের গুনাহসমূহও আমার সামনে উপস্থাপন করা হয়। কাউকে কুরআনের কোন সূরা বা আয়াত প্রদান করার পর তা বিস্মৃত হওয়ার চাইতে বড় গুনাহ আমি আর দেখিনি।

যঈফ, মিশকাত (৭২০), রওযুননাযীর (৭২), যঈফ, আবূ দাঊদ (৭১)



আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলের নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি তার অজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং হাদীসটিকে গারীব সংজ্ঞায়িত করেন। মুহাম্মাদ আরো বলেনঃ মুত্তালিব ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হানতাব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের কারো নিকট হতে সোজাসুজি কিছু শুনেছেন বলে আমার জানা নেই। তার নিম্নোক্ত কথাটি ভিন্নঃ “যিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভাষণে হাজির ছিলেন তিনি আমাকে বলেছেন” (এ কথা তার কোন সাহাবীর সাক্ষাত লাভ প্রমাণ করে, এ ছাড়া আর কোন দলিল পাওয়া যায় না)।
আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমানকে বলতে শুনেছি, মুত্তালিব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন সাহাবীর নিকট সোজাসুজি কিছু শুনেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবদুল্লাহ (রাহিমাহুল্লাহ) আরও বলেনঃ আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট মুত্তালিবের সরাসরি শোনার বিষয়টি আলী ইবনুল মাদীনী প্রত্যাখ্যান করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، سنن أبي داود (461)، (انوار الصحیفہ ص 274)