সুনান আত-তিরমিযী
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا تَصَدَّقَ أَحَدٌ بِصَدَقَةٍ مِنْ طَيِّبٍ وَلاَ يَقْبَلُ اللَّهُ إِلاَّ الطَّيِّبَ إِلاَّ أَخَذَهَا الرَّحْمَنُ بِيَمِينِهِ وَإِنْ كَانَتْ تَمْرَةً تَرْبُو فِي كَفِّ الرَّحْمَنِ حَتَّى تَكُونَ أَعْظَمَ مِنَ الْجَبَلِ كَمَا يُرَبِّي أَحَدُكُمْ فَلُوَّهُ أَوْ فَصِيلَهُ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَعَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ وَأَنَسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى وَحَارِثَةَ بْنِ وَهْبٍ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَبُرَيْدَةَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
সাঈদ ইবনু ইয়াসার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি আবূ হুৱাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক বৈধ উপার্জন হতে দান খায়রাত করে, আর আল্লাহ তা’আলা হালাল ও পবিত্র মাল ছাড়া গ্রহণ করেন না, সেই দান দয়াময় রাহমান স্বয়ং ডান হাতে গ্রহণ করেন, তা যদি সামান্য একটি খেজুর হয় তাহলেও। এটা দয়াময় রাহমানের হাতে বাড়তে বাড়তে পাহাড় হতেও বড় হয়ে যায়; যেভাবে তোমাদের কেউ তার দুধ ছাড়ানো গাভী বা ঘোড়ার বাচ্চাকে লালন পালন করে থাকে।
-সহীহ্, জিলালুল জুন্নাহ (৬২৩), তা’লীকুর রাগীব, ইরওয়া (৮৮৬), বুখারী, মুসলিম।
আইশা, আদী ইবনু হাতিম, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা, হারিসা ইবনু ওয়াহ্ব, আবদুর রাহমান ইবনু আওফ ও বুরাইদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (1410) و (7430)، ومسلم (1014)، وابن ماجه (1842)، والنسائي في "المجتبى" 5/ 57، وفي "الكبرى" (7335) و (7759)، وهو في "المسند" (8381) و (10945)، و"صحيح ابن حبان" (270) و (3316) و (3319). قوله: "فلوه"، الفلو: المهر.
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ يَقْبَلُ الصَّدَقَةَ وَيَأْخُذُهَا بِيَمِينِهِ فَيُرَبِّيهَا لأَحَدِكُمْ كَمَا يُرَبِّي أَحَدُكُمْ مُهْرَهُ حَتَّى إِنَّ اللُّقْمَةَ لَتَصِيرُ مِثْلَ أُحُدٍ " . وَتَصْدِيقُ ذَلِكَ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ (وهُوَ الَّذِي يَقبَلُ التَّوبَةَ عَنْ عِبَادِهِ ) ويَأْخُذُ الصَّدَقَاتِ (يَمْحَقُ الله الرَّبَا ويُرْبِي الصَّدَقَاتِ).
قَالَ أَبُو عِيسَى: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.
وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوُ هَذَا. وَقَدْ قَالَ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَمَا يُشْبِهُ هَذَا مِنَ الرِّوَايَاتِ مِنَ الصِّفَاتِ وَنُزُولِ الرَّبِّ تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا قَالُوا قَدْ تَثْبُتُ الرِّوَايَاتُ فِي هَذَا وَيُؤْمَنُ بِهَا وَلاَ يُتَوَهَّمُ وَلاَ يُقَالُ كَيْفَ هَكَذَا رُوِيَ عَنْ مَالِكٍ وَسُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ أَنَّهُمْ قَالُوا فِي هَذِهِ الأَحَادِيثِ أَمِرُّوهَا بِلاَ كَيْفٍ. وَهَكَذَا قَوْلُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَهْلِ السُّنَّةِ وَالْجَمَاعَةِ. وَأَمَّا الْجَهْمِيَّةُ فَأَنْكَرَتْ هَذِهِ الرِّوَايَاتِ وَقَالُوا هَذَا تَشْبِيهٌ. وَقَدْ ذَكَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي غَيْرِ مَوْضِعٍ مِنْ كِتَابِهِ الْيَدَ وَالسَّمْعَ وَالْبَصَرَ فَتَأَوَّلَتِ الْجَهْمِيَّةُ هَذِهِ الآيَاتِ فَفَسَّرُوهَا عَلَى غَيْرِ مَا فَسَّرَ أَهْلُ الْعِلْمِ وَقَالُوا إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَخْلُقْ آدَمَ بِيَدِهِ. وَقَالُوا إِنَّ مَعْنَى الْيَدِ هَاهُنَا الْقُوَّةُ. وَقَالَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ إِنَّمَا يَكُونُ التَّشْبِيهُ إِذَا قَالَ يَدٌ كَيَدٍ أَوْ مِثْلُ يَدٍ أَوْ سَمْعٌ كَسَمْعٍ أَوْ مِثْلُ سَمْعٍ. فَإِذَا قَالَ سَمْعٌ كَسَمْعٍ أَوْ مِثْلُ سَمْعٍ فَهَذَا التَّشْبِيهُ وَأَمَّا إِذَا قَالَ كَمَا قَالَ اللَّهُ تَعَالَى يَدٌ وَسَمْعٌ وَبَصَرٌ وَلاَ يَقُولُ كَيْفَ وَلاَ يَقُولُ مِثْلُ سَمْعٍ وَلاَ كَسَمْعٍ فَهَذَا لاَ يَكُونُ تَشْبِيهًا وَهُوَ كَمَا قَالَ اللَّهُ تَعَالَى فِي كِتَابِهِ: {لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ}.
আবু হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা দান-খাইরাত ক্ববুল করেন এবং তা ডান হাতে গ্রহণ করেন। সেগুলো প্রতিপালন করে তিনি তোমাদের কারো জন্য বাড়াতে থাকেন, যেভাবে তোমাদের কেউ তার ঘোড়ার বাচ্চা লালন-পালন করে বড় করতে থাকে। (এ দানের) এক একটি গ্রাস বাড়তে বাড়তে উহুদ পাহাড়ের সমপরিমাণ হয়ে যায়। এর প্রমাণে আল্লাহ তা'আলার কিতাবে আছেঃ তিনি তার বান্দাদের তাওবা ক্ববুল করেন এবং তাদের দান গ্রহণ করেন" (সূরাঃ তাওবা- ১০৪)। "আল্লাহ তা'আলা সুদকে নির্মুল করেন এবং দান-খাইরাত বাড়িয়ে দেন" (সূরাঃ বাকারা- ২৭৬)
হাদীসের বর্ধিত অংশ এর প্রমাণে আল্লাহ্ তা'আলার কিতাব রয়েছে….। মুনকার। ইরওয়া (৩/৩৯৪)তা’লীকুর রাগীব (২/১৯)
আবূ ঈসা বলেন ; এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আয়িশাহ (রা:)-এর সূত্রেও নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। অনেক বিদ্বানগণই এ হাদীস বা এর অনুরূপ বর্ণনা যাতে আল্লাহর গুণাবলী বর্ণিত হয়েছে, যেমন আল্লাহ প্রত্যেক রাত্রে দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন, এ বর্ণনাগুলো সহীহ সাব্যস্ত আছে। ঐগুলোর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। এমন বলা যাবে না যে, এটা কিভাবে ? এটাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের বিদ্বানগণের অভিমত। জাহমিয়াহ সম্প্রদায় এ ধরনের বর্ণনাগুলো অস্বীকার করে। আর বলে, এতে সাদৃশ্য সাব্যস্ত হয়। আল্লাহ তা'আলা কুরআনের অনেক জায়গায় হাত, শ্রবণ এবং দৃষ্টির কথা উল্লেখ করেছেন। জাহমিয়াহগণ তার অপব্যাখ্যা করে বলেছে হাত অর্থ শক্তি। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম বলেনঃ সাদৃশ্য তখন সাব্যস্ত হবে যখন বলা হবে অমুক হাতের মত হাত, অমুক শ্রবণের মত শ্রবণ। কিন্তু যদি বলে, হাত, শ্রবণ ও দৃষ্টি তা সৃষ্টির শ্রবণের মত নয় তবে সাদৃশ্য সাব্যস্ত হবে না। যেমনটি আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, "তার সাদৃশ্য কিছুই নেই। তিনি শ্রবণকারী ও দ্রষ্টা।"
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: منكر بزيادة وتصديق ذلك
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، عباد بن منصورضعیف، والحدیث السابق (الأصل: 661) یغني، عنہ، وانظر صحیح ابن خزیمہ (ح 2427، بتحقیقی)، (انوار الصحیفہ ص 207)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح دون قوله: "وتصديق ذلك .. إلخ"، فقد تفرد بها عباد بن منصور الناجي، وفيه لين. قال الحافظ ابن حجر في "الفتح" 3/ 280: إنه وقع التصريح بأن تلاوة الآية من كلام أبي هريرة في رواية ابن جرير. قلنا: لم نجده في "تفسيره" المطبوع، وعلى تقدير أن ذلك من كلام أبي هريرة، فيبقى في الطريق إليه عباد بن منصور، وهو كما عرفت.
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ مُوسَى، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الصَّوْمِ أَفْضَلُ بَعْدَ رَمَضَانَ فَقَالَ " شَعْبَانُ لِتَعْظِيمِ رَمَضَانَ " . قِيلَ فَأَىُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ قَالَ " صَدَقَةٌ فِي رَمَضَانَ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ . وَصَدَقَةُ بْنُ مُوسَى لَيْسَ عِنْدَهُمْ بِذَاكَ الْقَوِيِّ .
আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হল, রামাযানের রোযার পর কোন রোযা সবচাইতে বেশী মর্যাদা সম্পন্ন? তিনি বলেনঃ রামাযানের সম্মানার্থে শা'বানের রোযা। প্রশ্নকারী আবার বলল, কোন (সময়ের) দান-খাইরাত সবচাইতে বেশী মর্যাদা সম্পন্ন? তিনি বললেনঃ রামাযান মাসের দান-খাইরাত।
যঈফ, ইরওয়া (৮৮৯)
আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি গারীব। সাদাকা ইবনু মূসা হাদীস বিশারদদের মতে খুব একটা নির্ভরযোগ্য রাবী নন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، صدقۃ بن موسی: ضعیف، (انوار الصحیفہ ص 207)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لضعف صدقة بن موسى. وأخرجه البغوي في "شرح السنة" (1778) من طريق المصنف، بهذا الإسناد.
حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ الْعَمِّيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِيسَى الْخَزَّازُ الْبَصْرِيُّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ الصَّدَقَةَ لَتُطْفِئُ غَضَبَ الرَّبِّ وَتَدْفَعُ مِيتَةَ السُّوءِ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .
আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দান-খাইরাত আল্লাহ তা'আলার অসন্তুষ্টি কমিয়ে দেয় এবং অপমানজনক মৃত্যু রোধ করে।
হাদীসের প্রথমাংশ সহীহ, ইরওয়া (৮৮৫), সাহীহাহ (১৯০৮)
আবূ ঈসা বলেনঃ উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি গারীব।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، عبد اللّٰہ بن عیسی الخزاز: ضعیف، (تقریب: 3524)، والحسن عنعن، وللحدیث شواہد ضعیفۃ، (انوار الصحیفہ ص 207)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن عيسى الخَزَّاز، وعنعنة الحسن، وهو البصري.
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ بُجَيْدٍ، عَنْ جَدَّتِهِ أُمِّ بُجَيْدٍ، - وَكَانَتْ مِمَّنْ بَايَعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْمِسْكِينَ لَيَقُومُ عَلَى بَابِي فَمَا أَجِدُ لَهُ شَيْئًا أُعْطِيهِ إِيَّاهُ . فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنْ لَمْ تَجِدِي شَيْئًا تُعْطِينَهُ إِيَّاهُ إِلاَّ ظِلْفًا مُحْرَقًا فَادْفَعِيهِ إِلَيْهِ فِي يَدِهِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي أُمَامَةَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أُمِّ بُجَيْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আবদুর রাহমান ইবনু বুজাইদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে তার দাদী উন্মু বুজাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে যে সকল মহিলা বাইআ’ত গ্রহণ করেছিলেন তিনিও তাদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, ভিক্ষুক এসে আমার দরজায় দাড়ায়, অথচ আমার হাতে তাকে দেওয়ার মত কিছুই থাকে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ যদি তুমি (পশুর পায়ের) একটি ক্ষুর (খুবই সামান্য জিনিস) ছাড়া তাকে দেওয়ার মত আর কিছু না পাও তবে তাই তার হাতে তুলে দাও।
-সহীহ, তা’লীকুর রাগীব (২/২৯), সহীহ আবূ দাঊদ (১৪৬৭)।
আলী, হুসাইন ইবনু আলী, আবূ হুরাইরা ও আবূ উমামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, উম্মু বুজাইদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ্ হাদীস।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح، مشکوۃ المصابیح (1879) وانظر مشکوۃ المصابیح (1942)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن، وأخرجه أبو داود (1667)، والنسائي 5/ 86. وهو في "المسند" (27148) و (27149)، و"صحيح ابن حبان" (3373).
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ أَعْطَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ حُنَيْنٍ وَإِنَّهُ لأَبْغَضُ الْخَلْقِ إِلَىَّ فَمَا زَالَ يُعْطِينِي حَتَّى إِنَّهُ لأَحَبُّ الْخَلْقِ إِلَىَّ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ بِهَذَا أَوْ شِبْهِهِ فِي الْمُذَاكَرَةِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ صَفْوَانَ رَوَاهُ مَعْمَرٌ وَغَيْرُهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ قَالَ أَعْطَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَكَأَنَّ هَذَا الْحَدِيثَ أَصَحُّ وَأَشْبَهُ إِنَّمَا هُوَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَنَّ صَفْوَانَ . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي إِعْطَاءِ الْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ فَرَأَى أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ لاَ يُعْطَوْا . وَقَالُوا إِنَّمَا كَانُوا قَوْمًا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَتَأَلَّفُهُمْ عَلَى الإِسْلاَمِ حَتَّى أَسْلَمُوا . وَلَمْ يَرَوْا أَنْ يُعْطَوُا الْيَوْمَ مِنَ الزَّكَاةِ عَلَى مِثْلِ هَذَا الْمَعْنَى وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَأَهْلِ الْكُوفَةِ وَغَيْرِهِمْ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ مَنْ كَانَ الْيَوْمَ عَلَى مِثْلِ حَالِ هَؤُلاَءِ وَرَأَى الإِمَامُ أَنْ يَتَأَلَّفَهُمْ عَلَى الإِسْلاَمِ فَأَعْطَاهُمْ جَازَ ذَلِكَ . وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ .
সাফওয়ান ইবনু উমাইয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুনাইনের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কিছু (গানীমাতের) মাল দান করেন। তিনি আমার দৃষ্টিতে সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণ্য দুশমন ছিলেন। আমাকে তিনি দান করতে থাকলেন। যার ফলে তিনিই আমার নিকটে সৃষ্টিকুলের মাঝে সবচেয়ে পছন্দনীয় লোক হয়ে গেলেন।
-সহীহ্, মুসলিম।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, সাফওয়ানের হাদীসটি মা’মার এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন যুহরী হতে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব হতে তিনি সাফওয়ান ইবনু উমাইয়্যা হতে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দান করেছেন...... এই হাদীসটি অধিক সহীহ্।
‘মুয়াল্লাফাতুল কুলূবদের’ দান করার ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতবিরোধ আছে। বেশির ভাগ আলিমদের মতে, তাদেরকে দান করা যাবে না। তারা বলেন, এ ধরণের একটা দল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ছিল যাদেরকে তিনি ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করতে চেয়েছেন। তারপর তারা ইসলাম মেনে নেয়। এ ধরণের লোকদেরকে বর্তমানে যাকাত হতে দান করার প্রয়োজন নেই। সুফিয়ান সাওরী, কূফাবাসীগণ, আহ্মাদ ও ইসহাক এই মত ব্যক্ত করেন। আরেক দল আলিম বলেছেন, যদি এ ধরণের লোক বর্তমানেও থেকে থাকে এবং ইমাম যদি তাদেরকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করার প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তাদেরকে কিছু দান করলে তা জায়িয হবে। ইমাম শাফিঈ এই মত প্রকাশ করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، أخرجه مسلم (2313). وهو في "المسند" (15304)، و"صحيح ابن حبان" (4828).
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ أَتَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ تَصَدَّقْتُ عَلَى أُمِّي بِجَارِيَةٍ وَإِنَّهَا مَاتَتْ . قَالَ " وَجَبَ أَجْرُكِ وَرَدَّهَا عَلَيْكِ الْمِيرَاثُ " . قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا كَانَ عَلَيْهَا صَوْمُ شَهْرٍ أَفَأَصُومُ عَنْهَا قَالَ " صُومِي عَنْهَا " . قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا لَمْ تَحُجَّ قَطُّ أَفَأَحُجُّ عَنْهَا قَالَ " نَعَمْ حُجِّي عَنْهَا " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَلاَ يُعْرَفُ هَذَا مِنْ حَدِيثِ بُرَيْدَةَ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَطَاءٍ ثِقَةٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ ثُمَّ وَرِثَهَا حَلَّتْ لَهُ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّمَا الصَّدَقَةُ شَيْءٌ جَعَلَهَا لِلَّهِ فَإِذَا وَرِثَهَا فَيَجِبُ أَنْ يَصْرِفَهَا فِي مِثْلِهِ . وَرَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَزُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَطَاءٍ .
আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি (বুরাইদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আমি বসা ছিলাম। এমন সময় তাঁর নিকট এক মহিলা এসে বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি আমার মাকে একটি দাসী দান করেছিলাম। তিনি মারা গেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি সাওয়াবের অধিকারী হয়ে গেছ এবং উত্তরাধিকার স্বত্ত্ব দাসীটি তোমাকে ফেরত দিয়েছে। সে বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! এক মাসের রোযা আদায় করা তার বাকী আছে, তার পক্ষ হতে আমি কি রোযা আদায় করতে পারি? তিনি বললেনঃ তার পক্ষে তুমি রোযা আদায় কর। সে বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! কখনও তিনি হাজ্জ করেননি। তার পক্ষ হতে আমি কি হাজ্জ আদায় করতে পারি? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তার জন্য তুমি হাজ্জ আদায় কর।
-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭৫৯, ২৩৯৪), মুসলিম।
আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ্ বলেছেন। উপরোক্ত সূত্র ব্যতীত এটি বুরাইদার হাদীস হিসাবে জানা যায়নি। হাদীস বিশারদদের মতে আবদুল্লাহ ইবনু আতা সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) বর্ণনাকারী। এ হাদীস অনুযায়ী বেশির ভাগ আলিম আমল করার মত ব্যক্ত করেছেন। কোন লোক কিছু সাদকা করল এবং পরে আবার সে তার উত্তরাধিকারী হল, এক্ষেত্রে তার জন্য ঐ সম্পদ বৈধ। অপর একদল মনীষী বলেনঃ সাদকা বা দান খায়রাত এমন একটি জিনিস যা শুধুমাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্য খরচ করা হয়। এরকম সম্পদ ওয়ারিস সূত্রে প্রাপ্ত হলে উচিত হচ্ছে ঐ জিনিস পুনরায় সে পথে খরচ করে দেয়া। সুফিয়ান সাওরী ও যুহাইর ইবনু মুআবিয়া-আবদুল্লাহ ইবনু আতার সূত্রে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه بتمامه ومقطعًا مسلم (1149)، وأبو داود (1656) و (2877) و (3309)، وابن ماجه (1759) و (2394)، والنسائي في "الكبرى" (6314 - 6317). وهو في "المسند" (22956). وسيأتي عند المصنف مختصرًا بقطعة الحج برقم (948).
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، أَنَّهُ حَمَلَ عَلَى فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ رَآهَا تُبَاعُ فَأَرَادَ أَنْ يَشْتَرِيَهَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَعُدْ فِي صَدَقَتِكَ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ .
উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তিকে তিনি আল্লাহ্ তা‘আলার পথে ঘোড়া দান করলেন। তিনি দেখতে পেলেন যে, সে লোক ঘোড়াটিকে বিক্রয় করছে। তিনি তা কিনতে ইচ্ছা করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমার দান করা বস্তু তুমি ফিরত নিও না।
-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩৯০), বুখারী, মুসলিম।
আবূ ঈসা হাদীসটিকে হাসান সহীহ্ বলেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ আলিম আমল করার কথা বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه بتمامه ومختصرًا البخاري (1489) و (2970)، ومسلم (1620) و (1621)، وابن ماجه (2390) و (2392) والنسائي 5/ 108 و 109. وهو في "مسند" أحمد (166) و (258)، و"صحيح ابن حبان" (5125).
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أُمِّي تُوُفِّيَتْ أَفَيَنْفَعُهَا إِنْ تَصَدَّقْتُ عَنْهَا قَالَ " نَعَمْ " . قَالَ فَإِنَّ لِي مَخْرَفًا فَأُشْهِدُكَ أَنِّي قَدْ تَصَدَّقْتُ بِهِ عَنْهَا .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَبِهِ يَقُولُ أَهْلُ الْعِلْمِ . يَقُولُونَ لَيْسَ شَيْءٌ يَصِلُ إِلَى الْمَيِّتِ إِلاَّ الصَّدَقَةُ وَالدُّعَاءُ . وَقَدْ رَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً . قَالَ وَمَعْنَى قَوْلِهِ إِنَّ لِي مَخْرَفًا . يَعْنِي بُسْتَانًا .
ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, এক লোক বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা মৃত্যুবরণ করেছেন। তার পক্ষে আমি দান-খায়রাত করলে তার কি কোন কল্যাণে আসবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ। সে বলল, আমার একটি বাগান আছে। আপনাকে আমি সাক্ষী রেখে তার পক্ষ থেকে তা দান করলাম।
-সহীহ, সহীহ আবূ দাঊদ (৬৫৬৬), বুখারী।
আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী আলিমগণ মত ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা বলেন, মৃত ব্যক্তির নিকটে দু‘আ এবং দান-খায়রাত পৌঁছে। এ হাদীসটিকে কিছু বর্ণনাকারী মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। মাখরাফ শব্দের অর্থ হলো ফলের বাগান।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (2756) و (2762) و (2770)، وأبو داود (2882)، والنسائي 6/ 252 و 252 - 253. وهو في "مسند أحمد" (3080) و (3504). وسُمي الرجلُ في بعض الروايات سعدَ بنَ عُبادة.
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ الْخَوْلاَنِيُّ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي خُطْبَتِهِ عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ يَقُولُ " لاَ تُنْفِقُ امْرَأَةٌ شَيْئًا مِنْ بَيْتِ زَوْجِهَا إِلاَّ بِإِذْنِ زَوْجِهَا " . قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلاَ الطَّعَامُ قَالَ " ذَاكَ أَفْضَلُ أَمْوَالِنَا " . وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ وَأَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَعَائِشَةَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي أُمَامَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ .
আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বিদায় হাজ্জের বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর বক্তৃতায় বলতে শুনেছিঃ স্বামীর ঘর হতে তার পূবার্নুমতি ছাড়া কোন স্ত্রীলোক যেন কিছু দান না করে। প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! খাবারও কি নয়? তিনি বললেনঃ খাবার তো আমাদের উত্তম সম্পদ।
-হাসান, ইবনু মা-জাহ (২২৯৫)।
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, আসমা বিনতু আবূ বাক্র, আবূ হুরাইরা, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ উসামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن، مشکوۃ المصابیح (1951)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح لغيره، وهذا إسناد حسن من أجل إسماعيل بن عيَّاش، فهو صدوق حسن الحديث في روايته عن الشاميين، وهذا منها.
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ، يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِذَا تَصَدَّقَتِ الْمَرْأَةُ مِنْ بَيْتِ زَوْجِهَا كَانَ لَهَا بِهِ أَجْرٌ وَلِلزَّوْجِ مِثْلُ ذَلِكَ وَلِلْخَازِنِ مِثْلُ ذَلِكَ وَلاَ يَنْقُصُ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ مِنْ أَجْرِ صَاحِبِهِ شَيْئًا لَهُ بِمَا كَسَبَ وَلَهَا بِمَا أَنْفَقَتْ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ .
আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর ঘর হতে স্ত্রী কোন কিছু দান করলে এতে তার সাওয়াব হয়। স্বামীরও সমপরিমান সাওয়াব হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণকারীরও সমপরিমান সাওয়াব হয়। এতে একজন অন্যজনের কিছু পরিমাণ সাওয়াবও কমাতে পারে না। স্বামীকে উপার্জনের জন্য এবং স্ত্রীকে খরচের জন্য সাওয়াব দেওয়া হয়।
-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২২৯৪), বুখারী, মুসলিম।
আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (1437) و (1439 - 1441) و (2065)، ومسلم (1024)، وابن ماجه (2294)، والنسائي في "المجتبى" 5/ 65، وفي "الكبرى" (9109). وهو في "مسند أحمد" (24171)، و"صحيح ابن حبان" (3358).
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا الْمُؤَمَّلُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَعْطَتِ الْمَرْأَةُ مِنْ بَيْتِ زَوْجِهَا بِطِيبِ نَفْسٍ غَيْرَ مُفْسِدَةٍ كَانَ لَهَا مِثْلُ أَجْرِهِ لَهَا مَا نَوَتْ حَسَنًا وَلِلْخَازِنِ مِثْلُ ذَلِكَ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي وَائِلٍ وَعَمْرُو بْنُ مُرَّةَ لاَ يَذْكُرُ فِي حَدِيثِهِ عَنْ مَسْرُوقٍ .
আইশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর ঘর হতে যে মহিলা কোনরূপ অপচয় না করে এবং খুশি মনে কোন কিছু দান করে সে স্বামীর সমপরিমান সাওয়াব লাভ করে। তার সৎ উদ্দেশ্যের জন্য সে সাওয়াব লাভ করে এবং রক্ষণাবেক্ষণকারী একই পরিমাণে সাওয়াব অর্জন করে।
পূববর্তী হাদীসের সহায়তায় হাদীসটি সহীহ্।
আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ ওয়ায়িল হতে আমর ইবনু মুররাহ কর্তৃক বর্ণিত হাদীস হতে এটা অনেক বেশি সহীহ্। কেননা আমর ইবনু মুররাহ্ তার বর্ণনায় মাসরুকের উল্লেখ করেন নাই।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح لغيره
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: سلف تخريجه في الذي قبله.
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ كُنَّا نُخْرِجُ زَكَاةَ الْفِطْرِ إِذْ كَانَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - صَاعًا مِنْ طَعَامٍ أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ زَبِيبٍ أَوْ صَاعًا مِنْ أَقِطٍ فَلَمْ نَزَلْ نُخْرِجُهُ حَتَّى قَدِمَ مُعَاوِيَةُ الْمَدِينَةَ فَتَكَلَّمَ فَكَانَ فِيمَا كَلَّمَ بِهِ النَّاسَ إِنِّي لأَرَى مُدَّيْنِ مِنْ سَمْرَاءِ الشَّامِ تَعْدِلُ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ . قَالَ فَأَخَذَ النَّاسُ بِذَلِكَ . قَالَ أَبُو سَعِيدٍ فَلاَ أَزَالُ أُخْرِجُهُ كَمَا كُنْتُ أُخْرِجُهُ .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ يَرَوْنَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ صَاعًا . وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ . وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ صَاعٌ إِلاَّ مِنَ الْبُرِّ فَإِنَّهُ يُجْزِئُ نِصْفُ صَاعٍ . وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَأَهْلِ الْكُوفَةِ يَرَوْنَ نِصْفَ صَاعٍ مِنْ بُرٍّ .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে থাকা অবস্থায় আমরা (মাথাপিছু) এক সা’ খাবার অথবা এক সা’ যব অথবা এক সা’ খেজুর অথবা এক সা’ কিশমিশ অথবা এক সা’ পনির (ফিতরা হিসাবে) দান করতাম। আমরা এভাবেই দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু মুআবিয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মাদীনায় এসে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে লোকদের সাথে আলোচনা করলেন। তার আলোচনার মধ্যে একটি ছিলঃ আমি দেখছি, সিরিয়ার দুই মুদ্দ গম এক সা’ খেজুরের সমান। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর লোকেরা এটাই অনুসরন করতে লাগলো। আবূ সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, কিন্তু আমি পূর্বের মতই দিতে থাকব।
-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮২৯), বুখারী, মুসলিম।
আবূ ঈসা হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসের অনুসরণ করে একদল মনীষী বলেন, প্রতিটি জিনিস এক সা’ পরিমাণ হতে হবে। একই রকম মত প্রকাশ করেছেন ইমাম শাফিঈ, আহ্মাদ ও ইসহাক। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও অন্যান্যরাও বলেছেন, এক সা’ পরিমাণই প্রতিটি জিনিস হতে হবে কিন্তু গম অর্ধ সা’ পরিমাণ দিলেই যথেষ্ট। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও কূফাবাসীদের মত এটাই যে, গম অর্ধেক সা’ পরিমাণ দিলেই চলবে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (1505) و (1508)، ومسلم (985)، وأبو داود (1616 - 1618)، وابن ماجه (1829)، والنسائي 5/ 51 - 53. وهو في "مسند أحمد" (11182) و (11932)، و"صحيح ابن حبان" (3305).
حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مُنَادِيًا فِي فِجَاجِ مَكَّةَ " أَلاَ إِنَّ صَدَقَةَ الْفِطْرِ وَاجِبَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى حُرٍّ أَوْ عَبْدٍ صَغِيرٍ أَوْ كَبِيرٍ مُدَّانِ مِنْ قَمْحٍ أَوْ سِوَاهُ صَاعٌ مِنْ طَعَامٍ " .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . وَرَوَى عُمَرُ بْنُ هَارُونَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ وَقَالَ عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ مِينَاءَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ بَعْضَ هَذَا الْحَدِيثِ .
আমর ইবনু শুআইব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার অলিতে গলিতে লোক পাঠিয়ে ঘোষণা করলেনঃ জেনে রাখ! প্রত্যেক মুসলিম নারী-পুরুষ, আযাদ-গোলাম, ছোট অথবা বড় সকলের ওপর ফিতরা ওয়াজিব। এর পরিমাণ হল, (মাথাপিছু) দুই মুদ্দ গম অথবা এটা ছাড়া এক সা’ পরিমাণ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য।
সনদ দুর্বল
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। উমার ইবনু হারুন হাদীসটি ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি আমর ইবনু শুয়াইবের স্থলে আব্বাস ইবনু মীনার নাম উল্লেখ করেছেন। জারুদও উমার ইবনু হারুন হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف الإسناد
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابن جریج مدلس وعنعن ، (انوار الصحیفہ ص 207)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف، سالم بن نوح فيه مقال، وابن جريج قال البخاري فيما نقل عنه الترمذي في "علله الكبير" 2/ 325: لم يسمع من عمرو بن شعيب.
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَدَقَةَ الْفِطْرِ عَلَى الذَّكَرِ وَالأُنْثَى وَالْحُرِّ وَالْمَمْلُوكِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ . قَالَ فَعَدَلَ النَّاسُ إِلَى نِصْفِ صَاعٍ مِنْ بُرٍّ .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَجَدِّ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ وَثَعْلَبَةَ بْنِ أَبِي صُعَيْرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو .
ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রত্যেক পুরুষ, নারী, মুক্ত দাস-দাসীর উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সা’ পরিমাণ খেজুর অথবা এক সা’ পরিমাণ যব ফিত্রা হিসেবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, কিন্তু পরবর্তীতে লোকেরা অর্ধেক সা’ গমকে এর সমপরিমাণ ধরে নিয়েছে।
-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮২৫), বুখারী।
আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ্ বলেছেন। আবূ সাঈদ, ইবনু আব্বাস, হারিস ইবনু আবদুর রাহমান ইবনু আবূ যুবাবের দাদা, সালাবা ইবনু আবূ সুআইর ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (1503)، ومسلم (984)، وأبو داود (1611 - 1614)، وابن ماجه (1825) و (1826)، والنسائي 5/ 46 - 49. وهو في "مسند أحمد" (4486)، و"صحيح ابن حبان" (3300 - 3304)، و"شرح مشكل الآثار" (3423 - 3427).
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَضَ زَكَاةَ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ عَلَى كُلِّ حُرٍّ أَوْ عَبْدٍ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى مِنَ الْمُسْلِمِينَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَرَوَى مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ أَيُّوبَ وَزَادَ فِيهِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ . وَرَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ نَافِعٍ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ . وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي هَذَا فَقَالَ بَعْضُهُمْ إِذَا كَانَ لِلرَّجُلِ عَبِيدٌ غَيْرُ مُسْلِمِينَ لَمْ يُؤَدِّ عَنْهُمْ صَدَقَةَ الْفِطْرِ . وَهُوَ قَوْلُ مَالِكٍ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ يُؤَدِّي عَنْهُمْ وَإِنْ كَانُوا غَيْرَ مُسْلِمِينَ . وَهُوَ قَوْلُ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَإِسْحَاقَ .
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, মুসলমান মুক্ত অথবা গোলাম, পুরুষ অথবা স্ত্রীলোক নিবির্শেষে সকলের উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সা’ পরিমাণ খেজুর অথবা এক সা’ পরিমাণ যব রামাযান মাসের ফিত্রা হিসাবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
-সহীহ ইবনু মা-জাহ (১৮২৬), বুখারী, মুসলিম।
ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। মালিক নাফি হতে, তিনি ইবনু উমার হতে তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আইয়ূবের হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন এবং তাতে তিনি মুসলিমীন শব্দের উল্লেখ করেছেন। এই হাদীসটি আরও অনেকে নাফি হতে বর্ণনা করেছেন তবে তারা মুসলিমীন শব্দের উল্লেখ করেননি। ইমাম মালিক, শাফিঈ ও আহ্মাদ বলেন, কারো নিকটে কাফির দাস থাকলে তার জন্য ফিতরা আদায় করতে হবে না। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক ও ইসহাক বলেন, কাফির গোলাম হলেও তার জন্য ফিতরা আদায় করতে হবে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: متفق علیہ
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وانظر ما قبله.
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ أَبُو عَمْرٍو الْحَذَّاءُ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ الصَّائِغُ، عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ بِإِخْرَاجِ الزَّكَاةِ قَبْلَ الْغُدُوِّ لِلصَّلاَةِ يَوْمَ الْفِطْرِ .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ . وَهُوَ الَّذِي يَسْتَحِبُّهُ أَهْلُ الْعِلْمِ أَنْ يُخْرِجَ الرَّجُلُ صَدَقَةَ الْفِطْرِ قَبْلَ الْغُدُوِّ إِلَى الصَّلاَةِ .
ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদের দিন সকালে ঈদের নামায আদায় করতে যাওয়ার পূর্বে ফিত্রা আদায়ের নির্দেশ দিতেন।
-হাসান সহীহ্, সহীহ আবূ দাঊদ (১৪২৮), ইরওয়া (৮৩২), বুখারী।
হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসানসহীহ গারীব বলেছেন। সকাল বেলা ঈদের নামায আদায় করতে যাওয়ার পূর্বেই ফিত্রা আদায় করাকে আলিমগণ মুস্তাহাব বলেছেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، وأخرجه البخاري (1503) و (1509)، ومسلم (986)، وأبو داود (1610)، والنسائي 5/ 48 و 54. وهو في "المسند" (5345)، و"صحيح ابن حبان" (3299) و (3303).
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ حُجَيَّةَ بْنِ عَدِيٍّ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّ الْعَبَّاسَ، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ تَعْجِيلِ صَدَقَتِهِ قَبْلَ أَنْ تَحِلَّ فَرَخَّصَ لَهُ فِي ذَلِكَ .
আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এক বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যাকাত আদায় প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। তিনি তাঁকে এর অনুমতি দিয়েছেন।
-হাসান, ইবনু মা-জাহ (১৭৯৫)।
-
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، ابو داود (1624) ابن ماجہ (1795)، الحکم بن عتیبۃ عنعن، (انوار الصحیفہ ص 207)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث حسن، وأخرجه أبو داود (1624)، وابن ماجه (1795). وانظر "مسند أحمد" (822).
حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ دِينَارٍ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ جَحْلٍ، عَنْ حُجْرٍ الْعَدَوِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِعُمَرَ " إِنَّا قَدْ أَخَذْنَا زَكَاةَ الْعَبَّاسِ عَامَ الأَوَّلِ لِلْعَامِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ .
قَالَ أَبُو عِيسَى لاَ أَعْرِفُ حَدِيثَ تَعْجِيلِ الزَّكَاةِ مِنْ حَدِيثِ إِسْرَائِيلَ عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ دِينَارٍ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَحَدِيثُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ زَكَرِيَّا عَنِ الْحَجَّاجِ عِنْدِي أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ إِسْرَائِيلَ عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ دِينَارٍ . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي تَعْجِيلِ الزَّكَاةِ قَبْلَ مَحِلِّهَا فَرَأَى طَائِفَةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ لاَ يُعَجِّلَهَا . وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ قَالَ أَحَبُّ إِلَىَّ أَنْ لاَ يُعَجِّلَهَا . وَقَالَ أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِنْ عَجَّلَهَا قَبْلَ مَحِلِّهَا أَجْزَأَتْ عَنْهُ . وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ .
আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা বছরের শুরুতেই আব্বাসের এই বছরের যাকাত নিয়ে নিয়েছি।
-হাসান।
ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, হাজ্জাজ ইবনু দীনার হতে ইসরাঈল কর্তৃক বর্ণিত অগ্রিম যাকাত আদায়ের হাদীসটি অমরা এই সূত্র ব্যতীত অবগত নই। (তিরমিযী বলেন) আমার মতে, হাজ্জাজ হতে ইসমাঈল ইবনু যাকারিয়া বর্ণিত হাদীসটি হাজাজ ইবনু দীনার হতে ইসরাঈলের বর্ণিত হাদীসের চেয়ে বেশি সহীহ্। এটি হাকাম ইবনু উতাইবাহ হতে মুরসাল হিসেবেও বর্ণিত আছে। আলিমদের মাঝে অগ্রিম যাকাত আদায় করার ব্যাপারে দ্বিমত আছে। একদল মনীষী অগ্রিম যাকাত আদায় করা উচিৎ নয় বলে মত ব্যক্ত করেছেন। সুফিয়ান সাওরী এই মতের সমর্থন করেছেন। তিনি বলেছেন, এটা না করাই আমার মতে উত্তম। বেশিরভাগ মনীষী অগ্রিম যাকাত আদায় করলে তা জায়িয হওয়ার কথা বলেছেন। এ মতের প্রবক্তা হচ্ছেন শাফিঈ, আহ্মাদ ও ইসহাক।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ ضعيف، حجر العدوي لم یتبین لي من ھو (؟)، وللحدیث شواھد ضعیفۃ، (انوار الصحیفہ ص 207)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث حسن، وأخرجه الدارقطني 1/ 124.
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ بَيَانِ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لأَنْ يَغْدُوَ أَحَدُكُمْ فَيَحْتَطِبَ عَلَى ظَهْرِهِ فَيَتَصَدَّقَ مِنْهُ فَيَسْتَغْنِيَ بِهِ عَنِ النَّاسِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَسْأَلَ رَجُلاً أَعْطَاهُ أَوْ مَنَعَهُ ذَلِكَ فَإِنَّ الْيَدَ الْعُلْيَا أَفْضَلُ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ وَالزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ وَعَطِيَّةَ السَّعْدِيِّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَمَسْعُودِ بْنِ عَمْرٍو وَابْنِ عَبَّاسٍ وَثَوْبَانَ وَزِيَادِ بْنِ الْحَارِثِ الصُّدَائِيِّ وَأَنَسٍ وَحُبْشِيِّ بْنِ جُنَادَةَ وَقَبِيصَةَ بْنِ مُخَارِقٍ وَسَمُرَةَ وَابْنِ عُمَرَ .
قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ يُسْتَغْرَبُ مِنْ حَدِيثِ بَيَانٍ عَنْ قَيْسٍ .
আবূ হুরাইরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মাঝে কোন লোক সকালে গিয়ে কাঠ সংগ্রহ করে তা পিঠে করে বহন করে এনে তা হতে প্রাপ্ত উপার্জন হতে সে দান-খায়রাত করল এবং লোকদের নিকটে হাত পাতা হতে বিরত থাকল। তার জন্য এটা অনেক উত্তম অন্যের নিকটে সাহায্য প্রার্থনা করা হতে। আর অন্য লোকের নিকটে চাইলে সে তাকে দিতেও পারে আবার নাও দিতে পারে। কেননা, নিচের হাত হতে উপরের হাত (দান গ্রহণকারীর চেয়ে প্রদানকারী) উত্তম। নিজের প্রতিপাল্যদের নিকট হতে (অর্থ ব্যয় ও দান-খয়রাত) শুরু কর।
-সহীহ্, ইরওয়া (৮৩৪), মুসলিম।
হাকীম ইবনু হিযাম, আবূ সাঈদ আল-খুদরী, যুবাইর ইবনুল আওয়াম, আতিয়্যা আস-সা’দী, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ, মাসঊদ ইবনু আমর, ইবনু আব্বাস, সাওবান, যিয়াদ ইবনু হারিস আস-সুদাঈ, আনাস, হুবশী ইবনু জুনাদা, কাবীসা ইবনু মুখারিক, সামুরা ও ইবনু উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান, সহীহ্ গারীব বলেছেন। কায়িস (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বায়ান (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণিত হাদীসটিকে গারীব হাদীস বলে গণ্য করা হয়েছে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: بخاری ومسلم
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، وأخرجه بتمامه ومختصرًا البخاري (1470)، ومسلم (1042)، والنسائي 5/ 93 - 94 و 96. وهو في "مسند أحمد" (7317) و (10151)، وانظر "صحيح ابن حبان" (3387).