হাদীস বিএন


সুনান আবী দাউদ





সুনান আবী দাউদ (2181)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لْيُطَلِّقْهَا إِذَا طَهُرَتْ أَوْ وَهِيَ حَامِلٌ ‏"‏ ‏.‏




ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিলেন। ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অবহিত করলে তিনি বললেনঃ তাকে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলো, পরে হায়িয থেকে পবিত্র হলে অথবা সে গর্ভবতী হলে তাকে তালাক দিবে।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (1471)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . وكيع : هو ابن الجراح الرؤاسي، وسفيان : هو ابن سعيد الثوري، وسالم : هو ابن عبد الله بن عمر . وأخرجه مسلم (١٤٧١) ، وابن ماجه (٢٠٢٣) ، والترمذي (١٢١٠) ، والنسائى في " الكبرى " (٥٥٦٠) من طريق وكيع، بهذا الإسناد . وأخرجه النسائى في " الكبرى " (٥٧٢١) من طريق حنظلة، عن سالم، به . وهو في " مسند أحمد " (٤٧٨٩). وانظر ما سلف برقم (٢١٧٩).









সুনান আবী দাউদ (2182)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِرَسُولِ صلى الله عليه وسلم فَتَغَيَّظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لْيُمْسِكْهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ فَتَطْهُرَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ طَلَّقَهَا طَاهِرًا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّ فَذَلِكَ الطَّلاَقُ لِلْعِدَّةِ كَمَا أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏"‏ ‏.‏




সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দেয়ায় ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অবহিত করালেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাগান্বিত হয়ে বললেনঃ তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলো। সে যেন তাকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দেয়। অতঃপর আবার ঋতুবতী হয়ে পুনরায় পবিত্র হওয়ার পর ইচ্ছে হলে সঙ্গমের আগেই তাকে তালাক দিতে পারবে। মহান আল্লাহ এভাবে ইদ্দাত পালনের সুযোগ রেখে স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (7160) صحیح مسلم (1471)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح ، وهذا إسناد حسن في المتابعات . عنبسة - وهو ابن خالد بن يزيد الأموي - ضعيف يعتبر به . يونس : هو ابن يزيد الأيلي، وابن شهاب : هو محمد ابن مسلم ابن شهاب القرشي . وأخرجه البخاري (٤٩٠٨) و (٧١٦٠) ، ومسلم (١٤٧١) ، والنسائي في " الكبرى " (٥٥٥٤) من طرق عن ابن شهاب، بهذا الإسناد . وهو في " مسند أحمد " (٥٢٧٠). وانظر ما سلف برقم (٢١٧٩).









সুনান আবী দাউদ (2183)


حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ جُبَيْرٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ كَمْ طَلَّقْتَ امْرَأَتَكَ فَقَالَ وَاحِدَةً ‏.‏




ইউনুস ইবনু জুবাইর (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি আপনার স্ত্রীকে কত তালাক দিয়েছিলেন? তিনি বললেন, এক তালাক।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح، صحیح بخاری (5333) صحیح مسلم (1471)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح ، عبد الرزاق : هو الصنعاني، ومعمر : هو ابن راشد، وأيوب : هو السختياني، وابن سيرين : هو محمد الأنصاري . وهو عند عبد الرزاق في " مصنفه " (١٠٩٥٩). وأخرجه بنحوه البخاري (٥٢٥٣) ومسلم (١٤٧١) ، والترمذي (١٢٠٩) ، والنسائي في " الكبرى " (٥٥٦٢) من طرق عن أيوب، بهذا الاسناد . وأخرج بنحوه أيضاً مسلم (١٤٧١) من طرق عن أيوب، عن ابن سيرين، عمن لا أتهم، عن ابن عمر . وهو في " مسند أحمد " (٥١٢١). وانظر ما بعده وما سلف برقم (٢١٧٩).









সুনান আবী দাউদ (2184)


حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ إِبْرَاهِيمَ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ جُبَيْرٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ قُلْتُ رَجُلٌ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ ‏.‏ قَالَ تَعْرِفُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ فَإِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ ‏.‏ فَأَتَى عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ فَقَالَ ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لْيُطَلِّقْهَا فِي قُبُلِ عِدَّتِهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ فَيُعْتَدُّ بِهَا قَالَ فَمَهْ أَرَأَيْتَ إِنْ عَجَزَ وَاسْتَحْمَقَ




ইউনুস ইবনু জুবাইর (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিয়েছে, তার হুকুম কি? তিনি বললেন, তুমি কি ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে চিনো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিয়েছিলো। ফলে ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাকে বলো, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে। তারপর ইদ্দতাকালের পূর্বেই যেন তাকে তালাক দেয়। বর্ণনাকারী বলেন, আমি জিজ্ঞেস ক্রলাম, ঐ তালাকটি কি গ্ণ্য হবে? তিনি বললেন, কেন নয়? তোমার ধারণা, যদি সে এরূপ করতে অপারগ হয় তবে সে আহাম্মকের মত কাজ করলো।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (5333) صحیح مسلم (1471)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . القعنبيُّ : هو عبد الله بن مسلمة . وأخرجه البخاري (٥٢٥٨) و (٥٣٣٣) ، ومسلم (١٤٧١) ، وابن ماجه (٢٠٢٢) ، والترمذي (١٢٠٩) ، والنسائي في " الكبرى " (٥٥٦٢) و (٥٥٦٣) و (٥٧١٨) من طرق عن يونس بن جبير، به . وأخرجه البخاري (٥٢٥٢) ، ومسلم (١٤٧١) من طريق أنس بن سيرين، عن ابن عمر . وأخرجه مسلم (١٤٧١) من طريق أيوب، محمد بن سيرين، عمن لا أتهمهم، عن ابن عمر . وهو في " مسند أحمد " (٥٠٢٥). وانظر ما قبله وما سلف برقم (٢١٧٩). قال الخطابي : فيه بيان أن الطلاق في الحيض واقع، ولولا أنه قد وقع لم يكن لأمره بالمراجعة معنى، وانظر " التمهيد " ١٥ / ٥٨ لابن عبد البر . وفي قوله : أرأيت إن عجز أو استحمق حذفٌ وإضمارٌ، كأنه يقول : أرأيت إن عجز أو استحمق أيُسقِطُ عنه الطلاق حمقُه أو يبطله عجزُه، وقال النووي : الهمزة في " أرأيتَ " للاستفهام الإنكاري، أي : نعم يحتسب الطلاق، ولا يمنع احتسابه لعجزه وحماقته . وقال : قد أجمعت الأمة على تحريم طلاق الحائض الحائل بغير رضاها، فلو طلقها أثم ووقع طلاقه، ويؤمر بالرجعة . وانظر لزاماً في ما علقته على الحديث (٤٢٦٣) من " صحيح ابن حبان " و " شرح مسلم " للنووي ٥ / ٥٢ - ٦٠ .









সুনান আবী দাউদ (2185)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَيْمَنَ، مَوْلَى عُرْوَةَ يَسْأَلُ ابْنَ عُمَرَ وَأَبُو الزُّبَيْرِ يَسْمَعُ قَالَ كَيْفَ تَرَى فِي رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ حَائِضًا قَالَ طَلَّقَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَ عُمَرُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَرَدَّهَا عَلَىَّ وَلَمْ يَرَهَا شَيْئًا وَقَالَ ‏"‏ إِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْ أَوْ لِيُمْسِكْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنُ عُمَرَ وَقَرَأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏{‏ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ ‏}‏ فِي قُبُلِ عِدَّتِهِنَّ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ يُونُسُ بْنُ جُبَيْرٍ وَأَنَسُ بْنُ سِيرِينَ وَسَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ وَزَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ وَأَبُو الزُّبَيْرِ وَمَنْصُورٌ عَنْ أَبِي وَائِلٍ مَعْنَاهُمْ كُلُّهُمْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ طَلَّقَ وَإِنْ شَاءَ أَمْسَكَ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَأَمَّا رِوَايَةُ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ وَنَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ تَطْهُرَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ طَلَّقَ وَإِنْ شَاءَ أَمْسَكَ وَرُوِيَ عَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ عَنِ الْحَسَنِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ نَحْوُ رِوَايَةِ نَافِعٍ وَالزُّهْرِيِّ وَالأَحَادِيثُ كُلُّهَا عَلَى خِلاَفِ مَا قَالَ أَبُو الزُّبَيْرِ ‏.‏




‘উরওয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মুক্তদাস ‘আবদুর রহমান ইবনু আইমান (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আর আবুয যুবাইর (রাহিমাহুল্লাহ) তা শুনলেন, কেউ তার ঋতুবতী স্ত্রীকে তালাক দিলে তার হুকুম কি? তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার ঋতুবতী স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। ফলে ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এ বিষয়ে জানতে চেয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার তার ঋতুবতী স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তিনি আমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলেছেন এবং এটাকে দোষণীয় বলেননি। তিনি বলেছেনঃ যখন সে ঋতু থেকে পবিত্র হবে তখন ইচ্ছে হলে তালাক দিবে অথবা রাখবে। ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ আয়াতটি পাঠ করলেনঃ “হে নাবী! যখন তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দিবে, তখন তাদের ইদ্দাত আসার পূর্বে তালাক দিবে।”

ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, হাদীসটি ইউনুস ইবনু জুবাইর, আনাস ইবনু সীরীন, সাঈদ ইবনু জুবাইর, যয়িদ ইবনু আসলাম, আবূয যুবাইর এবং মানসূর (রাহিমাহুল্লাহ) আবূ ওয়ায়িলের সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেছেন। তাদের সকলের হাদীসের অর্থ হলোঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আদেশ দিয়েছেন, সে তার স্ত্রীকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দিবে। মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাহিমাহুল্লাহ) সালিম সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর সালিম হতে তিনি নাফি‘ হতে ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে ইমাম যুহরীর বর্ণনা হলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আবদুল্লাহকে নির্দেশ দিলেন, তুমি তাকে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দাও, এরপর পুনরায় ঋতুবতী হয়ে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত রেখে দাও, অতঃপর ইচ্ছে হলে তালাক দিবে অথবা রেখে দিবে। আর ‘আত্বা আল-খোরসানী হতে হাসান বাসরীর মাধ্যমে ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে নাফি‘ ও যুহরীর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ইমাম আবু দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, উল্লেখিত সব হাদীস আবূয যুবাইরের বর্ণনার বিপরীত।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (1471)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح دون قوله : ولم يرها شيئاً، فهي شاذة، وسيتكلم عنها المصنف بإثر الحديث، ابن جريج - وهو عبد الملك بن عبد العزيز - ، وأبو الزبير - وهو محمد بن مسلم ابن تدرس - صرَّحا بالتحديث فانتفت شبهة تدليسهما . عبد الرزاق : هو ابن همام الصنعاني . وهو عند عبد الرزاق في " مصنفه " (١٠٩٦٠) ، ومن طريقه أخرجه مسلم (١٤٧١) (١٤). وأخرجه مسلم (١٤٧١) (١٤) ، والنسائى في " الكبرى " (٥٥٥٥) من طريق ابن جريج، به . وهو في " مسند أحمد " (٥٥٢٤). وانظر ما سلف برقم (٢١٧٩ - ٢١٨٤).









সুনান আবী দাউদ (2186)


حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ، أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَهُمْ عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عِمْرَانَ بْنَ حُصَيْنٍ، سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ، يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ ثُمَّ يَقَعُ بِهَا وَلَمْ يُشْهِدْ عَلَى طَلاَقِهَا وَلاَ عَلَى رَجْعَتِهَا فَقَالَ طَلَّقْتَ لِغَيْرِ سُنَّةٍ ‏.‏ وَرَاجَعْتَ لِغَيْرِ سُنَّةٍ أَشْهِدْ عَلَى طَلاَقِهَا وَعَلَى رَجْعَتِهَا وَلاَ تَعُدْ ‏.‏




মুতাররিফ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, ‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, এ ব্যক্তি তার স্ত্রীকে এক তালাক দেয়ার পর পুনরায় তার সাথে সহবাস করেছে, অথচ তার তালাক প্রদান ও পরে ফিরিয়ে আনার সময় কাউকে সাক্ষী রাখেনি। তিনি বললেন, তুমি সুন্নাতের পরিপন্থী তালাক দিয়েছো এবং সুন্নাত বিরোধী নিয়মে তাকে ফিরিয়ে এনেছো। ভবিষ্যতে তালাক প্রদান ও ফিরিয়ে আনার সময় সাক্ষী রাখবে। পুনরায় এরূপ করবে না।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، أخرجہ ابن ماجہ (2025 وسندہ صحیح)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي . جعفر بن سليمان - وهو الضبعي - صدوق لا بأس به . يزيد الرِّشْك : هو ابن أبي يزيد الضبعي البصري، والرِّشك لقبٌ اشتُهر به . وأخرجه ابن ماجه (٢٠٢٥) عن بشر بن هلال، بهذا الإسناد . قال صاحب " عون المعبود " ٦ / ١٨١ : وقد استدل بهذا الحديث من قال بوجوب الإشهاد على المراجعة، وقد ذهب إلى عدم وجوب الإشهاد في الرجعة أبو حنيفة وأصحابه والشافعي في أحد قوليه واستدل لهم بحديث ابن عمر السالف، فإن فيه أنه قال ﷺ " فليراجعها " ولم يذكر الإشهاد، وقال مالك والشافعي : إنه يجب الإشهاد في الرجعة والاحتجاج بحديث الباب لا يصلح للاحتجاج، لأنه قول صحابي في أمر من مسارح الاجتهاد وما كان كذلك، فليس بحجة لولا ما وقع من قوله : طلقت لغير سنة، وراجعت لغير سنة .









সুনান আবী দাউদ (2187)


حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ مُعَتِّبٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا حَسَنٍ مَوْلَى بَنِي نَوْفَلٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، اسْتَفْتَى ابْنَ عَبَّاسٍ فِي مَمْلُوكٍ كَانَتْ تَحْتَهُ مَمْلُوكَةٌ فَطَلَّقَهَا تَطْلِيقَتَيْنِ ثُمَّ عَتَقَا بَعْدَ ذَلِكَ هَلْ يَصْلُحُ لَهُ أَنْ يَخْطُبَهَا قَالَ نَعَمْ قَضَى بِذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏




বনী নাওফালের মুক্তদাস আবূ হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট জনৈক ক্রীতদাস সম্পর্কে ফাতাওয়াহ চাইলেন, তার একজন দাসী স্ত্রী ছিলো যাকে সে দুই তালাক দেয়। পরে তারা উভয়ে দাসত্বমুক্ত হয়ে যায়। এমতাবস্থায় ঐ মহিলাকে পুনরায় বিয়ের পয়গাম দেয়া তার জন্য ঠিক হবে কিনা? উত্তরে তিনি বলেন, হ্যাঁ পারবে। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। [২১৮৭]



দুর্বলঃ যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪৫৩), যঈফ সুনান নাসায়ী (২২৫/৩৪২৮)




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، نسائی (3457،3458) ابن ماجہ (2082) ، عمر بن معتب ضعیف (تقریب التہذیب: 4971) ، (انوار الصحیفہ ص 82)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف ، لضعف عمر بن مُعتِّب . يحيى بن سعيد : هو القطان . وأخرجه النسائي في " الكبرى " (٥٥٩١) من طريق يحيي بن سعيد، بهذا الإسناد . وأخرجه ابن ماجه (٢٠٨٢) ، والنسائي في " الكبرى " (٥٥٩٢) من طريق معمر بن راشد، عن يحيي بن أبي كثير، به . وهو في " مسند أحمد " (٢٠٣١) و (٣٠٨٨). قال الخطابي : لم يذهب إلى هذا أحد من العلماء فيما أعلم، وفي إسناده مقال .









সুনান আবী দাউদ (2188)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا عَلِيٌّ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ بِلاَ إِخْبَارٍ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بَقِيَتْ لَكَ وَاحِدَةٌ قَضَى بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ لِمَعْمَرٍ مَنْ أَبُو الْحَسَنِ هَذَا لَقَدْ تَحَمَّلَ صَخْرَةً عَظِيمَةً ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ أَبُو الْحَسَنِ هَذَا رَوَى عَنْهُ الزُّهْرِيُّ قَالَ الزُّهْرِيُّ وَكَانَ مِنَ الْفُقَهَاءِ رَوَى الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ أَحَادِيثَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ أَبُو الْحَسَنِ مَعْرُوفٌ وَلَيْسَ الْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏




‘আলী ইবনুল মুবারক (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, পূর্বোক্ত হাদীসের সানাদ ও অর্থে হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, তোমার জন্য আর একটি তালাক অবশিষ্ট আছে এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপই ফায়সালা দিয়েছেন। [২১৮৮]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، انظر الحدیث السابق (2187) ، (انوار الصحیفہ ص 82)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف كسابقه . عثمان بن عمر : هو ابن فارس العبدي .









সুনান আবী দাউদ (2189)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَسْعُودٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ مُظَاهِرٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ طَلاَقُ الأَمَةِ تَطْلِيقَتَانِ وَقُرْؤُهَا حَيْضَتَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنِي مُظَاهِرٌ حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ وَعِدَّتُهَا حَيْضَتَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهُوَ حَدِيثٌ مَجْهُولٌ ‏.‏




‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ দাসীর তালাক দু’টি এবং তার ইদ্দাতকাল হচ্ছে দুই হায়িয। আবূ ‘আসিম বলেন, মুযাহির আমাকে ক্বাসিমের মাধ্যমে ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেনঃ দাসীর ইদ্দাত হচ্ছে দুই হায়িয। ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ হাদীসটি অজ্ঞাত (মাজহুল)। [২১৮৯]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، ترمذی (1182) ابن ماجہ (2080) ، مظاہر: ضعیف (تق: 6721) ، (انوار الصحیفہ ص 82)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف ؛ لضعف مُظاهر - وهو ابن أسلم المخزومي المدني -. أبو عاصم : هو الضحاك بن مخلد، وابن جريج : هو عبد الملك بن عبد العزيز، والقاسم بن محمد : هو ابن أبي بكر الصديق . وأخرجه ابن ماجه (٢٠٨٠) ، والترمذي (١٢١٨) من طريق أبي عاصم، بهذا الإسناد . وقال الترمذي : حديث عائشة حديثٌ غريب لا نعرفه مرفوعاً إلا من مُظاهر بن أسلم، ومظاهر لا نعرف له في العلم غير هذا الحديث، والعمل على هذا عند أهل العلم من أصحاب النبي ﷺ وغيرهم، وهو قول سفيان الثوري والشافعي وأحمد وإسحاق . قلنا : ورواه هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن القاسم أنه سئل عن الأمة كم تطلق؟ قال : طلاقها اثنتان، وعدتها حيضتان، قال : فقيل له : أبلغك عن النبي ﷺ في هذا؟ قال : لا . أخرجه الدارقطني (٤٠٠٥) و (٤٠٠٦) ، والبيهقي ٧ / ٣٧٠، وقال الدارقطني في " العلل " ٥ / ورقة ١٤٦ : وهو الصواب .









সুনান আবী দাউদ (2190)


حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَطَرٌ الْوَرَّاقُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ طَلاَقَ إِلاَّ فِيمَا تَمْلِكُ وَلاَ عِتْقَ إِلاَّ فِيمَا تَمْلِكُ وَلاَ بَيْعَ إِلاَّ فِيمَا تَمْلِكُ ‏"‏ ‏.‏ زَادَ ابْنُ الصَّبَّاحِ ‏"‏ وَلاَ وَفَاءَ نَذْرٍ إِلاَّ فِيمَا تَمْلِكُ ‏"‏ ‏.‏




‘আমর ইবনু শু‘আইব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে মহিলার উপর অধিকার নেই তাকে তালাক দেয়া যায় না, যে গোলামের উপর মালিকানা নেই তাকে আযাদ করা যায় না। তোমার মালিকানাধীন বস্তুই কেবল বিক্রয়যোগ্য। ইবনুস সাববাহ আরো বলেন, যে বস্তুর উপর তোমার মালিকানা নেই তার মান্নাত পূরণ করতে হবে না।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، مشکوۃ المصابیح (3282) ، رواہ الترمذي (1181 وسندہ حسن) وابن ماجہ (2047 وسندہ حسن)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث حسن كما قال الخطابي . مطر الورّاق - وهو ابن طهمان السلمي، وإن كان فيه كلام - قد توبع . هشام : هو ابن أبي عبد الله الدستُوائي، وابن الصَّبَّاح : هو عبد الله الهاشمي العطار . وأخرجه النسائي في " الكبرى " (٦١٦١) من طريق أبي رجاء محمد بن سيف، عن مطر الورّاق، بهذا الإسناد . واقتصر فيه على ذكر البيع . وأخرجه ابن ماجه (٢٠٤٧) من طريق عبد الرحمن بن الحارث، وابن ماجه (٢٠٤٧) ، والترمذي (١٢١٧) من طريق . عامر الأحول، كلاهما عن عمرو بن شعيب، به . واقتصر ابن ماجه فيه على ذكر الطلاق . وقال الترمذي : حسن صحيح . وهو في " مسند أحمد " (٦٧٦٩). وانظر ما سيأتي برقم (٢١٩١) و (٢١٩٢) و (٣٢٧٣) و (٣٢٧٤) و (٣٥٠٤).









সুনান আবী দাউদ (2191)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، أَخْبَرَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ زَادَ ‏ "‏ مَنْ حَلَفَ عَلَى مَعْصِيَةٍ فَلاَ يَمِينَ لَهُ وَمَنْ حَلَفَ عَلَى قَطِيعَةِ رَحِمٍ فَلاَ يَمِينَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏




‘আমর ইবনু শু‘আইব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে এ সূত্র হতে বর্ণিত, পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। তাতে রয়েছেঃ যে ব্যক্তি কোন পাপ কাজের জন্য শপথ করে তার শপথ হয়নি এবং যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শপথ করে তার শপথও হয়নি (এরূপ শপথ পূরণ করতে হবে না)।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن ، انظر الحدیث السابق (2190)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث حسن . عبد الرحمن بن الحارث - وهو ابن عبد الله بن عياش المخزومي - متابع . أبو أسامة : هو حمّاد بن أسامة بن زيد . وأخرجه ابن ماجه (٢٠٤٧) من طريق عبد الرحمن بن الحارث، بهذا الإسناد . وأخرجه النسائى في " الكبرى " (٤٧١٥) من طريق عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، به . وسيأتي من طريق عبيد الله بن الأخنس بتمامه برقم (٣٢٧٤). وهو في " مسند أحمد " (٦٧١٤) و (٦٧٣٢). وانظر ما قبله وما سيأتى برقم (٣٢٧٣).









সুনান আবী দাউদ (2192)


حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَالِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ الْمَخْزُومِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي هَذَا الْخَبَرِ زَادَ ‏ "‏ وَلاَ نَذْرَ إِلاَّ فِيمَا ابْتُغِيَ بِهِ وَجْهُ اللَّهِ تَعَالَى ذِكْرُهُ ‏"‏ ‏.‏




‘আমর ইবনু শু‘আইব (রাহিমাহুল্লাহ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা হতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে মান্নত করা হয় কেবল তাই পূরণ করতে হয়।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن ، انظر الحدیث السابق (2190)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث حسن كسابقه . ابن السرح : هو أحمد بن عمرو، وابن وهب : هو عبد الله القرشي . وهو في " مسند أحمد " (٦٧١٤). وانظر سابقيه .









সুনান আবী দাউদ (2193)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ، أَنَّ يَعْقُوبَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَهُمْ قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ الْحِمْصِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ الَّذِي، كَانَ يَسْكُنُ إِيلْيَا قَالَ خَرَجْتُ مَعَ عَدِيِّ بْنِ عَدِيٍّ الْكِنْدِيِّ حَتَّى قَدِمْنَا مَكَّةَ فَبَعَثَنِي إِلَى صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ وَكَانَتْ قَدْ حَفِظَتْ مِنْ عَائِشَةَ قَالَتْ سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ طَلاَقَ وَلاَ عَتَاقَ فِي غَلاَقٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ الْغِلاَقُ أَظُنُّهُ فِي الْغَضَبِ ‏.‏




ইলিয়ার অধিবাসী মুহাম্মাদ ইবনু ‘উবাইদ ইবনু আবূ সালিহ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আদী ইবনু ‘আদী আল-কিনদীর সাথে সিরিয়া থেকে রওয়ানা হয়ে মক্কায় গেলাম। তিনি আমাকে সাফিয়্যাহ বিনতু শাইবার কাছে পাঠালেন। কেননা সাফিয়্যাহ ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে হাদীস সংরক্ষন করেছিলেন। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ রাগের অবস্থায় কোন তালাক হয় না এবং দাসত্বমুক্ত করা যায় না। ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আমার মতে ‘আল-গিলাক্ব’ অর্থ রাগ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، نسائی (2046) ، محمد بن عبید بن أبي صالح وثقہ ابن حبان والحاکم و ضعفہ أبو حاتم الرازي و ابن حجر و ضعفہ راجح ، و للحدیث شواھد ضعیفۃ،و لہ لون آخر عند ابن ماجہ (2046) وسندہ ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 83)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف لضعف محمد بن عبيد بن أبي صالح . إبراهيم : هو ابن سعد القرشي، وابن إسحاق : هو محمد المطلبي . وأخرجه ابن ماجه (٢٠٤٦) من طريق عبد الله بن نمير، عن ابن إسحاق، بهذا الإسناد . وقد سمى في روايته محمد بن عبيد بن أبي صالح : عُبيد بن أبي صالح . قال المزي : وهو وهم . وهو في " مسند أحمد " (٢٦٣٦٠). قال الخطابي : معنى الإغلاق : الإكراه، وكان عمر بن الخطاب وعلي بن أبي طالب وابن عمر وابن عباس ﵃ لا يرون طلاق المكره طلاقاً، وهو قول شريح وعطاء وطاووس وجابر بن زيد والحسن وعمر بن عبد العزيز والقاسم وسالم، وإليه ذهب مالك بن أنس والأوزاعي والشافعي - وأحمد بن حنبل، وإسحاق بن راهويه . وكان الشعبي والنخعي والزهري وقتادة يرون طلاق المكره جائزاً، وإليه ذهب أصحاب الرأي، وقالوا في بيع المكره : إنه غير جائز . وقال الحافظ في " التلخيص " ٣ / ٢١٠ : الإغلاق : فسره علماء الغريب بالإكراه، [ لأن المكره يغلق عليه أمره وتصرفه ] وقال : هو قول ابن قتيبة والخطابي وابن السِّيد وغيرهم، وقيل : الجنون، واستبعده المطرزي، وقيل : الغضب، وقع في " سنن أبي داود " في رواية ابن الأعرابي، وكذا فسره أحمد، وردَّه ابن السيد، فقال : لو كان كذلك لم يقع على أحد طلاق، لأن أحداً لا يطلق حتى يغضب، وقال أبو عُبيد : الإغلاق : التضييقُ . وقال ابن القيم في " تهذيب السنن " ٦ / ١٨٧ : قال شيخنا (شيخ الإسلام ابن تيمية): والإغلاق : انسداد باب العلم، والقصد عليه، يدخل فيه طلاق المعتوه والمجنون والسكران والمكره والغضبان الذي لا يعقل ما يقول، لأن كلاً من هؤلاء قد أغلق عليه باب العلم والقصد، والطلاق إنما يقع من قاصد له، عالم به .









সুনান আবী দাউদ (2194)


حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَبِيبٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ مَاهَكَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ ثَلاَثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ النِّكَاحُ وَالطَّلاَقُ وَالرَّجْعَةُ ‏"‏ ‏.‏




আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি কাজ এমন যা বাস্তবে বা ঠাট্টাচ্ছলে করলেও তা বাস্তবিকই ধর্তব্য। তা হলোঃ বিবাহ, তালাক ও স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনা।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، مشکوۃ المصابیح (3284) ، أخرجہ الترمذي (1184 وسندہ حسن) وابن ماجہ (2039 وسندہ حسن)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حسن لغيره ، عبد الرحمن بن حبيب - وهو ابن أردك المخزومي - قال عنه الذهبي : صدوق له ما ينكر، وقال ابن حجر في " التلخيص " ٣ / ٢١٠ : مختلف فيه، قال النسائي : منكر الحديث، ووثقه غيره، فهو على هذا حسن الحديث . قلنا : وذكره ابن حبان في " الثقات ". القعنبيُّ : هو عبد الله بن مسلمة، وابن ماهَك : هو يوسف الفارسي . وأخرجه ابن ماجه (٢٠٣٩) ، والترمذي (١٢٢٠) من طريق حاتم بن إسماعيل، عن عبد الرحمن بن حبيب، بهذا الإسناد . وقال الترمذي : حسن غريب . وهو في " شرح السنة " للبغوي (٢٣٥٦). وله شواهده ذكرها الزيلعي في " نصب الراية " ٣ / ٢٩٣ - ٢٩٤، وابن حجر في " التلخيص الحبير " ٣ / ٢٠٩ . وقال الترمذي : والعمل على هذا عند أهل العلم من أصحاب النبي ﷺ وغيرهم . قوله : " والرَّجعة " بكسر الراء وفتحها، أي : عود المطلّق إلى طليقته . قال الخطابي : اتفق عامة أهل العلم على أن صريح لفظ الطلاق إذا جرى على لسان البالغ العاقل، فإنه مؤاخذ به، ولا ينفعه أن يقول : كنت لاعباً أو هازلاً، أو لم أنوِ به طلاقاً، أو ما أشبه ذلك من الأمور . واختلفوا في الخطأ والنسيان، فقال عطاء وعمر بن دينار فيمن حلف على أمر لا يفعله بالطلاق ففعله ناسياً أنه لا يحنث، وقال الزهري ومكحول وقتادة : يحنث وإليه ذهب مالك وأصحاب الرأي، وهو قول الأوزاعي والثوري وابن أبي ليلى . وقال القاري في " شرح المشكاة " أو هازلاً لا ينفعه، وكلذا البيع والهبة وجميع التصرفات، وإنما خص هذه الثلاثة، لإنها أعظم وآثم، وجاء في " بذل المجهود " ١٠ / ٢٨٦ : وقال القاضي : اتفق أهل العلم على أن طلاق الهازل يقع، فإذا جرى صريح لفظة الطلاق على لسان العاقل البالغ لا ينفعه أن يقول : كنت فيه لاعباً أو هازلاً، لأنه لو قبل ذلك منه، لتعطلت الأحكام، فمن تكلم بشيء مما جاء ذكره في هذا الحديث، لزمه حكمه، وخص هذه الثلاثة بالذكر لتأكيد أمر الفرج . وفي " فيض القدير ": وخص الثلاثة بالذكر لتأكد أمر الفروج، وإلا فكل تصرف ينعقد بالهزل على الأصح عند أصحابنا الشافعية إذ الهازل بالقول، وإن كان غير مستلزم لحكمه، فترتب الأحكام على الأسباب للشارع، لا للعاقد، فإذا أتى بالسبب لزمه حكمه شاء أم أبى، ولا يقف على اختياره وذلك لأن الهازل قاصد للقول مريد له مع علمه بمعناه وموجبه، وقصد اللفظ المتضمن لذلك المعنى قصد لتلازمهما إلا أن يعارضه قصد آخر كالمكره، فإنه قصد غير المعنى المقول وموجبه، فلذلك أبطله الشارع .









সুনান আবী দাউদ (2195)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ ‏{‏ وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنْفُسِهِنَّ ثَلاَثَةَ قُرُوءٍ وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ ‏}‏ الآيَةَ وَذَلِكَ أَنَّ الرَّجُلَ كَانَ إِذَا طَلَّقَ امْرَأَتَهُ فَهُوَ أَحَقُّ بِرَجْعَتِهَا وَإِنْ طَلَّقَهَا ثَلاَثًا فَنُسِخَ ذَلِكَ وَقَالَ ‏{‏ الطَّلاَقُ مَرَّتَانِ ‏}‏ ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, আল্লাহর বাণীঃ “তালাকপ্রাপ্তা নারী যেন তিন কুরুপর্যন্ত নিজেদেরকে বিরত রাখে এবং আল্লাহ তাদের গর্ভে যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা গোপন করা বৈধ নয়…” এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার প্রসঙ্গ হলো, (ইসলামের প্রথম যুগে) কেউ স্বীয় স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তাকে পুররায় ফিরিয়ে আনার অধিকারী হতো, এমনকি তাকে তিন তালাক দিতো। অতঃপর এ বিধান রহিত করে আল্লাহ বলেছেনঃ “তালাক দুই বার…”।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، أخرجہ النسائي (3584 وسندہ حسن)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن . علي بن حسين . - وهو ابن واقد المروزي - حسن الحديث . يزيد النحوي : هو ابن أبي سعيد، وعكرمة : هو مولى ابن عباس . وأخرجه النسائي في " الكبرى " (٥٧١٧) من طريق علي بن حسين، بهذا الإسناد . وقال ابن الجوزي في " نواسخ القرآن " ص ٢٠٨ بعد أن أورد حديثه ابن عباس هذا : التحقيق أن هذا لا يقال فيه ناسخ ولا منسوخ وإنما هو ابتداء شرع وإبطال لحكم العادة . وإلى القول بإحكام الآية أيضاً ذهب مكي بن أبي طالب في " الإيضاح " ص ١٤٩ - ١٥٠، فقال : وقد قيل : إنها منسوخة ﴿ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ ﴾ [ الطلاق : ١ ] وهذا قول بعيد، بل الآيتان محكمتان في معنيين مختلفين لا ينسخ أحدهما الآخر، فآية البقرة ذكر الله فيها بيان عدد الطلاق، وآية الطلاق ذكر فيها بيان وقت الطلاق، فهما حكمان مختلفان معمول بهما، لا ينسخ أحدهما الآخر لتباين معنييهما .









সুনান আবী দাউদ (2196)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي بَعْضُ بَنِي أَبِي رَافِعٍ، مَوْلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَنْ عِكْرِمَةَ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ طَلَّقَ عَبْدُ يَزِيدَ - أَبُو رُكَانَةَ وَإِخْوَتِهِ - أُمَّ رُكَانَةَ وَنَكَحَ امْرَأَةً مِنْ مُزَيْنَةَ فَجَاءَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ مَا يُغْنِي عَنِّي إِلاَّ كَمَا تُغْنِي هَذِهِ الشَّعْرَةُ ‏.‏ لِشَعْرَةٍ أَخَذَتْهَا مِنْ رَأْسِهَا فَفَرِّقْ بَيْنِي وَبَيْنَهُ فَأَخَذَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حَمِيَّةٌ فَدَعَا بِرُكَانَةَ وَإِخْوَتِهِ ثُمَّ قَالَ لِجُلَسَائِهِ ‏"‏ أَتَرَوْنَ فُلاَنًا يُشْبِهُ مِنْهُ كَذَا وَكَذَا مِنْ عَبْدِ يَزِيدَ وَفُلاَنًا يُشْبِهُ مِنْهُ - كَذَا وَكَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا نَعَمْ ‏.‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِعَبْدِ يَزِيدَ ‏"‏ طَلِّقْهَا ‏"‏ ‏.‏ فَفَعَلَ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ رَاجِعِ امْرَأَتَكَ أُمَّ رُكَانَةَ وَإِخْوَتِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ إِنِّي طَلَّقْتُهَا ثَلاَثًا يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ قَدْ عَلِمْتُ رَاجِعْهَا ‏"‏ ‏.‏ وَتَلاَ ‏{‏ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ ‏}‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدِيثُ نَافِعِ بْنِ عُجَيْرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ بْنِ رُكَانَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رُكَانَةَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْبَتَّةَ فَرَدَّهَا إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَصَحُّ لأَنَّ وَلَدَ الرَّجُلِ وَأَهْلَهُ أَعْلَمُ بِهِ أَنَّ رُكَانَةَ إِنَّمَا طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْبَتَّةَ فَجَعَلَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَاحِدَةً ‏.‏




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রুকানার পিতা ‘আবদু ইয়াযীদ ও তার ভ্রাতৃগোষ্ঠী উম্মু রুকানাকে তালাক দেন এবং মুযাইনাহ গোত্রের এক মহিলাকে বিয়ে করেন। একদা ঐ মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বললো, তার স্বামী সহবাসে অক্ষম। যেমন আমার মাথার চুল অন্য চুলের কোন উপকারে আসে না। সুতরাং আপনি আমার ও তার মাঝে বিচ্ছেদ করিয়ে দিন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এতে অসন্তুষ্ট হন এবং রুকানা ও তার ভ্রাতৃগোষ্ঠীকে ডেকে আনেন। এরপর তিনি সেখানে উপস্থিত লোকজনকে বলেনঃ তোমরা কি লক্ষ্য করেছো যে, এদের মধ্যে অমুক অমুকের অঙ্গের সাথে মিল রয়েছে? তারা বললো, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আবদু ইয়াযীদকে বলেনঃ তুমি তাকে তালাক দাও। সুতরাং তিনি তাকে তালাক দিলেন। তিনি বলেনঃ তুমি রুকানার মা ও তার ভ্রাতৃগোষ্ঠীকে পুনরায় গ্রহণ করো। তিনি বলেন, আমি তো তাকে তিন তালাক দিয়েছি, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তিনি বলেনঃ আমি তা জানি, তুমি তাকে গ্রহণ করো। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ “হে নাবী! যখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের তালাক দিবে তখন তাদের ইদ্দাতকালের প্রতি লক্ষ্য রেখে তালাক দিবে” (সূরাহ আত্-তালাকঃ ১)

ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, নাফি’ ইবনু উজাইর ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আলী ইবনু ইয়াযীদ ইবনু রুকানা হতে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ রুকানা তার স্ত্রীকে তালাক দিলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে পুনরায় ঐ স্ত্রীকে গ্রহণ করতে আদেশ দেন। এটা অধিকতর সঠিক।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، بعض بني أبي رافع: مجہول ، وأشار ابن حجر فی التقریب (ج 4 ص 391) کأنہ الفضل بن عبید اللّٰہ بن أبي رافع والفضل ھذا: مقبول (تق: 5408) یعني مجہول الحال ، (انوار الصحیفہ ص 83)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف . لعلتين : أولاهما : إبهام شيخ ابن جريج . وقد جاء مصرحاً باسمه في رواية محمد بن ثور الصنعاني، أنه محمد بن عبيد الله بن رافع . قال الذهبي في " تلخيص المستدرك " ٢ / ٤٩١ محمد واهٍ . قال : والخبر خطأ، عبد يزيد لم يدرك الإسلام . قلنا : فهذه علة ثانية . وأخرجه عبد الرزاق في " مصنفه " (١١٣٣٤٠) عن ابن جريج، ومن طريقه أخرجه البيهقي في " الكبرى " ٧ / ٣٣٩ . وأخرجه الحاكم ٢ / ٤٩١ من طريق محمد بن ثور، عن ابن جريج، عن محمد ابن عبيد الله بن أبي رافع مولى رسول الله ﷺ ، عن عكرمة، عن ابن عباس . وصححه وتعقبه الذهبي بما نقلناه عنه آنفاً . وقال الخطابي : في إسناد هذا الحديث مقال، لأن ابن جريج إنما رواه عن بعض بني رافع ولم يسمه، والمجهول لا تقوم به حجة وقد نص ابن قدامة في " المغني " ١٠ / ٣٦٦ على أن أحمد ضعف إسناد حديث ركانة وتركه، وقال الحافظ في " الفتح " ٩ / ٣٦٣ : إن أبا داود رجح أن ركانة إنما طلق امرأته البتة كما أخرجه هو من طريق آل بيت ركانة وهو تعليل قوي، لجواز أن يكون بعض رواته حمل البتة على الثلاث، فقال : طلقها ثلاثاً، فبهذه النكتة يقف الاستدلال بحديث ابن عباس . وانظر تمام الكلام على هذا الحديث فيما علقناه في " المسند " رقم الحديث (٢٣٨٧). وانظر ما سيأتى برقم (٢١٩٧) و (٢١٩٨).









সুনান আবী দাউদ (2197)


حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ فَجَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ إِنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا ‏.‏ قَالَ فَسَكَتَ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّهُ رَادُّهَا إِلَيْهِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ يَنْطَلِقُ أَحَدُكُمْ فَيَرْكَبُ الْحَمُوقَةَ ثُمَّ يَقُولُ يَا ابْنَ عَبَّاسٍ يَا ابْنَ عَبَّاسٍ وَإِنَّ اللَّهَ قَالَ ‏{‏ وَمَنْ يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَلْ لَهُ مَخْرَجًا ‏}‏ وَإِنَّكَ لَمْ تَتَّقِ اللَّهَ فَلَمْ أَجِدْ لَكَ مَخْرَجًا عَصَيْتَ رَبَّكَ وَبَانَتْ مِنْكَ امْرَأَتُكَ وَإِنَّ اللَّهَ قَالَ ‏{‏ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ ‏}‏ فِي قُبُلِ عِدَّتِهِنَّ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ حُمَيْدٌ الأَعْرَجُ وَغَيْرُهُ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَرَوَاهُ شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَأَيُّوبُ وَابْنُ جُرَيْجٍ جَمِيعًا عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ خَالِدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَرَوَاهُ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ رَافِعٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَرَوَاهُ الأَعْمَشُ عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ كُلُّهُمْ قَالُوا فِي الطَّلاَقِ الثَّلاَثِ إِنَّهُ أَجَازَهَا قَالَ وَبَانَتْ مِنْكَ نَحْوَ حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَثِيرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ إِذَا قَالَ ‏"‏ أَنْتِ طَالِقٌ ثَلاَثًا ‏"‏ ‏.‏ بِفَمٍ وَاحِدٍ فَهِيَ وَاحِدَةٌ وَرَوَاهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ هَذَا قَوْلُهُ لَمْ يَذْكُرِ ابْنَ عَبَّاسٍ وَجَعَلَهُ قَوْلَ عِكْرِمَةَ ‏.‏




মুজাহিদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাসের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কাছে অবস্থান করছিলাম এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললো যে, সে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি এ কথা শুনে চুপ রইলেন। তখন আমার মনে হলো, সম্ভবত তিনি মহিলাটিকে পুনরায় গ্রহণের নির্দেশ দিবেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের কেউ আহমকের মতো কাজ করে এবং এসে বলে, হে ইবনু ‘আব্বাস! হে ইবনু ‘আব্বাস! অথচ আল্লাহ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য একটা সমাধানের পথ দেখিয়ে দিবেন” (সূরাহ আত-তালাকঃ ২)। আর তুমি তো (তালাকের বিষয়ে) আল্লাহকে ভয় করোনি। সুতরাং আমি তোমার জন্য কোন পথ দেখছি না। তুমি তোমার প্রতিপালকের নাফরমানী করেছো এবং স্ত্রীকেও হারিয়েছো। মহান আল্লাহ তো বলেছেনঃ “হে নাবী! যখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের তালাক দিবে তখন তাদের ইদ্দাতকালের প্রতি লক্ষ্য রেখে তালাক দিবে।”

ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ হাদীসটি হুমাইদ, আ‘রাজ ও অন্যরা মুজাহিদ হতে ইবনু ‘আব্বাস সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও শু‘বাহ, আইয়ূব, ইবনু জুরাইজ আ‘মাশ প্রমূখ বর্ণনাকারীগণ সকলেই ইবনু ‘আব্বাস সূত্রে হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন যে, ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) একে তিন তালাক হিসেবে গণ্য করেছেন। তাই তিনি বলেছেন, ‘তুমি তোমার স্ত্রীকে হারালে’। ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু যায়িদ আইয়ুব হতে ইকরিমার মাধ্যমে ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রে বর্ণানা করেছেনঃ “যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে একত্রে তিন তালাক দেয়, তা এক তালাক গণ্য হবে”। ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম (রাহিমাহুল্লাহ) আইউব হতে ইকরিমা (রাহিমাহুল্লাহ) সূত্রে বর্ণানা করেন, উক্ত কথাটি ইবনু ‘আব্বাসের নয়, বরং ইকরিমার কথা। তিনি ইবনু ‘আব্বাসের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উল্লেখ করেননি এবং একে ইকরিমার (রাহিমাহুল্লাহ) অভিমত গণ্য করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح ، مشکوۃ المصابیح (3293) ، وحدیث ابی داود عن حماد بن زید لم أجدہ موصولًا وھذا لغیر المدخولۃ إن صح




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح كما قال الحافظ في " الفتح " ٩ / ٣٦٢ . إسماعيل : هو ابن إبراهيم بن مِقْسَم المعروف بابن علية، وأيوب : هو ابن أبي تميمة السختياني، ومجاهد : هو ابن جَبر المكي . وأخرجه البيهقي في " الكبرى " ٧ / ٣٣١ من طريق أبي داود، بهذا الإسناد . وأخرجه النسائي في " الكبرى " (٥٥٥٦) مختصراً من طريق شعبة، عن الحكم، عن مجاهد، عن ابن عباس . قلنا : وهذا الأثر عن ابن عباس هكذا أورده المصنف، وقد اختصره بعضُ الرواة، فأفسده، ذلك أن ابن عباس إنما قال لمن طلق امرأته أكثر من ثلاث : عصيتَ ربك، ولم يقل ذلك لمن طلق ثلاثاً . روى ذلك ابن أبي نجيح وحميد الأعرج عن مجاهد، عنه . عند الطحاوي في " شرح معاني الآثار " ٣ / ٥٨، والدارقطني (٣٩٢٦) ، والبيهقي ٧ / ٣٣١ و ٣٣٧، فقالا في روايتهما : إن الرجل طلق امرأته مئةً . وكذلك رواه سعيد بن جبير عن ابن عباس عند الطحاوي ٣ / ٥٨، والدارقطني (٣٩٢٨) ، والبيهقي ٧ / ٣٣٢ و ٣٣٧ إلا أنه قال عند الدارقطنى والبيهقي : إنه طلق امرأته ألفاً . وأخرج البيهقي ٧ / ٣٣٧ من طريق عمرو بن دينار : أن ابن عباس سئل عن رجل طلق امرأته عدد النجوم، فقال : إنما يكفيك رأس الجوزاء، وكذلك رواه غير واحد عن ابن عباس، انظر " السنن الكبرى " للبيهقي ٧ / ٣٣١ و ٣٣٧ . وأما إيقاع الطلاق بالثلاث فلا يُعَدُّ معصية، ولا يخفى ذلك عن مثل ابن عباس . قال ابن الأثير : الحموقة بفتح الحاء : هي فعولة من الحمق، أي : ذات حمق، وحقيفة الحمق : وضع الشيء في غير موضعه مع العلم بقبحه . وقوله : (في قبل عدتهن) قال النووي في شرح مسلم ١٠ / ٦٠ : هذه قراءة ابن عباس وابن عمر، وهي شاذة لا تثبت قرآناً بالإجماع، ولا يكون لها حكم خبر الواحد عندنا، وعند محققي الأصوليين .









সুনান আবী দাউদ (2198)


وَصَارَ قَوْلُ ابْنِ عَبَّاسٍ فِيمَا حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، - وَهَذَا حَدِيثُ أَحْمَدَ - قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِيَاسٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، وَأَبَا، هُرَيْرَةَ وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ سُئِلُوا عَنِ الْبِكْرِ، يُطَلِّقُهَا زَوْجُهَا ثَلاَثًا فَكُلُّهُمْ قَالُوا لاَ تَحِلُّ لَهُ حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى مَالِكٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَشَجِّ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ أَنَّهُ شَهِدَ هَذِهِ الْقِصَّةَ حِينَ جَاءَ مُحَمَّدُ بْنُ إِيَاسِ بْنِ الْبُكَيْرِ إِلَى ابْنِ الزُّبَيْرِ وَعَاصِمِ بْنِ عُمَرَ فَسَأَلَهُمَا عَنْ ذَلِكَ فَقَالاَ اذْهَبْ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ فَإِنِّي تَرَكْتُهُمَا عِنْدَ عَائِشَةَ - رضى الله عنها - ثُمَّ سَاقَ هَذَا الْخَبَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَقَوْلُ ابْنِ عَبَّاسٍ هُوَ أَنَّ الطَّلاَقَ الثَّلاَثَ تَبِينُ مِنْ زَوْجِهَا مَدْخُولاً بِهَا وَغَيْرَ مَدْخُولٍ بِهَا لاَ تَحِلُّ لَهُ حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ هَذَا مِثْلُ خَبَرِ الصَّرْفِ قَالَ فِيهِ ثُمَّ إِنَّهُ رَجَعَ عَنْهُ يَعْنِي ابْنَ عَبَّاسٍ ‏.‏




মুহাম্মদ ইবনু ইয়্যাস (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, একদা ইবনু আব্বাস, আবূ হুরায়রা এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে এক যুবতী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, যাকে তার স্বামী তিন তালাক দিয়েছে। তারা প্রত্যেকেই বললেন, “ঐ স্ত্রী তার জন্য হালাল হবে না যতক্ষন না তাকে অন্য স্বামীর সাথে বিয়ে না দেওয়া হয়।” ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইমাম মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদের মাধ্যমে মু‘আবিয়াহ ইবনু আবূ আইয়াশ হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি ঐ ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, যখন মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াস ইবনুল বুকাইর এসে ইবনু যুবাইর ও ‘আসিম ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করেছেন। তারা বলেছেন, তুমি ইবনু ‘আব্বাস ও আবূ হুরায়রার নিকট যাও। আমি তাদের উভয়কে ‘আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট রেখে এসেছি। অতঃপর বর্ণনাকারী পুরো হাদীস বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইবনু ‘আব্বাসের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বক্তব্য হলো, স্ত্রীর সাথে সহবাস হোক বা না হোক, তিন তালাকে সে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। অন্য স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত সে তার জন্য বৈধ হবে না। এ হাদীস সারফ সম্পর্কিত হাদীসের মতই। উক্ত হাদীসে বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার মত পরিহার করেছেন।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح ، الزھري صرح بالسماع فی المصنف عبد الرزاق (11070)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . محمد بن يحيي : هو الذهلي، وعبد الرزاق : هو ابن همام الصنعانى، ومعمر : هو ابن راشد الأزدي، والزهري : هو محمد بن مسلم بن شهاب، ومحمد بن إياس : هو ابن البكير الليثي . وأخرجه البيهقي ٧ / ٣٥٤ من طريق عبد الرزاق، بهذا الإسناد . وأخرجه مالك ٢ / ٥٧٠، ومن طريقه الشافعي في " مسنده " ٢ / ٣٥ - ٣٦، والطحاوي في " شرح معاني الآثار " ٣ / ٥٧، والبيهقي ٧ / ٣٣٥ . وأخرجه عبد الرزاق في " مصنفه " (١١٠٧١) عن ابن جريج، وأخرجه الطحاوي في " شرح معاني الآثار " ٥٧ / ٣ من طريق ابن أبي ذئب، ثلاثتهم (مالك وابن جريج وابن أبي ذئب) عن الزهري، عن محمد بن عبد الرحمن وحده، به . ولم يذكر مالك في روايته عبد الله بن عمرو بن العاص . وأخرجه ابن أبي شيبة ٥ / ٢٣ من طريق نافع عن محمد بن إياس بن البُكير، به . غير أنه ذكر عائشة بدل عبد الله بن عمرو . وأخرجه سعيد بن منصور في " سننه " (١٠٧٥) ، والطحاوي ٣ / ٥٨ من طريق سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة وابن عباس . وأبو سلمة معروف بالرواية عن أبي هريرة فلا يَبْعد أن يكون سمعه أولاً بواسطة محمد بن إياس، ثم لقي أبا هريرة فاستثبته منه . وأخرجه مالك ٢ / ٥٧٠، وابن أبي شيبة ٥ / ٢٢، والبيهقي ٧ / ٣٣٥ من طريق عطاء بن يسار، عن عبد الله بن عمرو بن العاص . .









সুনান আবী দাউদ (2199)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ غَيْرِ، وَاحِدٍ، عَنْ طَاوُسٍ، أَنَّ رَجُلاً، يُقَالُ لَهُ أَبُو الصَّهْبَاءِ كَانَ كَثِيرَ السُّؤَالِ لاِبْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ الرَّجُلَ كَانَ إِذَا طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا جَعَلُوهَا وَاحِدَةً عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَصَدْرًا مِنْ إِمَارَةِ عُمَرَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بَلَى كَانَ الرَّجُلُ إِذَا طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا جَعَلُوهَا وَاحِدَةً عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَصَدْرًا مِنْ إِمَارَةِ عُمَرَ فَلَمَّا رَأَى النَّاسَ قَدْ تَتَابَعُوا فِيهَا قَالَ أَجِيزُوهُنَّ عَلَيْهِمْ ‏.‏




তাঊস (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, আবুস সাহবা নামে জনৈক ব্যক্তি, যিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রায়ই প্রশ্ন করতেন। একদা তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি জানেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ বকর ও ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর খিলাফাতের প্রথমদিকে কোন ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে সহবাসের পূর্বেই তিন তালাক দিতো তাহলে তা এক তালাক গণ্য হতো? ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুগে, আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর পুরো খিলাফাতকালে এবং ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-র খিলাফতের প্রথম দিকে কোন ব্যক্তি সহবাসের আগে স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তারা তা এক তালাক গণ্য করতেন। পরবর্তীতে যখন ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দেখলেন যে, লোকেরা অধিকহারে একত্রে তিন তালাক দিচ্ছে, তখন তিনি বললেন, তাদের উপর তিন তালাক প্রয়োগ করো। [২১৯৯]




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، ’’ غیر واحد ‘‘ لم أعرفھم،و موقوف ابن عباس یؤید ھذا الحدیث،انظر نیل المقصود (2197) وتلخیصہ لمزیدالتحقیق ، (انوار الصحیفہ ص 83)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: أبو النعمان - وهو محمد بن الفضل السدوسي -: ثقة إلا أنه اختلط بأخرة، وقال الحافظ المنذري : الرواة عن طاووس مجاهيل . وقوله : " قبل أن يدخل بها " لم ترد إلا في رواية أبي داود هذه تفرد بها أبو النعمان، ويغلب على الظن أنه حدث بهذا الحديث بعد اختلاطه، أيوب : هو ابن أبي تميمة السختيانى، وطاووس : هو ابن كيسان . وأخرجه البيهقي في " الكبرى " ٧ / ٣٣٨ من طريق أبي داود، بهذا الإسناد . وأخرجه ابن أبي شيبة في " مصنفه " ٥ / ٢٦ ومسلم (١٤٧٢) (١٧) ، والدارقطني في " سننه " (٤٠١٩) ، والبيهقي في " الكبرى " ٧ / ٣٣٦ من طرق عن حماد بن زيد، عن أيوب السختياني، عن إبراهيم بن ميسرة، عن طاووس أن أبا الصهباء قال لابن عباس : هات من هناتك (أي من أمورك المستغربة) ألم يكن الطلاق الثلاث على عهد رسول الله ﷺ وأبي بكر واحدة؟ فقال : قد كان ذلك فلما كان في عهد عمر تتابع (تتابع، والتتابع يستعمل في الشر) الناس في الطلاق فأجازه عليهم . وانظر ما بعده .









সুনান আবী দাউদ (2200)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ أَبَا الصَّهْبَاءِ، قَالَ لاِبْنِ عَبَّاسٍ أَتَعْلَمُ إِنَّمَا كَانَتِ الثَّلاَثُ تُجْعَلُ وَاحِدَةً عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَثَلاَثًا مِنْ إِمَارَةِ عُمَرَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ نَعَمْ ‏.‏




আবুস সাহ্বা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, একদা আবুস সাহ্বা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বললেন, আপনি কি জানেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে এবং আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর যুগে একত্রে তিন তালাককে এক তালাক গণ্য করা হতো এবং ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর যুগে তিন তালাক গণ্য করা হতো? ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হ্যাঁ।




تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح




تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (1472)




تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجال ثقات رجال الشيخين . ابن جريج - وهو عبد الملك بن عبد العزيز - صرح في هذه الرواية بالإخبار فانتفت شبهة تدليسه . عبد الرزاق : هو ابن همام الصنعاني، وابن طاووس : هو عبد الله بن طاووس بن كيسان اليماني . وهو عند عبد الرزاق في " مصنفه " (١١٣٣٧) ، ومن طريقه أخرجه مسلم (١٤٧٢). وأخرجه مسلم (١٤٧٢) ، والنسائي في " الكبرى " (٥٥٦٩) من طريقين عن ابن جريج، به . وأخرجه مسلم (١٤٧٢) من طريق عبد الرزاق، عن معمر، عن ابن طاووس، عن أبيه، عن ابن عباس . وهو في " مسند أحمد " (٢٨٧٥). وقد أعلّ حديث ابن عباس هذا الحافظ ابن رجب الحنلي في " مشكل الأحاديث الواردة في أن الطلاق الثلاث واحدة " ونقله عنه يوسف بن عبد الهادي في كتابه " سير الحاث إلى علم الطلاق الثلاث " فقال : فهذا الحديث لأئمة الإسلام فيه طريقان : أحدهما : مسلك الإمام أحمد ومن وافقه، وهو يرجع إلى الكلام في إسناد الحديث ولشذوذه وانفراد طاووس به، فإنه لم يتابع عليه، وانفراد الراوي بالحديث مخالفاً للأكثرين هو علة في الحديث يوجب التوقف فيه، وأنه يكون شاذاً أو منكراً إذ لم يُرو معناه من وجه يصح، وهذه طريقة المتقدمين كالإمام أحمد ويحيى القطان، ويحيى بن معين، ومتى أجمع علماء الأمة على اطراح العمل بحديث، وجب اطراحه وترك العمل به . ثم قال ابن رجب : وقد صح عن ابن عباس - وهو راوي الحديث - أنه أفتى بخلاف هذا الحديث ولزوم الثلاثة المجموعة، وقد علل بهذا أحمد والشافعي كما ذكره الموفق ابن قدامة في " المغني " وهذه أيضاً علَّة في الحديث بانفرادها، فكيف وقد انضم إليها علة الشذوذ والإنكار . وانظر في هذه المسألة " الاستذكار " ١٧ / ٧ - ١٨ . وانظر ما قبله .