সুনান আবী দাউদ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سَعْدِ بْنِ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، حَدَّثَنِي خُبَيْبُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ سَمُرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، سُلَيْمَانَ بْنِ سَمُرَةَ عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، أَمَّا بَعْدُ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ فِي وَسَطِ الصَّلاَةِ أَوْ حِينَ انْقِضَائِهَا فَابْدَءُوا قَبْلَ التَّسْلِيمِ فَقُولُوا " التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ وَالصَّلَوَاتُ وَالْمُلْكُ لِلَّهِ ثُمَّ سَلِّمُوا عَلَى الْيَمِينِ ثُمَّ سَلِّمُوا عَلَى قَارِئِكُمْ وَعَلَى أَنْفُسِكُمْ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى كُوفِيُّ الأَصْلِ كَانَ بِدِمَشْقَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ دَلَّتْ هَذِهِ الصَّحِيفَةُ عَلَى أَنَّ الْحَسَنَ سَمِعَ مِنْ سَمُرَةَ .
সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে আদেশ করেছেন যে, সালাতের মধ্যভাগে (দ্বিতীয় রাক‘আতের তাশাহহুদ বৈঠকে) অথবা সালাতের শেষ দিকে সালাম ফিরানোর পূর্বে তোমরা পাঠ করবেঃ “আত্তাহিয়্যাতুত্ ত্বায়্যিবাতু ওয়াস্-সলাওয়াতু ওয়াল মুল্কু লিল্লাহি”। এরপর ডান দিকে সালাম ফিরাবে। অতঃপর ইমাম ও নিজেদের সালাম দিবে।
দুর্বল।
ইমাম আবূ দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, সুলায়মান ইবনু মূসা কূফার অধিবাসী ছিলেন। তিনি দামেশ্ক শহরে বসবাস করতেন। ইমাম আবূ দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) আরো বলেন, সুলায়মান ইবনু মূসার এ সহীফাহ প্রমাণ করে, আল-হাসান সামুরাহ (রহ:) ইবনু জুনদুব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে হাদীস শুনেছেন। [৯৭৫]
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، خبیب بن سلیمان مجہول و جعفر بن سعد ضعیف ، (انوار الصحیفہ ص 47)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف ، جعفر بن سعد ضعيف، وخبيب بن سليمان بن سمرة وأبوه مجهولان . وضعفه الحافظ ابن حجر في " التلخيص " ١ / ٢٦٧ و ٢٧١ . وأخرجه البيهقي ٢ / ١٨١ من طريق أبي داود، بهذا الإسناد . وأخرجه الطبراني ( ٧٠١٨ ) من طريق يحيى بن حسان، به . وستأتي قطعة السلام على الإمام من طريق آخر برقم ( ١٠٠١ ).
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ قُلْنَا أَوْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمَرْتَنَا أَنْ نُصَلِّيَ عَلَيْكَ وَأَنْ نُسَلِّمَ عَلَيْكَ فَأَمَّا السَّلاَمُ فَقَدْ عَرَفْنَاهُ فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ قَالَ " قُولُوا اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ " .
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম অথবা লোকজন বললো, হে আল্লাহর রাসূল ! আপনি আমাদেরকে আপনার উপর দরুদ ও সালাম পড়ার আদেশ করেছেন। সালাম পাঠের নিয়ম আমরা জানতে পেরেছি। কিন্তু আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করবো? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বলো- “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ”- (অর্থঃ হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষন করুন যেরূপ রহমত বর্ষন করেছেন ইবরাহীমের উপর। আপনি ইবরাহীমকে যেমন বরকত দান করেছেন তেমনি মুহাম্মাদ ও তাঁর বংশধরদের বরকত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহান।)
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (6357) صحیح مسلم (406)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . الحكم : هو ابن عتيبة، وابن أبي ليلى : هو عبد الرحمن . وأخرجه البخاري ( ٦٣٥٧ ) ، ومسلم ( ٤٠٦ ) ( ٦٦ ) و ( ٦٧ ) ، والنسائي في " الكبرى " ( ١٢١٣ ) ، وابن ماجه ( ٩٠٤ ) من طرق عن شعبة، بهذا الإسناد . ولفظه عندهم : " على آل إبراهيم " في الموضعين، وزاد : " إنك حميد مجيد " بعد الصلاة أيضاً . وهو في " مسند أحمد " ( ١٨١٠٥ ) ، و " صحيح ابن حبان " ( ٩١٢ ). وأخرجه مسلم ( ٤٠٦ ) ( ٦٨ ) ، والترمذي ( ٤٨٩ ) ، والنسائي ( ١٢١٢ ) من طرق عن الحكم، به . ولفظ الترمذي : " كما صليت على إبراهيم … كما باركت على إبراهيم " ، ولفظ النسائي : " على إبراهيم وآل إبراهيم " في الموضعين، ولم يسق مسلم لفظه . وأخرجه البخاري ( ٣٣٧٠ ) من طريق عبد الله بن عيسى، عن ابن أبي ليلى، به، بلفظ : " على إبراهيم وآل إبراهيم " في الموضعين . قال الحافظ في " الفتح " ١١ / ١٥٦ : والحق أن ذكر محمد وإبراهيم، وذكر آل محمد وآل إبراهيم ثابت في أصل الخبر، وإنما حفظ بعض الرواة ما لم يحفظ الآخر . وانظر ما سيأتي بالأرقام ( ٩٧٧ ) و ( ٩٧٨ ).
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ " صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ " .
শু’বাহ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, শু’বাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বর্ণিত হাদীসে আছেঃ “সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা ‘আলি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা”।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (6357) صحیح مسلم (406)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . وانظر ما قبله .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ بِشْرٍ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنِ الْحَكَمِ، بِإِسْنَادِهِ بِهَذَا قَالَ " اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الزُّبَيْرُ بْنُ عَدِيٍّ عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى كَمَا رَوَاهُ مِسْعَرٌ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ " كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ " . وَسَاقَ مِثْلَهُ .
ইমাম আবূ দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনুল ‘আলা তার সানাদে ইবনু বিশ্র ও মিস্’আরের মাধ্যমে হাকাম হতে হাদীসটি বর্ণনার পর দরূদ পাঠ সম্পর্কে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা ‘আলি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ইন্নাকা হামিদুম্ মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা ‘আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।”
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
ইমাম আবূ দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, হাদীসটি যুবাইর ইবনু ‘আদী (রাহিমাহুল্লাহ) ইবনু আবূ লায়লাহ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে মিস্’আরের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে সেখানে শুধু “কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা” এর স্থলে “কামা সল্লাইতা ‘আলা ‘আলি ইবরাহীমা” কথাটি উল্লেখ করেছেন। হাদীসের অবশিষ্ট অংশ মিস্’আর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (6357) صحیح مسلم (406)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . ابن بشر : هو محمد، ومسعر : هو ابن كدام . وأخرجه البخاري ( ٤٧٩٧ ) ، ومسلم ( ٤٠٦ ) ( ٦٧ ) و ( ٦٨ ) ، والترمذي ( ٤٨٩ ) من طريق مسعر، بهذا الإسناد . ولفظ البخاري : " آل إبراهيم " في الموضعين، ولفظ الترمذي : " على إبراهيم " في الموضعين، ولم يسق مسلم لفظه . وهو في " مسند أحمد " ( ١٨١٢٧ ).
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، أَنَّهُ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو حُمَيْدٍ السَّاعِدِيُّ، أَنَّهُمْ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ قَالَ " قُولُوا اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ " .
আবূ হুমাইদ আস-সাইদী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, লোকেরা জিজ্ঞাসা করলো, হে আল্লাহর রাসূল ! আমরা আপনার উপর কিভাবে দরূদ পড়বো? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বলোঃ “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়াতিহি কামা সল্লাইতা ‘আলা ‘আলি ইবরাহীমা ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়াতিহি কামা বারাকতা ‘আলা ‘আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ”। (অর্থঃ হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও সন্তান-সন্তদির উপর রহমত বর্ষণ করুন যেমনি ইবরাহীমের অনুসারী ও বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। এবং আপনি মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রীগণ ও সন্তান-সন্তদির উপর বরকত নাযিল করুন যেমনি ইবরাহীমের অনুসারী ও বংশধরদের উপর বরকত নাযিল করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহান।)
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح بخاری (3369) صحیح مسلم (407)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . القعنبي : هو عبد الله بن مسلمه، وابن السرح : هو أحمد بن عمرو . وهو في " موطأ مالك " ١ / ١٦٥، ومن طريقه أخرجه البخاري ( ٣٣٦٩ ) و ( ٦٣٦٠ ) ، ومسلم ( ٤٠٧ ) ، والنسائي في " الكبرى " ( ١٢١٨ ) ، وابن ماجه ( ٩٠٥ ). وهو في " مسند أحمد " ( ٢٣٦٠٠ ).
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُجْمِرِ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، - وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ هُوَ الَّذِي أُرِيَ النِّدَاءَ بِالصَّلاَةِ - أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ قَالَ أَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَجْلِسِ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ فَقَالَ لَهُ بَشِيرُ بْنُ سَعْدٍ أَمَرَنَا اللَّهُ أَنْ نُصَلِّيَ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ فَسَكَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى تَمَنَّيْنَا أَنَّهُ لَمْ يَسْأَلْهُ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قُولُوا " . فَذَكَرَ مَعْنَى حَدِيثِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ زَادَ فِي آخِرِهِ " فِي الْعَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ " .
আবূ মাস’উদ আল-আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মাজলিসে আমাদের নিকট আসলেন। তখন বাশীর ইবনু সা’দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আল্লাহ আমাদেরকে আপনার উপর দরূদ পাঠের আদেশ করেছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়বো? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা আক্ষেপ করতে ছিলাম যে, তাঁকে প্রশ্নটি না করাই ভাল ছিল। পরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বলো…… অতঃপর বর্ণনাকারী কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেন। তবে হাদীসের শেষাংশে শুধু “ফিল আলামীনা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ” কথাটি বৃদ্ধি করেছেন।
সহীহঃ মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (406)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . أبو مسعود الأنصاري : هو عقبة بن عمرو . وهو في " موطأ مالك " ١ / ١٦٥ - ١٦٦، ومن طريقه أخرجه مسلم ( ٤٠٥ ) ، والترمذي ( ٣٤٩٩ ) ، والنسائي في " الكبرى، ( ١٢٠٩ ). وهو في " مسند أحمد " ( ٢٢٣٥٢ ) ، و " صحيح ابن حبان " ( ١٩٥٨ ). وأخرجه النسائي ( ١٢١٠ ) من طريق محمد، عن عبد الرحمن بن بشر، عن أبي مسعود . وانظر ما بعده .
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو، بِهَذَا الْخَبَرِ قَالَ " قُولُوا اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الأُمِّيِّ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ " .
ইমাম আবূ দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনু ইউসুফ, যুহাইর, মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক্ব, মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনুল হারিস এবং মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদের মাধ্যমে ‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা বলোঃ “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন নাবীইল উম্মীয়ি ওয়া ‘আলা ‘আলি মুহাম্মাদিন।”
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح ، أخرجہ الحاکم (1/268 وسندہ حسن) وانظر الحدیث السابق (980)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن من أجل محمد بن إسحاق، وقد صرح بالتحديث فانتفت شبهة تدليسه . وأخرجه النسائي في " الكبرى " ( ٩٧٩٤ ) من طريق محمد بن إسحاق، بهذا الإسناد . وهو في " مسند أحمد " ( ١٧٠٧٢ ) ، و " صحيح ابن حبان " ( ١٩٥٩ ). وانظر ما قبله .
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ يَسَارٍ الْكِلاَبِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو مُطَرِّفٍ، عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ كَرِيزٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْهَاشِمِيُّ، عَنِ الْمُجْمِرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَكْتَالَ بِالْمِكْيَالِ الأَوْفَى إِذَا صَلَّى عَلَيْنَا أَهْلَ الْبَيْتِ فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ وَأَزْوَاجِهِ أُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ وَذُرِّيَّتِهِ وَأَهْلِ بَيْتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ " .
আবু হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কেউ যদি আমাদের আহলি বাইতের উপর দরূদ পড়ার পুরো সওয়াব পেতে চায় সে যেন এভাবে বলেঃ “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিনিন নাবীয়্যি ওয়া আয্ওয়াজিহি উম্মাহাতিল মু’মিনীনা ওয়া যুর্রিয়াতিহি ওয়া আহলি বাইতিহি কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ”। (অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি নবী মুহাম্মাদ, তাঁর স্ত্রী উম্মাতাহিল মু’মিনীন, তাঁর সন্তানাদি ও আহলি বাইতের উপর রহমাত বর্ষণ করুন যেমনি রহমাত বর্ষণ করেছেন ইবরাহীমের উপর। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহান।” [৯৮২]
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، حبان بن یسار: ضعیف ضعفہ أبو حاتم وغیرہ،واختلط بآخرۃ،وفي حدیثہ اختلاف أیضًا ، (انوار الصحیفہ ص 47)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده ضعيف ، حبان بن يسار الكلابي كان قد اختلط، ومحمد بن علي الهاشمي قال الحافظ في " التقريب ": كأنه أبو جعفر الباقر أو آخر مجهول، وقد اختلف على حبان بن يسار في إسناده : فأخرجه البخاري في " التاريخ الكبير " ٣ / ٨٧، والعقيلي في ترجمة حبان من " الضعفاء " ١ / ٣١٨، والبيهقي ٢ / ١٥١ من طريق موسى بن إسماعيل التبوذكي، بهذا الإسناد . وأخرجه النسائي في " مسند علي " - كما في " النكت الظراف " لابن حجر ( ١٤٦٤٥ ) - والدولابي في " الكنى " ١ / ١٧٣، والعقيلي في " الضعفاء " ١ / ٣١٨، وابن عدي في " الكامل " ٢ / ٨٣٠ من طريق عمرو بن عاصم الكلابي، عن حبان بن يسار، عن عبدالرحمن بن طلحة الخزاعي، عن محمد الباقر، عن محمد ابن الحنفية، عن علي مرفوعاً . وعبد الرحمن بن طلحة مجهول . قال الحافظ في " الفتح " ١١ / ١٥٧ : ورواية موسى أرجح، ويحتمل أن يكون لحبان فيه سندان . وقال السخاوي في " القول البديع ": رواية موسى أرجح، لأنه أحفظ . قلنا : لكن أعله البخاري في " التاريخ " برواية مالك له عن نعيم بن عبد الله المجمر، عن محمد بن عبد الله بن زيد، عن أبي مسعود . قال : وهذا أصح . قلنا : سلفت رواية مالك هذه برقم ( ٩٨٠ ). وحديث أبي حميد السالف برقم ( ٩٧٩ ) بنحوه .
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا فَرَغَ أَحَدُكُمْ مِنَ التَّشَهُّدِ الآخِرِ فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ أَرْبَعٍ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ " .
আবূ হুরাইরাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহুদ পাঠ শেষ করবে তখন সে যেন আল্লাহর নিকট চারটি বস্তু হতে আশ্রয় প্রার্থনা করে। (তা হলো): জাহান্নামের আযাব হতে, কবরের আযাব হতে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ হতে এবং মাসীহ দাজ্জালের অনিষ্ট হতে।
সহীহঃ মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (588)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . الأوزاعي : هو عبد الرحمن بن عمرو . وهو في " مسند أحمد " ( ٧٢٣٧ ). وأخرجه مسلم ( ٥٨٨ ) ، والنسائي في " الكبرى " ( ١٢٣٤ ) ، وابن ماجه ( ٩٠٩ ) من طريق الأوزاعي، بهذا الإسناد . وأخرج أمره ﷺ بهذا الدعاء دون تقييده بآخر التشهد النسائيُّ في " الكبرى " ( ٧٦٧٥ ) من طريق عبد الرحمن بن هرمز الأعرج، و ( ٧٨٩٥ ) من طريق أبي علقمة، و ( ٧٨٩٧ ) من طريق طاووس، و ( ٧٩٠٣ ) من طريق عبد الله بن شقيق، و ( ٧٩٠٤ ) من طريق أبي سلمة، خمستهم عن أبي هريرة . وأخرجه من فعله ﷺ ( كان يدعو …) البخاري ( ١٣٧٧ ) ، ومسلم ( ٥٨٨ ) ، والنسائي في " الكبرى " ( ٢١٩٨ ) من طريق أبي سلمة، والنسائى ( ٧٨٩٣ ) و ( ٧٨٩٤ ) من طريق أبي علقمة، و ( ٧٨٩٨ ) من طريق الأعرج، و ( ٧٨٩٩ ) و ( ٧٩٠٦ ) من طريق سليمان بن سنان، أربعتهم عن أبي هريرة .
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ الْيَمَامِيُّ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ بَعْدَ التَّشَهُّدِ " اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত তাশাহুদের পর বলতেনঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবি জাহান্নাম, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবরি, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দাজ্জাল, ওয়া আ’উযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি”। (অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি জাহান্নামের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব হতে, আশ্রয় প্রার্থনা করছি দাজ্জালের ফিতনাহ হতে এবং আশ্রয় প্রার্থনা করছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ হতে)।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح ، ورواہ مسلم (590) من حدیث طاوس بہ وانظر الحدیث الآتي (1543)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح ، وهذا إسناد حسن من أجل محمد بن عبد الله بن طاووس، وباقي رجاله ثقات . وأخرجه بنحوه ابن ماجه ( ٣٨٤٠ ) من طريق كريب، عن ابن عباس . وسيأتي برقم ( ١٥٤٢ ).
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو أَبُو مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ عَلِيٍّ، أَنَّ مِحْجَنَ بْنَ الأَدْرَعِ، حَدَّثَهُ قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسْجِدَ فَإِذَا هُوَ بِرَجُلٍ قَدْ قَضَى صَلاَتَهُ وَهُوَ يَتَشَهَّدُ وَهُوَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا اللَّهُ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوبِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ . قَالَ فَقَالَ " قَدْ غُفِرَ لَهُ قَدْ غُفِرَ لَهُ " . ثَلاَثًا
মিহজান ইবনুল আদরা’ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে প্রবেশ করে দেখলেন, এক ব্যক্তি সালাত শেষে তাশাহুদ পড়ছে এবং সে এটাও পড়ছে যে, “হে আল্লাহ, হে একক ও অমুখাপেক্ষী আল্লাহ, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি, তাঁর সমকক্ষও কেউ নেই, আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি, আপনি আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আপনি ক্ষমাশীল ও মেহেরবান।” মিহজান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, লোকটির এ দু‘আ শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। তিনি একথা তিনবার বললেন।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح ، أخرجہ النسائي (1302 وسندہ صحیح) وصححہ ابن خزیمۃ (724 وسندہ صحیح)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . عبد الوارث : هو ابن سعيد العنبري، وحسين المعلم : هو ابن ذكوان . وأخرجه النسائي في " الكبرى " ( ١٢٢٥ ) و ( ٧٦١٨ ) من طريق عبد الوارث بن سعيد، بهذا الإسناد . وهو في " مسند أحمد " ( ١٨٩٧٤ ). وسيأتي بنحوه برقم ( ١٤٩٣ ) من طريق مالك بن مغول، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه . فجعله من حديث بريدة . قال أبو حاتم فيما نقله عنه ابنه في " العلل " ٢ / ١٩٧ - ١٩٨ : وحديث عبد الوارث أشبه . قلنا : كذا قال أبو حاتم، ولا وجه لترجيح إحدى الروايتين على الأخرى، فإن ألفاظهما متباينة، فلا مانع أن يكونا قصتين، وأن يكون ابن بريدة رواهما جميعاً .
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الْكِنْدِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، - يَعْنِي ابْنَ بُكَيْرٍ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ مِنَ السُّنَّةِ أَنْ يُخْفَى التَّشَهُّدُ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাশাহুদ আস্তে পড়া সুন্নাত।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح ، مشکوۃ المصابیح (918) ، وللحدیث شواھد عند الحاکم (1/230) وغیرہ وھو بھا صحیح
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح ، محمد بن إسحاق - وإن كان مدلساً ورواه بالعنعنة - قد توبع . الأسود : هو ابن يزيد النخعي . وأخرجه الترمذي ( ٢٩١ ) ، والبزار ( ١٦٤٣ ) عن عبيد الله بن سعيد الكندي، بهذا الإسناد . وقال الترمذي : حديث حسن غريب . وأخرجه البيهقي ٢ / ١٤٦ من طريق أحمد بن خالد الوهبي، عن محمد بن إسحاق، به . وأخرجه الحاكم ١ / ٢٣٠ - وعنه البيهقي ٢ / ١٤٦ - من طريق الحسن بن عبيد الله النخعي، عن عبد الرحمن بن الأسود، به . وإسناده صحيح .
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُعَاوِيِّ، قَالَ رَآنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَأَنَا أَعْبَثُ بِالْحَصَى فِي الصَّلاَةِ فَلَمَّا انْصَرَفَ نَهَانِي وَقَالَ اصْنَعْ كَمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ . فَقُلْتُ وَكَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ قَالَ كَانَ إِذَا جَلَسَ فِي الصَّلاَةِ وَضَعَ كَفَّهُ الْيُمْنَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَقَبَضَ أَصَابِعَهُ كُلَّهَا وَأَشَارَ بِأُصْبُعِهِ الَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ وَوَضَعَ كَفَّهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى .
‘আলী ইবনু ‘আবদুর রহমান আল-মু’আবী (রাহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে সালাতের মধ্যে নুড়ি পাথর দিয়ে অনর্থক নাড়াচাড়া করতে দেখলেন। অতঃপর যখন তার সালাত শেষ হলো তিনি আমাকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে যা করতেন তুমিও তাই করবে। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত কি করতেন? তিনি বললেন, সালাতেরত অবস্থায় তিনি যখন বসতেন তখন তাঁর ডান হাতের তালু ডান উরুর উপর রাখতেন এবং সব আঙ্গুল বন্ধ করে রাখতেন আর বৃদ্ধাঙ্গুলির পাশের (শাহাদাত) অঙ্গুলি দ্বারা ইশারা করতেন, আর বাম হাতের তালু বাম পায়ের উরুর উপর রাখতেন।
সহীহঃ মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (580)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . القعنبي : هو عبد الله بن مسلمة . وهو فى " موطأ مالك " ١ / ٨٨، ومن طريقه أخرجه مسلم ( ٥٨٠ ) ( ١١٦ ) ، والنسائي في " الكبرى " ( ١١٩١ ). وأخرجه مسلم ( ٥٨٠ ) ( ١١٦ ) ، والنسائى في " الكبرى " ( ٧٥١ ) و ( ١١٩٠ ) من طرق عن مسلم بن أبي مريم، به . وهو في " مسند أحمد " ( ٤٥٧٥ ) و ( ٥٣٣١ ) ، و " صحيح ابن حبان " ( ١٩٤٢ ) و ( ١٩٤٧ ). وأخرجه دون قصة العبث بالحصى مسلم ( ٥٨٠ ) ( ١١٤ ) و ( ١١٥ ) ، والترمذي ( ٢٩٤ ) ، والنسائي ( ١١٩٣ ) ، وابن ماجه ( ٩١٣ ) من طريق نافع، عن ابن عمر . وانظر في باب مسح الحصى في الصلاة حديث أبي ذر السالف برقم ( ٩٤٥ ) ، وحديث معيقيب السالف برقم ( ٩٤٦ ).
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا عَامِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَعَدَ فِي الصَّلاَةِ جَعَلَ قَدَمَهُ الْيُسْرَى تَحْتَ فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَسَاقِهِ وَفَرَشَ قَدَمَهُ الْيُمْنَى وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى رُكْبَتِهِ الْيُسْرَى وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَأَشَارَ بِأُصْبُعِهِ . وَأَرَانَا عَبْدُ الْوَاحِدِ وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে (তাশাহুদ) বৈঠকে তাঁর বাম পা ডান উরু ও নলার নীচে রাখতেন এবং ডান পা বিছিয়ে দিতেন, বাম হাত বাম হাটুর উপর এবং ডান হাত ডান উরুর উপর রাখতেন ও (শাহাদাত) আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন। বর্ণনাকারী ‘আফ্ফান বলেন, ‘আবদুল ওয়াহিদ ইবনু যিয়াদ আমাদেরকে শাহাদাত আঙুল দ্বারা ইশারা করে দেখিয়েছেন।
সহীহঃ মুসলিম।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: صحیح مسلم (579)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . عفان : هو ابن مسلم الباهلي . وأخرجه مسلم ( ٥٧٩ ) ( ١١٢ ) من طريق عبد الواحد بن زياد، بهذا الإسناد . وأخرجه بنحوه النسائي في " الكبرى " ( ٧٤٩ ) من طريق مخرمة بن بكير، عن عامر، به . وانظر ما سيأتي برقم ( ٩٨٩ ) و ( ٩٩٠ ).
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ الْمِصِّيصِيُّ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ زِيَادٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ ذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُشِيرُ بِأُصْبُعِهِ إِذَا دَعَا وَلاَ يُحَرِّكُهَا . قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ وَزَادَ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَامِرٌ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَدْعُو كَذَلِكَ وَيَتَحَامَلُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى .
‘আবদুল্লাহ ইব্নুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত দু‘আ পাঠকালে আঙুল দ্বারা ইশারা করতেন, অবশ্য আঙুল নাড়তেন না।
দুর্বল।
ইবনু জুরাইজ বলেন, ‘আমর ইবনু দীনারের বর্ণনায় একথাও আছে যে, ‘আমির তাকে জানান যে, তার পিতা ‘আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দু‘আর সময় আঙুল দ্বারা ইশারা করতে দেখেছেন এবং তখন তিনি তাঁর বাম হাত বাম উরুর উপর রাখতেন।
সহীহ।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: شاذ بقوله ولا يحركها
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن ، قال معاذ: ابن عجلان صرح بالسماع عند البیہقی فی الخلافیات (2/ 400 ح 1779 وسندہ حسن) ولہ شاھد عن ابن عمر رضی اللہ عنھما، قال ابن حبان: حدثنا عمر بن محمد الہمداني (ابن بجیر) ثنا زيد بن أخزم (ابو طالب) ثنا أبو عامر العقدي ثنا كثير بن زيد (الاسلمی السھمی کذا فی العلل للدارقطنی، وھو صدوق حسن الحدیث وثقہ الجمھور) عن مسلم بن أبي مريم عن نافع عن ابن عمر رضی اللہ عنھما أنہ كان يضع يدہ اليمنی علی ركبتہ اليمنی ويدہ اليسری علی ركبتہ اليسری ويشير بإصبعہ ولا يحركہا ويقول إنہا مذبة الشيطان ويقول كان رسول اللہ ﷺ يفعلہ۔ (کتاب الثقات: 7/ 447 وسندہ حسن) وانظر (تاریخ بغداد وذیولہ / لابن نجار: 19/ 219 رقم: 1083 فی ترجمۃ: عمران بن محمد، أبو عاصم الأنصاري، يعرف بالمسجدي والعسكري) قلت: والتطبیق أي لا یحرکھا حتی یدعو بھا۔ وقال الشیخ تنویر الحق الترمذی: ای لایحرکھا تحریکات شدیدًا ومسلسلًا۔
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح ، ابن جريج - وهو عبد الملك بن عبد العزيز، وإن كان مدلساً - قد صرح بالتحديث عند النسائي في " الكبرى " ( ١١٩٤ ) ، ومحمد بن عجلان - وإن كان فيه كلام يحطه عن رتبة الصحيح - قد توبع . حجاج : هو ابن محمد المصيصي، وزياد : هو ابن سعد . وأخرجه النسائي ( ١١٩٤ ) وأبو عوانة ٢ / ٢٢٦، والبيهقي ٢ / ١٣١ من طريق حجاج بن محمد، بهذا الإسناد . وعنوان هذا الحديث عند أبي عوانة : بيان الإشارة بالسبابة إلى القبلة ورمي البصر إليها، وترك تحريكها في الإشارة . وأخرجه دون قوله : " ولا يحركها " مسلم ( ٥٧٩ ) ( ١١٣ ) من طريق أبي خالد الأحمر، عن ابن عجلان، به . ولم يذكر زيادة عمرو . وهو في " صحيح ابن حبان " ( ١٩٤٣ ). وانظر ما قبله . ولا يعارض هذا الحديثَ حديثُ وائل ابن حجر عند النسائي ( ١١٩٢ ) من طريق زائدة بن قدامة، حدثنا عاصم بن كليب، حدثني أبي أن وائل بن حجر قال : قلت : لأنظرن إلى صلاة رسول الله ﷺ كيف يصلي، فنظرت إليه فوصف، قال : ثم قعد وافترش رجله اليسرى، ووضع كفه اليسرى على فخذه وركبته اليسرى، وجعل حد مرفقه الأيمن على فخذه اليمنى، ثم قبض اثنتين من أصابعه، وحلق حلقة ثم رفع إصبعه فرأيته يحركها يدعو بها . وهذا الحديث وإن كان إسناده صحيحاً، فإن قوله : " فرأيته يحركها يدعو بها " لفظة شاذة انفرد بها زائدة بن قدامة من بين أصحاب عاصم بن كليب : سفيان بن عيينة، وخالد الواسطي وقيس بن الربيع، وسلام بن سليم وسفيان الثوري وشعبة وغيرهم، وهؤلاء الأثبات الثقات من أصحاب عاصم لم يذكروا التحريك الذي انفرد به زائدة … وانظر تمام الكلام عليه في ما علقته على " سنن النسائي " فالإشارة هي السنة لا التحريك، وقد أخطأ الألباني ﵀ خطأ مبيناً في صفة الصلاة ص ١٥٨ فجعل التحريك هو الأصل وهو السنة الثابتة بناء على اللفظة الشاذة التي انفرد بها زائدة، ثم إنه أتبع قوله : كأن رفع إصبعه يحركها يدعو ويقول : لهي أشد على الشيطان من الحديد يعني السبابة، وهذا يوهم أنه من تمام حديث وائل بن حجر، وليس كذلك، فإن هذه القطعة من حديث ابن عمر عند أحمد ( ٦٠٠٠ ) ولفظه : كان ابن عمر إذا جلس فى الصلاة وضع يديه على ركبتيه، وأشار بأصبعه وأتبعها بصره، ثم قال : قال رسول الله - ﷺ : " لهي أشد على الشيطان من الحديد " وهذا واضح فى أنه ورد فى الإشارة لا فى التحريك، وإسناده مع هذا ضعيف لضعف كثير بن زيد الأسلمي أحد رواته عند غير واحد من الأئمة . وقد قوَّل الإمام أحمد ما لم يقل فنفل عن " مسائل أحمد ": وسئل هل يشير الرجل بأصبعه فى الصلاة؟ قال : نعم شديداً، ففهم منه التحريك، وأظنه لا يفرق بين الإشارة والتحريك، وإلا فما معنى استشهاده بقول أحمد وقد أجاب عن الإشارة لا التحريك، ونص مذهبه كما فى " المغني " ٢ / ٢١٧ أنه يشير بها ولا يحركها .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا ابْنُ عَجْلاَنَ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِيهِ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ لاَ يُجَاوِزُ بَصَرُهُ إِشَارَتَهُ . وَحَدِيثُ حَجَّاجٍ أَتَمُّ .
‘আমির ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাহিমাহুল্লাহ) তার পিতার সূত্র হতে বর্ণিত, এ হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দৃষ্টি (শাহাদাত আঙুলের) ইশারাকে অতিক্রম করতো না। আর হাজ্জাজ বর্ণিত হাদীসটি অধিক পরিপূর্ণ।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، ابن عجلان صرح بالسماع عند أحمد (4/3)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده قوي من أجل ابن عجلان، وباقي رجاله ثقات . يحيى هو ابن سعيد القطان . وأخرجه النسائي في " الكبرى " ( ١١٩٩ ) من طريق يحيى بن سعيد، بهذا الإسناد . وهو في " مسند أحمد " ( ١٦١٠٠ / ٢ ) ، و " صحيح ابن حبان " ( ١٩٤٤ ). وانظر ما قبله .
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ - حَدَّثَنَا عِصَامُ بْنُ قُدَامَةَ، - مِنْ بَنِي بُجَيْلَةَ - عَنْ مَالِكِ بْنِ نُمَيْرٍ الْخُزَاعِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَاضِعًا ذِرَاعَهُ الْيُمْنَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى رَافِعًا أُصْبُعَهُ السَّبَّابَةَ قَدْ حَنَاهَا شَيْئًا .
মালিক ইবনু নুমাইর আল-খুযাঈ (রাহিমাহুল্লাহ) তার পিতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাত তাঁর ডান হাত ডান উরুর উপর রেখে শাহাদাত আঙুল অর্ধনমিত অবস্থায় উচিয়ে রাখতে দেখেছি।[৯৯১]
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: ضعيف
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ حسن ، أخرجہ النسائي (1272 وسندہ صحیح) وصححہ ابن خزیمۃ (715، 716 وسندھما حسن) مالک بن نمیر وثقہ ابن حبان وابن خزیمۃ بتصحیح حدیثہ فھو حسن الحدیث
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح لغيره دون قوله : قد حناها شيئاً، وهذا إسناد ضعيف لجهالة مالك ابن نمير، وعثان بن عبد الرحمن - وهو الطرائفي - ضعيف يعتبر به، وقد توبع . وأخرجه ابن ماجه ( ٩١١ ) ، والنسائي في " الكبرى " ( ١١٩٥ ) و ( ١١٩٨ ) من طرق عن عصام بن قدامة، به . ولم يرد ذكر الإحناء في رواية ابن ماجه والنسائي في الموضع الأول . وهو في " مسند أحمد " ( ١٥٨٦٦ ) ، و " صحيح ابن حبان " ( ١٩٤٦ ). وله شاهد من حديث عبد الله بن عمر، سلف عند المصنف برقم ( ٩٨٧ ) ، وهو عند مسلم ( ٥٨٠ ). وآخر من حديث عبد الله بن الزبير، سلف أيضاً بالأرقام ( ٩٨٨ - ٩٩٠ ) ، وهو عند مسلم ( ٥٧٩ ). وثالث من حديث وائل بن حجر، سلف أيضاً بالأرقام ( ٧٢٦ ) و ( ٧٢٧ ) و ( ٩٥٧ ).
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَبُّويَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْغَزَّالُ، قَالُوا حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ - أَنْ يَجْلِسَ الرَّجُلُ فِي الصَّلاَةِ وَهُوَ مُعْتَمِدٌ عَلَى يَدِهِ . وَقَالَ ابْنُ شَبُّويَةَ نَهَى أَنْ يَعْتَمِدَ الرَّجُلُ عَلَى يَدِهِ فِي الصَّلاَةِ . وَقَالَ ابْنُ رَافِعٍ نَهَى أَنْ يُصَلِّيَ الرَّجُلُ وَهُوَ مُعْتَمِدٌ عَلَى يَدِهِ . وَذَكَرَهُ فِي بَابِ الرَّفْعِ مِنَ السُّجُودِ . وَقَالَ ابْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ نَهَى أَنْ يَعْتَمِدَ الرَّجُلُ عَلَى يَدَيْهِ إِذَا نَهَضَ فِي الصَّلاَةِ .
ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইমাম আহ্মাদ ইবনু হাম্বাল (রাহিমাহুল্লাহ) এর বর্ণনা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তি সালাত হাতের উপর ঠেস দিয়ে বসতে নিষেধ করেছেন। ইবনু শাব্বুয়াহ এর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি সালাত কাউকে হাতের উপর ঠেস দিতে নিষেধ করেছেন। ইবনু রাফি’ এর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি কাউকে হাতের উপর ঠেস দিয়ে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। তিনি হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, “আর-রাফ্’উ মিনাস্-সুজুদ” অনুচ্ছেদে। ইবনু ‘আবদুল মালিক বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সালাত উঠার সময় হাতের উপর ভর করতে নিষেধ করেছেন।
সহীহঃ তবে শেষ অংশটুকু বাদে। কেননা তা মুনকার।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح إلا بلفظ ابن عبد الملك فإنه منكر
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: * إسنادہ ضعيف ، عبدالرزاق بن ہمام مدلس (الفتح المبین: 2/58 وھو فی الراجح من المرتبۃ الثالثۃ) عنعن و محمد بن عبدالملک الغزال لم یثبت بأنہ سمع منہ قبل اختلاطہ و حدیث أحمد بن حنبل و ابن شبویہ و محمد بن رافع عن عبدالرزاق صحیح لتصریح سماعہ و تحدیثہ قبل اختلاطہ ، (انوار الصحیفہ ص 47)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح . وهو في " مصنف عبد الرزاق ( ٣٠٥٤ ) باللفظ الذي ساقه أحمد بن حنبل . وأخرجه أحمد في " مسنده " ( ٦٣٤٧ ) ، ومن طريقه أخرجه البيهقي ٢ / ١٣٥ . وأخرجه البيهقي ٢ / ١٣٥ من طريق أحمد بن محمد بن شبويه، و ٢ / ١٣٥ من طريق أحمد بن يوسف السلَمي، كلاهما عن عبد الرزاق، بهذا الإسناد . ولفظ السلمى كلفظ ابن شبويه . وأخرجه البيهقي أيضاً ٢ / ١٣٥ من طريق محمد بن رافع، به . وأخرجه البيهقي كذلك ٢ / ١٣٥ من طريق محمد بن عبد الملك الغزال، به . قلنا : ورواية ابن شبويه ومحمد بن رافع لا تخالف رواية الإمام أحمد، وإن كانت رواية الإمام أحمد أبين كما قال البيهقي . وقد أخطأ ابن رافع في فقه الحديث فظن أنه في الاعتماد في الرفع من السجود، فوضعه في ذلك الباب كما حكاه المصنّف . وأخرج ابن المنذر في " الأوسط " ٣ / ١٩٩، وابن أبي شيبة ١ / ٣٩٥، والبيهقي ٢ / ١٣٥ من طريق الأزرق بن قيس، قال : رأيت ابن عمر ينهض في الصلاة ويعتمد على يديه . زاد البيهقي : فقلت لولده وجُلسائه : لعله يفعل هذا من الكبر؟ قالوا : لا، ولكن هذا يكون . وإسناده صحيح . وانظر لزاماً الحديث الآتي برقم ( ٩٩٤ ). وقال ابن المنذر في " الأوسط " ٣ / ١٩٨ - ١٩٩ : واختلفوا في اعتماد الرجل على يديه عند القيام، فروينا عن ابن عمر أنه كان يعتمد على يديه إذا أراد القيام … وهكذا فعل مكحول وعمر بن عبد العزيز وابن أبي زكريا والقاسم أبو عبد الرحمن وأبو مخرمة، وبه قال مالك والشافعي وأحمد بن حنبل، ورأت طائفة أن لا يعتمد على يديه إلا أن يكون شيخاً كبيراً، روي ذلك عن علي . قلنا : هذا الرأي الأخير حكاه ابن هانئ في " مسائله " ( ٢٥٩ ) عن الإمام أحمد أيضاً . وما حكاه عن الإمام أحمد أنه يقول بالاعتماد على اليدين مطلقاً إذا أراد القيام لا يثبت عنه، بل نقل ابن قدامة في " المغني " ٢ / ٢١٣ عن القاضي أنه لا يختلف قول أحمد أنه لا يعتمد على الأرض، إلا أن يشق ذلك عليه فيعتمد على الأرض . ونقل ابنُ قُدامة أن حجة مالك والشافعى حديثُ مالك بن الحُويرث قال في صفة صلاة رسولِ الله ﷺ أنه لما رفع رأسه من السجدة الثانية استوى قاعداً، ثم اعتمد على الأرض . وعزاه للنسائى . قلنا : هو عند البخاري ( ٨٢٤ ) ، والنسائى في " الكبرى " ( ٧٤٣ ). وبقول أحمد قال أبو حنيفة فيما حكاه عنه صاحب " الهداية " مع شرحه " البناية " ٢ / ٢٥٠ - ٢٥٢
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، سَأَلْتُ نَافِعًا عَنِ الرَّجُلِ، يُصَلِّي وَهُوَ مُشَبِّكٌ يَدَيْهِ قَالَ قَالَ ابْنُ عُمَرَ تِلْكَ صَلاَةُ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ .
ইসমাঈল ইবনু উমাইয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাফি’ (র)-কে এক হাতের আঙ্গুল অপর হাতে প্রবেশ করিয়ে সালাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, এটা হলো অভিশপ্ত লোকদের সালাত।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: إسنادہ صحیح
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح موقوفاً . عبد الوارث : هو ابن سعيد . وأخرجه البيهقى ٢ / ٢٨٩ من طريق أبى داود، بهذا الإسناد . وقد روى ابنُ أبى شيبة ٢ / ٧٦ ما يخالف ذلك عن ابن عمر، فقد روى عن أبي داود الطيالسي، عن خليفة بن غالب،. عن نافع، قال : رأيت ابن عمر يشبك بين أصابعه في الصلاة . وإسناده قوي . وروى أيضاً ٢ / ٧٦ عن إسماعيل بن أمية : أنه رأى سالم بنَ عبد الله بن عمر يُشبّك أصابعه في الصلاة . قال في " بذل المجهود " ٥ / ٣٢٧ : وعند الخفية التشبيك مكروه في الصلاة، ولمن كان منتظر الصلاة، أو ماشياً إليها .
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَبِي الزَّرْقَاءِ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، - وَهَذَا لَفْظُهُ - جَمِيعًا عَنْ هِشَامِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ رَأَى رَجُلاً يَتَّكِئُ عَلَى يَدِهِ الْيُسْرَى وَهُوَ قَاعِدٌ فِي الصَّلاَةِ - وَقَالَ هَارُونُ بْنُ زَيْدٍ سَاقِطًا عَلَى شِقِّهِ الأَيْسَرِ ثُمَّ اتَّفَقَا - فَقَالَ لَهُ لاَ تَجْلِسْ هَكَذَا فَإِنَّ هَكَذَا يَجْلِسُ الَّذِينَ يُعَذَّبُونَ .
ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি এক ব্যক্তিকে সালাত বসা অবস্থায় তার বাম হাতের উপর ভর করে থাকতে দেখলেন। হারুন ইবনু যায়িদ বর্ণনা করেন, সে বাম পাশে পড়ে আছে। হাদীসের বাকী অংশ উভয়ে একইরূপে বর্ণনা করেছেন। (তা হলো): ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) লোকটিকে বললেন, এভাবে বসবে না। কারণ যাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে তারাই এভাবে বসে।
تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن
تحقيق الشيخ زبیر العلیزي الباكستاني: حسن ، رواہ البیھقي (2/136 موقوفًا وسندہ حسن) ورواہ أحمد (2/116 مرفوعًا وسندہ حسن)
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: صحيح مرفوعاً، وهذا إسناد حسنْ فى المتابعات، هشام بن سعد يُعتبر به في المتابعات والشواهد، وقد صح الحديثُ مرفوعاً فهي متابعة قوية لهشام . وأخرجه البيهقي ٢ / ١٣٦ من طريق هشام بن سعد، به . وأخرجه مرفوعاً الحاكم ١ / ٢٧٢، وعنه البيهقي ٢ / ١٣٦ من طريق هشام بن يوسف الصنعانى، عن معمر، عن إسماعيل بن أمية، عن نافع، عن ابن عمر : أن النبي ﷺ نهى رجلاً وهو جالس معتمداً على يده اليسرى فى الصلاة، وقال : " إنها صلاة اليهود ". وهذا إسناد صحيح . قلنا : وهذا الحديث يبين المراد بحديث ابن عمر السالف برقم ( ٩٩٢ ) ، وأنه ليس المراد منه النهي عن الاعتماد على اليد مطلقاً في الصلاة، وإنما حالة معينة كما أفاده البيهقى ٢ / ١٣٥ - ١٣٦ . وبذلك يزول الإشكالُ بينه وبين حديث مالك بن الحويرث، والله تعالى أعلم .