সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ ، عَنْ خَالِدُ بْنُ مَعْدَانَ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رُفِعَتِ الْمَائِدَةُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ , يَقُولُ : ` الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ , غَيْرَ مُودَعٍ , وَلا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا ` .
খাওয়া শেষ হয়ে গেলে তিনি যে দু’আ পাঠ করতেন :
১৪১. আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে দস্তরখানা তুলে নেয়ার সময় এ দু’আ পাঠ করতেন-
الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ , غَيْرَ مُودَعٍ , وَلا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا
“আলহাম্দু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান ত্বইয়্যিবাম মুবা-রাকান্ ফীহি গায়রা মুওয়াদ্দা’ইন ওয়ালা- মুসতাগনান ‘আনহু রব্বানা-”।
অর্থাৎ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এমন প্রশংসা যা অফুরান্ত, পবিত্র ও কল্যাণময়; এমন প্রশংসা যা বর্জন করা যায় না কিংবা তা হতে মুখাপেক্ষীহীন থাকা যায় না। হে আমাদের রব। (আমাদের দু’আ কবুল করে নাও)।[1]
[1] আবু দাউদ, হা/৩৮৫১; মুসনাদে আহমদ, হা/২২২৫৪; ইবনে হিব্বান, হা/৫২১৮; মুস্তাদরকে হাকেম, হা/১৯৩৫।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَكِيعٌ ، عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتُوَائِيِّ ، عَنْ بُدَيْلِ بْنِ مَيْسَرَةَ الْعُقَيْلِيِّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ ، عَنْ أُمِّ كُلْثُومٍ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ الطَّعَامَ فِي سِتَّةٍ مِنْ أَصْحَابِهِ , فَجَاءَ أَعْرَابِيٌّ , فَأَكَلَهُ بِلُقْمَتَيْنِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ` لَوْ سَمَّى لَكَفَاكُمْ ` .
বিসমিল্লাহ বলে খাবার খেলে বরকত হয়:
১৪২. আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ৬ জন সাহাবী নিয়ে খাবার খেতে বসলেন। এমন সময় একজন বেদুঈন এসে দু’গ্ৰাসে সব খাবার খেয়ে ফেলল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে যদি ‘বিসমিল্লাহ’ বলে খাবার শুরু করত তাহলে তোমাদের সবার জন্য তা যথেষ্ট হতো।[1]
[1] ইবনে মাজাহ, হা/৩২৬৪; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫১৪৯; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/২৫১৪; শারহুস সুন্নাহ, হা/২৮২৫। শু’আবুল ঈমান, হা/৫৪৪৬।
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ ، وَمَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ ، قَالا : حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ ، عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ` إِنَّ اللَّهَ لَيَرْضَى عَنِ الْعَبْدِ أَنْ يَأْكُلَ الأَكْلَةَ ، أَوْ يَشْرَبَ الشَّرْبَةَ فَيَحْمَدَهُ عَلَيْهَا ` .
খাবার খেয়ে আল্লাহর প্রশংসা করলে আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান:
১৪৩. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ ঐ বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান, যে এক লোকমা খানা খেয়ে অথবা এক ঢোক পানি পান করে তাঁর বিনিময়ে আল্লাহর প্রশংসা করে।[1]
[1] সহীহ মুসলিম, হা/৭১০৮ সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/৬৮৭২ শারহুস সুন্নাহ, হা/২৮৩১ সিলসিলা সহীহাহ, হা/১৬৫১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২১৬৫৷
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الأَسْوَدِ الْبَغْدَادِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ طَهْمَانَ ، عَنْ ثَابِتٍ ، قَالَ : أَخْرَجَ إِلَيْنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ ، قَدَحَ خَشَبٍ , غَلِيظًا , مُضَبَّبًا بِحَدِيدٍ , فَقَالَ : ` يَا ثَابِتُ ، هَذَا قَدَحُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ` .
১৪৪. সাবিত (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) লোহার পাত লাগানো কাঠের মোটা একটি পেয়ালা আমাদের নিকট বের করলেন। তারপর বললেন, সাবিত! এ হচ্ছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পেয়ালা।[1]
[1] শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০৩৩।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : أَنْبَأَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ ، قَالَ : أَنْبَأَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، قَالَ : أَنْبَأَنَا حُمَيْدٌ ، وَثَابِتٌ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : ` لَقَدْ سَقَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , بِهَذَا الْقَدَحِ الشَّرَابَ كُلَّهُ ، الْمَاءَ , وَالنَّبِيذَ , وَالْعَسَلَ , وَاللَّبَنَ ` .
১৪৫. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ পেয়ালা দ্বারা যাবতীয় পানীয় তথা নবীয, কিসমিস, মধু ও দুধ ইত্যাদি পান করিয়েছি।[1]
[1] সহীহ বুখারী, হা/৫৬৩৮; সহীহ মুসলিম, হা/৫৩৫৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৩৬০৬; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৫৩৯৪; বায়হাকী, হা/১৭১৯২; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০২০।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى الْفَزَارِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : ` كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , يَأْكُلُ الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ ` .
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁচা খেজুরের সাথে শসা খেতেন:
১৪৬. আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁচা খেজুরের সাথে শসা খেতেন।[1]
[1] সহীহ মুসলিম, হা/৫৪৫১; আবু দাউদ, হা/৩৮৩৭; ইবনে মাজাহ, হা/৩৩২৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭৪১; দারেমী, হা/২০৫৮, শরহুস সুন্নাহ, হা/২৮৯৩; জামেউস সগীর, হা/৯০১১; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৫৬।
حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيُّ الْبَصْرِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ : ` أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , كَانَ يَأْكُلُ الْبِطِّيخَ بِالرُّطَبِ ` .
তিনি তাজা খেজুরের সাথে তরমুজ খেতেন :
১৪৭. আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাজা খেজুরের সাথে তরমুজ খেতেন।[1]
[1] আবু দাউদ, হা/৩৮৩৮; ইবনে হিব্বান, হা/২৫৪৬; বায়হাকী, হা/১৪৪১৫; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/২৫০৪৪; জামেউস সগীর, হা/৯০০৯; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৫৭৷
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي ، قَالَ : سَمِعْتُ حُمَيْدًا ، أَوْ قَالَ : حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ ، قَالَ وَهْبٌ : وَكَانَ صَدِيقًا لَهُ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : ` رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , يَجْمَعُ بَيْنَ الْخِرْبِزِ وَالرُّطَبِ ` .
তিনি তাজা তরমুজ ও তাজা খেজুর একত্রে মিলিয়ে খেতেন :
১৪৮. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে খিরবিয ও তাজা খেজুর একত্রে মিলিয়ে খেতে দেখেছি।[1]
[1] সুনানে কুবরা লিন নাসাঈ, হা/৬৬৯২ জামেউস সগীর, হা/৯০৪৭।
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ . ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَعْنٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَالِكٌ ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ : كَانَ النَّاسُ إِذَا رَأَوْا أَوَّلَ الثَّمَرِ جَاءُوا بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَإِذَا أَخَذَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : ` اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي ثِمَارِنَا ، وَبَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا ، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا وَفِي مُدِّنَا ، اللَّهُمَّ إِنَّ إِبْرَاهِيمَ عَبْدُكَ وَخَلِيلُكَ وَنَبِيُّكَ ، وَإِنِّي عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ ، وَإِنَّهُ دَعَاكَ لِمَكَّةَ ، وَإِنِّي أَدْعُوكَ لِلْمَدِينَةِ , بِمِثْلِ مَا دَعَاكَ بِهِ لِمَكَّةَ وَمِثْلِهِ مَعَهُ ` ، قَالَ : ثُمَّ يَدْعُو أَصْغَرَ وَلِيدٍ يَرَاهُ , فَيُعْطِيهِ ذَلِكَ الثَّمَرَ .
নতুন ফল উদ্বোধনকালে তিনি যে দু’আ পাঠ করতেন:
১৪৯. আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবায়ে কেরাম যখন কোন নতুন ফল দেখতেন তখন তাঁরা তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে পেশ করতেন। আর তিনি তা গ্রহণ করে এ মর্মে দু’আ করতেনঃ
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي ثِمَارِنَا ، وَبَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا ، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا وَفِي مُدِّنَا ، اللَّهُمَّ إِنَّ إِبْرَاهِيمَ عَبْدُكَ وَخَلِيلُكَ وَنَبِيُّكَ ، وَإِنِّي عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ ، وَإِنَّهُ دَعَاكَ لِمَكَّةَ ، وَإِنِّي أَدْعُوكَ لِلْمَدِينَةِ , بِمِثْلِ مَا دَعَاكَ بِهِ لِمَكَّةَ وَمِثْلِهِ مَعَهُ
“আল্ল-হুম্মা বা-রিক লানা-ফী সিমা-রিনা-, ওয়াবা-রিক্ব লানা- ফী মাদীনীতিনা- ওয়াবা-রিক লানা-ফী স-ইনা- ওয়াফী মুদ্দিনা-, আল্লা-হুম্মা ইন্না ইবরাহীমা আবদুকা ওয়া খালীলুকা ওয়া নবীয়্যুকা, ওয়া ইন্নী ‘আবদুকা ওয়া নবীয়্যুকা, ওয়া ইন্নাহু দা’আ-কা লিমাক্কাহ, ওয়া ইন্নী আদ’উকা লিলমাদিনাতি বিমিছলি মা- দা’আ-কা বিহী লিমাক্কাতা ওয়া মিছলিহী মা'আহু”।
অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদের ফলসমূহে আমাদের জন্য বরকত দাও, আমাদের শহরে আমাদের জন্য বরকত দাও, আমাদের জন্য আমাদের ‘সা’ এবং আমাদের ‘মুদ্দে’ (পরিমাপ যন্ত্রে) বরকত দাও। হে আল্লাহ! নিশ্চয় ইবরাহীম (আঃ) তোমার বান্দা, তোমার বন্ধু এবং তোমার নবী। আর আমিও তোমার বান্দা ও তোমার নবী। তিনি (ইবরাহীম তো) তোমার কাছে মক্কার জন্য দু’আ করেছিলেন আর আমি তাঁর ন্যায় মদিনার জন্য তোমার কাছে দু’আ করছি এবং এর সঙ্গে আরো সমপরিমাণ দু’আ করছি।
বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি যাকে সর্বকনিষ্ঠ দেখতেন এরূপ ছোট কাউকে ডেকে তাকে সে ফল দিয়ে দিতেন।[1]
[1] সহীহ মুসলিম, হা/৩৪০০ মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৫৬৮; সুনালুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/১০০৬১; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১১৯৯।
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : ` كَانَ أَحَبَّ الشَّرَابِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , الْحُلْوُ الْبَارِدُ ` .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঠান্ডা মিষ্টি পানীয় অধিকতর পছন্দ করতেন :
১৫০. আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঠাণ্ডা মিষ্টি পানীয় অধিকতর পছন্দ করতেন।[1]
[1] মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪১৪৬; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৭২০০; সুনানুল কুবরা হা/৬৮১৫: শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০২৬; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/২৪৬৭৬; জামেউস সগীর, হা/৮৭৫৬; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩০০৬।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ ، عَنْ عُمَرَ هُوَ ابْنُ أَبِي حَرْمَلَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : دَخَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , أَنَا , وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ عَلَى مَيْمُونَةَ , فَجَاءَتْنَا بِإِنَاءٍ مِنْ لَبَنٍ ، فَشَرِبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , وَأَنَا عَلَى يَمِينِهِ , وَخَالِدٌ عَلَى شِمَالِهِ ، فَقَالَ لِي : ` الشَّرْبَةُ لَكَ ، فَإِنْ شِئْتَ آثَرْتَ بِهَا خَالِدًا ` ، فَقُلْتُ : مَا كُنْتُ لأُوثِرَ عَلَى سُؤْرِكَ أَحدًا ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ` مَنْ أَطْعَمَهُ اللَّهُ طَعَامًا ، فَلْيَقُلِ : اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ , وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِنْهُ ، وَمَنْ سَقَاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَبَنًا ، فَلْيَقُلِ : اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ , وَزِدْنَا مِنْهُ ` . ثُمَّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ` لَيْسَ شَيْءٌ يُجْزِئُ مَكَانَ الطَّعَامِ وَالشَّرَابِ , غَيْرُ اللَّبَنِ `
তিনি নিজে পান করে প্রথমে ডান পার্শ্বের ব্যক্তিকে দিতেন :
১৫১. ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমি এবং খালিদ ইবনে ওয়ালীদ (রাঃ) একবার মায়মূনা (রাঃ) এর নিকট গেলাম। তিনি আমাদের জন্য একটি পাত্রে দুধ আনলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা হতে কিছু পান করলেন। সে সময় আমি ছিলাম তাঁর ডানে এবং খালিদ তাঁর বামে। তারপর তিনি আমাকে বললেন, এখন পান করার হক তোমার। তবে ইচ্ছে করলে তুমি খালিদকে তোমার উপর অগ্রাধিকার দিতে পার। এরপর ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমি আপনার উচ্ছিষ্টের ব্যাপারে কাউকে অগ্রাধিকার দিতে সম্মত নই। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ যদি কাউকে কোন খাবার খাওয়ান তাহলে তাঁর বলা উচিত-
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ , وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِنْهُ
“আল্ল-হুম্মা বা-রিক লানা- ফীহি ওয়া আত্ব’ইমনা- খয়রাম্ মিনহু”।
অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি এতে বরকত দাও এবং আমাদেরকে এর চেয়েও বেশি সুস্বাদু খাবার দান করো।
আর যদি আল্লাহ কাউকে দুধ পান করান, তাহলে তাঁর বলা উচিত-
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ , وَزِدْنَا مِنْ
“আল্ল-হুম্মা বা-রিক লানা- ফীহি ওয়াযিদনা- মিনহু”।
অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি এতে আমাদের জন্য বরকত দাও এবং আমাদেরকে এর চেয়েও বেশি দাও।
এরপর বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দুধ ছাড়া এমন কোন বস্তু নেই, যা খাদ্য ও পানীয় উভয়ের কাজ দেয়।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ ، وَمُغِيرَةُ ، عَنِ الشَّعْبِيِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , ` شَرِبَ مِنْ زَمْزَمَ , وَهُوَ قَائِمٌ ` .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানি পান করতেন:
১৫২. ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানি পান করতেন।[1]
[1] সহীহ মুসলিম, হা/৫৪০০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৩৮; শু’আবুল ঈমান, হা/৫৫৮২।
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، قَالَ : رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , ` يَشْرَبُ قَائِمًا , وَقَاعِدًا ` .
১৫৩. আমর ইবনে শু’আইব (রহ.) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি তার পিতামহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দাঁড়িয়ে ও বসে (উভয় অবস্থায়) পান করতে দেখেছি।[1]
[1] সুনানে নাসাঈ, হা/১৩৬১; মুসনাদে আহমাদ, হা/৬৯২৮; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০৪৮।
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارِكِ ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ ، عَنِ الشَّعْبِيِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : ` سَقَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , مِنْ زَمْزَمَ , فَشَرِبَ , وَهُوَ قَائِمٌ ` .
১৫৪. ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যমযমের পানি পান করিয়েছি। আর তিনি তা দাঁড়িয়ে পান করেছেন।[1]
[1] সহীহ বুখারী, হা/১৬৩৭; সহীহ মুসলিম, হা/৫৩৯৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬০৮; ইবনে মাজাহ, হা/৩৪২২ সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৫৩২০; মুজামুস সাগীর, হা/৩৮৯; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০৪৬।
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاءِ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ طَرِيفٍ الْكُوفِيُّ ، قَالا : حَدَّثَنَا ابْنُ الْفُضَيْلِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ ، عَنِ النَّزَّالِ بْنِ سَبْرَةَ ، قَالَ : ` أَتَى عَلِيٌّ ، بِكُوزٍ مِنْ مَاءٍ , وَهُوَ فِي الرَّحْبَةِ , فَأَخَذَ مِنْهُ كَفًّا , فَغَسَلَ يَدَيْهِ , وَمَضْمَضَ , وَاسْتَنْشَقَ , وَمَسَحَ وَجْهَهُ وَذِرَاعَيْهِ وَرَأْسَهُ ، ثُمَّ شَرِبَ وَهُوَ قَائِمٌ ` ، ثُمَّ قَالَ : ` هَذَا وُضُوءُ مَنْ لَمْ يُحْدِثْ ، هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , فَعَلَ ` .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযুর অবশিষ্ট পানি দাঁড়িয়ে পান করতেন :
১৫৫. নাযযাল ইবনে সাবরা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাঃ) রাহবা তথা কুফার মসজিদের বারান্দায় অবস্থানকালে তাঁর জন্য এক মগ পানি আনা হলো। তিনি তা হতে এক অঞ্জলি পানি নিয়ে উভয় হাত ধৌত করলেন। তারপর কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন। এরপর মুখমণ্ডল মাসাহ করলেন। তারপর দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট পানি পান করলেন। এরপর বললেন, যার ওযু ভঙ্গ হয়নি, তাঁর ওযু হচ্ছে এই। (তিনি বলেন) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি এরূপ করতে দেখেছি।[1]
[1] মুসনাদে আহমাদ, হা/৫৮৩।
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، وَيُوسُفُ بْنُ حَمَّادٍ ، قَالا : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ ، عَنْ أَبِي عصَامَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : كَانَ يَتَنَفَّسُ فِي الإِنَاءِ ثَلاثًا إِذَا شَرِبَ ، وَيَقُولُ : ` هُوَ أَمْرَأُ , وَأَرْوَى ` .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পান করার সময় তিনবার শ্বাস নিতেন:
১৫৬. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পান করতেন তখন তিনবার শ্বাস নিতেন এবং বলতেন, তা অধিক স্বাস্থ্যকর ও তৃপ্তিদানে অধিকতর সহায়ক।[1]
[1] সহীহ মুসলিম, হা/৫৪০৫; সহীহ বুখারী, হা/২৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৯৪৬; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৫৩২৯; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৭২০৫; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২১১৯৷
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ ، عَنْ جَدَّتِهِ كَبْشَةِ ، قَالَتْ : ` دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَشَرِبَ مِنْ قِرْبَةٍ مُعَلَّقَةٍ قَائِمًا ، فَقُمْتُ إِلَى فِيهَا فَقَطَعْتُهُ ` .
একদা তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় মশক হতে পানি পান করেন :
১৫৭. কাবশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসলেন। তখন তিনি লটকানো মশক হতে দাড়ানো অবস্থায় পানি পান করলেন। এরপর আমি দাঁড়ালাম এবং মশকের মুখটি কেটে নিলাম।[1]
[1] শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০৪২ শু’আবুল ঈমান, হা/৫৬২৪।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عُزْرَةُ بْنُ ثَابِتٍ الأَنْصَارِيُّ ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : كَانَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ ، يَتَنَفَّسُ فِي الإِنَاءِ ثَلاثًا ، وَزَعَمَ أَنَسٌ ، ` أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , كَانَ يَتَنَفَّسُ فِي الإِنَاءِ ثَلاثًا ` .
আনাস (রাঃ)ও তিন শ্বাসে পানি পান করতেন :
১৫৮. সুমামা ইবনে আবদুল্লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) তিন শ্বাসে পানি পান করতেন এবং বলতেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন শ্বাসে পানি পান করতেন।[1]
[1] ইবনে মাজাহ, হা/৩৪১৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৯৪৭; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০৩৭।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ زَيْدٍ ابْنِ ابْنَةِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، ` أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , دَخَلَ عَلَى أُمِّ سُلَيْمٍ , وَقِرْبَةٌ مُعَلَّقَةٌ , فَشَرِبَ مِنْ فَمِ الْقِرْبَةِ وَهُوَ قَائِمٌ ، فَقَامَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ إِلَى رَأْسِ الْقِرْبَةِ فَقَطَعَتْهَا ` .
১৫৯. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনাস (রাঃ) এর মাতা উম্মে সুলায়ম (রাঃ) এর বাড়ি যান। সেখানে একটি মশক ঝুলন্ত ছিল। এরপর তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় মশকটির মুখ হতে পানি পান করলেন। এরপর উম্মে সুলায়ম (রাঃ) মশকের নিকট পৌছান এবং তাঁর মুখ কেটে নেন।[1]
[1] মুসনাদে আহমাদ, হা/২৭৪৬৮; মুজামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/২০৮১৫।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَرْوِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَتْنَا عَبِيدَةُ بِنْتُ نَائِلٍ ، عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ ، عَنِ أَبِيهَا ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , ` كَانَ يَشْرَبُ قَائِمًا `
১৬০. সা’দ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় পানি পান করতেন।[1]
[1] মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৬৫৪; মুজামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৩৩৭; শারহুল মা'আনী, হা/৬৮৪৮।