হাদীস বিএন


সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ





সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (81)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : ` كَانَتْ قَبِيعَةُ سَيْفِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ فِضَّةٍ ` .




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবসময় যে তরবারি ব্যবহার করতেন, তাঁর নাম ছিল যুলফিকার বা যুলফাকার। এ ছাড়াও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আরো কয়েকটি তরবারি ছিল। সেগুলো হলো,



১. আল মাসূর (উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত)।[1]



২. আল কাষীব (মারাত্মক ধারাল)।



৩. আল বাত্তার (সর্বাধিক কর্তনকারী)।



৪. আল লাহীফ (বেষ্টনকারী)।





৮১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তরবারির বাটের অগ্রভাগ ছিল রৌপ্যের দ্বারা তৈরিকৃত।[2]




[1] এটি তিনি পিতার উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেন। এ তরবারিটি তাঁর প্রথম তরবারী ছিল।

[2] আবু দাউদ, হা/২৫৮৫; সুনানে কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৮২০।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (82)


حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الأَشَجُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ ، قَالَ : ` كَانَ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ أُحُدٍ دِرْعَانِ ، فَنَهَضَ إِلَى الصَّخْرَةِ فَلَمْ يَسْتَطِعْ ، فَأَقْعَدَ طَلْحَةَ تَحْتَهُ ، وَصَعِدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى اسْتَوَى عَلَى الصَّخْرَةِ ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , يَقُولُ : أَوْجَبَ طَلْحَةُ ` .




রাসূলুল্লাহ এর যুগে যুদ্ধের পোশাক বলতে লৌহবর্মকেই বুঝানো হতো। লৌহবর্ম হচ্ছে, এক ধরনের লোহার জামা, যা তরবারির ও তীরের আঘাত থেকে বাঁচার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে এগুলো অনেক যাদুঘরেই সচরাচর দেখতে পাওয়া যায়।





৮২. যুবায়ের ইবনে আওয়াম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি লৌহবর্ম পরিহিত ছিলেন। তিনি পর্বত শৃঙ্গে উঠতে চাইলেন কিন্তু (মারাত্মক জখম হওয়ায়) তা পারলেন না। তাই তিনি তালহা (রাঃ) এর উপর ভর করে পর্বত শৃঙ্গে উঠলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তালহা (আমার শাফায়াত অথবা জান্নাত) ওয়াজিব করে নিল।[1]




[1] সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৬৯৭৯; মুসনাদুল বাযযার, হা/৩৭২; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৫৬০২; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৯৪৫; মিশকাত, হা/৬১১২৷









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (83)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُصَيْفَةَ ، عَنِ السَّائِب بْنِ يَزِيدَ ، ` أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , كَانَ عَلَيْهِ يَوْمَ أُحُدٍ دِرْعَانِ ، قَدْ ظَاهَرَ بَيْنَهُمَا ` .




৮৩. সায়িব ইবনে ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দেহে দুটি লৌহবর্ম ছিল। তিনি ঐ দুটির একটিকে অপরটির উপর পরিধান করেছিলেন।[1]




[1] ইবনে মাজাহ, হা/২৮০৬; শারহুস সুন্নাহ, হা/২৬৫৮ মিশকাত, হা/৩৮৮৬।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (84)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ : أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ مِغْفَرٌ ، فَقِيلَ لَهُ : هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ ، فَقَالَ : ` اقْتُلُوهُ ` .




৮৪. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মক্কায় (বিজয়ী বেশে) প্রবেশ করেন। তখন তাকে বলা হলো, ঐ যে ইবনে খাতাল কাবাগৃহের গিলাফ ধরে ঝুলছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা করো।[1]




[1] সহীহ বুখারী, হা/১৮৪৬; সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৭৪; আবু দাউদ, হা/২৬৮৭; নাসাঈ, হা/২৮৬৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২০৮৭; ইবনে খুযাইমা, হা/৩০৬৩; ইবনে হিব্বান, হা/৩৭১৯; মুসনাদে বাযযার, হা/৬২৯০।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (85)


حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ أَحْمَدَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , دَخَلَ مَكَّةَ عَامَ الْفَتْحِ ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ ، قَالَ : فَلَمَّا نَزَعَهُ جَاءَهُ رَجُلٌ ، فَقَالَ لَهُ : ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ , فَقَالَ : ` اقْتُلُوهُ ` ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ : وَبَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , لَمْ يَكُنْ يَوْمَئِذٍ مُحْرِمًا .




৮৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ তাঁর মাথায় হেলমেট পরিধান করে মক্কায় প্রবেশ করেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তা খুলে রাখেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে সংবাদ দিল যে, ইবনে খাতাল কাবা ঘরের গিলাফ ধরে ঝুলছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা করো।[1]



ইবনে শিহাব (রহঃ) বলেন, এ মর্মে আমার নিকট হাদীস পৌছেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে দিন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না।




[1] মুয়াত্তা মালেক, হা/৯৪৬; সহীহ বুখারী, হা/৪২৪৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/১০৯৫৫।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (86)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ . ح حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَكِيعٌ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : ` دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , مَكَّةَ يَوْمَ الْفَتْحِ , وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ ` .




সে সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীগণের মাঝে পাগড়ি পরিধানের ব্যাপক প্রচলন ছিল। তবে তাঁরা কখনো কখনো শুধু টুপিও পরিধান করতেন। আর খুব কম সময়েই তারা খালি মাথায় থাকতেন। পাগড়ি ছিল তাঁদের সৌন্দর্য ও মর্যাদার পোশাকসমূহের অন্যতম। তাঁরা কেবল সালাতের জন্য পাগড়ি ব্যবহার করতেন না। বরং তাঁরা পোশাকের অংশ হিসেবে সবসময়ই পাগড়ি পরিধান করতেন এবং ঐ অবস্থাতেই সালাত আদায় করতেন।





রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কালো পাগড়ি পরিধান করতেন:



৮৬. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কালো পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় মক্কায় প্রবেশ করেন।[1]




[1] সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৭৫; আবু দাউদ, হা/৪০৭৮; সুনানে নাসাঈ, হা/৫৩৪৪; ইবনে মাজাহ, হা/২৮২২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৯৪৭; ইবনে হিব্বান, হা/৫৪২৫।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (87)


حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ مُسَاوِرٍ الْوَرَّاقِ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ : رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ` يَخْطُبُ عَلَى الْمِنْبَرِ , وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ ` .




তিনি পাগড়ি পরিধান করে খুৎবা প্রদান করতেন:



৮৭. আমর ইবনে হুরায়স (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কালো পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় মিম্বারের উপর খুৎবা দিতে দেখেছি।[1]




[1] সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৭৭; আবু দাউদ, হা/৪০৭৯: ইবনে মাজাহ, হা/১১০৪৷









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (88)


حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَنِيُّ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : ` كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , إِذَا اعْتَمَّ , سَدَلَ عِمَامَتَهُ بَيْنَ كَتِفَيْهِ ` ، قَالَ نَافِعٌ : وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ ، يَفْعَلُ ذَلِكَ ، قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ : وَرَأَيْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ ، وَسَالِمًا يَفْعَلانِ ذَلِكَ .




তিনি পাগড়ির কিছু অংশ দু’কাঁধের মধ্যবর্তী স্থানে ঝুলিয়ে দিতেন:



৮৮. ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পাগড়ি পরিধান করতেন তখন দু’কাঁধের মধ্যবর্তী স্থানে ঝুলিয়ে দিতেন। নাফি’ (রহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাঃ)ও অনুরূপ করতেন। উবায়দুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ ও সালিম (রহঃ) কেও অনুরূপ করতে দেখেছি।[1]




[1] শারহুস সুন্নাহ, হা/৩১০৯; জামেউস সগীর, হা/৮৮০৫; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৭১৭; মিশকাত, হা/৪৩৩৮।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (89)


حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَكِيعٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو سُلَيْمَانَ وَهُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْغَسِيلِ ، عَنْ عِكْرِمَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ` خَطَبَ النَّاسَ , وَعَلَيْهِ عِصَابَةٌ دَسْمَاءُ ` .




তিনি তৈলাক্ত পাগড়িও ব্যবহার করতেন:



৮৯. ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৈলাক্ত পাগড়ি পরিধান করে জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন।[1]




[1] সহীহ বুখারী, হা/৩৮০০।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (90)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَيُّوبُ ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلالٍ ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ ، قَالَ : أَخْرَجَتْ إِلَيْنَا عَائِشَةُ ، كِسَاءً مُلَبَّدًا , وَإِزَارًا غَلِيظًا ، فَقَالَتْ : ` قُبِضَ رُوحُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , فِي هَذَيْنِ ` .




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোটা লুঙ্গি পরিধান করতেন:



৯০. আবু বুরদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আয়েশা (রাঃ) আমাদের সামনে একটি তালিযুক্ত চাদর ও একটি মোটা লুঙ্গি বের করে আনেন। তারপর তিনি বললেন, ওফাতের সময় রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এ দুটি কাপড় পরিহিত ছিলেন।[1]




[1] সহীহ বুখারী, হা/১৮৫৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪০৮৩; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৪২০৬।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (91)


حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنْ شُعْبَةَ ، عَنِ الأَشْعَثِ بْنِ سُلَيْمٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَمَّتِي ، تُحَدِّثُ عَنْ عَمِّهَا ، قَالَ : بَيْنَا أَنَا أَمشِي بِالْمَدِينَةِ ، إِذَا إِنْسَانٌ خَلْفِي يَقُولُ : ارْفَعْ إِزَارَكَ ، فَإِنَّهُ أَتْقَى وَأَبْقَى فَإِذَا هُوَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , فَقُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّمَا هِيَ بُرْدَةٌ مَلْحَاءُ ، قَالَ : ` أَمَا لَكَ فِيَّ أُسْوَةٌ ؟ ` فَنَظَرْتُ فَإِذَا إِزَارُهُ إِلَى نِصْفِ سَاقَيْهِ .




তিনি অর্ধ গোছ পর্যন্ত লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরিধান করতেন :



৯১. আশ’আস ইবনে সুলায়েম (রহঃ) বলেন, আমি আমার ফুফু হতে হাদীস শুনেছি। তিনি তাঁর চাচা (উবাইদ ইবনে খালিদ) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি একবার মদিনা যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে একজন লোক পেছন থেকে আমাকে চিৎকার করে বলে উঠলেন, তোমার কাপড় উপরে উঠাও; কারণ, তা অধিকতর (ধূলাবালি হতে) হেফাযতকারী ও স্থায়িত্বদানকারী। আমি পেছনে তাকিয়ে দেখলাম তিনি আর কেউ নন, স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ তো সাদা ডোরা কালো কাপড় (এতে আবার অহংকার করার কি আছে?) তিনি বললেন, আমার মধ্যে কি তোমার জন্য অনুকরণীয় আদর্শ নেই? তখন আমি লক্ষ্য করলাম, তাঁর লুঙ্গি অর্ধ গোছ (হাটুর নিচে ও গোড়ালীর উপর) পর্যন্ত ঝুলন্ত।[1]




[1] সুনানুল কুবরা লিল নাসাঈ, হা/৩৬০৩; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০৭৯; মুসনাদুত তায়ালাসী, হা/১২৮৬; শু’আবুল ঈমান, হা/৫৭৩৭।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (92)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ نَذِيرٍ ، عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ ، قَالَ : أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , بِعَضَلَةِ سَاقِي أَوْ سَاقِهِ , فَقَالَ : ` هَذَا مَوْضِعُ الإِزَارِ ، فَإِنْ أَبَيْتَ فَأَسْفَلَ ، فَإِنْ أَبَيْتَ فَلا حَقَّ لِلإِزَارِ فِي الْكَعْبَيْنِ ` .




তিনি টাখনুর নিচে লুঙ্গি পরিধান করতে নিষেধ করেছেন:



৯২. হুযায়ফা ইবনে ইয়ামান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পায়ের গোছা অথবা (রাবীর সন্দেহ) পায়ের নলার গোশত ধরে বললেন, এ-ই হলো লুঙ্গি পরিধানের নিম্নতম স্থান। তুমি যদি এটাতে তৃপ্তিবোধ না কর তাহলে সামান্য নিচে নামাতে পার। এতেও যদি তুমি তৃপ্তিবোধ না কর, তাহলে জেনে রেখো, লুঙ্গি টাখনুর নিচে পরিধান করার কোন অধিকার তোমার নেই।[1]




[1] ইবনে মাজাহ, হা/৩৫৭২; মুসনাদে আহমাদ হা/২৩৪৫০।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (93)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ ، وَغَيْرُ وَاحِدٍ ، قَالُوا : حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى غُفْرَةَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ مِنْ وَلَدِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، قَالَ : كَانَ عَلِيٌّ إِذَا وَصَفَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : ` كَانَ إِذَا مَشَى تَقَلَّعَ كَأَنَّمَا يَنْحَطُّ مِنْ صَبَبٍ ` .




৯৩. আলী ইবনে আবু তালিব এর নাতী ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাঃ) যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতেন তখন বলতেন, তিনি যখন পথ চলতেন তখন পা তুলে এমনভাবে চলতেন যে, মনে হতো তিনি যেন উঁচু স্থান হতে নিচে অবতরণ করছেন।












সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (94)


حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي ، عَنِ الْمَسْعُودِيِّ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ هُرْمُزَ ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، قَالَ : ` كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا مَشَى , تَكَفَّأَ تَكَفُّؤًا , كَأَنَّمَا يَنْحَطُّ مِنْ صَبَبٍ ` .




৯৪. আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পথ চলতেন তখন সামনের দিকে এমনভাবে ঝুঁকে হাটতেন, মনে হতো তিনি যেন কোন উঁচু স্থান হতে নিচে অবতরণ করছেন।[1]




[1] শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৩৫৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৪৬; মিশকাত, হা/৫৭৯০।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (95)


حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَكِيعٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ صَبِيحٍ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبَانَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ` يُكْثِرُ الْقِنَاعَ , كَأَنَّ ثَوْبَهُ ثَوْبُ زَيَّاتٍ ` .




৯৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায় সবসময় মাথা ঢেকে রাখতেন। তাঁর ঢেকে রাখার বস্ত্রটি (তৈলাক্ত হয়ে) এমন হয়েছিল যে, মনে হতো তা যেন কোন তৈল বিক্রেতার (তৈল মোছার) একখণ্ড বস্ত্র।[1]




[1] শারহুস সুন্নাহ, হা/৩১৬৪।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (96)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيُّ ، وَغَيْرُ وَاحِدٍ , قَالُوا : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ ، عَنْ عَمِّهِ ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ` مُسْتَلْقِيًا فِي الْمَسْجِدِ وَاضِعًا إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الأُخْرَى ` .




৯৬. আব্বাদ ইবনে তামীম (রহঃ) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মসজিদে উর্ধ্বমুখী হয়ে এক পায়ের উপর অপর পা রেখে (শোয়া অবস্থায়) আরাম করতে দেখেছেন।[1]




[1] মুয়াত্তা মালেক, হা/৪১৬; সহীহ বুখারী, হা/৪৭৫; সহীহ মুসলিম, হা/৫৬২৬; নাসাঈ, হা/৭২১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৬৪৯১









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (97)


حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمَدَنِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ ، عَنْ رُبَيْحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ` إِذَا جَلَسَ فِي الْمَسْجِدِ , احْتَبَى بِيَدَيْهِ ` .




৯৭. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহতিবা অর্থাৎ নিতম্বের উপর ভর করে উরুর উপর হাত রেখে মসজিদে বসতেন।[1]




[1] আবু দাউদ, হা/৪৮৪৮; সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৬১২৭; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩৩৫৮; জামেউস সগীর, হা/৮৮৩১; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৮২৭; মিশকাত, হা/৪৮১৩।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (98)


حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ الْبَغْدَادِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنِ إِسْرَائِيلَ ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ ، قَالَ : ` رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , مُتَّكِئًا عَلَى وِسَادَةٍ عَلَى يَسَارِهِ ` .




রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাম কাঁধে বালিশের উপর হেলান দিতেন:



৯৮. জাবির ইবনে সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বাম কাঁধে (হেলান দেয়া অবস্থায়) দেখেছি।[1]




[1] আবু দাউদ, হা/৪১৪৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১০১৩; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৫৮৯; মুসনাদে বাযযার, হা/৪২৭২; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩১২৬; মিশকাত, হা/৪৭১২।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (99)


حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ` أَلا أُحَدِّثُكُمْ بِأَكْبَرِ الْكَبَائِرِ ؟ ` قَالُوا : بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ : ` الإِشْرَاكُ بِاللَّهِ ، وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ ` . قَالَ : وَجَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , وَكَانَ مُتَّكِئًا ، قَالَ : ` وَشَهَادَةُ الزُّورِ ، ` أَوْ ` قَوْلُ الزُّورِ ` ، قَالَ : فَمَا زَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , يَقُولُهَا حَتَّى قُلْنَا : لَيْتَهُ سَكَتَ .




হাদীস বর্ণনার সময়ও বালিশে হেলান দিতেন:



৯৯. আবু বাকরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদেরকে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে বলব না? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপন করা ও পিতামাতার অবাধ্য হওয়া। বর্ণনাকারী বলেন, হাদীস বর্ণনার সময় তিনি বালিশে হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। এরপর তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেন, আর মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করা অথবা মিথ্যা বলা (-ও কবীরা গুনাহ)। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহঃ এ কথা বারবার বলতে থাকেন। এমনকি আমরা মনে মনে বলতে লাগলাম যে, আহ! যদি তিনি চুপ করতেন![1]




[1] সহীহ বুখারী, হা/২৬৫৪ সহীহ মুসলিম, হা/২৬৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/২০৪১০; আদাবুল মুফরাদ, হা/১৫; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২২৯৯।









সহীহ আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মদিয়াহ (100)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا شَرِيكٌ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الأَقْمَرِ ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ` أَمَّا أَنَا , فَلا آكُلُ مُتَّكِئًا ` .




তিনি কখনো ঠেস দেয়া অবস্থায় খেতেন না:



১০০. আবু জুহায়ফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি হেলান দিয়ে আহার করি না।[1]




[1] মুসনাদুল বাযযার, হা/৪২১৪; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/৬৭০৯, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/১৩৭০৬; মুজামুল কাবীর, হা/১৭৮০২: ইবনে হিব্বান, হা/৫২৪০।